সালাতঃ আল্লাহর হক [রাসূলুল্লাহর(সঃ) সালাত]

সালাতঃ আল্লাহর হক [রাসূলুল্লাহর(সঃ) সালাত]

Share

"তোমরা সেভাবে সালাত আদায় কর, যেভাবে আম?

05/10/2024
Photos from সালাতঃ আল্লাহর হক [রাসূলুল্লাহর(সঃ) সালাত]'s post 06/05/2024

ফজরের সালাতের ১০টি ফজিলত।

এগুলো জানার পর কারো আর ফজর সালাতে গাফেলতি, অলসতা আসবেনা... ইনশাআল্লাহ্
🔘১.ফজরের সালাত মুমিন ও মুনাফিকের মধ্যে পার্থক্যকারী,কেননা রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মুনাফিকের জন্য ফজর সালাত আদায় কষ্টকর!
__(বুখারী ৬৫৭,৬৪৪,২৪২০,৭২২৪...মুসলিম--৬৬১)
🔘২.রাসূল (সাঃ) বলেন, "যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করে, সে ব্যক্তি ঐ দিন আল্লাহর জিম্মায় চলে যায়।অর্থাৎ স্বয়ং আল্লাহ তালা ঐ ব্যক্তির দায়িত্ব নেন।
__(সহিহ মুসলিম,তিরমিজি--২১৮৪)
🔘৩.রাসূল (সাঃ) বলেছেন, "যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করবে,আল্লাহর ফেরেশতাগন আল্লাহর কাছে ঐ ব্যক্তিকে ভালো মানুষ হিসেবে সাক্ষী দিবে।
__(বুখারী-মুসলিম)
🔘৪. রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
"যে ব্যক্তি ফজর সালাত জামাতের সাথে আদায় করে,আল্লাহতালা তার আমলে দাঁড়িয়ে সারারাত নফল নামাজ আদায়ের সওয়াব দিয়ে দেন!
__(সহিহ মুসলিম-১০৯৬)
🔘৫. রাসূল (সাঃ) বলেছেন, " যে ব্যক্তি ভোরে হেঁটে হেঁটে ফজরের সালাত আদায়ের জন্য মসজিদে প্রবেশ করবে,আল্লাহতালা কিয়ামতের দিন তার জন্য পরিপূর্ণ আলো দান করবেন।
__(আবু দাউদ --৪৯৪,,,,তিরমীযি)
🔘৬.যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের সবচেয়ে বড় নিয়ামত দান করবেন।অথাৎ সে আল্লাহর দিদার লাভ করবে, এবং জান্নাতি ঐ ব্যক্তি আল্লাহকে পূর্নিমার রাতের আকাশের চাঁদের মত দেখবে।__(বুখারী-৫৭৩)
🔘৭.যে নিয়মিত ফজরের সালাত আদায় করবে,সে কখোনোই জাহান্নামে প্রবেশ করবেনা।
__(সহিহ মুসলিম ৬৩৪)
🔘৮.ফজরের সালাত আদায়কারী,রাসূল (সাঃ)-এর বরকতের দোয়া লাভ করবেন।
__(সুনানে আবু দাউদ,মুসনাদে আহমাদ)
🔘৯.ফজরের দু রাকাত সুন্নত সালাত, দুনিয়া ও তার মাঝে যা কিছু আছে তারচেয়ে উত্তম।
__(জামে তিরমিজি - ৪১৬)
🔘১০..ফজরের সালাত আদায়ের ফলে ব্যক্তির মন ফুরফুরে,প্রফুল্ল হয়ে যায়।
__(সহিহ বুখারী, সহিহ মুসলিম)
সুবহানআল্লাহ......আল্লাহর আমাদের উপরোক্ত সব নিয়ামতের ভাগীদার করুন।

29/06/2019

সিজদায়ে সাহও বা ভুলের সিজদা
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
মানুষের দ্বারা ভুল ভ্ৰান্তি হওয়া স্বাভাবিক। দুনিয়ার কাজে যেমন তার দ্বারা ভুল হয় তেমনি ইবাদাতের কাজেও শয়তান তাকে অনেক সময় ভুলিয়ে দেয়। সে জন্য আল্লাহর রসূল ﷺ বলেন, তোমাদের কেউ যখন নামাযে দাঁড়ায় তখন (খিনযাব নামক) শয়তান তার মাথা গুলিয়ে দেয়। ফলে সে ধরতে পারে না যে,সে কয় রাকাআত নামায পড়ল। অতএব তোমাদের কারো অবস্থা যখন এরূপ হবে তখন সে বসে দুটো সিজদা দেবে- (বুখারী, মুসলিম,তিরমিজি ৩৯৭ ইফা: মিশকাত ৯২, পৃঃ)। এ সিজদা দুটোকে সিজদায়ে সাহও বা ভুলের সিজদা বলে। ইমাম দাউদ যাহিরী বলেন, নাবী ﷺ -এর ৫ বার সাহুও হয়েছিল- (বাযপুল মানফাআহ ৩৪ পৃঃ)।

আত্তাহিয়াতু ছুটে গেলে
একদা নাবী ﷺ যোহরের নামায পড়ালেন। অতঃপর দুই রাকাআতের পর তিনি (ভুলবশতঃ) আত্তাহিয়াত না পড়ে তৃতীয় রাকাআতে উঠে দাঁড়ালেন। পরিশেষে সালাম ফেরার আগে তিনি বসে বসে আল্লাহু আকবার বলে দু’টো সিজদা দিলেন, তারপর সালাম ফিরলেন। (বুখারী ১২২৫ তা:পা:, মুসলিম ১১৫২ ইফা:, মিশকাত ৯৩, পৃঃ নাসাই ১১৮০ ইফা:)
রসূল ﷺ বলেন, যদি কোন ইমাম দুই রাকাআতের পর আত্তাহিয়াত না পড়ে দাঁড়িয়ে যায় এবং সোজা হয়ে দাঁড়াবার আগেই যদি তার ভুল ধরা পড়ে যায় তাহলে সে বসে পড়বে এবং আত্তাহিয়াতু পড়বে, তাকে সাহও সিজদা দিতে হবে না। আর যদি সে একবারে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায় তাহলে সে আর যেন বসে না যায় এবং সবশেষে দুটো সাহও সিজদা দিয়ে দেয়। (আবু দাউদ, ইবনু মাজাহ, মিশকাত ৯৩, পৃঃ)

চার রাকাআতের জায়গায় দুই রাকাআত হলে
আবু হুরায়রা বলেন, একদা আল্লাহর রসূলﷺ যোহর নামায পড়ালেন এবং দুই রাকাআত পড়ে (ভুলে গিয়ে) সালাম ফিরে দিয়ে উঠে গেলেন;
অতঃপর মাসজিদে পড়ে থাকা একটা কাঠের ওপর ভর দিয়ে বসলেন। তখন মনে হচ্ছিল যে, তিনি যেন রেগে রয়েছেন। তারপর তিনি ডান হাতটি বাম হাতের উপর রাখলেন। ইত্যবসরে তাড়াহুড়াকারীরা চলে গেল এবং বাকি লোকেরা আপোষে বলাবলি করতে লাগলো-নামায কি কমিয়ে দেয়া হয়েছে? ওদের মধ্যে আবু বাকর (রাঃ) এবং “উমরও ছিলেন, কিন্তু রসূলুল্লাহﷺ -এর গভীৰ্য দেখে কেউ কথা বলতে সাহস পাননি। ঐ দলে আর একজন লোক ছিলেন যার হাত লম্বা ছিল। তাঁকে যুলইয়াদাইন (দুই হাত ওয়ালা) বলা হত। তিনি নাবী ﷺ-কে বললেন, হে আল্লাহর রসূল ﷺ! নামায কি কমিয়ে দেয়া হয়েছে? নাকি আপনি ভুলে গেছেন? তিনি বললেন, ভুলও হয়নি এবং কমও হয়নি। অতঃপর তিনি সাহাবীদের জিজ্ঞেস করলেন, যুলইয়াদায়েন কি ঠিক বলছে? সাহাবীরা বললেন, হ্যা। অতঃপর তিনি আগে বাড়লেন এবং ছেড়ে যাওয়া (দুই রাকাআত) নামায পড়ালেন। তারপর সালাম ফিরে ‘আল্লাহু আকবার’ বলে আগের মত দুটো সিজদা কিংবা তার চেয়েও দীর্ঘ দুটো সিজদা দিলেন তারপর আবার সালাম ফিরালেন। (বুখারী ৬০৫১তা:পা:, মুসলিম, মিশকাত ৯২-৯৩, পৃঃ) এ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, নামায যদি কম পড়া হয় এবং উঠে চলে গিয়ে কথাবার্তা বলার পর ভুলটা ধরা পড়ে তথাপি পুরো নামায পুনরায় পড়তে হবে না। বরং ছাড় যাওয়া বাকি নামায পড়ে সিজদায়ে সাহও দিলেই যথেষ্ট হবে। কেউ কেউ বলেন যে এ হাদীসটি মানসূখ বা রহিত (মিশকাত ৯৩, পৃঃ ৪র্থ ও ৫ম লাইনের মাঝখানে লেখা আছে যে, হাদীসটি মানসূখ)। এটা তাদের কিয়াসী ও কাল্পনিক কথা। এটা রসূলুল্লাহ ﷺ -এর হাদীস নয়। কিংবা সাহাবায়ি কিরাম অথবা মুহাদিসীনে কিরামের মন্তব্য নয়।

চারের জায়গায় তিন রাক”আত হলে সিজদাহ
'ইমরান ইবনে হুসায়ন বলেন, একদা আল্লাহর রসূল ﷺ আসরের নামায (ভুলে) তিন রাকাআত পড়ে সালাম ফিরে দিয়ে ঘরে চলে গেলেন। তারপর খিরাবাক নামক এক সাহাবী এ ভুলটা ধরিয়ে দেয়ায় এবং অন্যান্য সাহাবীরাও তাঁর কথা সমর্থন করায় তিনি ﷺ এক রাকাআত নামায আবার পড়ালেন। অতঃপর তিনি সালাম ফিরে দুটো সিজদায়ে সাহুও দিলেন এবং আবার সালাম ফিরালেন। (মুসলিম ১১৮০ হা:একা: ১১৭১ ইফা:, মিশকাত ৯৩, পৃঃ)

পাচ রাকা`আতে সিজদাহ
ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেন, একদা আল্লাহর রসূল = যোহরের নামায পাঁচ রাকাআত পড়ালেন। (ফলে জিজ্ঞেস করা হয়) নামায কি বেশী করা হয়েছে? তিনি ﷺ বললেন,তার মানে? সাহাবীরা বললেন,আপনি পাঁচ রাকাআত পড়েছেন। তারপর তিনি সালামের পর দুটো সিজদা দিলেন। অন্য বর্ণনায় আছে, তিনি বললেন, আমি তোমাদেরই মত মানুষ। আমিও ভুলে যাই যেমন তোমরা ভুলে যাও। সুতরাং আমি যখন ভুল করি তখন তোমরা আমাকে মনে করিয়ে দিও। আর তোমাদের কেউ যখন সন্দেহে পড়বে তখন সে একটা সঠিক রায় কায়িম করবে, তারপর ঐ রায় মোতাবেক নামায পুরো করে সালাম ফিরাবে এবং দু'টো সিজদাও দেবে। (বুখারী ৪০৪ তা:পা:, মুসলিম, মিশকাত ৯২ পৃঃ)
যার নামাযে এ সন্দেহ হয় যে, সে এক রাকাআত পড়েছে,না দুরাকাআত তখন সে ওটাকে এক রাকাআত মনে করবে। আর যার দুই বা তিনের মধ্যে সন্দেহ হবে,সে সেটাকে দুরাকাআত ধরবে। কারো যদি তিন ও চারের মধ্যে সন্দেহ হয় তাহলে সে ওটাকে তিন গণ্য করবে। (অতঃপর বাকীটা পুরো করে) সালাম ফেরানোর আগে দুটো সাহু সিজদা দেবে। (তিরমিয়ী, ৩৯৮ ইফা: ইবনে মাজাহ ১২০৯ তা:পা: নাসবুর রায়াহ ২য় খণ্ড ১৭৪ পৃঃ)
সহীহ মুসলিমে আবু সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) বর্ণিত হাদীসে রয়েছে যে, নামায যদি ভুল না হয় তাহলে সন্দেহের কারণে সিজদায়ে সাহিও দেয়ার ফলে সিজদা দুটি শয়তানের নাকে খত দেয়া হবে। আর যদি রাকাআত বাড়তি হয় তাহলে সেটা আবু দাউদের রিওয়ায়াত অনুযায়ী বেজোড়ের জায়গায় জোড় হয়ে গিয়ে নফলে পরিণত হবে। (মির আতুল মাফাতীহ ২য় খণ্ড ২৯, পৃঃ)
=====================================
সাহও সিজদা কিভাবে দেয়া হবে?
পূর্বোল্লিখিত সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, নামাযে ভুলত্রুটি হলে শেষ বৈঠকে বসে আত্তাহিয়াতু, দরূদ ও দু'আয়ে মাসূরা পড়ার পর সালাম ফেরানোর আগে “আল্লাহু আকবার’ বলে নামাযে যেমন সিজদা দেয়া হয় সেরূপ দুটি সিজদা দিতে হবে এবং সিজদার দু'আও তাই পড়বে, যা নামাযের সিজদায় পড়া হয়। অতঃপর সিজদা থেকে উঠে সালাম ফিরাতে হবে। এটা হল আহলে হাদীস ও শাফিয়ী মাযহাবের মত এবং মালিকী ও হাঙ্কালীরাও শর্তসাপেক্ষে সালামের আগে ও পরে সাহও সিজদার পক্ষপাতী- (বিদায়াতুল মুজতাহিদ ১ম খণ্ড ১৮৫, পৃঃ) ।
কিন্তু হানাফীরা দুই দিকে সালাম না ফিরে কেবল একদিকে সালাম ফেরানোর পর সাহও সিজদা দেয়। হিদায়ার ব্যাখ্যাকার আল্লামা ইবনুল হুমাম হানাফী বলেন,একদিকে সালাম ফিরানোকে বিদ আতি বলা হয়েছে- (ফাতহুল কাদীর ১ম খণ্ড ২২২, পৃঃ)। তাই হিদায়াওয়ালা বলেন, দুদিকে সালাম ফেরানোই সঠিক- (হিদায়া ১ম খণ্ড ১৩৭ পূঃ) । এ সম্পর্কে হাদীস ও ফিকহের নাড়ীবিদ ভারতের বিখ্যাত মনীষী আল্লামা ‘আবদুল জলীল সামরূদী এবং পাকিস্তানের প্রথিতযশা আহলে হাদীস আলেম মাওলানা সাদেক শিয়ালকোটি (রহঃ) বলেন, শুধুমাত্র একদিকে সালাম ফেরার পর সিজদায়ে সাহিও দেয়া কোন হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয় না- (যাহরাহ ২২০ পৃষ্ণ ও সলাতুর রসূল ২৯৬ পৃঃ)। তাছাড়াও হানাকীগণ একদিকে সালাম ফিরে দুটো সিজদা দেবার পর আবার তাশাহুদ পড়ে, তারপর দু'দিকে সালাম ফিরায় ॥
এই দ্বিতীয়বার তাশাহুদ পড়া সম্পর্কে হাফিয যায়লায়ী হানাফী বলেন,সাহও সিজদার পর তাশাহুদ পড়ার প্রমাণে কোন সহীহ হাদীস নেই- (নাসবুর রায়াহ, মাসায়িল ও নামায শিক্ষা ৫৩ পৃঃ)। এ ব্যাপারে ইমাম শওকানী বলেন, দ্বিতীয়বার তাশাহুদ সম্পর্কে (০১) ইমরান ইবনে হসায়ন (০২) ইবনে মাসউদ(রাঃ) (০৩) মুগীরাহ (রাঃ),(৪)আয়িশা (রাঃ) বর্ণিত যে হাদীসগুলো পাওয়া যায় সবগুলোই যায়ীফ ও দুর্বল— (নায়লুল আওতার ২য় খণ্ড ৩৭৩ পৃঃ) । তবে হাফিযী ইবনে হাজার আসকালানী বলেন ৪ কেউ কেউ বলেছেন, ইরান, ইবনে মাসউদ ও মুগীরার রিওয়ায়াতগুলো এক জায়গায় করলে হাদীসটি যায়ীফ থেকে হাসানে উন্নীত হয়। (ফাতহুল বারী ৩য় খণ্ড ৯৯, পৃষ্ঠা) নোট ৪ এ কথাটা সবারই জেনে রাখা উচিত যে, হাদীসের বড় বড় পণ্ডিতগণ বলেন, যখন কোন বিষয়ে সহীহ হাদীস পাওয়া যাবে তখন তার মোকাবেলায় যায়ীফ ও হাসান প্রভৃতি হাদীসের উপর আমল করা চলবে না।
মহান আল্লাহ পাক যেন আমাদেরকে সকল কে সহীহ হাদীসের উপর আমল করার তৌফিক দান করেন আমীন !

09/07/2016

বইঃ স্বালাতে মুবাশ্‌শির, অধ্যায়ঃ নামাযের ওয়াক্ত, অনুচ্ছেদঃ এশার সময়

এশার সময়

সূর্যাস্তের পর পশ্চিম আকাশ হতে লাল আভা কেটে গেলে এশার সময় উপস্থিত হয়। নু’মান বিন বাশীর (রাঃ) এর বর্ণনা অনুযায়ী (চাঁদের মাসের) তৃতীয় রাতে চাঁদ ডুবে গেলে এশার সময় হয়। (আবূদাঊদ, সুনান, দারেমী, সুনান, মিশকাত ৬১৩নং) সূর্য ডোবার পর থেকে ঘড়ি ধরে দেড় ঘন্টা অতিবাহিত হলে এই ওয়াক্ত আসে।

আর এর শেষ সময় অর্ধেক রাত পর্যন্ত অবশিষ্ট থাকে। অবশ্য কোন ওযর ও বাধার ফলে ফজরের আগে পর্যন্ত এশার নামায পড়ে নিলে আদায় হয়ে যায়। যেহেতু মহানবী (সাঃ) বলেন, “কেউ ঘুমিয়ে যাওয়ার ফলে নামায না পড়লে তা শৈথিল্য বলে গণ্য হবে না। অবশ্য জাগ্রতাবস্থায় যদি কেউ নামায না পড়ে এবং অন্য নামাযের সময় উপস্থিত হয়ে যায়, তবে তার শৈথিল্যই ধর্তব্য।” (মুসলিম, সহীহ ৬৮১নং)

উক্ত হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, আগামী নামাযের সময় এসে উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান নামাযের সময় অবশিষ্ট থাকে। অবশ্য ফজরের নামাযের সময় শরীয়ত কর্তৃক নির্ধারিত। সূর্য উদয়ের সাথে সাথেই তা শেষ হয়ে যায়। যোহ্‌র পর্যন্ত অবশিষ্ট থাকে না। (ফিকহুস সুন্নাহ্‌ উর্দু৭৫পৃ:)

আওয়াল অক্তে নামায আফযল হলেও এক তৃতীয়াংশ বা মধ্যরাতে (শেষ অক্তে) এশার নামায পড়া আফযল। মহানবী (সাঃ) বলেন, “আমার উম্মতের জন্য কষ্টসাধ্য না জানলে আমি এশার নামাযকে এক তৃতীয়াংশ অথবা অর্ধরাত পর্যন্ত দেরী করে পড়তে তাদেরকে আদেশ দিতাম।” (আহমাদ, মুসনাদ, তিরমিযী, সুনান, ইবনে মাজাহ্‌, সুনান, মিশকাত ৬১১নং)

প্রিয় রসূল (সাঃ) এশার নামাযকে এক তৃতীয়াংশ রাত্রি পর্যন্ত দেরী করে পড়তে পছন্দ করতেন এবং এশার পূর্বে ঘুমানো ও পরে কথাবার্তা বলাকে অপছন্দ করতেন। (বুখারী ৫৯৯, মুসলিম, প্রমুখ) যাতে এশা, তাহাজ্জুদ, বিতর ও ফজরের নামায যথা সময়ে পড়া সহজ হয়।

তবে দ্বীন অথবা জরুরী বিষয়ে কথাবার্তা বলা ও ইলম চর্চা করা দূষনীয় নয়। যেমন আল্লাহর রসূল (সাঃ) আবূ বকর ও উমারের সাথে এশার পর জনসাধারণের ভালো-মন্দ নিয়ে কথাবার্তা বলতেন। (আহমাদ, মুসনাদ, তিরমিযী, সুনান ১৬৯নং

Photos 02/06/2016

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "ফেরেশতা মন্ডলী যেমন তাদের প্রভুর সামনে কাতারবদ্ধ হয় তোমরা কি তেমন কাতারবদ্ধ হবে না? আমরা জিজ্ঞাসা করলাম: হে আল্লাহর রাসুল! ফেরেশতা মন্ডলী তাদের প্রভুর সামনে কিভাবে কাতারবদ্ধ হয়? তিনি বললেন: তারা আগের কাতারগুলো পূর্ণ করে এবং মাঝখানে ফাঁক না রেখে মিলিতভাবে দাড়ায়।" (সহীহুল মুসলিম - ৪৩০)

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "তোমাদের নামাযে কাতারগুলোকে মিলাও এবং পরস্পর নিকটবর্তী হয়ে যাও, আর কাঁধের সাথেকাঁধ মিলাও। সেই সত্তার কসম যাঁর হাতে আমার প্রণ, অবশ্য আমি শয়তানকে কাতারের মধ্যে এমনভাবে ঢুকতে দেখি যেমন ছোট ছাগল ঢোকে।" (আবু দাউদ - ১০৯২)

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "তোমরা তোমাদের কাতার সোজা করে নাও। কেননা, আমি আমার পিছনের দিক থেকেও তোমাদের দেখতে পাই। আনাস (রাঃ) বলেন, আমরা প্রত্যেকই তার পার্শ্ববর্তী ব্যাক্তির কাঁধের সাথে কাঁধ এবং পায়ের সাথে পা মিলাতাম।" (সহীহুল বুখারী - ৬৮৯)

11/07/2015

1. জামায়াত চলাকালে ঐ নামায ছাড়া কোন নামায নেই।
2. নামাযে এদিক-ওদিক /আকাশের দিকে তাঁকাতে নিষেধ করা হয়েছে। সর্বাবস্থায় সিজদাহর দিকে চোখ নিবদ্ধ রাখতে হবে। শুধুমাত্র বসা অবস্থায় আঙ্গুলের ইশারার দিকে।
3. সলাতে রাফইদাইন (হাত তোলা) কাঁধ বরাবর বা কান বরাবর করত হবে।
4. অপ্রয়োজনীয় নাড়াচড়া এড়িয়ে চলতে হবে।
5. সলাতে বাম বাহুর উপর ডান বাহু রাখতে হবে।
6. কিছু মানুষের সালাত শুধু মুরগির ঠোকড়, রুকু - সিজদায় ধীর স্থিরতার সাথে করতে রাসূল নির্দেশ দিয়েছেন।
7. সিজদাহ-তে পায়ের আ্ঙ্গুল কিবলা মুখি থাকবে। পা জমিনের সাথে রেখে মিলিত রাখবে।
8. রাসূল সা. ৭ অঙ্গ দ্বারা সিজদাহ করতে বলেছেন, নাক ও কপালকে তিঁনি হাত দিয়ে এক অঙ্গ হিসেবে দেখিয়েছেন। তাই নাক মাটির সাথে স্পর্শ করতে হবে।
9. জামায়াতের সলাত ইমামের অনুসরণ করতে হবে। অনুসরণ হয় আগে শুনে অতপর কাজ করায়। ইমামের আগে কিছু করা যাবে না।
10. সিজদাহ-তে বাহুকে মাটির সাথে মিলিত করতে রাসূল সা. নিষেধ করেছেন।
11. জামায়াতে শরিক হতে তাড়াহুরা করা হতে রাসূল সা. নিষেধ করেছেন। ধীরস্থিরভাবে সালাতে শরিক হয়ে সালাত পূর্ণ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
12. নামাজের সামনে সুতরা ব্যবহার করতে হবে। সুতরার ভিতর দিয়ে কাউকে অতিক্রম করতে দেয়া যাবে না। রাসূল সা, প্রয়োজনে অতিক্রমকারীর সাথে যুদ্ধ করতে বলেছেন।
13. সলাতের ভিতর কাপড় ঠিক করতে, পাজামা/ইজার টানতে রাসূল সা. নিষেধ করেছেন।
14. ইমামকে যে অবস্থায় যাওয়া যাবে, সে অবস্থাতেই সলাতে শরিক হতে হবে।
15. সলাত শুরুর প্রাক্কালে স্থিরভাবে দাড়িয়ে তাকবির দিয়ে অতপর ইমামের অনুসরনে ব্রত হতে হবে।
- আল্লাহ আমাদের ভূলগুলো শুধরে নেবার তাওফিক দিন। আমীন

12/08/2014

Alhamdulillah! we reached 1600 followers.
Jazakallahul Khair those who invite their friend to know about the Sahih way of Salah as Muhammad pbuh offer!

সকল প্রশংসা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার। আমাদের ১৬০০ ফলোয়ার হওয়াতে।
আল্লাহ আপনাদের উত্তম প্রতিদান দিন যারা তাদের বন্ধুদের সহীহ শুদ্ধভাবে সালাত আদায় করার বিষয় যেমনভাবে রাসূল সা. সালাত আদায় করতে বলেছেন বা করেছেন তা জানতে এই পেজে আমন্ত্রন করেছিলেন।

Photos 21/10/2012

সূরা ফাতিহা পড়ার পদ্ধতি...

Photos 21/10/2012

রাসূল সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সলাতের উপর চমৎকার একটি বই......

06/09/2012

Beautiful Recitation, People Crying - Must See - will surely shed your tears -

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Gulshan
Dhaka
1212