11/12/2025
আপনারা দাড়িওয়ালা পাশের যে ছবিটি দেখতেছেন তা বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর এর যুদ্ধকালীন ছবি! কি! আঁতকে উঠলেন নাকি? আঁতকে উঠবেন এটাই স্বাভাবিক। কারণ আমাদেরকে সারাজীবন দেখানো হয়েছে দাড়িবিহীন ডান পাশের ছবিটি। জানি না ছবি বিকৃতি করে রাষ্ট্রযন্ত্র কোন ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। পশ্চিমারা মুসলিম বিজ্ঞানীদের নাম বিকৃতি করতো জানতাম। তবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির পাশাপাশি এদেশে মুক্তিযোদ্ধাদের ছবিও যে বিকৃত করে মুসলমানদের ধোঁকা দিয়েছে তা আজ প্রথম জানতে পারি।
10/12/2025
আলহামদুলিল্লাহ্! মা-মেয়ের খুনি জানোয়ারটাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
হত্যার কারণ হিসেবে খুনি নাকি বলেছে - কাজ শেষে চলে যাওয়ার সময় চুরির অপবাদ দিয়ে দেহ তল্লাশি করতে চেয়েছিলো। সেই কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। ডাহা মিথ্যে কথা।
তোর কাছে Folding Knife আগে থেকে কেন ছিলো? এটা কেন নিজের সাথে বহন করেছিস? তোর তো আগে থেকেই বাই চান্স ধরা পড়লে এই ঘটনা ঘটানোর প্ল্যান ছিলো। নইলে অস্ত্র কেন বহন করবি।
খুনির গলায় পুড়ে যাওয়ার দাগ। এই পোড়া দাগটাই হয়তো তাকে খুঁজে পেতে সবচেয়ে বেশী সাহায্য করেছে। কারণ বোরকা পড়ে আসা যাওয়ার কারণে তার ফেস সেভাবে কেউ দেখেনি। সিসি ক্যামেরাতেও আসেনি ছবি।
নিয়োগের সময় যেমনটা খুনি আয়েশা বলেছিলো - তার গ্রামের বাড়ি রংপুর (আজ জানা গেলো বরিশাল) জেনেভা ক্যাম্পে চাচা-চাচির সঙ্গে থাকেন। বাবা-মা আগুনে পুড়ে মারা গেছেন, তার শরীরেও আগুনে পোড়ার ক্ষত রয়েছে।
আর এই কারণেই বলা যায় - অসহায় একটি মেয়েকে দয়া করে চাকুরী দিয়েছিলেন নিহত লায়লা আফরোজ। কিন্তু এই দয়ার মূল্য দেয়নি এই সাইকো খুনি। তাকে ৩০টি এবং তার মেয়েকে ৬টি কুপিয়ে অত্যন্ত কষ্ট দিয়ে, নৃশংসভাবে হত্যা করেছে।
হত্যার সময় ধস্তাধস্তিতে হয়তো হাতটা কেটে গিয়েছিলো। আর সেই কারণেই হাতে ব্যান্ডেজ।
প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানোয়ারটাকে গ্রেফতার করার জন্য। কিন্তু আমার আফসোস একটাই, সাইকো-জানোয়ারটার ফাঁসি হবে না।
কারণ বাংলাদেশের ইতিহাসে আজ পর্যন্ত কোন নারীর ফাঁসি হয়নি। ওরও হবে না :)
26/11/2025
ফেরাস সালফেট লবণের কেলাস গঠন
Chemistry Practical | SSC 2026
Inbox/Call for ready-made khata
Cash on delivery
26/11/2025
আমেরিকাতে একটি বিস্কুট ফ্যাক্টরিতে ভুলে খালি প্যাকেট প্যাক হয়ে গিয়েছিল।
ফ্যাক্টরির মালিকরা ভাবল, এই ভুল যেন আর দ্বিতীয়বার না হয়, তাই তারা ৪৫ হাজার ডলার খরচ করে এক্স- রে মেশিন কিনলো।
যাতে করে সব প্যাকেট চেক করা যায়।
বাংলাদেশেও এক বিস্কুট ফ্যাক্টরিতে সেই একই প্রবলেম হলো। বাংলাদেশের ফ্যাক্টরির মালিকরা কিছুক্ষণ ভাবলো। পরে একটা ফ্যান চালিয়ে দিল, যাতে করে খালি প্যাকেট নিজে নিজেই উড়ে যায়।
এটাই হলো বাংলাদেশের মানুষের ট্যালেন্ট।
টাকা না থাকলে কি হবে?
বুদ্ধিটা কিন্তু সেরা, তা সে যেই বুদ্ধি হোক।।।
23/11/2025
জাপানে যখন ৯.১ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল ২০১১ সালে, টোকিওর রাস্তায় গাড়ি চলছিল, হাসপাতালে অপারেশন চলছিল, আর যেসব বিল্ডিংয়ে বেস আইসোলেশন ছিল – সেগুলোর ভেতরে একটা কাচের গ্লাসও ভেঙে পড়েনি।
এই বেস আইসোলেশন আসলে কী?
সহজ কথায় বিল্ডিংকে মাটির সাথে শক্ত করে না বাঁধা, তার নিচে শত শত বিশেষ রাবার-লেডের বেয়ারিং বসানো হয়। ভূমিকম্প এলে মাটি যত জোরে কাঁপে, উপরের বিল্ডিংটা ততটা কাঁপে না – শুধু ধীরে ধীরে দোলে। ফলে ভেতরের মানুষ, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি – সবই প্রায় অক্ষত থাকে।
আজ জাপানের প্রতিটি নতুন টাওয়ার, বিল্ডিং , হাসপাতাল, স্কুল, ডেটা সেন্টারে এই সিস্টেম বাধ্যতামূলক। এমনকি ৪০-৫০ বছরের পুরোনো ভবনগুলোকেও কেটে-কেটে এই সিস্টেম বসিয়ে নতুন করে বাঁচিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
আমাদের বাংলাদেশও এখন সেই পথে হাঁটছে।
BNBC-2020 কোড অনুযায়ী ঢাকা-চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ ভবনে বেস আইসোলেশন ব্যবহার শুরু হয়েছে। রূপপুর নিউক্লিয়ার প্ল্যান্ট, মেট্রোরেলের কিছু স্টেশন, কয়েকটা নতুন টাওয়ারে এই একই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
এটা বিলাসিতা নয় – এটা আমাদের ভবিষ্যতের নিরাপত্তার প্রথম ধাপ।
জাপান দেখিয়েছে, ভূমিকম্পের দেশেও নিরাপদে উঁচু ভবন বানানো যায় – যদি আমরা সঠিক প্রযুক্তি ব্যবহার করি।
সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন। 😊
21/11/2025
আমার লিস্টের একজন আপু ভূমিকম্পের সময় তার দামী ড্রেসিং টেবিল ধরে বসে ছিলেন যেন সেটা উলটে পড়ে ভেঙে না যায়!
অনেকে ওড়না খুজতে খুজতেই ভূমিকম্প শেষ হয়ে গেছে বলে আফসোস করেছেন!
বেশ পরিচিত একজন ফানি কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে দেখলাম সাথে সাথে হাস্যরসের কনটেন্ট বানাইতে!
অনেকে ধুমায়ে মিমস শেয়ার করতেছেন! আপনারা যারা এই কাজ গুলো করতেছেন কাইন্ডলি আমারে আনফ্রেন্ড করবেন! কারণ আমি জমিন কেঁপে ওঠাকে ভয় পাই! আমি আমার গুনাহ নিয়ে অপরাধবোধে ভুগি! আল্লাহ আপনার জীবন টা যাস্ট ভিক্ষা দিলেন ঠিক সেই মুহূর্তে আপনি যখন শুকরিয়া না করে মজায় মেতে ওঠেন তখন আপনার প্রতি আমার ঘৃণা জন্মায়! আপনাকে অকৃতজ্ঞ মনে হয়! ঠাটায়ে থাপ্পড় মা’রতে মন চাই!
ধন্যবাদ!
21/11/2025
ভুমিকম্প তিন ধরনের হয়:
1.Foreshock
2.Main Shok
3.After Shok
বাংলাদেশে এখন যদি মেইন শক হয়ে থাকে তাহলে কয়েকঘন্টা বা কয়েকদিনের মাঝে Aftershock হবে,যা ঝুকিপূর্ণ নয়,ওগুলো ক্ষুদ্র মাত্রার।
কিন্তু,বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া ভুমিকম্পটা যদি Foreshock হয়ে থাকে তাহলে কয়েক ঘন্টা বা কয়েক দিনের মাঝেই Main shok অবধারিত।
যেহেতু ফরশকের মাত্রাই ছিল ৫.৫ তাহলে মেইনশকের মাত্রা হবে এটলিস্ট ৭ মাত্রার।আর এই মাত্রার ভুমিকম্প বাংলাদেশে হলে স্পেশালি ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতে লাশও খুজে পাওয়া যাবে না মানুষের।
দোয়া করি যাতে এটা ফরশক না হয়।
আল্লাহ হেফাজত করুক।
21/11/2025
আজকের ভূমিকম্প!!
দিন দিন ভূমিকম্পের ভয়াবহতা বাড়ছে।আরেকটু জোরে হলে পুরো ঢাকা মাটির সাথে মিশে যাবে।উদ্ধার করার মতও কেউ থাকবে না😢
ছবিটি আজকে আমার এক জনের বাসার,ওরা ৪ তলায় ছিল। যারা ১০/১৫ তলায় ছিল তাদের কি অবস্থা চিন্তা করেন
21/11/2025
ইংলিশ ভার্সনের কোনো এক বোকাচোদার টেস্ট পেপারে ইছামাছের বড়া খাইলাম।
বান্দিরপোলায় সরলরেখা চাপ্টারটাও ঠিক মতো পড়ে নাই!সব একবারেই নতুন।
যদ্দুর বুঝলাম ভোদাইয়ে বিগত বছরের প্রশ্নও সলভ করে নাই।
ঠিকই বাপের ট্যাকা খসায়া টেস্ট পেপার কিনলো!
একটা মানুষ কি পরিমাণ 'Insincere' হইলে ২৫ ব্যাচের টেস্ট পেপার কোনো জুনিয়র বা লাইব্রেরিতে না যাইয়া ভাজাপোড়ার দোকানে আসতে পারে বুঝতেসেন?
Shame Shame
-Hellstorm
18/11/2025
ব্রিটিশ শাসনের সময় এক ব্রিটিশ অফিসার এক ভারতীয় যুবকের মুখে থাপ্পড় দেন। সাথে সাথে যুবকটিও তাঁর সমস্ত শক্তি দিয়ে বৃটিশ অফিসারকে এতো জোরে থাপ্পড় মারে অফিসার মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
এই অপমানে হতবাক হয়ে যাওয়া অফিসার ভাবলেন সামান্য এক ভারতীয় যুবক কীভাবে এমন এক সাম্রাজ্যের সেনা অফিসারকে থাপ্পড় মারল যে সাম্রাজ্যের সূর্য কখনো অস্ত যায় না।
তিনি দ্রুত তার পোস্টে গিয়ে ওই ভারতীয়কে কঠোর শাস্তি দেওয়ার জন্য দাবী করলেন।
কিন্তু উচ্চপদস্থ কমান্ডার তাকে শান্ত করে বললেন ভারতীয় লোকটিকে শাস্তি না দিয়ে বরং তাকে পুরষ্কৃত করতে। আর পুরষ্কার হিসাবে তাকে দশ হাজার রুপি উপহার দিতে।
অফিসার ঘৃণায় চিৎকার করে বললেন এটা শুধু আমার, আপনার অপমান না। বরং এটা বৃটিশ মহারাণীরও অপমান। আর আপনি বলছেন তাকে শাস্তি না দিয়ে আরো পুরষ্কৃত করতে।
কমাণ্ডার এবার বললেন- এটা একটি সামরিক আদেশ আর তুমি দেরি না করে এ আদেশ পালন করবে।
জুনিয়র অফিসার তার কমান্ডারের আদেশ মেনে দশ হাজার রুপি সাথে নিয়ে ওই ভারতীয়ের কাছে গিয়ে বললেন- অনুগ্রহ করে আমাকে ক্ষমা করে দিন। আর এই দশ হাজার রুপি উপহার হিসাবে গ্রহণ করুন।
ভারতীয় যুবক উপহার গ্রহণ করলেন এবং ভুলে গেলেন যে তাকে তার দেশের মাটিতে এক ঔপনিবেশ সেনা অফিসার দ্বারা থাপ্পড় মারা হয়েছে।
সেই সময়ে দশ হাজার রুপি অনেক বড় অর্থ। তিনি এই অর্থ যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে কয়েক বছরের মধ্যে জীবনের মান উন্নত করে বেশ বিত্তশালী হয়ে ওঠলেন। আগে ছিলেন একজন সাধারণ যুবক। এখন সমাজে বেশ প্রতিষ্ঠিত।
অনেক বছর পর সেই ইংরেজ কমান্ডার তার জুনিয়র অফিসারকে ডেকে নিয়ে গিয়ে বললেন- তুমি কি সেই ভারতীয়কে মনে রেখেছো- যে তোমাকে থাপ্পড় মেরেছিলো?
অফিসার বলল: সেই অপমান আমি ভুলি কেমন করে?
কমান্ডার বললেন: এখন সময় এসেছে।তুমি তাকে খুঁজে বের করো এবং জনসম্মুখে তাকে জোরে থাপ্পড় মেরে এসো।
অফিসার বলল: সেটা কিভাবে সম্ভব। যে গরীব থাকা অবস্থায় আঘাতের পাল্টা জবাব দিয়েছিলো। আর এখন সে বেশ বিত্তবান। সেতো আমাকে মেরেই ফেলবে।
কমান্ডার বললেন: আমি যা বলছি তাই করো। এটাও তোমার উপর আদেশ।
জুনিয়র অফিসারকে আদেশ মানতে হয়। তিনি সেই ভারতীর কাছে গেলেন এবং খুর জোরে তাকে থাপ্পড় মারলেন।
কিন্তু এবার ঘটলো সম্পূর্ণ উল্টো ঘটনা।
ভারতীয় যুবক এবার কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা গেল না। এমনকি সাহস করে অফিসারের দিকে তাকাতে পর্যন্ত পারলো না।
অফিসার হতবাক হয়ে ফিরে এসে তার কমান্ডারের কাছে গেলেন।
কমান্ডার বললেন: আমি তোমার মুখে বিস্ময়ের ছাপ দেখছি। তুমি এতো বিস্মিত কেন?
অফিসার বলল: যখন সে দরিদ্র ছিলো। তখন সে পাল্টা আঘাত করেছিলো। কিন্তু আজ যখন তার বিত্ত রয়েছে তখন সে চোখ তুলে তাকাতে পর্যন্ত পারলো না। এটা কেমন করে সম্ভব।
ইংরেজ কমান্ডার ধীরভাবে বললেন: প্রথমবার তার কাছে তার সম্মান ছাড়া আর কিছু ছিল না। সে সেটাকেই সবচেয়ে মূল্যবান মনে করেছিল এবং তা রক্ষার করার জন্য সে মৃত্যু ঝুকি নিয়েও লড়েছিলো। আর এখন সে আর সেটা রক্ষার চেষ্টা করে নি। কারণ তার কাছে এখন তার সম্মানের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে বিত্ত। যেদিন সে দশ হাজার রুপি উপহার হিসাবে গ্রহণ করেছে সেদিনই সে তার মর্যাদা, আত্ম সম্মানবোধ রুপির কাছে বিক্রি করে দিয়েছে।
আর বিত্তের কাছে মানুষের আত্ম সম্মানবোধ যখন বিক্রি হয়ে যায় তখন যে কোন মানুষের মেরুদণ্ডও বাঁকা হয়ে যায়।
আসুন আত্মসম্মানবোধ বজায় রাখি। পদ , উপহার কিংবা কোনো কিছুর লোভে নিজেকে বিক্রি না করে নিজের মেরুদণ্ড শক্ত রাখি।
collected