√ “কাল কিয়ামতের ময়দানে সর্ব প্রথম
নামাজের হিসাব নেওয়া হবে, যে
ব্যক্তির নামাজ ঠিক পাওয়া যাবে সে
ব্যক্তির বাকি সকল আমল সঠিক বলে গন্য
করা হবে।”
_______ বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ (সঃ)
ණ- নবী ≤সাঃ≥ আমার আদর্শ √
♣শেয়ার ও ট্যাগ করে,
পৌঁছে দিন
ইসলামের ? https://www.facebook.com/Nobi.my.jan
একজন সাহাবী বিশ্বনবীর
কাছে ভাঙ্গা মূর্তি নিয়ে এসে হাজির
হলেন-
আল্লাহর হাবীব বললেন-“তোমার
মূর্তি ভাঙ্গা কেন?”
সাহাবী (র) বললেন-“হুজুর
আমি মনে করছি এটা খুদা।”
মহানবী (সা)
বললেন-“কি হয়েছে?”
সাহাবী (র) বললেন-“আমি এর
প্রার্থনা করতাম।
এটাকে আমি সকাল বিকাল
পূঁজা দিতাম।
আমার সাথে নিয়ে ঘুমাতাম।
সফরে গেলে সাথে করে
নিয়ে যেতাম।
একদিন সাথে করে নিয়ে যাচ্ছি...
কোনো এক জায়গায়
রেখে আমি আমার
প্রাকৃতিক প্রয়োজন
সারতে গিয়েছি...
এসে দেখি এর সমস্ত শরীর ভেজা।
আমি চিন্তা করলাম দেবতার
গায়ে রহমতের পানি ই হবে।
আমি জিহবা দিয়ে চাটতে শুরু
করলাম।
চাটতে চাটতে দেখি ভুস্কা দুর্গন্ধ
আসছে...
চিন্তা করলাম যদি এটা দেবতার
গায়ের
পানি ,রহমতের
পানি ই
হবে তাহলে এটা পচাঁ দুর্গন্ধ
কেনো?
মূর্তি যেখানে রেখেছি ওইখানে তালাশ
করে দেখি
দূরে একটা কুকুর দাঁড়ানো...
বুঝতে কষ্ট হলোনা দেবতার
গায়ে কী পড়ছে...
হুজুর মেজাজটা খারাপ হলো...
মূর্তির পা ধরে আছড়ানো শুরু
করলাম...
আছড়াতে আছড়াতে সব
ভেঙ্গে ফেললাম...
আমার ভিতর বুঝ এসেছে-দুনিয়ার
হাতে বানানো কোনো
কিছু আমার রব হতে পারেনা।
হাদিসে আছে......এ
কথা শুনে মহানবি হেসেছিলেন
যাতে তার
দন্ত মোবারক বিকশিত হযেছিল
এবং শরীর মোবারক
কেপে উঠেছিল......
এরপর সাহাবী বললেন.....
আমি এসেছি আমাকে তৌহিদ
শিখিয়ে দেন।”
মহানবি (সা)
শিখিয়ে দিলেন-“লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু
মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সা)।
বলুন সুবহানাল্লাহ।
আল্লাহ আমাদেরক সকলকে তৌহিদ
বুঝার তৌফিক দান করুন।
(আমিন)
cltd...
26/08/2014
সুবাহানাল্লাহ!
মহানবী (সাঃ) এর যোদ্ধে
বেবহার করা তরবারি।
লাইক ও শেয়ার করে আপনার
সকল বন্ধুদের দেখার
সুযোগ দিন
প্রিয় নবী (সা.) এর কিছু
চারিত্রিক গুণাবলী........
১. কেউ কথা বলতে বসলে সে
ব্যক্তি উঠা না পর্যন্ত
তিনি উঠতেন না।
২. লৌকিকতার
প্রয়োজনেও ছোট
প্লেটে খাবার খেতেন না।
৩. সর্বদা আল্লাহর
ভয়ে ভীত থাকতেন।
৪. অধিকাংশ সময়ই নিরব থাকতেন।
৫. বিনা প্রয়োজনে কথা বলতেন না।
৬. কথা বলার সময় সুস্পষ্টভাবে
বলতেন যাতে শ্রবনকারী সহজেই
বুঝে নিতে পারে।
৭. বক্তব্য দীর্ঘস্হায়ী করতেন
না যাতে শ্রোতারা বিরক্ত
হয়ে যায়। এবং এত
সংক্ষিপ্ত করতেন, না যাতে কথা অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
৮. কথা, কাজে ও লেন-
দেনে কঠোরতা অবলম্বন করতেন না।
৯. নম্রতাকে পছন্দ
করতেন ।
১০. তার নিকট আগত ব্যক্তিদের অবহেলা করতেন না।
১১. কারো সাথে বিঘ্নতা সৃষ্টি
করতেন না।
১২. শরীয়ত বিরোধী কথা হলে তা
থেকে বিরত রাখতেন বা সেখান
থেকে উঠে যেতেন।
১৩. আল্লাহ তায়ালার
প্রতিটি নিয়ামতকে কদর করতেন।
১৪. খাদ্য দ্রব্যের দোষ ধরতেন না।
মন চাইলে খেতেন
না হয় বাদ দিতেন।
১৫. ক্ষমা কে পছন্দ করতেন।
১৬. যে কোন প্রশ্নের যথাযথ
উত্তর দিতেন,
যাতে প্রশ্নকারী সে ব্যাপারে পরিপূর্ণ
অবহিত হয়।
১৭. সর্বদা ধৈর্য্য
ধরতেন।
১৮. হাতে যা আসত, তা আল্লাহর
রাস্তায় দান করে দিতেন।
রাসুল (সা.) এর
গুণাবলী বর্ণনা
করে শেষ করা যাবে না।
আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে নবী (সা.)
এর চরিত্রে চরিত্রবান
হওয়ার তাওফীক দান করুন,,,,
ীন ।
সবার জানা উচিৎ
কোন নবী কোন দেশে এসেছিলেন
*************** ****
1.আদম (আ.) -শ্রীলন্কা
2.নূহ (আ.) -জর্ডান
3.শোয়াইব (আ.) -সিরিয়া
4.সালেহ (আ.) -লেবানন
5.ঈব্রাহীম (আ.) -ইরাক
6.ইসমাঈল (আ.) -সৌদি আরব
7.ইয়াকুব (আ.) -ফিলিস্তিন
8.ইয়াহ ইয়া (আ.) -ফিলিস্তিন
9.জাকারিয়া (আ.) -ফিলিস্তিন
10.ইসহাক (আ.) -ফিলিস্তিন
11.ইউসুফ (আ.) -ফিলিস্তিন
12.লুত (আ.) -জর্ডান+ইরাক
13.আইয়ুব (আ.) -জর্ডান
14.হুদ (আ.) -ইয়েমেন
15.মুহাম্মদ (সা.) -সৌদি আরব."
কিয়ামতের ১০ টি আলামত:
নবী করীম (ছাঃ) বলেন,
দশটি নিদর্শন না আসা পর্যন্ত
ক্বিয়ামত সংঘটিত হবে না।
আর তা হচ্ছে-
১. ধোঁয়া, যা পূর্ব হ’তে পশ্চিম
প্রান্ত পর্যন্ত এক
নাগাড়ে চল্লিশ
দিন বিস্তৃত থাকবে।
২. দাজ্জাল বের হবে।
৩. চতুষ্পদ জন্তু বের হবে।
৪. পশ্চিমাকাশ হ’তে সূর্য
উদিত হবে।
৫. ঈসা ইবনু মারিয়াম
আকাশ হ’তে অবতরণ
করবেন।
৬. ইয়া‘জূজ মা‘জূজ বের
হবে।
৭. পূর্বাঞ্চলে ভূমিধস হবে।
৮. পশ্চিমাঞ্চলে ভূমিধস
হবে।
৯. আরব উপদ্বীপে ভূমিধস
হবে।
১০. সবশেষে ইয়ামান হ’তে
এমন এক আগুন বের হবে
যা মানুষকে তাড়িয়ে একটি
সমবেত হওয়ার স্থানে নিয়ে
যাবে। অপর এক বর্ণনায়
আছে, আদন (এডেন)-এর
অভ্যন্তর হ’তে আগুন বের
হবে। যা মানুষকে সমবেত
হওয়ার স্থানের
দিকে তাড়িয়ে
নিয়ে যাবে।
অপর এক বর্ণনায় দশম লক্ষণ
সম্পর্কে বলা হয়েছে, এমন
বাতাস প্রবাহিত হবে, যে
বাতাস কাফেরদেররে নিক্ষেপ
করবে।(২) আর বিশেষ করে
ক্বিয়ামত তখনই সংঘটিত
হবে যখন যমীনে ‘আল্লাহ,
আল্লাহ বলার কোন মানুষ
থাকবে না’।(৩) যখন মানুষ
আল্লাহ তা‘আলাকে স্মরণ
করবে না, তাঁর দাসত্ব করবে না
তখনই ক্বিয়ামত সংঘটিত হবে।
কারণ আল্লাহর যিকির ও
ইবাদত হচ্ছে দুনিয়ার
স্থায়ীত্বের
প্রমাণ। আল্লাহ
তা‘আলা দুনিয়ার
মধ্য থেকে নেক আমলকারী
ব্যক্তি ও সৎ, ঈমানদার ব্যক্তিদের
উঠিয়ে নিবেন এবং খারাপ ও
নিকৃষ্ট মানুষের উপর ক্বিয়ামত
সংঘটিত করবেন।(4)
২. মুসলিম, বঙ্গানুবাদ মিশকাত
হা/৬২৩০।
৩. মুসলিম, মিশকাত হা/৫২৮২।
৪. মুসলিম, মিশকাত হা/৬২৮৩।
( সংগ্রহীত / Az)
উবায়দুল্লাহ ইবন ‘আবদুল করিম ও
উবায়দুল্লাহ (রাঃ)....
আবু হুরায়রা (রাঃ)
সূত্রে নবী (সাঃ)
থেকে বর্ণিত।
তিনি বলেছেনঃ যার হঠাৎ বমি
হয় তার কাযা নেই।
আর যে স্বেচ্ছায় বমি করে,
তার কাযা অপরিহার্য।
(ইব্নে মাজা ১৬৭৬, ২য় খন্ড)
29/06/2014
এখানে শায়িত আছেন হযরত
ওসমান (রাঃ)।
যারা প্রথম দেখছেন
কমেন্ট এ
সুবহানাল্লাহ লিখুন।
আর লাইক চাইতে হবেনা মনে হয়।
একদিন মহানবী (সাঃ)
এর নিকট এক খিষ্টান
নারী আসল।
তার কোলে ছিল এক সদ্য
জন্ম নেওয়া শিশু।
মহিলাটি মহানবী (সাঃ)-
কে বলল,"হে মুহাম্মদ, আমার
নবী যীশু (হযরত
ইশা (আঃ) ) ছোট
শিশুদের সাথে কথা বলতে পারত।
আপনি যদি আমার
কোলের ছোট
শিশুটির সাথে কথা বলতে পারেন
তাহলে আমি আপনাকে নবী বলে
মেনে নেব
এবং আপনার ইসলামের
দাওয়াত গ্রহন করব।"
* উল্লেখ্য যে শিশুটি বোবা ছিল।
তখন
মহানবী (সাঃ) শিশুটিকে প্রশ্ন
করল,"ওহে বালক,
বলতো আমি কে ?"
শিশুটি সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠল,"আপনি হলেন
সর্বশেষ নবী ও সর্বশেষ্ঠ
রাসূল।" (সুবহানআল্লাহ)
এ কথা শুনে মহিলাটি সাথে
সাথে কালেমা পড়ে নবী কারীম
(সাঃ) এবং এক
আল্লাহর প্রতি ইমান
আনল।
( #সুবহানআল্লাহ)
খুব মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।
(এড়িয়ে যাবেন না প্লিজ)
মোহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনের শেষ মূহুর্ত চলছে।
'হঠাৎ সেখানে একজন লোক এসে বললেন 'সালাম'
আমি কি ভিতরে আসতে পারি? ফাতিমা (রাঃ) বললেন,
দুঃখিত আমার পিতা খুবই অসুস্থ। ফাতিমা (রঃ)
দরজা বন্ধ
করে রাসূলের কাছে গেলেন। মুহাম্মদ (সাঃ) বললেন,
কে সেই লোক?.
ফাতিমা বললেন, এই প্রথম
আমি তাকে দেখেছি।
আমি তাকে চিনি না।
রাসূল বললেন "শুনো ফাতিমা, সে হচ্ছে আমাদের এই
ছোট্ট জীবনের
অবসানকারী ফেরেশতা "আজরাইল।"
এটা শুনে ফাতিমার অবস্থা তখন ক্রন্দনরত বোমার
মতো হয়ে গিয়েছে।
রাসূল (সাঃ) বললেন, হে জিবরাঈল আমার উম্মতের
কি হবে? আমার উম্মতের নাজাতের কি হবে?
জিবরাঈল (আঃ) বললেন, "হে রাসুল
আপনি চিন্তা করবেন না, আল্লাহ ওয়াদা করেছেন
আপনার উম্মতের নাজাতের জন্যে।"
মৃত্যুর
ফেরেশতা ধীরে ধীরে রাসূলের কাছে এলেন জান কবজ
করার জন্যে। মালাইকাত মউত আজরাইল
আরো কাছে এসে ধীরে ধীরে রাসূলের জান কবজ
করতে থাকলেন।
পাশে দাঁড়িয়ে থাকা জিব্রাইলকে রাসূল বললেন,
গোঙানির সাথে, "ওহ জিবরাঈল এটা কেমন
বেদনা দায়ক জান কবজ করা।"
ফাতিমা (রাঃ) তার চোখ বন্ধ করে ফেললেন,
আলী (রাঃ) তার দিকে উপুড় হয়ে বসলেন, জিবরাঈল
তার
মুখটা উল্টা দিকে ফিরিয়ে নিলেন। রাসুল(সঃ) বললেন,
"হে জিবরাঈল তুমি মুখটা উল্টা দিকে ঘুরালে কেন,
আমার প্রতি কি তুমি বিরক্ত ?" জিবরাঈল বললেন,
"হে রাসূলুল্লাহ সাকারাতুল মউতের অবস্থায়
আমি আপনাকে কিভাবে দেখে সহ্য করতে পারি।"
ভয়াবহ ব্যাথায় রাসূল ছোট্ট একটা গোঙানি দিলেন।
রাসূলুল্লাহ বললেন, হে আল্লাহ সাকারাতুল
মউতটা (জান কবজের সময়) যতই ভয়াবহ
হোক, সমস্যা নেই, আমাকে সকল ব্যথা দাও
আমি বরণ করবো, কিন্তু আমার
উম্মাহকে ব্যথা দিওনা।" রাসূলের
শরিরটা ধীরে ধীরে ঠান্ডা হয়ে আসতে লাগলো। তার
পা, বুক কিছুই নড়ছে না এখন আর।
রাসূলের চোখের পানির
সাথে তার ঠোঁটটা কম্পিত ছিলো, তিনি কিছু বলবেন
মনে হয়। আলি (রাঃ) তার কানটা রাসূলের মুখের
কাছে নিয়ে গেলো। রাসূল বললেন, "নামাজ কায়েম
করো এবং তোমাদের
মাঝে থাকা দূর্বলদের যত্ন নাও।" রাসূলের ঘরের
বাইরে চলছে কান্নার আওয়াজ, সাহাবীরা একজন
আরেকজন
কে জড়িয়ে ধরে উচ্চস্বরে কান্নারত। আলী (রাঃ)
আবার তার
কানটা রাসূলের মুখের
কাছে ধরলো,
রাসূল চোখ ভেজা অবস্থায় বলতে থাকলেন,
"ইয়া উম্মাতি, ইয়া উম্মাতি, ইয়া উম্মাতি।"
এই ছিল আমাদের মহানবী (সাঃ) মৃত্যুর সময় তার
প্রার্থনা।।
পোস্ টি দেওয়ার সময় চোখের
পানি ধরে রাখতে পারলাম না।। এই
পোস্টি দেওয়ার একমাত্র উদ্দেশ্য, আপনাদের
সবাইকে মৃত্যুর কথা একটু শরণ করিয়ে দিতে।।
নবীজি তার উম্মতের জান্নাত পাওয়ার আশায় কত
কষ্ট সহ্য করেছেন, আর
আমরা সবাই
মৃত্যুর কথা ভূলে গিয়ে সমান্য কয়েকদিনের এই
দুনিয়াকে নিয়ে মেতে আছি।। আসুন
আমরা সকলে মৃত্যুকে ভয় করে চলি, পাঁচ ওয়াক্ত
নামায আদায় করি।। নিশ্চয় আল্লাহ
আমাদেরকে সর্বোত্তম শান্তির স্থান দান করবেন।।
হে আল্লাহ,
আপনি আমাদেরকে "জান্নাতুল ফেরদৌস"-এ যাওয়ার
তৌফিক দান করুন।।
আমিন।।
[]আশা করি সকল মুসলিম ভাই ও বোনেদের
কাছে পোস্টি ভাল লেগেছে।।ভাল লাইক দিন
এবং চাইলে পোস্টি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার
করতে পারেন।।
ধন্যবাদ[]
কখনো আল্লাহ
আমাদের দুর্বল
করে দেন, অধিক
শক্তিশালী হবার
জন্য
কখনো আল্লাহ
আমাদের হৃদয় চূর্ণ
করে দেন, আমাদের
পরিপূর্ণ করার
জন্য
কখনো আল্লাহ
আমাদের দুঃখ
সইতে দেন, অধিক
সহনশীল হবার
জন্য
কখনো আল্লাহ
আমাদের
ব্যর্থতা দেন,
জীবন
সংগ্রামে জয়ী হবার
জন্য
কখনো আল্লাহ
আমাদের
একাকীত্ব দেন,
অধিক সচেতন
হবার জন্য
কখনো আল্লাহ
আমাদের সর্বস্ব
ছিনিয়ে নেন,
আল্লাহর রহমতের
মূল্য বুঝার জন্য !
"এবং অবশ্যই
আমি তোমাদিগকে পরীক্ষা করব
কিছুটা ভয়, ক্ষুধা,
মাল ও জানের
ক্ষতি ও ফল-ফসল
বিনষ্টের মাধ্যমে
তবে সুসংবাদ দাও
সবুরকারীদের"
সূরা আল
বাক্বারাহ -১৫৫
মহান আল্লাহ পবিত্র
কুরআনে বলেনঃ
“যারা আমার জন্যে চেষ্টা-
সংগ্রামে
নিরত থাকবে,
তাদেরকে আমি আমার পথ দেখাবো। আর আল্লাহ
নিশ্চিতভাবেই সৎকর্মশীল
লোকদের
সাথে রয়েছেন। “
[সূরা আনকাবুতঃ ৬৯]
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Madertek, East Nondipara ( Chapakhana )
Dhaka
1219