Hopes & Dreams School

Hopes & Dreams School Hopes & Dreams School রাজউক কলেজের প্রাক্তন শিক্ষকমন্ডলী দ্বারা পরিচালিত । English version and Bangla medium School

হোপস্ এন্ড ড্রিমস্ থেকে রাজউক কলেজে চান্সপ্রাপ্তদের একজনের শুভেচ্ছা সাক্ষাৎ।
08/01/2020

হোপস্ এন্ড ড্রিমস্ থেকে রাজউক কলেজে চান্সপ্রাপ্তদের একজনের শুভেচ্ছা সাক্ষাৎ।

Mark sheet of one of our beloved student
31/12/2019

Mark sheet of one of our beloved student

বিশেষ অফার!!!
26/12/2019

বিশেষ অফার!!!

11/09/2019

ভালো বাবা-মা হতে করণীয় !!!

সন্তানের পরিপূর্ণ শারীরিক আর মনোসামাজিক বিকাশে বাবা-মায়ের ভূমিকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কেউ কেউ বলে থাকেন ‘বাবা-মায়ের আবার ধরন কী’, ‘বাবা-মা মানেই বাবা-মা’। কথাটি বিজ্ঞানসম্মত নয়। সন্তানের প্রতি আচরণ আর দৃষ্টিভঙ্গির ওপর ভিত্তি করে বাবা-মায়ের ধরনকে অনেক ভাগে ভাগ করা যায়।

সব বাবা-মা–ই চান সন্তানের মঙ্গল হোক। কিন্তু তাঁদের এই চাওয়া পূরণ করতে গিয়ে সব সময় যে তাঁরা ঠিক পথে চলেন তা নয়—নিজের মনের অজান্তেই, সন্তানের মঙ্গল হওয়ার বদলে অনেক সময় তার বিকাশে বিঘ্ন ঘটাতে পারে বাবা-মায়ের আচরণ। সন্তান যখন ছোট থাকে, তখন তার খাবার, ঘুম, জ্বর–সর্দি নিয়েই তাঁদের ভাবনা। কিন্তু সেই সন্তান যখন বড় হতে থাকে, তখন ভাবনাচিন্তার ডালপালা অনেকখানি বড় হয়ে যায়। সে স্কুলে কাদের সঙ্গে মিশছে? বন্ধুরা কেমন? সে আবার নেশার খপ্পরে পড়ছে কি না? বন্ধুদের সঙ্গে তাকে ঘুরতে যেতে দেওয়া ঠিক কি না—এমনি নানান জিজ্ঞাসা বাবা-মার মনে উঁকি দেয়।

সন্তানদের এই বড় হওয়ার সময়টা বেশ সতর্কতার সঙ্গে নাড়াচাড়া করতে হবে বাবা-মাকে। তবে এজন্য তাদের প্রস্তুতি নিতে হবে কিন্তু সন্তানের জন্মের পরপরই। যেটাকে বলা হয় ‘গুড প্যারেন্টিং’ বা সন্তান লালন–পালনের আদর্শ কৌশল। সত্যিকার অর্থে ভালো মা–বাবা হতে চাইলে কী করতে পারেন।

ভালো বাবা-মা হতে চাইলে কী করবেন

* সন্তানের প্রতি আপনার ভালোবাসা প্রকাশ করুন। তাকে ভালোবাসছেন অথচ তা প্রকাশ করছেন না, এমনটা যেন না হয়।

* সন্তানের কথাগুলো যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে শুনুন। তাকে তাচ্ছিল্য করবেন না।

* ‘গুণগত সময়’ দিন। অর্থাৎ যতটুকু সময়ই তার সঙ্গে থাকছেন না কেন সে সময়টুকু শুধু তাকেই দিন।

* সফলতার পাশাপাশি জীবনে ব্যর্থতাকে মেনে নেওয়ার মতো করে তাকে তৈরি করুন। তার কোনো ব্যর্থতাকে সমালোচনা-বিদ্রূপ করবেন না। সন্তানের ছোটখাটো সাফল্যকেও উদ্‌যাপন করুন।

* তার সামনে কোনো অপরাধ করা বা অপরাধের পক্ষ নেওয়া থেকে বিরত থাকুন। তাকে নৈতিকতার শিক্ষা দিতে হলে বাবা–মা নিজেরা মিথ্যা বলবেন না, আইন ও নিয়ম ভাঙবেন না (যেমন: রাস্তার উল্টো দিক দিয়ে গাড়িতে যাবেন না, লিফটের সামনে বা বেতন দেওয়ার লাইন ভেঙে সামনে যাওয়ার চেষ্টা করবেন না)

* তার ওপর অযথা চাপ তৈরি করবেন না-‘তোমাকে এটা পারতেই হবে’, এ ধরনের লক্ষ্য নির্ধারণ তাকে দেবেন না।

* তাকে কোনো অবস্থাতেই মারবেন না, তীব্র কটাক্ষ করে বকবেন না, প্রয়োজনে বুঝিয়ে বলুন।

* অন্য কারও সঙ্গে সন্তানের তুলনা করবেন না, তাকে অহেতুক সন্দেহ করবেন না

* গোপন নজরদারি করবেন না, প্রয়োজনে তার সঙ্গে সরাসরি কথা বলুন।

* তার ভালো কাজের প্রশংসা করুন, অপছন্দের কাজ করলে একটা পর্যায় পর্যন্ত সেটির প্রতি গুরুত্ব দেবেন না।

* সন্তানের সঙ্গে ক্যারম বা লুডুসহ বিভিন্ন খেলা খেলুন। সপ্তাহে অন্তত একদিন পরিবারের সবাই মিলে বেড়াতে যান। সামাজিক অনুষ্ঠানগুলোতে সন্তানের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করুন।

* সন্তানের মোবাইল ফোন বা ট্যাব ব্যবহার সীমিত করুন। প্রয়োজনে আপনি নিজেও মোবাইল ফোন বা ট্যাব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার কমিয়ে দিন।

* পরিবারে সবাই অন্তত একবেলা একসঙ্গে বসে খাদ্য গ্রহণ করুন। সন্তানকে নিজের হাতে খেতে উৎসাহিত করুন। সে কম খায় এই অজুহাতে তাকে মুখে তুলে খাইয়ে দেবেন না।

* সন্তানকে কখনোই একই আদেশ বা নির্দেশ বারবার দেবেন না।

* তার বন্ধুদের গুরুত্ব দিন। ভালো বন্ধুদের সঙ্গে মিশতে উৎসাহিত করুন। তবে পরিষ্কার ধারণা রাখুন সে কাদের সঙ্গে কোথায় যাচ্ছে, কার বাসায় রাত কাটাচ্ছে।

* স্কুলগামী সন্তানের স্কুলের বই শিশুকেই পড়তে দিন। আপনি তার পড়ার বই মুখস্থ করবেন না। স্কুলের বই–ব্যাগ তাকেই সাজাতে দিন। স্কুল থেকে সে যেন নিজের পড়া নিজেই তুলে নিয়ে আসে। তার বই-ব্যাগ গোছানো থেকে বিরত থাকুন, স্কুলের পড়া আপনি সংগ্রহ করবেন না।

* সন্তানের সামনে পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য বা তার শিক্ষকের সমালোচনা করা থেকে বিরত থাকুন। বাবা-মা একে অপরকে ব্যঙ্গ–বিদ্রূপ বা নিন্দা করবেন না, তর্কে জড়াবেন না।

* বয়স অনুযায়ী তার শারীরিক পরিবর্তন আর নিরাপত্তা নিয়ে ধারণা দিন।

* সন্তানের আচরণে কোনো পরিবর্তন বা অস্বাভাবিকতা লক্ষ করলে মনোবিদ বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

31/08/2019

Birthday Boy Arafat (Class-3) with his birthday crown given by his class teacher.

10/08/2019

It's helpful !!!

The purpose of this survey is to analyze what effects of YouTube addiction to the kids in our country. Your participatio...
03/08/2019

The purpose of this survey is to analyze what effects of YouTube addiction to the kids in our country. Your participation will be treated as valuable data required for the completion of the research.

The purpose of this survey is to analyze what effects of YouTube addiction to the kids in our country. Your participation will be treated as valuable data required for the completion of the research. Your personal information will remain undisclosed. Please read the questions and the options thoroug...

Follow this.... respected mommies !!!
14/07/2019

Follow this.... respected mommies !!!

মা দের প্রতিদিনের কাজের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল বাচ্চাদের পড়াতে বসানো। বাচ্চারা বড় হলে

Some moral stories for our lovable students !!!
12/07/2019

Some moral stories for our lovable students !!!

09/07/2019

যেভাবে শিশু আত্মবিশ্বাসী হতে পারে
========================

শুরু করতে হবে প্রথম থেকে। যখন সে পেটে, যখন সে দোলনায়। মা যখন গান শোনেন, পেটের শিশু তা উপভোগ করে। শিশু যখন পেটে, মায়ের খাবার ও পানীয় সবকিছুতেই চিন্তা থাকতে হবে। এরপর যখন ও দোলনায়, তখনও ওর চিন্তা নিয়ে ভাবতে হবে। একে ইংরেজিতে বলে 'আর্লি স্টার্ট'। অনেক আগে থেকে শুরু করা।

২. বই পড়ে শোনাতে হবে। ছোট শিশুর জন্য পশ্চিমে কাপড়ের বই পাওয়া যায়। যদিও শিশু সবসময় সব বোঝে না, তবু পড়তে হবে। বই ভালোবাসা মানে অনেক কিছু।

৩. শিশুর সঙ্গে কথা বলতে হবে। ওরে আমার সোনারে, বাবুরে, কলিজারে বলে যত কথা বলা যায়, তত ভালো। অনেক গল্প করতে হবে। আকাশ, বাতাস, তারাদের গল্প। বাবার গল্প। মুক্তিযুদ্ধের গল্প। বীরের গল্প।

৪. যখন সে খেলবে, পড়বে, কথা বলবে, তার সঙ্গে 'ইন্টার অ্যাক্ট' করতে হবে।

৫. খেলনা যেন খুব দামি না হয়। ভাঙার ভয় না করে সে যেন মনের আনন্দে খেলতে পারে। বাড়িতে বানানো পুতুল, জুতার বাক্স, এমনি কিছু সাধারণ জিনিস। আর পুতুল কেবল মেয়েদের জন্য নয়, ছেলেরাও খেলবে। 'ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুর অন্তরে।' রান্না কেবল মেয়েদের নয়, ছেলেদেরও।

৬. শিশুকে তাড়াতাড়ি পড়তে শেখাতে হবে এবং বইমুখী করতে হবে। বিদেশে বিবিধ বয়সের শিশুদের জন্য কত রকমের বই যে পাওয়া যায়, তার ঠিক নেই। আমাদের দেশে যার অভাব আছে। মায়েরা ছবি দিয়ে বই বানাতে পারেন। বয়স চিন্তা করে বই কেনা ভালো।

৭. যখন সে খেলবে, সেখানে যেন সামাজিক ভাবনা ও ভাব প্রবণতার জায়গা থাকে এবং সঙ্গে সঙ্গে যেন বুদ্ধির বিকাশ হয়। মানসিক বিকাশ হবে এসবে।

৮. ওদের হাঁটাচলা, এক্সারসাইজের যেন সুযোগ থাকে। বাড়িতে জায়গা নেই? স্কিপিং, হুলাহুপ, কাঠের বাক্সে ওঠানামা। এ ছাড়া বাইরে নিয়ে হাঁটাহাঁটি। পার্ক, মাঠ। এতে শরীরের রক্ত চলাচল ভালো হয়। ব্রেনের সেলগুলো খাবার পায়। খেলতে খেলতে বা ব্যয়াম করতে করতে যেন নেয়ে-ঘেমে ওঠে। অ্যাপার্টমেন্টের শিশুদের জন্য ভাবতে হবে।

৯. ওদের যদি কোনো ক্রিয়েটিভ অভ্যাস থাকে, তাকে সাহায্য করা। উৎসাহিত করা। সৃষ্টিশীল অভ্যাসকে লালন করা। সে যাই হোক। সাবান দিয়ে পুতুল বানানো বা গান বানানো বা লেখালেখি বা কাগজের নৌকা বা অরিগামি কিংবা ইকিবানার ফুল।

১০. গান ওদের জীবনের অন্যতম একটি বিনোদন হতে পারে। শুনবে, গাইবে।

১১. টিভি দেখা কমিয়ে দিতে হবে। অন্য অভ্যাস যেন থাকে। আজেবাজে যা পেল, তাই দেখল- এটা ভালো নয়।

১২. শিশুকে বোঝাতে হবে, মা-বাবাও অনেক স্মার্ট। তারা অনেক কিছু পারে। রান্না, বাজার ওদের জন্য খেলনা, বই বানানো। আরও কত কী? ওরা যেন মা-বাবাকে নিয়ে গর্ব করতে পারে। মনে আছে দুটি বাচ্চার ঝগড়ার কথা? কার মা কত বেশি পারে বলতে বলতে যখন আর কিছু বলার ছিল না, তখন একটা বাচ্চা বলে- মাই মাম ইজ ফ্যাটার দেন ইয়োর মাম।

১৩. কিছু স্মার্ট কম্পিউটার গেম জীবনে থাকতে পারে। যেখানে অক্ষর, অঙ্ক, গান সবকিছু থাকে। ধ্বনিও কম্পিউটার শেখাতে পারে, যাকে বলা হয় 'ফোনিম'।

১৪. যখন ওরা বলবে- আমি বোরড। কী করব জানি না, তখন চুপ করে দেখতে হবে এই বোরড্‌ম থেকে রক্ষা করতে ওরা কী করে? বকা না দিয়ে দেখা।

১৫. কোনো কিছুর জন্য ঝুঁকি বা রিস্ক নেওয়া শেখাতে হবে। চেষ্টা করা, তারপর হবে, না হলে হবে না।

১৬. কোনো সমস্যার নিজে নিজে সমাধান করার চেষ্টা করা। সব সমস্যার সমাধান করে দিলে তো ওরা কিছুই পারবে না। প্লিজ, স্টপ স্পুন ফিডিং।

১৭. আই ক্যান ডু, আমি করতে পারি। এটা যেন ওরা বলতে ভয় পায় না। আমার মনে আছে- নার্সারির বাচ্চা যখন বলে, আই ক্যান ডু ইট। সেদিন তার আনন্দের দিন। কোট পরতে বা জুতার ফিতা নিজে লাগাতে পারছে।

১৮. বাচ্চা সম্বন্ধে কখনও নেতিবাচক মনোভাব থাকা ভালো নয়। সেটা নিয়ে অন্যের সঙ্গে আলোচনা বাচ্চার সামনে নয়। ওদের বলা- ইউ ডোন্ট হ্যাভ টু বি বেস্ট ইন দ্য ক্লাস। বাট ট্রাই ইয়োর বেস্ট। ফার্স্ট হতে না পারলে জীবন শেষ, এমন মনোভাব যেন না থাকে।

১৯. খাওয়াতে হবে ঠিকমতো। একটা সিদ্ধ ডিম, পরিজ সিরিয়াল সকালে। ফল খাবে প্রচুর। কমলার রস পান করবে। যেদিন মাছ, সেদিন মাংস নয়। তবে সকালের খাবার একেবারে চমৎকার হতে হবে। যে শিশু সকালে ভালো নাশতা করে, সে খুব মনোসংযোগী হয়।

২০. দেখতে হবে ওর যেন পরিমাণমতো ঘুম হয়। বাচ্চার বড় হওয়ার জন্য, ব্রেনের জন্য এই ঘুম প্রয়োজন।

২১. একটা গোল যেন সামনে থাকে। একটা ছবির বই বানানো বা নিজে নিজে একটা গেম বানানো বা কাঠের বাক্স দিয়ে ঘর বানানো। সময় নিয়ে, একটু একটু করে।

২২. প্রশংসা করতে হবে, তবে অতিরিক্ত নয়। অতিরিক্ত প্রশংসা ওদের নার্সিসিজমে আক্রান্ত করতে পারে। ভালো কাজের প্রশংসা দরকার।

২৩. বাচ্চাকে বলা, ভবিষ্যতে ও কী হতে পারে। ওর সম্ভাবনার কথা। তবে এমন কিছু বলা ঠিক নয়- আমি ওকে ডাক্তার বা জজ বানাব। ওদের ভাবতে দিতে হবে, ওরা কী হতে চায়।

২৪. ছোটখাটো প্রাইজের ব্যবস্থা করলে কেমন হয়? একটা খেলনা, বই, বল, পছন্দের জামা, সিডি, ডিভিডি যেমন পছন্দ। এতে উৎসাহ বাড়বে বৈ কমবে না।

২৫. ওদের পছন্দের যেন রকমফের থাকে। ওরাই ঠিক করবে, এখন ওরা কী করতে চায়। তবে অনেক সময় হাত ধরে ঠিক পথে নিয়ে যেতে হয়; তবে অনেক কায়দা করে।

২৬. সবসময় কন্ট্রোল করার চেষ্টা নয়। পরিণাম ভয়াবহ হয়ে যেতে পারে। ব্রিটেনে একটি মেয়েকে বাবা কন্ট্রোল করতেন। তার শিশুকাল বলে কিছু ছিল না। অক্সফোর্ডে যাওয়ার পর মেয়েটা দেহ ব্যবসা শুরু করে।

২৭. মানবতা শেখানো। পারলে কাজের লোকটাকে পড়ানো। একজনকে রাস্তা পার করতে সাহায্য করা। দোকানের দরজা ধরে দাঁড়িয়ে আর একজনকে বের হওয়ার সুযোগ করে দেওয়া। ধর্মই মানবতা।

২৮. এমন চাপ দেওয়া ঠিক নয়, শিশু যেন স্ট্রেসফুল না হয়ে যায়।

২৯. বাড়ির কাজে একটু সাহায্য করল। রান্নাঘরে, টেবিল সাজানোয়, কেউ এলো, ধোয়া-মোছায় ও বাড়ি পরিস্কার। বাড়ির চারপাশ পরিস্কার। প্রতিবেশীকে জানা। কথা বিনিময়। শিশুকে সামাজিক করে তোলা।

৩০. বাবার সঙ্গে যেন ভালো সম্পর্ক হয়। যে শিশুর বাবার সঙ্গে সম্পর্ক ভালো, সে অপরাধ কম করে। এটা হলো গবেষকদের কথা।

৩১. একটা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক।

৩২. বাচ্চাকে গল্প বলা। তারপর ওদের বলা- তুমি একটা গল্প করো। বই পড়ার পর সেই বইয়ের গল্প নিজের মতো করে বলা।

৩৩. অঙ্ককে যত সহজ করে শেখানো যায়, তত ভালো। তেমনি ব্যাকরণে বিভীষিকা যেন না থাকে। ইংরেজি লেখার আগে বলা শেখানো।

৩৪. ওকে কাছে নিয়ে বলা, ভবিষ্যতে ও কী হতে পারে, কী করতে পারে। খুব বেশি নয়। কারণ একদিন ও বলবে, নিজের ভবিষ্যতের কথা।

৩৫. নানা সব মজার ম্যাজিক্যাল সিনেমা বাচ্চার সঙ্গে শেয়ার করা। হ্যারি পটারও হতে পারে বা আলাদিনের গল্পও হতে পারে। বইমেলায় যাওয়া, পছন্দের বই কেনা। সারাবছর বই কেনা। ঈদে-পরবে ভালো জামার সঙ্গে একটি-দুটি বই কেনা যেতে পারে।

৩৬. সবকিছুর পরে নিজের ভালো লাগার একটা কিছু যেন সে করতে পারে।

৩৭. শিখতে হবে কাজ করে। বাড়ির লাইট যেন লাগাতে পারে। ফিউজ চেঞ্জ যেন করতে পারে। অনেক কাজ করতে পারার মতো মনোবল থাকতে হবে।

৩৮. প্রাইভেট টিউটর? খুব বেশি হলে যা বললাম, সেসব করানো মুশকিল। বাবা-মায়ের ওপর ছেড়ে দেওয়া ভালো। প্রাইভেট টিউটরের পরে কী করা যায়।

৩৯. প্রতিদিন যেন একটা কিছু শেখে। সুডোকো, ক্রসওয়ার্ড পাজল, ওয়ার্ড সার্চ। আরও কত কী। ছবি কেটে বই বানানো।

৪০. প্রকৃতির কাছে মাঝেমধ্যে যাওয়া। নানাবাড়ির গ্রামে। ব্রিটেনের শিশুরা বছরে একবার খামারে গিয়ে কিছু সময় কাটিয়ে আসে। মাইকেল মোরপারগোর বিশাল খামার আছে। তিনি কেবল শিশুদের বই লেখেন না। শিশুদের সঙ্গে প্রকৃতির সংযোগ ঘটান। সেখানে শিশুরা চাষবাস, দুধ দোয়া, মুরগির ডিম সংগ্রহ সবকিছু করে। সে এক মজার অভিজ্ঞতা। তিনি এ কারণে গ্রামে থাকেন। অসাধারণ এই লেখক।

৪১. বাচ্চাদের কবিতা মুখস্থ করানো। এ নাকি ব্রেনের জন্য ভালো। কবিতা মুখস্থ করানোয় শিশুদের আত্মবিশ্বাস বাড়ে বলে গবেষকদের অভিমত।

Be aware.....!!!
08/07/2019

Be aware.....!!!

নিজের সন্তান যখন তার সাথে ঘটে যাওয়া যৌন নির্যাতনের কথা বলবে, তখন যার বিরুদ্ধে বলুক না কেন, নির্যাতক আপনার যতো আপনজ.....

Be Aware !!!
06/07/2019

Be Aware !!!

মদ এবং কোকেইন যেমন ক্ষতিকর, শিশুদের জন্য স্মার্টফোন ঠিক তেমনটাই ক্ষতিকর। লন্ডনে অনুষ্ঠিত শিক্ষা বিষয়ক একটি সম্ম....

Address

Dhaka
1230

Opening Hours

Monday 08:00 - 17:00
Tuesday 08:00 - 17:00
Wednesday 08:00 - 17:00
Thursday 08:00 - 17:00
Saturday 08:00 - 17:00
Sunday 08:00 - 17:00

Telephone

+8801882348447

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hopes & Dreams School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Hopes & Dreams School:

Shortcuts

Share