19/08/2026
বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ড্রাস্ট্রি দিন দিন বড়ো হচ্ছে। বলা হয় বর্তমানে এই শিল্প এখন প্রায় ৫-৬ বিলিয়ন ডলারের।
দেশে যতো ওষুধ তৈরি হয়, তার প্রায় ৯০% ওষুধ হলো স্মল মলিকিউল (Small Molecule) নির্ভর ড্রাগ। এবং এই ওষুধগুলোর যে এক্টিভ ইনগ্রেডিয়েন্ট (API) সেগুলো কিন্তু দেশে তৈরি হয় না। পুরো দেশের প্রায় ৮৫% API আমদানী করা হয়। ভারত, চীন ও অন্যান্য দেশ থেকে।
কয়েক যুগ ধরে এভাবে চললেও, ভবিষ্যতে বেশিদিন পুরোনো ধাঁচে এই শিল্পকে চালানো যাবে না। ফলে অনেক ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ড্রাস্ট্রি এবং সরকার, দেশেই এপিআই তৈরি করার চিন্তা করছে। এপিআই স্বনির্ভরতা বৃদ্ধির কথা ভাবছে, এমন কি উদ্যোগও নিচ্ছে।
কিন্তু এপিআই স্বনির্ভরতার পথে অনেকগুলো বাঁধা আছে। একটা হলো, দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে অর্গানিক কেমিস্ট নেই। বাংলাদেশে প্রতি বছর দশজন স্টুডেন্টও অর্গানিক কেমেস্ট্রিতে পিএইচডি করে না। সে জায়গায় ভারতে সম্ভবত সহস্রাধিক পিএইচডি স্টুডেন্ট বের হয়, অর্গানিক কেমেস্ট্রি থেকে। চীনে এই সংখ্যা আরো বেশি। ফলে চীন এবং ভারত, পুরো পৃথিবীর ফার্মা ইন্ড্রাস্ট্রির CRO (contact research organization) ব্যবসা দখল করে রেখেছে।
এমনকি বাংলাদেশ থেকে যারা দেশের বাইরে পড়তে যায়, তাদের মধ্যেও অর্গানিক কেমিস্টের সংখ্যা অন্যান্য ফিল্ডের তুলনায় খুবই কম। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশে অন্তত ৫০০ অর্গানিক কেমিস্ট দরকার। দক্ষ অর্গানিক কেমিস্ট। এই জায়গায় সরকার কিংবা প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানকে আমি সাহায্য করতে পারবো। আমার ক্যারিয়ারের কোর দক্ষতাই হলো অর্গানিক কেমেস্ট্রি। ১৭ বছর ধরে শিখেছি, শিখেয়িছি, করেছি, করে যাচ্ছি।
বাংলাদেশের অনেক প্রতিষ্ঠান কিংবা ব্যবসায়ীরা সিনথেটিক ল্যাব বা এপিআই ল্যাব তৈরি করতে ইচ্ছুক। অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অর্গানিক কেমেস্ট্রির ল্যাব ও কোর্স ডিজাইন করতে ইচ্ছুক। Feel free to contact! ড্রাগ ডিসকাভারির কোর্স, ল্যাব এমনকি প্রজেক্ট শুরু করার জন্য যদি কোন সাহায্য লাগে, আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।
বাংলাদেশের কেমেস্ট্রি এবং ড্রাগ ডিসকাভারি রিসার্চের সংস্কৃতিকে শক্তিশালী না করলে, এতো বড়ো ফার্মা ইন্ড্রাস্ট্রি পুরোনো ধাঁচে বহুদিন টিকে থাকবে না। সময়ের সাথে সাথে চাই কালের গতির সাথে পরিবর্তন।
……………..
RAUFUL ALAM