প্রিয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
প্রিয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় Priyo Dhaka University
ঢাবি ক্যাম্পাসের প্রতিদিনের নানা ঘটনা, গল্প, সর্বশেষ তথ্য ও আপডেটসমূহ তুলে ধরছি আমরা।
06/10/2016
ঢাবির 'গ' ইউনিটের ফল প্রকাশঃপাশের হার- ৫.৫২%
১ম ও ২য় ঢাকা সিটি কলেজের।
১ম-সাগর নন্দী-ঢাকা সিটি কলেজ
২য়-নয়ন-ইসলাম-ঢাকা সিটি কলেজ
৩য়-মোঃশমসাদ আলম-কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ।
পরীক্ষার্থী-৪০ হাজার ২৩৪
পাশের সংখ্যা-২২২১
আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর শুক্রবার থেকে ঢাবি-এ স্নাতক
সম্মান শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ সম্মান শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষে ‘খ’ ইউনিটের অধীনে ১ম বর্ষ সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৬ শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত চলবে। উক্ত ভর্তি পরীক্ষা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও ক্যাম্পাসের বাইরের মোট ৭৩টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। ক্যাম্পাসের বাইরের কেন্দ্রগুলো হলো বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল ও কলেজ, গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ, ঢাকা সিটি কলেজ, আজিমপুর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ এবং বদরুন্নেছা মহিলা কলেজ। খ- ইউনিটে ২২৪১টি আসনের জন্য ভর্তিচ্ছু আবেদনকারীর সংখ্যা ৩৪,৬০৬জন।
বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটের অধীনে ১ম বর্ষ বিএফএ সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি পরীক্ষা (সাধারণ জ্ঞান) অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ শনিবার সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত। উক্ত ভর্তি পরীক্ষা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা অনুষদসহ ক্যাম্পাসের মোট ১২৩টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। চ-ইউনিটে ১৩৫টি আসনের জন্য ভর্তিচ্ছু আবেদনকারীর সংখ্যা ১০,২৪৩জন।
উল্লেখ্য, ব্যাংক সার্ভিস চার্জ ও অনলাইন সার্ভিস ফিসহ নির্ধারিত ভর্তি পরীক্ষার ফি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী আবেদনকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় ২,৮৬৪৮৩জন।
পরীক্ষা দু’টি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য ছাত্র-ছাত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে যথারীতি পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোনসহ টেলিযোগাযোগ করা যায় এরূপ কোন ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস/যন্ত্র সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ভ্রাম্যমান আদালত পরীক্ষার সময় দায়িত্ব পালন করবে।
ভর্তি পরীক্ষার সিট-প্ল্যান বিশ^বিদ্যালয়ের admission.eis.du.ac.bd ওয়েবসাইট থেকে জানা যাবে।
আপনি, আমি কেন নয়??
১.যদি স্কুলের বাস্কেটবল টিম থেকে বাদ পড়া ছেলেটি পরের দুই যুগে বাস্কেটবল ইতিহাসের শ্রেষ্ঠতম প্লেয়ার মাইকেল জর্ডান হতে পারে তাহলে আপনার অনেক কিছু করে দেখানো এখনো বাকি।
২. যদি ইউনিভার্সিটিতে সিনেম্যাটিক আর্টসে ভর্তি হতে না পারা ছেলে আজকের ইনস্টিটিউট অফ সিনেমা লেজেন্ডারি স্টিভেন স্পিলবার্গ হতে পারে তাহলে আপনিও কিছু একটা করে দেখাতে পারবেন।
৩. যদি নয় বছর বয়সে চাচাতো ভাইদের দ্বারা যৌন নির্যাতনের স্বীকার হওয়া দরিদ্র মায়ের কালো মেয়েটি একদিন টিভি লিজেন্ড অপরা উইনফ্রে হতে পারে তাহলে আপনি কেন নিঃশেষ হয়ে যাবেন?!
৪. যদি মাথায় ক্রিয়েটিভিটির অভাবের দুর্নাম নিয়ে চাকরি থেকে ব্যর্থ যুবকটি পরবর্তীতে নিজেকে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম ক্রিয়েটিভ আর্টিস্ট ওয়াল্ট ডিজনিতে পরিণত করতে পারে তাহলে আপনিও বাদ যাবেন না।
৫. যদি ওয়েইট্রেসের কাজ করা সিঙ্গেল মাদার মহিলাটি নিজের লেখা পান্ডুলিপি নিয়ে ২৭ জন প্রকাশকের কাছে ঘুরে ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত এক প্রকাশকের আট বছরের বাচ্চা মেয়ের অনুরোধে বই প্রকাশিত হওয়ার পর সেই বই হ্যারি পটার আর লেখিকার নাম জে কে রাওলিং হতে পারে তাহলে আপনার হতাশ হওয়ার মতো তেমন কিছু ঘটেনি।
৬. যদি চার বছর বয়স পর্যন্ত কথা বলতে না পারা, সাত বছর বয়স পর্যন্ত রিডিং পড়তে অক্ষম মানসিক প্রতিবন্ধি হিসেবে ধরে নেয়া বালকটি একদিন আলবার্ট আইনস্টাইন হতে পারে তাহলে আপনিও কিছু একটা হতে পারবেন।
৭. যদি ছেলেবেলায় হরমোন ডেফিশিয়েন্সি, অপুষ্টির স্বীকার ছেলেটি যার বাবার চিকিৎসা করানোর মতো টাকা ছিলনা সে একদিন সাফল্যে আকাশ ছুতে পারা লিওনেল মেসি হতে পারে তাহলে আপনার সামনেও নিশ্চিত অনেক দরজা খোলা আছে।
৮. যদি পেটে ভাত জোগাতে প্রিয় কুকুরটিকে ৫০ ডলারে বিক্রি করে দেয়া লোক, যার স্ত্রী অভাবের কারণে তাকে ছেড়ে দিয়েছিল সে আজকে সর্বকালের অন্যতম সেরা অ্যাকশন হিরো সিলভেস্টার স্ট্যালোন হতে পারে তাহলে আপনিও কিছু একটা হতে পারবেন।
৯. যদি নিজের কোম্পানি থেকে নিজেই বরখাস্ত হওয়া দুর্ভাগা ব্যক্তিটি পরবর্তীতে বিশ্বকে পাল্টে দেওয়া স্টিভ জবস হতে পারে তাহলে আপনারও অনেক কিছু করে দেখাবার বাকি আছে।
১০. যদি কালো হওয়ার কারণে শেতাঙ্গদের ট্রেনে জায়গা না পাওয়া ছোটখাট লোকটি একদিন মহাত্মা গান্ধী হতে পারে তাহলে আপনি কেন দমে যাবেন!?
১১. যদি সাতাশ বছর নির্জন দ্বীপে কারাবাস করার পর ফিরে আসা লোকটি দেশের প্রেসিডেন্ট এবং নোবেল বিজয়ী নেলসন ম্যান্ডেলা হতে পারে তাহলে আপনিও নিশ্চয়ই থেমে যাওয়ার পাত্র নন।
আজ ২৩ আগস্ট । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কালো দিবস।
২০০৭ সালের ২০ আগস্ট বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের ছাত্রদের মধ্যে চলছিল ফুটবল ম্যাচ । পাশেই ছিল সেনা ক্যাম্প । খেলা দেখা কে কেন্দ্র করে এক ছাত্র ও সেনা সদস্যের বাক বিতন্ডা শেষ পর্যন্ত রুপ নেয় নির্মম নির্যাতনে । এর প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত হন লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম স্যার (Mobasser Monem Sir) । এ ঘটনা ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে গেলে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভে ফেটে পড়েন শিক্ষার্থীরা। ছাত্রদের কাছে সেনা সদস্যদের ক্ষমা চাওয়ার দাবি কে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করলে এ বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে । সারা দেশে শুরু হয়ে যায় ‘সেনা হটাও’ ছাত্র আন্দোলন।
২১ আগস্ট নির্যাতনের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বস্তরের শিক্ষার্থী। নীলক্ষেত, টিএসটি, কার্জন হল এলাকাসহ ক্যাম্পাস পরিণত হয় রণক্ষেত্রে। পুলিশের টিয়ারশেল ও রাবার বুলেটে আহত হন শত শত ছাত্র। ২২ আগস্ট এই আন্দোলন গোটা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে পড়ে। রাজশাহীতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন রিক্সাচালক আনোয়ার।
পরিস্থিতি সামলাতে না পেরে ২২ আগস্ট সরকার দেশের ৬টি বিভাগীয় শহরে কারফিউ জারি করে। অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয় দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় ও বড় বড় কলেজ ।
বিক্ষোভে ইন্ধন দেয়ার অভিযোগ দিয়ে ২৩ আগস্ট সেনাসমর্থিত সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (তৎকালীন ডিন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ) অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ স্যার, অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন স্যার, অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন স্যার ও অধ্যাপক ড. নিমচন্দ্র ভৌমিক স্যার সহ ঢাবির ৪ শিক্ষক ও ৭ ছাত্রকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায়। পরে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড- ও অর্থদন্ড- দেয়া হয়। সারা দেশে ৮২ হাজার ছাত্রকে আসামি করে মামলা করা হয়।
অবশেষে ঘটনার দীর্ঘ ৬৬ দিন পর খুলে দেয়া হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস।
(collected)
23/08/2016
ঢাবিতে ভর্তির আবেদন শুরু, বাড়ছে আসন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক সম্মান শ্রেণীতে অনলাইনের মাধ্যমে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সোমবার থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রম চলবে ৭ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক সকালে কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এ ভর্তি কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
উপাচার্য বলেন, ‘এ বছর ছাত্র-ছাত্রীদের আবেদনের যোগ্যতা গতবারের মতোই রাখা হয়েছে। কিছু নতুন বিভাগ চালু হওয়ায় এবং কিছু বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে আসন বৃদ্ধি করায় মোট আসন সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। পরীক্ষার হলে ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন বা টেলিযোগাযোগ করা যায় এরূপ কোনো ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস-যন্ত্র-ঘড়ি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ ছাড়াও পরীক্ষা চলাকালে মোবাইল কোর্ট দায়িত্ব পালন করবে।’
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. হাসিবুর রশীদ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভিন্ন হলের প্রভোস্ট, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে মোট আসন সংখ্যা ৬৮০০টি। যার মধ্যে ক-ইউনিটে ১৬৮০টি, খ-ইউনিটে ২২৪১টি, গ-ইউনিটে ১১৭০টি, ঘ-ইউনিটে ১৪৪০টি এবং চ-ইউনিটে ১৩৫টি। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৬৬৫৫টি।
ব্যাংক সার্ভিস চার্জ ও অনলাইন সার্ভিস ফিসহ ভর্তি পরীক্ষার ফি ৩৫০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। টাকা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৮ সেপ্টেম্বর এবং প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে ‘খ’ ও ‘চ’ ইউনিট ১১ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টা থেকে পরীক্ষার দিন সকাল ৯টা পর্যন্ত এবং ‘ক’, ‘গ’, ‘ঘ’ ইউনিট ১৫ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টা থেকে পরীক্ষার দিন সকাল ৯টা পর্যন্ত।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আবহাওয়া
বিজ্ঞান বিভাগ খোলা হয়েছে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর্থ এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সাইন্সেস অনুষদের অধীনে ‘আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগ’ নামে একটি নতুন বিভাগ খোলা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক উক্ত বিভাগের চেয়ারপার্সন হিসেবে ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. তৌহিদা রশীদকে নিযুক্ত করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার দফতর থেকে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
--------------
পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত)
জনসংযোগ দফতর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
এই মাত্র পাওয়া :
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের গাড়ি ভাঙচুর করেছে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।
সূত্রঃ প্রথম আলো
নাস্তিক প্রফেসর ক্লাসে ঢুকেই তার ছাত্রদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন, "পৃথিবীতে যা কিছু আছে সব কি সৃষ্টিকর্তা তৈরি করেছেন?"
একজন ছাত্র বেশ আত্নবিশ্বাসের সাথেই উত্তর দিলো, জ্বী স্যার। সবকিছুই সৃষ্টিকর্তা তৈরি করেছেন।
"তাই নাকি! ছাত্র টির উত্তর শুনে মুচকি হাসেন প্রফেসর। সৃষ্টিকর্তা সত্যিই সবকিছু তৈরি করেছেন? তুমি ভেবে বলছো?"
ছাত্র টি আগের মত আত্নবিশ্বাসের সাথে হ্যা বোধক উত্তর দিতেই প্রফেসর আবারও প্রশ্ন করেন, "সৃষ্টিকর্তাই যদি সবকিছু তৈরি করে থাকেন তাহলে উনি তো খারাপ কেও সৃষ্টি করেছেন। তোমার উত্তর অনুযায়ী যেহেতু খারাপের অস্তিত্ব আছে এবং আমরা কি সেটা আমাদের কাজের উপর নির্ভর করেই নির্ধারণ হয়, সেই যুক্তি অনুযায়ী তাহলে সৃষ্টিকর্তা নিজেই খারাপ। কারন আমাদের ভাল-মন্দ সব গুণ উনি তৈরি করেছেন।"
প্রফেসরের এমন কথা শুনে সব ছাত্র চুপ হয়ে গেলো। কেউ কিছু বলছেনা।
ছাত্রদের চুপ হয়ে যাওয়া দেখে প্রফেসর নিজের উপর বেশ সন্তুষ্ট হলেন।
কিছুক্ষণ পর আরেকজন ছাত্র উঠে দাড়ালো। প্রফেসর আমুদে ভঙ্গীতে জিজ্ঞাসা করেন, কিছু বলতে চাও? ছাত্র টি হাসি মুখে প্রফেসরের কাছে জানতে চায়, "আপনাকে একটা প্রশ্ন করতে পারি স্যার?"
অবশ্যই করতে পারো। প্রফেসর অনুমতি দিতেই ছাত্র টি জিজ্ঞাসা করে- "স্যার, ঠান্ডা বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব আছে কি?"
প্রশ্ন শুনে প্রফেসরের চেহারায় বিরক্তি ফুটে ওঠে। "কি গাধার মত প্রশ্ন করো! ঠান্ডার অস্তিত্ব থাকবেনা কেন? অবশ্যই ঠান্ডার অস্তিত্ব আছে। তোমার কি কখনো ঠান্ডা লাগেনি?"
এবার ছাত্র টি মুচকি হেসে উত্তর দেয়, সত্যি বলতে কি স্যার, ঠান্ডার কোনো অস্তিত্ব নেই। আমরা যেটাকে ঠান্ডা বলি, পদার্থ বিজ্ঞানের ভাষায় সেটা আসলে তাপের অনুপস্থিতি। আমরা এই "ঠান্ডা' শব্দ টিকে জাস্ট কম তাপ কিংবা তাপের অনুপস্থিতি কে ব্যাখ্যা করার জন্য ব্যবহার করি।
কিছুক্ষণ পর ছাত্র টি আবারো প্রশ্ন করে, "স্যার অন্ধকার বলে কিছু কি পৃথিবীতে আছে?"
প্রফেসর উত্তর দেন, কেন থাকবেনা! অবশ্যই অন্ধকারের অস্তিত্ব আছে।
ছাত্র টি সহাস্যে উত্তর দেয়, আপনার ধারণা ভুল স্যার। অন্ধকার বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। আমরা আলো কে নিয়ে রিসার্চ করতে পারি, আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ মাপতে পারি, আলোর গতি বের করতে পারি। কিন্তু অন্ধকারের অস্তিত্ব নেই বলেই আমরা অন্ধকার নিয়ে কোনো কিছুই করতে পারিনা। সামান্য একটা আলোক রশ্নি অন্ধকার দূর করতে যথেষ্ঠ, কিন্তু অন্ধকার কখনো আলো কে গ্রাস করতে পারেনা। কারন অন্ধকার বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই, অন্ধকার হচ্ছে আলোর অনুপস্থিতি।
ছাত্র টি আবারও প্রশ্ন করে বসে। "স্যার, এবার বলেন খারাপের কি অস্তিত্ব আছে?"
প্রফেসর বেশ ক্রুদ্ধস্বরে উত্তর দেন, অবশ্যই আছে। প্রতিদিন কত মানুষ খুন হচ্ছে, অন্যায় হচ্ছে, এগুলো খারাপ না?"
ছাত্র টি বেশ জোরের সাথে উত্তর দেয়, "না স্যার। খারাপের কোনো অস্তিত্ব নেই, এটা হচ্ছে ভালোর অনুপস্থিতি। এটা সেই ঠান্ডা এবং অন্ধকারের মতই, মানুষের অন্তরে সৃষ্টিকর্তার প্রতি ভালবাসার অনুপস্থিতিই এই খারাপ বা মন্দের অবস্থা তৈরি করে।"
৪০ দিনের ছুটিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
গ্রীষ্মকালীন ছুটি, বিশ্ববিদ্যালয় দিবস, জুমাতুল বিদা, শব-ই-কদর এবং ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৭ জুন (মঙ্গলবার) থেকে টানা ৪০ দিনের ছুটি শুরু হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।
ঢাবি জন-সংযোগ দফতর থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা মোতাবেক এ ছুটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
৭ জুন থেকে শুরু হওয়া এ ছুটি শেষ হবে ১৬ জুলাই। অফিস ছুটি শুরু হবে ৩ জুলাই, শেষ হবে ১১ জুলাই।
উল্লেখ্য, ভিসি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে গত ২৫ মে (বুধবার) রাতে অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট সভায় ২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষের ১২৮ দিনের ছুটির তালিকা অনুমোদন করা হয়।
‘কিছু গুণী মানুষের আবেদন কখনো শেষ হয় না’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেছেন, কিছু গুণী মানুষ থাকেন, বুদ্ধিবৃত্তি চর্চার ক্ষেত্রে যাদের আবেদন কখনো শেষ হয় না।
আজ শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নওয়াব নবাব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে প্রত্নতত্ত্ববিদ প্রয়াত আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া স্মরণে আলোচনা সভা এবং আলোকচিত্র ও গ্রন্থ প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
পরিণত বয়সেও আ ক ম যাকারিয়া তারুণ্যদীপ্ত হয়ে কাজ করে গেছেন উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, তিনি শুধু একজন দক্ষ প্রশাসক বা প্রত্নতত্ত্ববিদই ছিলেন না, ছিলেন নৃতত্ত্ববিদ, ইতিহাসবিদ, অনুবাদক, পুঁথি সাহিত্য বিশারদ, ক্রীড়া সংগঠক এবং পূর্ণাঙ্গ ভালো মানুষ। যেকোনো বিষয়ে জানা ও জানানোর ক্ষেত্রে আ ক ম যাকারিয়ার ছিল অফুরন্ত কৌতূহল।
বিরল প্রতিভার অধিকারী এই ব্যক্তিত্বের জীবন ও আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে সত্যিকারের সৎ ও ভালো মানুষ হিসাবে গড়ে ওঠার জন্য তিনি তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানান।
ঢাকার স্থাপত্য বিষয়ক গ্রন্থ প্রণয়ন কমিটির আয়োজনে কমিটির চেয়ারম্যান ও ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. নাজমা খান মসলিশ, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম খান, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক মিসেস শামীম বানু, মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ, মওলানা নুরুদ্দিন ফতেহপুরী, অনুবাদক ফাদার সিলভানো গারেল্লো, সাংবাদিক মোজাম্মেল হোসেন মঞ্জু, আ ক ম যাকারিয়ার সহধর্মিনী রেহানা বেগম, কন্যা মাসুমা খাতুন, ছেলে মারুফ শমসের যাকারিয়া প্রমুখ বক্তব্য দেন।
দিনব্যাপী প্রদর্শনীতে আ ক ম যাকারিয়ার কর্মময় জীবন নিয়ে আলোকচিত্র এবং তাঁর রচিত ৩০টি গ্রন্থ প্রদর্শিত হয়।
আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া ১৯১৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০১৬ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইন্তেকাল করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পেছনে ব্যয় ৮১২০ টাকা
২০১৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পেছনে মাথাপিছু ব্যয় ৯৭ হাজার ৪৪১ টাকা। সেই হিসেবে ওই বছরে শিক্ষার্থীদের পেছনে মাসিক ব্যয় ছিল ৮ হাজার ১২০ টাকা।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের ২০১৪ সালের প্রতিবেদনে এসব তথ্য দেওয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ আজ রোববার জাতীয় সংসদে এ প্রতিবেদন উত্থাপন করেন।
প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালের হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাথাপিছু ব্যয় ৯৭ হাজার ৪৪১ টাকা। এর আগের বছর এ ব্যয় ছিল ৮৪ হাজার ১৬০ টাকা পঞ্চাশ পয়সা। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে মাথাপিছু সব চেয়ে বেশি দুই লাখ ২৩ হাজার ৫৭১ টাকা ব্যয় হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে।
প্রতিবেদন বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস এর ১২৮ শিক্ষকদের মধ্যে ১১৪ জন ছুটিতে রয়েছেন। ছুটিতে থাকা শিক্ষকদের মধ্যে একজন শিক্ষা ছুটিতে, বাকি ১১৩ জন অননুমোদিত বা বিনা বেতনে ছুটিতে রয়েছেন। মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪৫ শিক্ষকের মধ্যে ছুটিতে আছেন ১৪৪ জন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই হাজার ১৫৬ শিক্ষকের মধ্যে ছুটিতে আছেন ৬৩১ জন। এর মধ্যে ২৬৪ জন শিক্ষা ছুটি, ২৬ জন প্রেষণে এবং ৩৪০ জন অননুমোদিত বা বিনা বেতনের ছুটিতে আছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশের ৩৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ হাজার ২৬০ জন শিক্ষকের মধ্যে কর্মরত আছেন নয় হাজার ৬৬৬ জন। দুই হাজার ৫৯৪ জন ছুটিতে আছেন। এ সব বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট শিক্ষার্থী ২৫ লাখ ৮৫ হাজার ১৩০ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১৪ লাখ ৫৩ হাজার ১৫২ জন এবং ছাত্রী ১১ লাখ ৩১ হাজার ৯৭৮ জন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট শিক্ষার্থী ৩০ হাজার ১৫ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১৯ হাজার ৪১১ জন এবং ছাত্রী ১০ হাজার ৬০৪ জন। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সব চেয়ে কম শিক্ষার্থী রয়েছে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ে। এখানে মোট শিক্ষার্থী ৮৯১ জন। যার ৫৬৩ জন ছাত্র ও ৩২৮ জন ছাত্রী।
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
Dhaka
1000