হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত যে,
أنَّ النَّبيَّ – صلى الله عليه وسلم – كَانَ إِذَا تَكَلَّمَ بِكَلِمَةً أعَادَهَا ثَلاَثًا حَتَّى تُفْهَمَ عَنْهُ، وَإِذَا أتَى عَلَى قَوْمٍ فَسَلَّمَ عَلَيْهِمْ سَلَّمَ عَلَيْهِمْ ثَلاثًا.
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোনও কথা বলতেন, তিনবার তার পুনরাবৃত্তি করতেন, যাতে তাঁর কাছ থেকে তা বুঝে নেওয়া হয়। তিনি যখন কোনও লোকসমষ্টির কাছে আসতেন এবং তাদেরকে সালাম বলতেন, তখন তাদেরকে সালাম বলতেন তিনবার।
সহীহ বুখারী: ৯৫; জামে তিরমিযী: ২৭২৩; মুসনাদুল বাযযার: ৯৪১৮; হাকিম, আল মুস্তাদরাক: ৭৭১৬; বাগাবী, শারহুস সন্নাহ: ১৪১
পাদটিকা:
এ হাদীছটিতে দুটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। একটির সম্পর্ক কথা বলার সঙ্গে, অন্যটির সম্পর্ক সালাম দেওয়ার সঙ্গে। কীভাবে কথা বলতে হয়, কীভাবে সালাম দিতে হয়, তার সর্বোৎকৃষ্ট নমুনা রয়েছে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনরীতিতে। কথা বলার আছে বহু আদব-কায়দা। তার একটা হল প্রয়োজনক্ষেত্রে কথার পুনরাবৃত্তি করা। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা করতেন। এখানে বলা হয়েছে-
كَانَ إِذَا تَكَلَّمَ بِكَلِمَة أَعَادَهَا ثَلَاثًا حَتَّى تُفْهَمَ عَنْهُ
অর্থাৎ: তিনি যখন কোনও কথা বলতেন, তিনবার তার পুনরাবৃত্তি করতেন, যাতে তাঁর কাছ থেকে তা বুঝে নেওয়া হয়।
তিনি ছিলেন মানবজাতির মহান শিক্ষক। কথা ও কাজ দ্বারা উম্মতকে দীন শেখাতেন। তাঁর কোনও কথাই অহেতুক হত না। প্রতিটি কথাই ছিল অতি মূল্যবান- উম্মতের পথের নির্দেশনা। তাই তা ভালোভাবে বুঝে নেওয়ার দরকার ছিল। সুতরাং তাঁর শিষ্যবৃন্দ অর্থাৎ সাহাবায়ে কেরাম যাতে তা ভালোভাবে বুঝে নিতে পারেন, তাই একেকটি কথা একাধিক বার বলতেন। অনেক সময় তিনবারও বলতেন। তা বলার প্রয়োজনও রয়েছে। যেখানে প্রয়োজন হত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ কথার পুনরাবৃত্তি করতেন।
Al-kawsar
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Al-kawsar, Shahjadpur, Gulshan, Dhaka.
হে ঘুমন্ত আত্না-জেগে উঠো! তোমার ভাবনার মতই আপন আঙিনা |দুনিয়ার জীবনকে ইসলাম দিয়ে সাজিয়ে দেখো প্রশান্তি লাভ করবে | কিসের নেশায় তুমি এতো ব্যকুল |আজ দুনিয়াবি এই নাজ-সাজ ও নেয়ামত সবই কিছুক্ষণের ধুলি কনা মাত্র।(দোয়া পাঠিও আমার তরে, পড়ে রইবো যখন কবরে)
@আল-কাওছার ** গুরুত্বপূর্ণ হাদিসঃ
১। আমার কথা (অন্যদের কাছে) পৌছিয়ে দাও, তা যদি একটি আয়াতও হয়।
(সহীহ বুখারীঃ ৩২১৫)
২। রাসূল (সাঃ) বলেছেন, কোন ব্যক্তির
তোমাদেরকে যেই বড় বড় গুনাহ করতে নিষেধ করা হয়েছে, তোমরা যদি তা পরিহার করে চল। তবে আমি নিজেই তোমাদের ছোট ছোট গুনাহ তোমাদের থেকে মিটিয়ে দেব এবং তোমাদেরকে এক মর্যাদাপূর্ণ স্থানে দাখিল করব।
সূরা আন-নিসা, আয়াত ৩১ সূত্র : তাফসীরে তাওযীহুল কুরআন
আল্লাহ তাআলা কুরআন মাজীদে বলেছেন :
কি মমতাময়ী কথা,আমার আল্লাহ নাজানি কতই দরদী
وَ اِذَا سَاَلَكَ عِبَادِیْ عَنِّیْ فَاِنِّیْ قَرِیْبٌ ؕ اُجِیْبُ دَعْوَةَ الدَّاعِ اِذَا دَعَانِ ۙ فَلْیَسْتَجِیْبُوْا لِیْ وَ لْیُؤْمِنُوْا بِیْ لَعَلَّهُمْ یَرْشُدُوْنَ۱۸۶
আমার বান্দারা যখন আমার সম্পর্কে তোমার কাছে জানতে চায়, তখন তো আমি কাছেই থাকি। কেউ যখন আমাকে ডাকে, তখন আমি তার ডাকে সাড়া দিই। তাই তারাও যেন আমার ডাকে সাড়া দেয় এবং আমার প্রতি ঈমান আনে, যেন তারা সঠিক পথ পেতে পারে।
সূরা বাকারা, আয়াত ১৮৬
🔴 সবর মানে অন্যায় মেনে নেওয়া নয়
🟢 সবর মানে গুনাহ ছাড়া সমাধানের চেষ্টা
কেউ কষ্ট পেলে মাফ করে দিয়েন
23/02/2026
শায়খে চরমোনাইকে টার্গেট করে যেভাবে অপপ্রচার হয়েছে তাতে তাঁর প্রতি ভালোবাসা মোটেও কমেনি বরং আরও বেশি আস্থার জায়গায় আসন গেড়েছেন আলহামদুলিল্লাহ। তিনি ইসলামী অঙ্গন ও রাজনৈতিক মহলে অনন্য হয়ে উঠবেন নিঃসন্দেহে। বর্তমানের ওপর হতাশা প্রকাশ করে লাভ নাই। ভবিষ্যত বলে দেবে মুফতী ফয়জুল করীম কে ইনশাআল্লাহ...
লেখক মিসবাহ ভাই
সবই হচ্ছে,
কিন্তু আমার ভাই হাদী হ/ত্যা/র বিচারটা আর হলো না
হাসবুনাল্লাহু নিমাল ওয়াকিল
মানুষ কতটা আহাম্মক হয় আলেমকে নিয়েও কটাক্ষ করতে দ্বিধাবোধ করে না,
ভাই তাদের সমালোচনার কাজটা আমাদের না, এটাতো আকাবেরদের কাজ।
আল-হামদুলিল্লাহ,
সর্বদা এবং চিরকাল!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Telephone
Website
Address
Shahjadpur, Gulshan
Dhaka
1212