Pallabi Nursing College Students

Pallabi Nursing College Students

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Pallabi Nursing College Students, Education, 7 Sujatnagar, Pallabi, Mirpur/12, Dhaka.

এই পেজটি পল্লবী নার্সিং কলেজ এর বর্তমান এবং সাবেক স্টুডেন্ট দ্বারা পরিচালিত। এখানে শিক্ষামূলক, বিনোদন এবং আড্ডা সব রিলেটেড পোস্ট করা হয়। এটা কলেজ এর কোনো অফিসিয়াল পেজ নয়। সুতরাং কলেজের অফিসিয়াল কোনো বিষয় জানতে হলে আমাদের কলেজ এ কথা বলুন। ধন্যবাদ

06/12/2025

📌Topic: Catheter Fixed করার সময় যদি Distilled Water (DW) এর পরিবর্তে Normal Saline (NS) ব্যবহার করা হয় তাহলে কি সমস্যা হতে পারে - জেনে নিন 👇

🔴 Catheter fixed করার সময়, বিশেষ করে Foley catheter-এ balloon ফোলানোর জন্য সাধারণত Sterile Distilled Water ব্যবহার করার পরামর্শ দেয়া হয়। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে ভুলবশত বা সংকটকালীন সময়ে Normal Saline (0.9% Sodium Chloride) ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

✅ Balloon Inflation Purpose:

Foley catheter-এর balloon ফোলানোর উদ্দেশ্য Bladder-এর ভিতরে ক্যাথেটার ঠিকভাবে ধরে রাখা এবং বাইরে স্লিপ হয়ে না যাওয়া।

✅ Distilled Water vs Normal Saline: তুলনামূলক পার্থক্য

✔️ বিষয় → Distilled Water → Normal Saline

▪️Composition → শুধুমাত্র H₂O → Sodium + Chloride ions
▪️Osmolarity → Hypotonic → Isotonic
▪️Chemical reactivity → Non-reactive → Slightly reactive with rubber/latex
▪️Crystallization risk → নেই → থাকতে পারে (salt crystallization)

✅ Normal Saline ব্যবহার করলে যেসব সমস্যা হতে পারে :

১. Balloon Failure :

Normal saline-এর মধ্যে থাকা Sodium ও Chloride ions, catheter-এর rubber বা silicone balloon-এর সাথে দীর্ঘদিনে chemical reaction করে degradation বা rupture ঘটাতে পারে। এতে balloon ফেটে যেতে পারে, ফলে catheter dislodge হতে পারে।

২. Crystallization Problem:

Saline solution দীর্ঘ সময় catheter-এর ভিতরে থাকলে এতে crystal formation হতে পারে। এই crystal catheter-এর balloon port কে block করে ফেলতে পারে এবং ভবিষ্যতে balloon deflate করাও কঠিন হয়ে পড়ে।

৩. Balloon Deflation এ জটিলতা:

Crystallization বা balloon degradation-এর কারণে balloon সহজে deflate নাও হতে পারে। ফলে catheter remove করতে গেলে টান দিতে হয়, এতে urethral injury বা trauma হতে পারে।

৪. Material Damage :

Latex catheter-এ saline ব্যবহারে balloon দ্রুতই fragile হয়ে যায়, যা catheter এর overall durability কমিয়ে দেয়।

৫. Biofilm Formation বা Microbial Growth

NS এর mineral content অনেক সময় catheter এর ভিতরে bacterial growth বাড়িয়ে দিতে পারে, যা Urinary Tract Infection (UTI) এর ঝুঁকি বাড়ায়।

✅ তাহলে কী ব্যবহার করা উচিত ?

✔️ Distilled Water / Sterile Water এটি সম্পূর

Photos from Pallabi Nursing College Students's post 22/11/2025

Best wishes to you all! Happy moments for the farewell batch of the Diploma in Nursing Science and Midwifery and Diploma in Midwifery courses of Pallabi Nursing College - 2021-22 academic year.

01/10/2025

Big shout out to my newest top fans! Rim Palma, Esha Kaisar, Setu Halder, Dishary Chakma, Alexi Marma Csn

28/09/2025

স্লিপ এপনিয়া (Sleep Apnea) হলো একটি ঘুমের ব্যাধি যেখানে ঘুমের সময় কয়েক সেকেন্ড থেকে মিনিট পর্যন্ত শ্বাস বন্ধ হয়ে যায় বা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক দুর্বল হয়ে আসে। এই অবস্থাটি বারবার ঘটতে থাকে, ফলে রোগী সারা রাত ভালোভাবে ঘুমাতে পারে না এবং দিনে অতিরিক্ত ক্লান্তি ও অবসাদ অনুভব করে।

---

স্লিপ এপনিয়ার ধরন

1. Obstructive Sleep Apnea (OSA) – সবচেয়ে সাধারণ ধরন। গলার পেশি শিথিল হয়ে যাওয়ায় শ্বাসনালী ব্লক হয়ে যায়।

2. Central Sleep Apnea (CSA) – মস্তিষ্ক শ্বাস নিয়ন্ত্রণের সঠিক সিগন্যাল পাঠাতে ব্যর্থ হয়।

3. Complex/Mixed Sleep Apnea – দুই ধরনের বৈশিষ্ট্য একসাথে থাকে।

---

প্রধান কারণ

গলার পেশি দুর্বল বা অতিরিক্ত চর্বি জমে শ্বাসনালী সংকুচিত হওয়া

স্থূলতা (Obesity)

বড় টনসিল বা অ্যাডেনয়েড

ঘাড় ছোট ও মোটা হওয়া

বয়স্ক বয়স

ধূমপান ও অ্যালকোহল সেবন

পরিবারে স্লিপ এপনিয়ার ইতিহাস

---

উপসর্গ

ঘুমের সময় জোরে নাক ডাকা

মাঝে মাঝে শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া (অন্যরা লক্ষ্য করতে পারে)

ঘুমের মধ্যে দম বন্ধ হয়ে হঠাৎ জেগে ওঠা

পর্যাপ্ত ঘুমের পরও দিনে ঘুম ঘুম ভাব

মাথাব্যথা (বিশেষত সকালে)

মনোযোগ কমে যাওয়া, খিটখিটে মেজাজ

উচ্চ রক্তচাপ, বুক ধড়ফড়ানি

---

জটিলতা

চিকিৎসা না করলে স্লিপ এপনিয়া থেকে হতে পারে:

হাইপারটেনশন (উচ্চ রক্তচাপ)

হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকের ঝুঁকি

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সমস্যা

মেমোরি সমস্যা ও ডিপ্রেশন

গাড়ি চালানো বা মেশিনে কাজ করার সময় দুর্ঘটনার ঝুঁকি

---

চিকিৎসা

চিকিৎসা নির্ভর করে রোগের ধরন ও তীব্রতার উপর।

১. জীবনযাত্রার পরিবর্তন

ওজন কমানো

ধূমপান ও অ্যালকোহল পরিহার

ঘুমানোর সময় পাশ ফিরে শোয়া (পিঠের ওপর না)

নাক বন্ধ থাকলে চিকিৎসা করা

২. মেডিকেল যন্ত্রপাতি

CPAP (Continuous Positive Airway Pressure) – সবচেয়ে কার্যকর চিকিৎসা। একটি মেশিনের মাধ্যমে মাস্ক পরে নাক ও মুখে বায়ু প্রবাহ দেওয়া হয় যাতে শ্বাসনালী খোলা থাকে।

BiPAP – শ্বাস নেওয়া ও ছাড়ার জন্য আলাদা চাপ ব্যবহার করা হয়, কিছু রোগীর জন্য প্রয়োজন হয়।

Oral Appliance (ডেন্টাল ডিভাইস) – দাঁতে লাগানো বিশেষ ডিভাইস যা জিভ বা চোয়ালকে সঠিক অবস্থানে রাখে।

৩. ওষুধ

সাধারণত স্লিপ এপনিয়ার জন্য নির্দিষ্ট ওষুধ খুব একটা কার্যকর নয়। তবে সেকেন্ডারি উপসর্গ যেমন নাক বন্ধ হওয়া বা ঘুমের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে কিছু ওষুধ দেওয়া যেতে পারে।

৪. সার্জারি

যদি টনসিল বড় হয়ে শ্বাসনালী বন্ধ করে ফেলে বা শ্বাসনালীতে গঠনগত সমস্যা থাকে, তবে অপারেশন করা হয়। যেমন:

UPPP (Uvulopalatopharyngoplasty)

টনসিলেকটমি বা অ্যাডেনয়েডেকটমি

Maxillomandibular advancement surgery

---

👉 সংক্ষেপে: স্লিপ এপনিয়া একটি গুরুতর ঘুমের ব্যাধি। প্রাথমিকভাবে জীবনযাত্রার পরিবর্তন, পরে CPAP মেশিন সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ও কার্যকর চিকিৎসা। প্রয়োজনে সার্জারি করা হয়।

16/09/2025

🔹 এবডোমিনাল পেইন কি?

পেট বা উদরের ভেতরে বিভিন্ন অঙ্গ যেমন— পেট (stomach), অন্ত্র (intestine), লিভার, গলব্লাডার, অগ্ন্যাশয় (pancreas), কিডনি, ব্লাড ভেসেল, মূত্রাশয়, প্রজননতন্ত্র ইত্যাদি অঙ্গের অসুখ বা সমস্যার কারণে সৃষ্ট ব্যথাকে Abdominal Pain বলা হয়।

---

🔹 এবডোমিনাল পেইনের ধরন

1. Acute Abdominal Pain (হঠাৎ ব্যথা শুরু হওয়া)
যেমন— Appendicitis, Intestinal obstruction, Gallstone colic, Kidney stone, Perforated ulcer, Acute pancreatitis।

2. Chronic Abdominal Pain (দীর্ঘমেয়াদী ব্যথা)
যেমন— Gastritis, Peptic ulcer, IBS, Gallstone disease, Chronic pancreatitis, Cancer।

3. Localized Pain (এক জায়গায় ব্যথা)
যেমন— Right iliac fossa → Appendicitis
Right upper quadrant → Gall bladder disease
Epigastric → Gastritis, Peptic ulcer
Left flank → Kidney stone

4. Generalized Abdominal Pain (পুরো পেটে ব্যথা)
যেমন— Peritonitis, Food poisoning, Gastroenteritis, IBS।

---

🔹 কোন পেইন থেকে কোন রোগ সন্দেহ করা যায়

Epigastric Pain (উপরের পেট) → Gastritis, Peptic ulcer, Pancreatitis

Right Upper Quadrant Pain → Gallstone, Cholecystitis, Hepatitis

Right Lower Quadrant Pain → Acute appendicitis

Left Lower Quadrant Pain → Diverticulitis, Colitis

Flank Pain (পাশে ব্যথা) → Kidney stone, Pyelonephritis

Sudden Severe Generalized Pain → Intestinal perforation, Peritonitis

---

🔹 ম্যানেজমেন্ট ও ট্রিটমেন্ট

১. Immediate Nursing Management

রোগীকে Comfortable position এ শোয়ানো

Vital signs (BP, Pulse, Temp, Respiration) মনিটর করা

Pain score assess করা

NPO (Nothing by mouth) রাখা, যদি surgery suspect হয়

IV line খুলে fluid দেওয়া (Normal Saline / Ringer’s lactate)

Pain বেশি হলে Analgesic (Paracetamol, Tramadol) দেওয়া

Suspected infection থাকলে Antibiotic প্রস্তুত রাখা

২. Specific Management (রোগভেদে)

Appendicitis → Urgent Surgery (Appendicectomy)

Gallstone / Cholecystitis → Antibiotics, Painkiller, Surgery (Cholecystectomy)

Peptic ulcer / Gastritis → PPI (Omeprazole, Pantoprazole), Antacid, H. pylori treatment

Pancreatitis → NPO, IV fluids, Painkiller, Antibiotics, ICU support

Kidney stone → Analgesic, Antispasmodic, IV fluids, Lithotripsy বা Surgery

Intestinal obstruction → NPO, NG tube for decompression, IV fluids, Surgery if needed

Gastroenteritis → ORS, IV fluids, Antibiotics (if bacterial), Antiemetic

---

🔹 নার্সিং কেয়ার প্ল্যান

Pain management (Analgesic, Positioning, Relaxation technique)

Fluid and electrolyte balance

Strict I/O chart

Observe for signs of peritonitis (rigid abdomen, absent bowel sound, shock)

Prepare for surgery if required

Patient education (diet control, avoiding spicy food, safe drinking water)

15/09/2025

ইনফিউশন বা স্যালাইন হলো শিরায় (IV) দেওয়া তরল দ্রবণ, যা রোগীর শরীরে তরল, ইলেকট্রোলাইট বা ওষুধ সরবরাহের জন্য ব্যবহার করা হয়। চিকিৎসায় বিভিন্ন ধরনের ইনফিউশন ব্যবহৃত হয়। নিচে প্রধান স্যালাইনগুলোর ধরন, উপাদান এবং কাজ দেওয়া হলো:

---

✅ সাধারণত ব্যবহৃত স্যালাইন/ইনফিউশন

1. Normal Saline (0.9% NaCl)

উপাদান: Sodium chloride (NaCl) – 9 gm/L

কাজ:

শরীরের ডিহাইড্রেশন পূরণ

শক ও রক্তক্ষরণে তরল সরবরাহ

ওষুধ মিশিয়ে দেওয়ার জন্য

---

2. Ringer’s Lactate (RL)

উপাদান:

Sodium chloride (NaCl)

Potassium chloride (KCl)

Calcium chloride (CaCl₂)

Sodium lactate

কাজ:

শক, ডায়রিয়া, বার্নস ও অপারেশনের পর ফ্লুইড রিপ্লেসমেন্ট

এসিডোসিস (acidosis) কমাতে সাহায্য করে

---

3. 5% Dextrose (D5W)

উপাদান: Dextrose (গ্লুকোজ) 50 gm/L

কাজ:

এনার্জি সাপ্লাই (ক্যালরি যোগায়)

ডিহাইড্রেশন

হাইপোগ্লাইসেমিয়া প্রতিরোধ/চিকিৎসা

---

4. 10% বা 25% Dextrose

উপাদান: উচ্চমাত্রার গ্লুকোজ

কাজ:

গুরুতর হাইপোগ্লাইসেমিয়া

কিছু ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের সমস্যা বা লিভার ডিজিজে ব্যবহৃত

---

5. Dextrose Normal Saline (DNS)

উপাদান: 5% Dextrose + 0.9% NaCl

কাজ:

তরল ও এনার্জি একসাথে সরবরাহ

ডায়রিয়া বা ডিহাইড্রেশনে

---

6. Hartmann’s Solution (RL-এর মতো)

উপাদান: Sodium, potassium, calcium, lactate

কাজ: ফ্লুইড ও ইলেকট্রোলাইট ব্যালান্স ঠিক রাখা

---

7. Colloids (Hetastarch, Dextran, Albumin)

উপাদান: বড় আকারের প্রোটিন বা স্টার্চ অণু

কাজ:

ব্লাড ভলিউম বাড়ানো

শক বা বড় রক্তক্ষরণে

---

8. Blood & Blood Products (Packed Cell, Plasma, Platelet)

উপাদান: রোগীর প্রয়োজন অনুসারে রক্তের বিভিন্ন অংশ

কাজ:

অ্যানিমিয়া, রক্তক্ষরণ, ক্লটিং সমস্যা

---

👉 সহজভাবে মনে রাখার জন্য:

Normal Saline = পানি + লবণ (NaCl)

RL = পানি + Na, K, Ca, Lactate

Dextrose = পানি + গ্লুকোজ

DNS = পানি + লবণ + গ্লুকোজ

Colloid = পানি + বড় আকারের প্রোটিন/স্টার্চ

14/09/2025

🔹 হাসপাতালে জরুরী বিভাগে (Emergency Department/ER) কি কি ধরনের রোগী আসতে পারে?

জরুরী বিভাগে যেসব রোগী আসে সাধারণত তারা হঠাৎ সৃষ্ট জীবন-সংকট বা দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন এমন অবস্থায় থাকে। যেমন—

1. ট্রমা / আঘাতপ্রাপ্ত রোগী – দুর্ঘটনা, রোড ট্রাফিক ইনজুরি, পড়ে যাওয়া, গুলিবিদ্ধ বা ধারালো অস্ত্রে আঘাত।

2. হার্ট সম্পর্কিত সমস্যা – হার্ট অ্যাটাক, বুকে ব্যথা, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন।

3. স্ট্রোক রোগী – হঠাৎ পক্ষাঘাত, কথা জড়িয়ে যাওয়া, অচেতন হওয়া।

4. শ্বাসকষ্টের রোগী – অ্যাজমা অ্যাটাক, শ্বাসরোধ, নিউমোনিয়া, COPD এক্সাসার্বেশন।

5. রক্তক্ষরণ – দুর্ঘটনা, গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে রক্তবমি, প্রসবজনিত রক্তক্ষরণ।

6. বিষক্রিয়া – খাবারে, ওষুধে, সাপের কামড়, রাসায়নিক পদার্থ।

7. অচেতন রোগী – ডায়াবেটিক কোমা, স্নায়বিক সমস্যা, শক।

8. জরুরী প্রসূতি ও শিশু রোগী – প্রসব ব্যথা, জটিল ডেলিভারি, নবজাতকের শ্বাসকষ্ট।

9. মানসিক রোগী – আত্মহত্যার চেষ্টা, মারাত্মক মানসিক উত্তেজনা।

---

🔹 একজন নার্স জরুরী বিভাগে কি কি দায়িত্ব পালন করে?

জরুরী বিভাগের নার্সকে দ্রুত সিদ্ধান্ত, দ্রুত কাজ ও সমন্বয় করতে হয়। দায়িত্বগুলো হলো—

1. রোগীকে দ্রুত ট্রায়াজ (Triage) করা – কে আগে চিকিৎসা পাবে সেটি নির্ধারণ।

2. রোগীর এয়ারওয়ে, শ্বাস-প্রশ্বাস ও সঞ্চালন (ABC) পরীক্ষা ও মেইনটেইন করা।

3. রোগীর প্রাথমিক ভিটাল সাইনস (BP, Pulse, RR, Temp, SpO₂) মাপা।

4. IV লাইন খোলা, অক্সিজেন দেওয়া, রক্তক্ষরণ বন্ধ করা, ব্যান্ডেজ/স্প্লিন্ট দেওয়া।

5. রোগীর অবস্থার তথ্য ও পর্যবেক্ষণ ডাক্তারের কাছে দ্রুত রিপোর্ট করা।

6. রোগীকে চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী ওষুধ, ইনজেকশন, স্যালাইন দেওয়া।

7. গুরুতর রোগীকে আইসিইউ, ওটি বা ওয়ার্ডে রেফার করার ব্যবস্থা করা।

8. পরিবারকে তথ্য দেওয়া, কাউন্সেলিং করা ও রোগীর পাশে মানসিক সাপোর্ট দেওয়া।

---

🔹 জরুরী বিভাগে নার্স রোগীদের কিভাবে সেবা দিবে?

1. রোগীর অবস্থা অনুযায়ী প্রথমে জীবন রক্ষা মূলক পদক্ষেপ নিতে হবে।

2. শান্তভাবে রোগী ও তার স্বজনকে আশ্বস্ত করা।

3. জরুরী সরঞ্জাম যেমন – অক্সিজেন, সাকশন মেশিন, অ্যাম্বু ব্যাগ, মনিটর – ব্যবহার করা।

4. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সংক্রমণ প্রতিরোধ (হাত ধোয়া, গ্লাভস ব্যবহার) নিশ্চিত করা।

5. রোগীর বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ (নাম, বয়স, ঘটনার ধরন, পূর্ববর্তী রোগ ইতিহাস)।

6. চিকিৎসকের নির্দেশ দ্রুত কার্যকর করা ও অবস্থার পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করা।

---

🔹 একজন নার্স এর জরুরী বিভাগের ম্যানেজমেন্ট (Management Role)

জরুরী বিভাগের নার্স শুধু সেবা নয়, সমন্বয়কারীর ভূমিকাও পালন করে। যেমন—

1. ট্রায়াজ সিস্টেম মেইনটেইন করা (গুরুতর → মাঝারি → স্বাভাবিক)।

2. জরুরী ওষুধ, যন্ত্রপাতি, অক্সিজেন সিলিন্ডার, ডিফিব্রিলেটর সর্বদা প্রস্তুত রাখা।

3. নতুন ভর্তি রোগীর রেজিস্ট্রেশন ও ডকুমেন্টেশন ঠিকভাবে করা।

4. ডাক্তার, নার্স, অ্যাটেনডেন্ট ও ওয়ার্ড বয়ের মধ্যে কাজ ভাগ করে দেওয়া ও সমন্বয় করা।

5. জরুরী রেফারেল ম্যানেজমেন্ট – রোগীকে অন্য বিভাগ/হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা।

6. রোগী ও স্বজনের সাথে কার্যকর যোগাযোগ ও কাউন্সেলিং।

7. জরুরী অবস্থায় ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট – হঠাৎ রোগীর অবনতি হলে টিম লিডার হয়ে কাজ করা।

8. পরবর্তী শিফটে দায়িত্ব হ্যান্ডওভার করা।

---

👉 সহজভাবে বললে, জরুরী বিভাগে একজন নার্স রোগীর প্রথম লাইফ সেভার, ডাক্তার আসার আগেই তিনি রোগীর প্রাণ বাঁচানোর জন্য তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেন এবং সঠিক ম্যানেজমেন্ট ও সমন্বয় করেন।

12/09/2025

ফ্র্যাকচার (Fracture)

👉 হাড়ে ধারাবাহিকতার (continuity) ভঙ্গ হওয়াকে ফ্র্যাকচার বা ভাঙন বলে। এটি বাহ্যিক আঘাত, অতিরিক্ত চাপ, দুর্ঘটনা, হাড়ের রোগ (যেমন অস্টিওপোরোসিস, টিউমার) বা পুনঃপুন চাপের কারণে হতে পারে।

---

ফ্র্যাকচারের প্রকারভেদ (Types of Fracture)

1. Simple / Closed fracture – হাড় ভাঙলেও চামড়া ফেটে যায়নি।

2. Compound / Open fracture – হাড় ভেঙে চামড়া ছিদ্র করে বাইরে চলে এসেছে বা ক্ষত তৈরি হয়েছে।

3. Complete fracture – হাড় সম্পূর্ণভাবে ভেঙে গেছে।

4. Incomplete fracture – হাড় আংশিকভাবে ভেঙেছে।

Greenstick fracture (বাচ্চাদের মধ্যে বেশি হয়)

Fissure fracture (ফাটল ধরা)

5. Comminuted fracture – হাড় টুকরো টুকরো হয়ে ভেঙে গেছে।

6. Impacted fracture – ভাঙা হাড়ের দুই অংশ একে অপরের ভেতরে ঢুকে গেছে।

7. Depressed fracture – হাড়ের টুকরা চেপে ভিতরে ঢুকে গেছে (যেমন মাথার খুলি ভাঙলে)।

8. Pathological fracture – কোনো রোগের কারণে দুর্বল হাড় সামান্য চাপেই ভেঙে যাওয়া।

9. Stress fracture – বারবার চাপের কারণে ছোট ছোট ফাটল।

10. Displaced / Non-displaced fracture – ভাঙার পর হাড়ের অবস্থান সরে গেছে / যায়নি।

---

নার্সিং ম্যানেজমেন্ট (Nursing Management of Fracture)

প্রাথমিক সেবা (First aid / Emergency care)

রোগীকে আশ্বস্ত করা।

আক্রান্ত অঙ্গকে নড়াচড়া না করানো।

অস্থায়ীভাবে splint / bandage দিয়ে স্থির রাখা।

ওপেন ফ্র্যাকচারে জীবাণুমুক্ত ড্রেসিং দেওয়া।

শক প্রতিরোধে ব্যবস্থা (fluid, oxygen প্রভৃতি)।

প্রয়োজনে ব্যথানাশক দেওয়া।

হাসপাতালে নার্সিং কেয়ার

1. Observation

ভায়টাল সাইনস পর্যবেক্ষণ।

আক্রান্ত অঙ্গের রঙ, তাপমাত্রা, capillary refill, movement ও sensation পর্যবেক্ষণ করা (neurovascular check)।

ব্যথা মূল্যায়ন (Pain assessment)।

2. Immobilization

Plaster cast, traction, বা internal fixation এর পর রোগীকে অঙ্গ নাড়াতে না দেওয়া।

প্লাস্টার ভিজে না যায়, ফুলে না ওঠে সে দিকে খেয়াল রাখা।

3. Pain Management

Analgesic ওষুধ প্রদান।

অঙ্গ উঁচু করে রাখা (Elevation)।

Ice pack প্রয়োগ করা যেতে পারে (ডাক্তারের নির্দেশে)।

4. Infection Prevention (Open fracture হলে)

সঠিক ড্রেসিং করা।

অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ।

ক্ষত পর্যবেক্ষণ।

5. Complication প্রতিরোধ

Pressure sore, pneumonia, DVT (deep vein thrombosis), contracture, fat embolism ইত্যাদি প্রতিরোধ।

Passive ও active exercise শেখানো (ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী)।

6. Nutrition

প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন D, ভিটামিন C সমৃদ্ধ খাবার দেওয়া।

7. Psychological Support

দীর্ঘ সময় immobilization এর কারণে রোগীকে মানসিকভাবে সহায়তা দেওয়া।

8. Health Education

Plaster / traction কিভাবে যত্ন নিতে হবে তা শেখানো।

পুনর্বাসন (rehabilitation) ও নিয়মিত follow-up এর পরামর্শ দেওয়া।

09/09/2025

বেসরকারি হাসপাতালে নার্সদের মানসিক চাপ: ভেতরের লুকানো বাস্তবতা

বাংলাদেশের বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা সেবার একটি বড় অংশ নার্সদের হাত ধরেই এগিয়ে যায়। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই হাসপাতালগুলোতে নার্সদের সবচেয়ে বেশি মানসিকভাবে পীড়ন করে অনেক সময় তাদের সহকর্মী নার্সরাই। এ বিষয়টি অনেকটা আড়ালে থাকলেও বাস্তবে এর প্রভাব ভয়াবহ।

কীভাবে মানসিকভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়?

1. অভিজ্ঞ নার্সদের কর্তৃত্ব
নতুন নার্সরা কাজে যোগ দেওয়ার পর অভিজ্ঞ নার্সদের কাছ থেকে সহযোগিতা পাওয়ার পরিবর্তে অনেক সময় হুমকি, অপমান কিংবা ব্যঙ্গের শিকার হন। ভুল হলে তা সংশোধন না করে খারাপভাবে তিরস্কার করা হয়।

2. হীনমন্যতা তৈরি করা
সিনিয়র-জুনিয়র বিভাজনকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়। জুনিয়র নার্সরা বারবার শুনতে পান— “তুমি কিছুই জানো না”, “এ কাজ তোমার দ্বারা হবে না” ইত্যাদি। এতে আত্মবিশ্বাস কমে যায়।

3. কাজের বাড়তি চাপ দেওয়া
ডিউটির সময় সমানভাবে কাজ ভাগ না করে নতুন বা অপেক্ষাকৃত দুর্বল নার্সদের ওপর অতিরিক্ত কাজ চাপিয়ে দেওয়া হয়। ফলে শারীরিক কষ্টের সঙ্গে মানসিক ক্লান্তিও বাড়তে থাকে।

4. গসিপ ও অপবাদ
অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বিষয়ে অযাচিত মন্তব্য, গুজব রটানো বা গসিপে জড়িয়ে ফেলা হয়। এতে কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ বিষাক্ত হয়ে ওঠে।

5. সহযোগিতার অভাব
জরুরি পরিস্থিতিতে সহকর্মীর সহায়তা পাওয়া নার্সিং পেশায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অনেক সময় ইচ্ছে করেই সহযোগিতা না করা, ডাকা সত্ত্বেও সাড়া না দেওয়া—এসব মানসিক চাপ বাড়িয়ে তোলে।

এর প্রভাব কী হয়?

কাজের মান ও রোগী সেবায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

নার্সরা ধীরে ধীরে হতাশা, উদ্বেগ ও মানসিক অবসাদে ভুগতে শুরু করেন।

অনেক নার্স চাকরি ছেড়ে দেন অথবা পেশার প্রতি অনাগ্রহ তৈরি হয়।

সমাধানের পথ

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উচিত নিয়মিত কাউন্সেলিং ও ট্রেনিং সেশন রাখা।

অভিযোগ ব্যবস্থাপনা সেল গড়ে তোলা, যেখানে নার্সরা নিরাপদে তাদের সমস্যার কথা বলতে পারবেন।

সহকর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ইতিবাচক সংস্কৃতি তৈরিতে গুরুত্ব দেওয়া।

নতুন নার্সদের প্রতি সহমর্মিতা ও সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া।

👉 সবশেষে বলা যায়, রোগী সেবার মান উন্নত করতে হলে প্রথমেই নার্সদের কর্মপরিবেশকে স্বাস্থ্যকর ও মানসিক চাপমুক্ত করা জরুরি। আর এ জন্য নার্সদের নিজেদের ভেতরকার দ্বন্দ্ব কমিয়ে সহযোগিতামূলক সংস্কৃতি গড়ে তোলা সবচেয়ে বড় প্রয়োজন।

29/07/2025

১ বছরের জন্য বেতন স্থগিত!

ইন্টার্ন নার্সকে শ্লীলতাহানি ও যৌন হয়রানির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মো: সারোয়ার হোসেন, সিনিয়র স্টাফ নার্স, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (সাবেক কর্মস্থল-আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল দিনাজপুর) কে এমন শাস্তি দিয়েছেন DGNM কর্তৃপক্ষ।

18/07/2025

ECG (Electrocardiogram) বা ইসিজি-তে সাধারণত মোট ১২টি লিড (lead) থাকে। তবে এর মধ্যে ১০টি ইলেকট্রোড ব্যবহার করা হয়। এই ১২টি লিড বিভিন্ন কোণ থেকে হৃদযন্ত্রের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করে।

🔹 ১২টি লিড ৩টি ভাগে বিভক্ত:

---

✅ 1. Limb Leads (হাত-পায়ের লিড) – ৬টি

Standard Bipolar Leads – ৩টি:

Lead I

Lead II

Lead III

Augmented Unipolar Leads – ৩টি:

aVR

aVL

aVF

---

✅ 2. Chest Leads (Precordial leads) – ৬টি

V1

V2

V3

V4

V5

V6

---

🔹 মোট = ৬ (Limb) + ৬ (Chest) = ১২টি লিড

---

✅ সংক্ষেপে মনে রাখার ট্রিক:

Limb leads: I, II, III, aVR, aVL, aVF

Chest leads: V1–V6

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


7 Sujatnagar, Pallabi, Mirpur/12
Dhaka