জন্মদিন সম্পর্কে যতটুকু জানা যায় এর সূচনা কোনো মুসলিম থেকে হয়নি। বরং হয়েছে ফেরাউন থেকে।
বাইবেলের বুক অব জেনেসিসে এসেছে, “ তৃতীয় দিনটা ছিল ফেরাউনের জন্ম দিন। ফেরাউন তার সব দাসদের জন্য ভোজের আযোজন করলেন। সেই সময়ে ফেরাউন রুটিওয়ালা ও দ্রাক্ষারস পরিবেশককে কারাগার থেকে মুক্তি দিলেন”। (আদি পুস্তক,৪০:২০) আনুমানিক খৃষ্টপূর্ব তিন হাজার পঞ্চাশ থেকে চার হাজার বছর পূর্বের এ ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে।
রাসূল (সাঃ) এর জন্মের ৫/৬হাজার বছর আগে ফেরাউনের জন্ম হয়েছিলো।
রাসূলের ইমিডিয়েট আগে ছিলেন নবী ঈসার অনুসারীরা, যারা ঈসা (সাঃ) কে খোদাপুত্র দাবী করে তার জন্মদিন পালন করতো। তারপর রাসূল (সাঃ) এর জন্ম।
হাদিসে এসেছে রাসূলকে সোমবারের রোজা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি উত্তর দিয়েছিলেন " এই দিন আমার জন্ম হয় এবং এই দিনে আমার উপর ওহী নাজীল হয়"!! উনি জন্মবারে রোজা রেখেছেন জন্মবার্ষিকীতে রাখেননি। আরেক হাদীসে এসেছে সোমবারে আর বৃহস্পতিবারে আমলনামা জমা হয় তো আমাদের নবী চাইতেন যে উনার রোযা অবস্থায় আমলনামা জমা হউক।
জন্মদিনের এত গুরুত্ব ও তাৎপর্য থাকলে সাহাবীগন জন্মদিনের উৎসব পালন দেখেও কেনো নিজেদের বা প্রানপ্রিয় রাসূলের জন্মদিন পালন করেন নি?
রাসূল (সাঃ) এর জীবদ্দশায় নিজে কখনো জন্মদিন পালন করেন নি এবং রাসূল (সাঃ) এর কোন আত্মীয়ের জন্মদিন পালন করেন নি।
বরং তিনি বলেছেন "যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের অনুরূপ অবলম্বন করে,সে তাঁদেরই দলভুক্ত। (সুনানে আবূ দাঊদঃ ৪০৩১)
অতএব মুসলিম হিসেবে আমাদের উচিত শুধুমাত্র সেইসব বিষয়ের উপর আমল
করা যা আল্লাহ আমাদের তার রাসূলগনের মাধ্যমে শিক্ষা দিয়েছেন।কারন তিনি বলেছেন,
"তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষথেকে যা অবতীর্ণ করা হয়েছে তার অনুসরণ কর। তাঁকে বাদ দিয়ে অন্য সাথিদের অনুসরণ করনা।তোমরা খুব অল্পই উপদেশ গ্রহণ কর"। (সূরা আ’রাফঃ৩)
আল্লাহ আমাদের কবুল করে নিন।
সংগৃহীত
Eden Mohila College BD
College
একবার শুনে দেখুন শুধু
মেয়েটির কথাগুলো কত বাস্তব!
ভালো লাগলে শেয়ার করে এই অত্যাচারের বিরুদ্ধে ভিডিও ভাইরাল করুন।
কোটি সংখ্যক বেকারের দেশে, মাসে ৩-৪ লক্ষ টাকা বেতন পাওয়া লোকেরাও বেতন বৃদ্ধির আবেদন করে 🙄
21/10/2019
কুরআনের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত আছেন?
আলহামদুলিল্লাহ,
নামাজের চাইতে উত্তম কোন ব্যায়াম নাই।
একমত হলে "YES" লিখুন।
18/10/2019
ঠিক
18/10/2019
প্রশ্নঃ
কোন কোন মসজিদে আমরা দেখতে পাই কিছু মুসল্লির জন্য চেয়ার রাখা আছে। এসব মুসল্লি চেয়ারে বসে ইমামের সাথে ফরয নামায কিংবা তারাবীর নামায আদায় করেন। ইনাদের নামাযের হুকুম কী?
উত্তর
আলহামদু লিল্লাহ।
নামাযে ক্বিয়াম বা দাঁড়ানো নামাযের একটি রুকন। শরিয়ত অনুমোদিত ওজর ছাড়া যে ব্যক্তি নামাযের তাকবীরে তাহরীমার শুরু থেকে সালাম ফেরানো পর্যন্ত দাঁড়াবে না তার নামায বাতিল। আল্লাহ্তাআলা বলেন: "তোমরা আল্লাহ্র জন্য বিনয়াবনত হয়ে দাঁড়াও"[সূরা বাক্বারা; ২:২৩৮]
'দাঁড়ানোটা' নামাযের রুকন হওয়া ফরয নামাযের জন্য খাস। নফল নামাযে দাঁড়ানো ওয়াজিব নয়। বরং বসে নামায পড়া জায়েয। কেউ যদি বসে নামায পড়ে তাহলে সে ব্যক্তি অর্ধেক সওয়াব পাবে।
'দাঁড়ানোটা' ফরয নামাযের সাথে খাস হওয়ার দলিল হল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদিস: "তুমি দাঁড়িয়ে নামায পড়"।[সহিহ বুখারী (১০৬৬)]
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সওয়ারীর ওপর নফল নামায পড়তেন। যখন ফরয নামায পড়তে চাইতেন তখন তিনি সওয়ারী থেকে নেমে যেতেন।[সহিহ বুখারী (৯৫৫) ও সহিহ মুসলিম (৭০০)] তিনি এটি করতেন দাঁড়ানোর রুকন আদায় করা ও কিবলামুখী হওয়ার জন্য।
কারো দাঁড়ানোর সক্ষমতা থাকার পরেও সে যদি বসে নফল নামায আদায় করে তাহলে সে ব্যক্তি দাঁড়িয়ে নামায আদায়কারীর অর্ধেক সওয়াব পাবে। যেহেতু আব্দুল্লাহ্বিন আমর (রাঃ) এর হাদিসে এসেছে: "তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বললাম: ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আমাকে হাদিস বলা হয়েছে যে, আপনি বলেছেন বসে নামায আদায়কারী অর্ধেক সওয়াব পাবে। কিন্তু আপনি তো বসে নামায আদায় করেন। তিনি বললেন: ঠিকই। কিন্তু আমি তোমাদের কারো মত নই।"[ইমাম মুসলিম (৭৩৫) বর্ণিত হাদিসের অংশবিশেষ]
ইমাম নববী এই হাদিসের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন: "এ হাদিসকে দাঁড়ানোর সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও বসে বসে নফল নামায পড়ার অর্থে বুঝতে হবে। এমন নামাযী দাঁড়িয়ে নামায আদায়কারীর অর্ধেক সওয়াব পাবেন। পক্ষান্তরে, যদি দাঁড়াতে অক্ষম হওয়ার কারণে বসে নামায পড়েন সেক্ষেত্রে তার সওয়াব কম হবে না। বরং সে ব্যক্তি দাঁড়িয়ে নামায আদায়কারীর সমপরিমাণ সওয়াব পাবেন। আর দাঁড়াতে সক্ষম ব্যক্তি বসে বসে ফরয নামায আদায় করলে তার নামায শুদ্ধ হবে না। সুতরাং সে কোন সওয়াব পাবে না। বরং তার গুনাহ হবে।"[শারহু মুসলিম (৬/২৫৮)]
উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা চেয়ারে বসে নামায আদায়কারী সেসব মুসল্লিগণকে বলব যারা ফরয নামাযের জন্য দাঁড়ান না: যদি আপনাদের দাঁড়ানোর মত সক্ষমতা থাকে তাহলে বসে বসে নামায আদায় করা আপনাদের জন্য জায়েয হবে না; যদি না আপনাদের এমন কষ্ট হয় যার ফলে ক্ষতি হতে পারে। সামান্য কষ্ট কোন ওজর নয়।
17/10/2019
একজন হাফেজে কোরআন যখন মেডিকেলে চান্স পায় তখন আমরাও আশায় বুক বাধি সন্তানদের হাফেজীর সাথে আধুনিক শিক্ষায় ... লোহাগাড়ার কৃতিসন্তান, আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম (আইআইইউসি) এর সহকারী অধ্যাপক প্রফেসর ড. ছাবের আহমদের পুত্র মুহাম্মদ আহসান সাকিক এবার পাবনা মেডিকেল কলেজে ভর্তির চান্স পেয়েছে।
সাকিক একজন হাফেজে কোরআন। সে চট্টগ্রাম বায়তুশ শরফ মাদ্রাসা থেকে দাখিল ও আলিম পরীক্ষায় গোল্ডেন এ প্লাস অর্জন করে।
সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন তার পিতা।
আল্লাহ আমাদের সন্তান গুলোকে হাফেজে কোরআনের সাথে সাথে আধুনিক শিক্ষায় ও সমান ভাবে এগিয়ে যাওয়ার তাউফিক দিন।
বি:দ্র: আমার এক প্রিয়জন এই নিউজ টা আমাকে ম্যাসেজ করে এতই খুশি হয়েছে যে, সারা দুনিয়ার সব সম্পদ ওনার সামনে এনে দিলেও এত খুশি হত না আমার মনে হয়, অথচ ছেলেটিকে ও চিনেই না...!!!
( Mosleh Uddin Moslam সাহেবের টাইমলাইন থেকে।)
19/09/2019
hahaha
Miss u all friends
গর্ভবতী মহিলা মৃত্যুর চার মাস পরে, এলাকাবাসী মহিলার কবরে থেকে নবজাত শিশু কান্না শুনতে পান, কবর খুড়ে কাপড়ের মুড়ানো নবজাতক শিশু জীবিত উদ্ধার করা হয়। (দেখুন ভিডিও)
Hello, sobai kemon acho?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
1205