16/09/2018
দারুল ইহসানের শিক্ষার্থীদের বৈধ ঘোষণা | বাংলাদেশ প্রতিদিন দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের জয়পুরহাটসহ বৈধ ক্যাম্পাসগুলোর শিক্ষার্থীদের সনদপত্রের বৈধতা দিয়েছেন উচ্চ আদালত।
To save ours Faculty
আমাদের ব্যাপারে...... আমাদের আন্দোলন কোন ব্যাক্তি বা দল নির্ভর নয় বরং তা মজবুত ঘটনতন্ত্রে সুসংঘঠিত। আমাদের দাবি আদায়ের আগে আমরা ঘরে না ফেরার প্রত্যয় নিয়ে মাঠে নেমেছি। আমরা হাতে হাত রেখে শপত করেছি;যা কোন কিছুর বিনিময়ে খেলাফ করতে দেব না। আমাদের ক্যাম্পাসের দায়িত্ব্য আমাদের পৈত্রিক সম্পদ নয়;বরং আমানাত। আমাদের জবাবদাহিতা আছে;অক্ষমতার ক্ষেত্রে নতূন নেতৃত্ব্য অস্বাভাবিক নয়। সবাই কে মনে রাখা উচিত, ইতিপূর
16/09/2018
দারুল ইহসানের শিক্ষার্থীদের বৈধ ঘোষণা | বাংলাদেশ প্রতিদিন দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের জয়পুরহাটসহ বৈধ ক্যাম্পাসগুলোর শিক্ষার্থীদের সনদপত্রের বৈধতা দিয়েছেন উচ্চ আদালত।
04/05/2018
আদালতের রায়ে বন্ধ হয়ে যাওয়া দারুল ইহসান ইউনিভার্সিটি’র অন্তত দু’লাখ সনদের বৈধতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সোমবার (১২ ডিসেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১৩ এপ্রিলের পরের কোনও সনদ গ্রহণযোগ্য হবে না। কারণ, ওই সময় হাইকোর্ট রায় দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) সূত্রে জানা গেছে, এই সময়ের আগে এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দুই লাখেরও বেশি সনদ দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে বন্ধ হওয়ার আগে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদে যারা সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন, তাদের নিয়মিত পদোন্নতি, আপগ্রেডেশনসহ অন্যান্য সুবিধা গ্রহণ করতে আর কোনও বাধা থাকবে না। এর ফলে দারুল ইহসানের সনদে যারা এতদিন পদোন্নতি পেয়েছেন, তাদের পদোন্নতিও বহাল থাকছে। এই ইউনিভার্সিটির সনদের বৈধতা নিয়ে তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে যত সিদ্ধান্ত হয়েছে, তাও বাতিল বলে গণ্য হবে।
এ ব্যাপারে বৈঠকের মুখপাত্র এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়) জাবেদ আহমেদ বাংলা ট্র্রিবিউনকে বলেন, ‘দারুল ইহসানের সনদ সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন করতেই মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।’ তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়ার পর্যন্ত এ বিষয়ে কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।
তবে বৈঠকে উপস্থিত একাধিক কর্মকর্তা নিশ্চিত করে বলেন,‘২০১৬ সালের ১৩ এপ্রিল হাইকোর্টের রায়ে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ফলে ওই রায় হওয়ার আগের সনদধারীদের সনদের বৈধতা দেওয়া হচ্ছে।’
বৈঠকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর, শিক্ষাবোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপস্থিত মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) পরিচালক (বিদ্যালয়) অধ্যাপক ড. মান্নান সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করে বলেন,‘আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়কে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। সনদ অবৈধ ঘোষণা করা হয়নি। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদধারী যে যেখানে কর্মরত আছেন, তাদের সনদ বৈধ বলে গণ্য করা হবে। ওই সনদের ভিত্তিতে তাদের পদোন্নতিও দেওয়া হবে।’
উল্লেখ্য, ১৯৮৯ সালে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৩ সালের ১৯ আগস্ট প্রতিষ্ঠানটি সরকারের অনুমোদন পায়।
/আরএআর/এপিএইচ/
http://m.banglatribune.com/others/news/271977/বৈধতা-পাচ্ছে-বন্ধ-হওয়া-দারুল-ইহসানের-দু’লাখ-সনদ? =_
বৈধতা পাচ্ছে বন্ধ হওয়া দারুল ইহসানের দু’লাখ সনদ | banglatribune.com আদালতের রায়ে বন্ধ হয়ে যাওয়া দারুল ইহসান ইউনিভার্সিটি’র অন্তত দু’লাখ সনদের বৈধতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক....
11/12/2017
বন্ধ হয়ে যাওয়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় দারুল ইহসানের সনদ বৈধ বলে ঘোষণা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় উপস্থিত মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) পরিচালক (বিদ্যালয়) অধ্যাপক ড.মান্নান জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়কে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। সনদ অবৈধ ঘোষণা করা হয়নি। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদধারী যে যেখানে কর্মরত আছেন তাদের সনদ বৈধ বলে গণ্য করা হবে। ওই সনদের ভিত্তিতে তাদের পদোন্নতিও দেয়া হবে।
দারুল ইহসানের সনদ বৈধ বন্ধ হয়ে যাওয়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় দারুল ইহসানের সনদ বৈধ বলে ঘোষণা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়...
13/12/2016
আল-হামদু লিল্লাহ। আমাদের ওয়েবসাইট এর কাজের অগ্রগতি ভালোই। আশা করি আগামি ১৬ই ডিসেম্বর থেকে অনলাইনে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ ডাটা আপডেট দিতে পারবেন-
Alumni FRS ( DIU ) Darul Ihsan University (DIU) is recognized in independent government assessments as one of top graded universities in Bangladesh. The university has been founded by Darul Ihsan Trust with the approval of the Ministry of Education under the Private University Act of 1992 and its amendment in 1993 and...
দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, বড় ভাইবোনেরা, বিশেষ করে ২০০৬ সালের আগে পাশকৃত। আপনাদেরকে সবিনয়ে জানাচ্ছি,
১. রায়ের কোথাও ২০০৬ উল্লেখ করে কোন রায় নাই। (আমার কাছে আছে দেখতে পারেন)
তারপরেও যারা নিজেকে নিরাপদ মনে করছেন তাদের কাছে প্রশ্ন?
ক) বিশ্ববিদ্যালয় নাই, তাহলে আপনাদের ডকুমেন্ট ও তথ্যাদি কোথায় সংরক্ষিত থাকবে?
খ) চাহিদা অনুযায়ী কোন তথ্য বা নতুনভাবে সনদ (সনদ হারিয়ে গেলে) কোথার থেকে ইস্যু করবেন?
গ) উচ্চ শিক্ষা বা ইমিগ্রেশেনের ক্ষেত্রে সনদ verification কোথার থেকে কিভাবে করবেন।
ঘ) নতুন চাকরি, প্রোমোশান এর ক্ষেত্রে সনদ verification কোথার থেকে কিভাবে করবেন।
তারপরেও সব যুক্তি তর্কের বাইরে দয়া করে এগিয়ে আসুন, কিছু টাকাই তো চাচ্ছি। যা অনেকের এমনিতেই খরচ হয়।
আপনাদের ছোট ভাইবোনেরা (কিছু বড় ভাইদের সহযোগিতায়) তাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করছে সনদ সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের জন্য। আশা করি ইনশাল্লাহ সফল হব।
হে আমার দাইবি শিক্ষার্থী বন্ধু!
আস সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
আজ আমরা এক মহা বিপদে আছি। আজ আমরা নানা ভাবনা নিয়ে মত্ত। আমরা ভাবছি, দাইবি-কে মহামান্য হাইকোর্ট বন্ধ করেছে এত আমাদের করণীয় কী? যা হওয়ার তা হবেই। একটু ভাবুন,
- আজ দাইবির অফিস যদি বন্ধ হয়, এমতাবস্থায় আপনার একটি সরকারী-আধাসরকারী কিংবা বেসরকারী কোন চাকুরী হয়। তাহলে আপনার সনদের ভ্যারিফিকেশন করবে ?
- আজ আপনি সনদ, মার্কসিট কিংবা অন্য কোন পেপার হারিয়ে ফেললেন, নতূন করে তোলবেন কোথায় থেকে?
- আজ আর ইউজিসি এর ওয়েবসাইটে দাইবি নাই। আগামী ক’দিন পর যদি এনটিআরসি, বিসিএস কিংবা অন্য কোন ফরম ফিলাপ করতে দাইবি কোন অপশন না পান তাহলে কী করবেন?
- আজ হয়তো আপনি বিদেশে আছেন, সেখানে কোন চাকুরি এপ্লাই করছেন। আপানি হয়তো এতে অনেক যোগ্য কিন্তু আপনার চাকুরি দাতা ইউজিসিতে সার্চ দিয়ে যা দেখবেন তাতে আপনার ভালো লাগবে?
- আপনি হয়তো ভাবছেন আমি কতৃপক্ষেরে কাছ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা দাবি করবো। কিন্তু তা কতটুকু সম্ভব? আপনার জীবনের মূল্য পাঁচ লক্ষ?
আপানি কী পারবেন আবার ছাত্র জীবনে ফিরে যেতে। হয়তো আপানি পারবেন।কিন্তু আমাদের পক্ষে তা দূরূহ। আমরা মহামান্য আদালতের হাইকোর্ট ডিভিসনের রায়ে সম্মান প্রদর্শন করে পরবর্তী প্রদক্ষেপের জন্য প্রস্থুতি নিচ্ছি। আপনি একা তিংবা আপনার বন্ধুদের নিয়ে আপনার স্বাথে নেমে পড়তে পারেন। নতুবা আমাদের সাথে যোগ দিতে পারেন। আমরা আশা করি মহামান্য আদালত ও আমাদের উর্দ্ধতন সকল কতৃপক্ষ আমাদের সহযোগীতা করবেন।
প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পক্ষে
- মু. মকছুদুল করীম চৌধূরী
এএলআইএস, ধর্ম বিজ্ঞান অনুষদ
দাইবি, ধানমন্ডি ৯/এ
ভাইয়া, আপনি ও আপনার পরিচিত এর বন্ধুদের আজ (সোমবার) সন্ধ্যায় ক্যাম্পাসে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। এখনই সময়।
আজই আমাদের জরুরি সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তাই, আমরা স্যারদের আমন্ত্রণ করেছি। সনদ নিয়ে ভুক্তভোগী হিসেবে আজই আমাদের কর্তব্য ধার্য করতে হবে।
আশা করি, আপনি আপনার পরিচিত ছাত্রদের বিষয়টি অবহিত করবেন এবং যথা সময়ে উপস্থিত হবেন।
30/10/2016
#বিজ্ঞপ্তি :
আজ সন্ধ্যায় এ জরুরি মিটিং ..
এতে সনদ বিষয়ে ভুক্তভোগী ছাত্র-শিক্ষকরা আসবেন।
#বিষয়বস্তু :
ে_ডাটা_সংগ্রহ, #ছাত্র_আইনী_অবস্থান, #সর্বশেষ_আপডেট , #আমাদের_করণীয়..
#অনুরোধ:
আপনি আমন্ত্রিত। আপনি আপনার ব্যাচের সবাইকে জানিয়ে দিতে সহযোগিতা করুন ।
আপডেট :
থেকে তিন সদস্যের একটি দল আজকের মিটিং এ প্রতিনিধি হিসেবে যোগদান করে। প্রতিনিধি দল অগ্রগতিকে পজেটিভ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তারা মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সকল শিক্ষার্থীদের মত কে একমত হয়ে এগিয়ে আসা উচিত। কিন্তু কেমনে, কিভাবে ও কী করতে হবে তার জন্যে সবাইকে বসতে হবে।
তাই তারা আগামী সোমবার সন্ধ্যায় এর বিল্ডিং এ একটি মিটিং এর সিদ্ধান্ত নেয় । মিটিং এ ধানমন্ডিতে আয়োজিত মিটিং এর সামগ্রিক আপডেট ও পরবর্তী করণীয় বিষয়ে পরিকল্পনা নেওয়া হবে । সেদিন মিটিং এ এখনকার সনদদারী স্যারদের আমন্ত্রণ করা হবে।
আপনি আপনার সহপাঠীদের নিয়ে উপস্থিতির জন্য আমন্ত্রিত ।