22/06/2017
ই-টোকেনের ঝামেলা ছাড়াই টিকিট কেটে মাত্র ৫ দিনে ১ বছরের জন্য ইন্ডিয়ান টুরিস্ট ভিসা
কিভাবে ই-টোকেন ছাড়া ভিসা পাবেনঃ
শ্যামলীর একখানা টিকিট কাটুন ১৭০০ টাকা নিবে ( শুধুমাত্র যাওয়ার টিকিট কাটলেই হবে ) । মনে রাখবেন যেদিন পাসপোর্ট জমা দিবেন সেদিন থেকে যেন টিকেটের মেয়াদ অন্তত ৭ দিন পরে হয় । মানে অন্তত ৭ দিন পরে যাত্রার তারিখ হয় । তবে সাবধানতার জন্য আপনি ১৫ দিন নিবেন এবং maximum 30 দিন । যদি মিস হয় তবে যেন আবার জমা দিতে পারেন । এবার কিছু খেলা দেখাতে হবে । মানে চিকন পিনের বুদ্ধি । যেকোন মানি Exchange থেকে ডলার এন্ডোস করাবেন । আর আপনার ব্যাংক থেকে ব্যাংক ষ্টেটমেন্ট নিবেন । এতে আপনার ভিসা পাবার সম্ভাবনা বেড়ে যায় । যারা উপরের বুদ্ধিতে যাবেন না তারা যেকোন সরকারি ব্যাংক বা বেসরকারি ব্যাংক থেকে ডলার কিনে নেন । তবে মাথায় রাখবেন অনেক ব্যাংক আপনার Account না থাকলে ডলার দিবে না ।
এরপর টিকিট পাসপোর্টের সাথে পিনাপ করে দিবেন । সব কিছুর ফটোকপি আলাদা ভাবে পিনাপ করবেন ( Application Form এর মেইন কপি জমা দিতে হবে ) । আর Utility Bill + ডলার এন্ডোসমেন্ট এর মেইন কপি ওদের দেখিয়ে নিজের কাছে রেখে দিবেন । সবখানে ফটোকপি দিবেন আর মেইন কপি নিজের সাথে রাখবেন ।
যেভাবে সামনে এগুবেনঃ
১. http://indianvisa-bangladesh.nic.in/visa/ এখানে Apply করবেন
২. টিকিট কাটুন ( শুধুমাত্র শ্যামলী / BRTC / রেল (সৌহার্দ্য) / ত্রিপুরা পরিবহন / Air Ticket )
৩. সাজাবেন যে ভাবেঃ
আবেদন ফর্ম ( মেইন কপি )
NID / BIRTH CERTIFICATE এর ফটোকপি
UTILITY BILL এর ফটোকপি
BANK STATEMENT / DOLLAR ENROLLMENT এর ফটোকপি
STUDENT ID / GO / NOC / TRADE LICENCE এর ফটোকপি
TICKET এর ফটোকপি
PASSPORT এর ফটোকপি
এগুলো একসাথে পিন মেরে রাখবেন।
৪. টিকিট PASSPORT এর সাথে পিন মেরে রাখবেন
৫. UTILITY BILL , NID আর BANK STATEMENT মেইন কপি নিজের সাথে রাখবেন । দেখতে চাইলে দেখাবেন ।
৬. ৬০০ টাকা ভিসা ফি দিয়ে পাসপোর্ট জমা দেবার জন্য লাইনে দাঁড়ান ।
কিছু সাধারন জ্ঞানঃ
Utility Bill : এর সাথে শুধুমাত্র আপনার বর্তমান ঠিকানার মিল থাকতে হবে ।
NID :এর সাথে আপনার নাম আর Permanent ঠিকানার মিল থাকতে হবে ।
ফ্যামেলী ভিসা বা সন্তান বা স্ত্রীর ভিসার জন্য সবার পাসপোর্ট এর কপি সবার ফর্ম এর সাথে দিতে হবে ।
মেয়েদের লাইনে দাড়াতে হয় না ।
ফর্ম এর যেখানে Indian পরিচিত কারো ঠিকানা বা রেফারেন্স চায় সেখানে আপনার কেউ না থাকলে ইন্ডিয়ান যে কোন পপুলার হোটেলের ঠিকানা দিন (Google এ সার্চ দিলে পেয়ে যাবেন )
ফর্ম পুরন করতে গিয়ে সব সময় Temporary ID টা সেভ করুন । কোন কারনে সার্ভার Error হলে নতুন করে ফর্ম না পুরন করে আবার Website এ গিয়ে Complete Partially Filled এ ক্লিক করুন Temporary ID দিন আবার আগের অবস্থানে ফেরত যাবেন।
যারা Expert তারা Autofill Forms addons টা ব্যাবহার করতে পারেন ( এটা না পারলে ব্যবহারের দরকার নাই )
শ্যামলী ভিসা সেন্টারের ঠিকানা
Alamin Apon Heights 27/1/B (1st Floor) Shyamoli,
(Opposite of Shyamoli Cinema Hall)
Mirpur Road, Dhaka-1207
নোটঃ এই সুবিধা শুধুমাত্র শ্যামলী ভিসা সেন্টারের জন্য । পাসপোর্ট জমা দেওয়ার সময় রবি থেকে বৃহস্পতি সকাল ৮ টা থেকে ১ টা পর্যন্ত । এখানে কোন দালাল নাই । লাইনে দাড়িয়ে কাজ করতে হয় । ভীর আছে তবে খুব বেশী না । ২ ঘণ্টা লাইনে দাড়ালেই হবে । সকাল সকাল যাবার চেষ্টা করবেন । তাই বলে ভোরে যাবার দরকার নাই । সকাল ৮ টার মধ্যে গেলেই হবে ।
indianvisa-bangladesh.nic.in
25/04/2017
ব্রিটেনে সহজ হচ্ছে স্টুডেন্ট ভিসা : উপকৃত হবেন বাংলাদেশীরা
বিদেশি শিক্ষার্থীদের ইমিগ্রেন্ট হিসাবে অন্তর্ভূক্ত রাখা নিয়ে অনেকটা একা হয়ে পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। তাঁর নিজ দলের প্রভাবশালী এমপিরা দ্বিমত পোষণ করে বলছেন, বিদেশি শিক্ষার্থীদের ইমিগ্রেন্ট হিসেবে গণ্য করা ঠিক হচ্ছে না। বুধবার (১৯ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত একটি বিলে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ দলের অনেক এমপি বিদেশি শিক্ষার্থীদের ইমিগ্রেশন হিসাব থেকে বাদ দেয়ার পক্ষে ভোট দেন বলে জানা যায়।
এই সংশোধনী প্রস্তাব পাশ হওয়ায় ব্রিটেনে স্টুডেন্ট ভিসার শর্ত অনেকটা সহজ হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রতি বছর যে পরিমাণ লোক ব্রিটেনে আসে, আর যে পরিমাণ লোক ব্রিটেন ছেড়ে যায়- তার পার্থক্যকে মোট অভিবাসন হিসেবে গণ্য করা হয়। বর্তমান ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ সরকার মোট ইমিগ্রেশন বছরে এক লাখের নিচে নামিয়ে আনতে চায়। সেই লক্ষ্য অর্জনে তারা ইমিগ্রেশন আইনে একের পর এক কড়াকড়ি আরোপ করে। সবচেয়ে বেশি কঠোরতা আসে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে। সমালোচকরা বলছেন, ইমিগ্রেশন কমিয়ে আনার লক্ষ্যে পৌঁছাতে সরকার বিদেশি শিক্ষার্থীদের প্রতি অন্যায্য সব শর্ত চাপিয়ে দিয়েছে। তাদের দীর্ঘদিনের দাবি, বিদেশি শিক্ষার্থীদের মোট ইমিগ্রেশন হিসাব থেকে বাদ দিতে হবে। কারণ তারা পড়াশোনা করতে ব্রিটেনে আসে, স্থায়ী বসবাসের জন্য নয়। এবার সরকারী দলের সাংসদরাও এমন দাবির সাথে একাত্ম হয়েছেন।
বর্তমানে সরকারের উত্থাপিত ‘উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা’ (হায়ার এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ বিল) শীর্ষক একটি বিল পাশের অপেক্ষায় রয়েছে। গত মাসে ব্রিটিশ সংসদের উচ্চ কক্ষ ‘হাউজ অব লর্ডস’ ওই বিলে একটি সংশোধনী প্রস্তাব পাশ করে। সংশোধনীতে বলা হয়েছে, সরকারের জননীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে কোনো শিক্ষার্থীকে দীর্ঘ মেয়াদি অভিবাসী হিসাবে গণ্য করা উচিত হবে না। আগামী বুধবার বিলটি নিম্নকক্ষ হাউজ অব কমন্সেও পাশ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কেননা সরকারী দলের অনেক এমপি সংশোধনী প্রস্তাবটি সমর্থন করবেন বলে জানা যাচ্ছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন, অর্থমন্ত্রী (চ্যান্সেলার) ফিলিপ হ্যামন্ড, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিষয়ক মন্ত্রী লিয়াম ফক্স এবং বিশ্ববিদ্যালয় বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জো জনসন বিদেশি শিক্ষার্থীদের অভিবসান হিসাব থেকে বাদ দেয়ার পক্ষে অবস্থান তুলে ধরেছেন। কারও কারও যুক্তি এটি মোট অভিবাসন কমাতে সরকারের নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনের জন্যও সহয়াক। কারণ, গত সেপ্টম্বর পর্যন্ত এক বছরে ব্রিটেনে মোট ইমিগ্রেন্ট হিসাব করা হয়েছে ২ লাখ ৭৩ হাজার। এরমধ্যে ১ লাখ ৩৪ হাজরই ছিল বিদেশি শিক্ষার্থী। মোট ইমিগেশন হিসাব থেকে বিদেশি শিক্ষার্থীদের বাদ দেয়া হলে তা ব্রিটেনে বিদেশি শিক্ষার্থীদের আগমনের জন্য সহায়ক হবে। এতে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরাও উপকৃত হবে। সরকারের শিক্ষাবিভাগ বলছে, লর্ডস সভার যুক্ত করা সংশোধনী শিক্ষার্থী ভিসার যথযথ যাচাই বাছাইকে ঝুঁকিতে ফেলবে। জাতিসংঘের সংজ্ঞায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ মেয়াদি অভিবাসী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে বলে স্মরণ করিয়ে দেয় শিক্ষাবিভাগ। গত সেপ্টম্বর পর্যন্ত এক বছরে ব্রিটেনে বিদেশি শিক্ষার্থীর আগমন কমেছে প্রায় ৪১ হাজার। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বলছে, কঠোর নীতির কারণে বিদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে ব্রিটেন আকর্ষণ হারাচ্ছে। তারা বলছে, বিদেশি শিক্ষার্থীর আগমন কমতে থাকলে প্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রাখতে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের কোর্স ফি বাড়াতে বাধ্য হবে তারা।
এদিকে ব্রেক্সিটের কারণে ব্রিটিশ মুদ্রা পাউন্ডের দাম পড়ে যাওয়ার প্রভাবও পড়তে শুরু করেছে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের ওপর। স্টুডেন্ট লোনের সুদের হার ইতিমধ্যে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আসছে সেপ্টম্বর থেকে স্টুডেন্ট লোনের সুদের হার ৪ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে বেড়ে হবে ৬ দশমিক ১ শতাংশ। মূল্যস্ফীতির সাথে সমম্বয় করতে এই সুদের হার বাড়ানো হয়েছে।
12/04/2017
আপনি কি ইন্ডিয়ার ভেলর / চেন্নাই / দিল্লি / তাজমহল / মুম্বাই / শিমলাতে যাওয়ার জন্য ট্রেনের টিকিট নিয়ে বিস্তারিত জানতে চাচ্ছেন?
যারা ইন্ডিয়া ঘুরতে বা চিকিৎসার জন্য যেতে চান তারা সাধারনত ট্রেনে করেই বেশি সংখ্যক লোক যেতে ইচ্ছুক আর সেটা কলকাতার হাওড়া স্টেশন থেকেই বাংলাদেশের ৮০% লোক যাতায়াত করে বিভিন্ন গন্তব্যের দিকে যেমন হাওড়া টু চেন্নাই, হাওড়া টু দিল্লি, হাওড়া টু আগ্রা, হাওড়া টু গোয়া ইত্যাদি। আসুন জেনে নেই কিভাবে যাবেন এবং ট্রেনের বিস্তারিত আপডেট তথ্য।
ইন্ডিয়ার প্রধান যাতায়াত ব্যবস্থা হচ্ছে ট্রেন। এই ট্রেন দিয়েই ১২৫ কোটি লোকের দেশে বিভিন্ন রাজ্যে যাতায়াত করে। আর তাই ট্রেনের টিকিট নিয়ে চরম বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। আসুন জেনে নেই কোন ট্রেন কখন ছাড়ে, কখন পৌঁছায়, ভাড়া কত ইত্যাদি।
# ট্রেনের গন্তব্য, সময় ও ভাড়া :
কলকাতার হাওড়া এবং শিয়ালদহ স্টেশন থেকে প্রতিদিন ৬০০ এর উপর ট্রেন যাওয়া আসা করে বিভিন্ন রাজ্যের দিকে
যেমন:
১। হাওড়া টু চেন্নাই
২। হাওড়া টু বেংগালুর
৩। হাওড়া টু দিল্লি
৪। হাওড়া টু মুম্বাই
৫। হাওড়া টু নিউ জলপাইগুড়ি (দার্জিলিং)
৬। হাওড়া টু গোয়া
৭। হাওড়া টু আগ্রার তাজমহল
৮। হাওড়া টু শীমলা/মানালি
৯। হাওড়া টু আজমির শরিফ ( রাজস্থান )
১০। হাওড়া টু কাশ্মির
এবং আরো অনেক স্থানে যাওয়া আসা করে। মুলত ইন্ডিয়ানরা এক যায়গা থেকে আর এক যায়গা যেতে ট্রেন ব্যবহার করে থাকে। কারণ ট্রেনের যাতায়াত ব্যবস্থা খুব ভালো এবং ভাড়াও তুলনামূলক কম।
** একটা ট্রেনের সিটের ধরণ :
১। AC ( 1A ) মানে 1 tier
2। AC ( 2A ) 2 tier
৩। AC (3A ) 3 tier
৪। Sleeper
দুরপাল্লা যাওয়ার জন্য একটা ট্রেনের অনেক গুলি বড় বগি থাকে যেমন ২০/২২ টা বগি বা আরো বেশি। আর প্রতিটি ট্রেনের কিছু এসি বগি থাকে যেখানে প্রতি বগিতে ৮ টা করে রুম থাকে। প্রতি রুমে ৮ করে সিট থাকে যদি সিটের ধরণ 3A হয়ে থাকে। 3A তে তিনটি বগি যেমন বগি B1, B2, B3 আর প্রতিটি সিটে আপনি বসে, শুয়ে আরাম করে যেতে পারবেন যেহেতু লং জার্নি তাই ট্রেনের সিটের ব্যবস্থাও খুব সুন্দর। প্রতিটি সিটের সাথে বালিশ, চাদর থাকে যাতে ঘুমানোর সময় ব্যবহার করতে পারেন।
এখানে উপর নিচ করে ৩ টা করে মোট ৬ টা সিট এবং পাশে উপর নিচ করে ২ টা মোট ৮ টি সিট থাকে। আর চলাচলের জন্য ২ ফুটের মত ফাকা জায়গা থাকে। মানে ওই রুমে ওই ৮ জনের বেশি থাকতে পারবে না। প্রতিজনের আলাদা আলাদা সিট। এসি সিটের ভাড়া বেশি হয়ে থাকে।
আর যদি সিটের ধরণ 2A হয় তাহলে প্রতি রুমে ৪ টা করে সিট থাকে আর এক রুম থেকে আর এক রুম দেখা যায় না কারণ পরদা দিয়ে ঢাকা থাকে। সিট থাকে উপর ও নিচ সিস্টেমে অর্থাৎ উপরে পাশাপাশি দুইটা এবং নিচে পাশাপাশি দুইটা মাঝখানে ২ ফুটের মতো ফাকা থাকে নিজেদের চলাচলের জন্য।
আর সিটের ধরণ 1A হচ্ছে একদম প্রথম শ্রেণী। চরম ভি আই পি সিস্টেম। একবার গেলেই বুঝবেন, ট্রেনেও এতো VIP ব্যবস্থা থাকতে পারে।
আপনার মোবাইল বা ল্যাপ্টপে চারজ ও দিতে পারবেন। প্রতি রুমে সেই ব্যবস্থা করা থাকে তবে থ্রি প্লাগ নিয়ে গেলে আপনার জন্য বেটার বা মাল্টিপ্লাগ।
আর নন এসি যে বগি গুলো সেগুলোকে স্লিপার( Sleeper) বলা হয়ে থাকে মানে S1, S2, S3, S4 বগি নামে পরিচিত। এই বগির যে সিট তাতেও আপনি শুয়ে, বসে, আরামে যেতে পারবেন কিন্তু এসি নেই। আর আপনার ব্যাগ বা লাগেজ আপনার ওই রুমের সিটের নিচে রাখবেন। কোন সমস্যা তেমন হয়না, তারপর ও সাবধান রাখবেন। স্লিপারের সিটের ভাড়া কম।
** টিকিটের দাম:
এক এক রুটের ভাড়া এক এক রকম হয়ে থাকে এখানে আমরা হাওড়া টু চেন্নাই ও অন্যান্য রাজ্যে যাওয়ার ভাড়া নিয়ে বিস্তারিত লিখছি ( ১৮/০৩/২০১৭ ইং তারিখ পর্যন্ত আপডেট তথ্য)। সাধারনত এই ভাড়াই ফিক্সড থাকে তবে ২ বছর অন্তর অন্তর সামান্য ভাড়া বাড়ে তবে এই ভাড়া ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত থাকবে নিশ্চিত।
১। AC (1A) ---- ৪৩৫০ রুপির মত প্রতি টিকিট তবে সেটা General প্রাইস ক্যাটাগরিতে মানে আপনি তিন সপ্তাহ বা ৩০ দিন পরে যাবেন কিন্তু আজ টিকিট কেটে রাখতে চাচ্ছেন সেক্ষেত্রে এই প্রাইস।
আর একটা ক্যাটাগরি আছে সেটা হলো Tatkal ক্যাটাগরি। এই ক্যাটাগরিতে টিকিট ম্যাক্সিমাম সময় পাওয়া ইজি। Tatkal ক্যাটাগরি মানে হচ্ছে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেতে চান সেক্ষেত্রে একদিন আগেই কাটা সম্ভব তবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই যেতে হবে।
Tatkal ক্যাটাগরিতে টিকিটের দাম একটু বেশি হয়ে থাকে। ৩০০/ ৪০০ রুপি এক্সট্রা আ্যড হবে যেহেতু ইমারজেন্সি। আর বাংলাদেশের ৯০% মানুষ এই সিস্টেমে টিকিট পেয়ে থাকে।
২। AC (2A) -- ২৫৪০ রুপি করে প্রতি টিকিট।
৩। AC (3A) -- ১৭৪৫ রুপি করে
৪। AC (Slepper) -- ৬৬৫ রুপি করে
কিন্তু Tatkal এ কাটলে একটু বেশি নিবে। তবে বাংলাদেশ থেকে যারা ইন্ডিয়া যায় তারা ততকালেই বেশি টিকিট পেয়ে থাকে। এটা হচ্ছে ইমারজেন্সি সিস্টেম।
# # আসুন কিছু ট্রেনের সময় ও ভাড়া তুলে ধরি:
------------------------------------------------------------------
আপনি যেহেতু নতুন তাই কিছুই জানার তেমন কথা না। টিকিট হলেই হলো সে আপনি স্লিপারে বা এসি যাতে যেতে চান। তারপর ও জেনে রাখা ভালো:
১। গন্তব্য Howra station to Chennai:
ট্রেনের নাম : কলকাতা চেন্নাই মেইল
ছাড়ার সময়: রাত ১১:৪৫ মিনিট বাজার সাথে সাথে ইঞ্জিন চালু হবে আর সাথে সাথে ট্রেন ও চালু হয়ে যাবে। কোন দেরি হবে না যদিনা প্রাকৃতিক সমস্যা না হয়ে থাকে।
পৌছাবে: ২৮ ঘণ্টা ৫ মিনিটে।
( রাত ৩:৫০ মিনিটে )
ভাড়ার তালিকা:
এসি (1A) = ৪৩৬৫ রুপি
এসি ( 2A)= ২৫৪০ রুপি (Tatkal = ৩০৬৫ rupee)
এসি (3A) = ১৭৪৫ রুপি (Tatkal price = ২১০৫ rupee)
স্লিপার = ৬৬৫ রুপি (Tatkal price = ৮৪৫ rupee)
# ট্রেনের নাম: Coromondal express
ছাড়ার টাইম: দুপুর ২:৩০ মিনিটে
পৌছাবে = ২৬ ঘণ্টা ৫ মিনিটে
টিকিটের দাম: ৯৮% একই
এরকম আরো ৩/৪ টা ট্রেন ছেড়ে যায় প্রতিদিন শুধু চেন্নাইতে। তারমানে প্রতিদিন হাওড়া থেকে চেন্নাইতে ৫/৬ টা ট্রেন যাওয়া আসা করে।
.......................................................
২। গন্তব্য Howra station to Shimla
ট্রেনের নাম : Kalka Mail
ছাড়ার সময়: রাত 7: 40 মিনিট বাজার সাথে সাথে ইঞ্জিন চালু হবে আর সাথে সাথে ট্রেন ও চালু হয়ে যাবে। প্রাকৃতিক সমস্যা ছাড়া দেরি করে না।
পৌছাবে: ৩২ ঘণ্টা মিনিটে।
( রাত ৪:৩০ মিনিটে )
ভাড়ার তালিকা:
এসি (1A) = 4500 রুপি
এসি ( 2A)= ২615 রুপি (Tatkal = 3010 rupee)
এসি (3A) = 1795 রুপি (Tatkal price = 2210 rupee)
স্লিপার = 680 রুপি (Tatkal price = 870 rupee)
..................................................
৩। গন্তব্য Sealdah station to Delhi
ট্রেনের নাম :শিয়ালদাহ রাজধানি এক্সপ্রেস
ছাড়ার সময়: বিকেল ৪:৫০ মিনিট
পৌছাবে: ১৭ ঘণ্টা ৩৫ মিনিটে।
( সকাল ১০:২৫মিনিটে )
ভাড়ার তালিকা:
এসি (1A) = ৪৮৭৫ রুপি
এসি ( 2A)= ৪১৮৫ রুপি (Tatkal = ৪৩৫০ rupee)
এসি (3A) = ২৮০৫ রুপি (Tatkal = ২৯৮০ rupee)
স্লিপার = ৭৩০ রুপি (Tatkal = ৯৩০ rupee)
.............................................
৪। গন্তব্য Sealdah JN to Agra fort ( তাজমহল )
ট্রেনের নাম: Sealdah Ajmer express
ছাড়ার সময়: রাত ১১:০৫ মিনিটে
পৌঁছাবে: সন্ধ্যা ৬:৩৫ মিনিটে
ভাড়ার তালিকা:
এসি (1A) = ৪১৫০ রুপি
এসি ( 2A)= ২১৪০ রুপি (Tatkal = ২৫৫০ rupee)
এসি (3A) = ১৪৮০ রুপি (Tatkal = ১৯০০ rupee)
স্লিপার = ৫৬৫ রুপি (Tatkal = ৭১৫ rupee)
............................................
৫। গন্তব্য Howra JN to Vellore ( Katpadi )
ট্রেনের নাম: Kolkata Mysore express
ছাড়ার সময়:বিকেল ৪:১০ মিনিটে
পৌঁছাবে: রাত ১:৫৫ মিনিটে
মোট সময় লাগবে: ২৮ ঘণ্টা
নামতে হবে: Katpadi ( কাটপাডি স্টেশন ) তারপর একটা অটো নিয়ে Vellore CMC Hospital, সময় লাগবে ৩৫/৪৫ মিনিটস।
ভাড়ার তালিকা:
এসি (1A) = ৪৩৫০ রুপি
এসি ( 2A)= ২৫৯০ রুপি (Tatkal = ২৯৮৫ rupee)
এসি (3A) = ১৭৭৫ রুপি (Tatkal = ২১৩৫ rupee)
স্লিপার = ৬৭৫ রুপি (Tatkal = ৮৬৫ rupee)
----------------------------------------------------
৬। গন্তব্য Sealdah to New Jalpaiguri (Darjeling)
ট্রেনের নাম: Sotabdi express
ছাড়ার সময়: দুপুর ২:১৫ মিনিটে
পৌছাবে: রাত ১০:২৫ মিনিটে
সময় লাগবে: ৮ ঘণ্টা ১৫ মিনিট
ভাড়ার তালিকা:
এসি (1A) = ২১৮৫ রুপি
CC = ১৫২৫ রুপি
ট্রেনের নাম: Kachankannya (কাঞ্চনকন্যা)
ছাড়ার সময়: রাত ৮ টা ৩০ মিনিটে
পৌঁছাবে: সকাল ৭:৩০ মিনিটে
সময় লাগবে: ১১ ঘণ্টার মত
ভাড়ার তালিকা:
এসি (2A) = ১২৩০ রুপি (তৎকাল ১৬৫০ রুপি )
এসি (3A) = ৮৬০ রুপি (তৎকাল ১১৭০ রুপি )
স্লিপার = ৩১৫ রুপি (তৎকাল ৪১৫ রুপি )
ট্রেনের নাম: Kachanjanga express ( কাঞ্চনজংগা)
ছাড়ার সময়: সকাল ৬ টা ৩৫ মিনিটে
পৌঁছাবে: সকাল ৭:২৫ মিনিটে
সময় লাগবে: ১২ ঘণ্টা ৫০ মিনিট
ভাড়ার তালিকা:
এসি (2A) = ১২৩০ রুপি (তৎকাল ১৬৫০ রুপি )
এসি (3A) = ৮৬০ রুপি (তৎকাল ১১৭০ রুপি )
স্লিপার = ৩১৫ রুপি (তৎকাল ৪১৫ রুপি )
................................................
৭। গন্তব্য Dhaka to Kolkata
ট্রেনের নাম: Maitree express
ছাড়ার সময়: সকাল ৮:১০ মিনিটে
পৌঁছাবে: সন্ধ্যা ৭:১০ মিনিটে
সময় লাগবে = ১১ ঘণ্টার মতো
কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে ছাড়বে সঠিক সময়ে।
ভাড়ার তালিকা:
চেয়ার = ৬৬০ টাকা
এসি চেয়ার = ১১৩৩ টাকা
----------------------------------------------------------
৮। গন্তব্য Howra to Bangalore station
ট্রেনের নাম: Kolkata Bangalore AC express
ছাড়ার সময়: সকাল ১০:৫৫ মিনিটে
পৌঁছাবে: বিকেল ৪ টায়
সময় লাগবে: ২৯ ঘণ্টা ৫ মিনিট
ভাড়ার তালিকা:
এসি 1A: ৪৮৯৫ রুপি
এসি 2A: ২৮৪০ রুপি
এসি 3A : ১৯৪৫ রুপি ( Tatkal: ২৩৬০ রুপি )
ট্রেনের নাম: Kolkata Bangalore express
ছাড়ার সময়: রাত ৮:৩৫ মিনিটে
পৌঁছাবে: সকাল ৭ টা ১৫ মিনিটে
সময় লাগবে: ৩৪ ঘণ্টা ৪০ মিনিট
ভাড়ার তালিকা:
স্লিপার: ৭৩০ রুপি (তৎকাল ৯৩০ রুপি )
এসি 2A: ২৮১৫ রুপি (তৎকাল ৩৩৩০ রুপি )
এসি 3A : ১৯২৫ রুপি ( Tatkal: ২৩৪০ রুপি )
...................................
৯। গন্তব্য Howra JN to Mumbai
ট্রেনের নাম: Gitanjali express
ছাড়ার সময়: দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে
পৌঁছাবে: রাত ৯ টা ২০ মিনিটে
সময় লাগবে: ৩১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট
ভাড়ার তালিকা:
স্লিপার: ৭২৫ রুপি (তৎকাল ৯২৫ রুপি )
এসি 2A: ২৭৯০ রুপি (তৎকাল ৩২০০ রুপি )
এসি 3A : ১৯১০ রুপি ( Tatkal: ২৩২৫ রুপি )
ট্রেনের নাম: Kolkata Mumbai Mail
ছাড়ার সময়: রাত ৮ টা ১৫ মিনিটে
পৌঁছাবে: ভোর ৫ টা ২০ মিনিটে
সময় লাগবে: ৩৩ ঘণ্টা ৫ মিনিট
ভাড়ার তালিকা:
স্লিপার: ৭২৫ রুপি (তৎকাল ৯২৫ রুপি )
এসি 2A: ২৭৯০ রুপি (তৎকাল ৩২০০ রুপি )
এসি 3A : ১৯১০ রুপি ( Tatkal: ২৩২৫ রুপি )
এসি 1A : ৪৮৫০ রুপি
........................................
১০। গন্তব্য Howra JN to Goa Beach
ট্রেনের নাম: Amravathi express
ছাড়ার সময়: রাত ১১টা ৩০ মিনিটে
পৌঁছাবে: বিকেল ৩ টা ৫ মিনিটে
সময় লাগবে: ৪০ ঘণ্টা ৩০ মিনিট
ভাড়ার তালিকা:
স্লিপার: ৭৪০ রুপি (তৎকাল ৯৪০ রুপি )
এসি 2A: ২৯১৫ রুপি (তৎকাল ৩৪৩০ রুপি )
এসি 3A : ১৯৭০ রুপি ( Tatkal: ২৩৯০ রুপি )
১১। গন্তব্য Chennai central to Agra (তাজমহল)
ট্রেনের নাম: Nizamuddin Garib Rath
ছাড়ার সময়: ভোর ৬ টা ১০ মিনিটে
পৌঁছাবে: সকাল ৭ টা ৫৫ মিনিটে
সময় লাগবে: ২৫ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট
ভাড়ার তালিকা:
3A (এসি): ১২৬৫ রুপি (Tatkal: ১৪২৫ রুপি)
যদি General এ পাওয়া যায় তাহলে প্রতি টিকিটের এই প্রাইস কিন্তু না পাওয়া গেলে Tatkal এ কিনতে হবে সেক্ষেত্রে টিকিটের ধরণ অনুযায়ী কিছু বেশি হবে যা পাশেই দিয়ে দিয়েছি। এটা ইন্ডিয়ার রেলওয়ে রুলস। টিকিটে সরাসরি দাম শো করবে।
বাংলাদেশ থেকে যখন কেউ ট্রেনের টিকিট কাটতে চান তখন ই ঝামেলা টা শুরু হয়ে থাকে কারণ ১২৫ কোটি লোকের দেশে টিকিট পাওয়া খুব কঠিন আর তাই আপনাকে প্রতি টিকিটের জন্য ৫০০/৭০০ টাকা বেশি দিতে হয়। কারণ এজেন্ট ছাড়া টিকিট পাওয়া খুব কঠিন আর যদি নিজের মাস্টার কার্ড থাকে তাহলে সম্ভব তাও অনেক প্যারা।
উপরের গুলো দূর পাল্লার ট্রেনের সিটের ধরণ যেমন হাওড়া টু দিল্লি, হাওড়া টু চেন্নাই ইত্যাদি।
দূর পাল্লার ট্রেন গুলো সাধারনত সন্ধ্যায় ও রাতে ছেড়ে যায়। কিছু ট্রেন দুপুরে ছাড়ে তবে তার পরিমান খুব ই কম।
ট্রেন বা টিকিট সম্পর্কে কিছু জিজ্ঞাসা বা জানার থাকলে কমেন্টস বা মেসেস করে জানাতে পারেন, সঠিক তথ্য দেওয়ার চেস্টা করবো। আর আমরা আপনার ঘরে টিকিট পৌঁছে দিব অথবা ইমেইলে পাঠিয়ে দিব।
আর টিকিট নিশ্চিত করতে মিনিমাম ৫ দিন আগে আপনাকে অগ্রীম টাকা দিতে হবে। আপনার টাকা দেওয়ার পর আপনার মোবাইল নং, টাকার পরিমাণ এবং ট্রাঞ্জাকশন নম্বর আমাদের মেসেস করে পাঠিয়ে দিবেন। আপনি আপনার টিকিট যথা সময়ে পেয়ে যাবেন।
# আপডেট তথ্য ০৫/০৪/১৭ পর্যন্ত
29/03/2017
সুযোগের দেশ কানাডা এবং বাস্তবতা
কানাডা পৃথিবীর অন্যতম শান্তিপ্রিয়, ধনী ও বিরাট দেশ। তবে এ কথাও সত্য যে এখানে এমন বাস্তবতা আছে যা আপনি এখানে আসার আগে কল্পনাও করতে পারবেন না। সব জেনে এর মুখোমুখি হলে কষ্ট কম এবং তুলনামূলকভাবে দ্রুত পেশাগত উন্নতি হবে।
দুঃখজনক হলেও সত্য, আমরা কানাডায় যারা থাকি তারা অধিকাংশ সময় এ ব্যাপারে দেশের লোকদের সঠিক তথ্য দিতে ব্যর্থ হই। অবশ্য এর অনেক কারণও থাকতে পারে। যেমন কেউ যদি তাঁর আত্মীয়স্বজন বা কাছের লোকদের এই বাস্তবতার কথা বলেন তাহলে তারা ধরে নিতে পারে যে তিনি তাদের কানাডায় আসার ব্যাপারে নিরুৎসাহী করছেন। আবার হয়তো আমরা আমাদের সঠিক অবস্থাটি বলতে হীনমণ্যতায় ভুগি।
ফলে আমাদের দেশের অনেক ভাইবোন কানাডায় এসে বাস্তবতার সম্মুখীন হয়ে একটি কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়েন। না পারেন দেশে ফিরে যেতে আবার না পারেন এটা সহ্য করতে। তাঁর জীবনটা হয় বিষাদময় আর তিনি নিজের মনেই নিজে বলতে থাকেন, আগে যদি জানতাম।
এটা জানানোর জন্যই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। নানা ভাবে মানুষ কানাডাতে অভিবাসী হন। অনেকে ভ্রমণ ভিসায় বা কেউ কেউ ছাত্র হিসেবে এসে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেন। এতে কেউ সফল হন এবং কেউ হন না। আবার অনেকে কোনো সংগঠনের Sponsored রিফিউজি হিসেবেও আসেন বা জাতিসংঘের রিফিউজি কোটাতেও আসতে পারেন। এ ক্ষেত্রে তাঁদের শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ্যতা না থাকলেও চলে। বিজনেস বা ইনভেস্টর ক্যাটাগরিতেও অনেকে আসেন।
আমার এ লেখার মূল উদ্দেশ্য স্কিলড ইমিগ্রান্ট ক্যাটাগরি নিয়ে। এ ক্যাটাগরিতে উচ্চশিক্ষা থাকতে হবে। শিক্ষা অনুযায়ী পেশাগত অভিজ্ঞতা এবং ইংরেজি ভাষার দক্ষতাও থাকতে হবে।
যাঁরা স্বল্পশিক্ষিত, অপেশাদার এবং কোনোভাবেই দেশে কিছু করতে পারছেন না তাঁরা কানাডায় আসলে এখানকার আশাতীত বাস্তবতা তাঁর জন্য তেমন সমস্যার হবে না, বরং তিনি ভালোই করবেন। কিন্তু উচ্চশিক্ষিত ও পেশাদার যাঁরা তাঁদের বলছি, ভালোভাবে খোঁজখবর নিয়ে এবং ইংরেজি ভাষায় নিজেকে প্রফেশনাল লেবেলে এনে তারপর এখানে পাড়ি দেওয়ার চিন্তাভাবনা করবেন।
বাংলাদেশ থেকে উচ্চশিক্ষা ও বড় পদে চাকরির অভিজ্ঞতা নিয়ে আপনি চাইবেন না এখানে এসে আপনার বাকিটা জীবনটা খারাপভাবে কাটুক। যেমন রেস্টুরেন্টের কর্মী হিসেবে, রাস্তায় চা-কফি বিক্রি, দোকানে কাজ করে, পিজ্জা ডেলিভারি দিয়ে বা ট্যাক্সি চালিয়ে।
দুঃখজনক হলেও অনেক উচ্চশিক্ষিত ও পেশাদার ইমিগ্রান্ট এখানে এগুলি করছেন। কারণ তাদের দেশে যাওয়ার এবং ফিরে গিয়ে আবার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই বা ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সমস্ত বাস্তবতা সহ্য করে দিন পার করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যাংকের কর্মকর্তা থেকে শুরু করে অনেক চিকিৎসক ও প্রকৌশলীকে দেখা যায় এখানে এ ধরনের কাজ করতে।
তবে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। কারণ এখানে জীবন সুন্দর এবং স্বাচ্ছন্দের হবে যদি একটি প্রফেশনাল চাকরি পান। কিন্তু সে ক্ষেত্রে আপনাকে কিছু জিনিস নতুন করে শুরু করার শক্ত উদ্যোগ থাকতে হবে। দেশ থেকে এসে দুই-এক মাসের মধ্যেই একটি প্রফেশনাল চাকরি পাওয়ার সুযোগ শতকরা দুই-তিন ভাগের ক্ষেত্রে। নিজের দক্ষতা বা যোগ্যতার ব্যাপারে আস্থা থাকলেই আপনি এই সুযোগের আশায় দেশ ত্যাগ করতে পারেন।
TOEFL, IELTS, ইংরেজিতে বেশি মার্কস এবং ইংরেজিতে ভালো কথা বলার যোগ্যতা এখানকার প্রফেশনাল কাজের জন্য যথেষ্ট নয়। তাই আপনাকে এখানে এসে নিজেকে সেভাবে প্রস্তুত করতে হবে। আপনার একটি প্রফেশনাল ডিগ্রি থাকলেও আপনাকে ছোটখাট কিছু করতে হবে কারণ আমাদের দেশের এবং এখানকার অনেক ব্যবস্থা আলাদা ধরনের। কত সময় বা কি পরিমাণ পরিশ্রম ব্যয় করতে হবে সেটা সম্পূর্ণ আপনার ওপর নির্ভর করবে। এটা যদি করতে পারেন তাহলে আপনি এখানে একটি প্রফেশনাল চাকরি পেতে পারেন। যদি একটি প্রফেশনাল চাকরি যদি পান তাহলে আপনার বাকি জীবন তুলনামূলকভাবে নিরাপদে, নির্ভয়ে এবং ভালোভাবে কাটাতে পারবেন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে মটিভেটেড, পজিটিভ, কমিটেড এবং কনফিডেন্ট মানুষের জন্য এখানে মানিয়ে নেওয়া এবং ক্যারিয়ার ডেভলপ করা অনেক সহজ।
বদিউজ্জামান মুকুল
টরেন্টো, কানাডা
Source: Prothom-alo
27/03/2017
সরাসরি টুরিস্ট ভিসার নিয়ম শিথিল করল ভারত
টুরিস্ট ভিসার আবেদনকারীরা ভারতে যাওয়ার নিশ্চিত বিমান টিকিটসহ সরাসরি সাক্ষাৎ করতে এবং ভারত ভ্রমণের তারিখের তিন মাস আগে ভিসার আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন। বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারতীয় ভিসা প্রাপ্তি সহজতর ও সাধারণ করার চলমান প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তা করা হয়েছে।
আগামী ১ এপ্রিল থেকে রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, চট্টগ্রাম, খুলনা, যশোর, ময়মনসিংহ, বরিশাল এবং ঢাকার মিরপুরের আইভিএসিসহ নয়টি ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রগুলোতে (আইভিএসি) এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। আজ সোমবার ভারতীয় হাইকমিশনে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে আবেদনকারীরা সরাসরি সাক্ষাৎ করতে এবং ভারত ভ্রমণের তারিখ থেকে এক মাস আগে আবেদনপত্র জমা দিতে পারেন। সরাসরি টুরিস্ট ভিসা স্কিমটি ২০১৬ সালের অক্টোবরে ঢাকায় নারী ভ্রমণকারী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রথম চালু করা হয়, যা পরবর্তীকালে সব আবেদনকারীর জন্য ও ঢাকার বাইরের সব আইভিএসিতে সম্প্রসারিত করা হয়। এই স্কিমের আওতায়, আবেদনকারী নিশ্চিত টিকিটসহ (বিমান, ট্রেন ও অনুমোদিত বাস সার্ভিস) সরাসরি সাক্ষাৎ করতে পারবেন এবং তাঁদের নিজেদের জন্য ও পরিবারের সদস্যদের জন্য নয়টি আইভিএসিতে কোনো পূর্বনির্ধারিত অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট তারিখ ছাড়াই টুরিস্ট ভিসার আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন। মিরপুরের আইভিএসিটি শনিবার শুধু নারী আবেদনকারীদের জন্য খোলা থাকে।
16/07/2016
ই-টোকেন ছাড়াই মিলবে ভারতীয় ভিসা
ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাস তাদের ভিসা প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন এনেছে। নতুন নিয়মে আজ থেকে টুরিস্ট ভিসার আবেদনকারীদের সাক্ষাতের তারিখ একবার ব্যবহার যোগ্য একটি পাসওয়ার্ড মোবাইল ফোনে এসএমএস করবে ভারতীয় দূতাবাস।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশন জানাচ্ছে, এসএমএসটি দেখিয়ে আবেদনকারীদের ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র আইভিএসিতে ঢুকতে হবে এবং আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।
এছাড়া আবেদনকারীদের নিজের মোবাইল নম্বরসহ অন-লাইন সাক্ষাতের জন্য আবেদন করতে হবে।
তবে, ৫ই জুন পর্যন্ত যেসব আবেদনকারী বর্তমান ব্যবস্থায় সাক্ষাতের জন্য তারিখ পেয়েছেন, তাদের জন্য নতুন নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে না।
এছাড়া সাক্ষাতের তারিখ বা ই-টোকেন ছাড়া ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন গ্রহণের জন্য বিশেষ ঈদ ক্যাম্পের আয়োজন করেছে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন, যা জুনের চার তারিখ থেকে শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে। যেসব আবেদনকারীর সাক্ষাতের তারিখ আছে তারা ঢাকার গুলশান, ধানমণ্ডি, উত্তরা ও মতিঝিল এবং ঢাকার বাইরে বরিশাল, ময়মনসিংহ ও খুলনায় আইভিএসি কেন্দ্রে ভিসা আবেদন জমা দিতে পারবেন। মেডিক্যাল, বিজনেস ও অন্যান্য ভিসা বিভাগের আবেদনপত্র সংশ্লিষ্ট আইভিএসি কেন্দ্রগুলোতে গ্রহণ করা হবে।
সাক্ষাতের তারিখ নির্ধারণের জন্য দূতাবাসের এখনকার যে পদ্ধতি কার্যকর রয়েছে তা নিয়ে বাংলাদেশে বিস্তর বিতর্ক রয়েছে।
ভিসা প্রার্থীদের অভিযোগ অর্থ লেনদেন ছাড়া বাংলাদেশের কোন ভিসা প্রার্থীই ভারতীয় দূতাবাসে সাক্ষাতের তারিখ নিতে পারেন না।
ভিসা পেতে অর্থের বিনিময়ে ই-টোকেন পাবার বিষয়টি ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাসের নজরে আনা হলে, এ মাসের শুরুতে দূতাবাসের তরফ থেকে লিখিতভাবে বিবিসি বাংলাকে জানানো হয়েছে যে ভিসার জন্য তাদের কোন এজেন্ট নেই।
ভারতের ভিসা পাওয়ার জটিলতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে সম্প্রতি যারা আন্দোলন করেছিলেন, তাদের আশা নতুন ব্যবস্থায় ভিসা পাওয়ার জটিলতা কিছুটা হলেও কমবে।
হেল্পলাইন নাম্বারঃ ০৯৬১২ ৩৩৩৬৬৬ এবং ০৯৬১৪ ৩৩৩৬৬৬
ইন্ডিয়ান হাই কমিশনের ফেইসবুক লিঙ্কঃhttps://www.facebook.com/IndiaInBangladesh
আবেদনপত্র জমা দেওয়ার আগে আগ্রহীরা নির্দেশাবলি পাবেন এই লিঙ্কে-http://www.hcidhaka.gov.in/
ভিসা আবেদনের জন্য এই লিংকটি ক্লিক করুনঃhttp://indianvisa-bangladesh.nic.in/visa/index.html অথবা http://indianvisa-bangladesh.nic.in/visa/info1.jsp
Welcome to High Commission of India, Bangladesh
High Commissioner Mr. Harsh Vardhan Shringla called on H.E. Mr. Md. Abdul Hamid, Hon'ble President of the Peoples Republic of Bangladesh in Dhaka.
30/05/2016
ভারতীয় ভ্রমন ভিসার নতুন নিয়ম
ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাস তাদের ভিসা প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন এনেছে। নতুন নিয়মে আজ থেকে টুরিস্ট ভিসার আবেদনকারীদের সাক্ষাতের তারিখ একবার ব্যবহার যোগ্য একটি পাসওয়ার্ড মোবাইল ফোনে এসএমএস করবে ভারতীয় দূতাবাস।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশন জানাচ্ছে, এসএমএসটি দেখিয়ে আবেদনকারীদের ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র আইভিএসিতে ঢুকতে হবে এবং আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।
03/03/2016
Canada Introducing PR to Spouse of Canadian Citizen
সুসংবাদ !!!
কানাডিয়ান সরকার স্পাউস ভিসার ক্ষেত্রে ব্যাপক চেঞ্জ আনছে যা আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই কার্যকর হবে।
নূতন নিয়মের আওতায় কেউ কানাডিয়ান সিটিজেনকে বিয়ে করলে তার স্পউস হিসবে সরাসরি PR এর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
বর্তমানের প্রচলিত নিয়ম হল কানাডিয়ান নাগরিককে বিয়ে করলে প্রথম পর্যায়ে ২ বছরের স্পাউস ভিসা দেয়া হয়, এই ২ বছর অতিবাহিত হওয়ার পর PR এর জন্যে অ্যাপ্লাই করা যায়।
16/11/2015
Study in USA
Pay your Admission Fee, SEVIS Fee and Tuition Fee at a lowest cost. For more information please contact to : +8801842499494
05/11/2015
Study at Wichita State University in USA with a Minimum package of 1 Lac taka.
For more information please call : +8801842499494
03/11/2015
Certificate of Representation from American University of St. Vincent.