BaraAt

BaraAt

Share

The International Online Islamic Education Platform

01/01/2024

وَمَا لِیَ لَاۤ اَعۡبُدُ الَّذِیۡ فَطَرَنِیۡ وَاِلَیۡہِ تُرۡجَعُوۡنَ

আমার কী যুক্তি আছে যে, আমি সেই সত্তার ইবাদত করব না, যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন? এবং তারই দিকে তোমাদের সকলকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।

—ইয়াসীন - ২২

31/12/2023

وَّیَرۡزُقۡہُ مِنۡ حَیۡثُ لَا یَحۡتَسِبُ ؕ وَمَنۡ یَّتَوَکَّلۡ عَلَی اللّٰہِ فَہُوَ حَسۡبُہٗ ؕ اِنَّ اللّٰہَ بَالِغُ اَمۡرِہٖ ؕ قَدۡ جَعَلَ اللّٰہُ لِکُلِّ شَیۡءٍ قَدۡرًا

এবং তাকে এমন স্থান থেকে রিযক দান করবেন, যা তার ধারণার বাইরে। যে-কেউ আল্লাহর উপর নির্ভর করে, আল্লাহই তার (কর্ম সম্পাদনের) জন্য যথেষ্ট। নিশ্চয়ই আল্লাহ তার কাজ পূরণ করেই থাকেন। (অবশ্য) আল্লাহ সবকিছুর জন্য একটা পরিমাণ নির্দিষ্ট করে রেখেছেন।

তাফসীর (মুফতী তাকী উসমানী) (Bangla)

৮. অর্থাৎ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা‘আলার উপর ভরসা করে, আল্লাহ তাআলা তার কাজ পূর্ণ করে দেন। তবে কাজ পূর্ণ করার ধরন ও তার সময় আল্লাহ তাআলা নিজেই নির্ধারণ করেন। কেননা তিনি প্রতিটি জিনিসের এক মাপজোখকৃত পরিমাণ নির্দিষ্ট করে রেখেছেন। প্রকাশ থাকে যে, উপায় অবলম্বন করা তাওয়াক্কুলের পরিপন্থী নয়। বরং তা অবলম্বন করাও আল্লাহর হুকুম। কিন্তু ভরসা রাখতে হবে আল্লাহ তা‘আলার উপর, উপায়ের উপর নয়।

---------------------

30/12/2023

দোয়া সকল মুসিবতের সবচে’ শক্তিমান প্রতিষেধক। সুতরাং যে ব্যক্তি তাওবা করতে চায়, তার উচিত ওই সত্তার দরবারে হাত তোলা যিনি প্রার্থনা শুনেন এবং মুসিবত দূর করেন। হতে পারে গুনাহ বর্জন এবং পবিত্র জীবন গঠন; এই দু’য়ের মাঝে দূরত্ব কেবল দু’টি প্রার্থনার হাত। প্রয়োজন কেবল কয় ফোঁটা চোখের পানি।
وَقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ
আর তোমাদের রব বলেছেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি তোমাদের জন্য সাড়া দেব। (সূরা গাফির ৬০)

29/12/2023

ফজরের নামাজে দাঁড়ানো, সারা রাত দাঁড়িয়ে নামায পড়ার সমান। উসমান ইবন আফফান রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

مَنْ صَلَّى الْعِشَاءَ فِي جَمَاعَةٍ فَكَأَنَّمَا قَامَ نِصْفَ اللَّيْلِ ، وَمَنْ صَلَّى الصُّبْحَ فِي جَمَاعَةٍ فَكَأَنَّمَا صَلَّى اللَّيْلَ كُلَّهُ

যে ব্যক্তি জামাতের সাথে ঈশার নামাজ আদায় করলো, সে যেন অর্ধেক রাত জেগে নামাজ পড়লো। আর যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ জামাতের সাথে পড়লো, সে যেন পুরো রাত জেগে নামাজ পড়লো। (মুসলিম ১০৯৬)

28/12/2023

ঈমান রক্ষার জন্য দু‘আ

رَبَّنَا لَا تُزِغۡ قُلُوۡبَنَا بَعۡدَ اِذۡ هَدَيۡتَنَا وَهَبۡ لَنَا مِنۡ لَّدُنۡكَ رَحۡمَةً ‌ ۚ اِنَّكَ اَنۡتَ الۡوَهَّابُ

রাব্বানা লা তুযিগ্ ক্বুলুবানা বা’দা ইয্ হাদায়তানা ওয়া হাব্‌লানা মিল্লা দুনকা রাহমাহ্ ইন্নাকা আংতাল ওয়াহ্‌হাব।

হে আমাদের প্রতিপালক! সরল পথ-প্রদর্শনের পর তুমি আমাদের অন্তরকে সত্য লঙ্ঘন বা বক্র করো না এবং তোমার নিকট থেকে আমাদেরকে করুণা দান কর। নিশ্চয়ই তুমি মহা দাতা।

(সূরা আ-লু ইমরান, আয়াত : ৮)

জামে’ আত-তিরমিজি,হাদিস নাম্বারঃ ৩৫২২
হাদিসটি বিশুদ্ধ।
বিস্তারিত :

حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ، عَنْ أَبِي كَعْبٍ، صَاحِبِ الْحَرِيرِ حَدَّثَنِي شَهْرُ بْنُ حَوْشَبٍ، قَالَ قُلْتُ لأُمِّ سَلَمَةَ يَا أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ مَا كَانَ أَكْثَرُ دُعَاءِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا كَانَ عِنْدَكِ قَالَتْ كَانَ أَكْثَرُ دُعَائِهِ ‏"‏ يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا لأَكْثَرِ دُعَائِكَ يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ قَالَ ‏"‏ يَا أُمَّ سَلَمَةَ إِنَّهُ لَيْسَ آدَمِيٌّ إِلاَّ وَقَلْبُهُ بَيْنَ أُصْبُعَيْنِ مِنْ أَصَابِعِ اللَّهِ فَمَنْ شَاءَ أَقَامَ وَمَنْ شَاءَ أَزَاغَ ‏"‏ ‏.‏ فَتَلاَ مُعَاذٌ ‏:‏ ‏(‏ ربَّنَا لاَ تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا ‏)‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَائِشَةَ وَالنَّوَّاسِ بْنِ سَمْعَانَ وَأَنَسٍ وَجَابِرٍ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَنُعَيْمِ بْنِ هَمَّارٍ ‏.‏ قَالَ وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏
শাহর ইবনু হাওশাব (রাহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, উম্মু সালামাহ (রাযিঃ)-কে আমি বললাম, হে উম্মুল মু’মিনীন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনার কাছে অবস্থানকালে অধিকাংশ সময় কোন দু’আটি পাঠ করতেন? তিনি বললেন, তিনি অধিকাংশ সময় এ দু’আ পাঠ করতেনঃ
يَامُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ
“হে মনের পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপর স্থির রাখ"।

উম্মু সালামাহ (রাযিঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি অধিকাংশ সময় “হে মনের পরিবর্তনকারী! আমার মনকে তোমার দ্বীনের উপর স্থির রাখ” দু’আটি কেন পাঠ করেন? তিনি বললেনঃ হে উম্মু সালামাহ! এরূপ কোন মানুষ নেই যার মন আল্লাহ তা’আলার দুই আঙ্গুলের মধ্যবর্তীতে অবস্থিত নয়। যাকে ইচ্ছা তিনি (দ্বীনের উপর) স্থির রাখেন এবং যাকে ইচ্ছা (দ্বীন হতে) বিপথগামী করে দেন।
তারপর অধঃস্তন বর্ণনাকারী মুআয (রহঃ) কুরআনের এ আয়াত তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ) “হে আমাদের রব! আমাদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করার পর তুমি আমাদের অন্তরসমূহকে বাকা করে দিও না”। (তিরমিযী - ৩৫২২)
কপি : মুসলিম বাংলা

27/12/2023

বাথরুমে চুল ফেলা কি গুনাহ?

প্রশ্নঃ
৪৩৪৯. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, অনেক সময় বাথরুমে গোসলের সময় চুল পড়ে যা পাইপের মাধ্যমে ভিতরে চলে যায় বা বাথরুমের কমেডে ফেলে দি এতে কি গুনাহ হবে?
মুরগি মধ্যে কোন অংশ গুলা খাওয়া যায়না?? মুরগি কি শুধু বিসমিল্লাহ বলে জবাই করলে খাওয়া যায়??

উত্তরঃ
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم

আল্লাহ তাআলা বনি আদমকে সম্মানিত করেছেন। বনি আদমের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সম্মানিত। বিধায় শরীরের নখ, চুল, গোঁফ ও পশম ইত্যাদি নাপাকির মধ্যে বা নর্দমায় ফেলা উচিত নয়। বরং সম্ভব হলে অসম্মান হবে না এমন জায়গায় দাফন করে দেয়া উত্তম।
গোসলের সময় নিজের অজান্তে অথবা অনিচ্ছায় দু-একটি পশম বা চুল পানির সঙ্গে পাইপ দিয়ে নালায় চলে গেলে গুনাহ হবে না। তবে ইচ্ছাকৃতভাবে কমোডে চুল ফেলা উচিত নয়

মুরগি ও অন্যান্য হালাল পশুর ৭টি অংশ হারাম :
১. প্রবাহিত রক্ত।
২. নর প্রাণীর পুং লিঙ্গ।
৩. অন্ডকোষ।
৪. মাদী প্রাণীর স্ত্রী লিঙ্গ।
৫. মাংসগ্রন্থি।
৬. মুত্রথলি।
৭. পিত্ত।
এছাড়া বাকি সবই খাওয়া জায়েজ।

وَأَمَّا بَيَانُ مَا يَحْرُمُ أَكْلُهُ مِنْ أَجْزَاءِ الْحَيَوَانِ الْمَأْكُولِ فَاَلَّذِي يَحْرُمُ أَكْلُهُ مِنْهُ سَبْعَةٌ: الدَّمُ الْمَسْفُوحُ، وَالذَّكَرُ، وَالْأُنْثَيَانِ، وَالْقُبُلُ، وَالْغُدَّةُ، وَالْمَثَانَةُ، وَالْمَرَارَةُ لِقَوْلِهِ عَزَّ شَأْنُهُ {وَيُحِلُّ لَهُمُ الطَّيِّبَاتِ وَيُحَرِّمُ عَلَيْهِمُ الْخَبَائِثَ} [الأعراف: 157]
وَهَذِهِ الْأَشْيَاءُ السَّبْعَةُ مِمَّا تَسْتَخْبِثُهُ الطِّبَاعُ السَّلِيمَةُ فَكَانَتْ مُحَرَّمَةً.
(بدائع الصنائع، كتاب التضحية، باب صفة التضحية، فَصْلٌ فِي بَيَانُ مَا يَحْرُمُ أَكْلُهُ مِنْ أَجْزَاءِ الْحَيَوَانِ الْمَأْكُولِ-5/61، وكذا فى الفتاوى الهندية-5/290، وفى رد المحتار، كتاب الأضحية

الغُدَّةُ والغُددَةُ: كُلُّ عُقْدَةٍ فِي جَسَدِ الإِنسان أَطاف بِهَا شَحْم. والغُدَدُ: الَّتِي فِي اللَّحْمِ، (لسان العرب، فصل الغين المعجمة

সুতরাং রগজাতীয় যাবতীয় বস্তুই খাওয়া থেকে বিরত থাকা চাই।

হালাল প্রাণী হালাল উপায়ে মালিক হওয়ার পর "বিসমিল্লাহ" বলে জবাই করলে খাওয়া হালাল হবে।

والله اعلم بالصواب

উত্তর প্রদানে… ইসহাক মাহমুদ, মুফতী ও মুহাদ্দিস, জামিআ মুহাম্মাদিয়া আরাবিয়া, মোহাম্মদপুর

26/12/2023

وَاِلٰـہُکُمۡ اِلٰہٌ وَّاحِدٌ ۚ لَاۤ اِلٰہَ اِلَّا ہُوَ الرَّحۡمٰنُ الرَّحِیۡمُ ٪

তোমাদের মাবুদ একই মাবুদ, তিনি ছাড়া অন্য কোনও মাবুদ নেই। তিনি সকলের প্রতি দয়াবান, পরম দয়ালু।

ব্যাখ্যাঃ
বিভিন্নভাবেই আল্লাহ তা‘আলার তাওহীদ বা একত্ববাদ সপ্রমাণিত রয়েছে। উদাহরণতঃ তিনি একক , সমগ্র বিশ্বে না আছে তাঁর তুলনা, না আছে কোন সমকক্ষ। সুতরাং একক উপাস্য হওয়ার অধিকারও একমাত্র তাঁরই।
দ্বিতীয়তঃ উপাস্য হওয়ার অধিকারেও তিনি একক । অর্থাৎ, তিনি ছাড়া অন্য আর কেউই ‘ইবাদতের যোগ্য নয়।
তৃতীয়তঃ সত্তার দিক দিয়েও তিনি্ একক । অর্থাৎ অংশী-বিশিষ্ট নন। তিনি অংশী ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ থেকে পবিত্র। তাঁর বিভক্তি কিংবা ব্যবচ্ছেদ হতে পারে না।
চতুর্থতঃ তিনি তাঁর আদি ও অনন্ত সত্তার দিক দিয়েও একক , তিনি তখনও বিদ্যমান ছিলেন, যখন অন্য কোন কিছুই ছিল না এবং তখনও বিদ্যমান থাকবেন যখন কোন কিছুই থাকবে না।
রপর আল্লাহ তা'আলার প্রকৃত একত্ব সম্পর্কে বাস্তব লক্ষণ ও প্রমাণাদি উপস্থাপিত করা হয়েছে, যা জ্ঞানী-নির্জ্ঞান নির্বিশেষে যে কেউই বুঝতে পারে৷ (মাঃ কোঃ)
—আল বাকারা - ১৬৩
C. Muslim Bangla

22/12/2023
09/12/2023

(আলাক) অর্থ জমাট রক্ত, সংযুক্ত, ঝুলন্ত ইত্যাদি। সাধারণত মুফাসসিরগণ এর অর্থ করেছেন জমাট রক্ত। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান মতে মাতৃগর্ভে ভ্রুণের যে ক্রমবিকাশ হয়, তাতে প্রথম দিকে পুরুষের শুক্র ও নারীর ডিম্বানু মিলিত হয়ে জরায়ুর গায়ে সংযুক্ত হয়ে থাকে। এ হিসেবে আলাক হল সম্মিলিতরূপে শুক্র ও ডিম্বানুর জরায়ু-সংলগ্ন সেই অবস্থার নাম, যা আলাক-এর আভিধানিক অর্থের সাথেও সঙ্গতিপূর্ণ। যাই হোক এ শব্দটি থেকেই সূরার নাম হয়েছে সূরা আলাক -অনুবাদক

08/12/2023

এ সূরার প্রথম পাঁচ আয়াত সর্বপ্রথম ওহীরূপে হেরা গুহায় মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর নাযিল হয়। তিনি নবুওয়াত লাভের আগে কিছুকাল
এ গুহায় ইবাদত-বন্দেগীতে রত ছিলেন। এ সময়ই একদিন হযরত জিবরাঈল আলাইহিস সালাম তাঁর কাছে আসলেন এবং তাঁকে বুকে চেপে ধরলেন। তারপর বললেন, পড়। তিনি বললেন, আমি তো পড়তে জানি না। একথা তিনবার বললেন। তারপর হযরত জিবরাঈল আলাইহিস সালাম এ পাঁচ আয়াত পাঠ করেন।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Motijheel
Dhaka
1000