ড. মুহম্মদ ইউনুস ও ব্র্যাকের ফজলে হাসান আবেদের আমন্ত্রণে ১৯৯০ এর দশকে নেদারল্যান্ডসের এক কৃষি বিজ্ঞানী বাংলাদেশে এসেছিলেন। নাম সাইমন গ্রুট।
হোটেল লবিতে তার সাথে কাকতালীয়ভাবে বাংলাদেশের একজন রাজনীতিবিদ কাম ব্যবসায়ীর দেখা হয়।
সাইমন গ্রুট সেই ব্যবসায়ীকে বলেন, "কিসের রাজনীতি করেন মিয়া। সাধারণ কৃষকদের জন্য কিছু করুন।"
রাজনীতিবিদ উত্তর দিলেন, "আমার রাজনীতিই তোন জনগনের জন্য।"
সাইমন গ্রুট বললেন, "এসব ফাকা আওয়াজে কাজ হবে না। কৃষকরা উপকৃত হয় এমন কিছু করেন। আমি দেখলাম এই দেশের কৃষকদের উন্নত জাতের, রোগ সহনশীল বীজের অভাব আছে। উনারা যেসব বীজ ব্যবহার করেন, তাতে উৎপাদন তেমন হয় না। বেগুনে বীজ লাগানোর পরে দেখা যায় মরিচ গাছ হইসে। এমনও শোনলাম। প্রচুর সার কীটনাশক ব্যবহার করতে হয়। এতে করে তাদের লগ্নির টাকা উঠে আসে না। কৃষকরা এই দেশে লগ্নির টাকা তো পায়ই না। উলটো শারিরীক পরিশ্রম যেটা করে সেটার দামও পায় না। যেনো এক দাস প্রথা।"
ব্যবসায়ীর হৃদয়ে কথাগুলো ব্যাপক আলোড়ন তুলে। উনি জাপান যেতেন নিয়মিত। সেখানে থেকে কিছু বীজ এনে আমাদের দেশে পরীক্ষামুলকভাবে চাষ করেন। ফলনও ভালো পান।
এরপরে ১৯৯৫ সালে উনি একটা বীজের কোম্পানী চালু করেন। আজকে দেশে যতো বীজ উৎপন্ন হয় তার ৭০% ভাগই তার কোম্পানীর।
১৯৯৫ সালের দিকে কিছ ভালো বিদেশি বীজ কোম্পানী এই দেশেও ছিলো। কিন্তু তাদের বীজের দাম ছিলো আকাশচুম্বী। সাধারণ কৃষকের আয়ত্বের বাইরে। সৌখিন চাষীরা সেসব বীজ ব্যবহার করতো।
তার বীজ কোম্পানীর রয়েছে নিজস্ব ল্যাব, বিজ্ঞানী, কোটি কোটি টাকা খরচ করেন গবেষণায়।
নতুন নতুন জাত উদ্ভাবন করেন। কৃষকদের ফ্রি বীজ, সার, পুজি দিয়ে সেসব বীজ মাঠ ট্রায়াল দেন। দেশের বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে তাদের নিজস্ব মাঠ। রয়েছে মহিষের সিমেন, গরুর সিমেন গবেষণাগার।
লোকটির নাম আব্দুল আওয়াল মিন্টু আর বীজ কোম্পানীটির নাম লাল তীর।
আব্দুল আওয়াল মিন্টু আগে থেকেই সফল ব্যবসায়ী। টেক্সটাইল, রড ব্যবসার টাইকুন।
কিন্তু উনি বসুন্ধরা, প্রাণ, মেঘনা, আকিজের মত আটা ময়দা, রিয়েল স্টেটস এসব ব্যবসায় যাননি। যেখানে গেলেই জনগনের পকেট কেটে নিশ্চিত লাভ।
উনি গিয়েছিলেন অপ্রচলিত ব্যবসায়। যেখানে রিস্ক প্রচুর। কিন্তু একেবারে গরীবের গরীব, অন্তজ্য জনগনের যেখানে লাভ সেখানে।
আজকে দেশে লাল তীর মানেই কৃষকের আস্থা।
নায্য দামে উন্নত বীজ।
জমিতে বীজ লাগিয়ে ২ মাস অপেক্ষার পর এক সময় কৃষক দেখতো চারা গজাচ্ছে না। এইটা যে কি পরিমাণ অন্যায়। সেসব থেকে মুক্তি দিয়েছে লাল তীর।
বাগেরহাটের রামপালে লালতীরের একটা গবেষণা কেন্দ্র আছে। লোনা পানি সহনশীল ফসল নিয়ে গবেষণা করার। ভাবা যায়?
ভারতের এক তরফা আন্তর্জাতিক নদীর উজানে বাধ দিয়ে পানি সরানোর ফলে উপকুলের নতুন নতুন এলাকায় নোনা পানি ঢুকতেসে। হাজার হাজার একর জমি চাষ অযোগ্য হয়ে যাচ্ছে। সেসব জমিতর নতুন জাতের ফসল উদ্ভাবন করে চাষযোগ্য করে যাচ্ছে লাল তীর।
এই দেশের ব্যবসায়ীরা যেখানে গবেষণায় কোন বরাদ্দ রাখে না। ছোট ছোট কুটির শিল্পকে ধ্বংস করে যে দেশে বড় বড় কোম্পানী চানাচুর, পাউরুটি, বাটারবনের ব্যবসা করে সেখানে আব্দুল আওয়াল মিন্টুদের অবদান আপনি কৃষকদের না চিনলে বুঝবেন না।
অনেকে অনেক ধরনের কথাই বলতে পারেন। কিন্তু আব্দুল আওয়াল মিন্টুদের অবদান আপনি ধান্ধাবাজ, মুর্খ না হলে অস্বীকার করতে পারবেন না।
BNP Media Cell Tarique Rahman Bangladesh Nationalist Party-BNP
হাবিজাবি
Knowing the unknown
আপনার অজান্তেই আপনার টাকা চলে যাচ্ছে জামায়াতের দলীয় ফান্ডে। আপনি হয়তো ভাবছেন এটা কেমন কথা! তাহলে শুনুন, আপনি ইসলামি ব্যাংকে আপনার কষ্টার্জিত জমানো টাকা আমানত হিসেবে জমা রেখেছেন। আপনার এই টাকার একটা অংশ ইয়ানতের নামে চলে যাচ্ছে জামায়াতের দলীয় ফান্ডে। আপনার টাকায় চলছে জামাতের দলীয় কর্মকাণ্ড।
Bangladesh Nationalist Party-BNP BNP Media Cell
Tarique Rahman
তালিমের নামে আপনার মা, আপনার বোন কিংবা আপনার স্ত্রী গোপনে একটা রাজনৈতিক দলের কাছে কসম খেয়ে দায়বদ্ধ হয়ে যাচ্ছে না তো? আশেপাশে খেয়াল রাখুন, ষড়যন্ত্রকারীদের রুখে দিন।
20/12/2025
11/12/2025
আমি দশ লাখ ঘোষণা দিলাম।
01/11/2025
20/10/2025
এটা বেস্ট🤣🤣🤣
I gained 1,122 followers and created 1 post in the past 90 days! Thank you all for your continued support. I could not have done it without you. 🙏🤗🎉
Celebrating my 11th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
৬৯ মানে কি!
25/09/2025
পংকি দাদা🤣 The Following Following
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka