World knowledge power

World knowledge power সব সময় তথ্যের সাথে থাকুন, জ্ঞানের সাথে থাকুন । নিজে জানেন অন্যকে জানাতে সাহায্য করেন । ।

24/08/2024

#ডুমরি বাধের ইতিহাস
সম্প্রতি (আগস্ট ২০২৪) ৩১ বছর পর ডুম্বুর বাঁধ খুলে দিয়েছে ভারত। এই বাঁধটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে অবস্থিত, এবং এটি গোমতী নদীর উপর নির্মিত। বাঁধটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ছিল, কিন্তু ভারী বৃষ্টিপাত এবং জলাশয়ের জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে ৩১ বছর পর এটি খুলে দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি (আগস্ট ২০২৪) ৩১ বছর পর ডুম্বুর বাঁধ খুলে দেওয়ার ফলে ভারতে বন্যা সৃষ্টি হয়েছে। ডুম্বুর বাঁধটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের গোমতী নদীর উপর অবস্থিত। বাঁধের গেট খুলে দেওয়ার পর নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে ত্রিপুরার বিভিন্ন এলাকায় বন্যা দেখা দেয়।

ডুম্বুর বাঁধ, যা ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের গোমতী নদীর উপর অবস্থিত, ৩১ বছর পর আগস্ট ২০২৪ সালে খুলে দেওয়া হয়। বাঁধের গেট খোলার ফলে অতিরিক্ত পানি ছাড়া হয়, যা গোমতী নদী দিয়ে বাংলাদেশের দিকে প্রবাহিত হয় এবং দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বন্যার সৃষ্টি করে।

ডুম্বুর বাঁধ বাংলাদেশের সিলেট বিভাগে অবস্থিত। এটি সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ জলাশয় এবং বাঁধ। বাঁধটি মূলত সেচের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয় ।

ডুম্বুর বাঁধ বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের জৈন্তাপুর উপজেলার একটি উল্লেখযোগ্য জলাশয় এবং সেচ বাঁধ। এটি স্থানীয় কৃষি, জলাশয় ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

অবস্থান:
জেলা: সিলেট
উপজেলা: জৈন্তাপুর
গ্রাম: ডুম্বুর

ডুম্বুর বাঁধ
বন্যার কারণ এবং প্রভাব:
ভারী বর্ষণ এবং বাঁধের গেট খোলা: ভারতে ত্রিপুরা রাজ্যে ভারী বর্ষণের ফলে ডুম্বুর বাঁধের জলাধারের পানির স্তর বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যায়। বাঁধের উপর চাপ কমানোর জন্য কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে বাঁধের গেট খুলে দেয়, যার ফলে হঠাৎ করে গোমতী নদীতে পানির প্রবাহ বেড়ে যায়।

বাংলাদেশে বন্যার সৃষ্টি: গোমতী নদী ত্রিপুরা থেকে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, এবং আশেপাশের অঞ্চলে প্রবেশ করে। বাঁধের গেট খোলার পর অতিরিক্ত পানি বাংলাদেশের এই অঞ্চলে প্রবাহিত হয়, যা আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি করে। এর ফলে নিম্নাঞ্চলের গ্রাম, ফসলের মাঠ এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

জনজীবনে প্রভাব: বাংলাদেশের বন্যা পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে। হাজার হাজার মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। কৃষিজমি তলিয়ে যাওয়ার কারণে খাদ্য উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটে। ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করা শুরু হলেও, রাস্তাঘাট এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ত্রাণ সরবরাহে সমস্যা সৃষ্টি হয়।

সীমান্ত এলাকায় ঝুঁকি: ডুম্বুর বাঁধ খোলার ফলে সীমান্তবর্তী এলাকায় বন্যার ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে। এই অঞ্চলগুলোতে সঠিক পূর্বাভাস এবং সময়মত ব্যবস্থা নেওয়ার অভাবের কারণে ক্ষতির পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

ভবিষ্যতের জন্য উদ্বেগ:
এই ঘটনার পর বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে নদীর পানি বণ্টন এবং বাঁধ পরিচালনা নিয়ে আলোচনা এবং সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা আরও তীব্র হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে দুই দেশের মধ্যে আরও কার্যকর যোগাযোগ ও সমঝোতার প্রয়োজন হবে।

ডুম্বুর বাঁধ ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের গোমতী নদীর উপর অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁধ। এটি মূলত জলবিদ্যুৎ উৎপাদন এবং সেচের জন্য নির্মিত হয়েছিল। তবে, বাঁধটি দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ ছিল এবং কোন জলছাড় কার্যক্রম পরিচালিত হয়নি।

ডুম্বুর বাঁধ খোলার পটভূমি:
২০২৪ সালের আগস্ট মাসে, দীর্ঘ ৩১ বছর পর ভারী বর্ষণের কারণে বাঁধের জলাধারের পানির স্তর অত্যন্ত বৃদ্ধি পায়। এই অতিরিক্ত পানি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এবং বাঁধের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাধ্য হয়ে কর্তৃপক্ষ ডুম্বুর বাঁধের গেট খুলে দেয়। এই পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছিল যাতে বাঁধের উপর অতিরিক্ত চাপ না পড়ে এবং বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো যায়।

প্রভাব:
ডুম্বুর বাঁধ খোলার ফলে গোমতী নদীর পানির স্তর হঠাৎ বৃদ্ধি পায়, যা নদীর তীরবর্তী এলাকা এবং নিম্নাঞ্চলগুলোতে বন্যার সৃষ্টি করে। এর ফলে ত্রিপুরার কিছু অংশে জনজীবনে বিঘ্ন ঘটে এবং কৃষি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশেষ করে নিম্নাঞ্চলের গ্রামগুলোতে মানুষজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

ঐতিহাসিক গুরুত্ব:
ডুম্বুর বাঁধ ত্রিপুরার জেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ১৯৭০-এর দশকে এটি নির্মিত হয়েছিল এবং সেই সময়ে এটি রাজ্যের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল। বাঁধটি গোমতী নদীর পানিকে নিয়ন্ত্রণ করতে এবং সেচের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সাহায্য করেছিল। তবে, ৩১ বছর ধরে বন্ধ থাকার কারণে এর কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়ে।

ডুম্বুর বাঁধের পুনরায় খোলার ঘটনা স্থানীয় এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভবিষ্যতে এই বাঁধের কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হবে এবং এর প্রভাব কী হবে, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে।

ডুম্বুর বাঁধটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের গোমতী নদীর উপর অবস্থিত। এটি ত্রিপুরার গোমতী জেলার অন্তর্গত এবং ত্রিপুরা রাজ্যের অন্যতম প্রধান বাঁধ হিসেবে পরিচিত। বাঁধটি মূলত জলবিদ্যুৎ উৎপাদন এবং সেচের জন্য ব্যবহৃত হয়।

ডুম্বুর বাঁধ নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সরাসরি কোনো বিরোধ নেই। তবে, তিস্তা, গঙ্গা, এবং ব্রহ্মপুত্রের মতো অন্যান্য নদীগুলির পানি বণ্টন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনার বিষয় রয়েছে। ডুম্বুর বাঁধ মূলত ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে অবস্থিত, এবং এটি গোমতী নদীর উপর নির্মিত। বাঁধটি স্থানীয় সেচ ও জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

যদিও ডুম্বুর বাঁধের পানির কারণে বাংলাদেশে সরাসরি কোনো বিরোধের ঘটনা নেই, তবুও নদীর পানি প্রবাহ এবং বাঁধ পরিচালনা প্রায়ই সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বন্যা ও পরিবেশগত সমস্যার কারণ হতে পারে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে, দুই দেশের মধ্যে সমন্বয় এবং আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করা হয়।

বাংলাদেশের সাথে ভারতের পানি বণ্টন বিরোধ মূলত তিস্তা, গঙ্গা এবং ব্রহ্মপুত্রের মতো প্রধান নদীগুলির পানি বণ্টনের ওপর কেন্দ্রীভূত ।

#কপি SATT ACADAMY

Send a message to learn more

অধ্যাপক ডঃ মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশী নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনী...
21/08/2024

অধ্যাপক ডঃ মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশী নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক। তিনি ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক। অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা। মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। তিনি প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন। ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার সহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।
#পরিবার-Family
মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৪০ সালের ২৮ জুন চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার বাথুয়া গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম হাজী দুলা মিয়া সওদাগর, এবং মাতার নাম সুফিয়া খাতুন। মুহাম্মদ ইউনূসের সহধর্মিনী ডঃ আফরোজী ইউনুস। ব্যক্তিগত জীবনে মুহাম্মদ ইউনূস দুই কন্যার পিতা। মুহাম্মদ ইউনূসের ভাই মুহাম্মদ ইব্রাহিম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবং ছোট ভাই মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর একজন জনপ্রিয় টিভি ব্যক্তিত্ব।
#শিক্ষা জীবন
তাঁর প্রথম বিদ্যালয় মহাজন ফকিরের স্কুল। চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পরীক্ষায় মুহাম্মদ ইউনূস মেধা তালিকায় ১৬তম স্থান অধিকার করেন এবং চট্টগ্রাম কলেজে ভর্তি হন। সেখানে তিনি সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে নিজেকে যুক্ত করেন। কলেজে তিনি নাটকে অভিনয় করে প্রথম পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়াও তিনি সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা এবং আজাদী পত্রিকায় কলাম লেখার কাজে যুক্ত ছিলেন। সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় তিনি বয়েজ স্কাউটসে যোগ দেন এবং বয়েজ স্কাউটসের পক্ষ থেকে মাত্র ১৫ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ এশিয়া এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন।
#কর্ম জীবন
১৯৫৭ সালে মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকেই বিএ এবং এমএ সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি ব্যুরো অব ইকোনমিক্স -এ যোগ দেন গবেষণা সহকারী হিসাবে যোগদান করেন। পরবর্তীকালে ১৯৬২ সালে চট্টগ্রাম কলেজে প্রভাষক পদে যোগদান করেন। ১৯৬৫ সালে তিনি ফুলব্রাইট স্কলারশিপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং পূর্ণ বৃত্তি নিয়ে ভেন্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৯৬৯ সালে অর্থনীতিতে পিএইচডি লাভ করেন। ইউনূস বাংলাদেশে ফিরে আসার আগে ১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত মিডল টেনেসি স্টেট ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের পক্ষে বিদেশে জনমত গড়ে তোলা এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা প্রদানের জন্য সাংগঠনিক কাজে নিয়োজিত ছিলেন। ১৯৭২ সালে দেশে ফিরে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন এবং বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৫ সালে তিনি অধ্যাপক পদে উন্নীত হন এবং ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত এ পদে কর্মরত ছিলেন।
ইউনুস দারিদ্র্যতার বিরুদ্ধে তার সংগ্রাম শুরু করেন ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত দুর্ভিক্ষের সময়। তিনি বুঝতে পারেন স্বল্প পরিমাণে ঋণ দরিদ্র মানুষের জীবন মান উন্নয়নে অত্যন্ত কার্যকরী হতে পারে। সেই সময়ে তিনি গবেষণার লক্ষ্যে গ্রামীণ অর্থনৈতিক প্রকল্প চালু করেন। ১৯৭৪ সালে মুহাম্মদ ইউনুস তেভাগা খামার প্রতিষ্ঠা করেন যা সরকার প্যাকেজ প্রোগ্রামের আওতায় অধিগ্রহণ করে।
গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠা
মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৭৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন গরিব বাংলাদেশীদের মধ্যে ঋণ দেবার জন্য। তখন থেকে গ্রামীণ ব্যাংক ৫.৩ মিলিয়ন ঋণগ্রহীতার মধ্যে ৫.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ প্রদান করে। ঋণের টাকা ফেরত নিশ্চিত করার জন্য গ্রামীণ ব্যাংক “সংহতি দল” পদ্ধতি ব্যবহার করে। একটি অনানুষ্ঠানিক ছোট দল একত্রে ঋণের জন্য আবেদন করে এবং এর সদস্যবৃন্দ একে অন্যের জামিনদার হিসেবে থাকে এবং একে অন্যের উন্নয়নে সাহায্য করে। ব্যাংকের পরিধি বাড়ার সাথে সাথে গরিবকে রক্ষা করার জন্য ব্যাংক অন্যান্য পদ্ধতিও প্রয়োগ করে। ক্ষুদ্রঋণের সাথে যোগ হয় গৃহঋণ, মৎস খামাড় এবং সেচ ঋণ প্রকল্প সহ অন্যান্য ব্যাংকিং ব্যবস্থা। গরিবের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গ্রামীণ ব্যাংকের সাফল্য উন্নত বিশ্ব এমন কি যুক্তরাষ্ট্র সহ অন্যান্য শিল্পোন্নত দেশসমূহকে গ্রামীণের এই মডেল ব্যবহার করতে উদ্বুদ্ধ হয়।
প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ
Banker to the Poor:Micro-lending and The battle against World Proverty. (১৯৯৮)
Three Farmers of Jobra; Department of Economics, Chittagong University; (১৯৭৪)
#সম্মাননা
ডঃ ইউনুস পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৪৮টি সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন। শান্তিতে নোবেলজয়ী গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডাল গ্রহণ করেছেন। দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে এই সম্মাননা দেয়া হলো ইউনূসকে, যিনি এই পদক পাওয়া প্রথম বাংলাদেশি ও মুসলিম।
বিশ্বের সর্বোচ্চ সম্পদশালী দুই শতাধিক ব্যক্তির সম্মেলনে নোবেলজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আজীবন সম্মাননা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। ২০১৩, ৫ মে বুধবার জাতিসংঘ ভবনে এ সম্মাননা জানানো হয়। জাতিসংঘে বিশ্বের সম্পদশালী ব্যক্তিদের এ সমাবেশের আয়োজন করে বিশ্ববিখ্যাত ফোর্বস ম্যাগাজিন। একজন সামাজিক উদ্যোক্তা হিসেবে ইউনূসকে এ ‘আজীবন সম্মাননা পুরস্কার’ প্রদান করা হয়।
অ্যাওয়ার্ড
প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড। (১৯৭৮)
রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কার। (১৯৮৪)
কেন্দ্রীয় ব্যাংক অ্যাওয়ার্ড। (১৯৮৫)
স্বাধীনতা পুরস্কার (১৯৮৭)
আগা খান অ্যাওয়ার্ড। (১৯৮৯)
কেয়ার পুরস্কার। (১৯৯৩)
নোবেল পুরস্কার (শান্তি)। (২০০৬)
মানবহিতৈষণা পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র। (১৯৯৩)
মুহাম্মদ সাহেবুদ্দিন বিজ্ঞান (সামাজিক অর্থনীতি) পুরস্কার,শ্রীলঙ্কা (১৯৯৩)
রিয়াল এডমিরাল এম এ খান স্মৃতি পদক,বাংলাদেশ (১৯৯৩)
বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার,যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৪)
পিফার শান্তি পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৪)
ডঃ মুহাম্মাদ ইব্রাহিম স্মৃতি স্বর্ণ পদক, বাংলাদেশ (১৯৯৪)
ম্যাক্স সছমিধেইনি ফাউন্ডেশন ফ্রিডম পুরস্কার,সুইজারল্যান্ড (১৯৯৫)
ঢাকা মেট্রোপলিটন রোটারারি ক্লাব ফাউন্ডেশন পুরস্কার, বাংলাদেশ (১৯৯৫)
আন্তর্জাতিক সাইমন বলিভার পুরস্কার (১৯৯৬)
ভ্যানডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয় বিশিষ্ট আলামনাই পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৬)
আন্তর্জাতিক একটিভিটিস্ট পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৭)
প্লানেটরি কনশিয়াশনেস বিজনেস ইনোভেশন পুরস্কার, জার্মানি (১৯৯৭)
হেল্প ফর সেলফ হেল্প পুরস্কার,নরওয়ে (১৯৯৭)
শান্তি মানব পুরস্কার (ম্যান ফর পিস এওয়ার্ড), ইতালি (১৯৯৭)
বিশ্ব ফোরাম পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৭)
ওয়ান ওয়ার্ল্ড ব্রডকাস্টিং ট্রাস্ট মিডিয়া পুরস্কার, যুক্তরাজ্য (১৯৯৮)বিশ্ব
দ্যা প্রিন্স অফ আউস্তুরিয়া এ্যাওয়ার্ড ফর কনকর্ড, স্পেন (১৯৯৮)
সিডনি শান্তি পুরস্কার, অস্ট্রেলিয়া (১৯৯৮)
অযাকি (গাকুডো) পুরস্কার, জাপান (১৯৯৮)
ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কার, ইন্ডিয়া (১৯৯৮)
জাস্টটি অফ দ্যা ইয়ার পুরস্কার,ফ্রান্স (১৯৯৮) ( Les Justes D’or )
রোটারারি এ্যাওয়ার্ড ফর ওয়ার্ল্ড আন্ডারস্ট্যান্ডিং, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৯)
গোল্ডেন পেগাসাস এ্যাওয়ার্ড, ইটালি (১৯৯৯)
রোমা এ্যাওয়ার্ড ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যানিটারিয়ান, ইটালি (১৯৯৯)
রাথিন্দ্রা পুরস্কার, ইন্ডিয়া (১৯৯৮)
অমেগা এ্যাওয়ার্ড অফ এক্সিলেন্সি ফরব লাইফ টাইম এচিভমেন্ট, সুইজারল্যান্ড (২০০০)
এ্যাওয়ার্ড অফ দ্যা মেডেল অফ দ্যা প্রেসিডেন্সি,ইটালি (২০০০)
কিং হুসেইন হিউম্যানিটারিয়ান লিডারশীপ এ্যাওয়ার্ড, জর্ডান (২০০০)
আই ডি ই বি গোল্ড মেডেল এ্যাওয়ার্ড, বাংলাদেশ (২০০০)
আরতুসি পুরস্কার, ইটালি (২০০১)
গ্র্যান্ড প্রাইজ অফ দ্যা ফুকুওকা এশিয়ান কালচার পুরস্কার, জাপান (২০০১)
হো চি মীণ পুরস্কার, ভিয়েতনাম (২০০১)
আন্তর্জাতিক সহযোগিতা পুরস্কার ‘কাজা ডি গ্রানাডা’, স্পেন (২০০১)
নাভারা ইন্টারন্যাশনাল এইড এ্যাওয়ার্ড, স্পেন (২০০১)
মহাত্মা গান্ধী পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০২)
বিশ্ব টেকনোলজি নেটওয়ার্ক পুরস্কার, যুক্তরাজ্য (২০০৩)
ভলভো পরিবেশ পুরস্কার, সুইডেন (২০০৩)
জাতীয় মেধা পুরস্কার, কলম্বিয়া (২০০৩)
দ্যা মেডেল অফ দ্যা পেইন্টার অসওয়াল্ড গুয়ায়াসামিন পুরস্কার, ফ্রান্স (২০০৩)
তেলিছিনকো পুরস্কার, স্পেন (২০০৪)
সিটি অফ অরভিতো পুরস্কার, ইটালি (২০০৪)
দ্যা ইকোনমিস্ট ইনোভেশন পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৪)
ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিল এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৪)
লিডারশীপ ইন সোশ্যাল অন্টাপ্রিনেয়ার এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৪)
প্রিমিও গ্যালিলীয় ২০০০ স্পেশাল প্রাইজ ফর পিস ২০০৪, ইটালি (২০০৪)
নিক্কেই এশিয়া পুরস্কার, জাপান (২০০৪)
গোল্ডেন ক্রস অফ দ্যা সিভিল অর্ডার অফ দ্যা সোশ্যাল সলিডারিটি,স্পেন (২০০৫)
ফ্রিডম এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৫)
বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটি গোল্ড মেডেল, বাংলাদেশ (২০০৫)
প্রাইজ ২ পন্টে, ইটালি (২০০৫)
ফাউন্ডেশন অফ জাস্টিস, স্পেন (২০০৫)
হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি নেউসতাদ এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৬)
গ্লোব সিটিজেন অফ দ্যা ইয়ার এ্যাওয়ার্ড,যুক্তরাষ্ট্র (২০০৬)
ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট স্বাধীনতা পুরস্কার, নেদারল্যান্ড (২০০৬)
ইতু বিশ্ব তথ্য সংগঠন পুরস্কার, সুইজারল্যান্ড (২০০৬)
সিউল শান্তি পুরস্কার, কোরিয়া (২০০৬)
কনভিভেঞ্চিয়া (উত্তম সহকারিতা) সেউতা পুরস্কার, স্পেন (২০০৬)
দুর্যোগ উপশম পুরস্কার, ইন্ডিয়া (২০০৬)
সেরা বাঙালী, ইন্ডিয়া (২০০৬)
গ্লোবাল ট্রেইলব্লেজার পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
এ বি আই সি সি এ্যাওয়ার্ড ফর লিডারশীপ ইন গ্লোবাল ট্রেড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
সামাজিক উদ্যোক্তা পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
বিশ্ব উদ্যোগী নেতৃত্ব পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
রেড ক্রস স্বর্ণ পদক, স্পেন (২০০৭)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্ম শত বার্ষিকী স্মারক, ইন্ডিয়া (২০০৭)
ই এফ আর বাণিজ্য সপ্তাহ পুরস্কার,নেদারল্যান্ড (২০০৭)
নিকলস চ্যান্সেলর পদক, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
ভিশন এ্যাওয়ার্ড, জার্মানি (২০০৭)
বাফি গ্লোবাল এচিভমেন্ট এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
রুবিন মিউজিয়াম মানডালা এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
সাকাল বর্ষ ব্যক্তিত্ব পুরস্কার, ইন্ডিয়া (২০০৭)
১ম আহপাডা গ্লোবাল পুরস্কার, ফিলিপাইন (২০০৭)
মেডেল অফ ওনার, ব্রাজিল (২০০৭)
জাতিসংঘ সাউথ- সাউথ সহযোগিতা পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
প্রোজেক্ট উদ্যোগী পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৮)
আন্তর্জাতিক নারী স্বাস্থ্য মিশন পুরস্কার, নিউইয়র্ক (২০০৮)
কিতাকইয়ুশু পরিবেশ পুরস্কার, জাপান (২০০৮)
চ্যান্সেলর পদক, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৮)
প্রেসিডেন্স পদক, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৮)
মানব নিরাপত্তা পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৮)
বাৎসরিক উন্নয়ন পুরস্কার, অস্টিয়া (২০০৮)
মানবসেবা পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৮)
শিশু বন্ধু পুরস্কার,স্পেন (২০০৮)
এ জি আই আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান পুরস্কার, জার্মানি (২০০৮)
করিনি আন্তর্জাতিক গ্রন্থ পুরস্কার, জার্মানি (২০০৮)
টু উয়িংস প্রাইজ,জার্মানি (২০০৮)
বিশ্ব মানবতাবাদী পুরস্কার, ক্যালিফোর্নিয়া (২০০৮)
ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিল এ্যাওয়ার্ড ,ক্যালিফোর্নিয়া (২০০৮)
এস্টরিল গ্লোবাল ইস্যু’স ডিসটিনগুইশড বুক প্রাইজ, পর্তুগাল (২০০৯)
এইসেনহওয়ের মেডেল ফর লিডারশীপ অ্যান্ড সার্ভিস, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৯)
গোল্ডেন বিয়াটেক এ্যাওয়ার্ড, স্লোভাকিয়া (২০০৯)
গোল্ড মেডেল অফ ওনার এ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৯)
প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৯)
পি আই সি এম ই টি এ্যাওয়ার্ড, পোর্টল্যান্ড (২০০৯)
বৈরুত লিডারশীপ এ্যাওয়ার্ড (২০০৯)
সোলারওয়ার্ল্ড আইন্সটাইন এ্যাওয়ার্ড (২০১০)
©সংগৃহীত।

20/08/2024

১. প্রশ্ন : বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে উড়োজাহাজ মোট কয়টি?
উত্তর : ১৫ টি।

২.প্রশ্ন : বাংলাদেশে মুসলিম জনসংখ্যা কত?

উত্তর : ৮৮.৪%।

৩. প্রশ্ন : ১১তম দেশ হিসাবে কোন দেশ করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কারক হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে?

উত্তর : বাংলাদেশ

৪. প্রশ্ন : বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চতুর্থ প্রজন্মের অত্যাধুনিক উড়োজাহাজের নাম কি?

উত্তর : আকাশবীণা।

Send a message to learn more

19/08/2024

#প্রথম ছাত্র আন্দোলন

ইতিহাসে প্রথম ছাত্র আন্দোলন হয় চিনে, ১৬০ খ্রিস্টাব্দে।
ইমপেরিয়াল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তখন সরকারের কয়েকটি নীতির প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছিলেন। তাদের আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন কিছু মেধাবী ছাত্রনেতা, যারা তুলনামূলকভাবে গরিব পরিবার থেকে এসেছিলেন। তাদের এই আন্দোলন সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছিল। প্রায় ৩০ হাজার মানুষ সেই আন্দোলনে অংশ নেয় এবং তাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে।তবে, সরকার এই আন্দোলন কঠোরভাবে দমন করে এবং ১৭২ জন শিক্ষার্থীকে কারাগারে নিক্ষেপ করে, যেখানে তাদের অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়।

Send a message to learn more

10/08/2023

বাংলাদেশের সরকারি নোট কয়টি ও কি কি?

#উত্তর: বাংলাদেশের সরকারি নোট ৩টি। যথা: এক টাকা,দুই টাকা ও পাঁচ টাকা।

বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারি নোট তিনটি ১ টাকা, ২টাকা ও ৫টাকা এবং প্রচলিত নোট ১০, ২০, ৫০, ১০০, ৫০০, ১০০০ এবং ২০০ টাকার নোট ২০২১ সাল থেকে নিয়মিত বাজারে থাকবে। এক টাকা, দুই টাকা ও পাঁচ টাকার নোট অর্থ মন্ত্রনালয়ের আওতায়। অর্থাৎ সরকারি নোট বের করে অর্থ মন্ত্রণালয় এবং এতে থাকে অর্থসচিবের সই থাকে।

সরকারি নোট:

একটি দেশের সরকার কর্তৃক বিহিত মুদ্রা।
এই নোট অর্থ মন্ত্রনালয় কর্তৃক ইস্যু করে।
সরকারি নোটে অর্থ সচিবের সাক্ষর থাকে।
সরকারি নোট হলো: ১, ২, ৫ টাকা।

ব্যাংক নোট:

সরকারের ব্যাংক হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত মুদ্রা।
ব্যাংক নোটে গভর্নর এর সাক্ষর থাকে।
বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংক নোট বের করে।
ব্যাংক নোট হলো ৫, ১০, ২০, ৫০, ১০০, ৫০০ এবং ১,০০০।

10/08/2023

বাংলাদেশে প্রথম কাগুজে নোট চালু করা হয়েছিল ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ। ওই দিন প্রথম ১ টাকা ও ১০০ টাকার নোট চালু করা হয়।

10/08/2023

তাজউদ্দীন আহমদ (২৩ জুলাই ১৯২৫ - ৩ নভেম্বর ১৯৭৫) বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম নেতা।

09/08/2023

বাংলাদেশে আর্থিক বছরের সময়কাল হিসাব করা হয় কীভাবে?
উত্তর: জুলাই- জুন।

08/08/2023

আয়তনে বিশ্বের বড় জলপ্রপাতে নাম কী?
উত্তর: নায়াগ্রা (যুক্তরাষ্ট্র)।

08/08/2023

ইতালির রাজধানী কোন শহরে অবস্থিত?
উত্তর: রোম।

Address

Dhaka
1012

Telephone

0173881005

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when World knowledge power posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category