Our leader, our legend
Amazing Azad story
স্বপ্ন তখনই সত্যি হয় যখন পরিশ্রম আপনা?
প্রেমিক পুরুষ
Emotional 💖💖
_______ ভালোবাসা ______ ❤
ক্যাফেটা নদীর মাঝ খানেই বলা যেতে পারে । মজবুত কাঠের পাটাতনের উপর দিয়ে রাস্তাটা চলে গেছে নদীর অনেক ভেতরে । আর সেখানেই অত্যাধুনিক ভাবে তৈরি হয়েছে ক্যাফেটা । সেখানে একটি অর্ধ উলঙ্গ মেয়ে মদ সার্ভ করছে রিয়াদের টেবিলে । এখানে যত গুলো মেয়ে কর্মরত তাদের প্রত্যেকেই পোশাকই এই রকম, ব্রা আর পেন্টি ছাড়া শরীরে কিছুই নেই । এটা কি গ্রাহক আকর্ষণের মাধ্যম না অন্য কিছু মদপ্য রিয়াদের মাথায় কিছু ধরে না । তবুও কেন যেন এখানে আসতে তার ভালো লাগে । না না মেয়েদের বুকের ভাজ কিংবা মিষ্টি কন্ঠ শুনতে সে এখানে আসেনা । সে আসে তার বিষাক্ত অতীত গুলোকে ভুলে থাকতে আর নদীর ছলাৎ ছলাৎ শব্দ গুলো কান পেতে শুনতে ।
একসময় তার সব ছিল । ছিল ভালোবাসার মানুষ । বিদেশ পাড়ি দেওয়ার আগে মেয়েটি তার হাত ছুঁয়ে বলেছিল জীবন চলে যাবে তবুও তাকে ছাড়া অন্য কাউকেই জীবন সঙ্গী হিসেবে বেছে নিবে না কিন্তু আজ অবলিলায় মেয়েটি অন্য জনের সাথে সংসার করছে । শুনেছে একটি ছেলেও নাকি হয়েছে । কথা ছিল মাত্র দুই বছর পরে দেশে ফিরে মেয়েটিকে সে বিয়ে করবে কিন্তু মেয়েটি কথা রাখেনি । রাখেনি বিশ্বাস আর ভালোবাসার মর্যাদা । নাকের নিচে নতুন লোম উঠার বয়স থেকে তাদের মাঝে যে দীর্ঘ ভালোবাসার সূত্রপাত সেটা কিনা সামরিক অনুপস্থিতে হাত থেকে ফসকে যাওয়া ফুলদানির মতো ঝনঝন করে ভেঙে যাবে সেটা সে মোটেই বুঝতে পারেনি ।
মদ খেলে শরীর খারাপ করে লিভার পঁচে যায় সেটা সে জানে । তার সাথে এটাও জানে মস্তিষ্কের কার্যকলাপ কিছুক্ষণের জন্য থমকে যায় । আর এই থমকে যাওয়া সময় টুকুতে নিষিদ্ধ পল্লির নারীর বুকে নাক গুঁজে দিতেও যেন তার কোন অনুশোচনা হয় না ।
-- প্লীজ আর খাবে না, অনেক খেয়ে ফেলেছ তুমি ।
সল্প বসন এ্যানিলার মুখ থেকে ইংরেজিতে কথা গুলো শুনে রিয়াদ কল্পনার আকাশ থেকে খুব তাড়াহুরো করে ল্যান্ড করে বাস্তবতার জমিনে ।
-- কই বেশি তো খাইনি এ্যানিলা, আর তোমাদের কাজ হলো গ্রাহক কে যত বেশি মদ খাওয়াতে পার ততো বেশি ডিমান্ড তোমাদের কিন্তু উল্টো তুমি আমাকে মদ পানে বারণ করছ কেন ?
-- জানিনা কেন করছি । অনেক মদপ্য দেখেছি কিন্তু তোমাকে দেখলে আমার কেন যেন মায়া হয় ।
-- হা হা হা, তোমাদের আবার মায়া । কোন গ্রাহক যখন মদ খেয়ে বেসামাল হয়ে যায় তখন তোমরা নদীর কিনারার হোটেল গুলোতে তাদের দেহের মনরঞ্জন কর যদিও বা এখানকার মালিককে ডলারের অর্ধেকটা তোমাদের দিয়ে দিতে হয় ।
-- হ্যা আমি মেনে নিচ্ছি, টাকার বিনিময়ে হয়তো আমরা দেহ কে বিলিয়ে দেই তাই বলে কি আমাদের মন থাকতে নেই ।
-- মন হয়তো আছে কিন্তু সেই মন যে পুরুষের লালসার কাছে যে বড়ই অসহায় ।
-- আচ্ছা রিয়াদ তোমার এতো কষ্ট কেন আমাকে একটু বলবে ?
রিয়াদের ঠোঁট দুটো প্রসারিত হয় । মিষ্টি করে একটি হাসি দেয় কিন্তু সেই হাসিতে মিশে থাকে অজস্র যন্ত্রণা ।
-- কি হবে শুনে । একটি মেয়েকে ভালোবেসেছিলাম । সে ভালোবাসার মূল্য দেয়নি তাই আমি আমার জীবনের মূল্য দিচ্ছি না ।
-- তুমি কি আমার সাথে জোক করছ ? সে তোমার ভালোবাসার মূল্য দেয়নি তাই বলে তুমি তোমার জীবনের মূল্য দিবে না কেন ?
-- তুমি ঠিক বুঝবে না তোমাদের কালচার বা আবেগের সাথে আমাদের কালচার বা আবেগ কখনোই মিলবে না । আমরা ভালোবেসে দেবদাস হতে পারি । আমরা ভালোবেসে বছরের পর বছর প্রিয় স্বামী বা স্ত্রীর জন্য অপেক্ষা করতে পারি । আবার ভালোবেসে ধোঁকা খেলে মদের গ্লাসে নাক ডুবিয়ে রাখতে পারি বছরের পর বছর ।
-- ঠিক না রিয়াদ মোটেই ঠিক না । যে মানুষটি তোমাকে মনে রাখেনি তুমি তাকে মনে রাখবে কেন ? তুমি নতুন কাউকে খুঁজে নিবে যে তোমাকে সত্যিকার ভাবে ভালোবাসবে ।
-- তুমি কি আমাকে ভালোবাসবে এ্যানিলা ?
-- হা হা হা । তোমার প্রতি আমার মায়া হয় সত্যি তাই বলে ভালোবাসা ?? আমাদের মতো মেয়েদের যে ভালোবাসতে নেই । আমরা দেহ দিতে পারি কিন্তু মন না কারণ আমাদের মন দেহের খাঁচায় বন্দী ।
-- আচ্ছা না হয় তোমার দেহটাই দিলে
-- আমার দেহের মূল্য তুমি পরিশোধ করতে পারবে না রিয়াদ । আমরা এখানে অনেক টাকায় বিক্রি হই । তোমার পনেরো দিনের বেতন চলে যাবে আমাকে একরাত নেওয়ার জন্য ।
***
রবিবারে কাজ নেই পকেটে টাকাও নেই তাই ক্যাফে যাওয়া হয়নি কিন্তু এ্যানিলার অনাকাঙ্খিত ফোন কিছুটা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে রিয়াদের জন্য ।
-- রিয়াদ তুমি এখন কোথায় ?
-- বাসাতেই আছি
-- কেন ক্যাফেতে যাওনি ?
-- না ডলার নেই তাই যাওয়া হয়নি ।
-- একটা কাজ কর আমার বাসায় চলে আস । আমি আজ ছুটিতে আছি ।
-- সেটা তো ভালো দেখায় না আর কিছুটা আইনি জটিলতা আছে । তুমি একজন স্থানীয় মেয়ে আর আমি বাংলাদেশী । তোমার বাসায় যাওয়া আমার জন্য মোটেই নিরাপদ নয় ?
-- অনেক কিছুই আমাদের জন্য নিরাপদ না তবুও আমরা করি । পাপ বা নিরাপদ না জেনেও দশজনাতে নিজের দেহকে বিলিয়ে দেই আবার তোমার মতো ছেলেরা মদের ঝাঁঝালো গন্ধে বিভোর থাকে ।
-- আচ্ছা এর থেকে উত্তোলনের কোন পথ নেই ?
-- হয়তো আছে কিন্তু আমার জানা নেই । কিছু কিছু পথ থেকে ফিরে আসা যায় না । যেমন আমার কর্ম থেকে আমি কখনোই ফিরে আসতে পারবো না হয়তো ।
-- কিন্তু আমি যে ফিরতে চাই । ভুলতে চাই আমার যন্ত্রণাময় স্মৃতি ।
-- যদি সত্যি সত্যি ফিরতে চাও, ভুলতে চাও তোমার অতীত, তবে সর্ব প্রথম তোমাকে ভুলতে হবে তোমার বর্তমান । বর্তমান বলতে মদের গ্লাস,নারীর দেহ আর মোহ ।
তোমাকে দেশে ফিরতে হবে । তোমার জন্য যে মাতা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে তার পদতলে তোমাকে ফিরতে হবে । আর অতীত যন্ত্রণার ভোলার মোক্ষম ওষুধ হলো বিয়ে । একটি মেয়ে যখন তোমার কল্পনায়, তোমার দেহে মিলে মিশে একাকার হয়ে যাবে তুমি ধীরে ধীরে অতীত স্মৃতি ভুলতে থাকবে । একটি নারীর পবিত্র ভালোবাসা তোমার মদের নেশার থেকেও অনেক বেশি শক্তিশালী ।
***
একটি অচেনা মেয়ে রিয়াদের বুকে শুয়ে আছে । না মেয়েটি কোন নিষিদ্ধ পল্লির মেয়ে নয়, গ্রামের সরল সহজ একটি মেয়ে, রিয়াদের স্ত্রী । মেয়েটি যে রিয়াদ কে এতোটাই ভালবেসে ফেলবে রিয়াদ কখনোই বুঝতে পারেনি আর রিয়াদ ও যে মেয়েটিকে ভালোবাসতে শুরু করেছে সেটা সে নিজেই জানে না । আজকাল অতীত গুলো কেমন যেন ঘোলাটে হয়ে যাচ্ছে । যন্ত্রণা গুলো মাথাচারা দিয়ে উঠে না । ভালোবাসাই পারে ভালোবাসার ক্ষত গুলোকে সারিয়ে তুলতে ।
Azad Abul Kalam
বাংলা ভিশনে শেখ হাসিনা এবং এক মহা চামচার অডিও কল ফাঁস হয়েছে। দশ মিনিটের কলে চামচা শালার পুত ১৬৭ বার শুধু আপা আপা বলেই কথা শেষ করেছে । আমি একটা একটা করে কাউন্ট করেছি। কথার আগে আপা, শেষে আপা বলতে বলতে মুখে ফেনা বের করে ফেলছে চামচায়। আসলে শেখ হাসিনার পতনের মূল কারণ হলো অতিরঞ্জিত চামচামি এবং সেগুলো সদরে গ্রহণ করা।
শেখ হাসিনা হয়তো জানেনা আমরা প্রবাসীরা যদি, মাত্র এক মাসের বেতনের টাকা ব্যাংকিং সিস্টেমে টাকা না পাঠাই, বাংলাদেশের অর্থনীতি পুরোপুরি পঙ্গু হয়ে যাবে ?
প্রতিমাসে গড়ে ২২৫ কোটি ডলার যা বাংলাদেশী টাকায় কনভার্ট করলে ২৬৩২৫ হাজার কোটি টাকা ব্যাংকিং সিস্টেমে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। Are you imagine ?
যদি এই টাকাটা বৈধ পথে না যায় হাসিনাকে যে থালা নিয়ে বসতে হবে সেটা কি সে জানে ?
অনেক অত্যাচার করেছেন, ৪০/৫০ জন (সঠিক সংখ্যাটা ঠিক জানিনা) মেধাবী ছাত্রদেরকে পেটোয়া বাহিনী দিয়ে হত্যা করেছেন, এর প্রতিশোধ কি আমরা প্রবাসীরা নেবো না ? অবশ্যই নেব, আর যদি একটা গুলি আমার ছাত্র ছাত্রীদের উপর চলে আল্লাহর কসম, আপনি হাসিনাকে দেখে নিব। আর একটা টাকাও প্রবাস থেকে বৈধ পথে যাবে না।
স্টুডেন্ট পাওয়া দেখেছেন, কিন্তু রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের পাওয়ার দেখেননি। আমাদের রাগাবেন না, এমনিতেই আমাদের পরিবার পরিজন ছেড়ে থাকতে হয়, তার উপর যদি, ছেলে, মেয়ে, ভাই, বোনদের নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করতে হয় এর ফল ভালো হবেনা।
হয় গদি ছাড়ুন না হয় কোটা সংস্কার সহ পুরো বাংলাদেশের সিস্টেমকে সংস্কার করুন।
আজাদ আবুল কালাম
সিঙ্গাপুর প্রবাসী।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka
369585