26/04/2025
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট পরীক্ষা-২০২৫ এর এমসিকিউ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।
প্রায় একচল্লিশ হাজার পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ১৩২৮৮ জন পাশ করেছেন।
অভিনন্দন!!
সহকারি জজ, এ্যাডভোকেটশিপ ও হাইকোর্ট পারমিশন
এ্যাডভোকেটশিপ (এমসিকিউ, লিখিত, ভাইভা), সহকারি জজ (এমসিকিউ, লিখিত, ভাইভা), হাইকোর্ট পারমিশন ও ল' অফিসার নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায় শতভাগ পাশের নির্ভরযোগ্য ও গ্যারান্টেড প্রতিষ্ঠান ভিশন ল'একাডেমি। বেস্ট শিক্ষক ও বেস্ট সার্ভিসের নিশ্চয়তা শুধু আমরাই দিয়ে থাকি। আমাদের লেকচার শিট, সাজেশন ও বই ১০০% কমনের নিশ্চয়তা দিয়ে থাকে। আপনার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেয়ার জন্য আজই ভিশন ল'একাডেমি'তে ভর্তি হোন। সবার জন্য শুভ কামনা।
26/04/2025
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট পরীক্ষা-২০২৫ এর এমসিকিউ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।
প্রায় একচল্লিশ হাজার পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ১৩২৮৮ জন পাশ করেছেন।
অভিনন্দন!!
#পরবর্তী এ্যাডভোকেটশিপ/বার কাউন্সিল (লোয়ার কোর্ট এনরোলমেন্ট ) এমসিকিউ পরীক্ষা (এপ্রিল এর ৩য়/৪র্থ সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে ২০২৫) নতুন ব্যাচে ভর্তি চলছে...
#ক্লাস শুরু
১৪ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার, ৯ pm
#বার কাউন্সিল এমসিকিউ প্রস্তুতি ও টেকনিক !!!
#দেখা যায়,
এমসিকিউ পরীক্ষায় ৭০-৭৫% অকৃতকার্য হন। পরবর্তীতে এমসিকিউ এর মার্কস আর কোন কাজে লাগে না।
কিন্তু লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার সম্মিলিত মার্কস মিলে আপনি এ্যাডভোকেট।
অভিজ্ঞতা বলে যারা শুধু এমসিকিউ পরীক্ষার প্রস্তুতি নেন, তারা পরে স্বল্প সময়ে লিখিত প্রস্তুতি নিতে গিয়ে ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা হয়। পাশ করলেও মার্কস কমে যাওয়ায় এ্যাডভোকেট হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
#অভিজ্ঞতাঃ
২০১২ সাল থেকে এমসিকিউ শুরু হয়েছে। ২০১২ সালে পরীক্ষার্থী ছিল প্রায় ১০ হাজার। ২০১৩ সালে ছিল প্রায় ১৪ হাজার। ২০১৫ সালে প্রায় ১৯ হাজার। সর্বশেষ ২০১৭ সালে প্রায় ৩৭ হাজার। পরবর্তী সময়ে নিয়মিত পরীক্ষা হওয়ায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কিছুটা কমলেও পাশের হার সংখ্যা অনুপাতে বাড়ে নাই।
কারণ দুটিঃ
এক: এই পেশার প্রতি অতি আগ্রহ।
দুই: প্রতি পরীক্ষায় নিয়মিত এ্যাডভোকেট হচ্ছেন অনেক কম।
হিসাবটা এমনি যে একটি সনদের পিছনে ১৮-২০ জন পরীক্ষার্থী থাকছে। বলা বাহুল্য, প্রতিযোগিতাটা অনেকটা বিসিএস, বুয়েট, মেডিকেল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়ার মত হয়ে গেছে। আর এই তীব্র প্রতিযোগিতামূলক ও কঠিন পরীক্ষায় ভাল করার জন্য কঠোর অধ্যবসায়, প্রচণ্ড উদ্যোম, নিরলস পরিশ্রম ও দৃঢ়চেতা মনোভাবের বিকল্প নাই। আর এজন্য দরকার একটি দক্ষ গাইডলাইনের যে আপনার পাশে থেকে সঠিক দিক নির্দেশনা দিয়ে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে সহায়তা করবে।
সুদীর্ঘকাল ধরে আইন সংক্রান্ত বই লেখালেখি, আইনের শিক্ষার্থীদের পাঠদান করতে গিয়ে যথাযথ নির্ভরযোগ্য গাইড তথা একটি প্রতিষ্ঠানের অভাব তীব্রভাবে অনুভব করেছিলাম। সেই স্বপ্ন ও বাস্তবতার অপূর্ব সম্মিলনে শক্ত ও মজবুত কাঠামোর উপর দাঁড়ানো ভিশন ল' একাডেমি ।
'পাশযুদ্ধ' নামক প্রতিযোগিতায় বহু মেধাবী শিক্ষার্থীও অকৃতকার্য হয় পরীক্ষার জন্য সঠিক কৌশল প্রয়োগে পরিপক্ব না হওয়ায় এবং সঠিক দিক নির্দেশনা সম্পন্ন গাইডের অভাবে।
আমাদের দুর্ভাগ্য এই যে, আইনের মত একটি চ্যালেঞ্জিং পেশার জন্য সঠিক দিক নির্দেশনা দেয়ার মত পরিপূর্ণ কোন প্রতিষ্ঠান আজও গড়ে ওঠেনি। দুর্বল কাঠামো, অদক্ষ প্রশাসন, অপেশাদারী মনোভাব, একক শিক্ষক কাম পরিচালক কেন্দ্রিক সকল বিষয়ে গলাধঃকরণের প্রতিযোগিতার কারণে অপ্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে রয়ে গেছে মহান পেশায় প্রবেশের দ্বারটি। আবার পরিচালনা-পাঠদান-পরীক্ষা পদ্ধতি - কমিটমেন্ট সর্বক্ষেত্রে অব্যবস্থাপনার চিত্র লক্ষ্যণীয়।
বাস্তবতা এই, প্রতি বছর হাজার হাজার শিক্ষার্থী এলএল.বি, এলএল.এম ডিগ্রি নিচ্ছে কিন্তু সনদের অভাবে মহান পেশাতে যেতে পারছে না। আবার উপযুক্ত ডিগ্রির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ পেশাতে প্রবেশের ক্ষেত্রে ভীষণ বাধার সম্মুখীন হচ্ছে। ফলত, অনেকেই হতাশ হয়ে অন্য পেশাতে ফিরে যাচ্ছে। অথচ সঠিক তত্ত্বাবধান ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তিতে গড়ে ওঠা কোচিং এর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দিলে তাদের পরিশ্রম সার্থক হত।
সুতরাং কম্পিটিটিভ এই পরীক্ষায় সাফল্য পেতে হলে আমাদের মত প্ল্যানেড ল' একাডেমি ছাড়া সম্ভব নয় বললেই চলে। এক্ষেত্রে কোন্ প্রতিষ্ঠানে পড়েছেন সেটি মুখ্য নয়। আগে পড়েছেন বা পড়েননি সেটাও মুখ্য নয়।
#জগাখিচুড়িঃ
অনেকে পার্ট টাইম / ফুল টাইম কর্মরত বিভিন্ন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় বা ল' কলেজে। তারা এ্যাডভোকেট নন। আবার অনেকে কিছুই নন। তাদের এলএল.বি সনদ নিয়েও জনমনে সন্দেহ আছে। কিন্তু ল' কোচিং চালাচ্ছেন। শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও দালাল সবার শিক্ষার্থী পাওয়ার মূল ভিত্তি। ড্রাফটিং, সমস্যা সংক্রান্ত প্রশ্ন যেখানে কোর্ট প্রাকটিস্ এর সাথে সরাসরি যুক্ত। ভাইভার বিশাল একটা অংশ জুড়ে থাকে কোর্ট প্রাঙ্গণ, ডায়েরী তথা ডায়েরী থেকে প্রশ্ন। ধারণার উপর শিক্ষা কখনো পূর্ণাঙ্গ হতে পারে না।
আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি আমার লেকচার শিট/হ্যান্ড মডিউল এর বাইরে কোন প্রশ্ন সাধারণত থাকবে না, ইনশাল্লাহ্। থাকলে ভর্তির টাকা ফেরত দেব। মূল আইন /বই থেকে বিগত পরীক্ষার আলোকেই লেকচার শিট প্রস্তুত করেছি আমি ও আমাদের বিজ্ঞ শিক্ষক মণ্ডলী । আমাদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে পড়াব এবং পড়ানোর ইন্সট্রুমেন্ট তৈরি করেছি যেন আপনার কষ্ট লাঘব হয়।
পরবর্তী বার কাউন্সিল এমসিকিউ পরীক্ষার জন্য নতুন ব্যাচে ভর্তি চলছে।
#বৈশিষ্ট্যঃ
#বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক অনুষ্ঠিতব্য এমসিকিউ, লিখিত ও মৌখিক সকল পরীক্ষায় প্রায় ১০০% কমনের আলোকে পাঠদান।
# বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত সিলেবাস একাধিকবার সম্পন্ন করা।
# প্রতি ব্যাচে ২০ জন, ক্লাসেই পড়া শেষ করানো হয়, এ জন্য বাসায় অল্প অধ্যয়ন করলেই চলে।
# ইংলিশ ল', চাকুরিজীবী, ব্যস্ত শিক্ষার্থী এবং ঢাকার বাইরের পরীক্ষার্থীদের জন্য শুক্র / শনি বা সন্ধ্যার পরে বিশেষ ব্যাচ।
# ধারা ভিত্তিক আলোচনা, মামলা মুসাবিদা, বিভিন্ন প্রকারের দরখাস্ত এবং বর্ণনামূলক ও ব্যবহারিক প্রশ্নের সঠিক সমাধান হাতে কলমে পাঠদান।
#সময়ঃ
সপ্তাহে দুই দিন ক্লাস(শনিবার ও শুক্রবার )
প্রতি ক্লাসে ৩০ মিনিট পূর্ববর্তী লেকচারের উপর পরীক্ষা
বাকী ২ ঘণ্টা লেকচার শিটের উপর ক্লাস। আমাদের লেকচার শিট ই সাজেশন। যুগ যুগ ধরে বিসিএস, মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং কোচিং যে ফরম্যাটে পরিচালিত হচ্ছে আমরাও ঐভাবে পরিচালনা করছি। প্রতিদিন লেকচার কাম সাজেশন বেজ্ড আমরাই একমাত্র পড়াচ্ছি। কারণ জানা মতে প্রতিদিন লেকচার শিট কাম সাজেশন কেউ দেন না। আবার প্রতিদিন ঐ লেকচার কাম সাজেশনের উপর ক্লাস টেস্টও কেউ নেন না। আমরা জোর গলায় বলতে পারি একটি আদর্শ একাডেমি তথা কোচিং যেসব গুণাবলী থাকা আবশ্যক সবই আমাদের আছে।
অসংখ্য ক্লাস, অসংখ্য ক্লাস টেস্ট, ১২ টি ইভ্যালুয়েশন টেস্ট (রেগুলার ক্লাসের শেষে প্রতি ৩ টি লেকচারের উপর ১টি ইভ্যালুয়েশন টেস্ট), ৬ টি সেমি সাবজেক্ট ফাইনাল(প্রতি ৬টি লেকচারের উপর একটি সেমি সাবজেক্ট ফাইনাল) , ৭টি সাবজেক্ট ফাইনাল, ৫০টির উপরে বার কাউন্সিল আদলে মডেল টেস্ট।
#প্ল্যানঃ-
পরীক্ষার পূর্ব পর্যন্ত প্রিলিমিনারি (এমসিকিউ) পড়া।
সপ্তাহে এক দিন লিখিতের জন্য পড়ানো । লিখিততে আমাদের এক্সক্লুসিভ হ্যান্ড নোটই পড়তে হবে। লিখিত বিষয়েও সাজেশনসহ উত্তর পত্র পাবেন। তবে এই সময়েও প্রিলিমিনারির/ এমসিকিউ সল্ভ ক্লাস ও পরীক্ষা চলবে। যারা শুধু এমসিকিউ ভর্তি হবেন তাদের মনে রাখতে হবে লিখিত পরীক্ষার সময় কম সময় পাওয়া যায়। আগে একবার পড়ে রাখলে লিখিত পরীক্ষায় ভাল মার্কস পাওয়া যায়। মূল ফলাফলের সময় কাজে লাগে। তাছাড়া লিখিত পরীক্ষার একটা সিলেবাস আছে। এখান থেকে এমসিকিউ পরীক্ষায় বেশি প্রশ্ন আসতে দেখা যায়।
প্রিলিমিনারি/এমসিকিউ পাশের পর লিখিত পরীক্ষার পূর্ব পর্যন্ত লিখিত ক্লাস , ক্লাস টেস্ট, মডেল টেস্ট ।
অর্থাত্ ২ বার এমসিকিউ, ২ বার লিখিত শেষ করা হবে।
এমসিকিউ ও লিখিত পরীক্ষার পূর্ব পর্যন্ত ক্লাস, পরীক্ষা চলতেই থাকবে।
#যোগাযোগঃ
ফার্মগেট - ০১৯১৫৪৬০৮৮৭। (পরিচালক) । মোবাইলে কথা বলে ভর্তি হয়ে যান।
#এ্যাডমিশন ফি-
৪০০০ টাকা মাত্র। এক সপ্তাহের মধ্যে ভর্তি হলে এই ফি। পরে ভর্তি হলে ৪,৫০০ টাকা। শুধু এমসিকিউ।
এমসিকিউ ও লিখিত ভর্তি একসাথে ভর্তি হলে ৬০০০ টাকা। এক সপ্তাহ পরে ভর্তি হলে ৭০০০ টাকা।
এই ব্যাচের সকল কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন হবে।
#স্ট্যাডি ম্যাটিরিয়ালঃ
একটি একাডেমিকে জাস্টিফাই করার পন্থা দুটি -
প্রথমতঃ স্ট্যাডি ম্যাটেরিয়াল
দ্বিতীয়তঃ পাঠদান
আমরা চেষ্টা করেছি গুরুত্বপূর্ণ ও নির্ভুল স্ট্যাডি ম্যাটেরিয়াল তৈরি করতে। সাজেশনধর্মী করারও আপ্রাণ চেষ্টা ছিল।
স্ট্যাডি ম্যাটেরিয়ালে যা আছে -
১. লেকচার শিট তথা গুরুত্বপূর্ণ হ্যান্ড মডিউল
২. প্রতি লেকচার শিটে এক্সাম শিট তথা ক্লাস টেস্ট
৩. বিভিন্ন আঙ্গিকে ১০০ মার্কসের মডেল টেস্ট (সেমি সাবজেক্ট ফাইনাল, সাবজেক্ট ফাইনাল, ইভ্যালুয়েশন টেস্ট, কোয়ার্টার মডেল টেস্ট, সেমি মডেল টেস্ট, স্পট এক্সাম, মডেল টেস্ট
৪. বইসমূহ
ক. ভিশন এমসিকিউ ডাইজেস্ট
খ. ভিশন রিটেন ভাইজেস্ট
গ. ভিশন মডেল টেস্ট (এমসিকিউ + লিখিত)
ঘ. ভিশন সাপ্লিমেন্ট (এমসিকিউ + লিখিত)
ঙ. ভিশন হাইলাইটস (এমসিকিউ + লিখিত)
চ. ভিশন হট কেক ফাইনাল সাজেশন এমসিকিউ + লিখিত)
ছ. রিটেনের প্রাকটিসের জন্য ভিশনের স্পেশাল খাতা
বিভিন্ন জটিলতার কারণে ঠিক সময়ে পরীক্ষা না হলে সেই সময়ে বিরতিহীনভাবে ক্লাস পরীক্ষা না নিলে শিক্ষার্থীরা রেজাল্ট খারাপ করে থাকে। এজন্য আমরা পরীক্ষার পূর্ব পর্যন্ত ক্লাস পরীক্ষা চলমান রাখি।
#বলা বাহুল্য, আজ পর্যন্ত এ্যাডভোকেটশিপ পরীক্ষায় আমাদের একাডেমি থেকে ফেল করার রেকর্ড নাই। শিক্ষার্থীর সামান্যতম সহযোগিতা থাকলে সে পাশ করবে।
#ব্যাচে সিট নিশ্চিত করতে যোগাযোগ করুন-০১৯১৫৪৬০৮৮৭।
#মনে রাখবেন -
সেই নির্বোধ যে স্বপ্ন দেখে কিন্তু সেই অনুপাতে কাজ করে না।
আমরা আপনাকে পড়ার ইন্সট্রুমেন্ট দেব, পরিকল্পনামাফিক পড়াব, গাইডলাইন দেব। না পড়লে প্রেসারে রাখব, না বুঝলে বার বার বুঝাব, শুধু আপনাকে নিয়মিত আসতে হবে, প্রতি দিনের পড়া প্রতি দিন পড়তে হবে। শুধু তারাই যোগাযোগ করুন।
নিরন্তর শুভ কামনা রইল।
[ভাল লাগলে কমেন্ট করতে পারেন। প্রয়োজনীয় মনে হলে শেয়ার করে টাইম লাইনে রেখে দিতে পারেন। ধন্যবাদ ]
Adv Shaikh Nabiruzzaman Babu
অ্যাডভোকেট,
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট
প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক
ভিশন ল' একাডেমি
লেখকঃ
ভিশন MCQ ডাইজেস্ট (অ্যাডভোকেটশিপ এমসিকিউ, সহকারি জজ শুধু মূল আইনের অংশ)
ভিশন মডেল টেস্ট (বার কাউন্সিল ও সহকারী জজের শুধু মূল আইনের অংশ)
ভিশন Written ডাইজেস্ট [ বার কাউন্সিল ]
ভিশন ভাইভা ডাইজেস্ট [ বার কাউন্সিল ও সহকারি জজ ]
যোগাযোগঃ
১৩১/বি, গ্রিন রোড, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের বিপরীত বিল্ডিং এর ৪র্থ তলা , ফার্মগেট, কায়খসরু ভবন, ঢাকা
০১৯১৫৪৬০৮৮৭ (বিকাশ )
Vision Law Academy সহকারি জজ, এ্যাডভোকেটশিপ ও হাইকোর্ট পারমিশন
06/02/2025
হাইকোর্ট পারমিশন এর ভাইভার নোটিশ
01/02/2025
এপ্রিল মাসে বার কাউন্সিল এমসিকিউ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে
বার কাউন্সিলের আজকের (২৬/১/২০২৫) সভার সিদ্ধান্তঃ
ঈদুল ফিতরের পরপর যত দ্রুত সম্ভব এপ্রিল, ২০২৫ এর মধ্যে আইনজীবী তালিকাভুক্তি পরীক্ষা (নিম্ন আদালত) অনুষ্ঠিত হবে।
হাইকোর্ট পারমিশন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ ও রিভিউ আবেদনকারীদের রিভিউ নিষ্পন্ন কার্যক্রম ১সপ্তাহের মধ্যে শুরু করতে এনরোলমেন্ট কমিটির প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।
20/01/2025
সম্পত্তির দলিল লেখার জন্য ‘দলিল লেখক' এর কাছে দায়িত্ব দিয়েই ক্রেতার দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। কেননা পরবর্তীতে দলিলে ভুল পরিলক্ষিত হলে দলিল লেখক নয় এর মাশুল গুনতে হবে ক্রেতাকেই। তাই এতে ক্রেতার সচেতনতা আবশ্যক। সম্পত্তির দলিল লেখার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়ে ক্রেতার লক্ষ্য রাখা প্রয়োজনঃ-👇👇👇
১। দলিল সম্পাদনকারী তথা জমি দাতা (বিক্রেতা)
আইনের দৃষ্টিতে সাবালক ও সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন কি না, আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত কি না তা যাচাই করে নিতে হবে৷
২। দলিলের ধরন যেমন- (ক) সাফ কবলা (খ) বায়না পত্র (গ) দানপত্র (ঘ) হেবার ঘোষনাপত্র ইত্যাদি খেয়াল করতে হবে৷
৩। ক্রেতা যে জমিটি কিনতে যাচ্ছেন সেই প্রস্তাবিত জমির পরিমাণ, বিক্রয় মূল্য (বায়না দলিল হলে বায়নায় পরিশোধিত টাকা এবং বাকী টাকা) ইত্যাদি দেখে নিতে হবে।
৪। পক্ষ পরিচয় তথ্য যেমন- দলিল গ্রহীতা/প্রথম পক্ষ, দলিল দাতা/দ্বিতীয় পক্ষ, উভয় পক্ষের পূর্ণ নাম, ঠিকানা, পেশা, ধর্ম ইত্যাদি। দলিল গ্রহীতার ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র এবং দাতার ক্ষেত্রে আগত খতিয়ান (সর্বশেষ জরিপ/নামজারি খতিয়ান) এর সাথে মিল রেখে নাম ঠিকানা লেখা হয়েছে কি না দেখতে হবে।
৫। স্বত্ত্বের বর্ণনা যেমন- জমি দাতার মালিকানার ভিত্তি, দলিল মূলে হলে পূর্বের দলিলের নম্বর ও তারিখ, পর্চা/খতিয়ান নম্বর ইত্যাদি৷
৬। জমির বিক্রেতা যদি জমিটি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়ে থাকে তাহলে মূল মালিকের সাথে বিক্রেতা যোগসূত্র/সম্পর্ক সঠিক আছে কিনা তা জেনে নিতে হবে৷
৭। দলিলে প্রস্তাবিত জমির তফশিল যেমন- জেলার নাম, উপজেলার নাম, রেজিস্ট্রি অফিসের নাম, মৌজার নাম, জেএল নম্বর, দাগ নম্বর, খতিয়ান নম্বর এবং জমির শ্রেণি আগত খতিয়ানের সাথে মিল আছে কি না দেখে নিতে হবে। জমির তফশিল লেখার সময় প্রত্যেক দাগে মোট জমির পরিমাণ কত এবং অত্র বিক্রয় দলিলে উক্ত দাগের মধ্যে কত একর বা শতাংশ জমি বিক্রয় করা হচ্ছে তা প্রতি ক্ষেত্রে লিখে নিতে হবে৷ তবে উল্লেখ্য যে, কোন অবস্থাতেই কয়েকটি দাগের জমি একত্রে যোগ করে একর/শতাংশ লেখা উচিত হবে না৷
৮। ক্রেতা যে জমিটি ক্রয় করতে চাচ্ছে সেই জমিটির চৌহদ্দি ঠিক আছে কি না অর্থাত্ উত্তর, দক্ষিণ পূর্ব, পশ্চিম পাশের জমির বর্ণনা সহ মালিকের নাম উল্লেখ করতে হবে৷
৯। জমি বিক্রেতা বা দলিল দাতা দলিলের ১ম পৃষ্ঠার উপরের ডান পাশ্বের নীচ থেকে উপরের দিকে তার নিজ নাম স্বাক্ষর করবেন অথবা নিরক্ষর হলে নিজ নামের উপরে টিপ সহি প্রদান করেছেন কি না তা দেখতে হবে৷ এছাড়াও জমি বিক্রেতা বা দাতা দলিলের শেষ পৃষ্ঠার নীচে স্বাক্ষর বা টিপ সহি করবেন৷ তবে দলিলের প্রতি পৃষ্ঠায় দাতার স্বাক্ষর বা টিপ সহি দিলে ভালো হয়৷
১০। জমির বিক্রেতা দলিলের শেষ পৃষ্ঠার নীচে যে জায়গায় তার নিজ নাম স্বাক্ষর বা টিপ সহি করেছেন ঠিক তার নীচে উক্ত দলিলটির লেখক তার নাম স্বাক্ষর করবেন। এরপর কমপক্ষে ২ জন সাক্ষী এবং অপর একজন জমির বিক্রেতাকে সনাক্ত করে সনাক্তকারী হিসাবে স্বাক্ষর করবেন।
১১। দলিলে যতদূর সম্ভব কাটাকাটি, ঘষামাঝা, অষ্পষ্টতা এড়াতে হবে তবুও যদি কোনরূপ ভুল ক্রটি ঘষামাঝা কাটাকাটি হয়েও যায় তাহলে সেক্ষেত্রে উক্ত কাটাকাটি বা ঘষামাঝা যুক্ত লাইন ও শব্দের ক্রম উল্লেখ করে দলিলের শেষাংশে কৈফিয়ত লিখে দলিল লেখককে তার নীচে স্বাক্ষর করতে হবে৷
এছাড়াও জমির ক্রেতাকে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে- বিভিন্ন জরিপের দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর যাতে দলিল লেখকের মাধ্যমে সঠিকভাবে লিখানো হয়৷ এজন্য জমির ক্রেতাকে জমি ক্রয় করার পূর্বেই তহসিল অফিস হতে জমির সঠিক দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর জেনে নিতে হবে৷ প্রয়োজনে খতিয়ানের সইমোহর নকল সংগ্রহ করতে হবে।
゚viralシ #নামজারী #জমি #ভূমি #জমিপরিমাণ #ভূমিসেবা #জমিদার #দলিল #সম্পত্তি
16/10/2024
High Court Permission Viva Question #
Examiner:
Would you disclose your opinion about advocacy profession?
Candidate:
Advocacy is very challenging profession and I like to take challenge, moreover it is a royal and dignified profession. In this profession there is opportunity being honest as well as huge amount of money can earn, in additional advocates are natural leader of the society, therefore, this profession is such kind of position through which any one can contribute a lot to the country's advancement and improvement. I am confident that I can perfectly and proferly execute my particular duties.
High Court Permission Viva Exam Batch - 2024
Admission is going on
Course Fee: 1200/-
15/10/2024
High Court Permission Written Exam- 2024 Result has been Published !
25/05/2024
বার কাউন্সিল প্রিলি ব্যাচে ভর্তি চলছে -২০২৪
# অফলাইন এবং অনলাইনে বার কাউন্সিল পরীক্ষা-২০২৪ পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে আজই যুক্ত হন
ভিশন ল' একাডেমির এর সাথে।
♻ কোর্সে থাকবে:-
☑ পরীক্ষার আগ পর্যন্ত ক্লাস
☑ মূল আইনের আনলিমিটেড ক্লাস
☑ কোর্স শুরুতে প্রতিটি সাবজেক্ট এ-র লেকচার প্লান
☑ প্রতিটি ক্লাসের ক্লাস টেস্ট
☑ সাব্জেক্টিভ MCQ পরীক্ষা
☑ সাব্জেক্টিভ লিখিত পরীক্ষা
☑ রিভিশন ক্লাস ও
☑ পূর্নাঙ্গ মডেল টেস্ট
☎️ ভর্তি হতে এখনি যোগাযোগ করুন- 01915460887
ভিশন ল' একাডেমি
১৩১/বি, গ্রীন রোড, কায়খসরু ভবন (৪র্থ তলা)
ফার্মগেট, ঢাকা
06/05/2024
বার কাউন্সিল এমসিকিউ নতুন ব্যাচ ১০ মে শুরু হবে-
(বিশেষ ছাড়ে ভর্তি চলছে)
| Monday | 08:00 - 21:00 |
| Tuesday | 08:00 - 21:00 |
| Wednesday | 08:00 - 21:00 |
| Thursday | 08:00 - 21:00 |
| Friday | 08:00 - 21:00 |
| Saturday | 08:00 - 21:00 |
| Sunday | 08:00 - 21:00 |