15/07/2024
আমরা এক ভীতু নির্লজ্জ জাতি... অনাচার অন্যায়ের ন্যূনতম প্রতিবাদ টুকুও করিনা।
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from JNU LAW 7th batch, Campus Building, Dhaka.
15/07/2024
আমরা এক ভীতু নির্লজ্জ জাতি... অনাচার অন্যায়ের ন্যূনতম প্রতিবাদ টুকুও করিনা।
25/09/2023
অভিনন্দন!
আমিনুল ইসলাম খান, ১৬শ বিজেএসে রিকমেন্ডেড জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।
আইন ৭ম ব্যাচের গর্ব..
14/06/2022
The Pride of JNU LAW 7th Batch..
নবনিযুক্ত প্রভাষকদ্বয়(ইভা ও সেতু),আইন বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।
এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ সংবিধানের ১৭টি সংশোধন হয়েছে তার মধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ৫ টি সংশোধনীকে ভিবিন্ন কেস এর judgement এর মাধ্যমে unconstitutional' হিসেবে ঘোষণা করেছে। সেগুলো হলো ঃ 5th,7th,8th,13th & 16th
1.5th amendment কে unconstitutional হিসেবে ঘোষনা করা হয়েছে Bangladesh Italian Marble Works Ltd v Bangladesh (2006) এর মাধ্যমে অর্থাৎ 5th amendment এর মাধ্যমে ।
2.7th amendment কে unconstitutional হিসেবে ঘোষনা করা হয়েছে Siddique Ahmed v Bangladesh (2011) 33 BLD এর মাধ্যমে।
3.8th amendment কে unconstitutional হিসেবে ঘোষনা করা হয়েছে Anwar Hossain Chowdhury v. Bangladesh (1989) BLD এর মাধ্যমে।
4.13th amendment কে unconstitutional হিসেবে ঘোষনা করা হয়েছে Abdul Mannan Khan v Bangladesh (2012) 64 DLR এর মাধ্যমে।
5.16th amendment কে unconstitutional হিসেবে ঘোষনা করা হয়েছে Asaduzzaman Siddiqui and Others v Bangladesh এর মাধ্যমে।
Asadullah Tarif.
Jatiya Kabi Kazi Nazrul Islam University.
Mymensingh.
বিচারপতিকে সালাম না দেয়ায় কোন আইজিপির চাকুরি চলে যায়?
১৯-০৬-২০০৩ তারিখে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট-এর মাননীয় বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক সরকারি গাড়িযোগে বনানী কামাল আর্তাতুক এলাকা অতিক্রম করছিলেন। সে সময় পুলিশ সার্জেন্ট বিচারপতি মহোদয়ের গাড়ি থামিয়ে পুলিশের নীল রঙের একটা জিপগাড়ি আগে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন৷ একই সাথে পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে স্যালুট প্রদান করেন। বিষয়টি লক্ষ্য করে বিচারপতি মহোদয় গাড়ি থেকে নেমে সার্জেন্ট-এর কাছে জিজ্ঞেস করেন, সুপ্রিম কোর্টের লগো সম্বলিত গাড়ি দেখে সালাম না করার কারন কী? সার্জেন্ট বলে যে, আমরা সুপ্রিমকোর্ট-এর পতাকা স্যালুট করতে বাধ্য নই। আমাদের ওতো ঠ্যাকা পড়ে নাই! বিষয়টি নিয়ে সার্জেন্ট সোয়েবুর রহমান বিচারপতি মহোদয়ের সাথে তর্কে জড়ান। পরবর্তীতে আশেপাশে থাকা আরো কয়েকজন পুলিশ সার্জেন্টকে ডাকেন সোয়েবুর রহমান। ৫ জন পুলিশ অফিসার জুডিসিয়ারি নিয়ে নানাভাবে কটুক্তি করেন।
মাননীয় বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ৩০ জুন ২০০৩ ওই পাঁচজন পুলিশ অফিসারকে সশরীর আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেন। একইসাথে IGP এবং Principal, Police Training College-কে ১২ জুলাই ২০০৩ তারিখের মধ্যে নির্দেশ দেন নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য.........
(1) Does the derogatory expression of sergeant shoaib, echo what the members of police forces are given to understand their training?
(2) Are the police officials of all ranks trained to understand that every person in uniform is under indispensable legal obligation to show utmost respect to the Supreme court saluting the august body's flag?
(3) Are the police officials briefed on the warrant of precedence and trained to follow them at all events?
(4) Are they trained to learn that it is internecinely contumacious to the solemn grandeur of the Apex court to hold back a car with its flag in order to allow the passage of a vehicle which carries a person of lesser importance in the warrant of precedence?
এই নির্দেশনা দেওয়ার কিছুদিন পরে অস্থায়ী বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক-এর নিয়োগ স্থায়ী না হওয়ায় আর সার্ভিসে ছিলেন না। পুলিশ প্রধান ৪টি প্রশ্নের উত্তরে বলেন যে, ডিউটিরত অবস্থায় পুলিশ সার্জেন্ট বিচারপতিকে সালাম দিতে বাধ্য ছিলেন না। যে বিচারপতি ঐ আদেশ দিয়েছিলেন সে এখন আর সার্ভিসে নেই। ঐ বিচারপতিকে দেশের প্রচলিত আইনে সরকারি কাজে বাঁধা দেওয়ার ও পুলিশ অফিসারকে হুমকি দেওয়ার জন্য বিচার হওয়া উচিত। একইসাথে বিচার বিভাগ ও সুপ্রিম কোর্ট নিয়ে বিভিন্নভাবে আকারে ইঙ্গিতে কটূক্তি করেন।
জবাবের কপি আমলে নিয়ে বিচারপতি এম এ আজিজ এবং বিচারপতি রিফাত আহম্মেদ স্বতপ্রণেদিতভাবে আইজিপির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল ইস্যু করেন। একইসাথে আইজিপিকে আদালতে সশরীর উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেন।
আইজিপি সশরীরে উপস্থিত হয়েছিলেন। হাইকোর্ট ডিভিশন আইজিপি শাহাদুল হকসহ ৪জন পুলিশ অফিসার-এর জবাবে সন্তুষ্ট না হওয়ায় তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে সাঁজা ও জরিমানা প্রদান করেন।
High Court Division observed that "His apology has come from his pen and is a product of after thought and cannot be accepted. The opposite party in criminal Miscellaneous suo moto Rule No. 12166 of 2003 is found guilty of gross contempt of court and he is fined Taka 2000 in default to suffer imprisonment for one month.
হাইকোর্ট ডিভিশন-এর আদেশের পরে দেশের বিশিষ্ট আইনজ্ঞরা অভিমত দেন যে, The public servant (Dismissal on conviction) ordinance 1985 অনুযায়ী পুলিশ প্রধান শাহাদুল হকের চাকুরি থাকার সুযোগ নেই। রায়প্রদানের সময় আইজিপি ফ্রান্সে ইন্টারপোলের সদর দপ্তরে ছিলেন একটা আন্তর্জাতিক সম্মেলনে। তিনি যখন দেশে আসেন সে সময় তাকে বিমানবন্দরে পুলিশপ্রধান হিসাবে প্রোটোকল দেওয়া হয়নি। তাকে সাময়িকভাবে পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে ডিএমপির কমিশনারকে চার্জে রাখা হয়। পরবর্তীতে সাসপেন্ড করা হয়।
হাইকোর্ট ডিভিশন এই রায়ে জুডিসিয়ারির মর্যাদা ও অবস্থান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু অবজারভেশন প্রদান করেন।
High court division observed that, In a welfare state in order to administer of justice lawfully, judicially and without fear on favour, certain protection is required for the court of law and the process engaged in the administration of Justice from insult, annoyance, obstruction and wilful disobedience in order to maintain its honour, dignity, prestige and authority and thus law of contempt is the indispensible protection as a legal concept has evolved though ages as protection against signifying disrespect to that which is entitled to legal regard.
High court division also observed that "No agencies of the state will be allowed to attack and defame the honour, prestige and Independence of judiciary of the Republic ”.
High court Division also observed that " the police is duty bound to obey and comply with any order including judicial orders of the Republic and is not permitted to question the order as to why and how "
রায়ের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সংবিধান-বিশেষজ্ঞ এম জহির বলেন " The high ups in the executives should now understand that the judiciary is determined to protect the rights of people. Those who show disrespect to the judiciary and the rule of law must be punished ".
মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশন সুস্পষ্ট বলেন যে, সংবিধানের ১১২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পুলিশসহ নির্বাহী বিভাগ আদালতকে সহায়তা করতে বাধ্য। তাছাড়া আদালত বলতে গম্বুজাকৃতির বিল্ডিংই বুঝাবে না বরং ফৌজদারি কার্যবিধি-এর ২৫ ধারা অনুয়ায়ী সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতির এখতিয়ার সমগ্র বাংলাদেশ। সমগ্র বাংলাদেশেই এখতিয়ার প্রয়োগের ক্ষমতা রয়েছে।
এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যায় পুলিশ প্রধানসহ বিবাদীপক্ষ। আপিল বিভাগ হাইকোর্ট-এর রায়ে হস্তক্ষেপে কোনো যুক্তি না থাকায় আপিল খারিজ করে দেন।
জাস্টিস অব পিস কী?
বিচার বিভাগের প্রয়োজনীয়তার কথা বিবেচনায় ১৮৯৮ সালে The Code of Criminal Procedure প্রণয়নের সময় ২২-২৫ ধারায় জাস্টিস অব পিস সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়। Criminal Law Amendment Act, 1923 এর ৪ ধারার বিধান অনুযায়ী ১৯২৩ সালে ২৩ ও ২৪ ধারা বাতিল করা হয়। ২৫ ধারায় পদাধিকারবলে জাস্টিস অব পিস হিসেবে কাজ করার বিধান রাখা হয়।
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ২৫ ধারায় রয়েছে-
In virtue of their respective offices, the Judges of the Supreme Court are Justices of the Peace within and for of the whole of Bangladesh, Sessions Judges, Chief Judicial Magistrate and Metropolitan Magistrates are Justices of the Peace within their respective jurisdictions.
এই ধারার বিধান অনুযায়ী, পদাধিকারবলে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকগণ সারা বাংলাদেশের জন্য আর দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিজ নিজ অধিক্ষেত্রের মধ্যে জাস্টিস অব পিস হিসেবে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
The Code of Criminal Procedure, 1898 এ জাস্টিস অব পিস সম্পর্কে এই বিধানগুলো উল্লেখ থাকলেও জাস্টিস অব পিস এর ক্ষমতা কিভাবে প্রয়োগ করা হবে তার উল্লেখ নেই। পাকিস্তান সিআরপিসি সংশোধন করে 22-A ও 22-B নামে দুটি আলাদা ধারা যুক্ত করেছে। এরমধ্যে ২২এ ধারায় জাস্টিস অব পিসের ক্ষমতা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ফৌজধারী কার্যবিধিতে জাস্টিস অব পিসগণের ক্ষমতা ও দায়িত্ব নির্ধারিত না থাকায় এ সংক্রান্ত ক্ষমতা প্রয়োগের নজির আমাদের দেশে খুবই কম। ফৌজধারী কার্যবিধিতে জাস্টিস অব পিস সংক্রান্ত ধারা ২২ ও ২৫ এর বিধান বহাল রয়েছে। তাই জাস্টিস অব পিসগণ বিশেষ করে বিজ্ঞ দায়রা জজ ও বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় এবং বিশেষ ক্ষেত্রে সামগ্রিক জুডিসিয়ারির ভাবমূর্তি ও মর্যাদা রক্ষায় সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন সেজন্য তাদের ক্ষমতা ও দায়িত্ব নির্ধারণ করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে ফৌজধারী কার্যবিধিতে জাস্টিস অফ পিস বিষয়ে সংশোধন আবশ্যক।
জাস্টিস অফ পিস-এর ক্ষমতা এক ধরনের বিশেষ ক্ষমতা। এই বিধানের যথাযথ প্রয়োগ বিচার বিভাগের মর্যাদা ও সম্মানের সাথে সম্পর্কিত। আশার কথা হলো মাননীয় বিচারপতি এবং বিচারকগণ সময়ে সময়ে এধরনের ক্ষমতা প্রয়োগ করলে পুলিশ ও প্রশাসনের বিচার বিভাগের প্রতি ঔদত্বপূণ আচরন প্রকাশ থেকে বিরত রাখতে সহায়তা করবে।
#তথ্যসূত্র:
*Shahudul Haque, IGP, police and others Vs state, 35 CLC (AD) (1092)
*Government of Bangladesh Vs Sergeant Shoaibur Rahman and others 10 BLC 325.
*Miscellaneous Suo moto Rule No. 12166 of 2003 (HCD) ও
*The Daily Star অবলম্বনে।
©সুন্দর করে সাজিয়েছেন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট Md. Imran Hossain
আপনাদের রেসপন্স দেখলেই আমি বুঝতে পারবো আমার আরও পোস্ট করা উচিত কি না।
Some must read cases for Constitutional law Students of Bangladesh :
01. Abdul Haque Vs Fazlul Kader Chowdhury
02. Sajjan Singh Vs State of Rajasthan
03. Kesavananda Bharti Vs State of Kerala
04. Goloknath Vs State of Punjab
05. Minerva Mills Vs Union Of India
06. Anwar Hossain Chowdhury Vs Bangladesh
07. Masdar Hossain Case
08. Agartala Conspiracy Case
09. Bangabandhu Killing Case
10. Kudrat e Elahi Panir Case
11. Mukhlesur Rahman Vs Bangladesh Case
12. FAP 20 Case
13. Asma Jilani Vs Government of Punjab Case
14. Gopalan Vs State Of Madras
15. Marbury Vs Madison
16. Weeks Vs United States
17. Brown vs Board of Education of Topeka
18. Plessy Vs Ferguson
19. Baker Vs Carr
20. Miranda Vs Arizona
21. Roe Vs Wade
22. Fletcher Vs Peck
23. Gideon Vs Wain Wright
24. State Vs Dusso
25. Jacobson Vs Massachusetts
26. Abdul Mannan Khan and Others Vs Bangladesh
27. Advocate Asaduzzaman Siddique and others Vs Bangladesh
28. Siddiq Ahmed Vs State Case
29. Italian Marble Workers Limited Case.
30. Tamij Uddin Vs Pakistan
31. Sheikh Abdus Sabur Vs Returning Officer
These are the most leading cases that I know.
Still there are many. I am not above limitations.
Happy reading.
Thank you everyone for your positive feedback.
Reading the author :
S. M. Galib Hasan
13th BJS Viva Candidate
Bar Council Examination Written Candidate
11/02/2020
24/01/2020
Congratulations!
Meritorious trio of jnu law 7th batch...
BJS preliminary এর জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর।
১।" law is the command of sovereign" কার উক্তি - Jon Austin
২।বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে আইনের সংঙ্ঘা দেয়া আছে -১৫২
৩।বাংলাদেশের সংবিধানের ১৭ তম সংশোধনের বিষয়বস্তু কি- জাতীয় সংসদে মহিলাদের সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ আরও ২৫ বছর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা।
৪।keshavananda Bharti case এ কোন বিষয়
আলোচিত হয়েছে - basic structure of constitution
৫।সংবিাধানের মৌলিক কাঠামো সংশোধন করা যায়না- অনুচ্ছেদ ৮(২)
৬।ordinance কে জারি করতে পারে- রাষ্ট্রপতি
৭।বিশ্বে সর্বপ্রথম কোন দেশে ন্যায়পাল পদ সৃষ্টি করে-
সুইডেন ১৮০৯ সালে।
৮।Attorney general মেয়াদ কত দিন পর্যন্ত -
রাষ্ট্রপতির সন্তাষানুযায়ী।
৯।মানুষের জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতা সংরক্ষণ করা হয়েছে -৩২ অনুচ্ছেদ।
১০।জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কতৃক প্রদত্ত বাংলাদেশের স্বধীনতার ঘোষণা কত নং তফসিলে বর্ণিত হয়েছে - ৬ষ্ঠ
১১।pleadings কি- আরজি ও লিখত জবাব
১২। আরজি সংশোধন করতে হলে আবেদন করতে হবে - ৬ নং আদেশ এর বিধি -১৭ অনুযায়ী।
১৩।নিচের কোন আদালতের নিজস্ব কোন এখতিয়ার নেই - অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতের।
১৪।স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন নিয়োগ করা হয়-
২৬নং আদেশে এর বিধি ৯ অনুযায়ী।
১৫।রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান -Order XL of CPC।
১৬।প্রত্যেক দেওয়ানি আদালতকে অন্তরনিহিত ক্ষমতা দেয়া হয়েছে কোন আইনে - section ১৫১ of CPC।
১৭।ইস্যু গঠনের কত দিনের মধ্যে চুডান্ত শুনানির দিন ধার্য করতে হয়-১২০ দিনের মধ্যে।(১৪ আদেশ, বিধি ৮)
১৮।আদালত কোন মামলা একতরফা নিষ্পত্তি করলে তার প্রতিকার-একতরফা ডিক্রি বাতিলের জন্য দরখাস্ত দায়ের করতে হবে (৯ আদেশ,বিধি ১৩)
১৯।principle of res- judicata - ১১ধারা
২০।আরজি বাতিলের জন্য আবেদন করতে হয় -৭নং আদেশের, বিধি-১১ অনুযায়ী।
তৈয়ব উদ্দিন
সহকারী জজ (সুপারিশপ্রাপ্ত)
১২শ জুডিশিয়ারি
20/08/2019
মহান আইনবিদ বিচারপতি লর্ড ডেনিংকে একবার জিজ্ঞেস করা হয়েছিল - আপনি এতো হাজার হাজার মামলার নজীর আর আইন কিভাবে মনে রাখেন, আর সারাদিন এগুলো এতো অধীর আগ্রহ নিয়ে পড়েন কিভাবে?
উনি উত্তর দিয়েছিলেন -
সব মামলাই হচ্ছে মানুষের বাস্তব জীবনের একেকটা গল্প, আর মানুষের জীবনের গল্পের ভেতরে ঢুকে দেখবার চাইতে ইন্টারেস্টিং আর কি হতে পারে ?
(What can be more interesting than looking inside the lives of real men ?)
ওনার আইন বিষয়ক বইগুলো শুধু আইনজীবী না, যুক্তরাজ্যের সাধারণ মানুষদের মাঝেও জনপ্রিয়।
বিগত কয়েকশো বছরের মধ্যে ব্রিটেনের সবচাইতে বিখ্যাত মামলাগুলো বেছে বেছে সেগুলোর কাহিনী ছোট গল্পের মত করে লিখে তিনি চমৎকার এক সংকলন তৈরী করেন।
এভাবেই লেখা হয় তার অতি জনপ্রিয় Landmarks in the Law বইটি।
আইন বিষয়ে আগ্রহ তৈরির জন্য বিখ্যাত বিচারক এবং আইনজীবীদের নিয়ে লেখা জনপ্রিয় উপন্যাস এবং তাদের আত্মজীবনীগুলো পড়া যেতে পারে।
আইনজীবী, আদালত ও বিচারকদের নিয়ে তৈরী চমৎকার সব সিনেমা আর টিভি সিরিজগুলোও অবসর সময়ে দেখা যেতে পারে।
বাংলা ভাষায় আইনজীবীদের নিয়ে লেখা সবচাইতে বিখ্যাত উপন্যাস শংকরের "কত অজানারে"।
বইটিতে দেখা যায় জনৈক ব্যারিস্টার সাহেবের চেম্বারের একজন পড়ুয়া ক্লার্ক আইন আদালতের বহু বিচিত্র ঘটনার দর্শক এবং শ্রোতা হয়।
এই বই হয়তো অনেকেই পড়েছেন।
কিন্তু কয়জন জানেন যে এটি বাংলা ভাষার বিখ্যাত লেখক শংকরের বাস্তব জীবনের কাহিনী?
শংকর ছোট থাকতেই তার আইনজীবী বাবা হঠাৎ মারা যান।
কিশোর বয়সে বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পর চরম অর্থ কষ্টে পড়ে বেঁচে থাকার জন্য অত্যন্ত প্রতিভাবান এই লেখক ক্লিনার থেকে শুরু করে হকার, টাইপিস্ট, কোম্পানির এজেন্ট, আইনজীবী সহকারী বা মুহুরী থেকে শুরু করে প্রাইভেট টিউটর কিংবা স্কুল শিক্ষক পর্যন্ত বহু রকম কাজ করেন।
তিনি কোলকাতার শেষ ব্রিটিশ ব্যারিস্টার নোয়েল ফ্রেডেরিক বারওয়েল সাহেবের চেম্বারে ক্লার্ক বা মুহুরী হিসেবেও কাজ করেছিলেন।
তার বর্ণণা মতে ব্যারিস্টার বারওয়েল সাহেব অত্যন্ত ভদ্র এবং মহৎ ব্যক্তি ছিলেন।
শংকর বারওয়েল সাহেবের অনুপ্রেরণায় লেখালেখি শুরু করে পরবর্তীতে এক সময় বাংলা ভাষার অত্যন্ত বিখ্যাত একজন লেখক হয়ে ওঠেন। (তথ্য সূত্র: https://en.m.wikipedia.org/wiki/Mani_Shankar_Mukherjee )
আইনজীবী পিতার আদরের সন্তান শংকর তার বাবার মৃত্যুর পর নিদারুণ অর্থ কষ্টে পড়ে কিশোর বয়সেই যখন ক্লিনার এবং হকারের কাজ করতে শুরু করেন সেই সময় তিনি তার বন্ধু বান্ধব আত্মীয়স্বজন সহ বহু আপনজনকেই দুঃস্বপ্নের দৃশ্যের মত পুরোপুরি অচেনা আর অপরিচিত হয়ে যেতে দেখলেন।
সূক্ষ্ম পরিবর্তন আর অবহেলা দিয়ে শুরু হলেও পরে তাদের মোটাদাগের রূঢ়তায় সবই পরিস্কার হয়ে যায়।
সেই দুঃসময়ে চারপাশের পৃথিবীর ভয়ঙ্কর নির্মমতা আর কাছের মানুষদের আসল চেহারা খুব দ্রুত বের হয়ে আসে।
সেই উপেক্ষা আর তাচ্ছিল্যে ভরা সময়ে অপরিচিত মানুষের কাছ থেকে মমতা বা সৌজন্যের দেখা পেয়ে বিমূঢ় এবং হতভম্ব হয়ে গেছেন।
তার সেই অভিজ্ঞতাগুলো নানাভাবে বিভিন্ন বইতে উঠে এসেছে।
১৯৫৫ সালে প্রকাশিত তার প্রথম বই "কত অজানারে" বাংলা সাহিত্যে আইনজীবী, মামলা মোকদ্দমা আর আদালত সংশ্লিষ্ট মানুষজনকে নিয়ে লেখা একমাত্র উপন্যাস যেটি কালজয়ী ক্লাসিকের মর্যাদা পায়।
অবহেলিত ও অখ্যাত শংকর কোন রকমে টিকে থাকার ঝুলন্ত পরিস্থিতি থেকে রাতারাতি বিপুল জনপ্রিয়তা, সাফল্য আর সম্মান অর্জন করেন।
ওনার লেখা কাহিনী নিয়ে একাধিক সিনেমা তৈরী করেন বিখ্যাত পরিচালক সত্যজিৎ রায়।
ওনার বই পড়ে ওনার লেখা কাহিনীর সিনেমায় গভীর আগ্রহ সহকারে নায়ক হতে এগিয়ে আসেন উত্তম কুমার।
কারো কারো মন দুর্ভাগ্য, উপেক্ষা, বিদ্রুপ আর তাচ্ছিল্যের আঘাতে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে যায়।
আর কারো মনের জেদ, প্রত্যয় আর সংকল্প সেই আঘাতে ফুলে ফেপে অদম্য হয়ে ওঠে।
এরকম বিষয় নিয়ে লেখা বই, সিনেমা বা টিভি সিরিজ দেখার কথা বললে অনেকেই বলবেন, বাস্তব জীবন তো আর সিনেমা বা টিভি সিরিজ না।
কথা সত্য, তবে এগুলোর অনেকগুলোই বাস্তব জীবনের কাহিনী অবলম্বনে লেখা।
সুতরাং এগুলো থেকে শিক্ষণীয় কিছুই নেই এই কথা ঠিক না।
এসব জিনিস বিশুদ্ধ আইনের বই পড়া বা আদালতে যাবার বিকল্প অবশ্যই না, তবে আইন আদালত সম্পর্কিত এসব কাহিনী পড়তে গিয়ে দরকারী অনেক তথ্য, আইন, অভিজ্ঞতা আর প্রেরণা মাথার মধ্যে ঢুকে যায়।
বাংলা ভাষার বইপত্র খোঁজাখুঁজি করলে দেখা যায় -
সহজবোধ্য ও প্রাণবন্ত বাংলা ভাষায় আইনের বই লেখার বিষয়ে যিনি পথিকৃত সেই বিচারক জনাব গাজী শামছুর রহমানের হৃদয়স্পর্শী আত্মজীবনী "বিচারক জীবনের স্মৃতিচারণ",
কিংবা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি জনাব গোলাম রব্বানির প্রাঞ্জল ভাষায় লেখা আত্মজীবনী "ওকালতি ও জজিয়তি জীবনের জলরেখা",
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি জনাব হামিদুল হকের আগ্রহ উদ্দীপক আত্মজীবনী "বিচার বিভাগে ৪৫ বছর",
বাংলাদেশের প্রথম অ্যাটর্ণি জেনারেল জনাব এম এইচ খন্দকারের লেখা অনুপ্রেরণাদায়ক আত্মজীবনী "Mottoes",
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও সাবেক প্রধান বিচারপতি জনাব লতিফুর রহমানের লেখা আত্মজীবনী "তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দিনগুলি ও আমার কথা" যেখানে ওনার আইনজীবী ও বিচারপতি জীবনের কথা অকপটে তুলে ধরেছেন,
সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদের লেখা বেশ কয়েকটি অভিজ্ঞতা ও তথ্যবহুল বই
- আইনজীবী ও বিচারকদের জীবন নিয়ে লেখা এরকম অসাধারণ বেশকিছু বই ও আত্মকথা আমাদের দেশে রয়েছে।
বিচারপতি লতিফুর রহমান স্যারের বইয়ের শুরুর দিকেই Sir Walter Scott এর চমৎকার একটা কথা দেওয়া আছে -
"Without courage there can be no truth and without truth there can be no virtue." (সাহস ছাড়া সত্য থাকতে পারেনা আর সত্য ছাড়া কোন গুণ টিকতে পারেনা)
ওনার এক চোখ বিশিষ্ট আইনজীবী পিতার পুরোপুরি অন্ধ হবার পরেও দক্ষভাবে মামলা পরিচালনা করা, পিতার অসুস্থতা আর অনটনের মধ্যে ওনার নৈশ কলেজে শিক্ষকতা আর প্রাইভেট টিউশনি করে ঢাকা শহরের বুকে টিকে থাকার আপ্রাণ চেষ্টা, আর সেখান থেকে ধীর কিন্তু নিশ্চিতভাবে আইনজীবী হিসেবে উঠে আসার ঘটনা, সবই এই সাবেক প্রধান বিচারপতির বইতে উঠে এসেছে।
ওনার সাথে একবার দেখা করেছিলাম। আমার আব্বা যিনি ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ এবং বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস এসোসিয়েশন এর সভাপতি ছিলেন তিনি ওনার সাথে একটা আরবিটরেশন প্যানেলে ছিলেন। ঐসময় BIAC (Bangladesh International Arbitration Centre) এ ওনার সাথে দেখা করার জন্য ওনার লেখা বইটা নিয়ে আব্বার সাথে গেলাম। উনি অত্যন্ত সদয়ভাবে আমার সাথে অনেকক্ষণ ধরে উৎসাহব্যঞ্জক সব কথা বললেন।
কিছুদিন আগে খবরের কাগজে দেখলাম স্যার ইন্তেকাল করেছেন। ওনার অটোগ্রাফ যুক্ত বইটা এখনো মাঝে মাঝে চোখে পড়লেই এই অসাধারণ মানুষটির কথা মনে পড়ে।
ভারতের বিচারপতিদের মধ্যে সবচাইতে বিখ্যাত দুইজন বিচারপতির একজন হচ্ছেন জাস্টিস ভগবতী আর অন্যজন হচ্ছেন বিখ্যাত লেখক ও নিপীড়িত মানুষের বিচারপতি হিসেবে পরিচিত ভি আর কৃষ্ণা আইয়ার।
বিচারপতি ভগবতী আইন ব্যাখ্যার জন্য বিখ্যাত কিন্তু বিচারপতি কৃষ্ণা আইয়ার আইনের ব্যাখ্যার পাশাপাশি সংস্কারক হিসেবে বিচিত্র, সাহসী এবং ক্যারিশমাটিক কাজ কর্ম করে বিরাট আলোড়ন সৃষ্টি করেন। উনি নিজের অভিজ্ঞতাগুলো নিয়ে বেশকিছু বিখ্যাত বই লিখেছেন।
চরম বিপদগ্রস্ত আর অসহায় মানুষের চিঠিকে রীটের দরখাস্ত হিসেবে বিবেচনায় নেবার ব্যবস্থা চালু করেছিলেন (estoppelary Jurisdiction) বিচারপতি কৃষ্ণা আইয়ার।
আধুনিক দাসপ্রথার শিকার হওয়া মানুষ, জেলের ভেতরেই অমানবিক নির্যাতনের শিকার হতদরিদ্র নারী এরকম অনেকেই চিঠি লিখে এটির আওতায় রীট জুরিসডিকশনের প্রতিকার পেয়েছিলেন।
এই ধরণেরই অনেকগুলো ভয়াবহ এবং আলোচিত বিষয় ভারতীয় বিচারপতি ভি আর কৃষ্ণা আইয়ার চমৎকার সব সমাধান করে অনুকরণীয় বেশকিছু নজির রেখে গেছেন।
মাঝে মধ্যেই তিনি আদালত থেকে ঘটনাস্থলের আসল অবস্থা পরিদর্শনের ও ফয়সালার জন্য উপস্থিত হয়ে লোকজনকে ভূত দেখার মত চমকে দিতেন।
নিজ রাজ্যের আইন মন্ত্রী, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হবার পর বিচারপতি হয়েছিলেন তিনি !
ক্রিমিনাল জাস্টিস সিস্টেম সংস্কার করার বিষয়ে উনি কিংবদন্তি হয়ে আছেন।
পুলিশের লাগামহীন ক্ষমতা প্রয়োগ আর নৃশংসতার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর কারণে এই প্রতিবাদী স্বভাবের মানুষটি আইনজীবী থাকার সময়েও জেল খেটেছিলেন।
জেলখানার সেই অমানবিক ও অপমানজনক দুঃসহ স্মৃতি আর প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা ওনাকে জেলখানা ও পুলিশ বাহিনী সংস্কারে ভয়ঙ্কর দৃঢ়প্রতিজ্ঞ করে তুলেছিল।
ক্ষমতায় আসার পর তিনি জেলখানা ও পুলিশের বিষয়ে সেই অভিজ্ঞতা ভালোমতোই কাজে লাগিয়েছিলেন।
তাকে এখনো ভারতে স্মরণ করা হয় Keeper of conscience (বিবেকের রক্ষক) বলে আর তার তৈরী করা কেস ল গুলো এখনো উপমহাদেশে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ ও ব্যবহার করা হয়।
শোনা যায় এই অসম্ভব হৃদয়বান মানুষটি অবসর নেবার পরেও নিজের বাড়ির দরজা হতদরিদ্র আর চরম বিপদগ্রস্ত মানুষকে আইনি পরামর্শ আর সহায়তা দেবার জন্য খোলা রাখতেন আর ওনার বাসায় এজন্য ভিড় লেগেই থাকতো।
বিচারপতি ভি আর কৃষ্ণা আইয়ার নিজের আইনি অভিজ্ঞতা নিয়ে অনেকগুলো বই লিখেছেন।
এমনকি নিজের ১০০ বছর বয়স হওয়া উপলক্ষে সেটা সেলিব্রেট করার জন্য ৯৯ বছর বয়সে এসেই একটা বই লিখে রেখেছিলেন। বইয়ের নাম To Work is a Pleasure (কাজ করা আনন্দের)।
শততম জন্মদিনের ঠিক আগেই তিনি মারা যান।
ওনার আত্মজীবনী Wandering in Many Worlds (অনেক জগতে ঘোরাঘুরি)।
তৎকালীন পশ্চিম - পাকিস্তানের সাহসী প্রধান বিচারপতি (১৯৫৮- ৬২) জনাব রুস্তম কায়ানির ক্লাসিক বইগুলোর (Not the whole truth, The Whole Truth, Half-Truth, A Judge May Laugh) কথাও উল্লেখ্য। ওনার দুর্দান্ত হিউমার আর তীক্ষ্ম স্যাটায়ারে ভরা বইগুলো ওনার মৃত্যুর অর্ধশত বছর পরেও গভীর আগ্রহ নিয়ে পড়া লিগ্যাল ক্লাসিকের তালিকায় অন্যতম স্থান ধরে রেখেছে।
এতো সংক্ষেপে বা অল্প সময়ে ওনাদের লেখা বা মামলাগুলোর কথা বর্ণণা করা সম্ভব না।
এগুলো আইনের বিষয়ে লেখা জটিল বা শুকনো বই না, বরং ওনাদের বিচারক ও আইনজীবী জীবনের ঘটনাবহুল আর তথ্য সমৃদ্ধ চমৎকার সব কাহিনী।
যে যাই বলুক বিনোদন ছাড়া মানুষ বাঁচে না।
আর সেই বিনোদনের অংশবিশেষ যদি এগুলো পড়ে বা দেখে হয় তাহলে ক্ষতির পরিবর্তে লাভের সম্ভাবনাই অনেক বেশী।
যারা আইন থেকে আনন্দ আহরণের বিষয়টিকে হাস্যকর মনে করেন এবং বিনোদনের মত হালকা বিষয়ের সাথে আইনের মত সাংঘাতিক সিরিয়াস বিষয়ের যোগসূত্র স্থাপনকে সময় অপচয়ের আরেক ফিকির মনে করেন তারাও নিশ্চয়ই একসময় "Reading for Pleasure" প্রবন্ধটি পড়েছেন, যেখানে ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে, আনন্দের সঙ্গে যা পড়া বা করা হয় তা অনায়াসেই স্মৃতিতে স্থায়ী এবং অর্থবহ হয়, তাই পড়ার মাঝে কোন না কোনোভাবে কেউ আনন্দ খুঁজে পেলে সে সেই বিষয়ে অনায়াসেই গভীরতা, ব্যাপকতা ও শক্তিশালী দখল অর্জনে সক্ষম হয়।
আমাদের জীবনের সাধারণ শিক্ষকরা আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন।
কিন্তু আমাদের জীবনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষকরা শিক্ষা দানের সময় আমাদের গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করে আগ্রহ তৈরী করছেন।
"A good teacher teaches, but a truly great one inspires." - Proverb.
বিশ্বাস করেন আর নাই করেন এসব মহান আইনবিদদের অনেকের আত্মজীবনী বা এরকম ঘটনাগুলো আসলেই অনেক ক্ষেত্রে অনুপ্রাণিত, উদ্দীপ্ত বা অভিভূত করার ক্ষমতা রাখে।
কিন্তু এসব সিনেমা বা বই গভীর আগ্রহ নিয়ে পড়ে বা দেখে খুব কম মানুষই।
বাস্তবে ওনাদের সামনাসামনি কিংবা বেশী সময় পেতে না পারি, ওনাদের বই থেকে অসাধারণ আইডিয়াগুলোর মুখোমুখি হয়ে সেগুলো আমরা নিজেদের মধ্যে ধারণ করতে পারি।
বলাতো যায়না, সেগুলো পড়ে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমাদের মত সাধারণ মানুষদের কেউ কেউ ভবিষ্যতে স্থবিরতা আর অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে অসাধারণ প্রতিভাদীপ্ত, অসমসাহসী বা বৈপ্লবিক সংস্কারমূলক কাজ কর্মও করে ফেলতে পারে।
কথায় আছে - "To believe in the heroic makes heroes."
©Barrister mustasim tanjir vai
স্ত্রী - বুঝলে, আজ রাত্রে আমি রান্না করছিনা, হোটেলে
খাবো।
স্বামী - Done!
স্বামী - হ্যাঁ, তো কোথায় খাবে ভাবছো ? একটা মাঝামাঝি
রেস্টুরেন্টে গেলেই হবে, কি বলো ?
স্ত্রী - মোটেই না। আজ ক্যাণ্ডেল লাইট ডিনার করবো,
রয়্যাল প্যালেস হোটেলে যাবো।
স্বামী - (একটু চুপ থাকার পর) ও, আচ্ছা। ঠিক আছে তবে। সন্ধ্যা
সাতটায় যাবো তৈরী থেকো।
স্ত্রী - Sure
সন্ধ্যা ৬:৩০ মিঃ গাড়িতে করে যেতে যেতে ..
স্বামী - আজকাল ফুচকা ওয়ালার সংখ্যা এ রাস্তায় বেশ বেড়েছে।
জানো তো, একবার আমি বন্ধুদের সঙ্গে বাজি রেখে ৩০ টা
ফুচকা খেয়েছিলাম, আর বাজি জিতে গেছিলাম!
স্ত্রী - এ আর এমন কী বাহাদুরি!
স্বামী - বাহাদুরিই! আমাকে আজ পর্যন্ত ফুচকা খাওয়াতে কেউ
হারাতে পারেনি।
স্ত্রী - ছাড়ো তো! ফুচকা খাওয়াতে তোমাকে আমি গুনে
গুনে হারাতে পারি।
স্বামী - তুমি হাসালে বন্ধু! আমি ভালোমতোই জানি, তুমি গো হারা
হারবে। গোটা বিশেক বড়জোর, তারপরই হাঃ হাঃ হাঃ
স্ত্রী - হয়ে যাক চ্যালেঞ্জ। দাঁড় করাও গাড়ি, এক্ষুণি-
স্বামী ৩০টা ফুচকা খেয়ে কৃত্রিম ঢেঁকুর তুলে খাওয়া বন্ধ করে
দিল। পেট তো স্ত্রীরও ভরে গেছিলো, তবুও আরো
একটা ফুচকা খেয়ে নিয়েই স্ত্রী খুশিতে, আনন্দে চেঁচিয়ে
উঠলেন "জিতে গেছি, জিতে গেছি "।
স্বামী স্মিত হেসে হার স্বীকার করে নিলেন।
বিল এসেছিল ১২০ টাকা আর স্ত্রী যখন ঘরে ফিরেছিলেন, তখন
তিনি ছিলেন জেতার আনন্দে উৎফুল্ল ।
সারকথা: ম্যানেজমেন্টের মুখ্য উদ্দেশ্য এটাই --- মিনিমাম
বিনিয়োগের মাধ্যমে ম্যাক্সিমাম আউটপুট এবং কর্মচারীদের
সম্পূর্ণ সন্তুষ্টি !
-কপিকৃত