22/05/2026
আমাদের ৩ মাস মেয়াদী CERTIFICATE ON MANAGEMENT OF SPECIAL CHILDREN (CMSC) প্রোগ্রামের ব্যাচ-৯ এর ক্লাস কার্যক্রম INGENIOUS CARE LTD (ICL) এর ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে …
🎓 Certificate on Management of Special Children ( CMSC)
Bangladesh Institute of Transformative Education & Research এবং Ingenious Care Limited এর যৌথ উদ্যোগে শুরু হতে যাচ্ছে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রফেশনাল কোর্স।
🌟 যা যা থাকছে / প্রোগ্রাম ডিটেইলসঃ
বিশেষ শিশুকে কীভাবে শেখাতে হয়, তাদের ভাষা ও যোগাযোগ দক্ষতা কীভাবে উন্নত করা যায়, গ্রস মোটর, ফাইন মোটর এবং সেন্সরি সমস্যার ক্ষেত্রে কী করণীয়—এসব বিষয়ে একটি সুসংগঠিত, বাস্তবভিত্তিক ও গভীর প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম।
এই কোর্সে আরও অন্তর্ভুক্ত থাকছে:
• বিশেষ শিশুদের শেখানোর কার্যকর কৌশল
• ভাষা ও যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধির পদ্ধতি
• গ্রস মোটর, ফাইন মোটর ও সেন্সরি ইস্যু ম্যানেজমেন্ট
• চ্যালেঞ্জিং বিহেভিয়ার (নেতিবাচক আচরণ) ব্যবস্থাপনা
• শিশুর শিক্ষা ও ব্যবস্থাপনার মনোবৈজ্ঞানিক ভিত্তি ও কৌশল
• বিশেষ শিশুর শিক্ষায় শিক্ষক ও অভিভাবকের বহুমুখী ভুমিকা ( Multiple Role) ও কৌশল
• সামাজিক দক্ষতা বৃদ্ধির কৌশল
• শিশুর সার্বিক বিকাশের কার্যকরী কৌশল
👨👩👧👦 কাদের জন্য প্রযোজ্য
• বিশেষ শিশুর মা-বাবা ও অভিভাবক
• শিক্ষক
• সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী
• উন্নয়নকর্মী ও গবেষক
• আগ্রহী যে কেউ
👩🏫 প্রধান প্রশিক্ষক
• এম. সিফাত আল হাসনাত
প্রতিষ্ঠাতা, নির্বাহী পরিচালক ও সিনিয়র ফ্যাকাল্টি মেম্বার
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রান্সফরমেটিভ এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ
সাবেক সহকারী অধ্যাপক ও চিফ কোঅর্ডিনেটর
PISER, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস
• সোমাইয়া ফাতিমা
প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও সিনিয়র ফ্যাকাল্টি মেম্বার
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রান্সফরমেটিভ এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ
সাবেক সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান (শিক্ষা বিভাগ)
PISER, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস
✨ এছাড়াও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞগণ ক্লাস নেবেন এবং বিদেশি বিশেষজ্ঞ ও পেশাজীবীগণ বিভিন্ন সেশনে যুক্ত থাকবেন।
📊 কোর্সের বিশেষত্ব
• মোট ৯ ক্রেডিট আওয়ার প্রোগ্রাম
• ৮৪+ ঘন্টা ক্লাস
• বিদেশি এক্সপার্টদের সাথে অনলাইন ক্লাস
• স্পেশাল স্কুল ভিজিট
• ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং
📜 সার্টিফিকেশন
• সার্টিফিকেট
• গ্রেডশীট (অনলাইনে ভেরিফায়েবল)
💰 কোর্স ফি
• মোট খরচ: ১০,০০০ টাকা
⏰ ক্লাস সময় ও বার
• বিকাল ৩:০০ টা – সন্ধ্যা ৬:০০
• শুক্রবার- শনিবার
ভর্তি চলছে —
• আসন সংখ্যা সীমিত।
📍 লোকেশন
• ইনজিনিয়াস কেয়ার লিমিটেড
বাড়ি - ১০৮, রোড - ৪, ব্লক - এ, সেকশন - ১২
পল্লবী, মিরপুর, ঢাকা - ১২১৬
যোগাযোগ- 01815431666, 01815431667, 01974038858 ( for registration )
25/04/2026
প্রতিবন্ধী এবং অপ্রতিবন্ধী, উভয় ধরণের শিক্ষার্থীদের সফলতা নির্ভর করে শিক্ষক এবং অভিভাবকের সহায়তার উপর।
তবে এই সহায়তা তখনই কার্যকর হয়, যখন শিক্ষার্থী-অভিভাবক-শিক্ষকের মাঝে যোগাযোগ অর্থবহ এবং পারস্পরিক হয়।
যেই শিক্ষার্থীটি ঠিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, তার ক্ষেত্রে বলা যেতে পারে, তার এবং তাকে ঘিরে যোগাযোগ ব্যবস্থা সঠিক রয়েছে।
কিন্তু যেই শিক্ষার্থীটি ঠিকভাবে এগুতে পারছে না, তার পারিপার্শ্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থা বিবেচনা করতে হবে।
অপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা নিজের ভাবটা তুলনামূলক সহজে শিক্ষক এবং অভিভাবককে বোঝাতে সমর্থ হন যা অনেক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের পক্ষে সম্ভব হয় না।
এখন, যদি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী, তার অভিভাবক এবং শিক্ষককে একটি ত্রিভুজের তিন বিন্দুর সাথে তুলনা করা হয় তাহলে, প্রতিটি বিন্দু অপর দুই বিন্দুর সাথে সরলরেখা দ্বারা সম্পর্কিত।
এক্ষেত্রে, এই সরলরেখাকে যোগাযোগ রুপে কল্পনা করা হলে, দেখা যাবে যে, অনেকগুলো বিন্দু দেখা যাচ্ছে কিংবা বিক্ষিপ্ত কিছু সরলরেখা।
এর কারণ হচ্ছে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী-তার অভিভাবক-শিক্ষকের মাঝে আন্তঃসম্পর্কের অভাব।
তাই এই তিন জনের সম্পর্ক যত অর্থবহ হবে, ততই একজন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।
কল্পনা করুন, একটি হুইল চেয়ার- যেখানে অভিভাবক এবং শিক্ষক হচ্ছেন দুটি চাকা স্বরুপ।
হুইল চেয়ারে বসা ব্যক্তিটির যদি নিজের মনোবল না থাকে, তিনি এগুতে পারবেন না। সামনে যেতে ইচ্ছে হলো কিন্তু তিনি হ্যান্ড রিম দুটি ধরলেন না (যোগাযোগ, যে কোন আচরণই যোগাযোগ); তাহলে সামনে যেতে পারবেন না। আবার তিনি যদি কেবল একটি দিকের হ্যান্ড রিম ঘুরাতে থাকেন তাহলেও হবে না, যদি না তার অকল্পনীয় শক্তি থাকে।
অর্থাৎ, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর উন্নয়নের জন্য অভিভাবক এবং শিক্ষক- উভয়ের মাঝে যেমন সুসম্পর্ক বা ভালো বোঝাপড়া থাকতে হবে, ঠিক তেমনিভাবে সন্তান/শিক্ষার্থীর সাথেও অর্থবহ যোগাযোগ রক্ষা করতে হবে।
তাই যোগাযোগ কীভাবে উন্নত করতে হবে তা নিয়ে নিয়মিত কাজ করতে হবে। প্রয়োজনে আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কাজ করতে হবে।
নিয়মিত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করার কোন বিকল্প নেই এক্ষেত্রে। চেষ্টা করতে হবে যেন একই বিষয়ের প্রশিক্ষণ (শিক্ষার্থী,) অভিভাবক এবং শিক্ষক উভয়েই গ্রহণ করতে পারেন- যা তাদের মধ্যকার বোঝাপড়াকে সহজতর করতে পারবে।
Like | Follow | Share | Save
16/04/2026
প্রতিটি শিশু যেমন আলাদা, তেমনি প্রতিটি প্রতিবন্ধী শিশুর অভিভাবকদের অভিজ্ঞতাও আলাদা।
আপনি প্রতিবন্ধী শিশু/ব্যক্তিদের নিয়ে অল্প বা বেশি যেই কাজ-ই করতে চান, আপনাকে অবশ্যই এই প্রতিবন্ধী শিশুদের অভিভাবকদের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বেশ ধারণা রাখতে হবে।
অভিভাবকগণ তার এই অভিজ্ঞতা মূলত অভিভাবক এবং সেবা গ্রহীতা দুই ভাবে অর্জন করেন- ফলে তার অর্জিত অভিজ্ঞতা আমাদের চিন্তাভাবনায় আলাদা একটা ধারা তৈরি করতে সক্ষম হয়।
কোন একটি নির্দিষ্ট এলাকার কয়েকজন প্রতিবন্ধী (এবং অপ্রতিবন্ধী) শিশুদের অভিভাবকের সাথে কথা বললেই বুঝতে পারবেন, ঐ এলাকায় প্রতিবন্ধী শিশুদের সামগ্রিক অবস্থা তথা সঠিকভাবে বেড়ে উঠার সুযোগ বা পরিবেশ কেমন।
যত বেশি তাদের এই অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তথ্য পাবেন, ততই তাদের ইতিবাচক পরিবর্তনের পথ তৈরি হওয়ার সুযোগ তৈরি করতে পারবেন।
তবে এক্ষেত্রে অভিভাবকদের যেমন কথা বলার সুযোগ করে দিতে হবে, তেমনি অভিভাবকদেরও কথা বলতে এগিয়ে আসতে হবে।
কেননা নিজের সন্তানের অধিকারের কথা নিজে না বললে, তা অন্য কেউ বলবে- তা ভাবলে ভুল হবে।
অভিভাবকগণ তখনই কথা বলতে পারবেন, যখন তারা জানবেন, বুঝবেন প্রতিবন্ধিতা এবং তৎসংশ্লিষ্ট আইন কানুন সম্পর্কে। তাই অধিকার অর্জনে প্রচলিত আইন সম্পর্কে যথাযথ জানতে হবে।
যেকোন জায়গায়, বিদ্যালয়ে কিংবা খেলার মাঠে, প্রাপ্য অধিকার বঞ্ছিত হলে কোথায় তা নিয়ে কথা বলতে হবে, তাও অভিভাবকের জানতে হবে।
একই ভাবে যার কাছে বলা হচ্ছে তাকেও শুনতে হবে, নাহলে একটা সময় পর আর কেউ বলতে চাইবে না এবং তারা বিচ্ছিন্ন হতে থাকবে।
একটা গুড প্র্যাকটিস তৈরির জন্য তাই, দায়িত্বরত ব্যক্তিরা নিজেই এমন কোন সভার আয়োজন করতে পারেন যেখানে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অভিভাবকগণ নিজেরা তাদের সমস্যা উল্লেখ করবেন।
যদি অভিভাবকগণ নিজেদের কথা সঠিকভাবে বলতে পারেন, তাহলে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব।
তাই অভিভাবকদের কথা বলতে হবে, বলতে দিতে হবে (বিদ্যালয় কিংবা বিদ্যালয়ের বাহিরে) এবং যাদের কাছে বলবে তাদেরও শুনতে হবে। অভিভাবকদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে যদি কাজ করা যায়, তবে তাই আনবে টেকসই ও গুণগত পরিবর্তন। আর অভিভাবকদেরও নিয়মিত জানা, প্রতিবন্ধী শিশুদের উন্নয়নে করা গবেষণায় স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং প্রশিক্ষণ নেয়ার মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে।
03/04/2026
CERTIFICATE ON MANAGEMENT OF SPECIAL CHILDREN (CMSC): ৩ মাস (১২ সপ্তাহ) মেয়াদী সার্টিফিকেট প্রোগ্রাম। বিশেষ শিশুকে কিভাবে শেখাতে হয়, শিশুর ভাষা ও যোগাযোগের দক্ষতা বৃদ্ধিতে কি কি করণীয়, শিশুর গ্রস মটর, ফাইন মটর এবং সেন্সরি সমস্যার ক্ষেত্রে কি কি করণীয়, শিশুর নেতিবাচক আচরণ তথা চ্যালেঞ্জিং বিহেভিয়ার এর ব্যবস্থাপনা কিভাবে করতে হয় -ইত্যাদি সব কিছুই এই প্রোগ্রামে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিশেষ শিশুর শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সব ধরনের পেশাজীবী, উন্নয়নকর্মী, গবেষক, মা-বাবা-অভিভাবকসহ আগ্রহী যে কেউ এখানে ভর্তি হতে পারবেন।
৩ টি মডিউলে (প্রতিটি ৩ ক্রেডিট করে) মোট ৯ ক্রেডিট আওয়ারের প্রোগ্রাম যার মধ্যে নিয়মিত ক্লাসই ৮৪+ ঘন্টা ! বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, যারা দীর্ঘদিন ধরে এই বিষয়ে পড়িয়েছেন বা পড়াচ্ছেন এবং এই বিষয়ে উচ্চতর পর্যায়ে গবেষণা করেছেন -এমন শিক্ষকগণই এখানে ক্লাস নিবেন। এছাড়া আছে- বিদেশি এক্সপার্ট এর সাথে অনলাইন সেশন, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ভিজিট, লাইব্রেরীতে বসে পড়াশুনার সুযোগ, ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং ইত্যাদি আরও অনেক কিছু।
ক্লাসের বিরতিতে চা-নাস্তাও দেয়া হয়। প্রোগ্রাম শেষে সার্টিফিকেট ও গ্রেডশীট দেয়া হবে যা অনলাইনে যাচাই করা যাবে। কোন শিক্ষার্থী চাইলে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রোগ্রাম রিপিটও করতে পারবে। এই প্রোগ্রামের মোট খরচ ১০,০০০ টাকা যা দুই বারে ভেঙে দেয়া যাবে। চাইলে ট্রায়াল ক্লাস করেও ভর্তি হওয়া যাবে। সম্পূর্ণ অন-ক্যাম্পাস প্রোগ্রাম। শুক্রবার ও শনিবার ক্লাস। ক্লাস চলবে সকাল ৯.০০ টা থেকে দুপুর ১২:৩০ পর্যন্ত। ব্যাচ-৮ এর ভর্তি চলছে। যোগাযোগ: ফোন/WhatsApp- 01815-431666
22/03/2026
ব্যাচ-৮ এর ভর্তি চলছে । বিস্তারিত তথ্য কমেন্টে দেয়া আছে ।