ilal Quran Academy

ilal Quran Academy

Share

কুরআনের প্রতি ভালোবাসা তৈরির একটি প্রয়াস

12/04/2026

আমার একাডেমির নতুন ফুলগুলো 🌸🌺

06/04/2026

আলহামদুলিল্লাহ!
স্বামী-সন্তান হারা একজন গৃহহীন বৃদ্ধ মায়ের জন্য ইলাল কুরআন একাডেমি‘র পক্ষ্য থেকে একটি দোচালা টিনের ঘরের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

20/02/2026

রমজান মাসব্যাপী খতমে কুরআন ক্লাস। সবার জন্য উন্মুক্ত। সকলেই আমন্ত্রীত।

17/02/2026
30/01/2026

সৌদি আরবের প্রখ্যাত দায়ী শায়খ সাঈদ বিন মুসফির বলেন, এক ব্যক্তি আমাকে তার নিজের জীবনের একটি ঘটনা শুনিয়েছেন। তিনি বলেন, আমার এক অত্যন্ত ভালো ও বাধ্য সন্তান ছিল। একদিন আমরা যখন ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি, তখন সে এসে বলল, "আব্বু! পড়াশোনা করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গেছি, একটু বাইরে ঘুরে আসতে চাই। আধা ঘণ্টার মধ্যে ফিরে আসব।"

পিতা বললেন, "বাবা, এখন বের হয়ো না, সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে। ছেলে খুব বাধ্য ছিল, তাই সে আর তর্কে লিপ্ত না হয়ে চলে গেল। কিন্তু তার মলিন চেহারা দেখে মা জিজ্ঞেস করলেন, "কি হয়েছে?" ছেলে বলল, "বাবার কাছে একটু বাইরে যাওয়ার অনুমতি চেয়েছিলাম, তিনি দিলেন না।" তখন মা বাবার কাছে গিয়ে সুপারিশ করলেন যে, "ছেলেটা তো খুব ভালো, একটু ঘুরে আসতে দিন।"

স্ত্রীর পীড়াপীড়িতে পিতা একপর্যায়ে বিরক্ত হয়ে অনুমতি দিলেন, কিন্তু রাগের মাথায় মুখ দিয়ে বেরিয়ে গেল, "যাক, আল্লাহ যেন তাকে আর না ফেরান!"।

পিতা বলেন, "আমার কথাটা বলা ঠিক হয়নি। হয়তো তখন দোয়া কবুলের মুহূর্ত ছিল।
ছেলেটি চলে গেল। এক ঘণ্টা, দুই ঘণ্টা পার হয়ে গেল, ফজর হয়ে গেল কিন্তু সে আর ফিরল না। আমার কলিজায় যেন তলোয়ারের আঘাত লাগল। আমি বুঝলাম, আমার সেই বদদোয়াটিই তাকে গ্রাস করেছে।"

ফজরের পর পিতা থানায় খোঁজ নিলেন। সেখান থেকে হাসপাতালে যেতে বলা হলো। মর্গে গিয়ে দেখলেন, তারই আদরের সন্তানের লাশ পড়ে আছে। পরে জানা গেল, ছেলেটি এক্সিডেন্টে মারা গেছে।

পিতা আক্ষেপ করে বলেন, "আমরা তাকে গোসল দিয়ে জানাজা পড়িয়ে দাফন করলাম। কিন্তু আমি জানি, এর পেছনে মূল কারণ আমি নিজেই। আমিই তার জন্য বদদোয়া করেছিলাম! ফলে তা কবুল হয়ে গেছে! "

ক্রোধের বশবর্তী হয়ে নিজের সন্তান, সম্পদ বা নিজের ওপর কখনো বদদোয়া করা উচিত নয়।
মানুষের অজান্তেই দিনের কোনো এক সময় দোয়া কবুল হওয়ার মুহূর্ত থাকে, তখন মুখ থেকে বের হওয়া ভালো বা মন্দ সব কথাই পূরণ হয়ে যেতে পারে।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
“তোমরা নিজেদের বিরুদ্ধে বদদোয়া করো না, তোমাদের সন্তান-সন্ততির বিরুদ্ধে বদদোয়া করো না এবং তোমাদের ধন-সম্পদের বিরুদ্ধেও বদদোয়া করো না। (কেননা, হয়তো এমন হতে পারে যে,) তোমরা আল্লাহর পক্ষ থেকে এমন একটি মুহূর্ত পেয়ে বসো, যখন যা প্রার্থনা করা হয় আল্লাহ তা কবুল করে নেন। (ফলে তোমাদের বদদোয়াটিও কবুল হয়ে যাবে)।” (সহীহ মুসলিম,রিয়াযুস সালেহীন ১৫০৫)

তথ্যসূত্র:
واجب الآباء تجاه الأبناء للشيخ سعيد بن مسفر
من عجائب الدعاء

29/01/2026

মানুষের জীবনে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত অথচ সবচেয়ে বেশি ভুল বোঝা শব্দগুলোর একটি হলো তাকদীর—যাকে আমরা সাধারণভাবে ভাগ্য বলে থাকি। সুখে-দুঃখে, সাফল্যে-ব্যর্থতায় আমরা প্রায়ই বলে বসি, “এটাই আমার ভাগ্য।” কিন্তু ইসলাম কি সত্যিই মানুষকে একেবারে ভাগ্যের হাতে ছেড়ে দিয়েছে? নাকি তাকদীরের ধারণা এর চেয়েও গভীর ও ভারসাম্যপূর্ণ?

ইসলামের দৃষ্টিতে তাকদীর মানে অন্ধ নিয়তি নয়। বরং এটি আল্লাহর সর্বজ্ঞতা, প্রজ্ঞা ও মানুষের দায়িত্ববোধ—এই তিনটির এক অপূর্ব সমন্বয়।

তাকদীর কী?

ইসলামী আকিদা অনুযায়ী তাকদীর হলো—আল্লাহ তাআলার পূর্বজ্ঞান অনুযায়ী সৃষ্টিজগতের সবকিছু নির্ধারিত হওয়া। কুরআনে বলা হয়েছে,
“নিশ্চয়ই আমি প্রত্যেক বস্তু একটি নির্দিষ্ট পরিমাপে সৃষ্টি করেছি।” (সূরা আল-কামার: ৪৯)

এর অর্থ এই নয় যে মানুষ পুতুলের মতো পরিচালিত। বরং আল্লাহ জানেন মানুষ কী করবে—এই জানা আর মানুষকে বাধ্য করা এক জিনিস নয়। আল্লাহর জানা মানুষের স্বাধীন ইচ্ছাকে নষ্ট করে না।

মানুষের চেষ্টা কি তাহলে অর্থহীন?

এখানেই সবচেয়ে বড় বিভ্রান্তি। অনেকেই মনে করেন, যেহেতু সবই তাকদীর, তাই চেষ্টা করে লাভ কী? কিন্তু ইসলাম এই মানসিকতাকে স্পষ্টভাবে নাকচ করেছে।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“তোমরা আমল করো, কারণ প্রত্যেককে তার জন্য সহজ করে দেওয়া হয়, যার জন্য তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে।” (বুখারি ও মুসলিম)

অর্থাৎ চেষ্টা করা নিজেই তাকদীরের অংশ। আপনি চেষ্টা করবেন—এটাই আপনার জন্য নির্ধারিত পথ। ফল আল্লাহর হাতে, কিন্তু চেষ্টা আপনার দায়িত্ব।

দোয়া কি তাকদীর বদলাতে পারে?

ইসলামে দোয়ার গুরুত্ব অপরিসীম। হাদিসে এসেছে,
“দোয়া তাকদীরকে পরিবর্তন করে।”

আলেমরা ব্যাখ্যা করেছেন—তাকদীরের এমন কিছু স্তর আছে, যা দোয়া, সাদাকা ও নেক আমলের মাধ্যমে পরিবর্তিত হতে পারে। অর্থাৎ আল্লাহ নিজেই এমন ব্যবস্থা রেখেছেন, যাতে বান্দা তাঁর দিকে ফিরে আসে, হাত তোলে, আর নিজের ভবিষ্যৎ গঠনে সক্রিয় ভূমিকা রাখে।

বিপদে তাকদীর আর নিয়ামতে কৃতজ্ঞতা

মানুষ সাধারণত বিপদে পড়লে তাকদীরকে দোষ দেয়, আর সুখে পড়লে নিজের কৃতিত্ব খোঁজে। কিন্তু ইসলামের শিক্ষা ভিন্ন। মুমিন বিপদে ধৈর্য ধরে এবং বলে—এতে আমার জন্য কল্যাণ আছে। আবার সফলতায় অহংকার না করে কৃতজ্ঞ হয়।

রাসূল ﷺ বলেছেন:
“মুমিনের ব্যাপারটি আশ্চর্যজনক। তার সব অবস্থাই কল্যাণকর। সুখে পেলে সে কৃতজ্ঞ হয়, দুঃখে পড়লে সে ধৈর্য ধারণ করে।”

তাকদীর আমাদের কী শেখায়?

তাকদীর আমাদের শেখায়—

অহংকার না করতে

হতাশ না হতে

চেষ্টা ছেড়ে না দিতে

আল্লাহর উপর ভরসা রাখতে

একদিকে পরিকল্পনা, পরিশ্রম ও দায়িত্ব—অন্যদিকে তাওয়াক্কুল (আল্লাহর উপর নির্ভরতা)—এই ভারসাম্যই ইসলামের সৌন্দর্য।

শেষ কথা

তাকদীর কোনো অজুহাত নয়, আবার নিছক অদৃশ্য শেকলও নয়। এটি বিশ্বাসের এমন এক স্তম্ভ, যা মানুষকে বাস্তববাদী, ধৈর্যশীল ও আল্লাহমুখী করে তোলে। আমরা চেষ্টা করব আমাদের সর্বোচ্চটা দিয়ে, আর ফলাফল নিয়ে শান্ত থাকব—কারণ আমরা জানি, যিনি নির্ধারণ করেন, তিনি কখনোই জুলুম করেন না।

30/11/2025

গল্পে গল্পে আকিদা শিখি সিরিজ:
গল্প- আল্লাহ’র পরিচয়

29/11/2025

গল্পে গল্পে আকিদা শিখি: আল্লাহকে ভালোবাসা ও শোকর করা।
সামিয়া নামে একটি মেয়ে ছিল। সে খুব হাসিখুশি। একদিন খেলতে খেলতে হঠাৎ হোঁচট খেয়ে পড়ে গেল। ব্যথা লাগল, চোখে জল চলে এল।
তার বাবা দৌড়ে এসে বললেন:
— ব্যথা লাগলে কী বলতে হয়?
সামিয়া কাঁদো কাঁদো গলায় বলল:
— ইন্নালিল্লাহ…
বাবা তাকে কোলে নিয়ে বললেন:
— খুব ভালো! আল্লাহ সব শোনেন। তিনিই তোমাকে ঠিক করে দেবেন।
কিছুক্ষণ পর ব্যথা কমে গেল। সামিয়া হাসল।
বাবা বললেন:
— শোকর করো মা।
সামিয়া বলল:
— আলহামদুলিল্লাহ, আমার ব্যথা ভালো হয়েছে!
বাবা আরও বললেন:
— আমরা খেতে পাই, হাঁটতে পারি, দেখতে পারি, খেলতে পারি—এগুলো সবই আল্লাহর নেয়ামত। তাই সবসময় আলহামদুলিল্লাহ বলতে হবে।
সেদিন থেকে সামিয়া নতুন জিনিস পেলেই, খেলাধুলা করতে পারলেই, বৃষ্টি দেখলেই বা সুন্দর কিছু দেখলেই বলত—
“আলহামদুলিল্লাহ!”
আল্লাহর নেয়ামত বুঝে সে আরও ভদ্র হয়ে গেল।

27/11/2025

গল্পে গল্পে আকিদা শিখি: আল্লাহ‘র পরিচয়।
এক ছিল লাবিব নামে একটি ছোট ছেলে। সে প্রতিদিন আকাশের দিকে তাকিয়ে ভাবত—
“এত বড় আকাশ কে বানিয়েছে? এত তারা জ্বলে কেমন করে?”
একদিন লাবিব তার দাদুকে জিজ্ঞেস করল:
— দাদু, এই সুন্দর পৃথিবী কে বানিয়েছেন?
দাদু হাসলেন, লাবিবের মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন:
— বাবা, সবকিছু যিনি বানিয়েছেন তিনি হলেন আল্লাহ।
লাবিব অবাক হয়ে বলল:
— আল্লাহ কি আমাদের দেখেন?
দাদু বললেন:
— হ্যাঁ, আল্লাহ সবকিছু দেখেন। তুমি একা খেললেও, দোয়া করলে, এমনকি ঘুমালে—আল্লাহ সবসময় তোমার সাথে থাকেন।
লাবিব খুব খুশি হলো। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময় ছোট্ট করে দোয়া করল:
“হে আল্লাহ, তুমি সবসময় আমাকে দেখো ও রক্ষা করো। আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি।”
এর পর থেকে লাবিব আর অন্ধকারে ভয় পেত না, কারণ সে জানত—
আল্লাহ সবসময় তার সাথে আছেন।

Photos from ilal Quran Academy's post 24/07/2025

গুরুত্বপূর্ণ ৫০টি মাসনূন দু’আ (অর্থ ও উচ্চারণসহ)। আপনার সন্তানকে শেখানোর জন্য টাইমলাইনে শেয়ার করে রেখে দিতে পারেন।

06/07/2025

কুরআন তেলাওয়াত প্রাক্টিস করার সবচেয়ে সহজ অ্যাপ

14/06/2025

টয়লেট থেকে বের হওয়ার পর পড়বে
غُفْرَانَكَ اَ لْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِيْ اَذْهَبَ عَنِّيْ الْاَذٰى وَعَافَانِيْ

উচ্চারণঃ গুফরাানাকা আলহামদু লিল্লাা হিল্লাযী আযহাবা ‘আন্নীল আযাা ওয়া ‘আা ফাা নী।

অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট ক্ষমা চাচ্ছি। সকল প্রশংসা সেই মহান আল্লাহর জন্যে, যিনি আমার থেকে কষ্টদায়ক বস্তু দূর করে দিয়েছেন এবং আমাকে সুস্থ রেখেছেন।

উৎসঃ
(সুনান ইবন মাজা, হাদীস নং- ৩০১, আবু দাঊদ হাঃ ৩০, তিরমিযী হাঃ ০৭)
কালেক্ট: মুসলিম বাংলা অ্যাপস

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


North
Dhaka
1212