স্বপ্নের বারি

স্বপ্নের বারি Stay connected with us for entertainment, fun and education.I like curious and creative people to make their lives easier

09/09/2022
যদি এরা ফেসবুক চালাতো তাহলে কি ট্রাভেলিং পোষ্ট দিতো?
15/05/2022

যদি এরা ফেসবুক চালাতো তাহলে কি ট্রাভেলিং পোষ্ট দিতো?

আমাদোর পর্দানশীল লিচু  #বাগান
07/05/2022

আমাদোর পর্দানশীল লিচু #বাগান

17/03/2022

আপনার কথাগুলো আমার অনেক ভালো লাগে

07/09/2015

অস্থির মনে মেলে না আশা
দুঃখ সুখের খেলছে পাসা
মনটা শুধু চায় যে তোমায় অচিনপুড়ে বাধতে বাসা।
ভেজা তোমার কালো চুলে
দেখে আমার মনটা দুলে
ও আমার মিষ্টি পরি
কেনো করলে মনটা চুড়ি
ব্যাকা পথে নুপুর পরে
চলছো তুমি একা একা
পিছোন পাণে ছুটছি আমি
বলবো যত মনের কথা।
দেখে তোমার মিষ্টি হাসি মনটা আমার বলবে সবই
অস্থির মনে ভালবাসি।
-15 minutes
লেখক:
Osthir Feroz

31/07/2015

স্যারঃ পড়া যখন
পারনি মার
তোমাকে খেতেই
হবে |
ছাত্রঃ তাহলে একটু
ওয়াসরুমে যেতে
হবে |
স্যারঃ কেনো ?
ছাত্রঃ মা বলেছে
কোন কিছু খাবার
আগে সাবান
দিয়ে ভাল ভাবে
হাত
ধুয়ে নিতে|

ুরাই_লুল

31/07/2015

যে কাজটিকে আমি এতদিন প্রচন্ড ঘৃণা করে এসেছি,শেষ পর্যন্ত আমাকে সেই কাজটিই করতে হচ্ছে।
কি করবো?এছাড়া যে আর কোন পথ খোলা নেই আমার।জীবন-মরণের প্রশ্ন যেখানে জড়িত, সেখানেতো পিছু হটলে চলবে না।
আচ্ছা,মা-বাবারা মাঝেমাঝে এমন করেন কেন ?
আমি জানি,তাঁরা যা করেন সন্তানের ভাল চিন্তা করেই করেন।কিন্তু আমার মনে হয়,কিছু কিছু ব্যাপারে অবশ্যই সন্তানের মতামতকে প্রাধান্য দেয়া উচিত্।কারন জোর করে চাপিয়ে দেয়া কোন কিছুর ফলাফল কখনোই শুভ হয় না।আর বিয়ের মত একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েতো না-ই।
ট্রেন ছাড়তে আর বেশী দেরী নেই। কি-যে একটা অবস্থার ভিতর দিয়ে প্রতিটি সেকেন্ড পার হচ্ছে!
মিল্টনের কোন খবরই নেই।হারামী ফোনই ধরে না।
না-কি শালা আমার সুন্দরী বউ নিয়ে নিজেই ভেগে যাচ্ছে কে জানে!
"তাড়াতাড়ি আয় বাপধন,ট্রেন ছেড়ে দিলো বলে!"
এদিকে মৌমির ফোন অফ সেই সন্ধ্যা থেকে।কি যে করি!বসে বসে মাথার চুল ছেঁড়া ছাড়া আর কিচ্ছু করার নেই এখন!
মৌমি তার বাবাকে অনেক বুঝিয়েছে,কোন কাজ হয়নি।তাঁর সেই এক কথা, "এই ছেলে তোর যোগ্য না।"
তাঁর কাছে ঐ ভুঁড়িওয়ালা লোকটাই যোগ্য।আমি বুঝি না. . .আমার মত এমন হ্যান্ডসাম, মেদহীন একটা ছেলেকে কিভাবে উনি অপছন্দ করেন?
সত্যি বলছি,মাঝেমাঝে আমি নিজের উপরই ক্রাশ খাই!!
মৌমির হবু বরের জন্য আমার খুব দুঃখ হচ্ছে।বেচারা বিয়ের আগের বিধবা হয়ে যাবে!
"সরি ব্রাদার।আমার কোন দোষ নাই।যে মেয়েকে নিয়ে আমি পাঁচ বছর ধরে তিলে তিলে একটা স্বপ্নের পৃথিবী সাজিয়েছি,তাকে কি করে তোমার হাতে তুলে দিই বলো?ঐ লিকলিকে রোগা মেয়েটা ছাড়া যে আমার পুরো পৃথিবিটাই তুচ্ছ।"
সামনের মাসেই আমার রেজাল্ট বেরুবে।আশা করি ছোটখাটো হলেও একটা চাকুরী পেয়ে যাবো।তাছাড়া কয়দিন পরই মৌমির অনার্স ফাইনাল।দেখতে দেখতে মাস্টার্সটাও কমপ্লিট হয়ে যাবে। তারপর চাইলে মৌমি নিজেও জব করতে পারবে।খুব সুন্দরভাবে চলে যাবে আমাদের।
আমি খুবই আত্মবিশ্বাসী,মৌমিও। আমরা জানি,আমরা পারবো।এবং আমার বিশ্বাস,একসময় মৌমির ফ্যামিলি আমাদের মেনে নেবে।
মৌমির বাবা মানুষটা খারাপ না।ভদ্রলোক সরকারী ব্যাংকের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।ইয়া বড় এক ভূড়ি তাঁর।তাই বুঝি হবু জামাইটাও পছন্দ করেছেন ভূড়িওয়ালা দেখে!
কি আর করা?যার যেমন পছন্দ।
কিন্তু আমিতো আমার বৌকে ঐ ভূড়িওয়ালার হাতে তুলে দিতে পারি না।ভূড়িওয়ালা ছেলে মৌমি একদম পছন্দ করে না!!
মাঝেমাঝে একটা বিষয় ভেবে আমি অবাক হই।কি করে মা-বাবা ভালোর কথা বলে ছেলে মেয়েদের ইচ্ছের বিরুদ্ধ বিয়ে দেন?আরে বস. . .যাকে আমি মন থেকে মেনেই নিতে পারলাম না,তার সাথে কিভাবে সারাটা জীবন কাটাবো?ঐটা তো সংসার হবে না,হবে একটা দোযখ। ঐটা ঘর হবে না,হবে কারাগার।
হ্যাঁ,এটাও ঠিক যে আমরা ভালবেসে বিয়ে করলেই সুখি হবো এর কোন নিশ্চয়তা নেই।তবে একটা সান্ত্বনাতো পাওয়া যাবে। মনকে বুঝানো যাবে যে,আমরা একদিন ভালবেসেছিলাম।ভালবেসে ঘর বেঁধেছিলাম।কিন্তু যাকে কখনো ভালই বাসিনি,তার ক্ষেত্রে সান্ত্বনার কি কোন জায়গা আছে?
ঐতো মিল্টনকে দেখা যাচ্ছে,পাশে মৌমি।শালা দেখি আমার বৌয়ের হাত ধরে টানাটানি করছে!
আহারে. . .মেয়েটার এ-কি অবস্থা! ঘামে ভিজে একেবারে গোসল করে ফেলেছে।
এই প্লাটফর্মটা এত বড় কেন বুঝলাম না!কোন বেকুব এত বড় একটা প্লাটফর্ম বানাইছে কে জানে!
মিল্টন যে আমার কি উপকার করছে. . .সারা জীবন ঋনী থাকবো ।ওর কাছ থেকে ঠিকমত বিদায়টাও নিতে পারলাম না,ট্রেন ছেড়ে দিয়েছে ।শার্টের হাতায় কপাল মুছতে মুছতে মিল্টন আমাদের বিদায় জানালো। আর "ভাল থাকিস শালা,ফোন দিস" বলে চেঁচাতে থাকলো।
যাক,এখন আর ভয় নেই।কেউ আর আমাদের আটকাতে পারবে না।তবে আসল কাজটা এখনো বাকী।সিলেট পৌঁছেই বিয়েটা সেরে ফেলতে হবে।মামা বলেছে সব কিছু তৈরি আছে,শুধু আমাদের জন্য অপেক্ষা।ছোট মামা বেশ রসিক মানুষ,সাহসীও বটে। মামার উপর ভরসা করেই-তো এত দূর এসেছি।
জানালা দিয়ে হু হু করে বাতাস ঢুকছে,ষোড়শী ফাল্গুনী বাতাস। মৌমির খোলা চুলে ওদের লম্প-জম্প দেখে মনে হচ্ছে,আমাদের ব্যাপারটা ওরা জানে।এদিকে রাতের আকাশটাও দেখছি তারার বাসর সাজিয়ে রেখেছে।
আচ্ছা,সবাই কি আমাদের গোপন খবরটা জেনে গেল না-কি?
মৌমি সেই কখন থেকে বাহিরে তাকিয়ে আছে,কোন সাড়া-শব্দ নেই।আমি ওর কাঁধে হাত রাখতেই ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলো।আমার বোতামখোলা বুকে আশ্রয় খুঁজলো। ওর অবস্থাটা আমি বুঝতে পারছি। কোন মেয়েই এভাবে পরিবারের অমতে গিয়ে বিয়ে করতে চায় না।
আমারও যে খুব একটা ভাল লাগছে তা নয়।কিন্তু কি করবো?এছাড়া আর কি-ই বা করার ছিল? পরিবারের কথা মানতে গেলে-যে আমাদের দু'জনের পথ সম্পুর্ণ ভিন্ন হয়ে যেতো।
প্রিয় মানুষের কান্নার অদ্ভুত একটা শক্তি আছে,এটা দ্রুতই আপনাকে ছুঁয়ে ফেলবে।মৌমির কান্না ইতিমধ্যে আমার মাঝেও সংক্রমিত হয়েছে।
ছোট বেলাতেই বাবাকে হারিয়েছি। বুঝ হবার আগেই মা'ও পর হয়ে গেলেন।বড় খালা আমাকে নিজের ছেলের মত মানুষ করেছেন।খালা নিশ্চয় আমার এই ব্যবহারে অনেক কষ্ট পাবেন।ছোট মামা যদিও সব ম্যানেজ করবেন বলেছেন।কিন্তু আমি জানি,খালা ঠিকই কষ্ট পাবেন।
এদিকে হঠাত্ করে মৌমির মা-বাবার জন্যও খুব খারাপ লাগছে। তাদের একমাত্র মেয়েকে এভাবে চুরি করে নিয়ে যাচ্ছি।যত যাই বলি. . .মেয়েকে নিয়ে তাদেরও তো অনেক আশা ছিল ,স্বপ্ন ছিল।তবে তাদের মেয়ে যে মানুষ চিনতে ভুল করেনি,এটা তারা ঠিকই বুঝতে পারবেন একদিন।
আগে বিয়েটা হয়ে যাক।তারপর দু'জনে গিয়ে সবার কাছে ক্ষমা চাইবো।দরকার হলে পা ধরে পড়ে থাকবো।ক্ষমা না করে যাবে কোথায় !
জীবনে অনেক নিশিট্রেন ভ্রমন করেছি।তবে আজকের ব্যাপারটা আলাদা।এই মুহুর্তে কেউ একজন আমার বুকে মাথা লুকিয়ে কাঁদছে ,যাকে আমি প্রচন্ড ভালোবাসি।আমি তার নরম চুলে বিলি কেটে সান্ত্বনা দেয়ার চেষ্টা করছি।আর সে পরম বিশ্বাসে আমাকে আরো তীব্রভাবে আলিঙ্গনে বাঁধতে চাইছে।অদ্ভুত এক ভালোলাগা আমাকে গ্রাস করে ফেলল।
আহ!এই রাতটা যদি আর না ফুরাতো. . .এই জার্নিটা যদি আর কখনোই শেষ না হতো. . .ফাল্গুনী রাতের এই মায়াবী ট্রেনটার "ঝিকঝিক ঝিকঝিক" শব্দ শুনে যদি সারাটা জীবন কাটিয়ে দিতে পারতাম দু'জনে. .।
- -
লেখা : FA Tarek

31/07/2015

ইমনের সাথে নিশির সম্পর্কটা ঠিক ম্যাচ করেনা।শুধু আধুনিক নয় অত্যাধুনিক এই মেয়েটা কেন যে সেকেলে ছেলেটাকে এতটা ভালোবাসে!ওদের ভালোবাসা নিয়ে বন্ধুমহলে বেশ কৌতুহল নিশি বুজি ইমনের সাথে মজা নিচ্ছে।আজকাল ভালোবাসাগুলো সঙ্গায়িত হতে শুরু করেছে।
যেমন নিশির বান্ধবী রিধিতা গর্ব করে বলছে "জানিস আমার বাবুটা না একেবারে আমার কথায় উঠে বসে।তাইতো ওই হাবাটাকে আমি এত্তগুলা লাভ করি"।
নিতা বলছে "আমারটার সবকিছু জুড়েই আমি।আর আমার সবকিছু জুড়ে কতজন ওই বোকাটা বুঝতেও পারেনা"।
এরকম ভালোবাসাময় সংলাপ প্রতিনিয়তই শুনে আসছে নিশি।আর ভাবে ইমনের কথা।
ছেলেটা বড্ড বেশি সেকেলে।সীতা করে চুল আছড়ায়।মাথায় সরিষার তৈল দিয়ে ভরিয়ে রাখে।সাদাসিদে জামাকাপড় পরে।কথাবার্তা গুলোও সাদাসিদা।এ যুগে এমন ছেলে আছে!
মাঝেমাঝে ইমনের প্রতি রাগ আসলেও কিছু বলেনা নিশি।ইমন অবশ্য বহুবার বলেছে "আমি ঠিক তোমার সাথে ম্যাচ করতে পারছিনা তাইনা নিশি? এই যেমন আমি সাদাসিদে।হাইটও তুমি আর আমি সমান।কেমন দেখায় না!"
নিশি স্মিত হেসে বলে "পাগল একটা।আমি কখনো এসব নিয়ে কিছু বলেছি তোমায়?"
আজ নিশির বড্ড বেশি ক্ষোভ ইমনের প্রতি।ওর বান্ধবী নিলার নতুন বয়ফ্রেন্ডের সাথে পরিচয় করিয়ে দেবে বলে ইমনকে আসতে বলেছে।নিশি ইমনকে হেসে হেসে বলেছিল "জান আজ একটা অনুরোধ করবো তোমাকে রাখতে হবে।আমার বান্ধবীর বয়ফ্রেন্ড রাহাতের সেইরকম স্মার্টনেস চলাফেরা।লক্ষীটি তুমি একটু ওর মতো হতে পারবা না!"।ইমন কিছুই বলেনি।বরং আসবো বলে এখনো আসছে না।তাইতো নিশির ক্ষোভটা।
ওদের তিনজনের মাঝেই বেশ আমেজ।এরই মাঝে ইমন চলেও এলো।প্রথম পলকেই রাহাতকে চোখে পড়ল ওর।কাছে আসতেই ইমনকে দেখে রাহাত মাথা নিচু করে বসে রইল।
পরিচয়পর্ব আর আড্ডা শেষে নিশি বারবার ইমনকে বলছে "কি পারবেনা লক্ষিটি রাহাতের মত চলতে? তুমি না হয় ওর মত হাতে ব্রেসলাইট,চোখে সানগ্লাসটা নাই পরলে।অন্য বিষয়গুলো ফলো কর।
ইমন চুপ হয়ে আছে।ওর বুকের ভেতরটা টনটন করছে।যে ছেলেটা ম্যাচের মিলের টাকা দিতে পারেনা বলে না খেয়েও রয়েছে অনেক।বাসা ভাড়াটা কখনো ঠিকঠাক দিতে পারেনা।দুদিন পরপরই তার কাছে এসে বলে ভাই অত টাকা লাগবে।নয়তো আমি আর ম্যাচে থাকতে পারবো না।আপনি দিলে আমি আরো কয়টা দিন থাকতে পারতাম।তখন পকেটে যতটাকা থাকতো ওকে দিয়ে দিত।কোনদিন সে টাকাটা ফেরত পায়নি কিংবা আশাও করেনি।সে ছেলেটা আজ স্মার্ট রাহাত! নিশি আমাকে বলছে এই ছেলেকে ফলো করতে!
টপটপ করে ইমনের চোখ থেকে পানি ঝরতে লাগল।নিশি অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে ইমনের দিকে।ইমন আস্তে করে বলছে "গত মাসে তোমার জন্মদিনে আমি যাইনি কেন জান?তোমাকে উপহার দেব বলে যে টাকাটা জমিয়েছিলাম সেটা একটা ছোট ভাইকে দিয়ে দিয়েছি।কারন টাকাটা না হলে সে আর ম্যাচে থাকতে পারবে না।সে ছোট ভাইটা কে জানো? এই রাহাত!
অজান্তের নিশিরও চোখ বেয়ে অশ্রু ঝরছে।কি ভুলটাই না সে করেছে।উপলদ্ধি করছে কতটা ছোট করে ফেলেছে ভালোবাসার মানুষটিকে।বুঝতে পেরেছে স্মার্টনেসটা এতান্তই অভ্যন্তরীন,যার সবটাই আছে ইমনের কাছে।হাতে বালা পরলে,চুলে জেল মাখলে কিংবা কানে দুল পরা কখনো স্মার্টনেস নয়।এসব কিছু চন্নছাড়া যে কেউও পরতে পারে!
নিশি ইমনের চোখের জল মুছে দিচ্ছে আর কপারে চুমু খেয়ে বলছে "ঠিক যেভাবে তুমি এখন চলছো এভাবে সারাটি জীবন চলবে।কখনো তোমাকে ছেড়ে যাবেনা নিশি।এই অত্যাধুনিক নিশিটা পেয়ে গেছে প্রকৃত স্মার্টনেসের ছোঁয়া।কখনো কি তোমায় ছেড়ে থাকা যায় বলো"।
[] Mostafa Kamal Riad []

Address

Dhaka
1205

Telephone

+8801601333991

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when স্বপ্নের বারি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to স্বপ্নের বারি:

Shortcuts

Share

Category