24/05/2026
https://www.jagonews24.com/health/news/1121968
বিএমইউতে ঈদের জামাত সকাল ৭টায়, বন্ধের মধ্যেও ২ দিন খোলা বহির্বিভাগ
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) ঈদের জামাত ও ছুটির সময়সূচি এবং বহির্বিভাগ খোল....
24/05/2026
https://thedailycampus.com/healthcare/255835
ঈদের ছুটিতে খোলা থাকবে বিএমইউর জরুরি বিভাগ, আউটডোর সেবা মিলবে দুদিন
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) আগামী ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) সকাল ৭টায় ঈদের প্রধা.....
24/05/2026
https://www.bssnews.net/bangla/news/309910
বিএমইউ’তে ঈদের জামাত সকাল ৭টায়, বহির্বিভাগ খোলা ২৭ ও ৩০ মে | খবর
ঢাকা, ২৪ মে, ২০২৬ (বাসস) : বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে পবিত্র ঈদুল আযহার দিন স...
24/05/2026
https://www.jagonews24.com/amp/1121968
বিএমইউতে ঈদের জামাত সকাল ৭টায়, বন্ধের মধ্যেও ২ দিন খোলা বহির্বিভাগ
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) ঈদের জামাত ও ছুটির সময়সূচি এবং বহির্বিভাগ খোল....
24/05/2026
https://dhakamail.com/health/306078
ছুটিতেও চালু থাকবে বিএমইউ’র ইনডোর ও জরুরি বিভাগ
পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতেও বিশেষ ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ইনডোর ও জরুর.....
24/05/2026
বিএমইউতে ঈদের জামাত সকাল ৭টায়
বহির্বিভাগ খোলা থাকবে ২৭ ও ৩০ মে
ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান ১ জুন
বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় বিএমইউ এর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে ঈদের দিন ২৮ মে ২০২৬ইং তারিখ বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এই তথ্য জানিয়েছেন বিএমইউর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ এর পেশ ইমাম ও খতীব হাফেজ মাওলানা মুফতী আব্দুল আহাদ। উক্ত ঈদের জামাতে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের অংশগ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
রোগীদের সুবিধার্থে বিএমইউর বহির্বিভাগ সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত আগামী ২৭ মে বুধবার এবং ৩০ মে শনিবার ২০২৬ইং তারিখে খোলা থাকবে। বিএমইউর রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মোস্তফা কামাল স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়। ২৭ ও ৩০ মে বহির্বিভাগের চিকিৎসা কার্যক্রম সফল করার জন্য বিএমইউর পরিচালক হাসপাতাল ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইরতেকা রহমানকে বিএমইউর প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ২৫ মে ২০২৬ইং তারিখ সোমবার থেকে ৩১ মে রবিবার পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। তবে এই সময়ে প্রচলিত নিয়মে ইনডোর ও জরুরি বিভাগসমূহ খোলা থাকবে। এছাড়া ২৭ ও ৩০ মে বহির্বিভাগ খোলা থাকবে।
পবিত্র ঈদুল আযহা ছুটি শেষে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় আগামী ১ জুন সোমবার সম্পূর্ণভাবে খুলবে এবং ওইদিন ১ জুন ২০২৬ইং তারিখ সোমবার সকাল ৮টা ৩০ মিনিট থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান উদযাপিত হবে।
সম্পাদনা: ডা. সাইফুল আজম রঞ্জু। ছবি: মোঃ আরিফ খান। নিউজ: প্রশান্ত মজুমদার।
23/05/2026
বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ডা. শেখ ফরহাদের যুক্তরাষ্ট্র সফর, জেএফকে বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা
২২ মে ২০২৬ইং তারিখে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ডক্টরস এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) বিএমইউ শাখার সাধারণ সম্পাদক (সেক্রেটারি জেনারেল) অধ্যাপক ডা. শেখ ফরহাদ স্বস্ত্রীক পারিবারিক সফরে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছেন। এ সময় নিউইয়র্কের জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিইএব) যুক্তরাষ্ট্র শাখার সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মাইন উদ্দিন মিয়াজী এবং ফ্রেন্ড সোসাইটি ইউএসএ ইন্ক-এর প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি জাকির হোসেন সরকার।
অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পক্ষ থেকে অধ্যাপক ডা. শেখ ফরহাদ ও তার পরিবারের সুস্বাস্থ্য, সুখ ও সফলতা কামনা করা হয়। এ সময় সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানান, অধ্যাপক ডা. শেখ ফরহাদের এই সফর পারিবারিক হলেও প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে তা আরও আন্তরিকতা ও সৌহার্দ্যের পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। তথ্য ও ছবি সংগৃহীত।
21/05/2026
বিএমইউতে গর্ভাবস্থায় ও প্রসবোত্তর সময়ে থাইরয়েড রোগ ব্যবস্থাপনায় সর্বাধুনিক চিকিৎসা নির্দেশিকার উদ্বোধন
বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) এর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের লেকচার হলে ২০ মে ২০২৬ তারিখ বুধবার থাইরয়েড টাস্কফোর্স, বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটির উদ্যোগে থাইরয়েড সংক্রান্ত সচেতনতা বৃদ্ধি এবং গর্ভাবস্থায় ও প্রসবোত্তর সময়ে থাইরয়েড রোগ ব্যবস্থাপনায় সর্বাধুনিক চিকিৎসা নির্দেশিকা (গাইডলাইন) এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে এবং বিশ্ব থাইরয়েড দিবস ২০২৬ কে সামনে রেখে চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্যকর্মীদের কাছে পৌঁছে দিতে বিশেষ বৈজ্ঞানিক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এবারের প্রতিপাদ্য হলো থাইরয়েড স্বাস্থ্য রক্ষায় সঠিক পুষ্টি।
এসকল আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএমইউ এর মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। মাননীয় উপার্চা তার বক্তব্যে গর্ভাবস্থায় ও প্রসবোত্তর সময়ে থাইরয়েড রোগ ব্যবস্থাপনায় সর্বাধুনিক চিকিৎসা নির্দেশিকা (গাইডলাইন) ইভিডেন্স বেইসড মেডিসিন প্রাকটিসে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে উল্লেখ করেন এবং জন্মের পর নবজাতকের থাইরয়েড পরীক্ষাসহ রোগ নির্ণয়ের উপর গুরুত্বারোপ করেন।
সেমিনারে জানানো হয়, এই নতুন গাইডলাইনটি গর্ভাবস্থায় থাইরয়েডের জটিলতা নিরসনে, অকাল প্রসব, গর্ভপাত, মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমানো এবং সুস্থ সন্তান জন্মদানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন আয়োজক চিকিৎসকরা। বিশেষ করে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের চিকিৎসকদের জন্য এটি একটি হাতে-কলমে দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটির (বিইএস) সভাপতি ডা. ফারিয়া আফসানা। বিশেষ অতিথি ছিলেন বারডেম এর পরিচালক (একাডেমী) অধ্যাপক ডা. মোঃ ফারুক পাঠান। মূল বক্তা ছিলেন বিইএস এর প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট ও থাইরয়েড টাস্কফোর্স এর কো-অর্ডিনেটর ডা. শাহজাদা সেলিম, বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক ডা. এম সাইফুদ্দিন। প্যানেল অব এক্সপার্টস ছিলেন নিনমাস এর পরিচালক ও বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ কে এম ফজলুল বারী, বিএমইউ এর এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এম এ হাসনাত, জেড এইচ সিকদার উইমেন্স মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. শেখ জিনাত আরা নাসরীন, কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. মোঃ হাফিজুর রহমান। সঞ্চালক ছিলেন থাইরয়েড টাস্কফোর্স ও বিইএস এর সদস্য সচিব ডা. সৈয়দ আজমল মাহমুদ।
নিনমাস এর পরিচালক ও বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ কে এম ফজলুল বারী বলেন, থাইরয়েড ক্ষুদ্র কিন্তু শক্তিশালী গ্রন্থিটি মানব শরীরের সামগ্রিক সুস্থতায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জীবনে চারটি সময়ে জন্মের পর-পরই, বয়ঃসন্ধিকালে, মায়েদের গর্ভধারণের পূর্বে এবং বয়স ৫০ হওয়ার পর-পরই অবশ্যই থাইরয়েড স্ক্রিনিং করা প্রয়োজন। অধ্যাপক ডা. বারী আরো বলেন, থাইরয়েড চিকিৎসায় নতুন পদ্ধতি রেডিওফ্রিকোয়েন্সি ও মাইক্রোওয়েভ এর মাধ্যমে টিউমার অপসারণ করা যায়। এক্ষেত্রে কোন কাঁটা ছেড়া ছাড়া শুধু সুইয়ের মাধ্যমে টিউমার অপসারণ করা যায়; তাতে রোগীকে অজ্ঞান করার প্রয়োজন পড়ে না, কিংবা রোগীকে হাসপাতালে থাকার প্রয়োজন পড়ে না এবং এই পদ্ধতির কোন বড় ধরনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই, খরচও কম হবে । টিউমার অ্যাবলেশনের পদ্ধতি দেশের মানুষের থাইরয়েড সমস্যা ও লিভার ক্যান্সারের চিকিৎসায় অবদান রাখবে।
সেমিনারে বলা হয়, গলার নিচের অংশে শ্বাসনালীর সামনে অবস্থিত প্রজাপতির আকৃতির একটি ছোট গ্রন্থি হলো থাইরয়েড। এটি প্রধানত দুটি হরমোন নিঃসরণ করে: থাইরক্সিন এফটি৪ এবং ট্রাই-আয়োডোথাইরোনিন এফটি৩। এই হরমোনগুলো শরীরের বিপাক প্রক্রিয়া (মেটাবলিজম), হৃদস্পন্দন, শরীরের তাপমাত্রা এবং শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিয়ন্ত্রণ করে। হাইপোথাইরয়েডিজম: গ্রন্থি প্রয়োজনের তুলনায় কম হরমোন তৈরি করলে ক্লান্তি, ওজন বৃদ্ধি, অবসাদ, কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়। হাইপারথাইরয়েডিজম: বেশি হরমোন তৈরি করলে ধড়ফড়, ওজন কমা, হাত কাঁপা, অতিরিক্ত ঘাম হয়।
থাইরয়েড গ্রন্থিকে একটি ইঞ্জিনের সাথে তুলনা করা যেতে পারে, যার সঠিক জ্বালানি হলো পুষ্টি। নির্দিষ্ট কিছু খনিজ ও ভিটামিন ছাড়া থাইরয়েড হরমোন তৈরি অসম্ভব। যে উপাদানগুলো জরুরি তা হলো আয়োডিন যেমন আয়োডিনযুক্ত লবণ, সামুদ্রিক মাছ, দুগ্ধজাত পণ্য, ডিম। সেলেনিয়াম যেমন ব্রাজিল নাট, টুনা মাছ, মুরগির মাংস, সূর্যমুখীর বীজ। জিঙ্ক যেমন গরুর মাংস, কুমড়ার বীজ, ছোলা, ডাল। আয়রন ও ভিটামিন ডি। আয়রনের অভাবে থাইরয়েড এনজাইমের কার্যকারিতা ব্যাহত হয়। থাইরয়েড রোগীদের মধ্যে ভিটামিন ডি-এর অভাব প্রকট থাকে।
গয়ট্রোজেনিক খাবার নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে। যেমন বাঁধাকপি, ফুলকপি, ব্রকলি ও সয়াবিনে গয়ট্রোজেন থাকে যা আয়োডিন শোষণে বাধা দেয়। তবে রান্না করলে এসব যাবারের ক্ষতিকর প্রভাব অনেকটাই কমে যায়। খাইরয়েড রোগীরা পরিমিত পরিমাণে রান্না করা এসব সবজি খেতে পারেন। যা এড়িয়ে চলবেন তা হলো ক্যাফেইন ও অ্যালকোহল, অতিরিক্ত চিনি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার (সাদা ময়দা, চিনিযুক্ত পানীয়)। জীবনযাত্রার ক্ষেত্রে মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, দৈনিক ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম, নিয়মিত হাঁটা, যোগব্যায়াম বা মৃদু ব্যায়াম ইত্যাদি করা প্রয়োজন।
সেমিনারে সংশ্লিষ্ট সকল চিকিৎসক, গবেষক ও স্বাস্থ্যকর্মীকে থাইরয়েড রোগ নিয়ে আরও গবেষণায় উদ্যোগী হওয়ার, রোগীর সঠিক চিকিৎসা প্রদান এবং রোগ প্রতিরোধে ব্যাপকভিত্তিক কর্মযজ্ঞে লিপ্ত থাকার আহ্বান জানানো হয়।
সম্পাদনা: ডা. সাইফুল আজম রঞ্জু। ছবি: মোঃ আরিফ খান। নিউজ: প্রশান্ত মজুমদার।
20/05/2026
বিএমইউতে ইয়াং এডিটর ট্রেনিং কোহর্ট ২.১ কোর্স সমাপনী ও সার্টিফিকেট প্রদান অনুষ্ঠান
১৯ মে ২০২৬ইং তারিখে বিএমইউ এর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালেক্ষ ইয়াং এডিটর ট্রেনিং কোহর্ট ২.১ কোর্স সমাপনী ও সার্টিফিকেট প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ত্ব করেন প্রফেসর এম মোস্তাফা জামান, নির্বাহী সম্পাদক, বিএসএমএমইউ জার্নাল। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ডা. মোহাম্মদ রাসেল চৌধুরী। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট এর সর্বমোট ২১ জন অংশগ্রহণকারী শিক্ষককে কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানের সভাপতি প্রফেসর এম মোস্তাফা জামান তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমি বিভিন্ন কাজ করে যাচ্ছি। তার মধ্যে একটি হলো নবীন সম্পাদক (Young Editors) তৈরি করা। সম্পাদক বলা হলেও প্রাথমিক কাজ হচ্ছে দক্ষ গবেষক ও লেখক (author) তৈরি করা; অদূর ভবিষ্যতে তাঁরাই বিশ্ববিদ্যালয়কে গবেষণায় এগিয়ে নেবেন এবং দেশ ও বিশ্বের জন্য কল্যাণকর কিছু রেখে যাবেন।
কোর্সের বিষয়ে প্রফেসর মোস্তাফা জামান জানান, কোর্সটি ছয় মাসব্যাপী, যেখানে সপ্তাহে একদিন তিন ঘণ্টার ক্লাস নেওয়া হয়। প্রতি সপ্তাহেই ব্যবহারিক ও বাড়ির কাজ থাকে, এতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়। এ কারণেই একটি কঠিন ও নিরস বিষয়ও বেশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। আজ ছিল দ্বিতীয় ব্যাচের সমাপনী দিবস। মাননীয় উপাচার্য মহোদয় সনদ বিতরণের জন্য উপস্থিত হয়ে আমাদের দারুণ ভাবে অনুপ্রাণিত করেছেন।
অনুষ্ঠানে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেন, আপনারা প্রত্যেকে একেকজন ফ্যাকাল্টি। আপনি কিভাবে রিসার্চ করবেন, আপনারা চিন্তা করেন, নিজেকে কোন অবস্থানে নিতে চান। নিজেদের একটু তুলনা করেন বিশ্বের নামকরা ফ্যাকাল্টিদের কি আছে, আমার কি নাই। আমি চাই এই জেনারেশন একটি মোটিভেশান নিয়ে নিজেদের কাজে গবেষণায় সফল অবদান রাখতে পারেন। এবং এই শিক্ষার আলকবর্তিকা আপনাদের স্টুডেন্টসদের মধ্যে ছড়ায় দিবেন যাতে সকলেই উপকারভোগী হয়।
মাননীয় উপাচার্য মহোদয় আশাবাদব্যক্ত করে বলেন, যে প্রফেসর মোস্তাফা জামান কে বলবো, আপনি প্রতিনিয়ত এই কাজটি করে যাবেন, যাতে আমাদের ফ্যাকাল্টি মেম্বাররা এখান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে তা বাস্তবে রুপান্তর করতে পারে। কেননা এই গবেষণার সাথে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেজ জড়িত রয়েছে। সবাই যাতে সুন্দর মেনুস্ক্রিপ্ট বানিয়ে সুন্দর সুন্দর আর্টিকেল বিশ্ববাসীকে উপহার দিতে পারে।
কোর্সের সার্টিফিকেট প্রাপ্ত সকলকে উদ্দেশ্য করে মাননীয় উপাচার্য মহোদয় বলেন, এটা আপনাদের শুরু, আপনাদের অনেক লম্বা পথ পাড়ি দিতে হবে। আপনাদের নতুন পথ চলা সফল হোক।
20/05/2026
বিএমইউতে কেমসি সচেতনতা দিবস উপলক্ষে বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত
নবজাতকের মৃত্যুহার হ্রাসে আশার আলো ছড়াচ্ছে ক্যাগারু মাদার কেয়ার: উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী
বাংলাদেশ মেডিক্যাল মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় বিএমইউ এর মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেছেন, প্রিম্যাচিউর বা অপরিণত এবং কম ওজনের নবজাতকসহ সকল নবজাতকের মৃত্যুহার হ্রাস, রোগ প্রতিরোধ ও জীবন রক্ষায় আশার আলো ছাড়াচ্ছে ক্যাগারু মাদার কেয়ার কেমসি মডেল। কেএমসি মডেলকে জনপ্রিয় করতে গণমাধ্যমসহ সোশাল মিডিয়া বিরাট অবদান রাখতে পারে। নবজাতকের জীবন রক্ষায় কেএমসি এর বিরাট অবদান ও গুরুত্ব বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত এবং সেটা নীতির্ধিারণী ফোরামে আলোচনা ও জাতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়ন করা জরুরি। আজ বুধবার ২০ মে ২০২৬ইং তারিখে বিএমইউ এর শহীদ ডা. মিল্টন হলে আন্তর্জাতিক ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার (KMC) সচেতনতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক বৈজ্ঞানি সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য এসব কথা বলেন। সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সম্মানিত প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, শিশু অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মোঃ আতিয়ার রহমান। সভাপতিত্ব করেন বিএমইউ এর নবজাতক বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোঃ আব্দুল মানান। বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সহকারী অধ্যাপক ডা. রুম্পা মনি চৌধুরী। এতে বিএমইউ এর নিওন্যাটোলজি বিভাগের শিক্ষক, চিকিৎসক, রেসিডেন্টসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নবজাতক ও শিশু বিশেষজ্ঞগণ উপস্থিত ছিলেন।
নবজাতক বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোঃ আব্দুল মানান বলেন, অপরিণত এবং কম ওজনের নবজাতকদের জীবন বাঁচাতে ক্যাগারু মাদার কেয়ার হলো অনুসরণীয় ও আদর্শ পদ্ধতি। কেমসি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলকে একযোগে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
বিএমইউ এর নিওন্যাটোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. রুম্পা মনি চৌধুরী তাঁর উপস্থাপিত প্রবন্ধে জানান, ১৫ মে পালিত হয় আন্তর্জাতিক ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার (KMC) সচেতনতা দিবস। এটি একটি বৈশ্বিক দিবস, যা ২০১১ সাল থেকে বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান, বিশেষজ্ঞ, কমিউনিটি ও পরিবার একসঙ্গে উদযাপন করে আসছে। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য ছিল ‘স্থিরতাই শক্তি (Stillness is Strength)’।
ডা. রুম্পা মনি চৌধুরী বলেন, কেমসি নবজাতকের মৃত্যুহার এবং ছয় মাস বয়স পর্যন্ত মৃত্যুঝুঁকি কমায়। এটি হাইপোথার্মিয়া, হাইপোগ্লাইসেমিয়া এবং মারাত্মক সংক্রমণ বা সেপসিস প্রতিরোধে সহায়তা করে। এছাড়া এটি দ্রুত বুকের দুধ খাওয়ানো শুরু করতে, একচেটিয়া বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়কাল বাড়াতে এবং শিশুর ভালো ওজন বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার কেমসি (KMC) হলো (অপরিণত) (প্রিম্যাচিউর) এবং কম ওজনের নবজাতকের জন্য একটি “প্রোটোকলভিত্তিক সেবা পদ্ধতি”, যা নবজাতক ও মায়ের অথবা সেবাদানকারীর মধ্যে ত্বক-থেকে-ত্বকের স্কিন টু স্কিন (skin-to-skin) সংস্পর্শের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। মাতৃসেবা সমন্বয়ে নবজাতক নার্সদের প্রশিক্ষণ প্রদান এবং স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রগুলোতে তাৎক্ষণিক কেমসি চালুর উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ নবজাতকের মৃত্যুহার কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সেমিনারে জানানো হয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু (WHO) জোরালোভাবে সুপারিশ করে যে, জন্মের পর যত দ্রুত সম্ভব কেমসি শুরু করা উচিত এবং শিশুর স্থিতিশীল হওয়ার জন্য অপেক্ষা করা উচিত নয়।
সেমিনারে আরো জানানো হয়, মাদার নিউবর্ন কেয়ার ইউনিট হলো আর একটি এমন সেবা মডেল, যা জন্ম থেকে হাসপাতাল ত্যাগ পর্যন্ত মা ও শিশুর মধ্যে কোনো বিচ্ছিন্নতা হতে দেয় না। এর মাধ্যমে নবজাতকের নিবিড় বা বিশেষ সেবার পাশাপাশি তাৎক্ষণিক ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার (কেএমসি) নিশ্চিত করা যায়।
সম্পাদনা: ডা. সাইফুল আজম রঞ্জু। ছবি: মোঃ আরিফ খান। ক্যাপশন: প্রশান্ত মজুমদার।