পড়

পড় একটি কল্যাণ কামী আয়োজন

আকীদার গুরুত্ব।আকীদা হলো আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতা, কিতাবসমূহ, রাসূলগণ, আখিরাত ও তাকদীরের প্রতি সঠিক বিশ্বাস রাখা। ঈমানের মূল...
27/09/2026

আকীদার গুরুত্ব।

আকীদা হলো আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতা, কিতাবসমূহ, রাসূলগণ, আখিরাত ও তাকদীরের প্রতি সঠিক বিশ্বাস রাখা। ঈমানের মূল ভিত্তিই হলো আকীদা।

১. সকল নবীর প্রথম দাওয়াত ছিল তাওহীদের আকীদা।
আল্লাহ বলেন:

وَلَقَدْ بَعَثْنَا فِي كُلِّ أُمَّةٍ رَسُولًا أَنِ اعْبُدُوا اللَّهَ وَاجْتَنِبُوا الطَّاغُوتَ
আমি প্রত্যেক জাতির কাছে রাসূল পাঠিয়েছি যাতে তারা আল্লাহর ইবাদত করে এবং তাগুত থেকে দূরে থাকে।
সূরা আন-নাহল: ৩৬

২. সঠিক আকীদা ছাড়া ঈমান পূর্ণ হয় না।
জিবরীল (আ.)-এর হাদীসে রাসূল ﷺ ঈমানের মধ্যে আল্লাহ, ফেরেশতা, কিতাব, রাসূল, আখিরাত ও তাকদীরের প্রতি বিশ্বাস উল্লেখ করেছেন।
সহীহ মুসলিম: ৮

৩. তাই আকীদা হলো ইসলামের ভিত্তি; আকীদা সঠিক হলে আমল সঠিক বিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়।

আমাদের প্রধান দায়িত্বের অন্যতম একটি হলো আকীদা সঠিক করা।

24/06/2026
মুহাররম মাসের (আশুরার) রোজার ফজিলত ও আমল :➤ আশুরার রোজা রাখার ফজিলত অনেক বেশি। এ দিনের রোজা রাখার ফজিলত বর্ণনায় রাসূল (স...
23/06/2026

মুহাররম মাসের (আশুরার) রোজার ফজিলত ও আমল :
➤ আশুরার রোজা রাখার ফজিলত অনেক বেশি। এ দিনের রোজা রাখার ফজিলত বর্ণনায় রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ❝আশুরার দিনের সাওমের ব্যাপারে আল্লাহর কাছে আমার প্রত্যাশা, আল্লাহ এর দ্বারা পূর্ববর্তী এক বছরের সব গুনাহ মাফ করে দেবেন।❞ (সহীহ মুসলিম : ১১৬২)।
একান্ত অপারগ না হলে শুধুমাত্র আশুরার দিন অর্থাৎ মহরমের ১০ তারিখ একটি মাত্র রোজা রাখা অনুচিত। বরং আমাদের উচিত মুহাররমের ৯ ও ১০ অথবা ১০ ও ১১ অন্তত দুই দিন রোজা রাখা। আশুরার রোজা দুইটি রাখা উত্তম।
আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন আশুরার দিন সাওম পালন করেন এবং লোকদের সাওম পালনের নির্দেশ দেন। তখন সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! ই'য়াহুদী এবং না'সারা এই দিনের প্রতি সন্মান প্রদর্শন করে থাকে। এ কথা শুনে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ইনশাআল্লাহ্ আগামী বছর আমরা নবম তারিখেও সাওম পালন করব। বর্ণনাকারী বললেন, এখনো আগামী বছর আসেনি, এমতাবস্থায় রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ইন্তেকাল হয়ে যায়। (সহীহ মুসলিম : ২৫৫৬)

21/06/2026

ফকীরকে ভিক্ষা দেয়ার পর বলবেন না, আমার জন্য দু'আ করো

🎀 মহান আল্লাহ বলেন,

وَيُطْعِمُونَ الطَّعَامَ عَلَى حُبِّهِ مِسْكِينًا وَيَتِيمًا وَأَسِيرًا (8) إِنَّمَا نُطْعِمُكُمْ لِوَجْهِ اللَّهِ لَا نُرِيدُ مِنْكُمْ جَزَاءً وَلَا شُكُورًا

‍"তারা আল্লাহর ভালোবাসায় অভাবগ্রস্ত, এতীম ও বন্দীকে আহার্য দান করে। তারা বলেঃ কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে আমরা তোমাদেরকে আহার্য দান করি এবং তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান ও কৃতজ্ঞতা কামনা করি না!

-- (সুরা দাহার: ৮-৯)🍁

ইমাম ইবনে তাইমিয়াহ্ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, যে ব্যক্তি ফকীরকে সাহায্য করার পর তার কাছে দু'আ বা কৃতজ্ঞতা চাইবে সে এই আয়াতের অন্তর্ভুক্ত হবে না।

এই কারণে যে, দুয়া সবচেয়ে বড় প্রতিদান ও উচ্চ পর্যায়ের কৃতজ্ঞতা। দানকারী যখন এগুলো চাইবে, তখন সে যেন তার দানের বিনিময় চাইল!

(মাজমূ'ঊ ইবনে তাইমিয়াহঃ ১১/১১১ পৃ)

নিম্নের হাদীসটির প্রতি আমল করার অর্থ, জীবনের অনেক সমস্যার সমাধান।আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃতিনি বলেন-রাসূলুল্লাহ্ (সা...
10/06/2026

নিম্নের হাদীসটির প্রতি আমল করার অর্থ, জীবনের অনেক সমস্যার সমাধান।
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন-রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ
“অনর্থক অপ্রয়োজনীয় বিষয় ত্যাগ করাই একজন ব্যক্তির উত্তম ইসলাম।”
হাদীসটি হাসান। তিরমিযীঃ ২৩১৮

02/06/2026

যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... জারীর ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে বসেছিলাম। এক সময় তিনি পূর্ণিমার চাঁদের দিকে তাকিয়ে বললেনঃ অচিরেই (জান্নাতে) তো তোমরা তোমাদের প্রভু আল্লাহ তা’আলাকে এমন স্পষ্টভাবে দেখতে পারবে যেন এ চাঁদকে অবাধে দেখতে পাচ্ছ। (সুতরাং যদি এরূপ চাও) তাহলে সাধ্যমত সূর্যোদয়ের পূর্বের সালাত এবং সূর্যাস্তের পূর্বের সালাত উত্তম সময়ে আদায়ের মাধ্যমে আয়ত্তে রাখ। এ কথা দ্বারা তিনি ফজর ও আসরের সালাত বুঝালেন। অতঃপর জারীর ইবনু আবদুল্লাহ এ আয়াতটি পাঠ করলেন, وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ غُرُوبِهَا‏ তুমি তোমার প্রভুর পবিত্রতা বর্ণনা ও প্রশংসা কর সূর্যোদয়ের পূর্বে এবং সূর্যাস্তের পূর্বে (সূরাহঃ ত্ব-হা ২০ঃ ১৩০) (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩০৭, ইসলামীক সেন্টার ১৩১৯)

তাকবীরে তাশরীক পাঠের রিমাইন্ডার! اَللّٰهُ أَكْبَرُ اَللّٰهُ أَكْبَرُ ، لَآ إِلٰهَ إِلَّا اَللّٰهُ وَاللّٰهُ أَكْبَرُ اَ...
27/05/2026

তাকবীরে তাশরীক পাঠের রিমাইন্ডার!
اَللّٰهُ أَكْبَرُ اَللّٰهُ أَكْبَرُ ، لَآ إِلٰهَ إِلَّا اَللّٰهُ وَاللّٰهُ أَكْبَرُ اَللّٰهُ أَكْبَرُ ، وَلِلّٰهِ الْحَمْدُ •
অর্থ : আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই; আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; সকল প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য।
৯ই জিলহজ্জ ফজর থেকে ১৩ই জিলহজ্জ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পরে পুরুষদের জন্য উচ্চস্বরে এবং নারীদের জন্য নিম্নস্বরে অন্তত একবার তাকবিরে তাশরিক পড়া ওয়াজিব

قُلۡ اِنَّ صَلَاتِیۡ وَ نُسُكِیۡ وَ مَحۡیَایَ وَ مَمَاتِیۡ لِلّٰهِ رَبِّ الۡعٰلَمِیۡنَ ﴿۱۶۲﴾ۙ ~  বল,''নিশ্চয় আমার সালাত,...
27/05/2026

قُلۡ اِنَّ صَلَاتِیۡ وَ نُسُكِیۡ وَ مَحۡیَایَ وَ مَمَاتِیۡ لِلّٰهِ رَبِّ الۡعٰلَمِیۡنَ ﴿۱۶۲﴾ۙ

~ বল,''নিশ্চয় আমার সালাত, আমার কুরবানী, আমার জীবন ও আমার মরণ আল্লাহর জন্য, যিনি

ঈদুল আযহার সুন্নাহ সমূহঈদ শুধু আনন্দের দিন নয়—এটি ইবাদত, কৃতজ্ঞতা ও সুন্নাহ পালনেরও এক মহিমান্বিত উপলক্ষ।আসুন, প্রিয় নবী...
27/05/2026

ঈদুল আযহার সুন্নাহ সমূহ

ঈদ শুধু আনন্দের দিন নয়—এটি ইবাদত, কৃতজ্ঞতা ও সুন্নাহ পালনেরও এক মহিমান্বিত উপলক্ষ।
আসুন, প্রিয় নবী ﷺ এর দেখানো পথে ঈদ উদযাপন করি এবং প্রতিটি আমলকে করি সওয়াবের মাধ্যম। ✨

✅ তাকবীরে তাশরীক পাঠ করা
✅ খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে ঈদের প্রস্তুতি নেওয়া
✅ মিসওয়াক, গোসল ও সুগন্ধি ব্যবহার করা
✅ সুন্দর ও পরিপাটি পোশাক পরা
✅ ঈদের সালাত আদায় করা
✅ কুরবানির গোশত দিয়ে খাবার শুরু করা
✅ হেঁটে ঈদগাহে যাওয়া
✅ ভিন্ন পথে যাওয়া-আসা করা
✅ হাসিমুখে মানুষের সাথে সাক্ষাৎ করা
✅ একে অপরকে শুভেচ্ছা জানানো

🌿 আসুন, সুন্নাহ অনুযায়ী ঈদ পালন করি এবং পরিবার-সমাজে ছড়িয়ে দিই ইসলামের সৌন্দর্য।

🕌
“تَقَبَّلَ اللَّهُ مِنَّا وَمِنْكُمْ”
“আল্লাহ আমাদের ও আপনাদের আমল কবুল করুন।”

Address

Dhaka
1200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পড় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to পড়:

Shortcuts

Share