27/01/2026
পিতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নিজ ভাইদের দ্বারা কূপে নিক্ষিপ্ত হওয়ার পর দাস হিসেবে বিক্রয় হওয়া। তারপর মিথ্যা অপবাদে জেলের অন্ধকারে নিক্ষিপ্ত হওয়া। তারপর আল্লাহ তাকে সম্মানের সাথে মুক্তি দিয়ে মিশরের মন্ত্রী বানালেন। এত লম্বা একটি কষ্টকর পথ পার হয়ে সফল হওয়ার পিছনের কারণ হিসেবে ইউসুফ (আ) উল্লেখ করেছেন,
"নিশ্চয় যে ব্যক্তি তাকওয়া অবলম্বন করে এবং ধৈর্য ধারণ করে, তবে আল্লাহ অবশ্যই সৎকর্মশীলদের প্রতিদান নষ্ট করেন না।" [সূরা ইউসুফ: ৯০]
অথচ আমি নিজের দিকে তাকালে দেখতে পাই, না আমি তাকওয়াবান, না ধৈর্যশীল, আর না খুব একটা সৎকর্মশীল! তাহলে কিভাবে আমি আজরের (পুরষ্কার) আশা করি?
আমার নিজেকে অবশ্যই গুণগুলো অর্জনের জন্য চেষ্টা করতে হবে। অবশ্যই নিজেকে পরিবর্তন করতে হবে।
25/01/2026
পবিত্র কুরআনুল কারিমে যে জাতিটার কথা সবচেয়ে বেশি এসেছে সেটা হলো—বনি ঈসরাইল।
বনি ঈসরাইল জাতির মাঝেই এসেছিল সবচেয়ে বেশি সংখ্যক নবি রাসুল। আল্লাহর অবারিত নিয়ামত আর অফুরান ক্ষমা লাভের নজিরও ঘটেছিল এই জাতির ভাগ্যে। আকাশ থেকে তাদের জন্য নাযিল হতো মান্না সালওয়ার মতো জান্নাতের খাবার।
বনি ঈসরাইল জাতির মাঝে আসা দুজন প্রসিদ্ধ রাসুল হলেন মুসা আলাইহিস সালাম এবং ঈসা আলাইহিস সালাম। কুরআনে এই দুজন রাসুলকেন্দ্রিক অনেক ঘটনা বর্ণিত হয়েছে।
মুসা আলাইহিস সালাম এবং ঈসা আলাইহিস সালাম দুজনেই এসেছিলেন বনি ঈসরাইল জাতির মাঝে। দুজনেই ছিলেন তাদের নবি৷ কিন্তু লক্ষণীয় ব্যাপার হলো—আপনি যদি কুরআন খুলে এই দুজনের ঘটনাকে পাশাপাশি পড়েন, একটা ছোট্ট পার্থক্য আপনার চোখে পড়বে।
কী সেই পার্থক্য, তাই তো?
সেই পার্থক্যটা হলো—আপনি যদি মুসা আলাইহিস সালামের ঘটনাগুলো পড়েন, সেখানে দেখবেন তিনি বনি ঈসরাইলিদের সম্বোধন করার সময় বলতেন—‘ইয়া ক্বওমি’ বা ‘হে আমার জাতি’ বলে।
অন্যদিকে, যদি আপনি ঈসা আলাইহিস সালামের ঘটনাগুলো পড়েন, সেখানে দেখবেন তিনি বনি ঈসরাইলিদের সম্বোধন করার সময় ‘ইয়া ক্বওমি’ বলতেন না। তিনি বলতেন—‘ইয়া বনি ঈসরাইল’ তথা ‘হে বনি ঈসরাঈল’ বলে।
দুজনেই কিন্তু বনি ঈসরাইল জাতির নবি। দুজনকেই পাঠানো হয়েছিল একই জাতির কাছে৷ তাহলে, দুজনের সম্বোধনে এই ছোট্ট পার্থক্যটা কেন, তাই তো?
তাফসির বিশারদেরা বলেছেন, মুসা আলাইহিস সালাম এবং ঈসা আলাইহিস সালাম দুজনেই বনি ঈসরাইল জাতির নবি হলেও, দুজনের মাঝে একটা ছোট্ট পার্থক্য ছিল। সেই পার্থক্যটা হলো—মুসা আলাইহিস সালাম জন্মেছিলেন একটা স্বতঃসিদ্ধ প্রাকৃতিক নিয়মের মধ্যে—বাবা-মায়ের ঔরশে। কিন্তু ঈসা আলাইহিস সালামের জন্মটা সেরকম প্রাকৃতিক নিয়মের মাঝে থেকে হয়নি। তাঁর জন্মটা ছিল আল্লাহর একটা মোজেযা। তিনি জন্মেছিলেন মাতা মারইয়াম আলাইহাস সালামের গর্ভে, কিন্তু ঈসা আলাইহিস সালামের কোনো পিতা ছিল না।
যেহেতু মুসা আলাইহিস সালামের একটা সরাসরি পৈতৃক ‘ব্লাড-লাইন’ ছিল বনি ঈসরাইল জাতির ভেতর, তাই বনি ঈসরাইলকে সম্বোধন করার সময় তিনি ‘ইয়া বনি ঈসরাইল’ না বলে ‘ইয়া ক্বওমি’ বা ‘হে আমার জাতি’ বলে ডাক দিতেন।
অন্যদিকে, ঈসা আলাইহিস সালামের যেহেতু সরাসরি কোনো পৈতৃক ‘ব্লাড-লাইন’ ছিল না বনি ঈসরাইলিদের মাঝে, ফলে তিনি বনি ঈসরাইলিদের ‘ইয়া ক্বওমি’ বা ‘হে আমার জাতি’ না বলে ‘ইয়া বনি ঈসরাইল’ বলে ডাক দিতেন।
পুরো কুরআন জুড়ে, এই দুটো প্যাটার্নে আপনি কিন্তু কোনোরকম হেরফের পাবেন না৷ মানে—কুরআনের অনেক জায়গাতেই তো তারা বনি ঈসরাইলিদের সম্বোধন করে কথাবার্তা বলেছেন, আদেশ দিয়েছেন, সতর্ক করেছেন। কিন্তু একটা জায়গাও পাবেন না যেখানে মুসা আলাইহিস সালাম ‘ইয়া ক্বওমি’ না বলে ‘ইয়া বনি ঈসরাইল’ বলে সম্বোধন করছেন, এবং ঈসা আলাইহিস সালাম ‘ইয়া বনি ঈসরাইল’ না বলে ‘ইয়া ক্বওমি’ বলছেন।
নট অ্যা সিঙ্গেল টাইম!
ভাষা আর শব্দের ব্যবহারের ভেতরেই যে একটা ঐতিহাসিক উপাদান লুকিয়ে রাখা যায়—এই ঘটনা তার জ্বলজ্যান্ত উদাহরণ।
এই উদাহরণ আরও একটা ঐতিহাসিক সত্যকে সত্যায়িত করে। সেটা হলো—মাতা মারইয়াম আলাইহিস সালামের নিষ্পাপত্ব। ঈসা আলাইহিস সালাম যে পুরুষের কোনোরকম সংস্পর্শ ব্যতীতই দুনিয়ায় এসেছিলেন, সেটার একটা প্রমাণ তিনি তার এই বাছাইকৃত ‘ইয়া বনি ঈসরাইল’ শব্দদ্বয়ের মাঝেও রেখে গেছেন। এই শব্দের ব্যবহারই প্রমাণ করে, বনি ঈসরাইল জাতির মাঝে ঈসা আলাইহিস সালামের কোনো পৈতৃক ‘ব্লাড-লাইন’ নেই।
#কুরআনের_অলিতে_গলিতে_০৩
25/01/2026
রজবের চাঁদ ডুবে, গতকাল দেখা দিয়েছে পবিত্র শাবান মাসের চাঁদ। আজ শাবানের দ্বিতীয় দিন। কাঙ্খিত রামাদান মাসের আর একমাসও বাকি নেই।
দ্বীনের পরিপূর্ণ বুঝ আসার আগে রামাদান মাসের মর্যাদা সেভাবে বুঝতে পারতাম না। রামাদানকে নিয়ে থাকত না কোনো বাড়তি উদ্যম, উদ্যোগ কিংবা প্রস্তুতির আয়োজন। আলহামদুলিল্লাহ, দ্বীনের বুঝ পাওয়ার পর, আমলের মাঝে তৃপ্তি আর স্বাদ খুঁজে পাওয়ার পর থেকে সারাবছর চাতক পাখির মতো চেয়ে থাকি—কবে আসছে রামাদান।
প্রায় প্রত্যেক বছর রামাদানকে ঘিরে কতো কতো পরিকল্পনা করে রাখি—এবারের রামাদানকে এভাবে কাটাব, ওভাবে কাটাব। কিছুটা হয়তো পারি; অধিকাংশ সময়েই পরিকল্পনা সম্পূর্ণ করা হয় না। তারপর যখন রামাদান চলে যায় জীবন থেকে—একরাশ বেদনা এসে ভর করে মনে। রামাদানকে হারিয়ে ফেলার যন্ত্রণা পীড়া দেয় সতত। বার বার মনে হয়—ফেইসবুক একটু কম ব্যবহার করলেই পারতাম, অমুক কাজে সময় একটু কম ব্যয় করলেই পারতাম, প্রতি রাতে কিয়ামুল লাইল আরও দুই রাক’আত করে বাড়তি পড়তে পারতাম।
‘এই পারতাম’—এর আফসোস নিয়ে কেটে যায় একটা বছর৷ তারপর আবার আসে নতুন আরেকটা রামাদান।
হয়তো-বা পরিকল্পনামাফিক রামাদানকে উদযাপন করতে পারি না, তবে প্রত্যেক বছর রামাদানকে ঘিরে যে আশা-আকাঙ্খা আর প্রত্যাশার বীজ বুনি, যে উদ্যম, উদ্যোগ আর আয়োজনের খতিয়ান তৈরি করি—এতেও একটা প্রশান্তি পাই, আলহামদুলিল্লাহ।
রামাদান আবারও দোরগোড়ায়। আমাদের কি সময় হবে এই মাসটাকে বরণ করার জন্য নিজেদের পরিকল্পনাগুলো সাজিয়ে নিতে?
খ.
রামাদানকে বরণ করা মানে ফুলের ডালি হাতে নিয়ে ‘এসো হে রামাদান এসো এসো’ বলা নয়। রামাদানকে বরণ করতে হয় ঈমানে টইটম্বুর হৃদয়, আমলে সুবাসিত দেহ আর মন এবং তাওয়াক্কুলে ভরা অন্তর নিয়ে।
শাবান মাস মাত্রই ঢুকল। আপনি কি জানেন, শাবান মাসের প্রথম অর্ধে (প্রথম ১৫ দিন) নবিজি সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অনেকবেশি সিয়াম রাখতেন? রামাদানের প্রস্তুতি হিশেবে এভাবে আমল করতেন। শরীরকে প্রস্তুত করতেন রামাদানের দিনগুলোর জন্য।
চলুন, আজ বসে আমরাও একটা রামাদান পরিকল্পনা করে ফেলি। শাবান মাসটাকে সর্বোচ্চ ব্যবহার করি। অধিকবেশি সিয়াম রাখি, কিয়ামুল লাইলে (তাহাজ্জুদ) উঠি, বেশি নফল আমল করি, যিকির আযকারে বেশি সময় ব্যয় করি, কুরআনের তিলাওয়াত বাড়িয়ে দিই।
জীবন থেকে আমি অন্তত চারজন মানুষকে হারিয়ে ফেলেছি, যারা গত রামাদানেও আমাদের মাঝে ছিল। কে জানে, আগামি রামাদানে হয়তো আমি, আপনি, আমরা না-ও থাকতে পারি। এমন কি হতে পারে না যে—এটাই আমাদের জীবনের শেষ রামাদান?
গ.
অনেকেই রামাদান মাসের প্রস্তুতির জন্য কী পড়া যায় সে সম্পর্কিত বইয়ের খোঁজ করেন।
Sukun Publishing থেকে রামাদানের উপরে তিনটা অসাধারণ বই প্রকাশিত হতে যাচ্ছে—
১. শাবানে মুমিনের প্রস্তুতি ( লেখক ড. মুহাম্মাদ আদ দুবাইস)
২. মুমিনের রামাদান প্রস্তুতি ( লেখক ড. মুহাম্মাদ আদ দুবাইস)
৩. যদি হয় জীবনের শেষ রামাদান ( লেখক ড. রাগিব সারজানি)
বই তিনটি রামাদান এবং শাবান মাসকে আমলমুখর, তাকওয়ামুখর করতে সাহায্য করবে, ইন শা আল্লাহ।
এই তিনটি বই একসাথে অর্ডার করলে, তারা ৩৬ পেইজের একটি ‘প্রোডাক্টিভ রামাদান প্ল্যানার’ ফ্রি দিচ্ছে যেটাতে গোটা রামাদান মাসের আমলগুলোকে ট্র্যাক করা বা টুকে রাখা যাবে।
ঘ.
একজন সালাফ বলেছিলেন, ‘কবরের বাসিন্দাদের যদি একটা মাত্র রাতের জন্য দুনিয়াতে আসার সুযোগ দেওয়া হতো, তাহলে তারা রামাদান মাসের একটা রাতে আসার সুযোগ চাইতো।’
কবরবাসীদের কাছে যেটা আরাধ্য কিন্তু অবাস্তব স্বপ্ন, আমাদের কাছে সেটা সহজ বাস্তবতা। আমরা তো রামাদানের রাতগুলো পাই, কিন্তু সেভাবে রাতগুলো কাটাই কি?
25/01/2026
আলহামদুলিল্লাহ, আপনাদের প্রিয় দু‘আ সিরিজের ৩০ টি পর্বের লিংক একত্র করা হলো এই পোস্টে। শব্দে শব্দে অর্থ ও উচ্চারণসহ সবগুলো দু‘আ খুব সহজভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এখানকার প্রতিটি দু‘আই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, জীবনঘনিষ্ঠ এবং দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য কল্যাণকর।
✪ ১ম পর্ব : প্রতিটি কাজে সুন্দর সমাপ্তি এবং দুনিয়ার লাঞ্ছনা ও আখিরাতে শাস্তি থেকে বাঁচতে https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2409045162529118&id=1698393090260999
✪ ২য় পর্ব : সাংসারিক ও পারস্পরিক মনোমালিন্য দূর করতে https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2411065055660462&id=1698393090260999
✪ ৩য় পর্ব : যে দু‘আটি নবীজি সর্বাধিক পরিমাণে করতেন এবং দ্বীনের উপর অটল থাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই দু‘আ https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2417308728369428&id=1698393090260999
✪ ৪র্থ পর্ব : দুনিয়াতে অবিচ্ছিন্ন নিয়ামত, মানসিক প্রশান্তি ও আখিরাতে স্বাচ্ছন্দময় জীবনের জন্য https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2421373757962925&id=1698393090260999
✪ ৫ম পর্ব : ঈমানি হালতে মৃত্যুর জন্য https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2425616790871955&id=1698393090260999
✪ ৬ষ্ঠ পর্ব : কঠিন কোনো বিপদে পতিত হলে অথবা কোনো টার্গেট পূরণ করতে https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2429911817109119&id=1698393090260999
✪ ৭ম পর্ব : মূসা (আ.) ও ইউনুস (আ.)-এর দু‘আ https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2434319896668311&id=1698393090260999
✪ ৮ম পর্ব : ফাতিমা (রা.)-কে নবিজি যে দু‘আটি পড়ার ওসিয়ত করেছিলেন https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2438671576233143&id=1698393090260999
✪ ৯ম পর্ব : ঘুমের সমস্যা কাটাতে, আল্লাহর শাস্তি এবং জিনদের আক্রমণ থেকে বাঁচতে https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2442730605827240&id=1698393090260999
✪ ১০ম পর্ব : জীবনে গুরুত্বপূর্ণ কেউ/কিছু হারিয়ে গেলে এবং তার উত্তম বিকল্প পেতে https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2451770388256595&id=1698393090260999
✪ ১১ তম পর্ব : সুন্দর একটি ছোট দু‘আ https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2458024644297836&id=1698393090260999
✪ ১২ তম পর্ব : ঘরের মধ্যে প্রশান্তির জন্য, গুনাহ মাফের জন্য, রিযিকে বরকত লাভের জন্য https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2476662202434080&id=1698393090260999
✪ ১৩ তম পর্ব : কুরআন দ্বারা দুশ্চিন্তামুক্ত জীবন গড়তে https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2481269948639972&id=1698393090260999
✪ ১৪ তম পর্ব : দারিদ্র, অপমান ও জুলুম থেকে বাঁচতে
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2490321567734810&id=1698393090260999
✪ ১৫ তম পর্ব : দুনিয়া ও আখিরাতে নিরাপত্তা, শান্তি ও ক্ষমা লাভের জন্য
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2498252083608425&id=1698393090260999
✪ ১৬ তম পর্ব : বিপদ ও দুশ্চিন্তায় পড়ার গুরুত্বপূর্ণ দুটো সহজ দু‘আ
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2534897153277251&id=1698393090260999
✪ ১৭ তম পর্ব : গুনাহ থেকে বাঁচা ও নেক আমলের তাওফিক লাভ এবং আল্লাহর রহমত লাভের জন্য
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2543246412442325&id=1698393090260999
✪ ১৮ তম পর্ব : অসাধারণ একটি দু‘আ
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2554088048024828&id=1698393090260999
✪ ১৯ তম পর্ব : ইসমে আযমের একটি দু‘আর বাক্য
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2566700943430205&id=1698393090260999
✪ ২০ তম পর্ব : শয়তান ও জিন থেকে নিজেকে ও অন্যকে বাঁচাতে এবং বদনজর থেকে রক্ষা পেতে
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2582047438562222&id=1698393090260999
✪ ২১ তম পর্ব : ভালো আমলের তাওফিক লাভ ও খারাপ কাজ থেকে বেঁচে থাকার জন্য
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2610955732338059&id=1698393090260999
✪ ২২ তম পর্ব : ঈমানের প্রতি ভালোবাসা বৃদ্ধি ও গুনাহের প্রতি ঘৃণা তৈরি করতে
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2640260356074263&id=1698393090260999
✪ ২৩ তম পর্ব : সৌভাগ্যবান হতে ও জীবনকে নিরাপদ রাখতে
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2650349681731997&id=1698393090260999
✪ ২৪ তম পর্ব : কাজে ও সিদ্ধান্তে দৃঢ়তা এবং সঠিক কাজে অবিচলতা কামনায়
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3021690801264548&id=1698393090260999
✪ ২৫ তম পর্ব : ব্যাপক অর্থবোধক দু‘আ
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3024160881017540&id=1698393090260999
✪ ২৬ তম পর্ব : অল্প কয়েকটি বাক্যে জীবনের সকল কল্যাণ কামনা
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3039791792787782&id=1698393090260999
✪ ২৭ তম পর্ব : কবরের আযাব এবং জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে বাঁচতে
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3055256201241341&id=1698393090260999
✪ ২৮ তম পর্ব : হিদায়াত, তাকওয়া, চারিত্রিক শুদ্ধতা এবং অভাবহীনতা থেকে বেঁচে থাকতে
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3072408112859483&id=1698393090260999
✪ ২৯ তম পর্ব : আত্মার পরিশুদ্ধি কামনায়
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3077166659050295&id=1698393090260999
✪ ৩০ (শেষ) তম পর্ব : আল্লাহর সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে এবং আল্লাহর প্রিয় হতে
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3087009308066030&id=1698393090260999
প্রতিটি পোস্টের পেছনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় গেছে। অনেক আবেগ জড়িয়ে আছে এই সিরিজটিতে। তবে, এটি সমাপ্ত করতে পেরে ভীষণ ভালো লেগেছে, আলহামদুলিল্লাহ। মহান রাব্বুল আলামিন আমাদের এই সিরিজের দু‘আগুলোর উপর আমল করার তাওফিক দান করুন। ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত কোনো ভুল-ত্রুটি থাকলে ক্ষমা করুন। আমিন।
কিছুদিনের মাঝে এই পুরো সিরিজটি পিডিএফ ফরমেটে আপলোড করা হবে, ইনশাআল্লাহ। তবে, সেজন্য যথেষ্ট সময়ের প্রয়োজন। কারণ, ভালোভাবে সম্পাদনা করতে হবে। আল্লাহই তাওফিকদাতা।
25/01/2026
"হতাশা ও দুশ্চিন্তা শয়তানের বিদ্যালয়ের অন্যতম পাঠ। আল্লাহ বলেন:
ٱلشَّیۡطَـٰنُ یَعِدُكُمُ ٱلۡفَقۡرَ وَیَأۡمُرُكُم بِٱلۡفَحۡشَاۤءِۖ وَٱللَّهُ یَعِدُكُم مَّغۡفِرَةࣰ مِّنۡهُ وَفَضۡلࣰاۗ
'শয়তান তোমাদেরকে দারিদ্র্যের ভয় প্রদর্শন করে এবং তোমাদেরকে অশ্লীল কাজের নির্দেশ দেয়, আর আল্লাহ তোমাদেরকে তাঁর পক্ষ থেকে ক্ষমা ও বরকত-রহমতের অঙ্গীকার করেন'[১]।"[২]
~ ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর [রাহ.]
[১) সূরা আল বাকারাহ: ২৬৮;
২) রাহে বেলায়াত, পৃ: ২৯৪, আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স, মার্চ, ২০১৩ ঈ.] p:353
25/01/2026
"ফকীহ হচ্ছে সে, যে আল্লাহকে ভয় করে, তার ইলম যদি কম হয় তবুও সে ফকীহ। আর জাহিল হচ্ছে সে যে আল্লাহর অবাধ্যতা করে, তার ইলম যদি অনেকও হয় তবুও সে জাহিল।"
~ ইমাম আবু বাকর ইবন আবি শাইবাহ [রাহ.]
[ ইমাম ইবন কাসির (রাহ.), আল বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ: ৯/২৫৫, দারু ইহইয়াইত তুরাসিল আরাবী, ১৯৮৮ ঈ.] p: 351
25/01/2026
"নিয়মিত আল্লাহর ইবাদত, দুআ ও যিকর, কুরআন-সুন্নাহ অধ্যয়ন, মাজালিসুয যিকর ইত্যাদির মাধ্যমে আল্লাহর উপর গভীর আস্থা, বিশ্বাস, তাওয়াক্কুল, তাঁর ইলম, ইচ্ছা, রহমত, তাকদীর ইত্যাদির গভীর বিশ্বাস, আখিরাতমুখিতা অর্জনের মাধ্যমে মুমিন সকল প্রকার হতাশা ও উৎকণ্ঠামুক্ত পবিত্র জীবন লাভ করেন। হতাশা ও উৎকণ্ঠার বিরুদ্ধে মুমিনের মনে প্রতিরোধক্ষমতা তৈর হয়।
যেকোনো দুঃখ, বেদনা, কষ্ট বা সমস্যায় মনের মধ্যে হতাশা বা উৎকণ্ঠা আকৃতি নিতে শুরু করলেই ঈমানী চেতনাগুলো আল্লাহর প্রতি সু-ধারণা, নির্ভরতা, ধৈর্য, কৃতজ্ঞতা, নির্লোভতা, সাওয়াব- আকাঙ্ক্ষা ইত্যাদি অনুভূতি দিয়ে দ্রুত তাকে ঘিরে ধরে, অবদমিত করে এবং নেতিবাচক অনুভূতিগুলোকেই ইতিবাচকে পরিণত করে হৃদয়কে প্রশান্তিতে ভরে দেয়।"
~ ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর [রাহ.]
[ রাহে বেলায়াত, পৃ: ২৯৩, আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স, মার্চ, ২০১৩ ঈ.] p: 350
30/12/2024
ইলিয়াস 💥💥
You can love him, you can hate him, but you can't ignore him.
Link in comment.