An-Nisa Islamic Academy
কওমি, আলিয়া ও জেনারেল যেকোনো বয়সী নারীদের জন্য একটি ব্যতিক্রমধর্মী দ্বীনি অনলাইন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
সার্বিক যোগাযোগ : 01782-568457 (হোয়াটসঅ্যাপ/ইমু)
21/12/2025
اَللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِىْ رَجَبَ وَ شَعْبَانَ وَ بَلِّغْنَا رَمَضَانَ:
হে আল্লাহ! রজব ও শাবান মাস আমাদের জন্য বরকতময় করুন; রমজান মাস আমাদের নসিব করুন।
✒️রজব মাসের ফজিলত ও আমল:
হিজরি মাসগুলোর মধ্যে একটি বিশেষ ও মহিমান্বিত মাসের নাম রজব। এ মাস আসে রমজানের আগমনী বার্তা নিয়ে।‘রজব’ শব্দের অর্থ সম্মানিত।সুতরাং রজব মাস অত্যন্ত সম্মানিত ও ফজিলতপূর্ণ।
আরবি মাসের মধ্যে অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ মাস হচ্ছে রজব। এ মাসের কথা বহু হাদিসে বর্ণিত হয়েছে৷ মহানবী (সা.) বলেছেন: রজব মাস হচ্ছে মহান আল্লাহর কাছে অত্যন্ত গুরুত্ববহ একটি মাস,ফজিলতের দিক থেকে রমজানের পর অন্য কোন মাস এর সমপর্যায়ের নয়।
এ মাসে কাফেরদের সঙ্গেও যুদ্ধ করা হারাম। যে ব্যক্তি রজব মাসের একটি দিন রোজা রাখে, মহান আল্লাহ তার ওপর সন্তুষ্ট হন, তার প্রতি মহান আল্লাহর ক্রোধ দুর হয়ে যায় এবং জাহান্নামের একটি দরজা তার জন্য বন্ধ হয়ে যায়।’
অন্য হাদিসে আছে, ‘রজব মাস
হচ্ছে আমার উম্মতের ক্ষমা প্রার্থনার মাস।
অতএব এ মাসে অত্যধিক ক্ষমা প্রার্থনা কর, কেননা মহান আল্লাহ ক্ষমাশীল ও অত্যন্ত দয়ালু।
রজব মাস এলে নবীজি (সা.) এই দোয়া করতেন, ‘اللهم بارك لنا في رجب و شعبان "و بلغنا رمضان
হে আল্লাহ আপনি আমাকে রজব ও শাবান মাসে বরকত দান করুন এবং মহিমান্বিত রমজান মাসে পৌঁছে দিন।’
রজব মাস থেকেই নবীজি (সা.) রমজানের
প্রস্তুতিস্বরূপ রোজা রাখা শুরু করতেন। মহানবী (সা:) থেকে বর্ণিত হয়েছে:‘যে ব্যক্তি রজব মাসের রাতগুলোর একটিতে (দুই রাকাত করে) নির্দিষ্ট একটি নিয়মে ১০ রাকাত নামাজ আদায় করবে মহান আল্লাহ তার গুনাহ মাফ করে দেন। নামাজ আদায়ের পদ্ধতিটি হলো প্রতি রাকাতে সুরা ফাতেহার পর একবার সুরা কাফিরুন এবং তিনবার সুরা এখলাস যুক্ত করে পড়া’।
এছাড়া বিভিন্ন হাদিসে রজব মাসের
ফজিলত ও আমলের কথা বর্ণিত হয়েছে। পবিত্র রমযান মাসের প্রস্তুতি গ্রহণ করার মাস হিসেবে রজব মাস মুসলমানদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি মাস৷
এ জন্য সবার উচিত প্রিয় নবীজির (সা.) আদর্শ অনুস্বরণ করে এই মাসটিকে যথার্থভাবে আমলে কাটানোর চেষ্টা করা। রাসুলের (সা.) মতো রমজান
মাসের প্রস্তুতি গ্রহণস্বরূপ রোজা রাখার আমল করা।
রজবের প্রস্তুতির ওপর নির্ভর করে রমজানের প্রস্তুতি ৷
যারা রজব মাস থেকেই প্রস্তুতি গ্রহণ
করতে পারবেন তারাই রমজান কাটাতে পারবেন পুরোপুরি হক আদায় করে।
এছাড়া রজব মাসের মহামান্বিত রাত লাইলাতুল মেরাজে ইবাদত-বন্দেগি বন্দেগী করে কাটানোও মুমিনের দায়িত্ব।
আল্লাহ আমাদেরকে সে তাওফিক দান করুন।
14/12/2025
#ঘোষণা
বেফাকের আসন্ন ৪৯তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করে চারদিন এগিয়ে নেওয়া হয়েছে।
📌বেফাকের ৪৯তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষাঃ- ১৭ জানুয়ারী ২০২৬ ঈসাব্দ রোজ শনিবার শুরু হয়ে ধারাবাহিকভাবে ২৪ জানুয়ারী শনিবার শেষ হবে।
এবং হাইয়াতুল উলয়ার পরীক্ষা ২৭ জানুয়ারী ২০২৬ইং শুরু হয়ে ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং শেষ হবে, ইনশাআল্লাহ।
সূত্রঃ বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ৷
26/11/2025
💚💚السلام عليك ايها النبي و رحمة الله و بركاته
.................. الصلاة والسلام عليك يا رسول الله
،،...............الصلاه والسلام عليك يا خير خلق الله
26/11/2025
......صلى الله عليه وسلم
07/11/2025
!! الحمدلله
.يا رب الكعبة! شكرًا جزيلاً على قبولي
27/10/2025
আলহামদুলিল্লাহ!! An-Nisa Islamic Academy সফলতার সাথে ২ বছর অতিবাহিত হল আপনাদের দোয়া ও আন্তরিকতার সহিত।আগামী পথচলায় সকলের দোআ প্রার্থী। আল্লাহ যেন ইখলাসের সাথে প্রতিটি তালেবে ইলমের হক্ব আদায়ে তৌফিক দেন আমাদের।অক্লান্ত পরিশ্রমের সহিত আমরা যেন প্রতিটি তালেবে ইলমের ইলম অন্বেষণে সহোযোগিতা করতে পারি।ইনশাআল্লাহ!!
الحمد لله! أكملت أكاديمية النساء الإسلامية عامها الثاني بنجاح بفضل دعائكم وإخلاصكم. نسأل الله أن يوفقنا لأداء حق كل طالب علم بإخلاص، وأن نتعاون مع كل طالب علم في سعيه الدؤوب نحو العلم. إن شاء الله!
Today marks 2 years of An-Nisa Islamic Academy! Thank you all for helping keep this community strong.
23/10/2025
নাহবেমীর জামাতে ভালো রেজাল্টের জন্য করণীয়ঃ-
★নিয়মিত ও মনোযোগী পড়া:
প্রতিদিন ক্লাসে মনোযোগ দিয়ে পড়া এবং নতুন বিষয় ভালোভাবে বোঝা।
পড়াশোনার জন্য একটি রুটিন তৈরি করে তা মেনে চলা।
★মূল কিতাব আয়ত্ত করা:
নাহবেমীরের মূল কিতাব, যেমন- নাহু ও সরফের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া।
সংশ্লিষ্ট সকল কিতাব, যেমন- ইলমুস সরফ, রওজাতুল আদব, মা-লা-বুদ্দা, সিরাত, শরহে মিয়াত, এবং বাংলা ব্যাকরণ ভালোভাবে শেষ করা।
★ বেফাকের প্রশ্ন অনুশীলন:
বেফাকের বিগত বছরের সকল প্রশ্ন প্রশ্নগুলো সমাধান করা।
আত তাইসীর-অথবা মুঈনুল ইমতিহান এর মত সহায়ক বই থেকেও প্রশ্ন অনুশীলন করা যেতে পারে।
★সঠিক কৌশল অবলম্বন:
কিতাব মুখস্থ না করে, ভালোভাবে বুঝে পড়ার চেষ্টা করা।
বিশেষভাবে, কোরআনের আয়াতের উপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়া প্রশ্নগুলোর উত্তর সঠিকভাবে দেওয়ার চেষ্টা করা।
নাহবেমীর-এর নাহুমির, ইলমুস সরফ, রওজাতুল আদব, মা-লা-বুদ্দা ইত্যাদি বিষয়গুলো ভালোভাবে বোঝা।
সফলতা চাইলেই চলে আসবে না, বরং এজন্য প্রয়োজন সঠিক পদ্ধতিতে ঘুচালো মেহনত।
✒️মেহনত হওয়া চাই কোন একজন উস্তাদের নেগরানীতে। নিজের মতো করে মেহনত করলে বেশীরভাগ ক্ষেত্রে কাঙ্খিত ফলাফল অর্জন করা যায় না। তাই প্রয়োজন সুচিন্তিত মেহনতি কোন উস্তাদের নেগরানীতে মেহনত করা।
✒️রুটিন অনুযায়ী পড়া-লেখা করা। যাতে পুরো খেয়ারের সময়টা সুন্দরভাবে পড়া যায় এবং প্রফুল্লতার সাথে পরীক্ষা দেয়া যায়। অনেকে খেয়ারের শুরুতে রাত-দিন একাকার করে পড়ে, কিন্তু কিছুদিন গেলে শরীর আর চলে না। অসুস্থ হয়ে পড়ে, সুন্দর করে পরীক্ষা দিতে পারে না। তাই কমপক্ষে ৬ঘন্টা ঘুম ঠিক রেখে রুটিন অনুযায়ী চলা।
২৪ ঘন্টা সময়কে এইভাবে ভাগ করা যেতে পারে। ৬ঘন্টা ঘুম। ৩ ঘন্টা নামায, কুরআন তিলাওয়াত ও নফল ইবাদত। ২ঘন্টা খাবার, সামান্য ইসতিরাহাত ইত্যাদি কাজের জন্য। মোট হলো ১১ ঘন্টা।
আরো ১৩ ঘন্টা সময়কে রুটিন মাফিক পড়লে ইনশাআল্লাহ সকল কিতাব পড়ে শেষ করা সম্ভব হবে। এবং শরীরে ততবেশী চাপ বা ক্লান্তি অনুভব হবেনা।
18/10/2025
✒️শরহে বেকায়া জামাতের বেফাক পরীক্ষার প্রস্তুতি নেবার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিচে আলোচনা করা হলো:
★ইবারত তরজমাঃ- প্রতিটি কিতাবের নেসাব অনুযায়ী ইবারত তরজমা নির্ভুল করে নিতে হবে
★সংজ্ঞা ও পারিভাষিক শব্দ:
কিতাবের বিভিন্ন সংজ্ঞা ও পারিভাষিক শব্দ ভালোভাবে মুখস্থ করতে হবে।
★বিভিন্ন মাসআলা-মাসায়েল:
কিতাবে আলোচিত বিভিন্ন ইখতেলাফি মাসআলা-মাসায়েল (যেমন- ইবাদাত, মুয়ামালাত, মুআশারাত, আকাইদ ইত্যাদি) ভালোভাবে বুঝতে হবে এবং এর প্রমাণ ও দলিলগুলো জানতে হবে।
★আরবি নাহু ও সরফ:
আরবি নাহু (ব্যাকরণ) ও সরফ (শব্দরূপান্তর) এর জ্ঞান থাকা আবশ্যক। বিশেষ করে শরহে বেকায়া জামাতের প্রতিটি কিতাবের ভাষা ও বাক্যগঠন পদ্ধতি ভালোভাবে তাহকীকসহকারে বুঝতে হবে।
★পূর্ববর্তী পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও সাজেশন:
বেফাক পরীক্ষার বিগত বছরের প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করে সেগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
★মৌলিক যোগ্যতা অর্জন:
শরহে বেকায়া জামাত হলো দরসিভাবে যোগ্যতার ভিত মজবুত করার শেষ স্তর। তাই প্রয়োজনীয় সকল বিষয়ে মৌলিক যোগ্যতা অর্জন করা উচিত।
★নিয়মিত অনুশীলন:
নিয়মিতভাবে কিতাব পড়া, প্রশ্ন সমাধান করা এবং শিক্ষকদের সাথে আলোচনা করে সন্দেহ নিরসন করা উচিত।
★সময় ব্যবস্থাপনা:
পরীক্ষার জন্য সময়কে সঠিকভাবে ভাগ করে প্রতিটি বিষয়ের জন্য পর্যাপ্ত সময় বরাদ্দ করতে হবে।
📌বিশেষ টিপস:
পরীক্ষার আগে হতাশ না হয়ে মনোযোগ সহকারে প্রস্তুতি নিতে হবে।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো চিহ্নিত করে বারবার অনুশীলন করতে হবে।
পরীক্ষার হলে প্রশ্নপত্র ভালোভাবে পড়ে, বুঝে উত্তর লিখতে হবে।
পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম নিতে হবে, যাতে পরীক্ষার সময় মনোযোগ ধরে রাখা যায়।
এইভাবে প্রস্তুতি নিলে আশা করা যায় শরহে বেকায়া জামাতের বেফাক পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করা সম্ভব ইনশাআল্লাহ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka