জ্ঞানের জগৎ একাডেমি

জ্ঞানের জগৎ একাডেমি Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from জ্ঞানের জগৎ একাডেমি, Education Website, Dhaka.

কুড়াল হারানো সেই সৎ কাঠুরে অনেকদিন পর তার স্ত্রীকে নিয়ে বনে বেড়াতে গেছে।হঠাৎ তার স্ত্রী পানিতে পড়ে ডুবে গেল। কাঠুরে কান্...
28/12/2023

কুড়াল হারানো সেই সৎ কাঠুরে অনেকদিন পর তার স্ত্রীকে নিয়ে বনে বেড়াতে গেছে।
হঠাৎ তার স্ত্রী পানিতে পড়ে ডুবে গেল। কাঠুরে কান্না শুরু করেছে।
তারপর জলপরী অতি রূপবতী রাজকন্যার মতো এক মেয়েকে পানি থেকে তুলে বলল, "এই কি তোমার স্ত্রী?"
কাঠুরে বলল, "জ্বি এই আমার স্ত্রী।"
জলপরী বলল, "ভালো করে দেখে তারপর বলো।"
কাঠুরে বলল, "আর দেখতে হবে না। এই আমার স্ত্রী।"
জলপরী বলল, " আগের বার তোমার সততা দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম। এখন তুমি এটা কী করলে?
রূপবতী মেয়ে দেখে নিজের স্ত্রীকে ভুলে গেলে?"
তখন কাঠুরে বলল, "আমি বাধ্য হয়ে বলেছি এইটাই আমার স্ত্রী। যদি না বলতাম, আপনি এরচেয়ে একটু কম সুন্দর আরেকটা মেয়ে তুলতেন।
আমি যদি বলতাম এই মেয়ে না। আপনি সবশেষে আমার স্ত্রীকে তুলতেন এবং আগের বারের মতো তিনজনকেই আমাকে দিয়ে দিতেন।
আমি নিতান্তই গরিব মানুষ। তিন বউকে পালব কীভাবে? এই কারণে প্রথমবারই বলেছি এটা আমার স্ত্রী। তাছাড়া আমার নিজের স্ত্রীও আমাকে আস্ত রাখবে না।

মাল্টি ট্যাব ব্রাউজারের আদি পিতা।মেক্সিকোর একটা লাইব্রেরিতে অবস্থিত ৩০০ বছরের পুরাতন "লাইব্রেরি বুক হইল", যেখানে গবেষকরা...
27/12/2023

মাল্টি ট্যাব ব্রাউজারের আদি পিতা।

মেক্সিকোর একটা লাইব্রেরিতে অবস্থিত ৩০০ বছরের পুরাতন "লাইব্রেরি বুক হইল", যেখানে গবেষকরা একসাথে সাতটা বই খোলা রেখে গবেষণা করতে পারত।

- মোজাম্মেল হোসেন

সিঙ্গাপুরে একটি স্কুলের প্রিন্সিপাল পরীক্ষার আগে অভিভাবকদের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন, চিঠিটির বাংলায় অনুবাদ :প্রিয় অভিভা...
30/11/2023

সিঙ্গাপুরে একটি স্কুলের প্রিন্সিপাল পরীক্ষার আগে অভিভাবকদের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন, চিঠিটির বাংলায় অনুবাদ :

প্রিয় অভিভাবক,
কয়েক দিনের মধ্যেই আপনার সন্তানের পরীক্ষা শুরু হবে। আমি জানি, আপনারা খুব আশা করছেন যে, আপনাদের ছেলে-মেয়েরা পরীক্ষায় খুব ভালো রেজাল্ট করবে।

একটা বিষয় মনে রাখবেন যে, যারা পরীক্ষা দিতে বসবে, তাদের মধ্যে একজন নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে শিল্পী হবে, যার গণিত শেখার কোনো দরকার নেই।

একজন নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে উদ্যোক্তা হবে, যার ইতিহাস কিংবা ইংরেজি সাহিত্যে পাণ্ডিত্যের প্রয়োজন নেই।

একজন সংগীতশিল্পী হবে, যে রসায়নে কত নম্বর পেয়েছে তাতে তাঁর ভবিষ্যতে কিছু আসে-যায় না ৷

একজন খেলোয়াড় হবে, তাঁর শারীরিক দক্ষতা পদার্থবিজ্ঞান থেকে বেশি জরুরি।

যদি আপনার ছেলে বা মেয়ে পরীক্ষায় খুব ভালো নম্বর পায়, সেটা হবে খুবই চমৎকার। কিন্তু যদি না পায়, তাহলে প্লিজ, তাদের নিজেদের ওপর বিশ্বাস কিংবা সম্মানটুকু কেড়ে নেবেন না।
তাদেরকে বুঝিয়ে বলবেন যে, পরীক্ষার নম্বর নিয়ে যেন তারা মাথা না ঘামায়, এটা তো একটা পরীক্ষা ছাড়া আর কিছুই নয়। তাদেরকে জীবনে আরো অনেক বড় কিছু করার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।

আপনি আপনার সন্তানকে আজই বলুন যে, সে পরীক্ষায় যত নম্বরই পাক, আপনি সব সময় তাকে ভালোবাসেন এবং কখনোই পরীক্ষার নম্বর দিয়ে তার বিচার করবেন না!

প্লিজ, এই কাজটি করুন, যখন এটা করবেন দেখবেন যে, আপনার সন্তান একদিন পৃথিবীটাকে জয় করবে!

একটি পরীক্ষা কিংবা একটি পরীক্ষায় কম নম্বর কখনোই তাদের স্বপ্ন কিংবা মেধা কেড়ে নিতে পারবে না ৷

প্লিজ, আরেকটা কথা মনে রাখবেন যে, এই পৃথিবীতে কেবল ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, অফিসার, প্রফেসর বা আইনজীবীরাই একমাত্ৰ সুখী মানুষ নন ৷

শুভেচ্ছা,
প্রিন্সিপাল

এই বিখ্যাত ফটোগ্রাফটি ১৯৭২ সালে আয়ারল্যান্ডে তোলা হয়, যেখানে এক তরুণী অস্ত্র হাতে উন্মত্তের মতো গুলি ছুড়ে যাচ্ছে। ব্রিটি...
28/11/2023

এই বিখ্যাত ফটোগ্রাফটি ১৯৭২ সালে আয়ারল্যান্ডে তোলা হয়, যেখানে এক তরুণী অস্ত্র হাতে উন্মত্তের মতো গুলি ছুড়ে যাচ্ছে।
ব্রিটিশ আর্মির সাথে সম্মুখ যুদ্ধে মেয়েটির প্রেমিক যখন গুরুতরভাবে আহত হয়, তখন সে প্রেমিকের অস্ত্র তুলে নিয়ে ব্রিটিশ আর্মির বিরুদ্ধে একাই রুখে দাড়ায়। সহযোদ্ধাদের সহায়তায় আহত প্রেমিক পরবর্তীতে ঠিকই বেঁচে যায়, কিন্তু এই নি:সঙ্গ লড়াকু নারী ব্রিটিশ আর্মির কাছে আত্মসমর্পণ না করে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে থাকে।

যখন অপরপক্ষ থেকে গোলাবর্ষণ থেমে যায়, এবং যখন ব্রিটিশ আর্মি আবিষ্কার করলো যে, মাত্র একজন দু:সাহসী নারী তাদেরকে এতোক্ষণ ধরে নাস্তানাবুদ করে রেখেছিলো, তাদের বিস্ময়ের ঘোর কোনভাবেই কাটছিলো না। ব্রিটিশ কমান্ডার তার সৈন্যদের সরাসরি হুকুম দিলেন, যাতে এই পরে থাকা নিথর দেহটিকে কোনভাবেই অসম্মান না করা হয় এবং তিনি স্থানীয় আইরিশদের সহায়তায় মৃতদেহটি যথাযথ সম্মানের সাথে সৎকার করেন।
ইংলিশ কমান্ডার প্রচন্ড ক্ষোভে বলেছিলেন, আমরা এমন এক রাণীর জন্য লড়াই করি, যিনি আমাদের জীবনকে পরোয়া করেন না। কিন্তু এই দুর্ধর্ষ তরুণী তার প্রেমিক ও মাতৃভূমি রক্ষার জন্য অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিলো এবং জীবন দিতে এতোটুকু পরোয়া করেনি।

এই ঐতিহাসিক ফটোগ্রাফটি আয়ারল্যান্ডে নারী দিবসের জন্য যথাযথ সম্মানের সাথে বাছাই করা হয়। ক্যাপশনে লেখা আছে,

" Don't be afraid to be associated with a strong woman the day may come and she'll be your only army. "

তথ্য সংগ্রহ ও লেখনী কৃতজ্ঞতাঃ Pundro.com

বাংলাদেশের ময়মনসিংহের ভালুকায় চালু হচ্ছে যুক্তরাজ্যের ১৬০ বছরের পুরনো বোর্ডিং স্কুল হেইলিবারি। বিশ্বমানের এই বোর্ডিং স্ক...
27/11/2023

বাংলাদেশের ময়মনসিংহের ভালুকায় চালু হচ্ছে যুক্তরাজ্যের ১৬০ বছরের পুরনো বোর্ডিং স্কুল হেইলিবারি।

বিশ্বমানের এই বোর্ডিং স্কুলে শিক্ষার্থীদের প্রতি বছরে ( ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি) কমপক্ষে খরচ হবে ৩৪ হাজার ডলার বা ৩৭ লাখ টাকা !!

পৃথিবীর সবচেয়ে বিষধর সাপের কামড়ে হাতি মারা যায়, কিন্তু একটা প্রাণী মরে না। 🍁প্রাণীটির নাম ঘোড়া। সাপের কামড়ে কোনদিন ...
22/11/2023

পৃথিবীর সবচেয়ে বিষধর সাপের কামড়ে হাতি মারা যায়, কিন্তু একটা প্রাণী মরে না। 🍁

প্রাণীটির নাম ঘোড়া। সাপের কামড়ে কোনদিন ঘোড়া মরে না। তিনদিন অসুস্থ থাকে। তারপর সুস্থ হয়ে যায়। আর এই ঘোড়া থেকে আসে দুনিয়ার সব সাপের বিষের প্রতিষেধক anti venom

কোনএকটি সাপ, ধরেন কিং কোবরা’র anti venom তৈরি করতে হলে যা করা লাগে তা হল, ওই সাপের বিষ ঘোড়ার শরীরে ঢুকিয়ে দিতে হয়। একগাঁদি পরিমাণ ঢুকালেও সমস্যা নেই। ঘোড়ার কিছু হবে না। কিছু হবে না বলতে, ঘোড়া মরবে না।

ঘোড়া তিনদিন অসুস্থ থাকবে। এরপর সুস্থ হয়ে যাবে। এই তিনদিনে ঘোড়ার রক্তে ওই সাপের বিষের anti venom তৈরি হয়ে গেছে।

এবার ঘোড়ার শরীর থেকে কিছু পরিমাণ রক্ত নিয়ে তার লাল অংশ আলাদা করা হয়। সাদা অংশ অর্থাৎ ম্যাট্রিক্স থেকে অ্যান্টি ভেনাম আলাদা করা হয়। এরপর তা প্রক্রিয়াজাত করে বাজারে পাঠানো হয়।
মানুষ’কে সাপে কামড়া’লে ডাইরেক্ট ইনজেকশন দিয়ে পুশ করা হয়।

খোদ ইন্ডিয়াতে গাদা গাদা অ্যান্টি ভেনাম প্রস্তুতকারক কোম্পানি আছে। পালের পর পাল ঘোড়া তাদের মূল সম্বল। ঘোড়া না থাকলে সাপের কামড় খেয়ে মানুষের আর বাঁচা লাগত না। এক ছোবলে ডাইরেক্ট উপরে।

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

"অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে?" 💚

(সূরাহ আর-রহমান,আয়াত-১৩)

১৯৫০ সালে তৎকালীন পাকিস্তান আমলে হঠাৎ জাল নোট বের হতে শুরু করলো বাজারে। পুরো প্রশাসন তটস্থ। কোনভাবেই সেই জালনোট উৎপাদন ব...
13/11/2023

১৯৫০ সালে তৎকালীন পাকিস্তান আমলে হঠাৎ জাল নোট বের হতে শুরু করলো বাজারে। পুরো প্রশাসন তটস্থ। কোনভাবেই সেই জালনোট উৎপাদন বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছেনা। তখন পুলিশের সহকারী পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত এক ভদ্রলোক।. জাল নোট বিষয়েরই বেশ কয়েকটি মামলার তদন্তভার এসে পড়লো তাঁর কাঁধে। সেই মামলার শেষমেশ সুরাহা হলো। .

পুলিশের সেই ভদ্রলোক ছিলেন আদতে একজন কথাসাহিত্যিক। এরই মধ্যে লিখে ফেলেছেন তিনি ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’ নামের একটি উপন্যাস ও। সেই উপন্যাস লেখা শেষ হয়েছিলো ১৯৪৮ সালের আগস্ট মাসে। কিন্তু চার বছরেও প্রকাশক না পাওয়ায় স্বভাবতই তিনি হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। তাই ভাবলেন যদি গোয়েন্দা উপন্যাস লেখা হয় তবে হয়তো পাঠক জুটবে। সেই জালনোটের মামলা নিয়ে ১৯৫৪ সালে অবশেষে তিনি শেষ করলেন তাঁর সেই উপন্যাস। উপন্যাসের নাম ‘জাল’। তবে সেই উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছিলো আরো ৩৪ বছর পরে।.লেখকের নাম আবু ইসহাক। কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক। কিন্তু তাঁর চেয়ে কম কি তিনি বাংলা ভাষার অভিধানবিদ ও? তাঁর লেখা ‘সমকালীন বাংলা ভাষার অভিধানে’ কেবল 'অন্ধকার' শব্দটির প্রতিশব্দই আছে ১২৭টি! . বাংলা সাহিত্যে ছোটগল্পের অন্যতম প্রবাদপুরুষ। গ্রাম্য বাংলার চরম বাস্তবতা ও কঠিন কোমল জীবনকে যে কতোটা নিপুণ ভাবে তুলে ধরা যায় তার প্রমাণ পাওয়া যায় আবু ইসহাকের লেখায়।

সূর্য দীঘল বাড়ী চিরকাল বাংলা সাহিত্যে সর্বসেরা উপন্যাসগুলোর একটি হয়ে থাকবে এজন্যই। ভাবতে অবাক লাগে সূর্য দীঘল বাড়ীর মতো উপন্যাস তিনি লিখেছেন মাত্র ২১ বছর বয়সে!.সূর্য দীঘল বাড়ি উপন্যাসের পটভূমি নিয়ে তিনি বলেছিলেন, 'আমি তখন সিভিল সাপ্লাইয়ে কাজ করি, পোস্টিং নারায়ণগঞ্জ। তো মাঝে মাঝে ট্রেনে করে ঢাকায় আসার সময় দেখতাম ওরা ট্রেনের মেঝেতে বসে আছে। প্রত্যেকের হাতে থলি। কোথায় যাচ্ছে? যাচ্ছে ময়মনসিংহে, ওখান থেকে চাল কিনে নারায়নগঞ্জে কিছু বেশি দামে বিক্রি করে ওরা। এই ওদের পেশা। ওদের নাম যে জয়গুন বা এরকম কিছু তা হয়তো নয়...কিন্তু এদের সঙ্গে সূর্য-দীঘল বাড়ির সম্পর্ক কী? .সেটা আবার আলাদা ব্যাপার। এদেরকে দেখে আমার মাথায় একটা গল্পের প্লট আসে। ভাবতে চেষ্টা করি, এরা কেন এত কষ্ট করে প্রতিদিন নারায়ণগঞ্জ থেকে ময়মসিংহ যাওয়া-আসা করে? তার মানে, নিশ্চয়ই গ্রামে কোনো উপায় খুঁজে পায়নি। ঘর ছেড়ে তাই পথে নেমেছে। ভিক্ষা করছে না, কাজই করছে, কিন্তু তাদের এই নিত্য যাতায়াত, তাও ট্রেনের মেঝেতে বসে, বিনা টিকেটে, টিকেট- চেকারের বকাঝকা শুনতে শুনতে, এসবই বলে দেয়, এরা স্বাভাবিক জীবন পায়নি, উপযুক্ত কাজও পায়নি, এমনকি হয়তো গ্রামে থাকতেও পারেনি। এরা কি তবে বাস্তুত্যাগি নাকি বাস্তুহারা? কেউ তো সহজে তার বাস্তুভিটা ত্যাগ করতে চায় না। তখনই আমার সূর্য-দীঘল বাড়ি নামটা মনে আসে।.সূর্য-দীঘল মানে সূর্যের দিকে লম্বালম্বি। অর্থাৎ গ্রামের যে বাড়িটি পুব-পশ্চিম লম্বালম্বি করে বানানো হয় তাকে সূর্য-দীঘল বাড়ি বলে। তো আমার নানার গ্রামে এ ধরনের একটা বাড়ি ছিল। গ্রামের বাড়িগুলো সাধারণত উত্তর-দক্ষিণে লম্বালম্বি হয়, কারণ মানুষের বিশ্বাস সূর্য-দীর্ঘল বাড়ির লোকজন উজাতে পারে না, মানে এগোতে পারে না, অর্থাৎ টিকতে পারে না এবং জীবনযুদ্ধে হেরে যায়। আমার মনে হলো, এই যে মেয়েগুলো ট্রেনে করে যাওয়া আসা করছে, তাদের ধরে নিয়ে আমার নানার গ্রামের ওই সূর্য-দীঘল বাড়িটিতে বসিয়ে দিলে কেমন হয়?'.আমাদের ছোটবেলাতে তাঁর গল্পের মধ্য দিয়ে ছোটগল্পের জগতের সঙ্গে পরিচয় ঘটেছিলো। 'মহাপতঙ্গ' কিংবা 'জোঁক'। কি দারুণ দুই ছোটগল্পের মাধ্যমে শৈশবেই রেখাপাত ঘটিয়েছিলেন তিনি। .সাহিত্য কিংবা কর্মজীবন দুই জায়গাতেই তিনি ছিলেন সফল। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার খুলনা বিভাগের প্রধান ছিলেন। কলকাতায় বাংলাদেশ দূতাবাসে ছিলেন ভাইস-কনসাল ও ফার্স্ট সেক্রেটারি। ব্যক্তিজীবনে ছিলেন ভীষণ নিরহংকারী।.জন্মদিনে বাংলা কথাসাহিত্যিকের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। .ছবিতে আবু ইসহাক ও তাঁর স্ত্রী সালেহা ইসহাক।

ছবি এবং তথ্যঃ ইশতিয়াক আহমেদ।

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8809638227442

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জ্ঞানের জগৎ একাডেমি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to জ্ঞানের জগৎ একাডেমি:

Shortcuts

Share