05/04/2017
our society......
learn with asking, whatever you want to know . It can be academic, life lesson , religion everything.
05/04/2017
our society......
দ্রুত টাইপ করতে পারাটা এখন একটি দক্ষতা। হালে এ দক্ষতার কদর রয়েছে। দ্রুত টাইপ করতে না পারায় অনেক সময়ের অপচয় হয়। সংক্ষেপে যদি দ্রুত টাইপ করার ‘গোপন রহস্য’ প্রকাশ করতে বলা হয়, তবে মনে রাখতে হবে যে এর জন্য আসলে তেমন কোনো সংক্ষিপ্ত পথ নেই। তবে কিছু পথ আছে, যার মাধ্যমে টাইপ করার দক্ষতাকে নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে বাড়িয়ে নেওয়া যায়।
১. আরামদায়ক জায়গা: দ্রুত টাইপ করার জন্য চাই উপযোগী ও স্বস্তিকর জায়গা। খোলামেলা ও আরামদায়ক জায়গা হলে দ্রুত টাইপ করতে সুবিধা হয়। ল্যাপটপে বা কিবোর্ড নিয়ে দ্রুত টাইপ করতে গেলে তা কোলের ওপর রাখার চেয়ে টেবিলের ওপর রেখে করলে দ্রুত কাজ হবে।
২. ঠিক হয়ে বসা: দ্রুত টাইপ করার জন্য ঠিক হয়ে বসা জরুরি। সোজা হয়ে বসে কবজি যাতে কিবোর্ড বরাবর থাকে, এদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এতে আঙুল কিগুলো ঠিকমতো চালাতে পারবেন। বেশি ঝুঁকে টাইপ না করাই ভালো। আরামদায়ক উচ্চতায় বসে টাইপ করলে দ্রুত টাইপ করা যাবে।
৩. হাত সঠিক স্থানে রাখুন: কিবোর্ডের ওপর ঠিকমতো হাত না রাখার ফলে দ্রুত টাইপ করা যায় না। ভুলভাবে কিবোর্ডের ওপর হাত রাখার ভুলটিই বেশি দেখা যায়। তাই কিবোর্ডে আঙুল রাখার নিয়মটি মনে রাখতে পারেন। বাঁ হাতের তর্জনীতে রাখুন ‘এফ’ কি, মধ্যমাতে ‘ডি’, অনামিকাতে ‘এস’, কড়ে আঙুলে ‘এ’। ডান হাতের তর্জনী রাখুন ‘জে’, মধ্যমাতে ‘কে’, অনামিকাতে ‘এল’ ও কড়ে আঙুল রাখুন ‘সেমিকোলন’ কিতে। বাঁ ও ডান হাতের বৃদ্ধা আঙুল রাখুন স্পেস বারে।
৪. অনুশীলন শুরু: আঙুল ঠিকমতো রাখার পর বিভিন্ন শব্দ টাইপ করতে থাকুন। অনুশীলন চালিয়ে যান। শুরুতে যে কিগুলোতে আঙুল রেখেছেন, তা চেপে টাইপ শুরু করুন। ‘এএসডিএফ’ এরপর স্পেস দিয়ে ‘জেকেএল; ’ এরপর বড় হাতের অক্ষরে এ অক্ষরগুলো টাইপ করার চেষ্টা করুন। এরপর নিচের সারির কিগুলোতে আঙুল রেখে এই কিগুলো টাইপ করুন। একই সঙ্গে ওপরের সারিতে আঙুল রেখে ওই কিগুলো টাইপ করার চেষ্টা করুন। এবার কিবোর্ডের দিকে না তাকিয়েই কিগুলো চেপে টাইপ করার চেষ্টা করতে পারেন।
৫. টাচ টাইপিং শেখা: শুরুতে টাচ টাইপিংয়ের দক্ষতা খুব কঠিন মনে হতে পারে। কিন্তু একবার দক্ষ হয়ে গেলে টাচপ্যাড ব্যবহার করে সবচেয়ে দ্রুত টাইপ করা যায়। টাচ টাইপ শিখতে খুব ধীরে কিবোর্ডের দিকে না তাকিয়ে অনুশীলন শুরু করুন। ধীরে ধীরে আপনার টাইপের গতি বাড়ান। শুরুতে কঠিন মনে হলেও লেগে থাকুন। ধীরে ধীরে দ্রুত টাইপ শিখে যাবেন।
৬. অনুশীলন চালিয়ে যান: দ্রুত টাইপ শেখার জন্য অনুশীলনের বিকল্প নেই। যত টাইপ করবেন, তত দ্রুত ও নির্ভুল টাইপ করা শিখে যাবেন। তবে এ জন্য ধৈর্য থাকতে হবে।
ক্লাসে যদি কোনো মেয়ে ফার্স্ট গার্ল হয়ে যায় তাহলে ঐ মেয়ের মত দেমাগি মেয়ে পৃথিবীতে একটাও থাকে না ! তার সাথে কথা বলা তো দূরের কথা , তার ছায়ায় পা ফেলাটাও পাপ ! tongue emoticon
ফার্স্ট গার্ল যদি অঙ্কে ১০০ থেকে ১ কম পায় তাহলে তো কেঁদে কেঁদে বুক ভাসিয়ে দেয় । মেয়েটা ভীষণ ন্যাকা টাইপের হয় ।
সব টিচাররা তার সাত খুন মাফ করে দেয় ।
ফার্স্ট গার্লরা কোনো ছেলেকে খুব একটা পাত্তা দিতে চায়না । মেয়েটা এত্ত মিষ্টি করে কথা বলে !
যাতে করে সবাই বুঝতে পারে যে মেয়েটা ফার্স্ট গার্ল !
ফার্স্ট গার্ল মেয়েটা একটু বেশিই ইনোসেন্ট হয় !
ক্লাসের ফার্স্ট বয় ছেলেটা পৃথিবীর সেরা আঁতেল টাইপের ! তবে অতিশয় নম্র ও ভদ্র প্রকৃতির হয় । সে দুষ্টু ছেলেদের সাথে মিশতে পছন্দ করে না ।
ক্লাসে কম কথা বলে । ফার্স্ট বেঞ্চে বসে ।
একটু বিশুদ্ধভাবে কথা বলে । চশমা পড়ে ।
ওর মত বইপোকা ক্লাসের মধ্যে আর একটাও থাকেনা ।
কেউ কেউ তাকে আঁতেল বলে । কেউ কেউ সায়েন্টিস্ট । আবার কেউ কেউ হাফ লেডিস ! !
প্রতিটা ক্লাসেই একজন করে প্রতিভাবান কবি থাকেই । উহার ভয়ঙ্কর সব কথার তোপ অনেকের মাথার উপ্রে দিয়া যায় ! ক্লাসের কবিরা কেন জানি প্রেমিক টাইপের হয় । অনেক মেয়েই তার সাথে মিশতে পছন্দ করে ।
কিন্তু সবাই তার ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কীত থাকে । সবাই বলে কবিদের ভাত নাই !
ক্লাসের শিল্পী ছেলে/মেয়েটির কদর সবার কাছে একটু বেশিই থাকে । যে কোন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তারাই তো মঞ্চ কাঁপায় ॥
ক্লাসের এক ঝাঁক দুষ্টু ছেলেরা পেছনের বেঞ্চে বসতেই অনেক স্বাচ্ছন্দবোধ করে । এটা নিয়ম টিয়ম হবে হয়তো !
দজ্জাল টিচারদের চোখ ঐ পেছনের বেঞ্চেই বেশি ফোকাস করে ! ;->
ব্যাক বেঞ্চাররা চিরকাল লাঞ্চনা -বঞ্চনার স্বীকার হয় ! তারা প্রতিবাদ করতে চায় । কিন্তু এই বিদ্রোহটা বার বার বিফলে পরিণত হয় ।
টিচারদের কাছে যত অভিযোগ পত্র জমা হয় তার ৯৬ শতাংশের আসামি ঐ ব্যাক বেঞ্চাররা !
একটা ক্লাসে মধ্যম টাইপের কিছু ছেলে/মেয়ে থাকে । এরা সব সময় হতাশায় ভোগে । এদের দুঃশ্চিন্তা দেখে চিন্তাও হাল ছেড়ে দেয় !
মধ্যম টাইপের ছেলে/মেয়েরা সব সময় দুষ্টু ছেলে-মেয়েদের দ্বারা ফেঁসে যায় ! এবং ক্লাসে এদের কপালেই বেশি পানিশমেন্ট জুটে !
আসলে ছাত্র জীবনের অতীতটা সত্যিই রোমাঞ্চকর
হাইড্রোজেন বোমা
____====______
।
।
প্রথম হাইড্রোজেন বোম বিস্ফোরণ ঘটানো
হয় যুক্তরাষ্ট্রের এনিউইটাকে, ১৯৫২ সালে।
এরপর ১৯৫৩ সালে এ বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়
রাশিয়া (তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন)।
ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং চীনও হাইড্রোজেন
বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে।
এটি থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা নামেও
পরিচিত।
নক্ষত্রের যে প্রক্রিয়ায় আলো তৈরি হয়,
হাইড্রোজেন বোমা ঠিক সেই প্রক্রিয়ায়
কাজে করে।
হাইড্রোজেন বোমায় নিউক্লিয়াস
একীভূতকরণ প্রক্রিয়ায় চারটি হাইড্রোজেন
নিউক্লিয়াসকে সংযুক্ত করে একটি
হিলিয়াম নিউক্লিয়াস গঠন করা হয়। আর এই
একীভূতকরণের সময় সৃষ্টি হয় প্রচণ্ড তাপ।
হাইড্রোজেন বোমার ভেতরে একটি মিনি
সাইজের এটমবোমাও থাকে। বিস্ফোরণের
আগে বোমার ভেতরে একীভবনের ক্রিয়াটি
শুরু করার জন্যই একে ধরে রাখা হয়।
মূল বোমাটি বিস্ফোরণের আগেই এটি
বিস্ফোরিত হয়। তখন তাপমাত্রা অনেক
বেড়ে যায়। এই তাপমাত্রাতেই ডয়টেরিয়াম
ও ট্রিটিয়াম মিলে হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
সৃষ্টির কাজ করে। তাতে তাপমাত্রা বেড়ে
যায় আরো বহুগুণ। এই প্রক্রিয়ায় শুধু
হিলিয়ামই উৎপন্ন হয় না, সঙ্গে সঙ্গে
নিউট্রনও উৎপাদিত হয়। তখন আবার নিউট্রন
বোমার মতো কাজ করতে থাকে এবং একই
ভবন ক্রিয়াকে চালু রাখে। তাই এই বোমা
পারমাণবিক বোমা থেকে অনেক
শক্তিশালী।
হাইড্রোজেন বোমায় হাইড্রোজেনের
ডিউটারিযাম ও ট্রাইটিয়াম নামক দুটি
আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। হাইড্রোজেন
বোমার বিস্ফোরণে লক্ষ লক্ষ ডিগ্রী
তাপমাত্রার সৃষ্টি হয়।
[সংগ্রহীত ও অনূদিত
পড়াশোনা
দ্রুত মাথায় ঢুকিয়ে নিতে এগুলো কার্যকর
উপায়।
১. জোরে পড়ুন : জোরালো কণ্ঠে পড়ুন।
জোরে পড়লে মাথায় তথ্য দ্রুত ঢুকে যায়।
যেমন একটি গান যখন শোনেন, তখন তা দ্রুত
মনে পড়ে। যা পড়ছেন তা কানে প্রবেশ
করলে দ্রুত মুখস্থ হবে।
২. লক্ষ্য স্থির করুন : পড়তে বসলে নিজের
লক্ষ্য স্থির করুন। বইয়ের কত পাতা পর্যন্ত
কত
সময়ের
মধ্যে
শেষ
করবেন
তা
ঠিক
করে
নিন।
নয়তো
মনোযোগ
হারাবেন
এবং
সময়ের
অপচয় হবে।
৩. নিজেই যখন শিক্ষক : নিজেই নিজের
শিক্ষক হয়ে উঠুন। কি পড়লেন, কি মুখস্থ
করলেন ইত্যাদি বুঝতে নিজেই শিক্ষকতা
পালন করুন। নিজেই পরীক্ষা দিন এবং তা
যাচাই করুন।
৪. নোট করুন : যাই শিখবেন তাই লিখে
ফেলুন। এগুলো নোট করুন। লেখা হলে তা
দ্রুত মাথায় ঢুকে যাবে এবং সহজে ভুলবেন
না।
৫. ইন্টারনেটের ব্যবহার : আধুনিক যুগে
পড়াশোনার বড় সুবিধা দেয় ইন্টারনেট।
বিভিন্ন টপিক সম্পর্কে ধারণা নিন। যে
বিষয়ে পড়ছেন তার সংশ্লিষ্ট অনেক
কিছুই হয়তো বইয়ে নেই। এগুলো
ইন্টারনেটে দেখে নিন। এতে ধারণা
পরিষ্কার হবে।
৬. বিরতি দিন : একটানা অনেকক্ষণ পড়লে
অস্থিরতা চলে আসবে। এর জন্যে নিয়মিত
অল্প সময়ের জন্যে বিরতি নিন।
৭. চিউইং গাম : এটি চিবোতে পারেন।
গবেষণায় দেখা গেছে, চিউইং গাম
চিবোতে চিবোতে পড়লে তা মাথায় দ্রুত
প্রবেশ করে। এ সময় মস্তিষ্কের কার্যক্রম
দ্রুত হয় এবং গামের ফ্লেভার বেশ
উপকারী হয়ে ওঠে।
৮. হাঁটুন : বেশ কিছুক্ষণ পড়ার পর ১৫-২০
মিনিট হেঁটে আসুন। এতে দেহের রক্ত
চলাচল বৃদ্ধি পাবে এবং মস্তিষ্ক বিশ্রাম
পাবে
ভুমিকম্প এর ফলে পানি হয়ে যায় সোনা
:
ব্যতিক্রমী এই দিকটির বিষয়ে জানিয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাগাজিন লাইভসায়েন্স ডটকম।
ম্যাগাজিনের প্রতিবেদন অনুযায়ী,
ভূমিকম্পের প্রভাবে পানি সোনায় পরিণত হয়।
আর পৃথিবীর মোট স্বর্ণভাণ্ডারের ৮০ শতাংশ
এভাবেই সৃষ্টি।
অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ডের
ভূপদার্থবিদ অধ্যাপক ডিওন ওয়েদারলি ভূমিকম্পে
পানির সোনায় পরিণত হওয়া নিয়ে একটি মডেল
বানিয়েছেন। সেই মডেলে দেখানো
হয়েছে, কীভাবে ভূমিকম্পের তীব্র
কম্পনে পাথর ও ধাতু চাপে-তাপে সোনায়
রূপান্তরিত হয়।
গত বছরের নেচার জিওসায়েন্স জার্নালে এই
মডেল নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ
করা হয়। সেখানে ডিওন ওয়েদারলি জানান,
ভূমিকম্পের ফলে পানির সোনায় পরিণত হওয়া
একটি প্রাকৃতিক উপায়। তবে পরীক্ষাগারে
কৃত্রিমভাবে পানিকে সোনায় রূপান্তর সম্ভব
হলেও স্বাভাবিক ভূমিকম্পে ভূপৃষ্ঠের ওপর এই
সোনা সৃষ্টি সম্ভব নয়।
ডিওন ওয়েদারলি এ বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন তাঁর পানি
থেকে সোনা তৈরির বিশেষ মডেলের
সাহায্যে। সেখানে দেখানো হয়, ভূমিকম্পে
কীভাবে সাগরতলায় বড় ধরনের চ্যুতির সৃষ্টি হয়।
এই চ্যুতির ফলে সৃষ্ট বড় ফাটল সঙ্গে সঙ্গে
পানি দিয়ে ভরে যায়। এই ফাটলগুলো যত বড় হয়,
ততই এটি ভূ-অভ্যন্তরের লাভার কাছাকাছি পৌঁছায়। আর
অতি উচ্চ তাপমাত্রার লাভায় থাকা সিলিকা, কার্বন
ডাইঅক্সাইড, খনিজ স্ফটিক পানির অক্সিজেনের
সংমিশ্রণে এসে সোনা উৎপন্ন করে।
অধ্যাপক ডিওন ওয়েদারলি আরো জানান, পুরো
বিষয়টি যত সহজে বলে ফেলা যায়, আদতে
বিষয়টি তত সহজ নয়। তাই শত বছর পর কোনো
একটি বিশেষ মাত্রার ভূমিকম্পে প্রকৃতিতে বিপুল
পরিমাণ সোনা উৎপন্ন হয়
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছে-
রেজাল্ট দেখতে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন -
http://dperesult.teletalk.com.bd/
আপনারা যারা এবার উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়ে
ভার্সি. টিতে ভর্তি হতে যাচ্ছেনঃ
আপনারা যে যেই সাবজেক্টেই পড়েন না কেন
অথবা যে বিশ্ববিদ্যালয়েই পড়েন না কেন, ভার্সিটির
প্রথম দিন থেকে শুরু করে চার বছরের ভেতর
নিচের প্রস্তুতিগুলো নিয়ে নিবেন -
১) IELTS এবং TOEFL কোর্স
২) GRE অথবা GMAT
৩) বিসিএস + ব্যাংক জব প্রস্তুতি
এবং
৪) কিছু টাকা সঞ্চয় করে রাখা।
দেশ এবং বিদেশ, দুজায়গাতেই নিজের ক্যারিয়ার
করতে এসব কাজে আসবে।
যে যে বিষয়েই পড়েন না কেন, একটা সময়
আসে যখন অনেকেই সরকারী চাকরী বা ব্যাংক
জবের প্রতি আকৃস্ট হয়। পাশ করার পর এসব প্রস্তুতি
শুন্য থেকে শুরু করতে যেয়ে বেশিরভাগই
অধৈর্য হয়ে পরেন। বিসিএস / ব্যাংক জব এর কোচিং
ধীরে সুস্থে হেসে খেলে ছাত্র জীবনেই
করে রাখলে এটি আপনাকে আত্মবিশ্বাসী করবে
এবং অন্যদের চেয়ে কমপক্ষে এক বছর এগিয়ে
রাখবে।
অন্য যে দেশেই উচ্চশিক্ষার্থে যেতে চান
IELTS লাগবে। আর আমি এখন পর্যন্ত দেখিনি যে
কেউ GRE / GMAT এ ভালো মার্কস পেয়েছে
অথচ আমেরিকাতে স্কলারশিপ পায়নি।
তবে এমন অনেককেই দেখেছি যারা পাশ করার
পর দিশেহারা হয়ে যায়। রোজগার করবে নাকি
বিসিএস কোচিং করবে নাকি Ielts দিবে। পরে দেখা
যায় কিছুই ঠিকমতো করতে পারেনা। তাই পাশ করার
পর সীমিত সময়ে এত কিছু করার প্রেশার নেয়ার
চাইতে ধীরে সুস্থে চার বছর ধরে এসব
প্রিপারেশন / কোচিং one by one করে ফেলুন।
আপনি হয়তো আপনার ফিউচার প্ল্যান ঠিক করে
রেখেছেন। কিন্তু সবকিছু এক প্ল্যান অনুযায়ী
নাও ঘটতে পারে। আপনার নিজের ক্যারিয়ার প্ল্যান
নিয়ে দৃস্টিভংগীও বদলে যেতে পারে। এসব
প্রস্তুতি আপনার সব পথ / ভবিষ্যত সুযোগ /
স্বপ্নজগৎ খোলা রাখবে।
আরেকটা কথা। টাকা জমান। চার বছর পরের জন্য।
এক লাখ টাকা জমান। না পারলে অন্তত পঞ্চাশ হাজার।
প্রতি মাসে এক হাজার টাকা করে চার বছর মেয়াদী
ব্যাংক ডিপিএস খোলা কারো জন্যই খুব কস্টের
হওয়ার কথা না। কিন্তু এই জমানো টাকাই আপনার
একসময় অনেক কাজে আসবে। পাশ করার পর
দেশের বাইরে যাওয়া প্রসেস করতে টাকা লাগে।
অনেকের পাশ করার পর বাসা থেকে হঠাৎ পকেট
মানি পাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। পাশ করা আর ক্যারিয়ার
শুরুর
মাঝখানের ক্রাইসিস সময়টাতে এই জমানো টাকাটা
কাজে আসবে।
চার বছর অনেক সময়। হঠাৎ করে পরিবারের
আর্থিক সমস্যা হতে পারে। জমানো টাকা খারাপ
সময়ে আপনার পড়াশুনা / ক্যারিয়ার স্ট্রাগল নির্বিঘ্ন
রাখবে। মনে রাখবেন, টাকা অনেক বড় ফ্যাক্টর,
টাকা থাকলে আত্নবিশ্বাস থাকবে, না থাকলে বাধা
বিপত্তি।
.......................
এবার ভার্সিটি জীবন ও পরবর্তী সময় নিয়ে কিছু
বলিঃ
১) কখনো দিশেহারা হবেন না, কোন ব্যাপারে
পেইন নিবেন না। পেইন / স্ট্রেস / টেনশন
নিয়ে কি করতে পারবেন বলেন। এসব নিয়ে
কখনো কিছু করতে পারবেন না। অযথা মূল্যহীন /
লাভহীন ঝামেলা আর কস্ট সহ্য করবেন মাত্র।
২) স্কুল কলেজে সীমিত গন্ডির ভেতর থেকে
মানুষজন দেখেছেন। কিন্তু মানুষ কয় প্রকার ও কি
কি তা দেখবেন এই বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে এসে।
হরেক রকম মানুষ নানা ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে এসে
আপনার ক্লাসমেট / পরিচিত বন্ধু হবে।
সবাইকে দেখুন, পর্যবেক্ষণ করুন, বুঝুন, শিখুন।
কিন্তু অবশ্যই নিজের জীবন চালাবেন পরিবার ও
ধর্ম থেকে পাওয়া নৈতিক বোধজ্ঞ্যান থেকে।
তাহলে কখনো বিপথগামী হবেন না।
৩) কিছু বন্ধু গাড়ি চড়ে আসবে। হাজার হাজার টাকা
উড়াবে। আইফোন আর লেটেস্ট ল্যাপটপ
চালাবে। এসব দেখে হায় হুতাশ করবেন না। যাদের
এসব আছে তা তাদের ভাগ্য। তাদের প্রতি মাশা-
আল্লাহ বলুন। আর নিজের প্রতি আলহামদুলিল্লাহ্
বলে আপনি নিজের ভাগ্য নিজে গড়ুন।
৪) পাশ করার পর বন্ধু / পরিচিতদের সাফল্য দেখে
আপসেট হবেন না। টেনশন করবেন না। হিংসা তো
অবশ্যই না। আপনার পরিচিতদের ভেতর কেউ
আমেরিকার প্রেসিডেন্টও হয়ে যেতে পারে,
আবার কেউ ভিক্ষুকও হয়ে যেতে পারে। কিন্তু
বাস্তবতা হচ্ছে যে প্রেসিডেন্ট হবে সেও
আপনার কোন কাজে আসবে না, আর যে ভিক্ষুক
হবে আপনিও তার তেমন কোন কাজে হয়তো
আসবেন না। তাই অন্যদের প্রতি শুভকামনা রাখুন আর
নিজের যোগ্যতা দিয়ে মাথা ঠান্ডা রেখে সামনে
অগ্রসর হোন।
৪) সবশেষে প্রেম নিয়ে বলি। ভার্সিটি জীবনের
নব্বই ভাগ প্রেম সফল হয়না। ১০ ভাগ সফল হয়।
আসলে যত খারাপ সময়ই আসুক, কেউ যেমন
নিজের ধর্ম ত্যাগ করেনা, নিজের দেশপ্রেম
কমায় না, নিজের পরিবার থেকে সম্পর্ক ত্যাগ
করেনা।
তেমনি আপনি ও আপনার ভালোবাসার মানুষ যদি
পরস্পরকে সত্যিকারের প্রেম করে থাকেন,
তাহলে যাই ঘটুক, কেউ কাউকে ছাড়ার কথা না।
এটাই সেই ১০% প্রেমযুগল যারা বিয়ে করে সংসার
শুরু না করে ক্ষান্ত হয়না। যত ঝামেলাই আসুক না
কেন তারা তাদের প্রেম সফল করেই।
আপনাদের ভাগ্যে এমন বোঝাপড়া ও অটল প্রেম
থাকলে তা পারস্পরিক পেইন ছাড়াই বিয়ে পর্যন্ত
গড়াবে / সফল হবে। আর এতটা ডেস্পারেট
প্রেম না হলে একদিন এমনি এমনি ব্রেক আপ
হবে। ব্রেক আপ হলে সেটি নিয়ে আর মাথা
ঘামাবেন না। সামনে এগোন। এক্স এর প্রতি কোন
বিষাদ রাখবেন না। খারাপ ব্যাবহার করবেন না।
পিছুটান
রাখবেন না। ইনশাআল্লাহ আরো ভালো কিছু
অপেক্ষা করবে আপনার জন্য।
আসলে ইয়াংদের পরামর্শ দেয়ার কিছু নেই।
নবপ্রজন্ম নিজেই নিজের জয়ের পথ খুজে
নেয়। তবু কিছু কথা বললাম মাত্র। সবাইকে শুভকামনা
(collected).
২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কতজন আবেদন করেছিল :
১) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় : ২,৫৪,৪০৪
২) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় : ২,২৬,৫৭২
৩) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় : ২,১১,৯৫২
৪) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় : ১,৮৫,০৭৯
৫) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় : ১,৬০,৬৮২
৬) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় : ৬৪,৭৮০
৭) হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় : ৫৮,৮০৯
৮) বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় : ৫৪,৩৯২
৯) মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় : ৪৬,৮৩৭
১০) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় : ৪৪,৪৪৭
১১) শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ( SUST ) : ৪১,২৮৫
১২) নোয়াখালি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (NSTU ) : ৩২,৬১৩
১৩) যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় : ৩০,৯৪০
১৪) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় : ৩০,১৯০
১৫) বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় : ২৭,৫৬৩
১৬) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় : ২৬,৬০০
১৭) শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় : ২৪,০৪৭
১৮) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় : ২২,৯২০
১৯) বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় ( BUTex ) : ২২,২০৩
২০) পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় : ১৪,৪১৯
¤ মেডিকেল : ৮৪,৭৮৪
¤ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় : ৫,৪২,৩৪
1. It can't be done.
_এটা হতেই পারে না।
2. I have some work to do.
_আমার একটু কাজ আছে।
3. Can we be introduced to each other?
_আমরা কি পরস্পরের সাথে পরিচিত হতে পারি?
4. Now you would give your identity.
_এখন আপনার পরিচয় দিন।
5. I was somewhat busy.
_আমি কিছুটা ব্যস্ত ছিলাম।
6. What about you?
_তোমার কি খবর?
7. What would you like to have?
_আপনি কি খাবেন?
8. Speak to me politely.
_ভদ্র ভাবে কথা বল।
9. Should not jest about serious matter.
_গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারে মজা করো না।
10. You obviously don't want to tease me.
_আপনি নিশ্চয়ই আমাকে বিরক্ত করতে চান না।
11. I have kept your request.
_আমি তোমার অনুরোধ রেখেছি।
12. Well, talk to you later.
_আচ্ছা, আপনার সাথে পরে কথা হবে
কম্পিউটার keyboard এর শর্টকার্টঃ
-
© F1: সাহায্য (Help);
© CTRL+ESC: Start menu চালু;
© ALT+TAB: চালু করা প্রোগ্রামগুলো থেকে
বাছাই;
© ALT+F4: প্রোগ্রম বন্ধ করা;
© SHIFT+DELETE: সরাসরি ফাইল ডিলিট
করা;
© Windows Logo+L: কম্পিউটার লক করা;
© CTRL+C: কপি;
© CTRL+X: কাট;
© CTRL+V: পেস্ট;
© CTRL+Z: আনডু;
© CTRL+B: অক্ষর বোল্ড করা;
© CTRL+U: অক্ষর আন্ডারলাইন করা;
© CTRL+I: অক্ষর ইটালিক করা;
© SHIFT+right click: অতিরিক্ত শর্টকাট সহ
মেনু;
© SHIFT+double click: বিকল্প ডিফল্ট কমান্ড;
© ALT+double click: প্রোপার্টিজ প্রদর্শন;
© F10: মেনু বার চালু করা;
© SHIFT+F10: নির্বাচিত আইটেমের জন্যে
শর্টকাট মেনু;
© CTRL+SHIFT+ESC: টাস্ক ম্যানেজার;
© ALT+DOWN ARROW: ড্রপ ডাউন মেনু খোলা;
© ALT+TAB: অন্য কোনো চালু করা
প্রোগ্রামে যাওয়া ( সবগূলো প্রোগ্রাম
দেখতে ALT চেপে ধরে TAB চাপুন );
© SHIFT: অটোরান বন্ধ করতে এটি চেপে ধরে
রাখুন;
© ALT+SPACE: মেইন উইন্ডো’র সিস্টেম মেনু
দেখা;
© CTRL+TAB: কোনো প্রোগ্রামের এক
উইন্ডো থেকে অন্য উইন্ডোতে যাওয়া;
© ALT+আন্ডারলাইন কৃত অক্ষরঃ নির্দিষ্ট
মেনুতে যাওয়া;
© ALT+F4: বর্তমান উইন্ডো বন্ধ করা;
© CTRL+F4: একাধিক ডকুমেন্ট ইন্টারফেস সহ
কোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করা;
© F2: নির্বাচিত ফাইল রিনেইম করা;
© F3: ফাইল খোঁজা
© F4: অন্য কোনো ফোল্ডারে ফাইল মুভ করা
© F5: বর্তমান উইন্ডো রিফ্রেশ করা
© CTRL+A: ফোল্ডারের সবগুলো আইটেম
নির্বাচন করা
© BACKSPACE: পুর্ববর্তি ফোল্ডারে যাওয়া
(ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্ষেত্রে পুর্বের
পেইজ)
© Left ALT+left SHIFT +PRINT SCREEN: Toggles
high contrast on and off;
© Windows Logo: Start menu;
© Windows Logo+M: সব প্রোগ্রাম
মিনিমাইজ করা;
© SHIFT+Windows Logo +M:
বিখ্যাতদের উপাধি:
১. বাংলার বাঘ - শেরে বাংলা ফজলুল হক
২. ডটার অব দা ইস্ট – বেনজীর ভুট্টো
৩. দেশ বন্ধু - চিত্তরঞ্জন দাস
৪. শিল্পাচার্য - জয়নুল আবেদিন
৫. পন্ডিতজী - চাচা জওহরলাল নেহেরু
৬. মাস্টার দা - সূর্যসেন
৭. নাইটিংগেল অব ইন্ডিয়া - সরোজিনী নাইডু
৮. সীমান্ত গান্ধী – আব্দুল গাফফার খান
৯. আতাতুর্ক - কামাল পাশা
১০. ফুয়েরার - এডলফ হিটলার
১১. আরবের নাইটিংগেল – উম্মে কুলসুম
১২. উন্মাদ সন্নাসী - রাসপুটিন
১৩. লেডি উইথ দি ল্যাম্প - ফ্লোরেন্স
নাইটিংগেল
১৪. কুমারী রাণী - রাণী প্রথম এলিজাবেথ
১৫. জিবিএস - জর্জ বার্নাড'শ
১৬. লিটল কর্পোরাল, ম্যান অব ডিসটিনি –
নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
১৭. ব্লাইন্ড বার্ড - হোমার
১৮. সাজ মোট অব দি নাইল – রানি
ক্লিওপেট্রা
১৯. গ্রে উলফ - কামাল আতাতুর্ক
২০. চে আর্নেসেটা – চে গুয়েভারা
২১. বার্ড অব হ্যাভেন – উইলিয়াম
সেক্সপিয়ার
২২. লৌহ মানবী – মার্গারেট থ্যাচার
২৩. মহীশূরের বাঘ - টিপু সুলতান