04/08/2025
সদ্য সমাপ্ত ৪৬ তম বিসিএস লিখিত- এর সকল প্রশ্ন একসঙ্গে।
A helping hand for the students who want to be a BCS Cadre.
04/08/2025
সদ্য সমাপ্ত ৪৬ তম বিসিএস লিখিত- এর সকল প্রশ্ন একসঙ্গে।
বারবার BCS প্রিলি ফেল করছেন কেন?
৪৭তম বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু অনেকে এমন আছেন যে, বারবার প্রিলি দেয়ার পরও পাস করতে পারছেন। এখন আবার সরকার নতুন নিয়ম করেছেন, ৪ বারের বেশি বিসিএস পরীক্ষা দেয়া যাবে না। আর আপনি যদি বারবার বিসিএস প্রিলিতেই ঝড়ে পড়েন, তাহলে বিসিএস ক্যাডার হওয়ার স্বপ্ন কেবল স্বপ্নই থেকে যাবে।
কখনও কি ভেবে দেখেছেন অনেক পড়ালেখা করার পরও একজন বিসিএস প্রার্থী কেন বারবার বিসিএস প্রিলি ফেল করে? এই বারবার প্রিলি ফেলের অনেকগুলো কারণ থাকতে পারে। আমি এখানে আমার টানা ছয়টি বিসিএস প্রিলি পাশের অভিজ্ঞতা থেকে কিছু শেয়ার করলাম-
১। কী জন্য পড়বেন সেটা ঠিক নেই। ফলে লক্ষ্যহীন পড়া খুব একটা কাজে আসে না এবং কিছু দিন পড়ার পর আর পড়ার স্পিডটা থাকে না। ফলে, লক্ষ্যে পৌঁছানোর আগেই নিজেকে ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত মনে হয়।
২। বিসিএস সিলেবাস সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকা। আপনি ভালো করে জানেনই না বিসিএস প্রিলির জন্য কোন কোন টপিক পড়তে হবে।
৩। বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকা। আপনি জানেনই না বিসিএস প্রিলিতে ঘুরেফিরে কোন প্যাটার্নে প্রশ্ন করে। এভাবে একটার পর একটা পরীক্ষা দিচ্ছেন আর ফেল করছেন।
৪। কী পড়বেন আর কী বাদ দিবেন সেটা বুঝে ওঠতে ওঠতেই পরীক্ষা চলে আসে। এরপর পরীক্ষার হলে গিয়ে কোনো কূল-কিনারা পান না
৫। পড়ালেখায় ধারাবাহিকতা না থাকা। আজ পড়লে পরের দিন আর পড়লেন না। কিংবা এক সপ্তাহ পড়লেন তো পরের দুই সপ্তাহ বইয়ের সঙ্গে আর কোনো সম্পর্ক নেই। এভাবে আপনার দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর চলে যাচ্ছে।
৬। পড়ালেখায় যথাযথ কৌশল অবলম্বনের অভাব। কীভাবে পড়লে পড়া মনে বেশি রাখা যায় এবং পরীক্ষার হলে ভালো করা যায়, সেই কৌশল না জানা।
৭। বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে মাত্রারিক্ত ঘোরাফেরা ও আড্ডবাজি। সারাদিন আড্ডা ও ঘোরাফেরা করে ক্লান্ত হয়ে আর পড়তে ইচ্ছে করে না। পড়তে বসলেও পড়ায় পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া হয় না।
৮। ফেইসবুক ও ইন্টারনেটে অধিক সময় ব্যয় করা। পড়তে বসলেই কিছুক্ষণ পড়ে ফেসবুকে নোটিফিকেশন দেখা, নিউজ ফিড দেখা আর বন্ধুদের সঙ্গে চ্যাটিং করতে গিয়ে আর পড়াটাই হয়ে ওঠে না।
৯। 'আজ না কাল পড়ব; কাল না পরশু পড়ব'- এমন করে পড়া জমিয়ে রেখে পরীক্ষার আগে বাড়তি চাপ নেয়া। তখন বাড়তি চাপ নিতে গিয়ে একসময় নিজেকে বোঝান 'এইবার এমনিতে পরীক্ষা দেই; আগামী বার ইনশাআল্লাহ ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষা দিব'। কিন্তু সেই আগামীবার যে কবে আপনি নিজেও জানেন না।
১০। ২০০ নম্বরের প্রিলিতে ২০০ পাওয়ার টার্গেট নিয়ে পড়তে গিয়ে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ও কম গুরুত্বপূর্ণ সবকিছু পড়ে পরীক্ষার হলে তালগোল পাকিয়ে ফেলা।
১১। পরীক্ষার আগে বেশি বেশি সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞান পড়ে মাথা নষ্ট করা এবং অন্য বিষয়গুলোর ওপর কম জোর দেয়া। কিন্তু পরীক্ষার হলে গিয়ে দেখেন সাম্প্রতিক বিষয়ের উপর কেবল ৩-৪ নম্বর কমন এসেছে!
১২। সাল, তারিখ ও গুরুত্বপূর্ণ নামগুলো বার বার খাতায় না লিখে পড়ে কেবল চোখ ভুলিয়ে পড়া। ফলে, পরীক্ষার হলে সাল আর তারিখের উত্তর করতে গিয়ে কনফিউজড হয়ে যান আর বার বার ভুল উত্তর করে ফেলেন বেশি।
১৩। পরীক্ষার আগের রাতে অধিক চাপ নিয়ে বেশি পড়া এবং পরীক্ষার আগের রাতে পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া। ফলে, পরীক্ষার হলে মাথা আর ভালোভাবে কাজ করে না। মনে হয়, কিছুই পড়েন নি; কমন প্রশ্নের উত্তরও মনে করতে পারেন না!
১৪। পরীক্ষার দিন পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে বের না হয়ে পরে মাত্রারিক্ত মানসিক চাপ অনুভব করা। এই মানসিক চাপে পারা জিনিসও ভুলে যান।
১৫। পরীক্ষার হলে সঠিকভাবে টাইম ম্যানেজমেন্ট না করে প্রথমদিকে ঢিলামি করে শেষের দিকে বেশি তড়িঘড়ি করে উত্তর ভুল দাগানো।
১৬। পরীক্ষার হলে কঠিন কোনো বিষয় দিয়ে পরীক্ষা শুরু করতে গিয়ে মাথা গরম করে ফেলা। ফলে, পরে আর সহজ বিষয়গুলোর উত্তরও ঠিকঠাক মতো দিতে পারেন না!
১৭। ২০০ নাম্বারের প্রিলিতে ১৭০-১৮০ পাওয়ার জন্য কনফিউজিং প্রশ্নের উত্তর করতে গিয়ে নেগেটিভ নাম্বার বেশি পাওয়া। ফলে আর পাশ নাম্বারও থাকে না।
১৮। ঘড়িতে সময় ধরে বাসায় বেশি বেশি মডেল টেস্ট না দিয়ে পরীক্ষার হলে প্রশ্ন দেখে অস্থির হয়ে ওঠেন। পরীক্ষার আগে বাসায় বেশি বেশি মডেল টেস্ট দিতে দিয়ে সেই ভীতি অনেকটাই কাটিয়ে ওঠতে পারতেন।
১৯। যে বিষয়ে আপনি দুর্বল সেই বিষয়ে দুর্বলতা না কাটিয়ে পরে পড়বেন বলে রেখে দিয়ে বারবার একই দুর্বলতা নিয়ে পরীক্ষার হলে গিয়ে নিজেকে আত্মবিশ্বাসহীন মনে হয়। এবং হতাশা থেকে 'আমার প্রিলি পাস সম্ভব নয়' বলে একধরনের বিশ্বাস মনে জন্ম নেয়।
২০। কোনো বিষয় পড়তে গেলে কনসেপ্ট ক্লিয়ার না করে, কেবল মুখস্থ করা। মুখস্থ করা জিনিস পরীক্ষায় হুবহু কমন না পেলে আর উত্তর করতে পারেন না। তখন কপাল বা বইয়ের দোষ দেন।
২১। পরীক্ষা সম্পর্কিত সাবজেক্টগুলোর বেসিক স্ট্রং না করা। ভাসাভাসা জ্ঞানের কারণে পরীক্ষায় প্রশ্ন একটু ঘুরিয়ে দিলেই আর সঠিকভাবে উত্তর করতে পারেন না।
২২। পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য সঠিক বই সিলেকশন না করে এমন কিছু বই সিলেকশন করা, যেগুলো আপনার উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি করে থাকে। যেমন- কেউ অসুস্থ হলে সঠিক ওষুধ খেলে সেরে ওঠতে পারে; কিন্তু ভুল ওষুধ খেলে বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে; এমন কি মৃত্যুর মতো অবস্থাও তৈরি হতে পারে!
আপনার ভিতরে যদি উপরের এই বিষয়গুলোর কোনো একটি থাকে, তাহলে তা দূর করার জন্য আজই সচেষ্ট হোন। শুভ কামনা ও দোয়া রইল সকল সৎ পরিশ্রমীর জন্য।
18/07/2025
✅ আজকে অনুষ্ঠিত ৪৮তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষার প্রশ্ন।
14/07/2025
ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি'র সদস্যভুক্ত জনতা ব্যাংক পিএলসি এর ২০২২ সাল ভিত্তিক 'অফিসার-রুরাল ক্রেডিট (ও-আরসি)' (Job ID-10204) এর ১১৪ টি শূন্য পদে নিয়োগের উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠেয় প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সময়সূচি ও পরীক্ষা কেন্দ্রের তালিকা.
11/07/2025
অফিসার ক্যাশ প্রিলি-২২💥💥💥কেমন পরীক্ষা দিলেন??
01/07/2025
আমাদের পেজের সম্মানিত এডমিন Parvez Hossain ভাই ৪৪তম বিসিএসে "লাইভস্টক ক্যাডার"- এ সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
ভাই কে অনেক অনেক অভিনন্দন❤️
★সিনিয়র অফিসার-২২ প্রিলিমিনারি পরীক্ষার কাট মার্ক সমাচার★
আর্টস ফ্যাকাল্টির নেয়া সিনিয়র অফিসার-২২ প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র কেমন হলো, কতজন টিকাবে, কাট মার্ক কত হতে পারে! এসব আলোচনার পূর্বে প্রথমেই একটা সলিড কথা বলে নিই, কাটমার্ক কত হতে পারে তা এখন আল্লাহ ছাড়া কেউই জানেন না! এমনকি স্বয়ং ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি কিংবা আর্টস ফ্যাকাল্টিও না।
তাহলে কি আমাদের আর আলোচনার সুযোগ নেই? না, এরকম টা নয়! আমাদের আলোচনার সুযোগ আছে। তবে সেটা শুধুই প্রশ্নপত্র বিশ্লেষণ, পোস্ট সংখ্যা, উপস্থিতি, টিকানোর পরিমাণ এবং অভিজ্ঞতার আলোকে আন্দাজ করা! যা বাস্তবতার সঙ্গে আংশিক বা পুরোপুরি মিলতে পারে অথবা অমিল হতে পারে।
এবার মূল আলোচনায় আসা যাক-
সমন্বিত ব্যাংক সিনিয়র অফিসারের পরীক্ষা তূলনামূলক কঠিন হয়, কারণ এটা প্রথম শ্রেণীর জব হওয়ায় এতে কম্পিটেন্ট ক্যান্ডিডেট রাই অংশগ্রহণ করে থাকে। এবং সিনিয়র অফিসারের পরীক্ষায় কাট মার্ক আন্দাজ করাটাও কঠিন।
কাট মার্ক নিয়ে আলোচনার জন্য প্রথমেই পোস্ট সংখ্যা এবং কতজন টিকাবে এটা নিয়ে আলোচনা করতে হবে! সিনিয়র অফিসার-২২ এ পোস্ট সংখ্যা ৯৭৪ টি। যা সিনিয়র অফিসার-২১ (৯২২টি) এর তুলনায় ৫২ টি বেশি। গতবার ৯২২ পোস্টের বিপরীতে ১০৫৭৪ জনকে রিটেনে বসার সুযোগ দিয়েছিল বিআইবিএম! এবার ৯৭৪ পোস্টের তুলনায় আর্টস ফ্যাকাল্টি কতজনকে রিটেনে বসার সুযোগ দিবে সেটা বলা মুশকিল। তবে মনে হচ্ছে সংখ্যাটা ১০০০০ থেকে ১১০০০ এর মধ্যেই থাকবে।
এবার আসি উপস্থিতির হার নিয়ে! কাটমার্ক নির্ধারণের ক্ষেত্রে উপস্থিতির হারের একটা বড় ভূমিকা থাকে। বিভিন্ন গ্রুপের প্রাপ্ত তথ্যমতে উপস্থিতির হার ৬০% +- হবে বলে মনে হচ্ছে।
কাটমার্ক নির্ধারণের ক্ষেত্রে যে প্রভাবক টি সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে তা হলো পরীক্ষার প্রশ্ন! এবার আসি সেই প্রশ্নপত্র নিয়ে আলোচনায়। প্রশ্নপত্র কঠিন বা সহজ এরকম আলোচনায় সরাসরি যাব না, কারণ বাইরে থেকে প্রশ্নপত্র দেখা আর পরীক্ষার হলে লিমিটেড সময়ের মধ্যে পরীক্ষা দেয়া সম্পূর্ণ আলাদা। তবে প্রশ্নপত্র দেখে আমার কাছে মনে হয়েছে যারা মোটামুটি পড়াশোনার মধ্যে ছিল তারা বেশ ভালো মার্ক তুলতে পারবে, যদি না পরীক্ষার হলের চাপে খেই হারিয়ে না ফেলে। আমি পারসোনালি সিনিয়র অফিসার-২২ এবং সিনিয়র অফিসার-২১ প্রশ্নপত্রের মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য দেখি না। সিনিয়র অফিসার-২১ এ কাটমার্ক ছিল ৬৩-৬৪ এর মত (আন্দাজ)। তাহলে সিনিয়র অফিসার-২২ এ কাটমার্ক কত হতে পারে!
এবার কাটমার্ক নিয়ে আমার মতামত এবং কিছু কথা-
বাইরে থেকে প্রশ্নপত্র দেখে কাটমার্ক অনেকে আকাশচুম্বী তে নিয়ে যেতে পারে! আমি অবশ্য একটু রিয়েলিস্টিক মানুষ। পরীক্ষার হলে বসে পরীক্ষা দেয়ার চাপ বিবেচনায় কাটমার্ক কে অনেক হাইপে তুলতে পারিনা।
যারা ৬৩+ পাবেন তারা আর এক সেকেন্ড সময়ও নষ্ট না করে দ্রুত রিটেন প্রিপারেশন শুরু করে দিন। কারণ প্রিলি আপনাকে রিটেনে বসার সুযোগ দিলেও জব কিন্তু দিবে রিটেন।
যারা ৫৮+ পাবেন তারা প্রিলি রেজাল্টের আগে রিটেন পড়ুন। কারণ আপনি প্রিলিতে ভালো শেইফে আছেন, যে কোন সময় প্রিলি ক্র্যাক করে ফেলতে পারেন। তাই রিটেন প্রস্তুতি এগিযে রাখুন।
আর যারা ৫৮ এর নিচে, বিশেষত ৫৫ এর নিচে পাবেন আপনি প্রিলি আরো ভালোভাবে প্রিপারেশন নিন।
সবার জন্য অনেক শুভকামনা রইলো।
Parvez Hossain
সিনিয়র অফিসার (২১ ভিত্তিক)
সোনালী ব্যাংক পিএলসি
মেধাক্রম-৮
13/05/2025
জানুয়ারি- এপ্রিল, ২০২৫ চার মাসের কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স এক সাথে।
17/03/2025
বলা হয়ে থাকে, ক্যাশ ভাইভায় এটেন্ড করলেই আপনার চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা ৫০%! অর্থাৎ একটা সরকারি চাকরির খুবই কাছাকাছি চলে এসেছেন আপনি। হাতছানি দিচ্ছে বেকারত্ব থেকে মুক্তির দিনগুলো।
অনেকে আপনাকে মোটিভেশান দিবে, ব্যাংক ভাইভার জন্য কোন প্রস্তুতি লাগে না। কিন্তু এটাই সবচেয়ে বড় ভ্রান্ত ধারণা। ভাইভার পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি যেমন আপনাকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে, সেই সাথে ভাইভা ভীতি থেকে মুক্তি দিবে।
আমরা ধরে ধরে বিগত ভাইভা প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আমাদের দুইটা পিডিএফ আপনাকে ব্যাংক ভাইভার একটি পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নিতে সহায়তা করবে।
যারা এখনো রেজিষ্ট্রেশন করেন নি, দ্রুত রেজিষ্ট্রেশন করে ফেলেন। মনে রাখবেন, ২০০ টাকা আপনার জীবনের সেরা ইনভেস্টমেন্ট হতে যাচ্ছে।