26/03/2019
🇨🇳🇨🇳🇨🇳🇨🇳🇨🇳
China University স্কলারশীপ
বাংলাদেশ থেকে এখন অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য চীনে আসছেন।
অন্যদিকে চীনের অনেকগুলো বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। তবে অনেকে সঠিক তথ্যের অভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
***কিছু স্কলারশিপ শিক্ষার্থীর সম্পূর্ণ খরচ অর্থাৎ টিউশন ফি থেকে শুরু করে বিনা মূল্যে আবাসন প্রদান করে। সঙ্গে দেয় নির্দিষ্ট পরিমাণ মাসিক খরচ।
***আর কিছু আছে শুধু টিউশন ফি স্কলারশিপ হিসেবে দেয়। আর যদি স্কলারশিপ নাও পান তবে নিজ খরচে পড়ার সুবিধাও রয়েছে।
স্কলারশিপে যা যা পাবেনঃ
ডিপ্লোমা প্রোগ্রামঃ ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং, বিবিএ, হোটেল ম্যানেজম্যান্ট।
(এস.এস.সি এর পরে ভর্তি হতে পারবেন)
- টিউশন ফি ফ্রি।
- হোস্টেল ফি ফ্রি।
ব্যাচেলর প্রোগ্রামঃ ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বিবিএ, হোটেল ম্যানেজম্যান্ট।
(এইচ.এস.সি এর পরে ভর্তি হতে পারবেন)
- টিউশন ফি ফ্রি।
- হোস্টেল ফি ফ্রি।
মাস্টার্স এবং পি.এইচ.ডিঃ
- টিউশন ফি ফ্রি।
- হোস্টেল ফি ফ্রি।
- প্রতি মাসে ২০,০০০-৪৫,০০০/= মাসিক বৃত্তি।
নিজ খরচে পড়তে পারবেনঃ
- এম বি বি এস।
আংশিক স্কলারশিপে পড়তে পারবেনঃ
- এ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং।
কেন চায়নায় যাবেনঃ
*পরাশুনার মাধ্যম : English
*আন্তর্জাতিকমানের বিশ্ববিদ্যালয় আর ল্যাব সুবিধা। গবেষণারও সুযোগ প্রচুর।
*আইইএলটিএস অথবা টোফেল এর দরকার পড়ে না।
*কোনো সেশনজট নেই। শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ। আছে সমৃদ্ধ লাইব্রেরি ও খেলাধুলার জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা।
*জীবনযাত্রার ব্যয় তেমন বেশি নয়। শহর ভেদে ৬ থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে।
*চীনের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতি পড়াশোনার বাইরেও চোখ খুলে দিবে।
চায়না যাওয়ার প্রক্রিয়াঃ
> প্রয়োজনীয় একাডেমিক পেপার্স জমা করা।
> ইউনিভার্সিটিতে পেপার্স পাঠানো।
> অফার লেটার/এডমিশন লেটার পেয়ে যাবে।
> এডমিশন এবং প্রশাসনিক ফি জমা করা।
> মেডিকেল চেক-আপ করা।
> অরিজিনাল JW202 (ভিসা অনুমোদন পত্র), এডমিশন লেটার পেয়ে যাবে।
> ভিসার জন্য অ্যাম্বাসিতে যাওয়া।
> অন্যান্য সকল ফি জমা করা।
> Air Ticket সংগ্রহ করা।
> চায়না যাওয়ার পূর্ব প্রস্তুতি।
> University প্রতিনিধি এসে এয়ারপোর্ট থেকে নিয়ে যাবে।