শিক্ষক সবচেয়ে সহজ নিশানা
১৩/০৫/২০২৬
শিক্ষক এখন সবচেয়ে সহজ নিশানা,
সব দোষ যেন তারই ঠিকানা।
শ্রদ্ধার সেই পুরোনো দিন
হারিয়ে গেছে কালের ঋণ।
একটু শাসন? অভিযোগ আসে।
একটু কঠিন? চোখ রাঙায় পাশে।
অভিভাবকের রাগের আগুন
জ্বলে ওঠে মুহূর্তে দ্বিগুণ।
কেউ কি দেখে ভোরের আগে
কত শিক্ষক জেগে থাকে?
খাতার ভাঁজে লুকিয়ে রেখে
নিজের কষ্ট নীরব থেকে।
নিজের সন্তানের ছোট্ট মুখ
সময় চায়, চায় একটু সুখ,
তবুও তারা অন্য ঘরে
স্বপ্ন বোনেন আদর ভরে।
যে মানুষটি “অ আ ক খ”
শিখিয়েছিল হাতে রেখে,
আজ সে মানুষ অপমান নিয়ে
বেঁচে থাকে কষ্ট বুকে।
ডাক্তার, বিচারক, জ্ঞানী যত,
সবাই ছিল ছাত্র তত।
একজন শিক্ষক আলোয় ঘিরে
মানুষ করেন ধীরে ধীরে।
সমাজ শুধু ফলটাই দেখে,
শেকড়টার খবর কে বা রাখে?
শিক্ষক যদি ভেঙে যান,
অন্ধকারে ডুববে প্রাণ।
তবুও শিক্ষক থামেন না,
ক্লান্ত চোখে হারেন না।
কারণ তারা জানেন ভালো
একটি প্রদীপ নিভলে কালো।
শিক্ষক মানে চাকরি শুধু নয়,
গোটা একটি জাতির হৃদয়।
সম্মান দাও, ভালোবাসো
সুন্দর সমাজ গড়তে এসো।
শিক্ষক যেদিন পাবে সম্মান
জাতি পাবে সুউচ্চ মাকাম!
NTRCA, DPE, BCS with all exam's Suggestion
People are for people. So let's help each other. So this effort is for the benefit of the unemployed.
19/04/2026
মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী,
আপনাকে যখন প্রথম দিন লাফাইয়া দৌড়াইয়া মিটিংয়ে জয়েন করতে দেখেছি তখন আমি খুব আশা বোধ করেছিলাম যে এবার বোধহয় শিক্ষা ক্ষেত্রে ইতিবাচক কোন বিশাল পরিবর্তন আসবে। কিন্তু পরবর্তীতে শিক্ষকদের সাথে মিটিংয়ে আপনাকে বসতে দেখে শিক্ষকদেরকে যেভাবে আপনি একের পর এক কাউন্টার অ্যাটাক করে কথা বলছিলেন, তা দেখে আমি যার পর নাই হতাশ হয়েছি। সেদিন আপনি এতটাই আক্রমনাত্মক ভঙ্গিতে শিক্ষকদের সাথে কথা বলছিলেন আপনি শিক্ষকদের কথা শুনতে চাইছিলেন না বারবার একই প্রশ্ন করছিলেন আপনারা আমাকে কি দিবেন? আপনারা আমাকে কি দিবেন? আপনারা জাতিকে কি দিবেন?
আমি আপনার কথার ভঙ্গিতে প্রথমে ভেবেছিলাম আমাদের মাননীয় শিক্ষকগণ খুব সম্ভবত কথা বলা শিখে নাই, যার কারণে আপনার এই জবাবটা দিতে পারে নাই। কিন্তু এখন আমি বুঝি এইরকম ভাবে ১০০টা ক্যামেরার সামনে থাকলে আর একজন মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী যদি সামনে প্রশ্ন করে তখন গুছিয়ে চট করে মনের কথা বলাটা অনেক বড় আত্মার ব্যাপার।
চাইলেই আমরা সব সময় যা বলতে চাই সাথে সাথে তা বলা যায় না। একের পর এক ফেসবুকের পোস্টগুলো দেখি আর আপনার চিন্তাভাবনা দেখে অবাক হয়ে যাই মনে হয় এখন আমরা শিক্ষকরা বোধহয় বড় মাপের চোর অথবা আমরা শিক্ষকরা অশিক্ষিত মূর্খ এবং লোভী। ছাত্রদের নকল করানোর জন্য আমরা সবাই নিয়োজিত থাকি, আপনার চিন্তাভাবনায় এরকমই মনে হচ্ছে। আর মনে হচ্ছে এই দেশের সমস্ত ছাত্ররা সদাই নকল করায় ব্যস্ত।
অথচ আপনারা কি খেয়াল করে দেখেছেন, এই দেশের ভালো ছাত্র যারা, যারা কখনো নকল করে না, যারা প্রথম এবং দ্বিতীয় হয়, তারা সবাই হয় ডাক্তার, প্রকৌশলী এবং সরকারি বড় অফিসার, সচিব; প্রতিনিয়ত ঘুষ খেয়ে অন্যায় করে বেড়াচ্ছে। নকল করে যেই সব শিক্ষার্থীরা, অথবা যারা অন্যের খাতা দেখে লিখে সত্যি বলতে তারা বড় হয়ে দেশের ক্ষতিকর কোনো কাজ করে না। বড় হয়ে তারা ব্যবসায়ী বা সৃজনশীল কোন কাজই করে থাকে। সাধারণত সেই ধরনের কাজগুলো দেশের উপকারই করে থাকে, জনগণের কল্যাণ করে থাকে।
আকারে প্রকারে শিক্ষকদের দোষ না দিয়ে শিক্ষাক্ষেত্রে কিভাবে উন্নতি করা যায় শিক্ষকদের সাথে, সম্মানের সাথে বসে আলোচনা করে এর একটা সমাধান নেয়া যেতে পারে। আপনার ক্রমাগত আক্রমণে নিজেকে শিক্ষক হিসেবে পরিচয় দিতে আজকাল অত্যন্ত হীনমন্যতায় ভুগছি।
উদাহরণসহ এক্সেলে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ও শতকরা হিসাব (সহজ ভাষায়)
এক্সেলে হিসাব করতে হলে আগে বুঝতে হবে—
Cell এর ভিতরে ভ্যালু থাকে, আর Formula Bar-এ Formula হিসাব লেখা হয়।
১) যোগ (Addition)
ধরুন,
A1 Cell এ ভ্যালু আছে = ১২০
A2 Cell এ ভ্যালু আছে = ৮০
👉 মোট যোগ বের করতে
= A1 + A2
ফলাফল হবে: ২০০
ব্যবহার: মোট বেতন, মোট বিক্রি, মোট খরচ
২) বিয়োগ (Subtraction)
ধরুন,
A1 Cell এ ভ্যালু আছে = ৫০০
A2 Cell এ ভ্যালু আছে = ১৮০
👉 বাকি টাকা বের করতে
= A1 - A2
ফলাফল হবে: ৩২০
ব্যবহার: বাকি হিসাব, লাভ বা ক্ষতি
৩) গুণ (Multiplication)
ধরুন,
A1 Cell এ ভ্যালু আছে = ২৫
A2 Cell এ ভ্যালু আছে = ৪
👉 মোট দাম বের করতে
= A1 * A2
ফলাফল হবে: ১০০
ব্যবহার: ইউনিট × দাম, কাজ × রেট
৪) ভাগ (Division)
ধরুন,
A1 Cell এ ভ্যালু আছে = ১০০০
A2 Cell এ ভ্যালু আছে = ৫
👉 প্রতি জনের ভাগ বের করতে
= A1 / A2
ফলাফল হবে: ২০০
ব্যবহার: সমান ভাগ, গড় হিসাব
৫) শতকরা হিসাব (Percentage)
ধরুন,
A1 Cell এ ভ্যালু আছে = ১০০০
A2 Cell এ ভ্যালু আছে = ১০%
👉 শতকরা টাকার পরিমাণ
= A1 * A2
ফলাফল হবে: ১০০
বাস্তব অফিস উদাহরণ
পণ্যের দাম
A1 Cell এ ভ্যালু আছে = ২০০০
ডিসকাউন্ট
A2 Cell এ ভ্যালু আছে = ৫%
ডিসকাউন্ট টাকা
= A1 * A2 → ১০০
নেট দাম
= A1 - (A1 * A2) → ১৯০০
শেষ কথা
এই ৫টা হিসাব ঠিকমতো জানলেই এক্সেলে কাজ করা অনেক সহজ হয়ে যাবে।
প্রতিদিন একটু প্র্যাকটিস করলেই আপনি নিজেই পার্থক্য বুঝবেন।
19/12/2025
যারা অর্ধেক বিপ্লব করে, তারা আসলে নিজেদের কবরই খুঁড়ে : লুই আন্তোনিও দ্য সেন্ট
এস.আই
আগামীকাল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে বিএমএড ১ম ও ২য় সেমিস্টারের ফাইনাল পরীক্ষা! সকল পরীক্ষার্থীদের জন্য রইলো দোয়া ভালবাসা, আমি নিজেও দোয়ার আবেদন রইলো।
যারা এখনো এডমিট কার্ড বের করেননি তারা নিচের লিংকে ঢুকে আইডি-পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে এডমিট বের করে নিতে পারেন।
আমার নতুন ফলোয়ারদের স্বাগত জানাই! আপনাদের ফলোয়ার হিসাবে পেয়ে আমি খুবই খুশি! Sarowar Ahmod, Shaikul Islam
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি স্যার সেদিন ক্লাস নিয়েছিলেন। স্যার ফিলোসোফি ডিপার্ট্মেন্টের। এই বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নেওয়া অনেকে নাকি নাস্তিক হয়ে যায়।কিন্তু উনি শতভাগ আস্তিক।
"আমি ভাই স্বার্থপর মানুষ।
যদি পরকাল না থাকে তাহলে কোন অসুবিধা নাই।
কিন্তু যদি পরকাল থাকে এবং এর প্রস্তুতি না নিয়ে যাই তাহলে তো ধরা খেয়ে যাব।আমি ভাই রিস্ক নিতে পারব না।"
26/07/2025
🔥অনেকেই জানে না HSC পাশ করেও নিবন্ধন পরীক্ষা দিয়ে নিবন্ধিত শিক্ষক হওয়া যায়!
দেখে নিন নিবন্ধন পরীক্ষার সিলেবাস।
প্রস্তুত হন। খুব দ্রুতই আসছে বিশাল সার্কুলার!
লজ্জা থাকা দরকার!!
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তো কিন্ডারগার্টেনের বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনা, তাহলে কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থীরা কোন অধিকারে/লজিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে চায়??
#বৃত্তি #প্রাথমিকবৃত্তি
আমার নতুন ফলোয়ারদের স্বাগত জানাই! আপনাদের ফলোয়ার হিসাবে পেয়ে আমি খুবই খুশি! Md Miraz, নওশিন লিপি, Tanha Akhter
27/06/2025
আমরা কি ভাবতাম?
শিক্ষকের সাথে ছাত্রীর কিছু একটা আছে?
ছবিটির দিকে তাকিয়ে দেখুন,
শেখার আছে অনেক কিছু।
বেইজিং ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে গত পরশু সমাবর্তন অনুষ্ঠানে গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে একজন ছাত্রী বক্তব্য দিচ্ছিলেন, ওই ছাত্রীর বক্তব্য চলাকালীন হটাৎ গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি শুরু হলে পাশে থাকা একজন প্রফেসর দৌঁড়ে গিয়ে একটা ছাতা নিয়ে এসে সে ছাত্রীর মাথার উপর ধরেন। পুরো বক্তব্য চলাকালীন তিনি ছাতাটা ছাত্রীর মাথার উপর ধরে রেখেছিলেন। ইন্টারেস্টিং বিষয় হলো, ওই প্রফেসর একইসাথে ডিপার্টমেন্টের প্রধান এবং শিক্ষকদের লিডারও।
আপনি কল্পনা করতে পারেন, বাংলাদেশের কোনো ভার্সিটি কনভোকেশন অনুষ্ঠানে এমন দৃশ্য?
কখনো নয়। এ ধরনের মানবিক এবং নৈতিক চর্চা আমাদের দেশের শিক্ষকদের মধ্যে গড়ে উঠেনি এবং উঠবেও না। এর অন্যতম কারণ, ইগো। কোনো শিক্ষক এমন মহৎ কাজ করতে যাবে না তার ভেতর প্রচন্ড ইগোর কারণে, তার মধ্যে
সবসময় এই চিন্তা কাজ করে যে, আমি শিক্ষক হয়ে কেন শিক্ষার্থীদের মাথায় ছাতা ধরতে যাব। হোক না বৃষ্টি, তাতে কী!
অথচ দেখেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বিশ্বের অন্যতম সেরা ভার্সিটিগুলির একটি ভার্সিটির প্রফেসর তার ইগো ঠেলে কনভোকেশনে বক্তব্য দেওয়া কালে বৃষ্টি আসলে অনায়সে একজন ছাত্রীী মাথায় ছাতা ধরে রেখে মানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন, একইসাথে অন্যদের নৈতিকতাও শিক্ষা দিলেন।
শিক্ষকতা হলো ঠিক এমনই মহৎ পেশা। শ্রেষ্ঠ মানুষজনই এই পেশায় আসবেন, এটাই স্বাভাবিক রীতি। এই শিক্ষকের কর্মেই তার প্রমাণ মেলে। যে শিক্ষক পাবলিকলি মানুষ হিসেবে ভালো মনের অধিকারী এবং অনুকরণীয় হওয়ার পরিচয় দিয়েছেন মানবিক কর্মের মাধ্যমে, নিশ্চয়ই সেই শিক্ষক ক্লাসরুমেও শিক্ষার্থীদের কাছে সেরা হবেন। তার জন্য সম্মান এবং শ্রদ্ধা।
আক্ষেপের বিষয় হলো, বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় এমন শিক্ষকতার চর্চা নেই। অনুকরণীয় তো পরের বিষয়, মহৎ হৃদয়ের মানুষ এই পেশায় নেই বললেই চলে। আমাদের দেশে ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক হয়ে গেছে কমার্শিয়াল৷ অথচ ইউরোপ-আমেরিকায় ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক হলো বন্ধুত্বের, সহযোগিতা, সম্মান এবং ভালোবাসার।
©
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
1000