30/05/2025
শুভ জন্মদিন স্যার
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Department of Film and Media - Official, Stamford University Bangladesh, Campus Building, Dhaka.
30/05/2025
শুভ জন্মদিন স্যার
09/03/2025
26/02/2025
আগামীকাল সকাল ১০.৪৫ মিনিটে অঞ্জন স্যারের নামাজে জানাজা সিদ্ধেশ্বরী ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে।
24/01/2025
Happy birthday to one of our alumni, national award winning cinematographer Mazharul Islam Razu
25/03/2024
স্বপ্নের সিঁড়ি ভেঙে যেতে হবে বহুদূর... সবেতো সকাল ৮২ আবর্তনের শিক্ষার্থীরা
25/03/2024
কয়েকজন কিংবদন্তি
10/02/2024
অভিনন্দন উপন্যাসিক নাঈমুল ইসলাম। নাইম ফিল্ম এন্ড মিডিয়া বিভাগে মাস্টার্স করছেন। পাশাপাশি তিনি দুরন্ত টেলিভিশনের সম্পাদনা বিভাগে কর্মরত আছেন। চন্দ্রদ্বীপ পাওয়া যাবে বইমেলায় ৪০৯ নাম্বার দোকানে।
08/11/2022
গতকাল শেষ হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফিল্ম সোসাইটি আয়োজিত ১৪তম আন্তর্জাতিক আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। ১১৭ দেশের ১১৪৭ টি সিনেমার মধ্যে ২০০ ছবি প্রদর্শনীর জন্য নির্বাচিত হয়। চিত্রনাট্য, চিত্রগ্রহণ, সাউন্ড, পরিচালনাসহ বিভিন্ন বিভাগে ৮ টি চলচ্চিত্রকে পুরষ্কার দেওয়া হয়। ইরান, সিরিয়া, নেপাল, জার্মানীর চলচ্চিত্র গুলো সবগুলো শাখায় পুরষ্কার জিতে। এর মধ্যে বাংলাদেশের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ছবি বেস্ট তারেক মাসুদ এমার্জড ডিরেক্টর পুরষ্কার লাভ করেন। আর তিনি হলেন স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ফিল্ম এন্ড মিডিয়া বিভাগের বিজয় বি সরকার। বিজয়ের গ্রাজুয়েশন ফিল্ম " দা লাস্ট মোয়ান" এই সম্মান জনক পুরষ্কার অর্জন করায় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ত্ব নাসির উদ্দীন ইউসুফ মুগ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
স্ট্যামফোর্ডের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ড. ইউনুছ মিয়া বিজয়ের এই অর্জনকে স্ট্যামফোর্ড ফিল্ম এন্ড মিডিয়া বিভাগের অর্জন বলে আখ্যায়িত করে বিজয় বি সরকার এবং বিভাগকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
স্টার সিনেপ্লেক্সে কর্তৃপক্ষ তরুণদের উৎসাহিত করতে পুরষ্কার প্রাপ্ত সিনেসাগুলোর স্টার সিনেপ্লেক্স (হল-৩)- এ একটি বিশেষ প্রদর্শনী করবে আজ বিকেল ৪ টা থেকে। শিক্ষার্থীদের জন্য এর বিনামূল্যে এই প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ফ্রি পাসের জন্য যোগাযোগ:
01755820774
01952553543
'কুড়া পক্ষীর শূন্যে উড়া'
ধান ভানতে শিবের গীত...
সাকিরা পারভীন
আমাদের ছেলেগুলো অনেক স্বপ্ন নিয়ে এই বিভাগে পড়তে আসে। তাদের প্রধান স্বপ্ন থাকে তারা একদিন পরিচালক হবে। চলচ্চিত্র পরিচালক হবে। চলচ্চিত্র বানাবে। চিত্রগ্রাহক হবে। অনেক অনেক কিছু করবে তারা। একটা দুনিয়া তারা উলটায়া পালটায়া দিবে নতুন নতুন সিনেমা বানায়া। তারপর... সে এক বিরাট ইতিহাস। তারপর তাদের স্বপ্নগুলো ক্রমাগত নিভে যেতে থাকে। তাদের স্বপ্নগুলোর চতুর্দিকে কিলবিল করে পোকা। কখনও ইঁদুর, কখনো ছারপোকা, কখনো তেলাপোকা বিবিধ ভাবে ও কায়দায় কুরে কুরে খেতে থাকে। স্বপ্নগুলো খেতে থাকে। তারপর তাদের স্বপ্নগুলো হারিয়ে যেতে থাকে। ফুরিয়ে যেতে থাকে। চাল নেই চুলো নেই নিধিরাম সর্দার অথবা ছাল নাই কুত্তার বাঘা নাম...এরকম ভাবতে থাকে কেউ কেউ...ইস যে ভাঙাচোরা একটা বিভাগ...নাই নাই কতকিছু নাই...এর মধ্যে কিসসু হবেনা। বাপে খেদানো মায়ে তাড়ানো প্রেমিকা পোড়ানো পোলা মাইয়া গুলা তারপরও রইয়া যায়। বিভাগীয়, বৈবাহিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, চাকরিক সংক্রান্ত নানান ঝড় বাদল উপেক্ষা করিয়া আমাদের পোলা মাইয়াগুলা দুষ্টু পোকাগুলোরে ঠ্যাঙ্গায়া বিদায় করে। তারপর তারা গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে যেতে থাকে তাদের কাক্সিক্ষত স্বপ্নের দিকে। তারা উড়ে যেতে থাকে, তারা পুড়ে যেতে থাকে আর তারা তাদের স্বপ্নডানায় উড়িয়ে নিতে চায় আমাদের। আর আমরা তখন খুব বিগলিত হই।
আমি মানে আমরা তখন বলি ঐ দেখ রাজু যায়, ও তো অসামন্য সিনেমাটোগ্রাফি করছে...ভবিষ্যতের পরিচালকরা রাজুকে ছাড়া অচল; বুঝলা মামা? দেখতে আলপাচিনো কত্ত ছোটখাটো তাতে কি? তাঁর অভিনয় কমে যায়, বলো ? কি অপূর্ব সাদামাটা রাজু, যতটুকু পারে যেন ঢেকে রাখতে পারলেই বেঁচে যায়...আর ভেতরে ভেতরে কি অসামান্য যোদ্ধা সে...ভাবাই যায় না।
হুম এরকই হয় বুঝলা? তখন আমরা বলি ঐযে ঐ দেখ আমাগো সাজ্জাদ যায়...কি লাজুক আর সরল আর পরিমিত সে। বিশা^স তো করবা না লোকেশন সাউন্ডের বাজারে সাজ্জাদের দাম কিন্তু অনেক ...হুম। বন্ধুরা খুব সাবধান।
ঐযে আর এক গুড়া মরিচ যায় দেখ ওর নাম অভিজিৎ অর্ক...চুপেচাপে নিজেই একখান চলচ্চিত্র বানায়ে ফালাইছে...বাব্বাহ...
কি জানেন আমি তো কিছু পারিনা। আমার ছেলেমেয়েগুলো যখন অনেক নাইয়ের এই দেশে কিচ্ছু নাইয়ের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে নিজরে খাইয়া বনের মোষ তাড়াইয়া কেবল ভালো কাজের জন্য প্রায় জীবনটুকু দিয়ে দেয়ার মতন করে কাজ করে...তখন আমি খালি ভাবি..কি যে ভাবি..কতকি যে ভাবি...আমার অনন্দ রাখার কোনো জায়গা আমি পাইনা। আমি নিজে নিজেই বিগলিত হই আর আমার খালি কান্না পায়।
বন্ধু,স্বজন ও প্রিয় ছাত্রছাত্রীরা (বর্তমান, প্রাক্তন এবং যারা বিভাগ ছেড়ে গেলেও সিনেমা ছাড়েনি)
মুহাম্মদ কাইয়ুম ত্রিশ বছর ধরে একটি সিনেমা নিয়ে স্বপ্ন দেখেেেছন এবং তিনি দীর্ঘ চার বছরের পরিশ্রমে ভাটির মানুষের জীবন নিয়ে একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বানিয়েছেন। সেজন্য তাঁকে ধন্যবাদ, কৃতজ্ঞতা। কৃতজ্ঞতা এজন্য যে সেলুলয়েডে মানুষ নতুন কিছু দেখবে এবং ভালো কিছু দেখবে। তবে এই সিনেমার টেকনিক্যাল টিমে আমার বিভাগের সাতজনের একটি দল (বর্তমান এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থী) কাজ করেছে। এটি আমার কাছে আমাদের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি। তাই আমি অতি আবেগী এই পোস্ট লিখলাম। আশাকরি আমার সীমাবদ্ধতা আপনারা ক্ষমা করবেন।
সবাইকে অনুরোধ জানাই হলে গিয়ে সিনেমাটি দেখার জন্য।
আর মুহাম্মদ কাইউম রচিত ও পরিচালিত 'কুড়া পক্ষীর শূন্যে উড়া' সিনেমায় স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির ফিল্ম এন্ড মিডিয়া বিভাগের যারা কাজ করেছে তাদরে তালিকাটি সংযুক্ত করলাম।
চিত্রগ্রাহক - মাজাহারুল রাজু
প্রধান সহকারী চিত্রগ্রাহক - সাফির বিপ্লব
সহকারী চিত্রগ্রাহক - অনীক বড়ুয়া
লোকেশন শব্দ গ্রহণ - সাজ্জাদ আহমেদ
সহকারী শব্দগ্রাহক - অভিজিৎ অর্ক
প্রধান সহকারী পরিচালক - বিজয় বি. সরকার
সহকারী পরিচালক - নয়ন আশরাফ
তোমাদের জন্য অনেক অনেক অনেক শুভকামনা।
13/08/2022
চলচ্চিত্র স্বজন হাসান ভাইয়ের বিদায়... ইন্না-লিল্লাহে অইন্না ইলাইহি রাজিউন।