ছায়াবীথি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • ছায়াবীথি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র

ছায়াবীথি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র its established on eden college

সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড
ছায়াবীথি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, ইডেন মহিলা কলেজ,ঢাকা।

শতবর্ষের ঐতিহ্য মন্ডিত এশিয়ার বৃহত্তম নারীদের উচ্চশিক্ষার জন্য গড়ে উঠা ইডেন মহিলা কলেজ, যার রয়েছে এক সুবিশাল সাংস্কৃতিক পরিমন্ডল। ছাত্রীদের সৃষ্টিশীল সাংস্কৃতিক মেধা সম্পন্ন করে গড়ে তোলার জন্য রয়েছে সহপাঠ্যক্রম শিক্ষার আওতাভূক্ত সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের ব্যাপকচর্চা করার সুযোগ,যা তাদেরেক একজন সত্যিকার দেশপ্রেমিক সুন্দর মনের মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করছে। আর এই কাজটি সু-সম্পন্ন করছে “ছায়াবীথি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র”। ক্লাসের অবসর সময়টুকু সাংস্কৃতিক চর্চার জন্য ব্যয় করার মধ্যে দিয়ে তারা গড়ে উঠছে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানুষ হিসেবে,সম্মানিত করছে নিজেকে, প্রতিষ্ঠানকে তথা দেশকে। বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, রবীন্দ্র নজরুল জয়ন্তী, নবীন বরন সহ কলেজের সমস্ত অনুষ্ঠান হচ্ছে ছায়াবীথির হাত ধরেই।

গোড়ার কথা: প্রারম্ভিক অবস্থায় ছিল অনেক প্রতিকূলতা। তবুও সংস্কৃতি মনা শিক্ষক ও ছাত্রীদের উৎসাহ উদ্দীপনায় প্রতিষ্ঠা লাভ করে একটি সাংস্কৃতিক ভিত্তি প্রস্তর। এ সময় বেশ কয়েক জন সংস্কৃতিমনা শিক্ষক যাঁদের মধ্যে রয়েছেন শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক রওশন আরা রশিদ, ড: দিলারা হাফিজ, তাহমিনা হোসেন গুলবাহার,সানজিদা আখতার, সামসাদ বেগম, তছলিমা খাতুন, সুলতানা সাদেক এবং উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত সহ বিভিন্ন সংগীতে পারদর্শি মো: জহুরল হক... যাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রমে কলেজের সাংস্কৃতিক অঙ্গন সমৃদ্ধ হতে শুরু করে। জনাব রওশন আরা রশিদ অধ্যক্ষ হওয়ার পর তিনি এ প্রতিষ্ঠানকে সমৃদ্ধতর করার জন্য কাজ শুরু করেন।
এ সময় বেশকয়েকজন অধ্যক্ষ কলেজটিতে যোগদান করেন যাঁদের মধ্যে রয়েছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মিনুফার চৌধুরী, অধ্যক্ষ দিলারা হাফিজ, তাঁরা ছিলেন অত্যন্ত সংস্কৃতিমনা । এমনি এক অনুকুল পরিবেশে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মিনুফার চৌধুরীর কাছে প্রফেসর দেওয়ান ইউনুছ আলী, বিভাগীয় প্রধান, মনোবিজ্ঞান এঁর নেতৃত্বে তুলে ধরা হয় সবচেয়ে বড় সমস্যা- যা হল একটি কক্ষের প্রয়োজনীয়তার কথা। অনেক কাঠ খড় পুড়িয়ে শেষ পর্যন্ত ২০০১ সালে রসায়ন বিভাগের পাশে একটি অব্যবহৃত কক্ষ বরাদ্দের মধ্য দিয়ে সংস্কৃতিক কেন্দ্রটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে।
বেশ আনন্দ নিয়েই প্রফেসর দেওয়ান ইউনুছ আলী এবং জনাব জহুরল হক এর শিক্ষাদানের মধ্যে দিয়ে চলতে শুরু করে শিক্ষক আর ছাত্রীদের সংগীত চর্চা। এসময় চঞ্চল রায় এগিয়ে আসেন তবলা শিক্ষক হয়ে ফলে আরো একটি সমস্যার সমাধান হয়ে যায় । সম্পূর্ণ বিনা সম্মানীতেই শিক্ষকবৃন্দ তাঁদের শ্রম ও মেধা দিয়ে এগিয়ে নিতে থাকেন প্রতিষ্ঠানটিকে। এরপর অধ্যক্ষ দিলারা হাফিজ ৫নং ভবনের নীচ তলায় এটিকে স্থানান্তর করেন। এ সময়ই প্রতিষ্ঠানটির নাম দেওয়া হয় “ছায়াবীথি” এবং এ নামটি দেন বাংলা বিভাগের শিক্ষক জনাব তাহমিনা হোসেন।
প্রতিষ্ঠানটিকে সুষ্ঠ ভাবে পরিচালিত করার জন্য তৎকালীন অধ্যক্ষ ফিরোজা বেগম ২৮.০৯.২০০৪ ইং প্রথম
অফিস আদেশের মাধ্যমে এর সার্বিক দায়িত্ব পালনের জন্য প্রফেসর ইউনুছ আলীকে আহ্বায়ক করে একটি কমিটি গঠন করেন- যার সদস্য ছিলেন মিসেস সামসাদ বেগম, ড: দিলারা হাফিজ, জনাব মো: জহুরল হক ও চঞ্চল রায় এবং এ আদেশের মাধ্যমেই ভর্তিচ্ছু ছাত্রীদের মাসিক বেতন ৫০/- ও ভর্তি ফি ১০০/- টাকা নির্ধারন করা হয়, যা থেকে শিক্ষকবৃন্দের সম্মানী প্রদান করার কথা থাকলেও প্রফেসর ইউনুছ আলী তা আপাতত স্থগিত রাখেন। এরপর অধ্যক্ষ জাহান-ই- গুলশান মাহমুদা খানম ২৮.১২.২০০৬ ইং তারিখে এক
আদেশে নৃত্য শিক্ষক হিসেবে টেলিভিশনের একজন নিয়মিত শিল্পী জনাব রূপশ্রী চক্রবর্ত্তীকে নিয়োগ দানের মাধ্যমে নৃত্য শাখার শুভ উদ্বোধন করেন।
২০০৭ সনে এ কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন জনাব তাহমিনা হোসেন, যিনি ছায়াবীথির উন্নয়নে অসামান্য ভূমিকা সহ পরিচালক পদটির জন্য ৫,০০০/- টাকা সম্মানী প্রদানের আদেশ দেন। এছাড়াও তিনি অবসর গ্রহণের পর ছায়বীথির উন্নয়নের জন্য ১০,০০০/ টাকা অনুদান হিসেবে প্রদান করেন।২৩.০৭.২০০৭ তারিখ থেকে আহ্বায়কের পদের শুভ সূচনা করা হয় এবং এ পদটিতে অধ্যাপক পর্যায়ের কর্মরত একজন বিভাগীয় প্রধান থাকবেন বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ার দিন থেকেই মনোবিজ্ঞানের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক নার্গিস জাহান দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এ সময় তবলা শিক্ষক জনাব চঞ্চল রায় দীর্ঘ দিনেও তাঁর জন্য কোন সম্মানীর ব্যবস্থা না হওয়ায় ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে অপারগতা প্রকাশ করেন।
এরপর তদস্থলে ২৬.০৬.২০০৭ তারিখে সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক এ দেশের খ্যাতিমান তবলা শিল্পী জনাব বিপ্লব কান্তি শর্মাকে নিয়োগ দানের মধ্যে দিয়ে ছায়াবীথির কর্মকান্ড আরো এগিয়ে যেতে শুরু করে।
ছায়াবীথির সাথে আরও একটি নাম অমোচনীয় হয়ে চিরস্মরনীয় থাকবে, তিনি হচ্ছেন ড: স্বপ্না রায়। তিনি সর্ব প্রথম ১৫.০৮.২০০৭ তারিখ থেকে এক অফিস আদেশের মাধ্যমে সংগীত শিক্ষক সম্মানী ৩,৫০০/-, ০১.০৯.২০০৭ তারিখ থেকে নৃত্য শিক্ষক সম্মানী ৩,০০০/- এবং তবলা শিক্ষক সম্মানী ২,৫০০/- প্রদানের ব্যবস্থা করেন। এব্যাপারে গণিত বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক আলতাফ হোসেন ও সামসাদ বেগম অসামান্য ভূমিকা পালন করেন। এসময়েই সংস্কৃতিমনা আরো কয়েকজন শিক্ষক এগিয়ে আসেন ছায়াবীথির বন্ধু হয়ে। যাঁদের মধ্যে রয়েছেন-জনাব সুজিত নারায়ন কোঙর,জনাব মো: তৌফিক সিদ্দিকী, জনাব সাবরুনা আহমেদ,জনাব মরিয়ম বেগম,জনাব শামীমা সুলতানা সহ আরো অনেকে। তাঁদের শ্রম ও মেধা ছায়াবীথিকে আরো অনেক দূর এগিয়ে নেয়। জনাব সুজিত নারায়ন কোঙর ছায়াবীথির জন্য বাদ্যযন্ত্র,আসবাবপত্র ইত্যাদি
ক্রয়ের ক্ষেত্রে অসামান্য ভূমিকা পালন সহ সাউন্ড সিষ্টেম নিয়ন্ত্রনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানকে সুন্দর করার জন্য অনেক কাজ করেছেন।তিনি চলে যাওয়ার পর ছায়াবীথির আর এক সুভাকাঙ্খি পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও অসাধারণ যন্ত্রশিল্পী গীটার বাদক ড: আশীষ কুমার ভট্টাচার্য সাউন্ড সিষ্টেম পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন, ফলে ছায়াবীথির অনুষ্ঠান গুলি এখন আরো বেশী প্রনবন্ত হয়ে উঠে।
এরপর ২০০৭ সনে অধ্যক্ষ হিসেবে প্রফেসর ইয়াসমিন আহমেদ এঁর যোগদান থেকে অবসরের দিন পর্যন্ত ছায়াবীথিকে পূর্ণভাবে ব্যবহার করে এ কলেজের জন্য যথেষ্ঠ সুনাম বয়ে আনতে সক্ষম হন। সেই সাথে ছায়াবীথিও অন্যান্য বিভাগের মতই একটি অবিচ্ছেদ্দ বিভাগ বলেই বিবেচনার দাবিদার হয়ে উঠে। এসময় জনাব মো: জহুরল হক ব্যক্তিগত কারণে ৩১.০৩.২০০৮ সংগীত শিক্ষক পদের দায়িত্ব থেকে অব্যহতি নেয়ায় তাঁর পরিবর্তে জাতীয় পুরস্কার সহ বহু পুরস্কারে ভূষিত বেতার ও টেলিভিশন শিল্পী জেরীন তাবাসসুম হক সংগীত শিক্ষকের পদে ০১.০৪.২০০৮ তারিখে যোগদান করেন। ১৯ জুন, ২০০৮ তারিখে এল পি আর জনিত কারণে অধ্যাপক নার্গিস জাহান বিদায় গ্রহণ করলে তদস্থলে রসায়ন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক শামসুন নাহার আহ্বায়কের দায়িত্ব গ্রহণ করে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এ পদের দায়িত্ব পালন করেন। এ বিভাগের শিক্ষক বেতার ও টেলিভিশন শিল্পী ড: পূরবী রাণী সমদ্দার আগস্ট/০৮ এ কলেজে যোগদানের পর থেকেই ছায়াবীথিতে রবীন্দ্র সংগীতের শিক্ষাদান করে আসছেন।অধ্যক্ষ ইয়াসমিন আহমেদ এঁর কর্মকালীন সময়ের শেষ দিকে ছায়াবীথি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটিকে ৬ নং ভবনের নীচ তলায় স্থানান্তর করা হয়।
২০০৯ সনে অধ্যক্ষ মাহফুজা চৌধুরী অত্র কলেজে যোগদানের পর প্রতিষ্ঠানটির অগ্রযাত্রা আবার স্থবির হতে শুরু করে।তিনি প্রথমেই শিক্ষকবৃন্দের সম্মানী প্রদান মৌখিক ভাবে বন্ধ করে দেন এবং এ প্রতিষ্ঠানের কোন প্রয়োজন নেই বলে মত প্রকাশ করেন। তিনি শিক্ষামন্ত্রনালয়ে চিঠি দিয়ে জানতে চান “ শিক্ষামন্ত্রনালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়া এ সাংস্কৃতিক চর্চাকেন্দ্রের পরিচালনা এবং সাহিত্য ও সংস্কৃতি তহবিল থেকে নিয়োগকৃত শিক্ষকদের বেতন পরিশোধ করা যাবে কিনা”।প্রতিষ্ঠানটির প্রয়োজনীয়তা এবং এর কর্মকান্ড তুলে না ধরে এ ধরনের চিঠি প্রদান করায় সংগত কারণে জবাব দেয়া হয় “অর্থমন্ত্রনালয় এর জারিকৃত শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের ১৯.১১.২০০৭ তারিখের পরিপত্র মোতাবেক সাহিত্য ও সংস্কৃতি তহবিল থেকে বেতন ভাতাদি প্রদানের কোন অবকাশ নেই”। ফলে সবার বেতন বন্ধ হয়ে যায়।তিনি ০৬ নং ভবনের কক্ষটি বাতিল করে খুবই ছোট্ট একটি কক্ষ বরাদ্দ দেন। এমনি প্রতিকুল অবস্থাতেও ছায়াবীথির শুভাকাঙ্খি সবাই ধৈর্য সহকারে এর কার্যক্রম চালিয়ে যেতে থাকেন এবং ধীরে ধীরে প্রমানিত হতে থাকে ছাত্রীদের সাংস্কৃতি চর্চা এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য প্রতিষ্ঠানটির অপরিহার্যতা। প্রায় ছয়মাস পর অধ্যক্ষ মহোদয় বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে এর আয়-ব্যয় এর হিসাব গ্রহণ করেন এবং ছাত্রীবেতন থেকে আহরিত টাকা একটি ব্যাংক একাউন্ট খুলে জমা রাখার ব্যবস্থা করেন এবং শুধুমাত্র ছাত্রী বেতন থেকে কি ভাবে ছায়াবীথির ব্যয় নির্বাহ করা যায় তার একটি রূপরেখা প্রনয়ন করে তা বাস্তবায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য বৎসরে ১,৩০০/- টাকা বেতন নির্ধারন করা হয়। তবে তিনি এ আয় থেকে প্রত্যেক শিক্ষকের সম্মানী মাত্র ২,০০০/- টাকা প্রদানের জন্য মৌখিক আদেশ দেন।
এসময়েই ২০.০২.২০০৯ তারিখে উপাধ্যক্ষ ড: আয়েশা বেগমকে আহ্বায়ক করে ০৬ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিচালনা কমিটি গঠন করেন ছায়াবীথির যাবতীয় কাজ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য।এর সদস্য হলেন প্রফেসর দেওয়ান ইউনুস আলী, জনাব সুজিত নারায়ন কোঙর, জনাব ড: পূরবী রাণী সমদ্দার, জনাব সাবরুনা আহমেদ, জনাব মরিয়ম বেগম ও জনাব মো: জহুরল হক।
ছায়াবীথির ছোট্ট কক্ষটি দোকান হিসেবে ভাড়া দেয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়ায় এ যাবৎ কালের মধ্যে পাওয়া সবচেয়ে ভাল একটি কক্ষ ছায়াবীথির জন্য প্রদান করায় ছাত্রীরা আবার প্রাণ খুলে সংস্কৃতি চর্চা শুরু করে। কিন্তু দুই তিন মাসের মধ্যেই কলেজের পরীক্ষা কন্ট্রোল রুমটি বঙ্গবন্ধু যাদুঘরে রূপান্তর করে কন্ট্রোল রুমের যাবতীয় কার্যক্রম ছায়াবীথিতে স্থানান্তর করায় সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্রটি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। তবে তিনি চলে যাওয়ার সময় ১০৪ নং কক্ষটি ছায়াবীথির জন্য বরাদ্দ করে গেলেও অজানা কারণে তা গোপন রাখা হয় । ফলে অনেকদিন বন্ধ থাকার পরে জুন/১২ এর প্রথম দিকে আবার কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়।
এরপর ১৫.০৫.২০১২ তারিখে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন প্রফেসর রওশন জাহান। তিনি অত্যন্ত সংগীত অনুরাগি মানুষ হওয়ায় ছায়াবীথিকে অনেক এগিয়ে নেয়া সম্ভব হয়। তিনি এক আদেশ বলে ছাত্রী বেতন মাসিক ১৫০/- টাকা এবং ২০০/- টাকা সেসন চার্জ হিসেবে বৎসরে ২,০০০/- টাকা নির্ধারণ করেন এবং নিজস্ব হিসাব রক্ষন পদ্ধতিতে হিসাব রেখে প্রয়োজনীয় ব্যয় করার নির্দেশ প্রদান করেন। বর্তমানে কন্ঠ সংগীত, নৃত্য এবং আবৃত্তি শিক্ষা কার্যক্রম নিয়মিত ভাবে চলছে।
গত ১৬.০২.২০১৪ তারিখ অধ্যক্ষ প্রফেসর হোসনে আরা এবং উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ডালিয়া আহমেদ একই সাথে এ কলেজে যোগদান করেন। তাঁরা দীর্ঘদিন যাবৎ এ কলেজেই কর্মরত ছিলেন। ছায়াবীথির প্রায় সকল কর্মকান্ডেই তাঁরা দীর্ঘদিন যাবৎ জড়িত থেকে এর উন্নয়নে সার্বিক সহায়তা করে আসছেন। বর্তমানে ছায়াবীথির জন্য উপযুক্ত একটি কক্ষ সংস্কার এর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমান অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ মহোদয় উভয়েই সংস্কৃতিমনা মানুষ এবং এর চর্চার জন্য যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনায় সুন্দর পদক্ষেপ গ্রহণে বদ্ধপরিকর।
























Qvqvexw_ mvs¯‹…wZK †K‡›`ªi ‡Mvovi K_v
‡gvt Rûij nK
m`m¨, Qvqvexw_ mvs¯‹…wZK †K›`ª I cÖ`k©K, Dw™¢` weÁvb wefvM,
B‡Wb gwnjv K‡jR, XvKv|

f~wgKv t G †`‡ki bvix‡`i D”Pwk¶vi Rb¨ M‡o DVv e„nËg G Abvm© K‡jRwU‡Z eZ©gvb QvÎx msL¨v QvweŸm nvRvi hv‡`i mybvMwiK wn‡m‡e M‡o †Zvjvi Rb¨ cÖ‡qvRb mncvV¨µwgK wk¶vi AvIZvf~³ mvs¯‹…wZK Kg©Kv‡Ûi e¨vcKPP©v, hv Zv‡`i‡K mvwZ¨Kv‡ii GKRb †`k‡cÖwgK my›`i g‡bi gvbyl wn‡m‡e M‡o Zzj‡e , K¬v‡mi Aemi mgq UzKz e¨wqZ n‡e my›`‡ii PP©vq Ges mvs¯‹…wZK e¨w³Z¡ m¤úbœ gvbyl wn‡m‡e mgv‡Ri mvg‡b `vuwo‡q m¤§vwbZ Ki‡e wb‡R‡K, cÖwZôvb‡K Z_v †`k‡K|
†Mvovi K_vt mncvV¨µwgK wk¶vi e¨vcK cÖ‡qvRbxqZv m‡Z¡I Gi Rb¨ cÖ‡qvRbxq AeKvVv‡gv, Dchy³ wk¶K bv _vKvq G Kvh©µg e¨vcKZv jvf Ki‡Z evi evi †nvPU Lvw”Qj| G Qvov cÖvq `yBkZ wk¶K mg„× K‡jRwU‡Z wk¶K e„‡›`i wewfbœ mvs¯‹…wZK Abyôv‡bi R‡b¨ cÖvwZôvwbKfv‡e wkw¶Z m½xZ wk¶‡Ki AfveI `vi“bfv‡e cwijw¶Z nw”Qj, G †nb Ae¯’vq Dw™¢`weÁvb wefv‡M cÖ`k©K wk¶K wn‡m‡e †hvM`vb K‡ib Rbve †gvt Rûij nK,whwb D”Pv½ স½xZ mn m½x‡Zi wewfbœ kvLvq cvi`k©x nIqvq K‡j‡Ri mvs¯‹…wZK A½‡b myevZvm eB‡Z ïi“ K‡i| G mgq †ek K‡qKRb ms¯‹…wZgbv wk¶K †hgb wk¶K cwil‡`i mvaviY m¤úv`K Rbve iIkb Aviv iwk‡`i †bZ…‡Z¡ Wt w`jviv nvwdR , Rbve Zvnwgbv †nv‡mb , Rbve ¸jevnvi , Rbve mvbwR`v AvLZvi , Rbve mvgmv` †eMg, Rbve ZQwjgv LvZzb I Rbve myjZvbv mv‡`K ---- huv‡`i AK¬všÍ cwikªg I Ask MÖnY Øviv K‡j‡Ri mvs¯‹…wZK A½ub mg„× n‡Z _v‡K| cieZx©‡Z Rbve iIkb Aviv iwk` Aa¨¶ nIqvi ci G aviv Av‡iv mg„w× jvf K‡i| wKš‘ mePvB‡Z eo mgm¨v †`Lv‡`q Abyôv‡bi winv‡m©‡ji Rb¨ †Kvb K¶ bv _vKvi Kvi‡Y winv‡m©j Ki‡Z bv cviv,cÖ‡qvRbxq ev`¨hš¿ †hgb Zejv I Zejv ev`‡Ki cÖ‡qvRbxq m¤§vbx BZ¨vw` kZ mgm¨v m‡Z¡I †cwi‡q hvq †ek K‡qK eQi| Gici 2001 mv‡j g‡bvweÁvb wefv‡Mi wefvMxq cªavb wn‡m‡e †hvM`vb K‡ib m½xZ AbyivMx cÖ‡dmi †`Iqvb BDbym Avjx| G mgq †ek K‡qKRb Aa¨¶ K‡jRwU‡Z †hvM`vb K‡ib huv‡`i g‡a¨ i‡q‡Qb fvicÖvß Aa¨¶ wgbydvi †PŠayix, Aa¨¶ w`jviv nvwdR, huviv mevB wQ‡jb AZ¨šÍ ms¯‹…wZgbv| Ggwb GK AbyKyj mg‡q ZrKvjxb fvicÖvß Aa¨¶ wgbydvi †PŠayix Gui Kv‡Q cÖ‡dmi †`Iqvb BDbym Avjx Gui †bZ…‡Z¡ Zz‡j aiv nq Avgv‡`i eo mgm¨v- hv nj GKwU K‡¶i cÖ‡qvRbxqZv| A‡bK KvVLo cywo‡q †kl ch©šÍ imvqb wefv‡Mi cv‡k¦© GKwU Ae¨eüZ K¶ m½xZ PP©vi Rb¨ eiv†Ïi ga¨w`‡q mgm¨vwUi AvcvZZ mgvavb n‡q hvq|
†ek Avb›` wb‡qB Pj‡Z ïi“ K‡i wk¶K Avi QvÎx‡`i msMxZ PP©v| G mgq PÂj ivq GwM‡q Av‡mb Zejv ev`K n‡q, hvi gva¨‡g Avgv‡`i Av‡iv GKwU eo mgm¨vi mgvavb n‡q hvq| msMxZ wk¶K wn‡m‡e c~‡e©i gZB mnvqZv`vb K‡ib Rbve †gvt Rûij nK Ges mvwe©K cwiPvjbvi `vwq‡Z¡ _v‡Kb cÖ‡dmi †`Iqvb BDbym Avjx, huv‡`i mevB m¤ú~Y© webv m¤§vbx‡Z Zuv‡`i kªg I †gav w`‡q GwM‡q wb‡Z _v‡Kb cÖwZôvbwU‡K| wKš‘ K¶wU K¬vm I wefv‡Mi KvQvKvwQ nIqvq ¯^vfvweK fv‡e †h me mgm¨v †`Lv †`q Zvi mgvavb K‡í ZrKvjxb Aa¨¶ w`jviv nvwdR eZ©gvb 5bs fe‡bi bxP Zjvq GwU‡K ¯’vbvšÍi K‡ib| G mgqB cÖwZôvbwUi bvg †`qv nq Ò Qvqvexw_Ó Ges G bvgwU †`b Rbve Zvnwgbv †nv‡mb|
cÖwZôvbwU‡K môzfv‡e cwiPvwjZ Kivi Rb¨ ZrKvjxb Aa¨¶ wd‡ivRv †eMg 28.09.2004 Bs cÖ_g Awdm Av‡`‡ki gva¨‡g Gi mvwe©K `vwqZ¡ cvj‡bi Rb¨ Rbve †`Iqvb BDbym Avjx‡K AvnŸvqK K‡i GKwU KwgwU MVb K‡ib, hvi m`m¨ wQ‡jb wg‡mm kvgmv` †eMg, Wt w`jviv nvwdR, Rbve †gvt Rûij nK I Rbve PÂj ivq Ges G Av‡`‡ki gva¨‡gB fwZ©”Qy QvÎx‡`i gvwmK †eZb 50/- I fwZ© wd 100/- UvKv wba©viY Kiv nq, hv †_‡K wk¶K e„‡›`i m¤§vbx cÖ`vb Kivi K_v _vK‡jI, dvÛ MV‡bi D‡Ï‡k¨ cÖ‡dmi †`Iqvb BDbym Avjx, Zv AvcvZZ ¯’wMZ iv‡Lb| Gici Aa¨¶ Rvnvb-B- ¸jkvb gvngy`v Lvbg 28.12.2006 Bs Zvwi‡L GK Av‡`‡k b„Z¨ wk¶K wn‡m‡e †Uwjwfk‡bi GKRb wbqwgZ wkíx Rbve iƒckªx PµeËx©‡K wb‡qvM `v‡bi gva¨‡g b„Z¨ kvLvi ïf D‡Øvab K‡ib| Z‡e wk¶Ke„›` webv m¤§vbx‡ZB G KvR m¤úbœ K‡i‡Qb|
2007 m‡b G K‡j‡R Aa¨¶ wn‡m‡e †hvM`vb K‡ib Rbve Zvnwgbv †nv‡mb, whwb Qvqvexw_i bvgKib mn Gi mvwe©K Dbœq‡b Amvgvb¨ f~wgKv mn cwiPvjK c`wUi Rb¨ 5,000/- UvKv m¤§vbx cÖ`v‡bi Av‡`k †`b| G QvovI wZwb Aemi MÖn‡bi ci Qvqvexw_i Dbœq‡bi Rb¨ 10,000/- UvKv Aby`vb wn‡m‡e cÖ`vb K‡ib| 23.07.2007 Bs ZvwiL †_‡K AvnŸvqK Gi GKwU c‡`i ïf m~Pbv Kiv nq Ges G c`wU‡Z Aa¨vcK ch©v‡qi Kg©iZ GKRb wefvMxq cÖavb _vK‡eb e‡j wm×všÍ M„nxZ nIqvi w`b †_‡KB g‡bvweÁvb wefv‡Mi wefvMxq cÖavb Aa¨vcK bvwM©m Rvnvb `vwqZ¡ MÖnb K‡ib| Zuvi Kg©Kvjxb mg‡q Qvqvexw_i e¨vcK DbœwZ nq KviY wZwb GKRb ms¯‹…wZgbv e¨w³ wn‡m‡e mewKQy AvšÍwiKZvi mv‡_ MÖnY Ki‡Zb| G mgq cÖwZôv‡bi Zejv wk¶K Rbve PÂj ivq `xN© w`‡bI Zvui Rb¨ †Kvb Avw_©K e¨e¯’v bv nIqvq e¨w³MZ KviY †`wL‡q AcviMZv cÖKvk K‡ib|Gici Z`¯’‡j 26.06.2007 Bs Zvwi‡Li mfvi wm×všÍ †gvZv‡eK G †`‡ki L¨vwZgvb Zejv wkíx Rbve wec­e KvwšÍ kg©v†K wb‡qvM `v‡bi g‡a¨w`‡q Qvqvexw_i Kg©KvÛ Av‡iv GwM‡q †h‡Z ïi“ K‡i|


Qvqvexw_ mvs¯‹…wZK †K‡›`ªi mv‡_ AviI GKwU bvg A‡gvPbxq n‡q wPi¯§ibxq n‡q _vK‡e, wZwb n‡”Qb Wt ¯^cœv ivq| wZwb me© cÖ_g 15.08.2007 Bs ZvwiL †_‡K GK Awdm Av‡`‡ki gva¨‡g msMxZ wk¶K m¤§vbx 3,500/-, 01.09.2007 Bs ZvwiL †_‡K b„Z¨ wk¶K m¤§vbx 3,000/- Ges Zejv wk¶K m¤§vbx 2,500/- cÖ`v‡bi e¨e¯’v MÖnY K‡ib| G e¨vcv‡i MwYZ wefv‡Mi wefvMxq cÖavb Aa¨vcK AvjZvd †nv‡mb mvwe©K mnvqZv `vb K‡ib| Gi gva¨‡gB AÎ K‡jR, Qvqvexw_‡Z Kg©iZ wk¶Ke„‡›`i Kv‡Q `xN©w`‡bi FY cwi‡kva Kivi my‡hvM cvq Avi wk¶Ke„›`I Zuv‡`i Ng©v³ †`‡n ¯^w¯Íi evZvm †c‡Z ïi“ K‡ib| G mg‡qB ms¯‹…wZgbv Av‡iv K‡qK Rb wk¶K GwM‡q Av‡mb Qvqvexw_ mvs¯‹…wZK †K‡›`ªi eÜz n‡q, huv‡`i g‡a¨ i‡q‡Qb- Rbve mywRZ bvivqb †KvOi , Rbve †gvt †ZŠwdK wmwÏKx , Rbve mvei“bv An‡g`, Rbve gwiqg †eMg, Rbve kvgxgv myjZvbv mn Av‡iv A‡b‡K| Zuv‡`i AvšÍwiK kªg I ‡gav Qvqvexw_‡K Av‡iv A‡bK `~i GwM‡q †bq| Rbve mywRZ bvivqb †KvOi Qvqvexw_i Rb¨ ev`¨hš¿, AvmevecÎ BZ¨vw` µ‡qi ‡¶‡Î Amvgvb¨ f~wgKv cvjb K‡ib|
Gici 2007 m‡b Aa¨¶ wn‡m‡e cÖ‡dmi Bqvmwgb Avn‡g` Gui †hvM`vb †_‡K Aem‡ii w`b ch©šÍ ÒQvqvexw_Ó cÖwZôvbwU‡K c~Y©fv‡e e¨envi K‡i G K‡j‡Ri Rb¨ h‡_ô mybvg e‡q Avb‡Z m¶g nb| †mB mv‡_ Qvqvexw_I G K‡j‡Ri Ab¨vb¨ wefv‡Mi gZB GKwU Awe‡”Q`¨ wefvM e‡jB we‡ePbvi `vwe`vi n‡q D‡V| G mgq Rbve †gvt Rûij nK e¨w³MZ Kvi‡Y 31.03.2008 Bs msMxZ wk¶K c‡`i `vwqZ¡ †_‡K Ae¨nwZ †bqvq Zuvi cwie‡Z© RvZxq cyi¯‹vi mn eû cyi¯‹v‡i f~wlZ †eZvi wkíx †Rixb Zvevm&myg nK msMxZ wk¶†Ki c‡` 01.04.2008Bs †hvM`vb K‡ib| 19 Ryb,2008 Bs Zvwi‡L Gj wc Avi RwbZ Kvi‡Y Aa¨vcK bvwM©m Rvnvb we`vq MÖnY Ki‡j Z`¯’‡j imvqb wefv‡Mi wefvMxq cÖavb Aa¨vcK ‰mq`v kvgmyb bvnvi AvnŸvq‡Ki `vwqZ¡ MÖnY K‡i AZ¨šÍ `¶Zvi mv‡_ G c‡`i `vwqZ¡ cvjb K‡ib|G QvovI AÎ wefv‡Mi wk¶K Wt c~iex ivYx mgÏvi AvMó/08, †hvM`v‡bi ci †_‡KB Qvqvexw_ mvs¯‹…wZK †K‡›`ª iex›`ª msMx‡Zi wk¶v`vb K‡i Avm‡Qb| wZwb evsjv‡`k †eZvi I †Uwjwfk‡bi GKRb wbqwgZ wkíx|
2009 m‡b Aa¨¶ gvndzRv †PŠayix AÎ K‡j‡R †hvM`vb Kivi ci cÖwZôvbwUi AMÖhvÎv ¯’wei n‡Z ïi“ K‡i| wZwb cÖ_‡gB wk¶Ke„‡›`i m¤§vbx cÖ`vb ‡gŠwLK Av‡`‡k eÜ K‡i †`b Ges Gai‡Yi cÖwZôv‡bi cÖ‡qvRb †bB e‡j gZ cÖKvk K‡ib|wZwb wk¶v gš¿bvj‡q wPwV w`‡q Rvb‡Z Pvb,Òwk¶vgš¿Yvjq Ges gva¨wgK I D”P wk¶v Awa`߇ii c~e©vbygwZ Qvov G ms¯‹…wZK PP©v‡K›`ª cwiPvjbv Ges mvwnZ¨ I ms¯‹…wZ Znwej †_‡K wb‡qvMK…Z wk¶K‡`i †eZb cwi‡kva Kiv hv‡e wKbvÓ|G K‡j‡R Qvqvexw_ mvs¯‹…wZK †K‡›`ªi cÖ‡qvRbxqZv Ges Gi Kg©KvÛ Zz‡j bv a‡i G ai‡bi wPwV cÖ`vb Kivq msMZ Kvi‡YB G wPwVi Reve †`qv nq,ÒA_©gš¿Yvj‡qi RvwiK…Z wk¶v gš¿Yvj‡qi 19.11.2007 Zvwi‡Li cwicÎ †gvZv‡eK mvwnZ¨ I mvs¯‹…wZ Znwej †_‡K †eZb fvZvw` cÖ`v‡bi †Kvb AeKvk †bBÓ| d‡j mevi †eZb m¤ú~Y© eÜ n‡q hvq| wZwb Qvqvexw_i 6bs fe‡bi K¶wU evwZj K‡i AZ¨šÍ †QvU GKwU K¶ cÖ`vb K‡ib, †hLv‡b †Kvb iK‡g 10 R‡bi gZ emvi e¨e¯’v nq| Ggwb cÖwZKzj Ae¯’v‡ZI Qvqvexw_i ïfvKv•Lx mevB ‰ah© mnKv‡i Gi Kvh©µg Pvwj‡q †h‡Z _v‡Kb Ges ax‡i ax‡i cÖgvwbZ n‡Z _v‡K QvÎx‡`i mvs¯‹…wZK PP©v Ges wewfbœ Abyôv‡bi Rb¨ cÖwZôvbwUi Acwinvh©Zv|
cÖvq Qqgvm ci Qvqvexw_ mvs¯‹…wZK †K‡›`ªi Kg©Kv‡Ûi cÖ‡qvRbxqZvi welqwU Abyaveb Ki‡Z †c‡i Aa¨¶ g‡nv`q Gi Dbœq‡bi j‡¶¨ Qvqvexw_ mvs¯‹…wZK †K‡›`ªi Avq-e¨q Gi wnmve MÖnY K‡i DØ„Ë UvKv Ges QvÎx‡eZb †_‡K AvnwiZ UvKv GKwU e¨vsK GKvD›U Ly‡j Rgv ivLvi e¨e¯’v MÖnY K‡ib Ges ïaygvÎ QvÎx‡eZb †_‡K wK fv‡e wk¶Ke„‡›`i †eZb fvZvw` I e¨q mg~n cwi‡kva Kiv hvq Zvi GKwU iƒc‡iLv cÖYqb K‡i Gi ev¯Íevq‡bi e¨e¯’v Mªnb K‡ib|cÖ‡Z¨K wk¶v_x©i Rb¨ erm‡i 1,300/- †eZb wba©viY Kiv nq| Z‡e wZwb G Avq †_‡K cÖ‡Z¨K wk¶‡Ki m¤§vbx gvÎ 2,000/- UvKv cÖ`v‡bi Rb¨ †gŠwLK Av‡`k cÖ`vb K‡ib|
Gmg‡qB 21.10.2009 Bs Zvwi‡L Dcva¨¶ Wt Av‡qkv †eMg‡K AvnŸvqK K‡i 06 m`m¨ wewkó GKwU cwiPvjbv KwgwU MVb K‡ib Qvqvexw_i hveZxq KvR myôzfv‡e cwiPvjbvi Rb¨| G‡Z m`m¨ wn‡m‡e i‡q‡Qb cÖ‡dmi †`Iqvb BDbyQ Avjx, Rbve mywRZ bvivqb ‡KvOi, Rbve Wt c~iex ivYx mgÏvi, Rbve mvei“bv An‡g`, Rbve gwiqg †eMg I Rbve †gvt Rûij nK|
Qvqvexw_i †QvÆ K¶wU †`vKvb wn‡m‡e fvov †`Iqvi cÖ‡qvRbxqZv †`Lv ‡`qvq G K‡¶i cwie‡Z© Ghver Kv‡ji g‡a¨ cvIqv me‡P‡q fvj GKwU K¶ Qvqvexw_i Rb¨ wbev©Pb Kiv nq|d‡j QvÎxiv Avevi cÖvY Ly‡j Zv‡`i ms¯‹…wZ PP©v ïiy K‡i| wKš‘ `yB-wZb gv‡mi g‡a¨B K‡j‡Ri cix¶v K‡›Uªvj i“gwU e½eÜz hv`yN‡i iƒcvšÍi Kivq, Gi hveZxq Kvh©µg Qvqvexw_‡Z mwi‡q †bqvq d‡j Qvqvexw_i mvs¯‹„wZK PP©v m¤ú~Y© fv‡e eÜ n‡q hvq| Z‡e Aa¨¶ g‡nv`q K‡jR †_‡K we`vq †bqvi c~‡e© GKv‡WwgK KvDw݇ji mfvq 104 bs K¶wU Qvqvexw_i Rb¨ Aby‡gv`b Kwi‡q †M‡jI Zv Qvqvexw_i Kvh©µg Gi Rb¨ †gv‡UI Dchy³ bq e‡j we‡ewPZ| GQvovI welqwU ARvbv Kvi‡Y †Mvcb _vKvq wZwb P‡j hvIqvi ci Ryb/12 Gi cÖ_g w`‡K GLv‡b K¬vm ïi“ Kiv m¤¢e n‡q‡Q |
এরপর ১৫.০৫২০১২ তারিখে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন প্রফেসর রওশন জাহান। তিনি অত্যন্ত সংস্কৃতিমনা একজন মানুষ। তাঁর সময়কালে ছায়াবীথি আবার তার পূর্বরূপ ফিরে পায়। তিনি এক আদেশ বলে ছাত্রী বেতন মাসিক ১৫০.০০ টাকা ও ২০০.০০ টাকা সেসন চার্জ হিসেবে বৎসরে ২,০০০.০০ টাকা নির্ধারণ করেন এবং নিজস্ব হিসাব রক্ষণ পদ্ধতিতে হিসাব রেখে প্রয়োজনীয় ব্যয় করার নির্দেশ প্রদান করেন। বর্তমানে কন্ঠ সঙ্গীত, নৃত্য এবং আবৃত্তি শিক্ষা কার্যক্রম নিয়মিত ভাবে চলছে।

02/11/2017

আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে খুব শীঘ্রই BTV ইডেন কলেজের ছাত্রীদের নিয়ে একটা অনুষ্ঠান তৈরী করতে যাচ্ছে। যারা অংশ গ্রহণে ইচ্ছুক তাদেরকে আগামী শনিবার ৪-১১-১৭ তারিখে ১২ টায় ছায়াবীথিতে উপস্থিত থাকার জন্য পরামর্শ দেয়া যাচ্ছে।

23/07/2017

আগামী মঙ্গলবার ২৫/০৭/২০১৭, ১২ টায় ছায়াবীথিতে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তীর অনুষ্ঠানের জন্য রিহার্সেল হবে। আগ্রহী ইডেন কলেজের ছাত্রীদের উপস্থিত হওয়ার জন্য জানানো যচ্ছে।

07/01/2017

আগামী ০৯-০১-২০১৭ , সোমবার ১০ টায় শুরু হবে ইডেন মহিলা কলেজের সাহিত্য সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বের দেশাত্ব ও রবীন্দ্র সংগীত প্রতিযোগিতা। প্রাথমিক ভাবে নির্বাচিতরাই কেবলমাত্র অংশ গ্রহণ করতে পারবে। যথাসময়ে উপস্থিত হতে না পারলে তাকে অনুপস্থিত বলে ধরে নেয়া হবে।

30/11/2016

আগামী ৫ ডিসেম্বর ২০১৬ ,শুরু হতে যাচ্ছে ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সপ্তাহ, আগ্রহী ছাত্রীদের ছায়াবীথি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে নাম জমা দেওয়ার জন্য পরামর্শ দেয়া যাচ্ছে।

20/05/2016

আগামী রবিবার ১২ টা রিহার্সেল, ২৯/৫নজরুল-রবীন্দ্র জয়ন্তি,আগ্রহীদের সময়মত রিহার্সেলে উপস্থিতি কাম্য।

05/05/2016

ছায়াবীথির ক্লাসের সময় সূচী

শনিবার, সোমবার ১১:৩০....গান
রবিবার, বৃহ:স্পতি ১২:০০....নাচ
মঙ্গলবার...............আবৃত্তি
বুধবার....................বিতর্ক

19/10/2014

শুরু হতে যাচ্ছে ইডেন মহিলা কলেজের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সপ্তাহের প্রাথমিক বাছাই পর্ব ২১.১০.২০১৪* মঙ্গলবার সকাল ১০:৩০, প্রথম দিনের বিষয় উচ্চাঙ্গ সংগীত ও রবীন্দ্র সংগীত।

বাংলাভিশনে প্রচারের জন্য একটি অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি পর্বে ছায়াবীথির ছাত্রীবৃন্দের সাথে ফারুকী সাহেব সহ চ্যানেলের কলাকুশলী...
15/09/2014

বাংলাভিশনে প্রচারের জন্য একটি অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি পর্বে ছায়াবীথির ছাত্রীবৃন্দের সাথে ফারুকী সাহেব সহ চ্যানেলের কলাকুশলী বৃন্দ। অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হবে আগামী রবিবার সন্ধ্যা ৬ টা ও ভোর ৩:৩০।

CHYABITHI VAWAN 5
10/09/2014

CHYABITHI VAWAN 5

30/08/2014

শুরু হতে যাচ্ছে ইডেন মহিলা কলেজের বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা....আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ সেপ্টেম্বর এর মধ্যে স্ব স্ব বিভাগে নাম জমা দিতে হবে। বিস্তারিত নোটিশ বোর্ডে পাওয়া যাবে।

30/07/2014
26/07/2014

সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড
ছায়াবীথি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, ইডেন মহিলা কলেজ,ঢাকা।

শতবর্ষের ঐতিহ্য মন্ডিত এশিয়ার বৃহত্তম নারীদের উচ্চশিক্ষার জন্য গড়ে উঠা ইডেন মহিলা কলেজ,যার রয়েছে এক সুবিশাল সাংস্কৃতিক পরিমন্ডল। ছাত্রীদের সৃষ্টিশীল সাংস্কৃতিক মেধা সম্পন্ন করে গড়ে তোলার জন্য রয়েছে সহপাঠ্যক্রম শিক্ষার আওতাভূক্ত সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের ব্যাপকচর্চা করার সুযোগ,যা তাদেরেক একজন সত্যিকার দেশপ্রেমিক সুন্দর মনের মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করছে।আর এই কাজটি সু-সম্পন্ন করছে “ছায়াবীথি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র”। ক্লাসের অবসর সময়টুকু সাংস্কৃতিকচর্চার জন্য ব্যয় করার মধ্যে দিয়ে তারা গড়ে উঠছে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানুষ হিসেবে, সম্মানিত করছে নিজেকে, প্রতিষ্ঠানকে তথা দেশকে। বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, রবীন্দ্র নজরুল জয়ন্তী, নবীন বরন সহ কলেজের সমস্ত অনুষ্ঠান হচ্ছে ছায়াবীথির হাত ধরেই।

গোড়ার কথা: প্রারম্ভিক অবস্থায় ছিল অনেক প্রতিকূলতা। তবুও সংস্কৃতি মনা শিক্ষক ও ছাত্রীদের উৎসাহ উদ্দীপনায় প্রতিষ্ঠা লাভ করে একটি সাংস্কৃতিক ভিত্তি প্রস্তর। এ সময় বেশ কয়েক জন সংস্কৃতিমনা শিক্ষক যাঁদের মধ্যে রয়েছেন শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক রওশন আরা রশিদ, ড: দিলারা হাফিজ, তাহমিনা হোসেন গুলবাহার,সানজিদা আখতার, সামসাদ বেগম, তছলিমা খাতুন, সুলতানা সাদেক এবং উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত সহ বিভিন্ন সংগীতে পারদর্শি মো: জহুরল হক... যাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রমে কলেজের সাংস্কৃতিক অঙ্গন সমৃদ্ধ হতে শুরু করে। জনাব রওশন আরা রশিদ অধ্যক্ষ হওয়ার পর তিনি এ প্রতিষ্ঠানকে সমৃদ্ধতর করার জন্য কাজ শুরু করেন।
এ সময় বেশকয়েকজন অধ্যক্ষ কলেজটিতে যোগদান করেন যাঁদের মধ্যে রয়েছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মিনুফার চৌধুরী, অধ্যক্ষ দিলারা হাফিজ, তাঁরা ছিলেন অত্যন্ত সংস্কৃতিমনা । এমনি এক অনুকুল পরিবেশে ভারপ্রাপ্ত
অধ্যক্ষ মিনুফার চৌধুরীর কাছে প্রফেসর দেওয়ান ইউনুছ আলী, বিভাগীয় প্রধান, মনোবিজ্ঞান এঁর নেতৃত্বে তুলে ধরা হয় সবচেয়ে বড় সমস্যা- যা হল একটি কক্ষের প্রয়োজনীয়তার কথা। অনেক কাঠ খড় পুড়িয়ে শেষ পর্যন্ত ২০০১ সালে রসায়ন বিভাগের পাশে একটি অব্যবহৃত কক্ষ বরাদ্দের মধ্য দিয়ে সংস্কৃতিক কেন্দ্রটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে।
বেশ আনন্দ নিয়েই জনাব জহুরল হক এবং প্রফেসর দেওয়ান ইউনুছ আলী এর শিক্ষাদানের মধ্যে দিয়ে চলতে শুরু করে শিক্ষক আর ছাত্রীদের সংগীত চর্চা। এসময় চঞ্চল রায় এগিয়ে আসেন তবলা শিক্ষক হয়ে ফলে আরো একটি সমস্যার সমাধান হয়ে যায় । সম্পূর্ণ বিনা সম্মানীতেই শিক্ষকবৃন্দ তাঁদের শ্রম ও মেধা দিয়ে এগিয়ে নিতে থাকেন প্রতিষ্ঠানটিকে। এরপর অধ্যক্ষ দিলারা হাফিজ ৫নং ভবনের নীচ তলায় এটিকে স্থানান্তর করেন।
এ সময়ই প্রতিষ্ঠানটির নাম দেওয়া হয় “ছায়াবীথি” এবং এ নামটি দেন বাংলা বিভাগের শিক্ষক জনাব তাহমিনা হোসেন।
প্রতিষ্ঠানটিকে সুষ্ঠ ভাবে পরিচালিত করার জন্য তৎকালীন অধ্যক্ষ ফিরোজা বেগম ২৮.০৯.২০০৪ ইং প্রথম অফিস আদেশের মাধ্যমে এর সার্বিক দায়িত্ব পালনের জন্য প্রফেসর ইউনুছ আলীকে আহ্বায়ক করে একটি কমিটি গঠন করেন- যার সদস্য ছিলেন মিসেস সামসাদ বেগম, ড: দিলারা হাফিজ, জনাব মো: জহুরল হক ও চঞ্চল রায় এবং এ আদেশের মাধ্যমেই ভর্তিচ্ছু ছাত্রীদের মাসিক বেতন ৫০/- ও ভর্তি ফি ১০০/- টাকা নির্ধারন করা হয়, যা থেকে শিক্ষকবৃন্দের সম্মানী প্রদান করার কথা থাকলেও প্রফেসর ইউনুছ আলী তা আপাতত স্থগিত রাখেন। এরপর অধ্যক্ষ জাহান-ই- গুলশান মাহমুদা খানম ২৮.১২.২০০৬ ইং তারিখে এক আদেশে নৃত্য শিক্ষক হিসেবে টেলিভিশনের একজন নিয়মিত শিল্পী জনাব রূপশ্রী চক্রবর্ত্তীকে নিয়োগ দানের মাধ্যমে নৃত্য শাখার শুভ উদ্বোধন করেন।
২০০৭ সনে এ কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন জনাব তাহমিনা হোসেন, যিনি ছায়াবীথির উন্নয়নে অসামান্য ভূমিকা সহ পরিচালক পদটির জন্য ৫,০০০/- টাকা সম্মানী প্রদানের আদেশ দেন। এছাড়াও তিনি অবসর গ্রহণের পর ছায়বীথির উন্নয়নের জন্য ১০,০০০/ টাকা অনুদান হিসেবে প্রদান করেন।২৩.০৭.২০০৭ তারিখ থেকে আহ্বায়কের পদের শুভ সূচনা করা হয় এবং এ পদটিতে অধ্যাপক পর্যায়ের কর্মরত একজন বিভাগীয় প্রধান থাকবেন বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ার দিন থেকেই মনোবিজ্ঞানের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক নার্গিস জাহান দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এ সময় তবলা শিক্ষক জনাব চঞ্চল রায় দীর্ঘ দিনেও তাঁর জন্য কোন সম্মানীর ব্যবস্থা না হওয়ায় ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে অপারগতা প্রকাশ করেন।
এরপর তদস্থলে ২৬.০৬.২০০৭ তারিখে সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক এ দেশের খ্যাতিমান তবলা শিল্পী জনাব বিপ্লব কান্তি শর্মাকে নিয়োগ দানের মধ্যে দিয়ে ছায়াবীথির কর্মকান্ড আরো এগিয়ে যেতে শুরু করে।
ছায়াবীথির সাথে আরও একটি নাম অমোচনীয় হয়ে চিরস্মরনীয় থাকবে, তিনি হচ্ছেন ড: স্বপ্না রায়। তিনি সর্ব প্রথম ১৫.০৮.২০০৭ তারিখ থেকে এক অফিস আদেশের মাধ্যমে সংগীত শিক্ষক সম্মানী ৩,৫০০/-, ০১.০৯.২০০৭ তারিখ থেকে নৃত্য শিক্ষক সম্মানী ৩,০০০/- এবং তবলা শিক্ষক সম্মানী ২,৫০০/- প্রদানের ব্যবস্থা করেন। এব্যাপারে গণিত বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক আলতাফ হোসেন ও সামসাদ বেগম অসামান্য ভূমিকা পালন করেন। এসময়েই সংস্কৃতিমনা আরো কয়েকজন শিক্ষক এগিয়ে আসেন ছায়াবীথির বন্ধু হয়ে। যাঁদের মধ্যে রয়েছেন-জনাব সুজিত নারায়ন কোঙর,জনাব মো: তৌফিক সিদ্দিকী, জনাব সাবরুনা আহমেদ,জনাব মরিয়ম বেগম,জনাব শামীমা সুলতানা সহ আরো অনেকে। তাঁদের শ্রম ও মেধা ছায়াবীথিকে আরো অনেক দূর এগিয়ে নেয়। জনাব সুজিত নারায়ন কোঙর ছায়াবীথির জন্য বাদ্যযন্ত্র,আসবাবপত্র ইত্যাদি ক্রয়ের ক্ষেত্রে অসামান্য ভূমিকা পালন সহ সাউন্ড সিষ্টেম নিয়ন্ত্রনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানকে সুন্দর করার জন্য অনেক কাজ করেছেন।তিনি চলে যাওয়ার পর ছায়াবীথির আর এক সুভাকাঙ্খি পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও অসাধারণ যন্ত্রশিল্পী গীটার বাদক ড: আশীষ কুমার ভট্টাচার্য সাউন্ড সিষ্টেম পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন, ফলে ছায়াবীথির অনুষ্ঠান গুলি এখন আরো বেশী প্রনবন্ত হয়ে উঠে।
এরপর ২০০৭ সনে অধ্যক্ষ হিসেবে প্রফেসর ইয়াসমিন আহমেদ এঁর যোগদান থেকে অবসরের দিন পর্যন্ত ছায়াবীথিকে পূর্ণভাবে ব্যবহার করে এ কলেজের জন্য যথেষ্ঠ সুনাম বয়ে আনতে সক্ষম হন। সেই সাথে ছায়াবীথিও অন্যান্য বিভাগের মতই একটি অবিচ্ছেদ্দ বিভাগ বলেই বিবেচনার দাবিদার হয়ে উঠে। এসময় জনাব মো: জহুরল হক ব্যক্তিগত কারণে ৩১.০৩.২০০৮ সংগীত শিক্ষক পদের দায়িত্ব থেকে অব্যহতি নেয়ায় তাঁর পরিবর্তে জাতীয় পুরস্কার সহ বহু পুরস্কারে ভূষিত বেতার ও টেলিভিশন শিল্পী জেরীন তাবাসসুম
হক সংগীত শিক্ষকের পদে ০১.০৪.২০০৮ তারিখে যোগদান করেন। ১৯ জুন, ২০০৮ তারিখে এল পি আর জনিত কারণে অধ্যাপক নার্গিস জাহান বিদায় গ্রহণ করলে তদস্থলে রসায়ন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক শামসুন নাহার আহ্বায়কের দায়িত্ব গ্রহণ করে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এ পদের দায়িত্ব পালন করেন। এ বিভাগের শিক্ষক বেতার ও টেলিভিশন শিল্পী ড: পূরবী রাণী সমদ্দার আগস্ট/০৮ এ কলেজে যোগদানের পর থেকেই ছায়াবীথিতে রবীন্দ্র সংগীতের শিক্ষাদান করে আসছেন।অধ্যক্ষ ইয়াসমিন আহমেদ এঁর কর্মকালীন সময়ের শেষ দিকে ছায়াবীথি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটিকে ৬ নং ভবনের নীচ তলায় স্থানান্তর করা হয়।
২০০৯ সনে অধ্যক্ষ মাহফুজা চৌধুরী অত্র কলেজে যোগদানের পর প্রতিষ্ঠানটির অগ্রযাত্রা আবার স্থবির হতে শুরু করে।তিনি প্রথমেই শিক্ষকবৃন্দের সম্মানী প্রদান মৌখিক ভাবে বন্ধ করে দেন এবং এ প্রতিষ্ঠানের কোন
প্রয়োজন নেই বলে মত প্রকাশ করেন। তিনি শিক্ষামন্ত্রনালয়ে চিঠি দিয়ে জানতে চান “ শিক্ষামন্ত্রনালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়া এ সাংস্কৃতিক চর্চাকেন্দ্রের পরিচালনা এবং সাহিত্য ও সংস্কৃতি তহবিল থেকে নিয়োগকৃত শিক্ষকদের বেতন পরিশোধ করা যাবে কিনা”।প্রতিষ্ঠানটির প্রয়োজনীয়তা এবং এর কর্মকান্ড তুলে না ধরে এ ধরনের চিঠি প্রদান করায় সংগত কারণে জবাব দেয়া হয় “অর্থমন্ত্রনালয় এর জারিকৃত শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের ১৯.১১.২০০৭ তারিখের পরিপত্র মোতাবেক সাহিত্য ও সংস্কৃতি তহবিল থেকে বেতন ভাতাদি প্রদানের কোন অবকাশ নেই”। ফলে সবার বেতন বন্ধ হয়ে যায়।তিনি ০৬ নং ভবনের কক্ষটি বাতিল করে খুবই ছোট্ট একটি কক্ষ বরাদ্দ দেন। এমনি প্রতিকুল অবস্থাতেও ছায়াবীথির শুভাকাঙ্খি সবাই ধৈর্য সহকারে এর কার্যক্রম চালিয়ে যেতে থাকেন এবং ধীরে ধীরে প্রমানিত হতে থাকে ছাত্রীদের সাংস্কৃতি চর্চা এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য প্রতিষ্ঠানটির অপরিহার্যতা। প্রায় ছয়মাস পর অধ্যক্ষ মহোদয় বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে এর আয়-ব্যয় এর হিসাব গ্রহণ করেন এবং ছাত্রীবেতন থেকে আহরিত টাকা একটি ব্যাংক একাউন্ট খুলে জমা রাখার ব্যবস্থা করেন এবং শুধুমাত্র ছাত্রী বেতন থেকে কি ভাবে ছায়াবীথির ব্যয় নির্বাহ করা যায় তার একটি রূপরেখা প্রনয়ন করে তা বাস্তবায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য বৎসরে ১,৩০০/- টাকা বেতন নির্ধারন করা হয়। তবে তিনি এ আয় থেকে প্রত্যেক শিক্ষকের সম্মানী মাত্র ২,০০০/- টাকা প্রদানের জন্য মৌখিক আদেশ দেন। এসময়েই ২০.০২.২০০৯ তারিখে উপাধ্যক্ষ ড: আয়েশা বেগমকে আহ্বায়ক করে ০৬ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিচালনা কমিটি গঠন করেন ছায়াবীথির যাবতীয় কাজ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য।এর সদস্য হলেন
প্রফেসর দেওয়ান ইউনুস আলী, জনাব সুজিত নারায়ন কোঙর, জনাব ড: পূরবী রাণী সমদ্দার, জনাব সাবরুনা আহমেদ, জনাব মরিয়ম বেগম ও জনাব মো: জহুরল হক।
ছায়াবীথির ছোট্ট কক্ষটি দোকান হিসেবে ভাড়া দেয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়ায় এ যাবৎ কালের মধ্যে পাওয়া সবচেয়ে ভাল একটি কক্ষ ছায়াবীথির জন্য প্রদান করায় ছাত্রীরা আবার প্রাণ খুলে সংস্কৃতি চর্চা শুরু করে। কিন্তু দুই তিন মাসের মধ্যেই কলেজের পরীক্ষা কন্ট্রোল রুমটি বঙ্গবন্ধু যাদুঘরে রূপান্তর করে কন্ট্রোল রুমের যাবতীয় কার্যক্রম ছায়াবীথিতে স্থানান্তর করায় সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্রটি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। তবে তিনি চলে যাওয়ার সময় ১০৪ নং কক্ষটি ছায়াবীথির জন্য বরাদ্দ করে গেলেও অজানা কারণে তা গোপন রাখা হয় । ফলে অনেকদিন বন্ধ থাকার পরে জুন/১২ এর প্রথম দিকে আবার কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়।
এরপর ১৫.০৫.২০১২ তারিখে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন প্রফেসর রওশন জাহান। তিনি অত্যন্ত সংগীত অনুরাগি মানুষ হওয়ায় ছায়াবীথিকে অনেক এগিয়ে নেয়া সম্ভব হয়। তিনি এক আদেশ বলে ছাত্রী বেতন মাসিক ১৫০/- টাকা এবং ২০০/- টাকা সেসন চার্জ হিসেবে বৎসরে ২,০০০/- টাকা নির্ধারণ করেন এবং নিজস্ব হিসাব রক্ষন পদ্ধতিতে হিসাব রেখে প্রয়োজনীয় ব্যয় করার নির্দেশ প্রদান করেন। বর্তমানে কন্ঠ সংগীত, নৃত্য এবং আবৃত্তি শিক্ষা কার্যক্রম নিয়মিত ভাবে চলছে।
গত ১৬.০২.২০১৪ তারিখ অধ্যক্ষ প্রফেসর হোসনে আরা এবং উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ডালিয়া আহমেদ একই সাথে এ কলেজে যোগদান করেন। তাঁরা দীর্ঘদিন যাবৎ এ কলেজেই কর্মরত ছিলেন। ছায়াবীথির প্রায় সকল কর্মকান্ডেই তাঁরা দীর্ঘদিন যাবৎ জড়িত থেকে এর উন্নয়নে সার্বিক সহায়তা করে আসছেন। বর্তমানে ছায়াবীথির জন্য উপযুক্ত একটি কক্ষ সংস্কার এর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমান অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ মহোদয় উভয়েই সংস্কৃতিমনা মানুষ এবং এর চর্চার জন্য যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনায় সুন্দর পদক্ষেপ গ্রহণে বদ্ধপরিকর।

Address

Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ছায়াবীথি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category