11/09/2024
ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষকতায় প্রায় দুই যুগ একসাথে কাটিয়ে দিলাম, মানে এই পেশায় ডাইনোসারের শেষ বংশধর।
The beyond is O & A level coaching center in Dhanmondi and Wari where quality education is ensured.
11/09/2024
ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষকতায় প্রায় দুই যুগ একসাথে কাটিয়ে দিলাম, মানে এই পেশায় ডাইনোসারের শেষ বংশধর।
সুবোধ, ভোর হয়েছে, নতুন সূর্যও উঠেছে, এবার তুই চলে আয়, ওরা পালিয়েছে।
21/06/2024
09/06/2024
স্বপ্ন দেখতে কোনো বাধা নেই। আর স্বপ্নের নেই কোনো সীমা। মানুষ নাকি তার স্বপ্নের সমান বড়। কিন্তু এই মহান অনুভূতিটাকে আমরা যেন কোনো গন্ডির মধ্যে বেঁধে না ফেলি। স্বপ্নটা কেবল যেন নিজের জন্যই না হয়। বরং স্বপ্নটা হওয়া উচিত নিজেকে, পরিবারকে আর দেশকে নিয়ে। তাতে নিজের ছাড়া পরিবার আর দেশের প্রতি নিজের যে দায়বদ্ধতা আছে, তা আরো স্পষ্ট হবে। যেদিন আমরা পরিবার নিয়ে স্বপ্ন দেখতে পারব, সেদিন দেখা যাবে প্রতিটি পরিবারে হাসি ফুটেছে। আর যেদিন আমরা দেশ নিয়ে স্বপ্ন দেখব, সেদিন এই দেশের প্রত্যেকটি মানুষের মুখে হাসি ফুটবে, দেশের উন্নতি হবে বাধাহীন। তবে দেশ নিয়ে স্বপ্ন দেখার মানুষ হয়তো ক্রমশ কমে যাচ্ছে। সবাই কেমন যেন আত্মকেন্দ্রিক হয়ে উঠছে। নিজেকে, পরিবারকে আর দেশকে ভালোবেসে যে স্বপ্ন দেখে ও দেখাতে পারেন, সেই হলো আসল কারিগর। আমি চেষ্টা করেছি তমাদের স্বপ্ন দেখাতে, জানিনা স্বপ্নের কারিগর হতে পেরেছি কিনা? কাল তমাদের সাথে ছিল আমার শেষ ক্লাস। আমি শুধু চেষ্টা করেগেছি মাত্র। সবার সাফল্য কামনা করছি।
29/05/2024
এরা কে কোথায় আছে?
21/05/2024
এই শহরের অলিতে গলিতে অসুখেরা ঘুরে ফেরে।
না চাইতেই তারা চলে আসে খুব কাছে।
এই শহরের কারো ভালো চায় না, কেউ এই শহরের ভালো চায় না।
এখানে দুখের আর্তনাদ চাপা পড়ে যান্ত্রিক কলবরে।
এখানে প্রতিটা ইট আর বালুর সাথে মৃত্যুরা লুকিয়ে থাকে।
প্রতিটা ল্যাম্পপোস্ট মৃত্যুকে খুব কাছে থেকে চেনে।
খুন ছাড়া এই শহর বেমানান,
রক্ত ছাড়া এই রাজপথ রংহীন,
এখানে কেউ কাউকে চেনে না,
কেউ কাউকে জানে না,
মানে না।
কেউ কারো দিকে দেখে না।
সবাই ডুবে থাকে নিজের রাজ্যে,
যে রাজ্য ছোট্ট বাক্সে বন্দী।
প্রতিভার কান্না এখানে কেউ শোনে না।
এখানে সত্য বা মিথ্যা বলতে কিছু নেই।
এই শহরের বাতাসে সদা লাশের গন্ধ বয়,
বইবে না কেন,
লাশের গন্ধ ছাড়া এই বাতাস যে বিস্বাদ মনে হয়।
সবই এখানে হাতের কাছে।
তাই,
কারো দুঃখ চাইনা,
চাইনা আনন্দও।
এই শহরে যন্ত্ররাও যেন যন্ত্রণায় কাতর।
আমি কখনো এই শহর চাইনি।
চেয়েছি,
কাকের ডাকে ঘুম ভাঙা এক শহর,
ফেরিওয়ালার হাঁকে মুখরিত এক শহর,
অথবা,
তীব্র রোদে অবেলায় কোকিল ডাকা এক লোকালয়।
যেখানে সুখ আর দুঃখের সঙ্গমে তৈরি হয় এক নতুন অনুভুতি।
যেখানে আনন্দরা চায়ের কাপের ধোঁয়ার মতো উবে যায় না।
আমি সে শহর পাইনি।
পেয়েছি অবাধ্য এক শহর।
এ শহর আমার নয়,
এ শহর কারো নয়।
...................................................................নোমান সাদী
11/05/2024
এরা কে কোথায় আছে? জানি না? আমার সাথে ফেসবুকে থাকলে এসএমএস দিও।
01/05/2024
অনুভূতি সাথে নিয়েই জন্ম হয় মানুষের। সময়ের সাথে সাথে বদলে যায় তার ধরন, জেঁকে বসে বহুবিধ কারণ আর কখনো, মানে না কারো বারণ। এই ধরন কারণ আর বারণের ঘেরাটোপে নিত্যই ছোটে মন। কখনো এ মন যুক্তি যুক্ততায় শীতল শান্ত দিঘীর মতো আবার কখনো মুক্তির আস্বাদনে বাঁধ ভাঙ্গা উত্তাল ঢেউ, যা আঁছড়ে পড়ে অনুভবের তটে।
ব্যক্তির শৈশবে এই অনুভবের পরশগুলো কেবল ডানা মেলতে শুরু করে। নতুন নতুন অনুভূতিতে শিহরিত হতে উন্মুখ হয়ে থাকে মনের নরম জমিন। কৈশোরে সেই অনুভূতির সতেজ ভূমিতে শেকড় ছড়ায় এক নতুন শিহরণ। নড়ে চড়ে ওঠে মনের গহীনে। তৈরি হয় ভালোলাগার অদম্যতা। মান চায় অশরীরী বাঁধন। সহজ শব্দে আমরা যে বাঁধনকে বলে উঠি প্রেম।
20/04/2024
good morning Dhaka
19/04/2024
যীশুখৃষ্টের জন্মের প্রায় চার হাজার বছর আগে হযরত ইদ্রিস (আঃ)ই নিজস্ব হেকমতের আবর্তে পদ্ধতিগতভাবে প্রথম গণিত শাস্ত্র প্রবর্তন করেন বলে জানা যায়। অবশ্য এ বিষয়টি ”গণিত বা প্রথম সংখ্যাতত্ত্বের কথা” যার মূল আরবি হলো- আওয়াল উল ইলামি ইলমুল আদাদী। এটি বাহারুল আসানিদ হাদিসে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। যাহোক, গণিতের কথা উঠলেই সংখ্যার কথা উঠে। আমরা যে ১ হতে ৯ পর্যন্ত ব্যবহার করি, তা ক্রমবিকাশের মাধ্যমে প্রবর্তন করেছেন গ্রীসের অমর প্রতিভা পিথাগোরাস। চীনা, সনাতনধর্মী, ব্যাবিলনীয় ও মিশরীয়গণ তাদের প্রাত্যহিক জীবনের গুরুত্ব এবং তাগিদেই গণনা ও পরিমাপ পদ্ধতি উদ্ভাবনে সক্রিয় হয়ে পড়েছিল। প্রথম তাত্ত্বিক গণিতবিদ ছিলেন মেলিটাসের ‘থেলেস’। তাঁরই যোগ্য শিষ্য ছিলেন এই পিথাগোরাস। আর পিথাগোরাস বিশ্বাস করতেন যে বিশ্বের সকল বস্তুকেই সংখ্যার আদলে ব্যাখ্যা করা সম্ভব। তিনি সংখ্যাগুলোকে এই মর্মে ব্যাখ্যা করতেন যে ‘১’ হলো সকল সংখ্যার আদি এবং ভিত্তি। এর পূর্বে কোন সংখ্যা নেই। সেহেতু এই সংখ্যাটির মাধ্যমে তিনি স্বয়ং ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তাকে ব্যক্ত করতেন। তাই ‘১’ হলো অতি পবিত্র, আদি ও অকৃত্রিম। এদিকে ঈশ্বরের পর ‘২’ কে আকর্ষণীয়া নারীর প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করতেন। আর ‘৩’ সংখ্যাটি শক্তিধর পুরুষ এবং ‘৪’ সংখ্যা কে ন্যায়ের প্রতীক বলে মনে করতেন। তত্পর বিবাহর সংখ্যা ‘৫’ (২+৩ যথাক্রমে নারী এবং পুরুষ) তাছাড়া ‘৬’ থেকে ‘৯’ পর্যন্ত চারটি সংখ্যা নিয়ে একটি মজার কাহিনী আছে।
পরে কোন একদিন বলবো
24/03/2024
দাও খোদা বেড়ে দাও ঈমানের দৃষ্টি
রমজানের রোজাটা মুমিনের কৃষ্টি।
রহমতে পূর্ণ
পাপরাশি চূর্ণ
রমজানের ফলটা আহা বেশ মিষ্টি।।