We Are Students of Alhaz Abbas Uddin High School.

We Are Students of Alhaz Abbas Uddin High School.

Share

education , information

11/05/2025

্তিঃ নিকোলা টেসলার ইঙ্গিত যে এটি নিছক সংখ্যাতত্ত্ব নয়, বরং সৃষ্টির মূল গোপন কোড⁉️

৩, ৬, ৯ - এই সংখ্যাগুলো শুধু গণিতের গাণিতিক উপাদান নয়, বরং মহাবিশ্বের গভীর কাঠামোর চাবিকাঠি। যদি আমরা ভর্টেক্স ম্যাথ, পবিত্র জ্যামিতি ও শক্তির কম্পাঙ্কের আলোকে দেখি, তাহলে এটি হয়ে ওঠে এক ঐশ্বরিক ভাষা।

🔺 ভর্টেক্স ম্যাথ — সৃষ্টির গোপন ঘূর্ণিপথঃ
➤ মার্কো রোডিন-এর ভর্টেক্স ম্যাথমেটিক্সে সংখ্যাগুলো স্থির নয়, তারা প্রবাহিত হয় এক নিদিষ্ট প্যাটার্নে। সংখ্যাগুলোকে এক অঙ্কে নামিয়ে (যেমন ১৮ → ১+৮ = ৯) একটি গোপন ছক খুঁজে পাওয়া যায়।

১–৯ এর চক্র: • ১ → ২ → ৪ → ৮ → ৭ → ৫ → (আবার ১), এই চক্রটি হলো পদার্থগত সৃষ্টির ধারা।
কিন্তু ৩, ৬ ও ৯? তারা এই চক্রের বাইরে। তারা গঠন করে এক ঐশ্বরিক ত্রয়ী:

• ৩ + ৩ = ৬
• ৬ + ৬ = ১২ → ১ + ২ = ৩ (৩ ও ৬-এর চক্র)
• ৩ + ৬ = ৯
• ৯ + ৯ = ১৮ → ১ + ৮ = ৯

৯ নিজেই নিজের প্রতিফলন—একটি চিরস্থায়ী উৎস।
৯ হলো কেন্দ্রবিন্দু, উৎসস্থল, এক পবিত্র গর্ভ।

🔺 পবিত্র জ্যামিতি — আলোর ত্রিভুজঃ
➤ এই ধারণাকে এক ম্যান্ডালার মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয় যেখানে ৩, ৬ ও ৯ গঠন করে এক ত্রিমাত্রিক কাঠামো।

• ৩: সৃষ্টির বিন্দু (পিতা)
• ৬: গর্ভধারণের বিন্দু (মাতা)
• ৯: পূর্ণতার বিন্দু (আত্মা)

এই তিনটি মিলে পিথাগোরাস ও হারমেটিক চিন্তাধারায় উল্লিখিত তেট্র্যাকটিস বা ঐশ্বরিক নিঃসরণ ত্রিভুজকে প্রতিফলিত করে।

🔺 মহাজাগতিক কম্পাঙ্ক — সলফেজিওর সংযোগঃ
➤ প্রাচীন সঙ্গীত সুর-ব্যবস্থায় পাওয়া যায়:

• ৩৯৬ Hz: অপরাধবোধ ও ভয়ের মুক্তি
• ৬৩৯ Hz: সম্পর্কের ভারসাম্য
• ৯৬৩ Hz: উচ্চতর চেতনার সঙ্গে সংযোগ
☞ ৩, ৬, ৯—এই কম্পাঙ্কগুলো হলো চেতনার প্রবেশদ্বার।

🔺 টেসলার আগ্রহ — কেন তিনি গুরুত্ব দিতেনঃ
➤ নিকোলা টেসলা বিশ্বাস করতেন, শক্তি, কম্পাঙ্ক ও স্পন্দন, এই তিনটি হলো বাস্তবতার মূলস্তম্ভ। তিনি জানতেন, মহাবিশ্ব এক গাণিতিক কোডে গঠিত, এবং ৩, ৬, ৯ সেই কোডের চাবি।

☞ অর্থাৎ "যদি তুমি ৩, ৬ এবং ৯-এর মাহাত্ম্য জানতে, তাহলে তুমি মহাবিশ্বের চাবি হাতে পেতে।"
তিনি কথাটি রূপক অর্থে বলেননি, বরং এক কসমিক ভাষা-র দিকে ইঙ্গিত করেছিলেন, যা আমাদের বাস্তবতার গভীরে অনুরণিত হয়।

🔴 সারকথা — সৃষ্টির ঐশ্বরিক ত্রয়ী:

• ৩ = জন্ম / শক্তি / মনের প্রকাশ
• ৬ = প্রবাহ / কম্পাঙ্ক / দেহের রূপ
• ৯ = পরিপূর্ণতা / স্পন্দন / আত্মার মুক্তি

এই তিনটি মিলে গঠন করে সৃষ্টি, কম্পন ও আত্মোন্নতির পরিপূর্ণ চক্র।

তারা হলো মহাবিশ্বের নকশা।
তারা হলো চাবিকাঠি।
তারা হলো সংখ্যার মধ্যে ঈশ্বরের ভাষা।

(সংগৃহীত)

29/03/2025

সকল বন্ধু বান্ধব এবং আত্বীয় স্বজন সকল কে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা। সকলের জীবন সুন্দরময় হোক।

17/08/2022

না ফেরার দেশে চলে গেলেন আমাদের
আলহাজ্ব আব্বাস উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের
"""""বাবুল ভাই"""
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন।

01/05/2022

দেশ বিদেশের সবাইকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা,ঈদ মোবারক।

18/03/2022

১..বাংলাদেশে নিউটন তৈরী হয়না
কেন জানেন?

✓কারণ, এখানে গোল্ডন-A+ ছাড়া আর কাউকেই ছাত্র বলে গণ্য করা হয় না।

২..এদেশে বিলগেটস তৈরী হয়না কেন
জানেন?

✓কেননা, ভার্সিটি গুলোতে ১ লাখ ছাত্রকে পরীক্ষার সুযোগ দিয়ে ১ হাজার রেখে আর বাকিদের বের করে দেয়া হয়।

৩.. এদেশে আইনস্টাইন তৈরী হয়না কেন জানেন?

✓কারণ শিক্ষার হার বাড়াতে
ছেলে, মেয়েদের মিথ্যা A+ এর স্বপ্ন দেখানো হয়।

৪..এদেশে স্টিফেন হকিং তৈরী হয়না কেন জানেন?

✓কারণ এখানে পড়ানো হয়না মোবাইল, কম্পিউটার কিভাবে তৈরি করা হয়েছে।

এখানে পড়ানো হয় মোবাইল, কম্পিউটার আবিষ্কার করেছে কে? তার জন্ম কত সালে? তার বাপের নাম কি? ১৪ গুষ্টির নাম কি?

৫..এখানে নীল আর্মস্টং তৈরী হয় না কেন জানেন?

✓কারণ আমরা পড়ালেখা করি বড় লোক হওয়ার আশায়।
জ্ঞান অর্জন করার আশায় নয়।

কথা গুলো শুনতে খুব খারাপ লাগলেও এটাই বাস্তব।

কালেক্টেড

08/01/2022

একজন প্রজ্ঞাময় বৃদ্ধকে
জিজ্ঞেস করা হয়েছিল. "পুরুষ কি কাঁদে?
তিনি জবাব দিয়েছিলেন, হ্যা, পুরুষ কাঁদে,
অবশ্যই কাঁদে।
যে প্রশ্ন করেছিল সে অবাক হয়ে বললো,
পুরুষও কাঁদে? কখন? কিভাবে? কি এমন কারণ থাকতে পারে, যাতে করে পুরুষ কেঁদে উঠবে?

বৃদ্ধ বললেন,

পুরুষ কাঁদে, যখন তার মায়ের মত
আপন মানুষগুলো এই দুনিয়া ছেড়ে চলে যায়,

পুরুষ কাঁদে, যখন সে তার বাবা মা দুজনকেই হারায়,

পুরুষ কাঁদে, যখন তার সন্তান অসুস্থ হয়ে পড়ে,
পুরুষ কাঁদে, যখন সে তার মেয়ের বিয়ে দেয়,

পুরুষ কাঁদে, যখন তার অকৃতজ্ঞ
একগুঁয়ে সন্তান তাকে সবার সামনে অপমান করে,

পুরুষ কাঁদে, যখন সে বুঝতে পারে সে আসলে কি ভীষণ অসহায়, জীবন যুদ্ধ তাকে কিভাবে গোলাম বানিয়ে রেখে দিয়েছে.

পুরুষ কাঁদে, যখন সে তার ভালবাসার
মানুষগুলোর ভরণ পোষণ করতে ব্যর্থ হয়,

তাদের সামান্যতম সখগুলোও সে যখন আর
মিটাতে পারে না,

পুরুষ কাঁদে, যখন সে তার নিজের
মা, মাটি আর দেশ থেকে অনেক দূরে,
ভালবাসার মানুষগুলোকে একটু ছুঁতেও পারে না, একটু আদরও করতে পারে না,

হ্যা, পুরুষ কাঁদে, কিন্তু... সে তখনই কাঁদে,
যখন সে আঁধারের অতলে...
যখন ঝুম বৃষ্টি নামে...
যখন তার পাশে বালিশটা ছাড়া আর কেউই নেই...

পুরুষের সেই অশ্রু তার চোখের গর্ত থেকে
বেরিয়ে আসে না, যা অন্য কেউ দেখে ফেলবে,
পুরুষের অশ্রু বেরিয়ে আসে তার হৃদয়ের গহীন থেকে, কখনো সেটা একটা দীর্ঘশ্বাস, কখনো বিস্ময়ে হতবাক হয়ে তাকিয়ে থাকা,

পুরুষের অশ্রুতে তার চামড়ায় ভাঁজ পড়ে,
চুল দাড়ি পেকে যায়,
তার হাত দু'টো কেঁপে কেঁপে ওঠে।

এতটুকু বলে সেই বৃদ্ধ আর নিজেকে ধরে রাখতে পারলেন না,

নিজেই কেঁদে উঠলেন তিনি, বললেন,
হ্যা রে মা, ঠিক এভাবেই পুরুষ মানুষ কেঁদে ওঠে, কাঁদতে থাকে।

Do Men Cry Tears?
~ Osama Hassan
অনুবাদ. ২০২২

Collected

21/11/2021

❇️❇️ ইতিবাচক মানসিকতা + পরিশ্রম= সাফল্য

🌀দরিদ্র পরিবারের পিতৃহারা ছেলেটি ক্লাসে প্রায়শই চুপ করে বসে থাকত অমনোযোগী হয়ে । একদিন তাঁর শিক্ষক তাকে একটি চিঠি দিয়ে বললেন, “আপনি এটি আপনার মাকে দিন।” তাঁর মা চিঠিটি পড়ে মন দিয়ে ভাবলেন ।

🌀পুত্র তার মাকে জিজ্ঞাসা করলেন, মা এই চিঠিতে কী লিখেছেন? মা বললেন, লেখা আছে আপনার ছেলে ক্লাসে সবচেয়ে স্মার্ট। আমাদের এমন শিক্ষক নেই যাঁরা আপনার সন্তানকে শিক্ষা দিতে পারেন। অতএব, আপনি অন্য স্কুলে ভর্তি করান। ছেলেটি খুশি হয়ে গেল। এবং একই সাথে তার আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যায়।
🤔তিনি ভাবতে শুরু করলেন যে তাঁর বিশেষ কিছু আছে👌।

🌀পরের দিন, তার মা তাকে অন্য স্কুলে ভর্তি করান। ছেলেটি অধ্যবসায়ের সাথে অধ্যয়ন করেছিল এবং একদিন তার কঠোর পরিশ্রমের ফলে দুর্দান্ত সাফল্য অর্জন করেছিল। ছেলেটি আর কেউ নন 📢 বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন⚠️ মা বৃদ্ধ ছিলেন। একদিন তাঁর মৃত্যু হয়। হঠাৎ তিনি তার মায়ের আলমারিটি খুললেন এবং তার জিনিসগুলি দেখতে লাগলেন। তিনি একটি চিঠির দিকে তাকালেন। এটিই একই চিঠি ছিল যা তার শিক্ষক তার মাকে দিয়েছিলেন।

🌀এই চিঠিতে লেখা হয়েছিল যে আপনার ছেলে পড়াশুনায় খুব দুর্বল তা আপনাকে জানাতে আমরা অত্যন্ত দুঃখিত। এর বয়স যেভাবে বাড়ছে, তার বুদ্ধি সেভাবে বিকাশ করছে না। সুতরাং আমাদের স্কুলে ওর আর লাভ নেই। আপনি অন্য স্কুলে ভর্তি করান বা বাড়িতে শেখান।

🌀এমন চিঠি পড়ার পর আইনস্টাইনের মায়ের সেই পজেটিভ কথাটায় তাঁর ছেলের চিন্তাভাবনা বদলে গেল। একইভাবে, আপনিও নিজের মানসিকতা পরিবর্তন করতে পারেন। নিজেকে ভাবুন যে ছেলেটি একটি স্কুলের অমনোযোগী,অযোগ্য ছাত্র ছিল, তাহলে তিনি কীভাবে আইনস্টাইন হয়ে গেলেন? শুধু তাঁর মায়ের দেয়া পজেটিভ উত্তরের প্রেক্ষিতে তাঁর চিন্তাভাবনা দ্বারা। তিনি ধরে নিয়েছিল যে তিনি বিশেষ। আমরা নিজের সম্পর্কে যা ভাবি, তা আমাদের জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

❇️তাই চলুন, বাঁচি আশায় আর সে লক্ষ্যে লেগে থাকি😍😍

04/11/2021

ছাত্রের ফেলের খবর দেয়া শিক্ষকের সাথে ছাত্রের বাবার দারুণ কথোপকথন:

-আপনি কি খালেদ আলম ?
- জ্বি, বলছি।
-ফাহাদ আলম কি আপনার ছেলে?
-জ্বি, আপনি কে বলছেন?
-আমি আপনার ছেলের ইউনিভার্সিটি থেকে বলছি। মাহবুবুল হক। হেড অফ ডিপার্টমেন্ট।

-ও, আচ্ছা। কেমন আছেন, স্যার?
- জ্বি, ভালো। আপনার ছেলে সম্পর্কে কিছু কথা বলার ছিল। ও তো কিছুদিন আগে থার্ড সেমিস্টার শেষ করেছে। সেমিস্টার ফাইনালের রেজাল্ট প্রকাশ হয়েছে দুই দিন আগে। আপনার ছেলে দুই কোর্সে ফেল করেছে। আপনাকে কি বলেছে?
- জ্বি, বলেছে।

-আমাদের ইউনিভার্সিটিতে কিছু নিয়ম-কানুন আছে। ফেল করলে আমরা ছাত্রদের আবারও পরীক্ষায় বসে পাস করার সুযোগ দেই। এরপরও ফেল করলে ইউনিভার্সিটিতে রাখার নিয়ম নেই।
-তা এসব আমাকে কেন বলছেন?

থতমত খেয়ে গেলেন ও প্রান্তের ব্যক্তি।
-না, মানে, আমি বলছিলাম আপনার ছেলে ফেল করেছে। আপনার কি উচিত না তার পড়াশোনার প্রতি খেয়াল রাখা?
-আমাকেই যদি তার পড়াশোনার দায়ভার নিতে হয়, তাহলে আপনি কী জন্যে আছেন?
-না, মানে আমি বলছিলাম আপনি কাউন্সেলিং করতে পারেন, বোঝাতে পারেন।
-অবশ্যই আমি তার সাথে কথা বলতে পারি। কিন্তু শিক্ষক হিসেবে আপনি কি তার সাথে কথা বলেছেন?
-মানে? বুঝলাম না!
-আমি বলতে চাইছি, আমার ছেলে যে ফেল করল, গলদটা কোথায় বোঝার চেষ্টা করেছেন কি? দোষ পুরোটা কি ওর একার? আপনার কোনও দায়ভার নেই?

-কী বলতে চাইছেন আপনি?
-দেখুন, স্যার, খুব স্পষ্ট আর সহজ ভাষায় বলছি। এভাবে ছাত্রের ব্যর্থতায় সরাসরি মা-বাবাকে তলব করার আগে আপনাদের পাঁচবার ভাবা উচিত। পড়াশোনার জন্য ছেলেকে পাঠিয়েছি আপনাদের কাছে। তাকে পড়াতে না পারার, পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে না পারার, সফলতার পথ দেখাতে না পারার ব্যর্থতাটুকু পুরোপুরি আপনাদের। বাবা-মা কোনও শিক্ষক নন যে এসব পালন করবেন। এ দায়িত্বটুকু পালনের ভার আপনাদের উপরে দেয়া হয়েছে। কই, বেতন তো ঠিকই নেন। ছাত্রের সফলতারও ভাগ চান। তাহলে ব্যর্থতার ভার কেন শুধু ছাত্র আর মা-বাবার ওপরে চাপবে?

-আমি আসলে ওভাবে বুঝাতে চাইনি।
-কোনওভাবেই বোঝানোর দরকার পড়ত না, যদি যথাযথ শিক্ষকের দায়িত্ব আপনারা পালন করতে পারতেন।
-আমি রাখছি।
- দাড়ান । আপনার বাবার ফোন নম্বরটা পাঠিয়ে দেন।
-মানে? কেন?
-ব্যর্থ ছাত্রের পিতাকে ফোন করে যে দায়িত্ব আপনি পালন করেছেন, ব্যর্থ শিক্ষকের বাবাকে ফোন করে আমিও একই দায়িত্ব পালন করতে চাই!

Collected

18/09/2021

রাস্তার পাশেই একটি রেস্তোরা। ঐ রেস্তোরার ক্যাশ কাউন্টারে এক ভদ্রমহিলা এলেন আর বললেন ৫ টা কফি আর একটা সাসপেনশন। তারপর উনি পাঁচটি কফির বিল মেটালেন আর চার কাপ কফি নিয়ে চলে গেলেন।

কিছুক্ষণ পরে এক ভদ্রলোক এসে বললেন, দুটো লাঞ্চ প্যাক করুন আর দুটো সাসপেনশন রাখুন। উনি চারটে লাঞ্চের বিল মেটালেন আর দুটো লাঞ্চ প্যাকেট নিয়ে চলে গেলেন।

তার কিছুক্ষণ পর আরো একজন এলেন। অর্ডার করলেন দশটা কফি; ছটা সাসপেনশন। উনি দশটা কফির পেমেন্ট করলেন আর চারটে কফি নিয়ে গেলেন।

এভাবেই একের পর এক চলতে লাগলো। বেশ কিছুক্ষণ পরে একজন বৃদ্ধ ব্যক্তি জর্জর অবস্থায় কাউন্টারে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন কোনো সাসপেনশন কফি আছে?
কাউন্টার থেকে জানানো হলো অবশ্যই আছে এবং এক কাপ গরম কফি ওনাকে দেওয়া হলো।

তারও অল্প কিছুক্ষণ পরে এক দাড়িওয়ালা ভদ্রলোক ভিতরে এসে জিজ্ঞাসা করলেন আজ কি কোনো লাঞ্চ সাসপেনশনে রাখা আছে? কাউন্টার থেকে যথারীতি সম্মতি জানিয়ে তাকে গরম খাবারের একটি পার্সেল আর এক বোতল জল দেওয়া হলো।

এই ব্যাপারটা সারাদিন চলছে তো চলছেই। কিছু মানুষ নিজেদের পকেট থেকে, নিজেদের অর্জিত রোজগার থেকে কিছু অজানা মানুষের খাওয়ার জন্যে পেমেন্ট করছেন; আর কিছু গরীব দুস্থ মানুষ বিনা পেমেন্টে নিশ্চিন্তে খাওয়া দাওয়া করছেন। দিনভর চলছে এই কান্ড।

অথচ কেউ জানেনা কারোরই পরিচয়। না দাতা জানে গ্রহীতার পরিচয়, না গ্রহীতা জানে দাতার পরিচয়। প্রয়োজন নেই পরিচয় জানার। প্রয়োজন নেই নিজের নাম জাহির করার। কিন্ত প্রয়োজন আছে কিছু অভুক্ত মানুষের মুখে অন্ন তুলে দেবার এবং সেটা একেবারেই গোপনে।

মানবিকতার এই চরম শিখরে পৌঁছনো দেশটির নাম "তুরস্ক" এবং তুরস্কের দেখাদেখি এই পরম্পরা ছড়িয়ে পড়ছে নরওয়ে সহ ইউরোপের অন্যান্য দেশেও। আমাদের দেশ বাংলাদেশে কি এই ব্যবস্থাটা করা যায় না? তাহলে হয়তো অসহায় ও দরিদ্র মানুষেরা খাবারের অভাবে না খেয়ে থাকতে হত না।

Collected

11/08/2021

ভারতের একটা শহরের পঞ্চম শ্রেণী প্রাথমিক স্কুলের এক শিক্ষিকা,যাঁর অভ্যাস ছিল, ক্লাস শুরু হওয়ার আগে রোজ তিনি "আই লাভ ইউ অল" বলতেন। কিন্তু তিনি জানতেন, তিনি সত্য বলছেন না। তিনি জানতেন ক্লাসের সবাই কে এক রকম ভাবে তিনি ভালবাসেন না।

রাজু নামে একটা বাচ্চা ক্লাসে যাকে তিনি মোটেও সহ্য করতে পারতেন না। রাজু ময়লা জামা-কাপড় পড়ে স্কুলে আসতো। তার চুলগুলো থাকত উষ্কো-খুষ্কো, খোলা থাকে জুতার বকলেস,শার্টের কলারে ময়লা দাগ, ক্লাসে পড়া বোঝানোর সময়ও সে থাকে খুব অন্য মনস্ক। মিস এর বকুনি খেয়ে, চমকে তাঁর দিকে তাকিয়ে থাকতো সে। কিন্তু তার শূন্য দৃষ্টি দেখে স্পষ্ট বোঝা যেত যে, রাজু শারীরিক ভাবে ক্লাসে উপস্থিত থাকলেও তার মন অন্য কোনখানে উধাও হয়ে গেছে, রাজুর প্রতি ধীরে ধীরে মিস এর মনে ঘৃণার উদ্রেক হলো।

রাজু ক্লাসে ঢুকতেই, মিসের সমালোচনার শিকার হতো। সব রকম খারাপ কাজের উদাহরন রাজুর নামে হতে থাকল। বাচ্চারা তাকে দেখে আর খিলখিল করে হাসে, মিসও তাকে অপমান করে আনন্দ পান। রাজু যদিও এইসব কথার কোনও উত্তর দিতো না। মিস এর তাকে নিষ্প্রাণ পাথর বলে মনে হতো, যার মধ্যে অনুভূতি নামে কোন জিনিস ছিলো না। সমস্ত ধমক, ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ আর শাস্তির জবাবে সে শুধু নিজের ভাবনায় শূন্য দৃষ্টিতে তাঁকে দেখতো, আর মাথা নীচু করে নিতো। এই ভাবে সে মিস এর অত্যন্ত বিরাগ ভাজন হয়ে উঠলো।

প্রথম সেমিস্টার শেষ হয়ে রিপোর্ট বেরোনোর সময় হলে মিস রেজাল্ট কার্ডে তার সম্পর্কে সব খারাপ কথা লিখে দিলেন l মা -বাবাকে দেখানোর আগে রিপোর্ট কার্ড হেড মিস্ট্রেসের কাছে পাঠাতে হতো। তিনি রাজুর রিপোর্ট দেখে মিসকে ডেকে পাঠালেন এবং বললেন, "মিস ! রিপোর্ট কার্ডে কিছু তো অনুপ্রেরণার কথা লেখা উচিত্ ! আপনি তো যা কিছু লিখেছেন তার থেকে রাজুর বাবা একদম নিরাশ হয়ে যাবেন।" মিস বললেন, "আমি মাফ চাইছি, কিন্তু রাজু এক খারাপ আর নিষ্কর্মা বাচ্চা, আমার মনে হয়না আমি ওর সম্পর্কে ভাল কিছু লিখতে পারবো !" মিস ঘৃণার সাথে এই কথা বলে উঠে এলেন সেখান থেকে।

হেড মিস্ট্রেস অদ্ভুত একটা ব্যাপার করলেন, তিনি চাপ রাশির হাত দিয়ে মিসের ডেস্কের ওপরে রাজুর আগের বছরের রিপোর্ট কার্ড রেখে দিলেন। পরের দিন যখন মিস ক্লাসে ঢুকলেন তখন রিপোর্টের ওপরে নজর পড়তে, উল্টে দেখেন সেটা রাজুরই রিপোর্ট কার্ড ! ভাবলেন আগের বছরও নিশ্চয়ই সে এইরকম আচরণ করেছে ! ভাবার সাথে সাথেই তৃতীয় শ্রেণীর রিপোর্টটা খোলেন, রিপোর্টের মন্তব্য পড়ে ওনার আশ্চর্যের সীমা রইলো না, রাজুর উচ্ছ্বসিত প্রশংসায় রিপোর্ট কার্ডটি ভরা, তাতে লেখা আছে, "রাজুর মতো বুদ্ধিমান বাচ্চা আমি আজ পর্যন্ত দেখিনি। অতি সংবেদনশীল বাচ্চা এবং নিজের সহপাঠী আর শিক্ষকের প্রতি সম্মান এবং সহযোগিতা করে। অন্তিম সেমিস্টারেও রাজু প্রথম স্থান আধিকার করে নেয়। অস্থির ভাবে মিস চতুর্থ শ্রেণীর রিপোর্ট খোলেন, সেখানে লেখা আছে "রাজুর লেখা পড়ার ওপর তার মায়ের অসুখের গভীর প্রভাব পড়ছে, পড়াশোনার প্রতি অমনোযোগী হয়ে উঠছে। রাজুর মা মারা গেছে এবং সঙ্গে রাজুর জীবনের যাবতীয় আশা ভরসা আর সুন্দর ভবিষ্যতের আলোও, তাকে বাঁচাতে হবে। আরও দেরী হয়ে যাওয়ার আগে, মিস এর মাথায় যেন অত্যন্ত ভারী বোঝা চেপে আছে, কাঁপা হাতে তিনি রিপোর্ট কার্ড বন্ধ করেন। তার নয়ন অশ্রুসজল হয়ে উঠলো, টপ টপ করে চোখের জল ঝরতে লাগলো।

পরের দিন যখন ক্লাসে ঢুকলেন তাঁর নিজের চির অভ্যস্ত বাক্যের পুনরাবৃত্তি করলেন, "আই লাভ ইউ অল। কিন্তু বুঝতে পারছিলেন আজও তিনি সত্যের অপলাপ করছেন। কারণ এলোমেলো চুলে এই ক্লাসে বসে থাকা বাচ্চাটা, রাজুর প্রতি যে স্নেহ তিনি হৃদয়ে অনুভব করছিলেন, তা' ক্লাসের অন্য বাচ্চাদের জন্য হওয়া সম্ভবই ছিল না। পড়া বোঝানোর সময় রোজের দিনচর্চার মতো রাজুর দিকে একটা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন, আর রাজুও রোজের মতো মাথা নীচু করে নিলো। যখন বেশ কিছুক্ষণ পর্যন্ত মিস এর ধমক বা শ্লেষাত্মক কথার কোনটাই বা সহপাঠীদের সম্মিলিত হাসির শব্দ কানে এলো না তখন সে আচমকা মাথা উঁচু করে তাঁর দিকে চেয়ে রইলো। অপ্রত্যাশিতভাবে তার মাথা আজ মুন্ডিত, কেশহীন ছিলো। তাঁর মুখে মৃদু হাসি। তিনি রাজুকে কাছে ডাকলেন এবং প্রশ্নের উত্তর বলে দিয়ে তা' আওড়াতে বললেন। রাজু তিন-চারবার চেষ্টার পর অবশেষে বলতে পারলো। তার জবাব দেওয়ার সাথে সাথে মিস খুশি হয়ে শুধু নিজে তালি দিলেন না, বরং অন্য সব বাচ্চাদের দিয়েও তালি দেওয়ালেন। তারপরে এটা প্রত্যেক দিনের দিনচর্চা হয়ে গেলো। মিস সব উত্তর নিজের থেকে দিতেন, তারপর সস্নেহে রাজুকে বাহবা দিতেন। সব ভালো কাজের উদাহরণে রাজুর নাম বলা হতে লাগলো। ধীরে ধীরে বিষণ্ণতার কবর ফুঁড়ে রাজু বেরিয়ে আসলো। এখন থেকে আর মিস কে প্রশ্নের সাথে উত্তর বলে দেওয়ার প্রয়োজন হতো না। সে রোজ সঠিক উত্তর দিয়ে সবাই কে প্রভাবিত করতো এবং নতুন নতুন প্রশ্ন করেও হয়রানও করতো।তার চুলগুলো এখন অনেকটা পরিপাটি থাকে, জামাকাপড়ও যথেষ্ট পরিষ্কার থাকে, হয়তো সে নিজেই কাচঁতে শুরু করে ছিল। দেখতে দেখতে বছর শেষ হয়ে গেল, রাজু দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণ হলো।

বিদায় কালীন সমারোহে সব বাচ্চারা মিস এর জন্য সুন্দর সুন্দর উপহার নিয়ে এলো, আর মিস এর টেবিলের ওপর একের পর এক পাহাড় জমে গেলো। এত সুন্দর ভাবে প্যাক করা উপহারের মধ্যে পুরানো কাগজে অগোছালো ভাবে মোড়া একটা উপহার পড়ে ছিলো। বাচ্চারা তাই দেখে হাসতে লাগলো। কারও জানতে বাকি রইলো না যে, উপহার হিসেবে সেটা রাজুই এনেছে। মিস উপহারের এই ছোট পাহাড় থেকে সেটা বার করে আনলেন, খুলে দেখলেন তার ভিতরে মহিলাদের আতরের অর্ধেক ব্যবহার করা একটা শিশি আর এক হাতে পরার মতো বড় একটা বালা যার বেশির ভাগ মোতি ঝরে গিয়ে ছিলো। মিস চুপচাপ শিশি থেকে নিজের গায়ে আতর ছিটিয়ে দিলেন এবং বালাটা হাতে পরে নিলেন। বাচ্চারা এই দৃশ্য দেখে খুব অবাক হয়ে যায়। রাজু নিজেও, শেষ পর্যন্ত রাজু থাকতে না পেরে মিসের কাছে এসে দাঁড়িয়ে পড়লো। কিছুক্ষণ পর সে থমকে থমকে মিসকে বলল, "আজ আপনার গা' থেকে আমার মায়ের মতো গন্ধ আসছে।

সময় পাখা মেলে উড়তে লাগলো। দিন সপ্তাহে, সপ্তাহ মাসে আর মাস বছরে বদলাতে আর কোথায় সময় লাগে ? কিন্তু প্রত্যেক বছরের শেষে রাজুর কাছ থেকে একটা চিঠি নিয়মিত ভাবে আসতো, যাতে লেখা থাকে, "এই বছর অনেক নতুন টিচারের সংস্পর্শে এসেছি কিন্তু আপনার মতো কেউ ছিলো না। তারপর রাজুর স্কুল পর্ব শেষ হয়ে গেলো এবং চিঠির ধরাবাহিকতা হলো শেষ।

কয়েক বছর পর মিস এরও অবসর হয়ে গেল। একদিন তাঁর নিজের মেলে রাজুর চিঠি পেলেন যাতে লেখা ছিলো, "এই মাসের শেষে আমার বিয়ে, আপনাকে ছাড়া বিয়ের কথা ভাবতে পারি না, আরেকটা কথা, জীবনে আমি অনেক লোকের সাথে মিশেছি, আপনার মতো কেউ নেই, ডক্টর রাজু, সাথে প্লেনে যাওয়া আসার টিকিটও খামের মধ্যে দিয়েছিলো।

মিস নিজেকে কিছুতেই আটকে রাখতে পারছিলেন না। তিনি স্বামীর থেকে অনুমতি নিয়ে অন্য শহরে যাওয়ার জন্য রওনা দিলেন। বিয়ের দিনে যখন বিয়ের আসরে উপস্থিত হলেন, তখন খানিকটা দেরী হয়ে গিয়েছিলো। তাঁর মনে হয়েছিল বিয়ের অনুষ্ঠান নিশ্চয়ই শেষ হয়ে গেছে, কিন্তু এটা দেখে তাঁর আশ্চর্য হওয়ার সীমা ছিলো না, শহরের বড় বড় ডাক্তার, বিজনেসম্যান, এমন কি বিয়ে দেবেন যিনি সেই পণ্ডিতজীও ক্লান্ত হয়ে পড়ে ছিলেন, যে এখনও কার আসা বাকি আছে, কিন্তু রাজু বিয়ের অনুষ্ঠানের মণ্ডপের বদলে গেটের দিকে চোখ লাগিয়ে তাঁর আসার অপেক্ষা করছিলো। তারপর সবাই দেখে ছোটবেলার সেই টিচার গেটের ভিতরে ঢুকতেই রাজু তাঁর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে হাত ধরেছে, যে হাতে তিনি এখনও সেই খারাপ হয়ে যাওয়া বালাটা পরে ছিলেন, তাঁকে সসম্মানে মঞ্চে নিয়ে যাওয়া হলো। মাইক হাতে নিয়ে সে এইরকম কিছু বললো, "বন্ধুরা ! আপনারা সবাই সব সময় আমাকে আমার মায়ের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতেন? আর আমি আপনাদের সবার কাছে প্রতিজ্ঞা করতাম যে, খুব শিগগির সবাই কে তাঁর সাথে পরিচয় করিয়ে দেবো, ইনি আমার মা "

(সংগৃহিত)

20/07/2021

সবাই কে ঈদুল আজহা এর শুভেচ্ছা

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Section 11, Block/c, Avnew 5, Road 15, Pallabi, Mirpur Dhaka
Dhaka
1216