Tutoria

Tutoria

Share

We are for those who want to rewrite his life story..............

20/04/2026

তুমি কি কখনো কুরআনকে শুধু পড়ার জন্য খুলেছ, নাকি নিজেকে পড়ার জন্য?

একটু থামো… আজ শব্দ নয়, অর্থের ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করো। এটি কোনো সাধারণ গ্রন্থ নয়—এটি এমন এক নীরব আলো, যা নাযিল হয়েছে তোমার উপর নয়, তোমার ভেতরে জাগ্রত হওয়ার জন্য। বলা হয়েছে, এটি বরকতময়—কিন্তু এই বরকত কেবল স্পর্শে নয়, চিন্তনে; কেবল তিলাওয়াতে নয়, তাদাব্বুরে।

তুমি কি খেয়াল করো, আমরা কত সহজে আয়াত পড়ি, কিন্তু আয়াত আমাদের পড়ে না? শব্দগুলো আমাদের ঠোঁট স্পর্শ করে, কিন্তু হৃদয়ে ঢোকার আগে হারিয়ে যায়। অথচ এই কিতাবের উদ্দেশ্য ছিল—তুমি থামবে, ভাববে, প্রশ্ন করবে, কাঁপবে… তারপর বদলাবে।

ইতিহাসে ফিরে তাকাও—প্রথম প্রজন্ম, যারা এই কিতাব পেয়েছিল, তারা একে দ্রুত শেষ করার জন্য পড়েনি; তারা এক আয়াতকে জীবনের মতো ধারণ করেছিল। Muhammad (peace be upon him)-এর সাহাবীরা দশটি আয়াত শিখে ততক্ষণ এগোতেন না, যতক্ষণ না তারা সেই আয়াতকে জীবনে রূপ দিতেন। কারণ তারা জানতেন—এই কিতাব তথ্য দেয় না, এটি রূপান্তর ঘটায়।

তুমি কি কখনো নিজেকে জিজ্ঞেস করেছ—কেন এই কিতাবকে “মুবারক” বলা হয়েছে? কারণ এটি শুধু পথ দেখায় না; এটি পথের ভেতরে বরকত সৃষ্টি করে। যখন তুমি একটি আয়াত নিয়ে গভীরভাবে ভাবো, তখন সেটি তোমার সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলে, তোমার দৃষ্টিকে বদলায়, তোমার অগ্রাধিকার পুনর্গঠন করে। এটি এক ধরনের নীরব বিপ্লব—যেখানে পরিবর্তন বাইরে নয়, ভেতর থেকে শুরু হয়।

তুমি আজকের পৃথিবী দেখো—তথ্যের অভাব নেই, জ্ঞানেরও অভাব নেই, কিন্তু দিকনির্দেশনার অভাব স্পষ্ট। কারণ আমরা জানি, কিন্তু ভাবি না; পড়ি, কিন্তু থামি না। এই কিতাব সেই থামার আহ্বান। এটি বলে—তুমি কেবল গ্রহণকারী নও, তুমি একজন চিন্তাশীল সত্তা; “উলুল আলবাব”—যারা গভীরভাবে উপলব্ধি করে।

তুমি যদি কুরআনকে কেবল রুটিন বানাও, এটি তোমার জীবনে খুব কম পরিবর্তন আনবে। কিন্তু যদি তুমি এক আয়াত নিয়ে বসো, নিজেকে তার সামনে উন্মুক্ত করো, নিজের জীবনকে তার আলোয় মাপো—তখন এটি তোমাকে বদলে দেবে। ধীরে, নীরবে, কিন্তু গভীরভাবে।

ভাবো তো, শেষ কবে তুমি একটি আয়াত পড়ে থেমেছিলে? শেষ কবে তুমি অনুভব করেছিলে—এই কথাগুলো যেন সরাসরি তোমাকেই বলা হচ্ছে? শেষ কবে তোমার ভেতরে কিছু কেঁপে উঠেছিল?

তুমি ব্যস্ত—জীবন দৌড়াচ্ছে। কিন্তু এই কিতাব দৌড়ের জন্য নয়; এটি থামার জন্য। এটি তোমাকে বাস্তবতা থেকে পালাতে বলে না; বরং বাস্তবতাকে সঠিকভাবে দেখতে শেখায়।

আজ একটু চেষ্টা করো—একটি আয়াত নাও। দ্রুত এগিয়ে যেও না। শব্দগুলোকে অনুভব করো, অর্থকে নিজের জীবনের সাথে মিলাও। নিজেকে প্রশ্ন করো—আমি কি এই আয়াতের আলোতে বেঁচে আছি, নাকি শুধু এর শব্দের পাশে দাঁড়িয়ে আছি?

মনে রেখো, এই কিতাব কেবল পড়ার জন্য নাযিল হয়নি—এটি তোমাকে জাগানোর জন্য নাযিল হয়েছে।

আর তুমি যদি সত্যিই জেগে উঠতে চাও, তবে শব্দ নয়—অর্থের ভেতরে প্রবেশ করো।
সেখানে হয়তো তুমি নিজের হারানো দিকনির্দেশনা খুঁজে পাবে… নীরবে, কিন্তু নিশ্চিতভাবে।

18/04/2026

Let's read...

এই পৃথিবীকে যদি একটানা নীরব দৃষ্টিতে, গভীর কিন্তু সরল চোখে দেখা যায়—তাহলে এটি কোনো চূড়ান্ত বাস্তবতা নয়, বরং এক প্রবাহমান দৃশ্যপট। এখানে সবকিছু চলছে, কিন্তু কিছুই স্থির নয়। মানুষ জন্ম নিচ্ছে, ভূমিকা নিচ্ছে, সংগ্রাম করছে, জয় করছে, আবার হারিয়ে মিলিয়ে যাচ্ছে। মনে হয় যেন একটি বিশাল নাট্যমঞ্চে আলো জ্বালানো হয়েছে—চরিত্ররা প্রবেশ করছে, সংলাপ বলছে, আবেগে ভেঙে পড়ছে, আবার অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু পর্দা নামলেই সব নিঃশব্দ। এই নিঃশব্দতার ভেতরেই লুকিয়ে আছে এক কঠিন সত্য—যা চূড়ান্ত মনে হয়, তা আসলে অস্থায়ী; আর যা খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়, তা আসলে এক ক্ষণস্থায়ী ভূমিকা।

এই দৃষ্টিভঙ্গিকে কুরআন এক গভীর শব্দচিত্রে প্রকাশ করেছে—এই জীবন খেলাধুলা, কৌতুক, প্রতিযোগিতা এবং শোভা-প্রদর্শনের মতো। খেলায় যেমন মানুষ মগ্ন হয়ে যায়, উত্তেজিত হয়, জয়-পরাজয়ে কাঁপে, কিন্তু খেলা শেষ হলে সব আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে—ঠিক তেমনি এই দুনিয়ার সব অর্জন, সব গর্ব, সব দৌড় একসময় পিছনে পড়ে যায়। এখানে কোনো কিছুই শেষ সত্য নয়, কিন্তু প্রতিটি কিছুই শেষ সত্যের মতো অনুভূত হয়। এই দ্বৈততা-ই মানুষের সবচেয়ে বড় বিভ্রান্তি।

এই বিভ্রান্তির ভেতরে দাঁড়িয়ে যদি গেম থিওরির দৃষ্টিতে দেখা হয়, তবে পৃথিবী এক জটিল “multi-agent strategic game”—যেখানে প্রত্যেকে নিজের স্বার্থ, মর্যাদা ও নিরাপত্তার জন্য সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। কিন্তু এই গেমের সবচেয়ে অদ্ভুত বিষয় হলো এর “payoff structure”—এখানে লাভ ক্ষণস্থায়ী, আর প্রতিযোগিতা অনন্ত। মানুষ ভাবে সে জিতছে যখন সে বেশি অর্জন করছে, কিন্তু বাস্তবে সবাই একটি অদৃশ্য চক্রে ঘুরছে, যেখানে প্রতিটি জয় নতুন শূন্যতা তৈরি করে। এটি এক “temporary equilibrium”, যেখানে স্থায়িত্ব কখনোই অর্জিত হয় না।

এই অবস্থাকে Plato বহু আগেই গুহার উপমায় ব্যাখ্যা করেছিলেন—মানুষ ছায়াকে বাস্তবতা ভেবে বসে থাকে। তারা আলো দেখে না, তারা প্রতিফলন দেখে। প্রতিফলনের সৌন্দর্য তাদের মুগ্ধ করে, কিন্তু সেই সৌন্দর্যই তাদের প্রকৃত সত্য থেকে দূরে রাখে। এই দুনিয়াও ঠিক তেমন—একটি প্রতিফলন-ভিত্তিক বাস্তবতা, যেখানে দৃশ্য সত্য মনে হয়, কিন্তু সত্য নিজে দৃশ্যের বাইরে।

আর যদি এই বাস্তবতাকে কোয়ান্টাম দৃষ্টিতে দেখা হয়, তবে এটি আরও সূক্ষ্ম হয়ে ওঠে। বাস্তবতা এখানে কোনো কঠিন, স্থির বস্তু নয়; এটি সম্ভাবনার এক তরঙ্গময় ক্ষেত্র। পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে এটি ক্ষণিকের জন্য নির্দিষ্ট রূপ নেয়, আবার মুহূর্তেই বদলে যায়। অর্থাৎ, আমরা যা “বাস্তবতা” বলে ধরে নিই, তা আসলে অনিশ্চয়তার উপর দাঁড়ানো এক সাময়িক স্থিরতা। এই দৃষ্টিতে দুনিয়া কোনো চূড়ান্ত কাঠামো নয়—এটি এক পরিবর্তনশীল ফ্রিকোয়েন্সি, যা প্রতিনিয়ত রূপ বদলায়।

এই পরিবর্তনশীলতার মাঝেই আকর্ষণের তত্ত্ব একটি গভীর ইঙ্গিত দেয়—মানুষ যা গভীরভাবে বিশ্বাস করে, তার চেতনা ধীরে ধীরে সেটিকেই তার অভিজ্ঞতায় টেনে আনে। যদি কেউ এই দুনিয়াকেই চূড়ান্ত সত্য মনে করে, তবে তার জীবনও সেই সীমার মধ্যে আটকে যায়—দৌড়, প্রতিযোগিতা, অস্থিরতা, অপ্রাপ্তি তার পরিচয় হয়ে ওঠে। কিন্তু যদি কেউ বুঝে নেয় এটি একটি অস্থায়ী পর্ব, একটি পরীক্ষা ক্ষেত্র, তখন তার চেতনার কেন্দ্রবিন্দু বদলে যায়। সে একই দুনিয়ায় থাকে, কিন্তু একই দুনিয়ার বন্দী থাকে না।

এই উপলব্ধি ইসলামী ইতিহাসে এক জীবন্ত বাস্তবতা হিসেবে দেখা যায়। নবী মুহাম্মদ (সা.) যখন মক্কার সমাজে দাঁড়িয়ে দাওয়াত দেন, তখন সেই সমাজ ছিল সম্পদ, মর্যাদা এবং প্রতিযোগিতার এক চরম “গেম থিওরি স্টেট”-এ নিমজ্জিত। কুরাইশরা মনে করত শক্তি ও সম্মানই চূড়ান্ত সত্য। কিন্তু নবী (সা.) সেই পুরো কাঠামোকে উল্টে দেন—তিনি ঘোষণা করেন, প্রকৃত বাস্তবতা এই দুনিয়ার বাইরে। তাঁর জীবন ছিল এই দৃষ্টিভঙ্গির বাস্তব রূপ—যেখানে তিনি বলেছিলেন, এই দুনিয়ার সাথে সম্পর্ক হলো এমন, যেন একজন পথিক গাছের ছায়ায় সাময়িক বিশ্রাম নেয়, তারপর আবার যাত্রা শুরু করে। ছায়া ঘর নয়, আর বিশ্রাম গন্তব্য নয়।

সাহাবাদের জীবন এই সত্যের আরও গভীর প্রতিফলন। উমর (রা.) ক্ষমতার চূড়ান্ত শিখরে থেকেও নিজেকে দায়িত্বের ভারে কাঁপিয়ে রাখতেন, কারণ তিনি জানতেন—এই ক্ষমতা চূড়ান্ত নয়, এটি পরীক্ষামাত্র। তাঁর শাসন ছিল শক্তিশালী, কিন্তু হৃদয় ছিল বিনয়ী; কারণ তিনি জানতেন, এই দুনিয়া পরিচালনার জায়গা, উপভোগের চূড়ান্ত স্থান নয়।

এখানেই সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি—মানুষ এই খেলাকে ভুলভাবে চূড়ান্ত বাস্তবতা ভেবে বসে। সে দৌড়ায়, ধরে রাখে, হারাতে ভয় পায়, কিন্তু বুঝতে পারে না যে সে এক অস্থায়ী মঞ্চে স্থায়ী ঘর খুঁজছে। এই ভুল উপলব্ধি তাকে ধীরে ধীরে ভেতর থেকে শূন্য করে দেয়। সে যত বেশি পায়, তত বেশি হারায় নিজের অন্তরের স্থিরতা।

তবুও এই সত্য ভয় পাওয়ার জন্য নয়, বরং জেগে ওঠার জন্য। কারণ যখন মানুষ বুঝতে পারে যে এই সবকিছু অস্থায়ী, তখন তার ভেতরে এক অদ্ভুত শান্তি জন্ম নেয়। সে আর দৌড়ের দাস থাকে না, বরং দৌড়ের সাক্ষী হয়ে ওঠে। সে বাঁচে, কিন্তু হারিয়ে যায় না; সে অংশ নেয়, কিন্তু বন্দী হয় না।

শেষ পর্যন্ত এই পৃথিবী আর কেবল খেলাধুলা বা কৌতুক মনে হয় না। এটি হয়ে ওঠে এক গভীর পরীক্ষাগার—যেখানে প্রতিটি সিদ্ধান্ত মানুষকে তার প্রকৃত বাস্তবতার দিকে এগিয়ে বা পিছিয়ে দেয়। এটি এক অস্থায়ী মঞ্চ, কিন্তু এর প্রতিটি দৃশ্য চিরস্থায়ী সত্যের দিকে ইঙ্গিত করে। আর যে এই ইঙ্গিত বুঝে ফেলে, তার কাছে জীবন আর অন্ধ দৌড় নয়—বরং এক অর্থপূর্ণ যাত্রা, যেখানে প্রতিটি পদক্ষেপ তাকে সেই চূড়ান্ত বাস্তবতার দিকে নিয়ে যায়, যেখানে আর কোনো বিভ্রান্তি থাকে না, শুধু নীরব, চিরস্থায়ী সত্যের উপস্থিতি থাকে।

09/04/2026

শব্দের জন্ম হয় নীরবতার গর্ভে, আর নীরবতারও এক গন্তব্য আছে—সেই গন্তব্য আল্লাহর দরবার। মানুষ উচ্চারণ করে, কিন্তু আল্লাহ শোনেন উচ্চারণের আড়ালের কম্পন—হৃদয়ের গোপন সত্য, অনুচ্চারিত আকুতি, লুকানো ভাঙন। তাই যখন আমরা বলি “ভালোবাসি”, সেই শব্দ শুধু বাতাসে ভাসে না; তা ওজন হয়ে জমা হয় আমাদের আমলে, সাক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় আমাদের ঈমানের সামনে।

তুমি বলো তুমি বৃষ্টি ভালোবাসো—কিন্তু ভিজে যাওয়ার আগেই নিজেকে আড়াল করো। অথচ আল্লাহর রহমতও তো এমনই—নীরবে নামে, ধীরে ধীরে ছুঁয়ে দেয়, আর যাকে স্পর্শ করে তাকে বদলে দেয়। কিন্তু আমরা রহমত চাই, পরিবর্তন চাই না; আমরা দোয়া করি, কিন্তু কবুল হওয়ার পথের ধৈর্য এড়িয়ে যাই। আমরা জানি, বৃষ্টিতে ভেজা মানে মাটির গন্ধে ভরে ওঠা, নতুন জীবনের সম্ভাবনা—তবুও আমরা শুকনো থাকতেই স্বস্তি খুঁজি। এ কেমন ভালোবাসা, যেখানে আশীর্বাদকে স্বীকার করি, কিন্তু তার স্পর্শকে প্রত্যাখ্যান করি? এ কেমন ঈমান, যেখানে আমরা আল্লাহকে ডাকি, কিন্তু তাঁর কাছে পৌঁছানোর সিঁড়িগুলো এড়িয়ে চলি?

তুমি বলো তুমি সূর্য ভালোবাসো—কিন্তু তার তাপের সামনে দাঁড়াতে পারো না। অথচ আল্লাহর হিদায়াতও তো এমনই—উজ্জ্বল, নির্দ্বিধা, আপোষহীন। সেই আলোয় দাঁড়ানো মানে নিজের অন্তরের অন্ধকারকে স্বীকার করা, নিজের অহংকারকে ভেঙে ফেলা, নিজের ভুলকে আলোর সামনে এনে রাখা। কিন্তু আমরা আলোকে ভালোবাসি দূর থেকে; আমরা তার উষ্ণতা চাই, কিন্তু তার দহন এড়িয়ে চলি। আমরা জানি সত্য কী, কিন্তু আমরা সত্যের পথে হাঁটি না—কারণ সেই পথে কষ্ট আছে, সেই পথে ত্যাগ আছে, সেই পথে নিজের বিরুদ্ধে লড়াই আছে। অথচ সত্যিকারের ভালোবাসা তো সেই, যা নিজের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারে—যা নিজের অহংকারকে বিসর্জন দিতে পারে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য।

তুমি বলো তুমি বাতাস ভালোবাসো—কিন্তু জানালা বন্ধ করে দাও। অথচ আল্লাহর জিকির, তাঁর রহমতের স্নিগ্ধতা, তাঁর নৈকট্যের অনুভব—সবই তো বাতাসের মতো, অদৃশ্য কিন্তু স্পর্শযোগ্য। আমরা শান্তি খুঁজি, কিন্তু জিকিরে বসি না; আমরা প্রশান্তি চাই, কিন্তু সিজদায় মাথা রাখি না। আমাদের হৃদয়ের জানালাগুলো বন্ধ হয়ে গেছে দুনিয়ার কোলাহলে, ব্যস্ততার ধোঁয়ায়, অহংকারের ধুলায়। আমরা মুক্তির গান শুনি, কিন্তু মুক্তির পথ এড়িয়ে চলি। আমরা আল্লাহকে ভালোবাসি বলি, কিন্তু সেই ভালোবাসার দরজা খুলে দিতে ভয় পাই—কারণ তখন আমাদের বদলাতে হবে, আমাদের ছাড়তে হবে, আমাদের নিজেকে হারাতে হবে।

এই যে অন্তর্দ্বন্দ্ব—এটি কেবল আচরণের নয়, এটি আত্মার গভীর অসামঞ্জস্য। আমরা যা বলি, আমরা তা নই; আমরা যা চাই, আমরা তার জন্য প্রস্তুত নই। এটি সেই অবস্থান, যেখানে ভালোবাসা শব্দে সীমাবদ্ধ থাকে, আর ঈমান অভ্যাসে রূপ নেয়—কিন্তু কোনোটি হৃদয়ের গভীরে শিকড় গাঁথতে পারে না। আমাদের সময়ের দ্রুত ভুলে যাওয়া মন—এই “goldfish memory”—এই দ্বৈততাকে আরও তীব্র করে তোলে। আমরা প্রতিজ্ঞা করি, কিন্তু মনে রাখি না; আমরা ভালোবাসি, কিন্তু ধরে রাখি না; আমরা কাঁদি, কিন্তু শিখি না। আমাদের অনুভূতি প্রবল, কিন্তু স্থায়ী নয়; আমাদের শব্দ সুন্দর, কিন্তু সত্য নয়।

কিন্তু আল্লাহর সাথে সম্পর্ক এমন নয়। সেখানে ভুলে যাওয়া নেই, সেখানে ক্ষণস্থায়িত্ব নেই, সেখানে অভিনয় নেই। তিনি আমাদের প্রতিটি নিঃশ্বাস জানেন, প্রতিটি দ্বিধা বোঝেন, প্রতিটি ভাঙন অনুভব করেন। আমরা দূরে সরে যাই, তিনি অপেক্ষা করেন; আমরা ভুলে যাই, তিনি স্মরণ করিয়ে দেন; আমরা হারিয়ে যাই, তিনি পথ খুলে দেন। এই ভালোবাসা একতরফা হলেও পরিপূর্ণ—কারণ এটি মানুষের সীমাবদ্ধতায় আবদ্ধ নয়, এটি রবের অসীমতায় প্রসারিত।

তাই ভালোবাসার সত্যিকারের অর্থ খুঁজতে হলে আমাদের ফিরে যেতে হবে সেই উৎসে, যেখানে ভালোবাসা আর দাবি নয়, বরং দান; যেখানে ভালোবাসা আর শব্দ নয়, বরং সিজদা; যেখানে ভালোবাসা আর অনুভূতি নয়, বরং এক নিরবচ্ছিন্ন সমর্পণ। এখানে বৃষ্টি মানে রহমত, আর আমরা ভিজতে শিখি; এখানে সূর্য মানে হিদায়াত, আর আমরা জ্বলতে শিখি; এখানে বাতাস মানে নৈকট্য, আর আমরা খুলে দিতে শিখি আমাদের অন্তরের সব জানালা।

শেষ পর্যন্ত এসে এক গভীর, কোমল সত্য নিজেকে প্রকাশ করে—আমরা যাকে ভয় পাই, সেটিই আমাদের মুক্তির দরজা। আমরা যাকে এড়িয়ে চলি, সেটিই আমাদের পরিশুদ্ধির পথ। আর আমরা যাকে ভালোবাসি বলি, সেটিই আমাদের পরীক্ষা।

তাই যখন আবার কোনো দিন তুমি বলবে “আমি ভালোবাসি”—তখন শব্দটিকে একটু থামাও, তাকে হৃদয়ের ভেতর নামতে দাও, তাকে আল্লাহর সামনে দাঁড় করাও। নিজেকে জিজ্ঞেস করো—আমি কি ভিজতে প্রস্তুত? আমি কি জ্বলতে প্রস্তুত? আমি কি খুলে দিতে প্রস্তুত?

যদি উত্তর “হ্যাঁ” হয়—তবে সেই ভালোবাসা সত্য, সেই ভালোবাসা ইবাদত, সেই ভালোবাসা আশ্রয়। আর যদি উত্তর নীরব থাকে—তবে সেই নীরবতাকেও আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে দাও। কারণ তিনিই একমাত্র আশ্রয়, যেখানে মিথ্যা ভেঙে যায়, ভয় শান্ত হয়, আর ভালোবাসা তার প্রকৃত রূপে জন্ম নেয়—শুদ্ধ, স্থায়ী, এবং চিরন্তন।

20/02/2026

I've just reached 20K followers! Thank you for continuing support. I could never have made it without each one of you. 🙏🤗🎉

20/02/2026

➡️ Reading and Vocabulary

The map had changed across broad swaths of desert after a sudden state land transfer, defended under the occupying power doctrine. Leaders promised to preserve the local status quo, yet old families clutched fading papers—their territorial claim title—and whispered of loss.

In distant halls of the global legal regime, diplomats cited the temporary occupation principle and drafted a fragile regional security arrangement. At home, the issue burned into a political domestic controversy. Each side invoked an international legal obligation; some spoke of a recognised right of resistance. Meanwhile, cranes rose under a settlement expansion policy, sealing a bold unilateral territorial assertion.

At the same time, the nation crossed a critical cost threshold to build a utility scale storage system, promising round the clock supply through a modern hybrid energy model. Yet the mounting capacity payment burden threatened structural economic harm.

Every speech carried a selective moral narrative.
But beneath law, land, and light, the people wanted only two things—home and hope.

1. Broad swaths -– বিস্তৃত অঞ্চল

2. State land transfer -– রাষ্ট্রীয় জমি হস্তান্তর

3. Occupying power doctrine -– দখলদার শক্তি নীতি

4. Local status quo -– স্থানীয় বর্তমান অবস্থা

5. Territorial claim title -– ভূখণ্ড মালিকানা দাবি

6. Global legal regime -– বৈশ্বিক আইনি কাঠামো

7. Temporary occupation principle -– অস্থায়ী দখল নীতি

8. Regional security arrangement -– আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা

9. Political domestic controversy -– অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিতর্ক

10. International legal obligation -– আন্তর্জাতিক আইনি বাধ্যবাধকতা

11. Recognised right of resistance -– স্বীকৃত প্রতিরোধ নীতি

12. Settlement expansion policy -– বসতি সম্প্রসারণ নীতি

13. Unilateral territorial assertion -– একতরফা ভূখণ্ড দাবি

14. Critical cost threshold -– সংকটজনক ব্যয় সীমা

15. Utility scale storage system -– বৃহৎ পরিসর সঞ্চয় ব্যবস্থা

16. Round the clock supply -– সার্বক্ষণিক সরবরাহ

17. Hybrid energy model -– সমন্বিত জ্বালানি মডেল

18. Capacity payment burden -– সক্ষমতা ব্যয় চাপ

19. Structural economic harm -– কাঠামোগত অর্থনৈতিক ক্ষতি

20. Selective moral narrative -– নির্বাচিত নৈতিক ভাষ্য

22/01/2026

1. Sustainability -– টেকসইতা।
2. Capacity -– সক্ষমতা।
3. Obligation -– বাধ্যবাধকতা।
4. Reliance -– নির্ভরতা।
5. Financial -– আর্থিক।
6. Distress -– সংকট।
7. Interim -– অন্তর্বর্তী।
8. Measure -– পদক্ষেপ।
9. Revenue -– রাজস্ব।
10. Shortfall -– ঘাটতি।
11. Reform -– সংস্কার।
12. Projection -– পূর্বাভাস।
13. Overcapacity -– অতিরিক্ত সক্ষমতা।
14. Margin -– প্রান্ত ।
15. Subsidy -– ভর্তুকি।
16. Idle -– নিষ্ক্রিয়।
17. Variable -– পরিবর্তনশীল।
18. Renewable -– নবায়নযোগ্য।
19. Installed -– স্থাপিত।
20. Persistently -– ধারাবাহিকভাবে।
21. Refrain -– বিরত থাকা।
22. Exorbitant -– অত্যধিক।
23. Electrification -– বিদ্যুতায়ন।
24. Modernise -– আধুনিকীকরণ।
25. Captive -– স্বতন্ত্র।
26. Surplus -– উদ্বৃত্ত।
27. Operational -– কার্যকর।
28. Comparable -– তুলনীয়।
29. Inefficient -– অদক্ষ।
30. Additional -– অতিরিক্ত।
31. Fiscal -– রাজস্ব সংক্রান্ত।
32. Flexibility -– নমনীয়তা।
33. Expense -– ব্যয়।
34. Marginally -– সামান্যভাবে।
35. Contribution -– অবদান।
36. Decline -– পতন।
37. Strategy -– কৌশল।
38. Integration -– সংযোজন।
39. Vulnerability -– দুর্বলতা।
40. Contain -– নিয়ন্ত্রণকরা।
41. Average -– গড়।
42. Advanced -– উন্নত।
43. Compelling -– প্রভাবশালী।
44. Estimate -– অনুমান।
45. Burden -– বোঝা।
46. Trajectory -– গতিপথ।
47. Efficiency -– দক্ষতা।
48. Generation -– উৎপাদন।
49. Transmission -– সঞ্চালন।
50. Distribution -– বণ্টন।

22/01/2026
20/01/2026

1. Prolix -– দীর্ঘসূত্রিতা- Verbose.
2. Contumacious -– অবাধ্যতা -- Defiant
3. Calumny -– অপবাদ -- Slander
4. Inveteracy -– বদ্ধমূলতা -- Stubbornness
5. Persiflage -– ঠাট্টা -- Banter
6. Execrable -– নিকৃষ্ট -- Awful
7. Farrago -– জগাখিচুড়ি -- Medley
8. Inchoateness -– অপরিপূর্ণতা -- Incipience
9. Peregrination -– ভ্রমণ -- Journey
10. Surreptitious -– গোপন -- Secret
11. Imprecation -– অভিশাপ -- Curse
12. Reparation -– ক্ষতিপূরণ -- Compensation
13. Incandescent -– উজ্জ্বল -- Radiant
14. Insuperability -– অতিক্রম অযোগ্যতা -- Impossibility
15. Compunction -– অনুশোচনা -- Remorse.

18/11/2025

এপ্লিকেশন ফি নেই এমন কিছু USA University'র তালিকা নিচে দেয়া হলো:

University of Dayton — Dayton, Ohio
Tulane University — New Orleans, Louisiana
Loyola University Chicago — Chicago, Illinois
Saint Louis University — St. Louis, Missouri
Smith College — Northampton, Massachusetts
Wellesley College — Wellesley, Massachusetts
Baylor University — Waco, Texas
Trine University — Angola, Indiana
University of Bridgeport — Bridgeport, Connecticut
Eastern Kentucky University (EKU) — Richmond, Kentucky
Wayne State University — Detroit, Michigan
Case Western Reserve University — Cleveland, Ohio

Yale University — New Haven, Connecticut
Harvard University — Cambridge, Massachusetts
Stanford University — Stanford, California
Duke University — Durham, North Carolina
University of Chicago — Chicago, Illinois

12/11/2025

🌟 ভর্তি চলছে! ভর্তি চলছে! ভর্তি চলছে! 🌟
🌿 লেকফিল্ড গ্লোবাল স্কুলে ভর্তি চলছে ২০২৬ সালের জন্য! 🌿
🎓 ভবিষ্যতের বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে আজকের লেকফিল্ড শিক্ষার্থীরা!
📘 কেন বেছে নেবেন Lakefield Global School?
✅ ক্যামব্রিজ কারিকুলাম (Cambridge Curriculum)
✅ হাফযুল কুরআন (Hafzul Quran)
✅ ত্রিভাষিক দক্ষতা (Trilingual Brilliance)
আমরা বিশ্বাস করি—একটি মানসম্মত শিক্ষা শুধু বই নয়, বরং নৈতিকতা, জ্ঞান ও ভাষাগত দক্ষতায় সমৃদ্ধ একটি প্রজন্ম গড়ে তোলে। 🌍
📅 ভর্তি চলছে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য!
📍 ঠিকানা: প্লট ৭, রোড ২, মোহাম্মদী হাউজিং, লেক সিটি, নামা পাড়া, খিলক্ষেত, ঢাকা
📞 যোগাযোগ: 01312-333992 ,,০১৬১৫০১৬৬৬৬
🌐 www.lgsedu.com

Photos from Tutoria's post 04/11/2025
Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Mohammadi Housing, Lakefield Global School, , Khilkhet
Dhaka
1229

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Friday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00