16/12/2025
স্বাধীনতা ও বিজয় দিবস
এইচ এম আবূ সালেহ
স্বাধীনতা মানে মনুষ্য গোলামীর জিঞ্জির চিরতরে ছিড়ে ফেলা,
স্বাধীনতা মানে নির্মূল করা যুগ যুগের ইবলীসি চেলা।
স্বাধীনতা মানে মুক্তির সংগ্রামে বিজয়ী জীবন,
স্বাধীনতা মানে প্রাণে প্রাণে ঈমানের স্পন্দন।
স্বাধীনতা মানে কোটি ফুলকে বাঁচাতে যুদ্ধ করা,
স্বাধীনতা মানে একটি কবিতা লিখতে প্রাণপণ লড়া।
স্বাধীনতা মানে ১৮৫৭’র ইংরেজ বিরোধী অস্ত্র উত্তোলন
স্বাধীনতা মানে শাইখুল হিন্দের রেশমী রুমাল আন্দোলন।
স্বাধীনতা মানে, জুলুম-শোষণ নাস্তিক্যবাদ পায়ে দলা
স্বাধীনতা মানে আলোর মশাল হয়ে অবিরাম জ্বলা।
স্বাধীনতা মানে জালিম-স্বৈরাচারীদের নিষিদ্ধ ঘোষণা,
স্বাধীনতা মানে নয় মাস ধরে মুক্তিযোদ্ধাদের স্বদেশ রচনা।
স্বাধীনতা মানে পাক হায়েনাদের বাংলা থেকে হটানো
স্বাধীনতা মানে কুখ্যাত দূর্নীতিবাজদের সরকার থেকে সরানো।
স্বাধীনতা মানে আইনের শাসন, অর্থনৈতিক মুক্তি
স্বাধীনতা মানে বাতিল বিরোধী সবল বাহুর শক্তি।
স্বাধীনতা মানে লাল-সবুজের একটি স্বতন্ত্র মানচিত্র,
স্বাধীনতা মানে একটি সুষম জীবনের প্রশান্ত বৃত্ত।
স্বাধীনতা মানে স্বদেশের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা প্রচন্ড
স্বাধীনতা মানে সাগর সাগর রক্ত দিয়ে কেনা মুক্ত ভূখন্ড।
স্বাধীনতা মানে পরীক্ষিত সত্যের সন্ধান লাভ,
স্বাধীনতা মানে মানবতার জয়, চির অম্লান অবিরাম।
স্বাধীনতা মানে জাতিসংঘে ভেটো পাওয়ার বাতিল করা,
স্বাধীনতা মানে পুষইনকারীদের প্রতিহত করা।
স্বাধীনতা মানে পদ্মা-মেঘনা-যমুনার বাধাহীন বয়ে যাওয়া
স্বাধীনতা মানে তিস্তা অববাহিকার ন্যায্য হিস্যা পাওয়া।
স্বাধীনতা মানে নয় গড্ডালিকা প্রবাহে হারিয়ে যাওয়া,
স্বাধীনতা মানে নয় আপন সভ্যতা-সংস্কৃতি বিসর্জন দেওয়া।
স্বাধীনতা মানে নেতানিয়াহুদের শক্তি নিঃশেষ করা,
স্বাধীনতা মানে পারমাণবিক অস্ত্র-প্রতিযোগীদের অফ করে দেওয়া।
স্বাধীনতা মানে নয় নতুন করে গোলামীর চুক্তি,
স্বাধীনতা মানে নয় খোদাদ্রোহী শক্তির প্রতি কোনো ভক্তি!
স্বাধীনতা মানে আমার নিজস্ব ভাষা, বেশভূষা লালিত শুদ্ধ বিশ্বাস,
স্বাধীনতা মানে মুক্ত জীবনে মুক্ত আবাসে স্বস্তির নি:শ্বাস।
স্বাধীনতা মানে জীবন ও রাষ্ট্রের সার্বিক নিরাপত্তা,
স্বাধীনতা মানে ত্যাগ করা সব বিদেশী প্রভূ-কর্তা।
স্বাধীনতা মানে সুনীতি-সুশিক্ষা, আর সার্বভৌম দেশ,
যেখানে নেই গুম, খুন, ভোট জালিয়াতি-চাটুকারিতার লেশ্।
স্বাধীনতা মানে সকলের তরে ভালোবাসা বিতরণ,
স্বাধীনতা মানে জীবনের গানে স্বচ্ছ সুরের অনুরণন।
স্বাধীনতা মানে কালো রাজনীতিবিদ আর
মুনাফিকদের বিরুদ্ধে সফল আন্দোলন,
স্বাধীনতা মানে মত প্রকাশের অবাধ অধিকার
সত্যবিদ্বেষী বুর্জোয়াদের ক্ষমতা হরণ।
স্বাধীনতা মানে কল্যাণের রাজনীতি আর
কলুষতামুক্ত পূতঃ মানবতার আবেশ,
স্বাধীনতা মানে নারী-শিশু নির্যাতন, ছিনতাই
আর ঘুষমুক্ত বাংলাদেশ।
স্বাধীনতা মানে দেশ, জাতি আর দীনের স্বার্থ বড় করে দেখা
স্বাধীনতা মানে বীর বাঙালীর অবিকৃত ইতিহাস স্বর্ণাক্ষরে লেখা।
বিজয় দিবস মানে ১৬ই ডিসেম্বরে মহামুক্তির আনন্দ
যেদিন পাক জল্লাদ বাহিনী আর রাজাকারের দল
পরাজিত হলো, হলো তারা নিরানন্দ।
বিজয় দিবস মানে ৫ই আগস্ট, ফ্যাসিবাদ উপড়ে ফেলার দিন
মহাবিজয় উল্লাসে রাজপথে ঐক্যবদ্ধ
ছাত্র-জনতার মুর্হুমুহু শ্লোগান বৈষম্যবাদের গর্জন হয়ে গেলো লীন।
যে শহিদানের ত্যাগে আমরা পেয়েছি বারবার বিজয়ের স্বাদ
তাদের সকলের তরে এই দিনে অজস্র মোবারকবাদ।
15/12/2025
বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া ও আল হাইআতুল উলিয়ার কেন্দ্রীয় পরীক্ষার সময়সূচী।
13/12/2025
হুইলচেয়ার ছিল যার সিংহাসন
আজ ১৩ ডিসেম্বর। আব্বাজান রহঃ এর চলে যাওয়ার পাঁচ বছর পূর্ণ হচ্ছে। দেশ স্বৈরাচার মুক্ত হয়েছে। ফ্যাসিস্ট দেশ ছেড়ে ছেড়ে পালিয়েছে। যে দৃশ্য দেখলে আপনি খুব খুশি হতেন।
সময়ের সাথে সাথে আমরা ও পরিবর্তন হতে থাকি। পর আপন হয়ে যায় আপন পর হয়ে যায়। কবরে থাকা মানুষের কথা আমরা ভুলে যাই । এমনকি এক সময়ে আমরা নিজেরা ও কবরের যাত্রী হয়ে যাই। বিশেষ ভাবে গত ১৯ নভেম্বর ছোট চাচা হযরত মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস কাসেমী রহঃ আল্লাহর প্রিয় হয়েগেছেন।
এই সময়ে চতুর্মুখী বিভিন্ন ফেতনায় আব্বাজান রহঃ এর শুন্যতা তীব্রভাবে অনুভব হচ্ছে।
কারণ দ্বীন ইসলামের প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে ছিল যার সরব বিচরণ।
তালিমের ময়দানে ছিলেন মানুষ গড়ার কারিগর।
তাযকিয়ার ময়দানে ছিলেন ধী সম্পন্ন শাহ্ সাওয়ার।
সিয়াসতের ময়দানে ছিলেন বীর সিপাহসালার।
দাওয়াত ও তাবলীগের ময়দানে ছিলেন দরদী রাহবার।
এজন্য সব মত ও পথের চোরাগলি ছিল আপনার সিদ্ধ হস্ত ।
আপনার জীবদ্দশায় আপনার কাজের পরিধি নিয়ে অনেকেই ছিল ঈর্ষাপরায়ণ।
কিন্তু এতে কখনো আপনাকে পেরেশান হতে দেখা যায় নি।
রাত -বিরাত নিজের আরাম,আয়েশ কোরবানি করে কাজ করে গেছেন উম্মতের কল্যাণে।
সবসময় বলেছেন,কাজ কি করলাম না করলাম সেটা বড় বিষয় নয়, মুখ্য বিষয় হলো ইখলাসের সাথে কতটুকু করতে পারলাম। পরিণামে আপনার বিয়োগে তারা আজ আপনার প্রশংসায় পঞ্চমুখ।
আপনি সর্বদা প্রিয় মাতৃভূমি নিয়ে সবচেয়ে বেশি শঙ্কিত ছিলেন। এদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব নিয়ে পেরেশান ছিলেন। সব সময় ওলামায়ে কেরামকে সতর্ক করেছেন এই বলে যে," যদি আমরা সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক ভাবে শক্তি অর্জন না করি তাহলে এদেশের মসজিদ,মাদ্রাসা, খানকাহ ও তাবলীগ কিছুই নিরাপদ থাকবে না ।
আজ আমরা ঠিক বিপদের সেই অশনি সংকেত শুনতে পাচ্ছি । দেশ আজ এক চরম সংকটের মুখোমুখি।
সবাই নিরব হয়ে আছে। এক থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যার থেকে উত্তরণের যেন কোন পথ নেই।
অথচ বারবার বলেছেন," যতদিন এদেশের ওলামায়ে কেরাম দারুল উলুম দেওবন্দকে নিজেদের রাজনৈতিক আদর্শ না বানাবে ততদিন তারা সফলতা অর্জন করতে পারবে না"।
এজন্য প্রয়োজন ফিকরে ওয়ালিউল্লাহীর সাথে পরিচিত হওয়ার।
শাইখুল হিন্দের রাজনৈতিক চিন্তা চেতনার সাথে পরিচিত হওয়ার।
শাইখুল ইসলাম মাদানী রহমাতুল্লাহি আলাইহির এর মুজাহাদার সাথে পরিচিত হওয়ার।
হাকিমুল উম্মত আশরাফ আলী থানবী রহমাতুল্লাহ আলাইহির রচনাবলী সাথে পরিচিত হওয়ার।
শাইখুল হাদীস যাকারিয়া রহঃ এর ইলমী ইনহেমাক এর সাথে পরিচিত হওয়ার।
বারবার তালিবুল ইলমদের বলেছেন, বেটারা! "নিজেকে গড় তাহলে অন্যকে গড়তে পারবে"।
"সফলতার জন্য সাধনার কোন বিকল্প নেই"।
জীবন সয়াহ্নে হাসপাতালে শুয়ে আফসোস করেছেন, আহ্! দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে যে চিন্তা চেতনা নিয়ে আসলাম সে অনুযায়ী কাজ পূর্ণ করতে পারলাম না। এখন যখন সুযোগ হলো তখন আর শরীর সায় দিচ্ছে না।
অথচ যখনি দ্বীনের যে তাকাযা সামনে এসেছে আপনি ওই অবস্থায় হুইল চেয়ারে বসে জাতির নেতৃত্ব প্রদান করেছেন। কোন হুমকি ধমকি ও লোভ আপনাকে কাবু করতে পারেনি।
সর্বশেষ হাসপাতালে শুয়ে ভাস্কর্য বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন। সবাই বিশ্রামের কথা বললে ও আপনি বলেছেন " দুনিয়া বিশ্রামের জায়গা নয় বিশ্রাম তো হবে কবরে।
আজ আপনি কবরের জগতে। আমরা আশাবাদী নিশ্চয়ই সেখানে মাওলা পাকের ফযলে করমে ভালো আছেন। আল্লাহ পাক আপনার ফয়য ও বরকত দ্বারা আমাদেরকে মালামাল করুন।
কোরআন সুন্নাহর আলো কে যে আদর্শ আপনি রেখে গেছেন এবং যে পথ আমাদেরকে দেখিয়ে গেছে সে আলোকে কাজ করে যাচ্ছে আপনার রেখে যাওয়া সন্তান, রুহানি সন্তান, শাগরিদ,মুরিদ ও মুহিব্বীনগণ।
আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।
কাকতালীয় ব্যাপার!
১ডিসেম্বর হযরত রহঃ কে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তেরদিনের মাথায় জোহরের সময়ে হযরত রহঃ ইন্তেকাল করেছেন।
যা কাকতালীয় ভাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে মিলে যায়। হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তের দিন অসুস্থ থেকে জোহরের সময়ে ইন্তেকাল করেন।
হযরতের ইন্তেকালের আরবি হিজরী সন ছিল ১৪৪২। যার আরবি অক্ষরের মান হিসেবে আসে ১৪৪২। আরবি হরফগুলো একত্রিত করলে হযরতের উপাধি আসে فخر ملت محمد (ফখরে মিল্লাতে মুহাম্মদ )
প্রিয় ভাই!
আজ আমি আপনাদের কাছে হযরতের জন্য দোয়া চাই।
আসুন! ইসালে সাওয়াবের উদ্দেশ্যে একবার সূরা ফাতিহা ও তিন বার সূরা ইখলাস পাঠ করি। আল্লাহ পাক আমাদের তাওফিক দান করুন।
হযরতের রেখে যাওয়া মিশন ও ভিশন নিয়ে আমাদের কাজ করার তৌফিক দান করুন।
আল্লাহ পাক হযরতের কবরকে আলোকিত করুন। দরজাতকে বুলন্দ করুন।
পরিশেষে শুধু বলবো
"তামুতূনা কামা তাহইয়াউন ওয়া তুহশারুনা কামা তামুতূন"
আমিন।
জাবের কাসেমী
জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা ঢাকা ১২১২
১৩,১২,২০২৫ইং
06/12/2025
فالله خير حافظا وهو أرحم الراحمين
05/10/2025
চোখের পানি ধরে রাখতে পারলাম না
মাওলানা বাইজিদ। জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা থেকে গত বছর ফারিগ হয়েছেন । এ বছর ঢালকা নগরে উলুমুল হাদীসে দাখেলা নিয়েছেন।
অত্যন্ত ভদ্র ও শান্তশিষ্ট ।প্রচুর মেধাবী। নিরেট পড়া শুনা কারী তালিবুল ইলম। সবাই মহব্বত করেন।
হটাৎ জ্বর। চিকিৎসা নিতে বিভিন্ন হাসপাতালে অতিবাহিত হয়ে যায় তিন মাস।
অসুস্থতা তাকে বেশ কাবু করে ফেলে। বর্তমানের হালত দেখে বুঝার উপায় নেই যে, কিছু দিন আগে ও ছিল সে একজন টগবগে যুবক। দূরা রোগ্য ব্যাধি তাকে এতটাই শেষ করে দিয়েছে। ডাক্তার এখনো পর্যন্ত তার সঠিক রোগ নির্ণয় করতে সক্ষম হয় নি।
আমাদের এক তালিবুল ইলম মারফত জানতে পারি ওর অসুস্থতা সম্পর্কে। এ ব্যাপারে জামিয়া বারিধারার নাযিমে তালিমাত হযরত মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ কাসেমী সাহেব ও মাওলানা সিদ্দিকুল ইসলাম তোফায়েল সাহেব কে জানালে তারা হাসপাতালে তাকে দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেন। সাথে জামিয়ার আরেক জন শিক্ষক মাওলানা হোসাইন আহমেদ মিনহাজ সাহেব কে নিয়ে বিকালে বারডেম হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে যাই।
হাসপাতালের গেটে গিয়ে দেখি ঘটনাক্রমে মুফতি হাবিবুল্লাহ মাহমুদ কাসেমী, মাওলানা সানাউল্লাহ মাহমুদী ও মাওলানা মহিউদ্দীন কাসেমী সাহেব ও এসেছেন তাকে দেখতে।
মাগরিবের নামাজ পড়ে সবাই একসাথে উপরে উঠে তার ওয়ার্ডে যাই। আমাদের চোখে চোখ পড়তেই সে কাঁদতে থাকে। আমরাও নিজদের কে নিয়ন্ত্রন করতে পারলাম না। শরিরটা একদম ভেঙে গেছে। চিনতে পারছিলাম না আমাদের প্রিয় বায়জিদকে ।
সে বললো, হুজুর ! আমি বিশ্বাস করতে পারছি না, আমার কাছে সব কিছু স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে। আমার মতো একজন নগন্যের জন্য আপনারা কষ্ট করে এখানে এসেছেন। তাঁকে সান্ত্বনা দিলাম। বললাম বাবা!তুমি আমাদের সন্তান। তোমাকে দেখব না তো কাকে দেখব। সে বললো, হুজুর আজকে তিন মাস পর প্রাণ খুলে কথা বললাম আপনাদের সাথে।
ওকে আশ্বস্ত করলাম ইনশাআল্লাহ খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে আবার দরসে তুমি ফিরে আসবে। আমাদের কথা শুনে কিছু টা স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু নিজের অজান্তেই চোখের কোনে অশ্রু গড়িয়ে পড়ে ।আমরা ও আমাদের অশ্রু ধরে রাখতে পারলাম না।
ডাক্তারের সাথে কথা বলে ওর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে আসলাম ।
আর চিন্তা করতে লাগলাম,
আমাদের জীবন কত অসহায় ও ক্ষণস্থায়ী।
আমরা এ জীবন নিয়ে কত বড়াই ও অহংকার করি।
এজন্য হযরত রহঃ এর একটি বানী এ মুহূর্তে মনে পড়লো,হযরত বলতেন" বেটারা !
উমরে আজযিযের হেফাজত করো, সময় কে কাজে লাগাও" কখন জীবন ফুরিয়ে যাবে টের ও পাবে না।
আল্লাহ পাক মাওলানা বায়জিদকে দ্রুত শেফা দান করুন। নেক হায়াত দান করুন। দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরার তাওফীক দান করুন । আমিন ।
জাবের কাসেমী
১১ রবিউস সানি
১৪৪৭ হিজরী রোজ শনিবার
জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা ঢাকা ১২১২