29/09/2017
আপনি জানেন কি?
বাংলাদেশে ফার্নিচার শিল্পে কোন ব্যক্তির অবদান সবচেয়ে বেশি?যার কারনে ফার্নিচার আজ শিল্পে রুপ নিয়েছে,তার নাম হচ্ছে নিতুন কুন্ড। তার দেখানো পথে আজ বিভিন্ন ব্রান্ড দেশে ও দেশের বাইরে তাদের ফার্নিচার ব্যবসা প্রসার ঘটাচ্ছে।
নিতুন কুন্ড (ডিসেম্বর ৩, ১৯৩৫ - সেপ্টেম্বর ১৫, ২০০৬) একজন বাংলাদেশী চিত্রশিল্পী, মুক্তিযোদ্ধা ও উদ্যোক্তা। তাঁর পুরো নাম নিত্য গোপাল কুন্ড। তিনি সাবাশ বাংলাদেশ, সার্ক ফোয়ারা প্রমূখ বিখ্যাত ভাস্কর্যের স্থপতি।
স্বাধীন বাংলাদেশে নিতুন কুন্ড ১৯৭৫ সালে অটবি লিমিটেড নামক ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। আসবাবপত্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন অঙ্গনে তাঁর নকশা স্থান পেয়েছে। ১৯৭০ সালে তোপখানা রোডে বিখ্যাত বিজ্ঞাপনী সংস্থা বিটপীর সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন তিনি। ১৯৮৩ সালে অটবি নামে বর্তমান সময়ের বিখ্যাত শিল্প প্রতিষ্ঠান শুরু করেছিলেন তিনি। অটবি এখন চমৎকার শিল্পরূপ নিয়ে ফার্নিচার শিল্পের এক অনন্য উদাহরণ। ১৯৫৯ সালে নিতুন কুন্ড তার জীবন শুরু করেছিলেন ডিজাইনার হিসেবে। ১৯৬২ সালে ইউনাইটেড স্টেটস ইনফরমেশন সার্ভিসেস (ইউসিস) প্রধান ডিজাইনার হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ইউসিসের চাকরি ছেড়ে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলেন তিনি। পরে শিল্পী কামরুল হাসানের সঙ্গে যৌথভাবে স্বাধীনতা যুদ্ধের ওপর নানা ধরনের অঙ্কনের কাজ করেন। নিতুন কুণ্ডু মুক্তিযোদ্ধা শিল্পী হিসেবে ব্যাপক আলোচিত। মূলত ভাস্কর্যশিল্পী হিসেবে পরিচিতি পেলেও অন্যান্য ক্ষেত্রে কাজ করার ব্যাপারে আগ্রহের শেষ ছিল না তার। শিল্পী হওয়ার নেশায় ২৪ ঘণ্টা ব্যস্ত থাকতেন। তাঁর আজীবন একজন শিল্পী হয়েই থাকার প্রবল ইচ্ছা ছিল। তাঁর শিল্পের সর্বোচ্চ মিনারে অবস্থান করা এই শিল্পী ১৯৯৭ সালে অর্জন করেছিলেন একুশে পদক। তার হাতে গড়া শিল্প প্রতিষ্ঠান অটবি ৪২ বছর অতিবাহিত করেছে। অটবি ছাড়াও নিতুন কুন্ড নিজেই একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান
12/09/2017
সম্ভাবনাময় কানাডা
৬৭টি বাংলাদেশের সমান কানাডা। পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। গোটা যুক্তরাষ্ট্রের চাইতেও বড়। জনসংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রের দশ ভাগের এক ভাগ। মাত্র তিন কোটি ষাট লাখ। এর মধ্যে ৫৯ লাখের বয়স ৬৫ বছরের ওপরে এবং ৫৮ লাখের বয়স ১৪ বছরের নীচে। এই প্রথম কানাডার ইতিহাসে সিনিয়র সিটিজেনের সংখ্যা শিশুদের চাইতে বেশী। এখন যারা সিনিয়র সিটিজেন তারা ছিল ‘বেবি বুমারস্’ জেনারেশন। ১৯৪০ এর আগে কানাডায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমতির দিকে ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সরকার জনসংখ্যা বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করে। গত একশ’ বছরে ১৯৪৬ থেকে ১৯৬৫ পর্যন্ত কানাডায় শিশু জন্মের হার ছিল সবচেয়ে বেশী। এই জেনারেশনটিকে বলা হয় ‘বেবি বুমারস্’ জেনারেশন। ১৯৬৫ এর পর বিয়ের হার তুলনামূলক একটু কমে যায়, বিয়ে করলেও দম্পতিরা বাচ্চা কম নেয় কিংবা দেরিতে নেয়, লিভিং টুগেদার বাড়তে থাকে, কর্মক্ষেত্রে মেয়েদের সংখ্যা অনেক বেড়ে যায়। এর ফলাফল পাওয়া গেছে ২০১৬-এর শুমারিতে। শিশুর তুলনায় বৃদ্ধের সংখ্যা বেশী। শ্রমবাজারে ২২ লাখ লোকের ঘাটতি। ২০১৫-২০১৬তে তিন লক্ষ একুশ হাজার ইমিগ্র্যান্ট নেয় কানাডা যেটা ১৯১০ এর পর সর্বোচ্চ সংখ্যা। ইন্ডিয়ানদের পাশাপাশি চাইনিজরা এখানে বিশাল সংখ্যায় আস্তানা গাড়ছে। চারপাশে চোখে পড়ার মত চাইনিজদের সংখ্যা। আমার ছেলে রাফিনের ক্লাসে ৩০ জনের ২০ জন ছাত্রছাত্রী চায়না কিংবা কোরিয়া থেকে আসা। তবে মনে রাখতে হবে, এরা সবাই মেধা দিয়ে এখানে জায়গা করেছে। এদের বাবা-মায়েরা হয় স্টুডেন্ট ভিসায় কিংবা ইমিগ্র্যান্ট হয়ে কানাডায় প্রবেশ করেছে। এ বছরও তিন লাখের ওপর ইমিগ্র্যান্ট নেয়া হবে। যারা এখানে আসার প্ল্যান করছেন, দেরি না করে এক্সপ্রেস এন্ট্রি পুলে জয়েন করুন। মনে রাখবেন, আপনার ফাইল ওপেন করার আগে ২টি জিনিস রেডি থাকতে হবেঃ IELTS এবং Educational Credential Assessment (ECA)-এর কাগজ। দ্বিতীয়টি কানাডা থেকে করিয়ে নিতে হবে। এটা IQAS থেকে করাবেন তাতে সময় কম লাগবে। বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ WES থেকে করায় কিন্তু ওখানে প্রায় তিন মাস চলে যায়। ৫০ ডলার বেশি দিয়ে IQAS থেকে সার্টিফিকেট মূল্যায়নের কাজটি করলে আপনার দুমাস সময় কম লাগবে।
যেকোনো রেটিং-এ (শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা) কানাডা সবসময় পৃথিবীর সেরা পাঁচটি দেশের একটি। কানাডার পাসপোর্ট গ্রহণ করলে আপনি বাংলাদেশেরটাও রাখতে পারবেন। এক্সপ্রেস এন্ট্রিতে যারা আসছেন তারা সর্বোচ্চ চার বছরের মধ্যে পাসপোর্ট পেয়ে যাবেন। তারপর, পৃথিবীর ১৬৫ দেশে ভিসা মুক্ত ভ্রমণ করতে পারবেন। আর, মায়ের দেশ বাংলাদেশে ফিরে যাবার পথ তো খোলাই রইলো।
Written By: Zia Hassan
19/08/2017
Jaki & Zim
"Elevating Homes & Spaces: Where Vision Meets Reality. Your Trusted Partner in Renovation Excellence!
19/08/2017
সমাজের অবহেলিত,দুস্ত,বেকার,গরিবদের নিয়ে অতি শিঘ্রই আমরা আমাদের কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছি।
Jaki & Zim Furniture Academy থেকে হাতে কলমে ফার্নিচার ও ইন্টেরিয়র কাজের প্রশিক্ষণ দিয়ে বেকারত্ব দূরকরা ও কর্মসংস্থান তৈরী আমাদের লক্ষ।
16/08/2017
ফিল নাইট (Phil Knight)
বিখ্যাত জুতো কোম্পানি নাইকির মালিক।বর্তমানে পৃথিবীর ১৫ তম ধনী ব্যক্তি এবং প্রায় ২৪.৪ বিলিয়ন ডলারের মালিক।
তার বাবার প্রতিষ্ঠানে পার্ট টাইম চাকরি না পেয়ে আশাহত হয়ে সাত মাইল দূরে এক পত্রিকা অফিসে চাকুরি করতেন। এত পথ তাকে দৌড়ে বা হেঁটে যেতে হতো। ছেঁড়া জুতো পরে স্কুলে যেতো বলে বন্ধরা হাসি-তামাশা করতো।
তাই একদিন বাবাকে না বলে তার জুতো পরে স্কুলে যাওয়ায় তার বাবা খুব মনক্ষুণ্ন হন। হাইস্কুল পাশের পর ছেলে পিতাকে অনুরোধ করলো- স্টানফোর্ডে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ালেখার করার জন্য সুপারিশ করতে। কিন্তু মিলিওনিয়ার বাবার সুপারিশ পাননি।
লোকাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা শেষে সেনাবাহিনীর রিজার্ভ সৈনিক হিসাবে যোগদান করেন এবং সেখানে কাটান সাত বছর। সেনাবাহিনীতে থাকা অবস্থায় আবারো স্টানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতি নেন এবং নিজের যোগ্যতায় ভর্তি হন। তারপর শুরু হয় তার ইতিহাস।
ফিল নাইট তার সাফল্যের জন্য তার বাবার কাছে ঋনী। পুত্র হিসাবে স্বজনপ্রীতি করে তাকে চাকুরি দিলে, যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও স্টানফোর্ডে ভর্তি করলে-আর বিলাসী জীবন যাপন করলে তিনি এই অবস্থায় কোনোদিনও আসতে পারতেন না।
বাবা শিখিয়েছিলেন-যার যতটুকু যোগ্যতা, তার ততটুকুই প্রাপ্য। যোগ্যতার বাইরে বেশী কিছু প্রত্যাশা করা হলো আত্মপ্রবন্চনা।
ফিল নাইট বলেন -ছেঁড়াজুতো পায়ে দৌড়াতে দৌড়াতে যতবারই হোঁচট খেয়েছি ঠিক ততবারই নিজের ভিতর সাফল্যের অনুপ্রেরণা পেয়েছি।
জীবনের কোনো অভিজ্ঞতাই ফেলনা নয়, এমনকি এক জোড়া ছেঁড়া জুতোও হতে পারে সাফল্যের বিশাল অনুপ্রেরনা।