Wingate Education Official

Wingate Education Official Wingate Education is a career consulting platform where students & job seekers get proper help

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.কম। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে এমবিএ। দীর্ঘ কর্মজীবনের পথ পেরিয়ে এখন দেশের অন্যতম ...
25/09/2026

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.কম। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে এমবিএ। দীর্ঘ কর্মজীবনের পথ পেরিয়ে এখন দেশের অন্যতম বড় টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। তিনি ইয়াসির আজমান। আবুজর গিফারী কলেজে পড়াশোনা থেকে শুরু করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি, এরপর আন্তর্জাতিক করপোরেট অভিজ্ঞতা এবং গ্রামীণফোনে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে শীর্ষ নির্বাহীর পদে পৌঁছেছেন তিনি।

ইয়াসির আজমানের শিক্ষাজীবন শুরু হয়েছিল দেশের সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। তাঁর নিজের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিনি কাকলি হাইস্কুল, ঢাকা কলেজ ও আবুজর গিফারী কলেজে পড়াশোনা করেন। পরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.কম ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা আইবিএ থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পরবর্তী সময়ে লন্ডন বিজনেস স্কুল ও ফ্রান্সের ইনসিয়াদেও নির্বাহী শিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেন।

তবে তাঁর করপোরেট ক্যারিয়ারের শুরু গ্রামীণফোনে হয়নি। ১৯৯৯ সালে এএনজেড গ্রিন্ডলেজ ব্যাংকে ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে কর্মজীবনে প্রবেশ করেন ইয়াসির আজমান। পরে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশে কাজ করেন। সেলস, ডিস্ট্রিবিউশন ও ট্রেড মার্কেটিংয়ের বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে তাঁর করপোরেট অভিজ্ঞতা বাড়তে থাকে।

২০০৫ সালে গ্রামীণফোনে যোগ দেন তিনি। সেলস বিভাগের অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক হিসেবে শুরু করে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তাঁর ক্যারিয়ারে যুক্ত হয় আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা। টেলিনর ইন্ডিয়ার ওড়িশা ও কর্ণাটক সার্কেলে এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সার্কেল বিজনেস হেড হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে টেলিনর গ্রুপের ডিস্ট্রিবিউশন ও ই-বিজনেস বিভাগের প্রধান হিসেবেও কাজ করেন।

২০১৫ সালে গ্রামীণফোনে ফিরে চিফ মার্কেটিং অফিসারের দায়িত্ব নেন ইয়াসির আজমান। ২০১৭ সালে হন ডেপুটি সিইও। এরপর ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব নেন। গ্রামীণফোনের তথ্য অনুযায়ী, তিনি প্রতিষ্ঠানটির প্রথম ‘হোমগ্রোন’ বাংলাদেশি সিইও। অর্থাৎ বাইরে থেকে সরাসরি শীর্ষ পদে না এসে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে করতেই তিনি CEO পদে পৌঁছান।

ইয়াসির আজমানের পারিশ্রমিকের একটি আনুমানিক হিসাবও পাওয়া যায় CareerBliss-এ। সাইটটির তথ্য অনুযায়ী, গ্রামীণফোনের CEO পদে বার্ষিক বেতন ১ লাখ ৯১ হাজার মার্কিন ডলার। বর্তমান বাংলাদেশ ব্যাংকের ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর ডলার রেট ধরে এই অর্থ বছরে প্রায় ২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা, আর মাসিক হিসাবে প্রায় ১৯ লাখ ৬ হাজার টাকা।

তবে এই বেতনের তথ্যটি একটি বিষয় মাথায় রেখে ব্যবহার করা জরুরি। CareerBliss-এর অঙ্কটি CEO পদের salary estimate, ইয়াসির আজমানের ব্যক্তিগত নিয়োগপত্র বা গ্রামীণফোনের প্রকাশিত payroll statement নয়। গ্রামীণফোনের বার্ষিক প্রতিবেদনে শীর্ষ ব্যবস্থাপনার সম্মিলিত পারিশ্রমিকের তথ্য পাওয়া যায়, কিন্তু ইয়াসির আজমানের ব্যক্তিগত মাসিক বেতন আলাদাভাবে প্রকাশ করা হয়নি। ফলে প্রায় ১৯ লাখ টাকা মাসিক হিসাবটি একটি প্রকাশিত salary estimate থেকে করা রূপান্তর।

দেশের অন্যতম বড় টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি গ্রামীণফোনকে প্রযুক্তিনির্ভর টেলকো-টেক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের দিকেও গুরুত্ব দিচ্ছেন ইয়াসির আজমান। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল সেবা, নেটওয়ার্ক উন্নয়ন ও গ্রাহক অভিজ্ঞতার ওপর প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান কৌশলে গুরুত্ব রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ায় আসছি ২০২৩ সালে। দেশের সেটেলড জব, ১৪ বছরের ক্যারিয়ার, বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন, বউ আর দুই মেয়েকে ছেড়ে একা ...
21/09/2026

অস্ট্রেলিয়ায় আসছি ২০২৩ সালে। দেশের সেটেলড জব, ১৪ বছরের ক্যারিয়ার, বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন, বউ আর দুই মেয়েকে ছেড়ে একা একা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে প্রায় বুড়া বয়সে মাস্টার্স করতে চলে আসলাম।

একা একা নতুন জীবন শুরু।

ইউনিভার্সিটির ডরমিটরিতে উঠেছি। প্রতি সপ্তাহের ভাড়া তখন ২১০ ডলার। পড়াশোনারও খুব চাপ। কোনো রকমে কিছু একটা রান্না করে খাই, আর বেশিরভাগ সময় কাটে ইউনিভার্সিটির লাইব্রেরিতে। এর মধ্যে আবার চাকরি-বাকরিও খোজার ট্রাই করতে থাকি। টাকা তো আর্ন করতে হবে। বইয়ের পাতায় মুখ গুঁজে থাকলে তো আর পেট ভরবে না। শুরু হলো চাকরি খোঁজার অভিযান।

প্রথমে বাংলাদেশি কমিউনিটি দিয়ে শুরু করলাম। খুঁজে খুঁজে বাংলাদেশি বের করার চেষ্টা নানা কথার মাঝে জিজ্ঞেস করি, “ভাই, চাকরি লাগবে।”
আমার মতে, বিদেশে তিন ধরনের বাঙালি থাকে।

এক গ্রুপ, তারা খুব ভালো মানুষ। অন্তরটা ভালো। আপনাকে নানা ভাবে সাহায্য করার চেষ্টা করবে। যদিও এরা সংখ্যায় একেবারেই কম।

এরপর আরেক গ্রুপ আছে। তারা শুধু তাদের বাড়ি-গাড়ির কথা শোনাতে চায়। চাকরির কথা জিজ্ঞেস করলে বিরাট বড় বড় কথা শোনায়,

“এমন সময় আসলা, চাকরি-বাকরির অবস্থা খারাপ।”
অথবা,
“আরে মিয়া, আসছো শুক্কুরে শুক্কুরে দুই দিন, একটু টাইম দাও। আইসাই গরম ভাত খেতে চাও!”

আমি বানিয়ে বলছি না। ঠিক এই ধরনের কথাই আমি শুনেছি।

শেষ গ্রুপটা খুব পরশ্রীকাতর। তারা চিন্তা করে, “আমি যখন আসছিলাম কতই না কষ্ট করছি। ৬ মাস, ১ বছর কোনো চাকরি পাই নাই। তুমিও বসে থাকো, কিছুদিন মজা বোঝো।”

বাংলাদেশীদের সাথে মিশে আমি বুঝলাম, এখানে খুব একটা সুবিধা হবে না।

তারপর শুরু করলাম মসজিদভিত্তিক অভিযান।
যেহেতু কার্টিন ইউনিভার্সিটির প্রায় ভেতরেই থাকতাম, প্রতি বেলাতেই ইউনিভার্সিটির মসজিদে নামাজ পড়তে যেতাম। নামাজ শেষে মুসলিম ভাইদের সাথে পরিচিত হতাম।

নানা দেশের মুসলমান—পাকিস্তান, ভারত, আরব দেশের মুসলিম, আফ্রিকান মুসলিম।

কিছুদিনের মধ্যেই বুঝলাম, এদের দৌড় শুধু “আসসালামু আলাইকুম” আর “ওয়ালাইকুম আসসালাম”-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ।

বুঝলাম, এভাবে হবে না।
শুরু করলাম সবার সাথে কথা বলা।

ব্যক্তিগতভাবে আমি অতটা এক্সট্রোভার্ট না। কিন্তু হঠাৎ করে আমি হয়ে গেলাম চরম এক্সট্রোভার্ট। যেখানে যাই, সবার সাথে কথা বলি। শুধু নির্দিষ্ট কোনো গ্রুপের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সবার সাথে মেশার চেষ্টা করলাম।
ফলাফলও পেলাম খুব দ্রুত।

অনেকের সাথেই পরিচয় হলো।

প্রথম চাকরিটা পেলাম একজন রাশিয়ান ছেলের রেফারেন্সে। ওর সাথে এতটাই ভালো সম্পর্ক হয়েছিল যে, আমি কোথাও চাকরির জন্য এপ্লাই করতে গেলে ও আমাকে ওর গাড়িতে করে নিয়ে যেত।

আলহামদুলিল্লাহ, প্রথম চাকরিটা পেতে সময় লেগেছিল মাত্র ১৫ দিন।

চাকরি তো হোলো। সপ্তাহে ২৪ ঘণ্টা কাজ করতে পারি।

পড়াশোনাও চলছে ভালোভাবে।

চিন্তা করলাম, ক্যাশে কিছু কাজ করার দরকার। মানুষের সাথে মেশা, কথা বলা চালিয়ে যেতে লাগলাম।
১৫ দিন আগের ইন্ট্রোভার্ট একজন মানুষ রাতারাতি একজন এক্সট্রোভার্টে রূপান্তরিত হলাম।

সেকেন্ড জবটা পাই নিকোলাস নামের একজন চিলিয়ান ছেলের মাধ্যমে। শনিবার-রবিবার কাজ। পেমেন্ট করবে ক্যাশে।

বুঝলাম, কমিউনিকেশন করতে পারাটা একটা স্কিল। মানুষকে আমার প্রয়োজনটা বলতে হবে। মানুষের সাহায্য ছাড়া সামনে এগোনো খুব কঠিন কাজ।

এরপরের গল্প তো স্বপ্নের মতো।

লিংকডইনে একটা ইন্টারভিউয়ের কল পেলাম জ্যাকবস থেকে। জ্যাকবস পৃথিবীর নাম্বার ওয়ান ইঞ্জিনিয়ারিং কনসালটেন্সি ফার্ম। আমার কাজ হবে সাবস্টেশন আর ট্রান্সমিশন লাইনের স্ট্রাকচারাল ডিজাইন করা।

দুইবার ইন্টারভিউ দিলাম। চাকরি হয়েই গেল।
পজিশন—সিনিয়র স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার।

অস্ট্রেলিয়ায় আসার পর থেকে জ্যাকবসে চাকরি হওয়া পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় সময় লেগেছিল মাত্র ৬ মাস।
আলহামদুলিল্লাহ।
এরপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি। মাস্টারস, আরো ভালো জব, সবই হয়েছে।

মাঝেমাঝেই বিভিন্ন বাংলাদেশি গ্রুপে বাংলাদেশিদের পোস্ট দেখি—
“টাকা শেষ হয়ে যাচ্ছে।”
“তিন মাসের টাকা নিয়ে আসছিলাম।”
“অনেক চেষ্টা করেছি, কিছুতেই কোনো জব ম্যানেজ করতে পারি নাই।”

“প্লিজ হেল্প করেন।”
“যেকোনো ধরনের কাজ করবো।”

“আর এক সপ্তাহ পর না খেয়ে থাকতে হবে।”
ইত্যাদি ইত্যাদি।

এই ছেলেগুলোর জন্য খুব খারাপ লাগে।
তখন নিজের কাছেই একটা প্রশ্ন করি—ওরা কি ঠিকমতো কমিউনিকেট করতে পারছে না? নাকি আমি অস্বাভাবিক রকমের ভাগ্যবান ছিলাম, অল্পতেই সবকিছু হয়ে গেছে?

হয়তো দুটোই কিছুটা সত্যি।

আমি এটাও মনে করি না যে, শুধু মানুষের সাথে কথা বলতে পারলেই অস্ট্রেলিয়ায় চাকরি পাওয়া যায়। যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, সময়, সুযোগ—সবকিছুরই একটা ভূমিকা আছে।

কিন্তু একটা জিনিস আমি খুব পরিষ্কারভাবে বুঝেছি।
আপনি যতই যোগ্য হন, মানুষ যদি না জানে আপনি কী পারেন, তাহলে আপনার সেই যোগ্যতার মূল্য অনেক সময়ই শূন্য।

আর বিদেশে এসে সবচেয়ে বড় ভুল হয়তো আমরা তখনই করি, যখন নিজের ছোট্ট একটা পরিচিত গণ্ডির মধ্যে আটকে থাকি।

আমি বাংলাদেশিদের কাছে গিয়ে চাকরি চেয়েছি। হয়নি।
মসজিদে গিয়ে পাকিস্তানি, ভারতীয়, আরব, আফ্রিকান—সবার সাথে কথা বলেছি। তাদের কাছ থেকেও তেমন কিছু পাইনি।

কিন্তু আমি কমিউনিকেট করার ট্রাই করেছি সবার সাথে ।
কথা বলতে বলতে পরিচয় হয়েছে। পরিচয় থেকে সম্পর্ক হয়েছে। সম্পর্ক থেকে একজন মানুষ আমাকে একটা সুযোগ দিয়েছে। সেই সুযোগ থেকে আরেকটা সুযোগ এসেছে।

আজ যখন পেছনে তাকাই, মনে হয়—আমার অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম ছয় মাসের সবচেয়ে বড় অর্জন হয়তো প্রথম চাকরিটা না।
সবচেয়ে বড় অর্জন ছিল, আমি মানুষের সাথে কথা বলতে শিখেছিলাম।

আমি কতটা ভাগ্যবান ছিলাম জানি না।

কিন্তু একটা জিনিস জানি—ভাগ্য দরজা খুলে দিতে পারে, কিন্তু দরজার সামনে গিয়ে দাঁড়ানোটা নিজের কাজ।

আর সেই দরজায় কড়া নাড়ার সাহসটা যেন আমরা কখনো হারিয়ে না ফেলি।

© Rummon Jahir

আইইএলটিএস পরীক্ষায় ৯–এ ৯ পাওয়া আমার জন্য শুধু একটি ভালো ফল নয়; বরং ছোটবেলা থেকে তৈরি হওয়া কিছু অভ্যাসের ফল। অনেকে হয...
20/09/2026

আইইএলটিএস পরীক্ষায় ৯–এ ৯ পাওয়া আমার জন্য শুধু একটি ভালো ফল নয়; বরং ছোটবেলা থেকে তৈরি হওয়া কিছু অভ্যাসের ফল। অনেকে হয়তো অবাক হবেন, পরীক্ষার আগে আমি খুব বেশি সময় নিয়ে প্রস্তুতি নিতে পারিনি। কিন্তু আমার বিশ্বাস, কোনো দক্ষতা এক দিনে তৈরি হয় না। ইংরেজি ভাষার সঙ্গে দীর্ঘদিনের যোগাযোগ, নিয়মিত পড়ার অভ্যাস, ইংরেজি কনটেন্ট দেখা এবং শেখার আগ্রহ আমাকে এই জায়গায় নিয়ে এসেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত পরিসংখ্যান বিভাগে পড়েছি। এখন পড়ছি ইউনিভার্সিটি অব টরন্টোর মাস্টার অব ম্যানেজমেন্ট অ্যানালিটিকস বিভাগে। উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত জীবনের প্রয়োজনে আমি আইইএলটিএস পরীক্ষা দিয়েছিলাম।

আমি সব সময় মনে করি, আইইএলটিএসের জন্য শুধু শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি যথেষ্ট নয়। পরীক্ষার কৌশল জানা দরকার, তবে তার চেয়েও বেশি প্রয়োজন ভাষার সঙ্গে নিয়মিত সম্পর্ক তৈরি করা। লিসেনিং, রিডিং, রাইটিং ও স্পিকিং—প্রতিটি অংশেই ভালো করার জন্য আলাদা কিছু কৌশল আছে। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে সেগুলোই ছোট করে বলি।

লিসেনিং
ইংরেজি ‘লিসেনিং’ বা শোনার দক্ষতা বাড়ানোর পেছনে আমার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে ইংরেজি শোনার অভ্যাস। ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন ইংরেজি অনুষ্ঠান, খবর, সিনেমা ও অন্যান্য কনটেন্ট দেখতাম। শুরুতে সবকিছু বুঝতে পারতাম না। বিশেষ করে বিভিন্ন দেশের উচ্চারণ বুঝতে কিছুটা কঠিন লাগত। ধীরে ধীরে অভ্যাস তৈরি করি। প্রথমে সাবটাইটেল দিয়ে দেখতাম, পরে চেষ্টা করতাম সাবটাইটেল ছাড়া বুঝতে। এভাবে কান ইংরেজি ভাষার সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে যায়। আমার মনে হয়, লিসেনিং শেখার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিয়মিত শোনা। যাঁরা ইংরেজি শেখা শুরু করছেন, তাঁরা সহজ কনটেন্ট দিয়ে শুরু করতে পারেন। অ্যানিমেটেড সিনেমা, সহজ গল্প, পডকাস্ট বা সংবাদ শোনা যেতে পারে। শুরুতে সব শব্দ বুঝতে না পারলেও সমস্যা নেই। নিয়মিত শুনলে ধীরে ধীরে শব্দ, উচ্চারণ ও বাক্যের ধরন বোঝা সহজ হয়। আইইএলটিএসের লিসেনিং অংশে শুধু ইংরেজি বোঝার ক্ষমতা থাকলেই হবে না, পরীক্ষার ধরন সম্পর্কেও ধারণা থাকতে হবে। অনেক সময় পরীক্ষায় এমন কিছু তথ্য থাকে, যা মনোযোগ নষ্ট করতে পারে। যেমন কোনো নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বরের ক্ষেত্রে ভুল হওয়ার সুযোগ থাকে। তাই মক টেস্ট দেওয়া এবং কী ধরনের প্রশ্ন আসে, তা আগে থেকে বোঝা খুব জরুরি।

রিডিং
আমার ইংরেজি রিডিং বা পড়ার দক্ষতা তৈরির পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে বই পড়ার অভ্যাস। ছোটবেলা থেকে বাংলা ও ইংরেজি—দুই ভাষার বই-ই পড়তাম। ধীরে ধীরে সহজ বই থেকে কঠিন বইয়ের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেছি। আমার কাছে ভোকাবুলারি (শব্দভান্ডার) বাড়ানোর সবচেয়ে ভালো উপায় হলো শব্দকে বাস্তব ব্যবহারের মধ্যে দেখা। শুধু একটি শব্দের অর্থ মুখস্থ করলে সেটা বেশি দিন মনে থাকে না। কিন্তু একটি বাক্যে বা গল্পে শব্দটি কীভাবে ব্যবহৃত হয়েছে, তা বুঝলে সহজে মনে থাকে। অনেকে আইইএলটিএসের আগে অনেক শব্দ মুখস্থ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু আমার অভিজ্ঞতা হলো, দীর্ঘদিনের রিডিংয়ের অভ্যাস থাকলে ভোকাবুলারি স্বাভাবিকভাবেই বাড়ে। রিডিং পরীক্ষায় আমার কৌশল ছিল, প্রথমে পুরো প্যাসেজ পড়ে এর মূল বিষয় বোঝা। এরপর গুরুত্বপূর্ণ শব্দ, নাম, সংখ্যা বা বিশেষ তথ্য চিহ্নিত করা। বারবার পুরো প্যাসেজ পড়লে সময় নষ্ট হয়; বরং প্রথমে একটি ধারণা তৈরি করে পরে প্রশ্ন অনুযায়ী উত্তর খুঁজলে সময় বাঁচে। আমি মনে করি, রিডিং শুধু আইইএলটিএসের জন্য প্রয়োজনীয় নয়; এটি আমাদের চিন্তাভাবনা, বিশ্লেষণক্ষমতা এবং নিজের ভাবনা প্রকাশ করার দক্ষতাও বাড়ায়।

রাইটিং
আইইএলটিএসের রাইটিং অংশ অনেকের কাছেই কঠিন মনে হয়। কারণ, এখানে শুধু ইংরেজি জানা যথেষ্ট নয়; নিজের চিন্তাকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে প্রকাশ করতে হয়। আমার ক্ষেত্রে ছোটবেলা থেকে লেখার অভ্যাস অনেক সাহায্য করেছে। কোনো কিছু পড়ে তার সারাংশ লেখা, নতুন শব্দ লিখে রাখা এবং নিজের চিন্তা লিখে রাখার অভ্যাস ছিল। এমন ছোট ছোট চর্চাই পরে বড় কাজে এসেছে। রাইটিং ভালো করার জন্য প্রথমে গ্রামারের ভিত্তি ভালো করতে হবে। বিশেষ করে সেনটেন্স স্ট্রাকচার, টেন্স এবং সাবজেক্ট ভার্ব অ্যাগ্রিমেন্টের মতো বিষয়গুলো পরিষ্কারভাবে জানতে হবে। অনেকে মনে করেন, কঠিন শব্দ ব্যবহার করলেই ভালো লেখা হয়। আসলে বিষয়টি এমন নয়। পরিষ্কার, যুক্তিসংগত ও সুন্দরভাবে সাজানো লেখা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আইইএলটিএস রাইটিংয়ে কমপ্লেক্স সেনটেন্স তৈরি করার দক্ষতা দরকার। কয়েকটা ছোট বাক্য আলাদা আলাদা না লিখে কীভাবে একই ভাবকে সুন্দরভাবে একসঙ্গে প্রকাশ করা যায়, সেটা শিখতে হবে। রাইটিং টাস্কে শুধু তথ্য লিখলেই হবে না, তথ্যের অর্থও বুঝিয়ে বলতে হবে। কোনো গ্রাফ বা চার্ট দেওয়া হলে শুধু সংখ্যা উল্লেখ না করে সেখানে কী পরিবর্তন হয়েছে, কেন হতে পারে, সেটিও বিশ্লেষণ করতে হবে।

স্পিকিং
স্পিকিংয়ের ক্ষেত্রে আমার সবচেয়ে বড় পরামর্শ হলো, ভয় না পেয়ে কথা বলা শুরু করতে হবে। অনেকেই ইংরেজি বুঝতে পারেন, লিখতে পারেন, কিন্তু কথা বলার সময় আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন।

আমি ছোটবেলা থেকেই চেষ্টা করেছি ইংরেজিতে কথা বলতে। আশপাশে যাঁরা ভালো ইংরেজি বলতেন, তাঁদের কথা শুনতাম। তাঁরা কীভাবে বাক্য তৈরি করছেন, কীভাবে উচ্চারণ করছেন—এসব লক্ষ করতাম। আমার কাছে স্পিকিং উন্নত করার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো নিয়মিত কথোপকথন। বন্ধুদের সঙ্গে ইংরেজিতে কথা বলা, নিজের চিন্তা ইংরেজিতে প্রকাশ করার চেষ্টা করা—এসব অভ্যাস খুব কাজে দেয়। আইইএলটিএস স্পিকিংয়ে মুখস্থ উত্তর দিয়ে ভালো করা কঠিন। কারণ, এটি আসলে একটি স্বাভাবিক কথোপকথন। পরীক্ষার্থীকে নিজের অভিজ্ঞতা, পছন্দ, মতামত ও চিন্তা স্বাভাবিকভাবে প্রকাশ করতে হয়। পরীক্ষায় সাধারণ কিছু বিষয় বারবার আসে। কোথায় থাকেন, কী পছন্দ করেন, কী ধরনের বই পড়েন বা কী ধরনের কনটেন্ট দেখেন। এগুলোর উত্তর মুখস্থ না করে নিজের জীবন থেকে উদাহরণ দিয়ে বলার অভ্যাস করতে হবে। আমার বিশ্বাস, একজন ভালো বক্তা হওয়ার জন্য শুধু ইংরেজি শেখা যথেষ্ট নয়। একজন ভালো শ্রোতা হতে হবে, অনেক কিছু জানতে হবে এবং নিজের চিন্তা পরিষ্কারভাবে প্রকাশ করার অভ্যাস করতে হবে। শেষ পর্যন্ত আইইএলটিএস আমাকে শিখিয়েছে, কোনো দক্ষতা রাতারাতি তৈরি হয় না। ছোট ছোট অভ্যাস, নিয়মিত চর্চা এবং শেখার আগ্রহই একসময় বড় সাফল্য এনে দেয়।

কমনওয়েলথ বৃত্তি:যুক্তরাজ্যে বিনা খরচে উচ্চশিক্ষাকমনওয়েলথ বৃত্তির আওতায় যুক্তরাজ্যে বিনা খরচে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাবেন বাং...
18/09/2026

কমনওয়েলথ বৃত্তি:
যুক্তরাজ্যে বিনা খরচে উচ্চশিক্ষা
কমনওয়েলথ বৃত্তির আওতায় যুক্তরাজ্যে বিনা খরচে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাবেন বাংলাদেশিরা। সেপ্টেম্বর/অক্টোবর-২০২৭ পর্বের এই বৃত্তির আবেদনের শেষ তারিখ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬। এর আওতায় যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বছর মেয়াদি মাস্টার্স এবং সর্বোচ্চ তিন বছর মেয়াদি পিএইচডি করার সুযোগ পাবেন প্রার্থীরা। বিস্তারিত জানাচ্ছেন হাবিব তারেক
প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বৃত্তির জন্য আবেদনকারীদের ছয়টি থিমের যেকোনো একটির অধীনে ‘বোর্ড বিষয়’ নির্ধারণ বা উল্লেখ করতে হবে। প্রার্থী যে বিষয়ে প্রথম ডিগ্রি অর্থাৎ অনার্স/ব্যাচেলর ডিগ্রি অথবা টার্মিনাল ডিগ্রি (মাস্টার্স) অর্জন করেছেন, সেই বিষয়টিই ‘বোর্ড বিষয়’।

বৃত্তির ছয়টি অগ্রাধিকার থিম—
উন্নয়নের জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

জনসংখ্যার স্বাস্থ্য, স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও সক্ষমতার উন্নয়ন

উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন

শান্তি, নিরাপত্তা ও সুশাসন জোরদারকরণ

সংকট মোকাবেলায় স্থিতিস্থাপকতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি

প্রবেশাধিকার, অন্তর্ভুক্তি ও সুযোগ।

উল্লেখ্য, মাস্টার্সে আগ্রহী প্রার্থী বর্তমানে দেশে-বিদেশে কোনো মাস্টার্স ডিগ্রি কিংবা এমফিল বা পিএইচডিতে অধ্যয়নরত বা নিবন্ধিত হতে পারবেন না।

মাস্টার্সে সুযোগ যাঁদের

মাস্টার্স প্রোগ্রামে আবেদন করতে হলে প্রার্থীকে কমপক্ষে আপার সেকেন্ড ক্লাস (২ঃ১) মানের অনার্স ডিগ্রি বা সমমানের সিজিপিএ থাকতে হবে। তবে সেকেন্ড ক্লাস (২ঃ২) মানের অনার্স ডিগ্রিধারীরাও আবেদন করতে পারবেন, যদি একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে একটি প্রাসঙ্গিক পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট মাস্টার্স ডিগ্রি (টার্মিনাল ডিগ্রি) থাকে।

কাদের জন্য পিএইচডি

পিএইচডি প্রোগ্রামের জন্য প্রার্থীকে কমপক্ষে আপার সেকেন্ড ক্লাস (২ঃ১) মানের প্রথম ডিগ্রি বা সমমানের সিজিপিএ থাকতে হবে। সেকেন্ড ক্লাস (২ঃ২) মানের ডিগ্রিধারীরাও আবেদন করতে পারবেন, তবে তাঁদের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রাসঙ্গিক পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট যোগ্যতা, অর্থাৎ মাস্টার্স ডিগ্রি থাকতে হবে এবং সেটিও নির্ধারিত মানের হতে হবে।

দরকার হবে অফার লেটার

প্রার্থীদের যুক্তরাজ্যের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘আনকন্ডিশনাল অফার লেটার’ সংগ্রহ করে আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে। তবে ভাষাগত দক্ষতা বা অর্থায়নসংক্রান্ত শর্তযুক্ত ‘কন্ডিশনাল অফার লেটার’ থাকলেও আবেদন করা যাবে।

সে ক্ষেত্রে কোনো প্রার্থী সাক্ষাৎকারের জন্য সংক্ষিপ্ত তালিকায় নির্বাচিত হলে তাঁকে সাক্ষাৎকার বোর্ডের সামনে ভাষাগত দক্ষতার সনদ বা ফলাফল দেখাতে এবং তার কপি জমা দিতে হবে। এর মধ্যে আইইএলটিএস, টোফেল ইত্যাদি গ্রহণযোগ্য ভাষা দক্ষতা পরীক্ষার ফল থাকতে পারে। যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাওয়া অফার লেটারের সত্যতা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) যাচাই করবে।

আবেদন পূরণে সতর্কতা

আবেদনপত্র পূরণের সময় প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে মোট নম্বর এবং অর্জিত নম্বর অথবা জিপিএ/সিজিপিএ সঠিকভাবে উল্লেখ করতে হবে। কোনো ডিগ্রির ফলাফল যদি ডিস্টিংকশন, এক্সিলেন্ট, ভেরি গুড, গুড, পাসড ইত্যাদি হিসেবে দেওয়া থাকে, তাহলে প্রার্থীকে সংশ্লিষ্ট ফলাফলের মোট নম্বর, অর্জিত নম্বর এবং শতাংশ উল্লেখ করতে হবে।

মেডিসিন ও ডেন্টিস্ট্রির প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এমবিবিএস/বিডিএসের প্রতিটি প্রফেশনাল পরীক্ষায় পাসের বছর, প্রাপ্ত নম্বর, মোট নম্বর এবং গড় নম্বরসহ শতাংশ উল্লেখ করতে হবে। আবেদনপত্র অবশ্যই টাইপ করে পূরণ করতে হবে; হাতে লেখা আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়। প্রয়োজন হলে প্রকাশনা বা গবেষণাকর্মের বিবরণ দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত কাগজপত্র সংযুক্ত করা যাবে। কোনো আবেদন অসম্পূর্ণ হলে, তথ্য ভুল থাকলে কিংবা প্রয়োজনীয় কোনো কাগজপত্র না থাকলে আবেদন বাতিল হতে পারে।

দরকারি কাগজপত্র

আবেদনপত্রের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের কপি সংযুক্ত করতে হবে। এর মধ্যে আছে—

শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ

পরীক্ষার মার্কশিট ও ফলাফল

প্রয়োজন হলে আইইএলটিএস, টোফেল বা অন্যান্য ভাষা দক্ষতার সনদ/ফলাফল

যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ের অফার লেটার

সত্যায়িত পাসপোর্ট সাইজের একটি ছবি।

চাকরিজীবীদের জন্য নির্দেশনা

যেসব আবেদনকারী বর্তমানে চাকরিতে আছেন, তাঁদের আবেদনপত্র যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে অথবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে জমা দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে ‘যথাযথ কর্তৃপক্ষ’ বলতে এমন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বোঝানো হয়েছে, যিনি বৃত্তির জন্য আবেদনকারী মনোনীত হলে তাঁকে উচ্চশিক্ষার জন্য স্টাডি লিভ বা শিক্ষা ছুটি দেওয়ার অনুমতি দিতে পারেন।

সাক্ষাৎকার ও বাছাই

প্রাথমিক বাছাইয়ের পর শুধু প্রাথমিক তালিকাভুক্ত প্রার্থীদেরই সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হবে। বৃত্তি পাওয়ার বিষয়ে কোনো ধরনের তদবির বা প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করলে প্রার্থীকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে। সাক্ষাৎকারের সময় প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় মূল কাগজপত্র ও ভাষা দক্ষতার সনদ (প্রযোজ্য হলে) উপস্থাপন করতে হতে পারে।

কমনওয়েলথ বৃত্তি সংক্রান্ত নির্দেশনা, আবেদনপত্র, সংক্ষিপ্ত তালিকা, সাক্ষাৎকারের তারিখ, নির্বাচন বা মনোনয়ন এবং ফলাফলসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সময়মতো বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। প্রার্থীদের ইউজিসির ওয়েবসাইটের নোটিশ বোর্ড/ইন্টারন্যাশনাল কোলাবরেশন/স্কলারশিপ অ্যান্ড ফেলোশিপ অংশ নিয়মিত দেখতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

আবেদন যেভাবে

সম্পূর্ণ আবেদনপত্রের হার্ড কপি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দিতে হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করতে হবে ‘পরিচালক (আইসি), ইন্টারন্যাশনাল কোলাবরেশন ডিভিশন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), আগারগাঁও প্রশাসনিক এলাকা, শেরেবাংলানগর, ঢাকা-১২০৭’ বরাবর। আবেদনের শেষ সময় ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬। খামের ওপর বৃত্তির নাম ও সংশ্লিষ্ট ক্যাটাগরি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। ইউজিসির অভ্যর্থনাকক্ষের সামনে রাখা ‘অ্যাপ্লিকেশন ড্রপ বক্স’-এ আবেদন জমা দিতে হবে।

বৃত্তিসংক্রান্ত নোটিশ : [https://ugc.gov.bd](https://l.facebook.com/l.php?u=https%3A%2F%2Fugc.gov.bd%2F%3Ffbclid%3D

কমনওয়েলথ বৃত্তির বিস্তারিত : [https://cscuk.fcdo.gov.uk/about-us/scholarships](https://l.facebook.com/l.php?u=https%3A%2F%2Fcscuk.fcdo.gov.uk%2Fabout-us%2Fscholarships%3Ffbclid%

ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা যাচাইয়ের অন্যতম স্বীকৃত পরীক্ষা IELTS। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, প্রতিষ্ঠান ও অভিবাসন কর্...
28/08/2026

ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা যাচাইয়ের অন্যতম স্বীকৃত পরীক্ষা IELTS। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, প্রতিষ্ঠান ও অভিবাসন কর্তৃপক্ষ এই পরীক্ষার স্কোরকে গুরুত্ব দেয়। আর সেই পরীক্ষাতেই Overall Band Score 9.0 অর্জন করা মানে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছানো। বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে এমন স্কোর অর্জন নিঃসন্দেহে বিরল। সেই অসাধারণ অর্জন করেছেন রাইসা শাম্মা।

IELTS-এর স্কোর ০ থেকে ৯-এর মধ্যে নির্ধারিত হয়। যেখানে ৯ হলো সর্বোচ্চ Band Score এবং এর অর্থ হলো পরীক্ষার্থী ইংরেজি ব্যবহারে ‘Expert User’ পর্যায়ের দক্ষতা প্রদর্শন করেছেন। Listening, Reading, Writing ও Speaking—চারটি অংশের সমন্বিত ফলাফলের ভিত্তিতে Overall Band Score নির্ধারণ করা হয়। রাইসা শাম্মার Overall 9.0 অর্জন তাই শুধু একটি পরীক্ষার ফল নয়; এটি ইংরেজি বোঝা, লেখা, পড়া ও বলার অসাধারণ সক্ষমতার স্বীকৃতি।

রাইসার একাডেমিক যাত্রাও তাঁর এই অর্জনকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের Institute of Statistical Research and Training (ISRT) থেকে Applied Statistics বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। একাডেমিক জীবনে ভালো ফলাফলের পাশাপাশি গবেষণার সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করেছেন এবং পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান International Food Policy Research Institute (IFPRI)-এর বাংলাদেশ কার্যালয়ে Research Analyst হিসেবে কাজ করেছেন।

তাঁর কাজের ক্ষেত্রও বেশ বিস্তৃত। কৃষি, খাদ্যনিরাপত্তা, পুষ্টি, দারিদ্র্য, স্বাস্থ্য ও উন্নয়ননীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গবেষণার সঙ্গে যুক্ত তিনি। বাংলাদেশের কৃষি যান্ত্রিকীকরণ, খাদ্য ও পুষ্টিনিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণায় তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে। অর্থাৎ IELTS-এর মতো আন্তর্জাতিক মানের ইংরেজি দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি গবেষণাক্ষেত্রেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি।

তবে IELTS-এ ৯ পাওয়া সহজ কোনো বিষয় নয়। পরীক্ষাটির চারটি অংশেই পরীক্ষার্থীকে অত্যন্ত উচ্চমানের ভাষাগত দক্ষতা দেখাতে হয়। Listening-এ দ্রুতগতির কথোপকথন বা বক্তব্য বুঝে সঠিক উত্তর দেওয়া, Reading-এ জটিল ও দীর্ঘ লেখা বিশ্লেষণ করা, Writing-এ সুসংগঠিত ও নির্ভুলভাবে নিজের বক্তব্য উপস্থাপন করা এবং Speaking-এ সাবলীলভাবে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলার সক্ষমতা—সব মিলিয়েই তৈরি হয় IELTS-এর চূড়ান্ত ফল।

বিশেষ করে Writing ও Speaking-এ সর্বোচ্চ ব্যান্ড পাওয়া অনেক পরীক্ষার্থীর জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ এখানে শুধু ইংরেজি জানা যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন শব্দচয়ন, ব্যাকরণ, coherence, pronunciation, fluency এবং যুক্তি উপস্থাপনের দক্ষতার সমন্বয়। তাই Overall 9.0 অর্জন একজন পরীক্ষার্থীর দীর্ঘদিনের ভাষা অনুশীলন, একাডেমিক প্রস্তুতি এবং যোগাযোগ দক্ষতার প্রতিফলন।

রাইসা শাম্মার গল্পের বিশেষ দিক হলো—IELTS তাঁর সাফল্যের একমাত্র পরিচয় নয়। বরং আন্তর্জাতিক গবেষণা অঙ্গনে কাজ করার পাশাপাশি তিনি ইংরেজি ভাষায় এমন একটি দক্ষতার মানদণ্ড স্থাপন করেছেন, যা উচ্চশিক্ষা ও আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করতে পারে।

বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য IELTS দিতে যাওয়া বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের কাছে ৬.৫, ৭ বা ৭.৫ ব্যান্ড অনেক সময় বড় লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়। সেখানে রাইসা শাম্মার ৯.০ দেখিয়ে দেয়, সঠিক প্রস্তুতি, ধারাবাহিক অনুশীলন ও ভাষার ওপর গভীর নিয়ন্ত্রণ থাকলে সর্বোচ্চ স্তরও অর্জন করা সম্ভব।

একদিকে পরিসংখ্যান ও গবেষণার জগতে তাঁর একাডেমিক ও পেশাগত পথচলা, অন্যদিকে IELTS-এ নিখুঁত ৯—দুটি অর্জন মিলিয়ে রাইসা শাম্মার গল্পটি শুধু একটি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ স্কোর পাওয়ার গল্প নয়। এটি আন্তর্জাতিক একাডেমিক ও পেশাগত পরিসরে নিজেকে প্রস্তুত করে তোলার গল্পও। তাঁর IELTS Band 9.0 তাই বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকতে পারে।

©Publician

---স্কলারশিপ নিয়ে জীবনে সফল হলো যারাআমরা প্রায়ই শুনি—"পড়াশোনা করেই যদি চাকরি না হয়, তবে এত কষ্ট করে লাভ কী?"কিন্তু কেউ ক...
13/06/2025

---
স্কলারশিপ নিয়ে জীবনে সফল হলো যারা

আমরা প্রায়ই শুনি—"পড়াশোনা করেই যদি চাকরি না হয়, তবে এত কষ্ট করে লাভ কী?"
কিন্তু কেউ কেউ বিশ্বাস করেন—শিক্ষা মানে শুধু চাকরি নয়, এটা জীবন বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।
তাদের হাতে টাকা ছিল না, কিন্তু ছিল অদম্য মেধা, একরোখা চেষ্টা আর স্বপ্ন দেখার সাহস।
আজ আমরা জানবো এমন পাঁচজন তরুণ-তরুণীর কথা, যারা গরিব পরিবারে জন্মেও পেয়েছেন বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্কলারশিপ। চেষ্টা করলে তোমরাও সে পথে সফল হতে পার।
---
১. সাবিহা হক (বাংলাদেশ → যুক্তরাষ্ট্র, Fulbright Scholar)
সাবিহা ঢাকার একটি বস্তিতে বড় হয়েছেন। বাবা ছিলেন রিকশাচালক, মা গৃহকর্মী।
দিনে স্কুল, রাতে টিউশনি—এই ছিল তার রুটিন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যে পড়ার সময়ই তিনি জানতে পারেন Fulbright স্কলারশিপ সম্পর্কে।
সেটা ছিল তাঁর জীবনের মোড় ঘোরানোর মুহূর্ত।
এক বছরের প্রস্তুতি, TOEFL আর GRE দিয়ে অবশেষে পেয়েই গেলেন পূর্ণ স্কলারশিপ!
আজ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনায় যুক্ত, আর ঢাকায় একটা ফ্রি কোচিং চালাচ্ছেন Fulbright-এর জন্য প্রস্তুতি নেওয়া মেধাবীদের জন্য।
---
২. সাগর আলী (বাংলাদেশ → জার্মানি, DAAD Scholar)
কুড়িগ্রামের প্রত্যন্ত গ্রামে জন্ম সাগরের।
স্কুলে ভালো রেজাল্ট করে পাবলিক ভার্সিটিতে ভর্তি হন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে।
সেখান থেকেই তিনি জানতে পারেন DAAD—জার্মান সরকারের বৃত্তি সম্পর্কে।
ইংরেজিতে দক্ষতা বাড়িয়ে, একটা ভালো স্টেটমেন্ট লিখে, একাধিকবার রিজেকশন খেয়ে শেষমেশ নির্বাচিত হন।
আজ তিনি জার্মানির একটি গবেষণাগারে কাজ করছেন, পাশে গ্রামের শিক্ষার্থীদের অনলাইন গাইড করেন—“কিভাবে স্কলারশিপ পাওয়া যায়” বিষয়ক ওয়ার্কশপ।
---
৩. নাহিদা পারভীন (বাংলাদেশ → অস্ট্রেলিয়া, Australia Awards Scholar)
নাহিদা বেড়ে উঠেছেন দিনাজপুরের একটি কৃষক পরিবারে।
বইয়ের প্রতি অসম্ভব আগ্রহ ছিল তাঁর।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে পড়াশোনা শেষ করে তিনি আবেদন করেন Australia Awards Scholarship-এ।
বেছে নেন এমন একটি থিসিস, যা তাঁর নিজের সমাজকেই কাজে লাগাতে পারে।
আজ তিনি অস্ট্রেলিয়ায় মাস্টার্স করছেন, পাশাপাশি কাজ করছেন একটি আন্তর্জাতিক এনজিওতে।
নিজের গ্রামে মেয়েদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে একটি "বইঘর" চালু করেছেন।
---
৪. আসিফুজ্জামান (বাংলাদেশ → জাপান, MEXT Scholar)
আসিফের বাবা দিনমজুর ছিলেন রাজবাড়িতে।
ছোটবেলা থেকেই পলিটেকনিকে পড়ার স্বপ্ন ছিল, কিন্তু শেষমেশ ভর্তি হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞানে।
MEXT বৃত্তির কথা জানতেন না, জানার পর নিজে নিজে ইংরেজিতে ইমেইল করে জানতে থাকেন সাবজেক্ট সুপারভাইজরদের কাছে।
একসময় এক জাপানি অধ্যাপক তাঁর কাজ দেখে আগ্রহী হন।
MEXT স্কলারশিপ পেয়ে তিনি এখন জাপানে পিএইচডি করছেন।
ছাত্রদের উদ্দেশে বলেন, “ভালো থিসিস আর একটানা চেষ্টা থাকলে তুমি যেখানেই থাকো, জাপান পৌঁছানো সম্ভব।”
---
৫. জান্নাতুল মাওয়া (বাংলাদেশ → ইউরোপ, Erasmus Mundus Scholar)
নেত্রকোনার এক মেয়ে, যার বাবা ছিলেন ভ্যানচালক।
জান্নাতুল নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজিতে সবসময় ভয় পেতেন, কিন্তু স্কলারশিপ পাওয়ার স্বপ্নটা ছাড়েননি।
IELTS ভালোভাবে দিয়ে পরে Erasmus Mundus-এর জন্য আবেদন করেন।
অ্যাপ্লিকেশনের একটাই উদ্দেশ্য ছিল—"আমি যদি সুযোগ পাই, আরও দশজন মেয়েকে পথ দেখাব"।
আজ তিনি ইউরোপের তিনটি দেশে মাস্টার্স করছেন (এই স্কলারশিপে ঘুরে ঘুরে পড়ার সুযোগ থাকে)।
প্রতি সপ্তাহে অনলাইনে সেশন নেন Erasmus-এর আবেদন প্রক্রিয়া শেখাতে।
---
📌 তাদের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা কী শিখি?
✅ ইংরেজি দুর্বল হলেও নিয়মিত চর্চায় উন্নতি সম্ভব
✅ স্কলারশিপের জন্য দরকার পরিকল্পনা, ধৈর্য, এবং চেষ্টা
✅ SOP (Statement of Purpose), রেফারেন্স, এবং ভালো একাডেমিক রেজাল্ট গুরুত্বপূর্ণ
✅ ফ্রি অনলাইন কোর্স (Coursera, edX) দিয়ে নিজের স্কিল বাড়ানো যায়
✅ YouTube বা Facebook গ্রুপে তথ্য খুঁজে পাওয়া সহজ
---
তুমি কী করতে পারো এখন থেকেই?
IELTS বা TOEFL-এর প্রস্তুতি শুরু করো
নিজের বিষয়ভিত্তিক একটা ভালো রিসার্চ টপিক নিয়ে ভাবো
নিজের অভিজ্ঞতা, স্বপ্ন, আর সমাজে কী পরিবর্তন আনতে চাও—এসব নিয়ে লিখতে শুরু করো
নিচের স্কলারশিপগুলো গুগল করে রাখো

Fulbright | DAAD | Erasmus Mundus | MEXT | Australia Awards
---

তোমার ঘরে হয়তো এখনও কাঠের চেয়ার, আলনায় ঝোলানো জামা আর বইয়ের জন্য নেই আলাদা তাক।
কিন্তু তুমি যদি চেষ্টা না ছাড়ো, একদিন হয়তো সেই বই-ই তোমাকে পৌঁছে দেবে অক্সফোর্ড, হার্ভার্ড, বা টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ে।
সেই পথটা কঠিন, কিন্তু অসম্ভব নয়।
---




12/06/2025
12/06/2025

Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars – they help me earn money to keep making content that you love.

Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars.

থাকুক বৈরী আবহাওয়া, আসুক ঝড়-ঝঞ্ঝা তবুও থেমে না যাক পথচলা....
12/06/2025

থাকুক বৈরী আবহাওয়া, আসুক ঝড়-ঝঞ্ঝা তবুও থেমে না যাক পথচলা....

After a long period of time....We start our journey again!Stay connected...
12/06/2025

After a long period of time....
We start our journey again!
Stay connected...

Address

Khan Plaza, Level-5, Mirpur Road, New Market
Dhaka
1205

Opening Hours

Monday 15:00 - 19:00
Tuesday 15:00 - 19:00
Wednesday 15:00 - 19:00
Thursday 15:00 - 19:00
Saturday 15:00 - 19:00
Sunday 15:00 - 19:00

Telephone

01911820573

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Wingate Education Official posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Wingate Education Official:

Shortcuts

Share