জীবনে আমরা অনেক সময় হতাশ হই, অভিযোগ করি “আমার সুযোগ কম”, “পরিস্থিতি আমার পক্ষে নয়”, “আমি পারব না।”
কিন্তু আপনি যদি বিশ্বের সেরা কিছু মানুষের জীবনের গল্প পড়েন, তাহলে বুঝবেন -
👉 তাদের শুরু আমাদের থেকেও কঠিন ছিল।
👉 তাদের কষ্ট আমাদের অভিযোগকে লজ্জা দেয়।
এই ১০টি বায়োগ্রাফি শুধু বই নয় এগুলো জীবনকে দেখার চোখ/চিন্তা বদলে দেয়। অনুপ্রেরণা, অধ্যবসায় আর কঠোর পরিশ্রমের এমন গল্প, যা পড়ার পর আর নিজেকে দুর্বল মনে হবে না। ❤️
⃣ নেলসন ম্যান্ডেলা - Long Walk to Freedom
কেন পড়বেন?
২৭ বছর কারাগারে বন্দি থেকেও যিনি প্রতিশোধ নয়, বেছে নিয়েছিলেন ক্ষমা। যিনি প্রমাণ করেছেন নেতৃত্ব জন্মায় ধৈর্য আর নৈতিক শক্তি থেকে।
যা শিখবেন:
যত বড় কষ্টই আসুক, আদর্শ আর বিশ্বাস আপনাকে ভাঙতে পারবে না।
⃣ স্টিভ জবস - Steve Jobs (Walter Isaacson)
কেন পড়বেন?
নিজেরই প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি থেকে বের করে দেওয়া একজন মানুষ কীভাবে আবার ফিরে এসে পৃথিবীর প্রযুক্তি বদলে দেয় এই গল্প আপনাকে ভাবাবে।
যা শিখবেন:
ভিশন + ফোকাস + আলাদা করে ভাবার সাহস = অসাধারণ সফলতা।
⃣ মহাত্মা গান্ধী - The Story of My Experiments with Truth
কেন পড়বেন?
অহিংসার শক্তি দিয়ে একটি সাম্রাজ্যকে নতজানু করার গল্প। এই বই আত্মশুদ্ধি আর আত্মনিয়ন্ত্রণ শেখায়।
যা শিখবেন:
আসল শক্তি আসে চরিত্র, নৈতিকতা ও আত্মবিশ্বাস থেকে।
⃣ হেলেন কেলার - The Story of My Life
কেন পড়বেন?
দৃষ্টি ও শ্রবণশক্তি হারিয়েও যিনি বিশ্বকে আলো দেখিয়েছেন। এই বই আপনাকে কাঁদাবে, আবার শক্তও করে তুলবে।
যা শিখবেন:
শারীরিক সীমাবদ্ধতা নয়, মানসিক দৃঢ়তাই ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে।
⃣ আলবার্ট আইনস্টাইন - The World As I See It
কেন পড়বেন?
একজন ব্যর্থ ছাত্র থেকে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী হওয়ার দর্শন। এই বই চিন্তা করতে শেখায়।
যা শিখবেন:
কৌতূহল ও সৃষ্টিশীলতা মানুষকে সাধারণ থেকে অসাধারণ করে তোলে।
⃣ ফ্রিডা কাহলো - Frida: A Biography
কেন পড়বেন?
অসীম শারীরিক যন্ত্রণার মাঝেও যিনি নিজের কষ্টকে শিল্পে রূপ দিয়েছেন।
যা শিখবেন: ব্যথা আপনাকে ভাঙতেও পারে, আবার আপনাকে অনন্য করেও তুলতে পারে।
⃣ উইলিয়াম শেক্সপিয়ার - Shakespeare: The Biography
কেন পড়বেন?
সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে যিনি সাহিত্যকে চিরকালের জন্য বদলে দিয়েছেন।
যা শিখবেন:
নিজের কণ্ঠস্বর আর সৃষ্টিশীলতাই আপনার সবচেয়ে বড় শক্তি।
⃣ অ্যাঞ্জেলা ডাকওয়ার্থ - Grit
কেন পড়বেন?
এই বই বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ করে ট্যালেন্ট নয়, ধৈর্যই আসল গেম-চেঞ্জার।
যা শিখবেন:
লেগে থাকার ক্ষমতাই আপনাকে বাকিদের থেকে এগিয়ে রাখবে।
⃣ ডেল কার্নেগি -How to Win Friends and Influence People
কেন পড়বেন?
এই বই না পড়লে ক্যারিয়ার অসম্পূর্ণ থেকে যায়। মানুষের মন বোঝার সবচেয়ে শক্তিশালী গাইড।
যা শিখবেন:
ভালো সম্পর্কই দীর্ঘমেয়াদি সফলতার চাবিকাঠি।
⃣ রিচার্ড ব্র্যানসন - Losing My Virginity
কেন পড়বেন?
ঝুঁকি নেওয়া, ভয় জয় করা আর আনন্দ নিয়ে ব্যবসা করার অনন্য গল্প।
যা শিখবেন:
সাহস করে শুরু করলেই নতুন সুযোগ তৈরি হয়।
এই ১০টি বায়োগ্রাফি পড়লে আপনি বুঝবেন জীবন কখনো কারো জন্যই সহজ ছিল নাসফল মানুষরা অভিযোগ করেনি, অ্যাকশন নিয়েছে ব্যর্থতা শেষ নয়, বরং শুরু যদি কখনো মনে হয় “আমি পারব না” তাহলে এই বইগুলোর যেকোনো একটি তুলে নিন।কারণ অধ্যবসায়, বিশ্বাস আর মনোবল থাকলে জীবন বদলানো সম্ভব।
সফল মানুষদের মতো পরিকল্পনা সহ গুছিয়ে নতুন বছরটি শুরু করতে সংগ্রহ করতে আমার ' Career Blueprint ' ই-বুকটি!
এই কন্টেন্ট টি কি আপনার জন্য হেল্পফুল ছিলো? যদি হয়ে থাকে কমেন্ট সেকশনে জানাতে ভুলবেন না এবং পরবর্তীতে কোন টপিকের ওপর কন্টেন্ট পেলে উপকৃত হবেন তাও জানাতে পারেন।
শেয়ার করে বাকীদেরও হেল্প করতে পারেন। ❤️
Pure Tips Pro
On this page you will find Motivational post, video, career tips & all types of self improvement thin Pure Tips Pro
একটি সুখী পরিবারের ভিত্তি গড়ে ওঠে স্বামী-স্ত্রীর সুন্দর সম্পর্কের ওপর। সংসার নামক ছোট্ট জগৎটিকে টিকিয়ে রাখতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে স্ত্রীর মন, ব্যবহার ও ভাষা। একজন স্ত্রীর নরম মন, কোমল ব্যবহার এবং মধুর ভাষা শুধু সংসার নয়, আশেপাশের প্রতিটি মানুষকেও শান্তিময় করে তোলে।
💖 নরম মন — ভালোবাসার প্রতীক
স্ত্রীর নরম মন কোনো দুর্বলতা নয়, বরং সেটাই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। নরম মন মানে সহানুভূতি, মমতা আর ক্ষমাশীলতার প্রতিফলন। এমন মন থাকা স্ত্রী সহজেই বুঝে নিতে পারে স্বামীর ক্লান্ত মুখের পেছনের কষ্ট, সন্তানের অদেখা ব্যথা, আর শ্বশুরবাড়ির সবার মানসিক চাহিদা।
একজন স্ত্রী যদি তার কোমল হৃদয় দিয়ে সংসারকে আগলে রাখে, তবে সেই সংসারে ঝড় আসলেও শান্তি ভেঙে যায় না।
🌼 কোমল ব্যবহার — সম্পর্কের সৌন্দর্য
সংসারের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হলো স্ত্রীর ব্যবহার। কঠিন আচরণ বা রাগী স্বভাব যেমন সম্পর্ককে দুর্বল করে, তেমনি কোমল ব্যবহার সম্পর্ককে করে দৃঢ় ও স্থায়ী। কোমল ব্যবহার মানে বিনয়ী থাকা, অন্যের প্রতি সম্মান দেখানো, রাগের সময়ও ধৈর্য ধরা এবং প্রতিটি বাক্যে ভালোবাসা জড়ানো।
একজন কোমল ব্যবহারের নারী স্বামীকে করে আরও শ্রদ্ধাশীল, সন্তানকে করে অনুগত, আর পুরো পরিবারকে করে একত্রিত।
🍯 মধুর ভাষা — সংসারের প্রাণবায়ু
ভাষা মানুষের চরিত্রের প্রতিচ্ছবি। স্ত্রী যদি কথা বলেন মধুরভাবে, তবে ক্লান্ত স্বামীর মনও আনন্দে ভরে যায়। অল্প কিছু স্নেহমিশ্রিত বাক্য রাগ গলিয়ে দেয়, দুঃখ দূর করে, আর সংসারে এনে দেয় প্রাণের উচ্ছ্বাস।
কখনও কখনও একটি মিষ্টি কথা হাজার উপদেশের চেয়েও বেশি প্রভাব ফেলে — কারণ মধুর ভাষা হৃদয়ের দরজা খুলে দেয়।
📊 গবেষণার আলোকে:
🔹 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের Gottman Institute-এর এক গবেষণায় দেখা গেছে, দাম্পত্য জীবনে মধুর ভাষা ও ইতিবাচক আচরণ ৮৭% ক্ষেত্রে সম্পর্ককে দীর্ঘস্থায়ী করে।
🔹 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের এক জরিপে প্রকাশ— স্ত্রীর কোমল ব্যবহার ও ধৈর্যশীল মনোভাব থাকা পরিবারে কলহের মাত্রা ৬৫% কম।
🌺 শেষ কথা —
স্ত্রীর মন যদি হয় নরম, ব্যবহার যদি হয় কোমল, আর ভাষা যদি হয় মধুর — তবে সেই সংসার হবে জান্নাতের মতো।
একটি সুখী সংসার গড়ে ওঠে ভালোবাসা, সম্মান ও সহনশীলতার ভিত্তিতে।
💬 তাই প্রতিটি নারীর কাছে অনুরোধ —
তুমি তোমার কোমল মন, স্নিগ্ধ ব্যবহার, আর মধুর ভাষা দিয়েই সংসারকে সাজাও; কারণ তোমার হাসিই পারে একটা ক্লান্ত পরিবারের প্রাণ ফিরিয়ে দিতে।
“ভালো স্ত্রী সে নয়, যে প্রতিদিন নিখুঁত;
ভালো স্ত্রী সে, যে প্রতিদিন একটু একটু করে ভালো হতে চায়।”
অফিসে যে কাজগুলো করলে আপনার ইমেজ নিয়ে সবাই প্রশংসা করবে।
১. সময় মেনে অফিসে আসা:
সময়মতো অফিসে উপস্থিত হওয়া শুধু নিয়ম মানা নয়—এটা আপনার পেশাদারিত্বের পরিচয়।
২. সবার সাথে ভদ্র আচরণ:
সহকর্মী, জুনিয়র, সিকিউরিটি—সবার সাথেই ভদ্রভাবে কথা বলুন। Respect দিলে Respect ফিরে আসে।
৩. ফোন রিংটোন লো-ভলিউমে রাখুন:
অফিসে হাই ভলিউম ফোন রিংটোন অন্যের কাজের ব্যাঘাত ঘটায়। তাই সাইলেন্ট/ভাইব্রেট বেস্ট।
৪. ডেস্ক সবসময় পরিচ্ছন্ন রাখুন:
Clean desk মানে Clear mind. কাজ দ্রুত বোঝা যায় ও উৎপাদনশীলতাও বাড়ে।
৫. মিটিংয়ে কথা বলার সঠিক সময় বুঝুন:
অন্যের কথা কেটে না গিয়ে নিজের পয়েন্ট calm ভাবে তুলে ধরাই ডেকোরাম।
৬. অফিস গসিপ এভয়েড করুন:
গসিপ কাজের পরিবেশ নষ্ট করে। নিজের কাজ → নিজের গ্রোথ—এটাই ফোকাস রাখুন।
৭. সঠিক ড্রেসকোড অনুসরণ:
Workplace-এর dress guideline মেনে চলা অফিসের পরিবেশকে professional রাখে।
৮. দায়িত্বশীল হোন:
আপনার কাজ আপনি না করলে অন্য কারো কাজ থেমে যায়—তাই deadline-respect করুন।
মানুষ যতটুকু জানতে চায়,
তারচেয়ে বেশি বলবেন না।
Respect your privacy.
Professionalism (পেশাদারিত্ব) এমন এক গুণ, যা কর্মজীবনে সফলতার মূল চাবিকাঠি। এটি শুধু পোশাক বা আচরণ নয়, বরং চিন্তাভাবনা, দায়িত্ববোধ, যোগাযোগের ধরন—সব কিছুর সমন্বয়। কিভাবে আপনি নিজের মধ্যে Professionalism develop করতে পারেন 👇
🌱 Professionalism গড়ে তোলার উপায়
1. 🕒 সময়ানুবর্তিতা রপ্ত করুন
সময় মতো অফিসে আসা, মিটিংয়ে উপস্থিত থাকা, এবং কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করা – এগুলো পেশাদার মানসিকতার প্রথম লক্ষণ।
2. 👔 পরিচ্ছন্ন ও উপযুক্ত পোশাক পরুন
Dress code মেনে চলুন। আপনার পোশাক ও আচরণ যেন আত্মবিশ্বাস ও সম্মান প্রকাশ করে।
3. 🧠 দায়িত্বশীল ও বিশ্বাসযোগ্য হোন
কাজের দায়িত্ব নিন, কথা রাখুন, এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করবেন না। বিশ্বাসযোগ্যতা পেশাদারিত্বের মূল ভিত্তি।
4. 💬 সুসংস্কৃত যোগাযোগ রপ্ত করুন
বিনয়ীভাবে কথা বলুন।
অন্যের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন।
ইমেইল, মেসেজ বা রিপোর্ট লেখার সময় প্রফেশনাল টোন বজায় রাখুন।
5. 🤝 টিমওয়ার্কে দক্ষ হন
সহকর্মীদের সহযোগিতা করুন, দোষারোপ না করে সমাধান খোঁজার চেষ্টা করুন।
6. 🎯 নিজেকে ক্রমাগত উন্নত করুন
নতুন স্কিল শিখুন, ট্রেনিং নিন, বই পড়ুন বা কোর্স করুন। Continuous learning আপনাকে এগিয়ে রাখবে।
7. 🧘 ইতিবাচক মনোভাব রাখুন
সমস্যা নয়, সমাধান নিয়ে ভাবুন। Positive attitude আপনাকে নেতা হিসেবে আলাদা করবে।
8. 🔇 অফিস পলিটিক্স ও গসিপ থেকে দূরে থাকুন
এগুলো সময় নষ্ট করে এবং আপনার ইমেজ নষ্ট করে। পেশাদার ব্যক্তি সবসময় গঠনমূলক আলোচনায় অংশ নেন।
9. 🧾 ইথিক্যাল বা নৈতিক আচরণ বজায় রাখুন
অন্যের প্রতি ন্যায্য হোন, সততা বজায় রাখুন, এবং প্রতিষ্ঠানের নিয়ম মেনে চলুন।
10. 🌟 নিজেকে একজন ‘Brand’ হিসেবে গড়ে তুলুন
আপনার কাজ, আচরণ, এবং মানসিকতা যেন বলে — “He/She is a true professional.”
Look at her words. 😍
মনে রাখবেন এই তিনটি উপদেশ
26/10/2025
20/10/2025
বিয়ের সাতদিন পর আমার বউকে গন/ধ/র্ষণ 💥
করা হয়েছিল। এই জ-ঘ-ন্য কাজটা আমার সামনেই করা হয়েছিলো কিন্তু আমি কিছু করতে পারিনি। আমাকে বেঁ-ধে রেখে আমার সামনেই ন-র-পি-শা-চ.রা আমার বউকে ধ-র্ষ-ণ করেছিল। আমি অনেক আকুতি মিনতি করেছিলাম কিন্তু তাদের কানে আমার আকুতি পৌছায়নি। ওরা ছিলো চার জন। বিয়ের পর আমি নিজেই আমার বউ এর কাছে যাইনি। কারণ সে অসুস্থ ছিলো। কিন্তু ওরা অসুস্থ্যতা দেখেনি। ওরা চলে যাওয়ার পরেও পাঁচ ঘন্টা আমার স্ত্রী আমার সামনে ন/গ্ন, র-ক্তা/ক্ত অবস্থায় পড়েছিলো। তাঁর কা-ন্না আমার ভিতর পর্যন্ত পৌছে গিয়েছিল। তারপর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করি। সে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালের বেডে দিন গুনতে থাকে। আর আমি ধ-র্ষ-ক'দের শাস্তির জন্য দৌড়াদৌড়ি করতে থাকি। একসময় তাদের গ্রেফতার করা হয়। তবে কেস চালাতে হয়েছে আমাকে। আমার সবকিছু আমি বিক্রি করে দিয়েছিলাম শুধু ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য কিন্তু আমি পাইনি।
তিনমাস পর তারা জামিনে বের হয়ে আসে। আর সেদিনই আমার স্ত্রী গ-লা-য় দ-ড়ি দিয়ে আ-ত্মহ-ত্যা করা। চিঠিতে লিখে গিয়েছিল।
এই দেশে ধ-র্ষ-কের শাস্তি হয় না কিন্তু ধ/র্ষিতার মানসিক শাস্তি ঠিকই হয়।
আমার সামনে দিয়ে যখন আমার বউকে ধ-র্ষ-ণ করা মানুষগুলো হেঁ-টে যেতো তখন ম-রে যেতে ইচ্ছে করতো। ওরা ছিল প্রভাবশালী তাই ওদের কে কিছু করা যাবে না সেটা জানি আমি।
একটা মেয়ের সাহায্য নিয়ে ওদের চারজনকে আমি কিড'ন্যাপ করি। কারণ ওরা ছিলো সে"ক্স পা-গ-ল। সে"ক্সের জন্য কোনো মেয়ে বললে যেখানেই হোক না চলে যেতো। চারজন মানুষকে একা কিডন্যাপ করা কখনো সম্ভম না। কিন্তু আমি করেছিলাম। তার জন্য ব্যবহার করেছিলাম একজাতীয় স্প্রে যেটা নাকে ধরলে চব্বিশ ঘন্টা অজ্ঞান থাকবে।
ওরা যখন চোখ খুলে তখন একটা অ-ন্ধ-কার রুমের ভিতর হাত পা বাঁধা অবস্থায় পড়েছিল।
ওদের জ্ঞান ফেরার পরেই আমি ছুটে যাই ওদেরকে চিরতরে শে-ষ করে দেওয়ার জন্য। কিন্তু তখন আমার মনে হয় আমার বউ এর মৃ-ত্যু য/ন্ত্র;ণা। কতোটা ক-ষ্ট দিয়েছিলো তাকে। হাসপাতালের বেডে কতোটা যন্ত্রণা সহ্য করেছিল।
তখন আমার মনে হলো এদেরকে শুধু দুইমিনিটের মৃ/ত্যু দিলে আমার বউ এর আ-ত্মা-শা-ন্তি পাবে না। এদের আমি পৃৃথিবীর সবচেয়ে ভ-য়ং--ক-র আর কষ্টকর মৃ/ত্যু উপহার দেবো।
সাতদিন ওদেরকে আমি বাঁ-চি-য়ে রেখেছিলাম। সাতদিন ওদের সাথে আমি ন-র-পি-শা-চে-র মতো ব্যবহার করেছিলাম।
ওদের শরীরের প্রতি ইঞ্চি পরপর শুই ঢু-কি-য়ে-ছিলাম। শুই দিয়ে মুখের সমস্ত জায়গায় ছিদ্র করেছিলাম। তারপর সমস্ত গায়ে ল'বণ ম'রিচ মাখিয়ে দিয়েছিলাম নিজ হাতে।
দ্বিতীয় দিন তাদেরকে টানা দুই ঘন্টা ধ'র্ষণ করিয়েছিলাম। তারা কান্না করে চিৎকার করেছিল। সহ্য করতে পারছে না। তখন আমি এক পৈ'শাচি'ক আনন্দ ভোগ করেছিলাম।
তৃতীয় দিন আমি তাদের মাথার চুলগুলো টে-নে টে-নে তুলি। এটা করতে আমার অনেক কষ্ট হয়েছিলো। চতুর্থ দিন আমি তাদের কা-ন দুটো প্লা-স দিয়ে টে-নে টে-নে ছিঁ-ড়ে/ছি-লাম। তারা সেদিন আমার কাছে মৃ/ত্যু ভি-ক্ষা চেয়েছিল। খুব করে আকুতি করেছিলো তারা আর স-হ্য করতে পারছে না। মৃ/ত্যু চায় তারা। কিন্তু আমি তাদের মৃ/ত্যু দেয়নি। পঞ্চম দিন আমি তাদের চোখদুটো তু-লে ফে-লি। তুলে ফেলার আগে চোখে ম-রি-চের গুড়া দিয়েছিলাম। তারা পঞ্চম দিনে অ-জ্ঞা-ন হয়ে যায়। আমি ভেবেছিলাম ওরা মা/রা গিয়েছে। তাই নিজের প্রতি অনেক রাগ হয়েছিলো সেদিন। কিন্তু সাতদিনের দিন তাদের জ্ঞা-ন ফিরে। আমি বুঝতে পেরেছিলাম তারা বেশি সময় বাঁ-চ-বে না। তাই তাদের চি-র-ত-রে শে-ষ করার সিদ্বান্ত নেই।
তাদের লি/ঙ্গে/র অর্ধেক কে/টে ফেলেছিলাম। তারপর তাদের বাকি লি/ঙ্গতে আ-গু-ন ধরিয়ে দিয়েছিলাম। সেখান থেকে আস্তে আস্তে পুরো শরীরে আ-গু-ন ছড়িয়ে যায়। তবে অনেক সময় লেগেছিলো তাদের শ-রী-রে আ-গু-ন ছ'ড়াতে। তারা প্রায় বিশ মিনিটের মতো আ-গু-নে পু-ড়ে-ছে আর মৃ/ত্যু যন্ত্র/ণায় চি/ৎকার করেছে।
পুরো সাতদিনে আমি একটা ভিডিও বানাই। সাতান্ন মিনিটের একটা ভিডিও। যেটাতে সাতদিনের ভ-য়ং-ক-র শা-স্তি গুলো রেকর্ড করা ছিলো। আমি জানতাম ভিডিওটা ফেসবুকে ছাড়লে ভাইরাল হবে। তাই ফেসবুকে ছেড়ে দেই।
ভিডিওটা দেখার পর বারো জন ধ/র্ষক আ-ত্ম-হ-ত্যা করে। কিছু মানুষ দেখে স্ট্রো-ক করে। কিছু মানুষ ভিডিওটা দেখার সা-হস পায়নি।
ভিডিওটা দেখার পর ধ'র্ষণ অনেকটা কমে এসেছে।
তবে আদালত আমার ফা-সি-র রায় দিয়েছে। আমি এমন একটা দেশে বাস করি যেখানে ধ-র্ষ-ণ করার জন্য জেল,ফা-সি কিছু হয় না। কিন্তু ধ-র্ষ-ণ-দের শা-স্তি দেওয়ার অপরাধে ঠিকই আদালত আইন প্রয়োগ করে।🙂
©অনিরুদ্ধ গুহ. কপি পোস্ট
সকল ব্যস্ততা ভেদ করে জীবনের হিসাব নিয়েন।
19/10/2025
😭😭 আমি একজন বিধবা মহিলা। 😭😭
আমার বয়স এখন ৬০+ বছর। দীর্ঘদিন স্কুলে শিক্ষিকতা করার পর এখন অবসর জীবন যাপন করছি। আমার একটাই ছেলে, নাম রাজু। ওর বয়স ৪২, থাকে ইংল্যান্ডে। আমার স্বামী যখন মারা যান, তখন আমার বয়স ছিল ৩৬ বছর আর আমার ছেলের ১২। ছেলের কথা ভেবে আমি আর বিয়ে করিনি।
রাজুকে আমি একাই বড় করেছি। কখনো কোনো কিছুর অভাব বুঝতে দিইনি ওকে। সবসময় চেয়েছি ওর সব আবদার মেটাতে। ও যেন না ভাবে আমার বাবা থাকলে এই ইচ্ছাটা অপূর্ণ থাকত না। ছেলেকে দেশের সবচাইতে ভালো স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়িয়েছি। তারপর ও উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেয়ে ইংল্যান্ডে চলে গেল। সব খরচ একা হাতে সামলেছি, কারো কাছে হাত পাতিনি আমি। এতকিছুর মাঝে নিজের দিকে একদম খেয়াল করার সুযোগ হয়নি! সবসময় সন্তানের সাফল্য দেখতে চেয়েছি। তার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করাই ছিল আমার জীবনের একমাত্র লক্ষ্য। আমাকে সবাই সফল মা বলে। এই নিয়ে আমারও একধরনের চাপা গর্বও আছে।
গত সপ্তাহে লাবণী নামে আমার এক পুরোনো বান্ধবীর সাথে দেখা হলো। ওর ছেলে আকাশ আমার ছেলের সাথে একই স্কুলে পড়ত। আকাশের সাথে রাজুর খুব একটা মিল ছিল না।
এর কারণ অবশ্য আমি। আমি সারাক্ষণ চাইতাম রাজু শুধুমাত্র যারা ভালো স্টুডেন্ট আর সবসময় পড়ালেখা নিয়ে কম্পিটিশন করে, তাদের সাথে মিশুক। তাতে করে ও পড়াশোনার প্রতি আরো বেশি মনোযোগী হয়ে উঠবে।
মাঝে মাঝেই লাবণী বলত, "দেখ, আমরা দুজন কত ভালো বন্ধু। আর আমাদের ছেলেরাও একই স্কুলে পড়ে, তার পরেও ওদের মধ্যে বন্ধুত্ব হলো না।"
লাবণীর ছেলে আকাশ প্রত্যেক ক্লাসে এ্যাভারেজ পাশ করত। খেলাধুলায় খুব আগ্রহ ছিল আকাশের। সে স্কুলের সমস্ত এক্সট্রা কারিকুলার এক্টিভিটিজে অংশগ্রহণ করত। স্কুলের ওয়াল ম্যাগাজিনে ওর লেখা থাকত, ছবি আঁকত, এগুলো নিয়েই লাবণী খুশি ছিল। আমি মনে মনে হাসতাম, এগুলো দিয়ে হবে কি?
লাবণীর কথা, আমার ছেলে তো আর ফেল করে না! সবাই তো আর ফার্স্ট হয় না। আমার ছেলেটা পড়ালেখায় তেমন ভালো না, কিন্তু ওর অন্য কাজগুলো কত সুন্দর!
আমার কাছে লাবণীর এই কথাগুলো আদিখ্যেতা মনে হতো। ছেলের মাথায় তো গোবর আছেই, তার চাইতে বেশি গোবর মায়ের মাথায়! তা না হলে যে ছেলে পড়ালেখায় এত পিছিয়ে, তাকে কোনো মা স্কুলের এক্সটা কারিকুলার এক্টিভিটিজ নিয়ে সময় নষ্ট করতে দেয়!
রাজু স্কুল পার করে নামী একটি কলেজে ভর্তি হলো আর আকাশ খুব সাধারণ এক কলেজে। তারপর যেমনটা হয়, ওদের সাথে আমার যোগাযোগ ছিন্ন হয়ে গেল।
গত সপ্তাহে হঠাৎ করেই শপিং মলে ওদের সাথে দেখা। প্রথমে আমি ওদের দেখিনি। আকাশ আমাকে দেখতে পেয়ে এগিয়ে এসে বলল, "আন্টি, আমাকে চিনতে পেরেছেন? আমি আকাশ।"
আমি আকাশকে আসলেই চিনতে পারছিলাম না। শেষবার ওকে যখন দেখি তখন মাত্র স্কুল ছেড়ে কলেজে যাবে। ছেলেমানুষি তখনো চোখেমুখে। আর এখন রীতিমতো ভদ্রলোক। তারপর আকাশ আমাকে লাবণীর কাছে নিয়ে যায়।
লাবণী একটা দোকানে বসা ছিল। ওর ছেলে ওকে নিয়ে শপিংয়ে এসেছে। ছেলে তার মায়ের জন্য কি সব রংচঙে থ্রিপিচ দেখছে! আমি আর লাবণী সবসময় শাড়ি পড়তাম, তাই আমি একটু অবাকই হলাম। লাবণী আমার কাছে বার বার জানতে চাইছিল, "তুই বল, আমি কোনটা কিনব, আমাকে কোনটায় মানাবে?" ওদিক থেকে আকাশ বলে বসে, "আন্টি আপনি যেটা পছন্দ করবেন, মা সেটাই কিনবে।" আমি একটা থ্রিপিচ পছন্দ করে দিলাম। আকাশ কখন সেই একই থ্রিপিচ দুইটা কিনেছে আমি খেয়ালই করিনি। আমি আর লাবণী গল্প করছিলাম কেনাকাটার ফাঁকে ফাঁকে।
এরপর আরো কিছু টুকিটাকি কেনাকাটা করে ওরা। ওদের দেখে মনে হচ্ছিল ওরা কোথাও বেড়াতে যাবে। আমি চোখের কোণ দিয়ে আকাশকে খেয়াল করছিলাম, ও ওর মায়ের সাথে কত সহজ স্বাভাবিকভাবে কথা বলে! যেন মনে হয় আকাশ ওর মাকে নয়, মেয়েকে নিয়ে বের হয়েছে শপিং করতে।
কেনাকাটা শেষে আকাশ আমাদের নিয়ে একটা রেস্টুরেন্টে যায়। মেনু দেখে পছন্দের খাবার অর্ডার দিয়ে মায়ের উদ্দেশ্যে বলে, "মা খাওয়ার পরে কফি খাবে, নাকি আইসক্রিম?" লাবণী হেসে বলে, "আগে কফি খাব, তারপর আইসক্রিম খেতে খেতে বাসায় যাব।"
আমি বললাম, "আমার জন্য স্রেফ কফি।"
লাবণী সঙ্গে সঙ্গে বলল, "তাহলে আইসক্রিম বাদ।"
খেতে খেতে শুনলাম, আকাশ বেড়াতে যাচ্ছে কক্সবাজার, সেখান থেকে সেন্টমার্টিন। সাথে লাবণীকেও নিয়ে যাবে, যদিও সেটা একটা অফিসিয়াল ট্যুর।
আকাশের একটা বায়িং হাউস আছে। হাবভাবে বুঝতে পারলাম অনেক টাকা ইনকাম করে। আমাদের সাথে বসা অবস্থায় কতবার যে হোয়াটসঅ্যাপ চেক করল! মাঝে মাঝে টুকটাক অফিসিয়াল কল আসছিল। তার মানে শত ব্যস্ততার মধ্যেও মাকে নিয়ে শপিংয়ে এসেছে।
গল্পে গল্পে জানা হয়ে গেল আকাশের বউয়ের কথা। মেয়েটা একটা মাল্টি ন্যাশনাল কম্পানির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আছে। তাদের এক ছেলে, সে এখন স্কুলে। ছেলেটা নাকি লাবণের ভিশন ন্যাওটা। লাবণী ওর ছেলে বৌয়ের সাথেই থাকে।
আমি একটা বিছানার চাদর আর কিছু দৈনন্দিন এটাসেটা বাজার করতে এসেছিলাম। যদিও কিছুই কেনা হয়ে ওঠেনি সেদিন। কেন জানি কিনতে ইচ্ছে হচ্ছে না আর। আমি শুধু আকাশকে দেখছিলাম। ও কত যত্নে আগলে রেখেছে ওর মাকে! স্যান্ডেলের দোকানে নিজে হাতে মায়ের পায়ে স্যান্ডেল পরিয়ে দিল। লাবণী অত দাম দিয়ে স্যান্ডেল কিনবে না। আকাশ তখন বলল, "মা, তুমি দাম দেখো কেন? তুমি শুধু দেখবে আরাম পাও কিনা?"
আকাশের কত খেয়াল তার মায়ের জন্য। সবশেষে ও সানগ্লাস কিনল মায়ের জন্য। লাবণী সানগ্লাস কিনবে না কিছুতেই। তখন আকাশ বলল, "মা, সানগ্লাস কিনতে হবে। কারণ তুমি যখন সমুদ্রের ধারে হাঁটবে, তোমার চোখে রোদ লাগবে।"
ওদের মা-ছেলেকে দেখে আমার এমন লাগছে কেন? ভেতরে ভেতরে এতটা ছোট হয়ে যাচ্ছি কেন? বারবার মনে হচ্ছে, আমি হেরে গেছি জীবনের কাছে। আমি একজন ব্যর্থ মা, যে তার ছেলেকে সবচাইতে সফল আর বড় বানাতে গিয়ে এত বড় বানিয়ে ফেলেছে যে, সেই ছেলের নাগাল আর কখনো পাবে না!
এর মধ্যে কয়েকবার আকাশ রাজুর কথা জানতে চেয়েছে। রাজুর নম্বর চেয়েছে, আমি দিইনি। বলেছি বাসায় আছে, ডায়েরিতে লেখা। আসলে রাজুর অনুমতি না নিয়ে ওর নম্বর কাউকে দিলে ও রাগ করে। আমাকে বলে, "মা, আমি অনেক বিজি থাকি, যখন তখন কল দেবে না। এতে আমার ডিসটার্ব হয়। তুমি এখনো ইংল্যান্ড আর বাংলাদেশের সময় এ্যাডজাস্ট করতে পারো না কেন?"
আকাশ আমাকে আমার বাসায় নামিয়ে দিল। বিদায় নেবার সময় আমার হাতে একটা শপিং ব্যাগ দিয়ে বলল, "আন্টি, এটা আপনার জন্য।" আমি দেখলাম ঠিক লাবণীর মতো আমার জন্যও একটা থ্রিপিচ কিনেছে ও। আকাশ বলল, "আপনারা দুই বান্ধবী একসময় একই রকম থ্রিপিচ পরে বেড়াতে বের হবেন।"
আমি অনেক কষ্টে অশ্রু গোপন করলাম। আকাশ আরো বলল, "আন্টি, আমার মোবাইল নম্বরটা রাখুন, আপনার যখন খুশি কল দেবেন, আমি এসে আপনাকে আমাদের বাসায় নিয়ে যাব।"
আমি তখন বললাম, "তুমি তো বিজি থাকো।" আকাশ সাথে সাথে জবাব দিল, "আন্টি, আপনার জন্য আমি সব সময় ফ্রি আছি।"
তারপর আরো বলল, "আপনি তো একা থাকেন, আপনিও চলেন না আমাদের সাথে কক্সবাজার। আমার মায়ের একজন সঙ্গী হবে।"
আমি মনে মনে কতক্ষণ থেকে বলছি, "লাবণী, আমাকে নিবি তোদের সাথে কক্সবাজার? আমি সমুদ্র দেখব না। আমি শুধু দেখব একজন ছেলে তার মাকে কত আদর যত্ন করে তা!"
আমি আকাশকে বললাম, "লাবণীর সাথে কতদিন পরে দেখা আমার। আমারও ভালো লাগবে তোমাদের সাথে বেড়াতে গেলে। কিন্তু রাজুকে তো বলতে হবে। আমি আজ রাজুর সাথে কথা বলে কাল তোমাকে জানাব।"
লাবণী মনে হয় আমার কথায় অবাক হলো। আমি এত সহজে ওদের সাথে যেতে রাজি হবো এটা ও ভাবতেই পারেনি। লাবণী আমার হাত জড়িয়ে ধরে বলল, "শিলা, প্লিজ চল, আমার অনেক ভালো লাগবে।"
তারপর ওরা চলে গেল। আমি আমার আলোহীন ঘরে ঢুকে আজ আরো বেশি অন্ধকার দেখতে পেলাম। গতকাল রাতের বেলা রাজুর সাথে হওয়া কথাগুলো ভাবতে লাগলাম। বিয়েটা ও একা একা করল ইংল্যান্ডে, নিজের পছন্দের মেয়েকে। ইংল্যান্ড থেকে বাংলাদেশে আসা নাকি অনেক ঝক্কি। তাই দেশে এসে বিয়ের করার প্রশ্নই আসে না। আমি টেলিফোনে ওদের কনগ্রাচুলেশন জানালাম। ওদের একটা মেয়ে হলো। এখন অনেক ছোট, বাংলাদেশের আবহাওয়া নাকি ওর সহ্য হবে না, তাই আসা যাবে না। এবছর আমার ইংল্যান্ডে যাওয়ার কাগজপত্র ঠিক করার কথা ছিল। কিন্তু গতকাল ও ফোন দিয়ে বলল, এবার ছুটিতে ও ওর শ্বশুর শাশুড়ি সহ আমেরিকা যাবে বেড়াতে।
ও আরো বলল, "মা আমরা সবাই চেষ্টা করবো আগামী বছর দেশে আসার। তুমি মন খারাপ করো না।"
না, আমি মন খারাপ করিনি। আমি আজ আকাশকে দেখে বুঝতে পেরেছি, শুধু ভালো ছাত্র আর ফার্স্ট হওয়া ছেলেরাই সেরা সন্তান হয় না। আমি শুধু আমার ছেলেকে শিখিয়েছি ফার্স্ট হতে হবে পরীক্ষার খাতায় আর চাকরির বাজারে। সেরা মানুষ হতে হবে এটা আমি কখনো শেখাইনি। আমি ওকে কখনো বলিনি, বিপদে তোমার বন্ধুদের পাশে দাঁড়াবে। আমি ওকে কখনো বলিনি, দেশকে ভালোবাসবে, দেশের সেবা করবে। আমি শুধু শিখিয়েছি প্রতিযোগিতা।
ওর কিসে উন্নতি হবে সেটা ওকে শিখিয়েছি, কিন্তু সবাইকে নিয়ে ভালো থাকাটা শেখাতে পারিনি। আমি সবসময় রাজুকে ভালো জিনিস কিনে দিয়েছি, ওর চাহিদা পূরণ করেছি। কিন্তু আমার নিজেরও ইচ্ছা অনিচ্ছা আছে বা থাকতে পারে তা ওকে শিখাইনি।
আমি রাজুকে কল দিব না কক্সবাজার যাওয়া নিয়ে। এটা আকাশকে বলার জন্য বলা। আজ লাবণীর সাথে দেখা হওয়ায় ভালো হলো। এখন থেকে আমি আমার ভালো লাগা মন্দ লাগা নিয়ে ভাবব। ছেলেকে নিয়ে আমার ভাবনা শেষ।
ছেলেকে তার ভালো থাকার জন্য আমার সবকিছু দিয়েছি। ওর আর আমার কাছ থেকে কিছু পাওয়ার নেই।
আশায় ছিলাম ছেলে আমাকে তার কাছে ইংল্যান্ডে বেড়াতে নিয়ে যাবে। গত দুই বছর ধরে আমার চলার টাকা থেকে একটু একটু করে জমিয়েছি ওদের জন্য কত কিছু কিনব বলে!
এবার থেকে আমি আমার জীবনের ছোট ছোট চাওয়াগুলো পূরণ করব। বাঁচব আর ক'টা দিন। খুব শখ ছিল হিমালয় আর মিশরের পিরামিড দেখব! একা একা কি এগুলো দেখা যাবে? তার চাইতে আগে লাবণীদের সাথে কক্সবাজার আর সেন্ট মার্টিন ঘুরে আসি, তারপরেরটা তারপর।
(সত্য ঘটনা অবলম্বনে)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Address
Dhaka