ইসলামী পাঠশালা - Islami Pathshala

ইসলামী পাঠশালা - Islami Pathshala

Share

ইসলামী শিক্ষা সবার কাছে পৌছে দেয়াই আম?

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ।
সবাইকে স্বাগতম জানাচ্ছি 'ইসলামী পাঠশালা'য়।
ইসলামী পাঠশালা একটি পাঠশালা, যার তাৎপর্য আমরা নাম থেকেই বুঝতে পারি।
এটি একটি পাঠশালা, যেখানে ইসলামের প্রত্যেকটি মৌলিক বিষয়গুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চেষ্টা করা হবে ইনশা আল্লাহ।
আমরা সচরাচর সবাই ফেইসবুকে নিয়মিত অনলাইনে থাকি। তাই ফেইসবুকে ব্যয়কৃত সময়টাকেও আমরা ইসলামী জ্ঞানার্জনে ব্যয় করতে পারি। ফলশ্রুতিতে

07/04/2020
07/04/2020
17/09/2019
23/04/2019

মুগীরা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাত্রি জাগরণ করতেন অথবা রাবী বলেছেন, সালাত আদায় করতেন; এমনকি তাঁর পদযুগল অথবা তাঁর দু’ পায়ের গোছা ফুলে যেত। তখন এ ব্যাপারে তাঁকে বলা হলে তিনি বলতেন, আমি কি একজন শুকরিয়া আদায়কারী বান্দা হব না?
(বুখারী, হাদিস নং- ১১৩০)

iHadis | Read Hadis in Bangla 13/04/2018

وعن أَبِي سَعِيدٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم مَنْ قَرَأَ سُورَةَ الْكَهْفِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ أَضَاءَ لَهُ مِنْ النُّورِ مَا بَيْنَ الْجُمُعَتَيْنِ

আবু সাঈদ (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি জুমআর দিন সূরা কাহফ পাঠ করে, সে ব্যক্তির জন্য দুই জুমআর মধ্যবর্তী কাল জ্যোতির্ময় হয়ে যায়।” (হাকেম, বাইহাক্বী, সহীহুল জামে’৬৪৭০)

হাদিস সম্ভার, হাদিস নং ১৪৫৭
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

iHadis | Read Hadis in Bangla "কেউ হেদায়েতের দিকে আহ্বান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরন করে....

30/03/2018

এক টুকরো জান্নাত !
_______________

“জান্নাতের মাটি আর জমীন হচ্ছে জাফরান আর কস্তুরীর।
এর ছাদ হচ্ছে আল্লাহর আসন।
শিলাখণ্ডগুলো মণিমুক্তোর।
দালানগুলো সোনারূপায় তৈরি।
গাছের শাখা-প্রশাখাগুলো সোনারূপার।
ফলগুলো মাখনের চেয়ে নরম, মধুর চেয়ে মধুর।
পাতাগুলো সবচেয়ে কোমল কাপড়ের চেয়েও কোমল।

কিছু নদী দুধের। যার স্বাদ কখনো বদলায় না। কিছু শরাবের। যারা পান করবে তাদের তৃপ্তি মিটবে। কিছু নদী পবিত্র মধুর। কিছু নদী সতেজ পানির।

যে-ফলমূল তারা চাইবে তা-ই তাদের খাবার। যে-পাখির গোশত তারা খেতে চাইবে তা-ই পাবে।

তাদের পানীয় হচ্ছে তাসনীম, সজীবতা উদ্দীপক ও কাাফূর।

তাদের পেয়ালাগুলো স্বচ্ছ, সোনারূপার তৈরি।
_____

এর ছায়া এত বড় যে, দ্রুতগতির কোনো অশ্বারোহী এক শ বছর ধরে চললেও সেই ছায়া থেকে বের হতে পারবে না।

এর বিশালতা এত বেশি যে, জান্নাতের সবচেয়ে নিচু অবস্থানে যে থাকবে তার রাজত্বে যেসব দেওয়াল, ভবন আর বাগান থাকবে সেগুলো পার করতে হাজার বছর লেগে যাবে।

এর তাঁবু আর শিবিরগুলো যেন লুকোনো মুক্তো। একেকটা প্রায় ষাট মাইল লম্বা।

এর ভবনগুলোতে রুমের উপর রুম। তাদের নিচ দিয়ে নদী বয়ে যায়।


এগুলোর উচ্চতা যদি জানতে চান তাহলে আকাশের যেসব উজ্জ্বল তারা দেখা যায় সেগুলোর দিকে তাকান। দৃষ্টি যেসব তারার নাগাল পায় না সেগুলোও দেখার চেষ্টা করুন।

জান্নাতবাসীর পোশাক হচ্ছে রেশম আর স্বর্ণ।

তাদের বিছানায় যেসব কাঁথা থাকবে সেগুলো হবে সবচেয়ে উঁচু মাপের রেশমি কাপড়ের।
_____

তাদের চেহারা হবে চাঁদের মতো।

তাদের বয়স হবে ৩৩। মানবজাতির পিতা আদামের অবয়বে।

সেখানে তারা শুনবে তাদের পবিত্র স্ত্রীদের গান। তার চেয়েও ভালো হচ্ছে সেখানে তারা ফেরেশতা আর নাবিদের কণ্ঠ শুনতে পাবে। এর চেয়েও ভালো হচ্ছে সেখানে তারা নিখিল বিশ্বজগতের প্রভুর কথা শুনতে পাবে।


তাদের খেদমতে থাকবে চিরতরুণ বালকেরা। তাদের নমুনা হচ্ছে ছড়ানো-ছিটানো মুক্তোদানার মতো।

তাদের স্ত্রীরা হবে পূর্ণ-যৌবনা। তাদের অঙ্গ-প্রতঙ্গে যৌবনের উন্মাদনা ছড়াতে থাকবে। সে যদি তার সৌন্দর্য দেখায় তাহলে মনে হবে চেহারায় যেন সূর্য খেলে গেল। তার হাসিতে আলো চমকে উঠবে। তাদের ভালোবাসা হবে দুই আলোর মিলন। কোনো স্বামী যখন তার স্ত্রীর দিকে তাকাবে তার গালে নিজের চেহারার প্রতিচ্ছবি দেখবে। যেন কোনো উজ্জ্বল আয়নায় তাকিয়ে আছে। তার পেশি আর হাড়ের পেছন থেকে দ্যুতি ঠিকরে পড়বে।

সেই স্ত্রী যদি দুনিয়াতে তার সৌন্দর্য অবারিত করত, তাহলে পৃথিবী ও মহাবিশ্বের মাঝে যা কিছু আছে সবকিছু সুন্দর বায়ু দিয়ে পূর্ণ হয়ে যেত। সব সৃষ্টি তার প্রশংসা করত, গুণকীর্তন করত। পূর্ব-পশ্চিম সব তার সৌন্দর্যে অলংকিত হতো। সব চোখ কেবল তারই দিকে ফিরে থাকত। সূর্যের আলোয় যেমন তারার আলো হারিয়ে যায়, তার সৌন্দর্যে সূর্য সেভাবে হারিয়ে যেত। পৃথিবীর বুকে সবাই তখন চিরঞ্জীব সেই মহান সত্ত্বা এক আল্লাহয় বিশ্বাসী হতো।

তার মাথার অবগুণ্ঠন পৃথিবী ও এর মাঝে যা কিছু আছে তার সবকিছুর চাইতে ভালো। সময়ের সাথে সাথে কেবল তার সৌন্দর্য বাড়তেই থাকবে। নাভির নাড়, সন্তানজন্ম, মাসিক এগুলো থেকে সে হবে মুক্ত। থুথু, মূত্র, শ্লেষ্মা ও অন্যান্য নোংরা জিনিস থেকে পবিত্র। তার যৌবন কখনো মিইয়ে যাবে না। পোশাক কখনো জীর্ণ হবে না। তার সৌন্দর্যের ধারেকাছে যায় এমন কোনো পোশাক হবে না। তার স্বামী কখনো তার কাছ থেকে বিরক্ত হবে না। স্ত্রীর মনোযোগ কেবল তার স্বামীর দিকেই থাকবে। সে তাকে ছাড়া আর কাউকে চাইবে না। স্বামীর চাওয়া-পাওয়াও কেবল তাকে ঘিরেই হবে। দুজন দুজনকে নিয়ে থাকবে সর্বোচ্চ স্বস্তি ও নিরাপত্তায়। মানুষ কিংবা জিনদের মধ্যে থেকে কেউ তাকে কখনো ছুঁয়ে দেখেনি।

সর্বশক্তিমান, সর্বজ্ঞানী আল্লাহর চেহারা—যিনি সবধরনের সাদৃশ্য থেকে মুক্ত—সেদিন এমনভাবে দেখা যাবে যেভাবে দুপুর বেলায় সূর্য দেখা যায়। কিংবা মেঘমুক্ত আকাশে যেভাবে চাঁদ দেখা যায়। এক আহ্বানকারী ডেকে বলবে, “জান্নাতবাসী! তোমাদের সুমহান আল্লাহ তাঁকে দেখার জন্য ডাকছেন। কাজেই তাঁকে দেখতে আসো!” তারা বলবে, “আমরা শুনলাম ও মানলাম!”

তারা সবাই যখন প্রশস্ত উপত্যকায় জড়ো হবে, মহামহিম আল্লাহ তাঁর চেয়ার আনতে বলবেন। আলোর মিম্বার আসবে। আরও আসবে মুক্তো, খনি, সোনা-রূপার মিম্বার। জান্নাতের সবচেয়ে নিচু মর্যাদার অধিকারী কস্তুরীর চাদরে বসবে। আর তার উঁচু মর্যাদায় যারা থাকবে তারা যা দেখবে সে তা দেখবে না। যখন তারা সবাই আয়েশ করবে বসবে, তখন আহ্বানকারী ডেকে বলবে, “জান্নাতবাসী! আজ তোমাদের সঙ্গে আল্লাহর এমন এক সাক্ষাত হবে যেখানে তিনি তোমাদের পুরস্কার দেবেন!” তারা বলবে, “আবার কী পুরস্কার? তিনি কি ইতোমধ্যেই আমাদের চেহারাকে উজ্জ্বল করেননি, আমাদের ভালো কাজের পাল্লাকে ভারী করেননি, জাহান্নাম থেকে বাঁচিয়ে জান্নাতে দেননি? [আর কী বাকি আছে!?]”
____________

এমন অবস্থায় হঠাৎ করে পুরো জান্নাত জুড়ে আলোর রশনিতে ভরে যাবে। তারা তাদের মাথা উঁচু করে অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে রইবে। মহান আল্লাহ বলবেন, “জান্নাতবাসী! আস-সালামু ‘আলাইকুম!” [এই লাইনটা অনুবাদ করার সময় কয়েক মুহূর্তের জন্য থমকে গিয়েছিলাম। মহান আল্লাহ জান্নাতবাসীদেরকে নিজের মুখে সালাম জানাচ্ছেন! আল্লাহু আকবার!!!] জান্নাতাবাসীরা উত্তরে বলবে, “আল্লাহ, আপনিই শান্তি! আপনার থেকেই শান্তি আসে! আপনি সুমহান। সব সম্মান আর মাহাত্ম্য আপনারই!” সুমাহন আল্লাহ তখন তাদের দিকে তাকিয়ে হাসবেন [এই জায়গাটা লেখার সময়ও গা শিউরে উঠছিল, ভাবা যায় স্রষ্টা নিজে তাঁর সৃষ্টির দিকে তাকিয়ে হাসছেন। আর সৃষ্টি তা দেখছে!]। বলবেন, “জান্নাতবাসী! তারা কোথায় যারা আমাকে না দেখে আনুগত্য করত? এটাই হচ্ছে ইয়াওমুল-মাযীদ (সর্বোচ্চ দিন)!”

তারা সবাই তখন উত্তর দেবে, “আমরা সন্তুষ্ট, আপনিও আমাদের উপর সন্তুষ্ট হয়ে যান!” তিনি বলবেন, “জান্নাতবাসী! আমি যদি তোমাদের উপর সন্তুষ্ট না হতাম, তাহলে আমার জান্নাতের অধিবাসী তোমাদের করতাম না!” তারা সবাই সমস্বরে বলবে, “আপনার চেহারা দেখান যাতে আমরা দেখতে পারি!” সুমহান আল্লাহ তখন তার আবরণ সরিয়ে দেবেন। তাদেরকে মহিমাময়িত করবেন। তার আলো দিয়ে মুড়ে দেবেন। আল্লাহ যদি ইচ্ছে না-করতেন তাহলে এটা তাদের পুড়িয়ে ফেলত।

জনে জনে আল্লাহ জিজ্ঞেস করবেন, “তোমার কি সেই দিনের কথা মনে আছে, যখন তুমি এটা করেছ, ওটা করেছ?” তিনি তখন তাদেরকে তাদের দুনিয়ার কিছু খারাপ কাজের কথা মনে করিয়ে দেবেন।” সে তখন বলবে, “প্রভু, আপনি কি আমাদের ক্ষমা করবেন না?” তিনি বলবেন, “অবশ্যই! আমরা ক্ষমা ছাড়া তুমি জান্নাতের এই জায়গায় পৌঁছাতে পারতে না।”


কর্ণকুহরে এই ধ্বনি কতই না মধুর। পরকালে তাঁর মহিমান্বিত চেহারা দেখে ধার্মিকদের চোখ কতই-না শীতল হবে।”

[হাাদি আল-আরওয়াাহ ইলা বিলাাদিল-আফরাাহ, ইবনুল-ক়ায়্যিম, পৃষ্ঠা ১৯৩]

════════════════════

লেখাঃ Masud Shorif


'যে হেদায়েতের দিকে আহবান করে, এ হেদায়েতের যত অনুসরণকারী হবে, তাদের প্রতিদানের সমতুল্য প্রতিদান সে পাবে।'
(মুসলিম, মিশকাত হা/১৫৮)।


(Y) শেয়ার করুন, বন্ধুদের সাথে ইন শা আল্লাহ !
_
#ওহী (The Way To Enter Jannah)

iHadis | Read Hadis in Bangla 19/03/2018

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা বলেন, আমি আমার নেক বান্দাদের জন্য এমন সব বস্তু প্রস্তুত করে রেখেছি, যা কোন চক্ষু কক্ষনো দেখেনি, কোন কর্ণ কক্ষনো শুনেনি এবং যা কোন অন্তঃকরণ কক্ষনো চিন্তাও করেনি। এগুলো আমি তোমাদের জন্য গচ্ছিত করে রেখে দিয়েছি। এ সকল ব্যতীত আল্লাহ তোমাদেরকে যা কিছু দেখিয়েছেন। এর কোনই মূল্য নেই।
তারপর তিনি পাঠ করলেন, “কেউই জানে না তাদের জন্য নয়ন মুগ্ধকর কী লুকিয়ে রাখা হয়েছে তাদের কৃতকর্মের প্রতিদান স্বরূপ”- (সূরাহ্ আস্ সাজদাহ্ ৩২ : ১৭। (ই.ফা. ৬৮৭৩, ই.সে. ৬৯৩০)

সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৭০২৬
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
Source:

iHadis | Read Hadis in Bangla "কেউ হেদায়েতের দিকে আহ্বান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরন করে....

11/06/2017

যে সকল কাজ করলে কবীরা গুনাহ হয়

১.শিরক করা।
২.তাকদীরকে অবিশ্বাস করা।
৩.মাজারে সেজদা করা।
৪.সুদ খাওয়া, দেয়া।
৫.ঘুষ খাওয়া, দেয়া।
৬.চুরি করা।
৭.আত্মহত্যা করা।
৮.সাহাবাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা।
৯.জুলুম করা।
১০.অহংকার করা।
১১.লোভ করা ।
১২.মহিলাদের বেপর্দা চলাফেরা করা।
১৩.মিথ্যা বলা।
১৪.গালি দেয়া।
১৫.ওয়াদা ভঙ্গ করা।
১৬.গীবত করা বা শোনা।
১৭.যিনা করা।
১৮.পিতা-মাতাকে কষ্ট দেয়া।
১৯.পুংমৈথুন করা।
২০.নির্দোষ ব্যক্তিকে অপবাদ দেয়া।
২১.মানুষের দোষ খুঁজে বেড়ানো।
২২.না জেনে কারো প্রতি খারাপ ধারণা করা।
২৩.চোগলখুরি করা।
২৪.আমানতের খেয়ানত করা।
২৫.মানুষকে দেখানোর জন্য ইবাদত করা।
২৬.মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া।
২৭.গান-বাদ্য করা, শোনা।
২৮.নৃৃত্য করা।
২৯.কাফেরদের চালচলন, রীতি-নীতি অনুসরণ করা।
৩০.কোন ভ্রান্ত মতবাদের দিকে মানুষকে আহ্বান করা।
৩১.টাখনুর নিচে জামা পরিধান করা।
৩২.বাজি ধরা।
৩৩.মদ, গাঁজা বা কোন নেশাজাতীয় দ্রব্য পান করা।
৩৪.অপচয় করা।
৩৫.মৃতপ্রাণী খাওয়া।
৩৬.দাড়ি মুন্ডানো।
৩৭.বেগানা মহিলার দিকে দৃষ্টিপাত করা।
৩৮.অশ্লীল ভিডিও, নাচ-গান-সিনেমা ইত্যাদি দেখা।
৩৯.ধোকা দেয়া।
৪০.সুশ্রী বালকদের দিকে কামভাবের সাথে তাকানো।
৪১.ইচ্ছাকৃত ফরজ-ওয়াজীব কাজ ছেড়ে দেয়া।
৪২.আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা।
৪৩.ইসলামের কোন বিধানকে অবজ্ঞা করা।
৪৪.ছিনতাই করা।
৪৫.কাপড় থাকা সত্বেও সতর খোলা রাখা।
৪৬.অন্যের সতর দেখা।
৪৮.মাপে কম দেয়া।
৪৯.অন্যায়ভাবে কোন প্রাণী হত্যা করা।
৫০.প্রাণীর ছবি আঁকা।
৫১.কুরআন মুখস্থ করে ভুলে যাওয়া।
৫২.ওযর ছাড়া আমীরের নির্দেশ অমান্য করা।
৫৩.কোন মুসলমান অপর মুসলমানের সাথে বিদ্বেষবশত তিনদিনের বেশি কথা না বলা।
৫৪.কাউকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা।
৫৫.বড়দের সাথে বেয়াদবি করা।
৫৬.শরীয়তবিরোধী খেলাধূলা করা।
৫৭.অন্যায় কাজে সহযোগিতা করা।
৫৮.কোন বিষয়ে না জেনে কথা বলা।

Photos 10/04/2017

সকলকেই এক সময মৃত্যুর সাথে আলিংগন করতে হয়। সে মুহূর্তে মানুষের অবস্থা:
মৃত্যুর সময় মানুষ ফেরেশতা দেখে,আর তখন বান্দা সময় প্রার্থনা করে। এ বিষযে আল্লাহ তাআলা বলেন,
( حَتّٰۤی اِذَا جَآءَ اَحَدَہُمُ الۡمَوۡتُ قَالَ رَبِّ ارۡجِعُوۡنِ ﴿ۙ۹۹﴾ لَعَلِّیۡۤ اَعۡمَلُ صَالِحًا فِیۡمَا تَرَکۡتُ(۱۰۰
“অবশেষে যখন তাদের কারো মৃত্যু আসে, সে (তখন) বলে, ‘হে আমার রব! আমাকে (দুনিয়ায়) আবার ফেরত পাঠান, যেন (এখন থেকে) আমি ভালো কাজ করতে পারি যা ইতিপূর্বে করিনি।” (সূরা ২৩; মুমিনূন ৯৯-১০০)
কিন্তু এ ব্যর্থ আবেদনে কোনো লাভ নেই।

মৃত্যুর সময় ভাল মানুষের অবস্থা,
প্রথমত: ভালো লোকের মৃত্যু যেভাবে আসে:
মৃত্যুর সময় থেকেই লোকটাকে সাদর সম্ভাষণ জানানো হয় ।
আল্লাহ তাআলা বলেন,
( الَّذِیۡنَ تَتَوَفّٰىہُمُ الۡمَلٰٓئِکَۃُ طَیِّبِیۡنَ ۙ یَقُوۡلُوۡنَ سَلٰمٌ عَلَیۡکُمُ ۙ ادۡخُلُوا الۡجَنَّۃَ بِمَا کُنۡتُمۡ تَعۡمَلُوۡنَ )
“এসব লোক হচ্ছে তারা, ফেরেশতারা যাদেরকে পবিত্র অবস্থায় মৃত্যু ঘটাবে, (ফেরেশতারা তাদেরকে) বলবে, তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক, (দুনিয়ায়) তোমরা যে আমল করতে তারই কারণে আজ তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করো।” (সূরা ১৬; নাহল ৩২)

08/04/2017

যে মৃত্যু থেকে তোমরা পালিয়ে বেড়াচ্ছ, (একদিন ) সে মৃত্যুর সামনা সামনি হতেই হবে" (সূরা ৬২ জুমুআ: ৮)।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Uttara
Dhaka
1230