ইদ মোবারক 🌙
আশরাফ সাগর
সত্য প্রকাশে নির্ভীক। সাহসী, উদ্দীপ্ত সদা তারুণ্য এক প্রাণ।
18/03/2026
28/07/2025
The purpose of life is to live it, to taste experience to the utmost, to reach out eagerly and without fear for newer and richer experience." - Eleanor Roosevelt
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীদের উপর ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা জানাই।
16/04/2025
হিসাব ক্লিয়ার! নিন্দুকের মুখে ছাই ঢেলে দিয়েছে।
16/04/2025
Celebrating my 10th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
22/03/2025
সপ্তম আশ্চর্য!!! পৃথিবীর একমাত্র দেশ যেখানে ৭ মাস পরেও ব্যান্ডেজ নতুন থাকে 😄😄😄
19/02/2025
২০২৩ সালের ৩১'শে জুলাই সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে যাওয়া বুয়েটের ২৪ শিক্ষার্থীসহ ৩৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ - 'সরকারের বিরুদ্ধে গোপন ষড়যন্ত্র ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার আশঙ্কায়’। ঘটনাটি জানাজানি হলে স্বভাবতই অনেককে মর্মাহত করে যে, বুয়েটের মতো নামকরা ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা ঘুরতে যেতেই পারেন, তার জন্যে পুলিশি হয়রানি পোহাতে হবে কেনো ইত্যাদি। এদিকে - ২০২৩ সালের ১'লা আগষ্ট এই ঘটনার প্রতিবাদে 'আটককৃত শিক্ষার্থীদের অভিভাবক' ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে দিয়েছিলেন আলী আহসান জুনায়েদ নামক এক অভিভাবক। নিজেকে অভিভাবক দাবী করা কে এই ভদ্রলোক? হ্যাঁ, তিনি হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবিরের সাবেক সভাপতি ও জাতীয় নাগরিক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ। ছিলেন জুলাই-আগষ্ট সরকার পতন আন্দোলনের নেতৃত্বে। এখন পাঠকের কাছে প্রশ্ন হলো - 'গোয়েন্দা সূত্র তখন কিভাবে জানলো যে এক্সাক্টলি সেই ৩৪ জন শিক্ষার্থীদের মধ্যেই সরকারের বিরুদ্ধে গোপন ষড়যন্ত্র চলছে? এদিকে তাদেরকে সমর্থন দিয়ে মুক্তি চাওয়া কতিপয় অভিভাবক কিভাবে জুলাই আগষ্টে সরকার পতনে নেতৃত্ব দেয়? ২০২৩ সালে যিনি দাবী করলেন তারা কোনকিছুতেই জড়িত নয়, ২০২৪ সালে এসে কিভাবে ঐ একই ব্যক্তি সরকার পতনে নেতৃত্ব দিলো? কাকতালীয় না?' আরো মজার বিষয় - ২০২৪ সালে বুয়েটে দেওয়া ছাত্র শিবিরের কমিটিতে ছিল ৩৪ জনের কয়েকজন। তাদের মধ্যে আসিফ আনোয়ার বুয়েটের শিবির শাখার সেক্রেটারি, মোঃ ফাহাদুল ইসলাম বায়তুলমাল সম্পাদক ইত্যাদি।
সুনামগঞ্জের আটককৃতদের মুক্তির দাবীতে অভিভাবক আলী আহসান জুনায়েদের বক্তব্যঃ
https://youtu.be/5RAGmlAJGWI?si=XFJaUZwBvLJAvSJB
জাতীয় নাগরিক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদঃ
https://www.prothomalo.com/politics/lllavuiceb
গতকাল খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) ছাত্রদলের ফরম বিতরণকে কেন্দ্র করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ছাত্রদলের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের শতাধিক আহত হয়েছে। এই ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা বলছে - 'ছাত্রদল আগ বাড়িয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর আক্রমণ করায় সাধারণ শিক্ষার্থীরাই প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে'। এদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন থেকে দাবী করেছে - 'যাদের উপর ছাত্রদল হামলা করেছে এবং যারা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে তারা সবাই সাধারণ শিক্ষার্থী'। মজার বিষয় কি জানেন? এ ঘটনার সাথেসাথেই বুয়েটে 'সাধারণ শিক্ষার্থী ব্যানারে' প্রতিবাদ মিছিল করেছে। এদিকে - ছাত্র শিবিরের ভেরিফাইড ফেইসবুক পেইজ থেকে ছাত্রদলকে একরকম থ্রেট দিয়ে বলা হয়েছে - 'বিশেষ অনুরোধ - ছাত্র শিবিরের উদারতাকে দুর্বলতা ভাববেন না।' ইন্টারেস্টিং না? কুয়েটে যদি সাধারণ শিক্ষার্থী এবং ছাত্রদল মারামারি করে থাকে, তাহলে দেশের এতশত প্রতিষ্ঠান থাকতে কেবলমাত্র বুয়েটের শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদি মিছিল দিতে হলো কেনো? শিবিরের নিজেস্ব পেইজ থেকেই কেনো মনে করিয়ে দিচ্ছে ছাত্র শিবির দুর্বল নয়? এসব তো করার কথা ছিল গোটা দেশেের সাধারণ শিক্ষার্থীদের, তাই নয় কি? বলছি - আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের পর বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হলেও গোপনে চলছিলো ছাত্র শিবির, নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম। যা এখনো বহাল আছে।
কুয়েটের ঘটনায় বুয়েটে প্রতিবাদি মিছিল - নেতৃত্বে শিবিরের
https://www.prothomalo.com/bangladesh/zxpacu6kdu
ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করলেও বুয়েটে ছাত্র শিবির এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম অব্যাহতঃ
https://www.prothomalo.com/bangladesh/88wfgbywpx
যাইহোক। কুয়েটে ছাত্রদলের ফরম বিতরণকে কেন্দ্র করে যেমন আগ বাড়িয়ে হামলা করা হয়েছে, এরপর ছাত্রদল প্রতিরোধ গড়ে তোলায় ভিক্টিম সেজে ছাত্র শিবির গেইম খেলছে; শিবির একই গেইম খেলেছে ছাত্রলীগের সঙ্গেও। ১৫'ই জুলাই ঢাবির জিয়াউর রহমান হল এবং বিজয় ৭১ হল প্রাঙ্গণে প্রথমে কোটা বিরোধী আন্দোলনের ব্যানারে 'দালালদের কালো হাত, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’সহ নানা স্লোগান দিয়ে উসকানী দেয় কতিপয় সাধারণ শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীদেরকে একাত্তর হলের ভেতরে ঢুকে 'সন্ত্রাসীদের ধরে নিয়ে আসুন' বলে মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয়। সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে থাকা কতিপয় বিপ্লবীরা ভেতরে ঢুকে হামলা চালায়, ছাত্রলীগও পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলে। এরপর শুরু হয় ভিক্টিম কার্ড গেইম। রাতভর মিছিল দেয় ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। সবগুলো পত্রপত্রিকায় নিউজগুলো এখনো আছে। তা যাইহোক। যেই কায়দায় ছাত্রলীগকে ট্রাপে ফেলা হয়, ঠিক একই কায়দায় একই কৌশলে কুয়েটে অন্যান্য ছাত্র সংগঠনকে ঢুকতে না দিতে আজ সকল প্রকার রাজনীতি নিষিদ্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
কোটা সংস্কার আন্দোলন - দফায় দফায় হামলা সংঘর্ষঃ
https://www.prothomalo.com/bangladesh/h6dxt7siwl
কুয়েটে সকল ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধই থাকছেঃ
https://jamuna.tv/news/594958
ছাত্র শিবির প্রকাশ্যে রাজনীতি করুক তাতে কারোর কোন আপত্তি নাই, থাকার কথাও না। কেননা স্বাধীন দেশে স্বাধীনভাবে রাজনীতি করার অধিকার সকল নাগরিকেরই আছে। কিন্তু, ছাত্র শিবির তো নিষিদ্ধ সংগঠন নয়, তাহলে যেকোন ঘটনা ঘটার পরেই তারা নিজেদেরকে সাধারণ শিক্ষার্থী দাবী করে কেনো? তাছাড়া তাদের কার্যক্রম সর্বদা এমন লুকাচুপ্পি হবে কেনো? এমন কি গুরুত্বপূর্ণ গোপনীয় ব্যাপার যেটা দেশের মানুষ জানতে পারবে না, যার জন্য গোপনে কয়েকশ মাইল দূরে টাঙ্গুয়ার হাওরে গিয়ে মিটিং করতে হবে? তা - গোপনে মানুষ কোন কাজগুলো করে?!
পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টুর সিনেমা 'শিমুল-পারুল' এ পারুলের বাবা পারুলের মন থেকে শিমুলের নাম মুছে ফেলার জন্য পারুলের মনকে টুকরো-টুকরো করে ফেলতে চায়, তখন পারুল বলেন - 'আমার ভেতরে কোনোকিছুই তুমি খুঁজে পাবে না বাবা, কারণ আমার সবকিছু শিমুলের কাছে।' এতে জেদি বাবা যখন খোদ শিমুলকেই শেষ করে দিতে চাইলেন, তখন পারুলের বক্তব্য ছিল - 'শিমুলের কোনকিছুই তো তার কাছে নেই বাবা, ওর সবকিছুই তো আমার কাছে।' পারুলকে মারলে যদি শিমুল আঘাত পায়, তা হলে পারুলকেই মারা উচিত, এই ভেবে বাবা পারুলের কপালে আঘাত করলেন এবং সেই আঘাতে কপাল ফেটে রক্ত বেরোলো অন্য গ্রামে থাকা শিমুলের। বৈষম্য বিরোধী, ছাত্র শিবির, জাতীয় নাগরিক কমিটি, সাধারণ শিক্ষার্থী, সবার অবস্থা এখানে একইরকম। একজন মার খেলে অন্যজনের শরীরে আঘাত লাগে, কারণ শরীর (নাম) আলাদা হলেও তাদের একজনের সবকিছু অন্যজনের মধ্যেই বিদ্যমান থাকে।
- ছাত্র শিবির হলো হুমায়ুন আহমেদের সৃষ্টি হিমু চরিত্রের মতোই। তারা কোনকিছুই করে না, শুধু চেয়ে চেয়ে দেখে!
৩৪ বুয়েট শিক্ষার্থী আটকের প্রতিবাদে অভিভাবকদের সংবাদ সম্মেলন | | Samakal । buet press conference ৩৪ বুয়েট শিক্ষার্থী আটকের প্রতিবাদে অভিভাবকদের সংবাদ সম্মেলন | | Samakal । buet press conference৩৪ বুয়েট শিক্ষার্থী আটকের প্রতিবাদ.....
09/01/2025
এই মানুষটি অনেক চেষ্টা করে যাচ্ছে কিন্তু চারদিকে হায়েনারা দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলতেছে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Address
Dhaka