Academy for Community Development - ACD

Academy for Community Development - ACD Its attempt is to highlight the superiority of Islamic Education, Halal Employment and Clean Living.

দুর্বল ছাত্র/ছাত্রীদের শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা–২০২৬ অনুষ্ঠিতঢাকা, ২২ আগস্ট ২০২৬: ষাণ্মাসিক পরীক্ষার ফল...
23/08/2026

দুর্বল ছাত্র/ছাত্রীদের শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা–২০২৬ অনুষ্ঠিত

ঢাকা, ২২ আগস্ট ২০২৬: ষাণ্মাসিক পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে দুর্বল ও অপেক্ষাকৃত পিছিয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মানোন্নয়ন, নিয়মিত পড়াশোনায় উৎসাহিত করা এবং তাদের সার্বিক অগ্রগতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একাডেমি ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট (এসিডি)-এর উদ্যোগে “দুর্বল ছাত্র/ছাত্রীদের শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে অভিভাবক মতবিনিময় সভা–২০২৬” অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার এসিডি মিলনায়তনে আয়োজিত এ সভায় প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, অভিভাবক ও বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাগণ অংশগ্রহণ করেন। সভায় শিক্ষার্থীদের সাম্প্রতিক ফলাফল, উপস্থিতি, শ্রেণিকাজ, বাড়ির কাজ, মনোযোগ এবং পড়াশোনায় দুর্বলতার বিভিন্ন কারণ নিয়ে অভিভাবকদের সঙ্গে বিস্তারিত মতবিনিময় করা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসিডির প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান মুহতারাম মিজানুর রহমান সিদ্দিকী। তিনি বলেন, একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষাগত দুর্বলতা দূর করতে প্রতিষ্ঠান ও অভিভাবকের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব, নিয়মিত পড়াশোনার পরিবেশ, সময়ানুবর্তিতা, পর্যাপ্ত অনুশীলন এবং শিক্ষক-অভিভাবকের নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব।
সভায় শিক্ষার্থীদের জন্য রেমিডিয়াল ক্লাস, অতিরিক্ত অনুশীলন, নিয়মিত মূল্যায়ন, ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ এবং অভিভাবকদের সঙ্গে ধারাবাহিক যোগাযোগ জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি অভিভাবকদের সন্তানদের পড়াশোনার প্রতি নিয়মিত খোঁজখবর রাখা, প্রতিষ্ঠানের নির্দেশনা অনুসরণ করা এবং শিক্ষকদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়।

সভায় প্রতিষ্ঠানের ভাইস প্রিন্সিপাল মোহাম্মাদ রেজাউল করিম বলেন, প্রতিটি শিক্ষার্থীর মধ্যেই সম্ভাবনা রয়েছে। যথাযথ পরিচর্যা, আন্তরিক সহযোগিতা ও নিয়মিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে দুর্বল শিক্ষার্থীদেরও কাঙ্ক্ষিত শিক্ষাগত মানে উন্নীত করা সম্ভব।
মতবিনিময় সভায় শিক্ষক ও অভিভাবকগণ শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত উন্নয়ন ও সার্বিক অগ্রগতির জন্য পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সভাটি পরিচালনা করেন এসিডির ভাইস প্রিন্সিপাল মোহাম্মাদ রেজাউল করিম। অনুষ্ঠানে এসিডির বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল উস্তায-উস্তাযাহবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ঢাকা | ২২ আগস্ট ২০২৬
একাডেমি ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট (এসিডি)

হিফজ সমাপনী সংবর্ধনা ও সবক অনুষ্ঠান–২০২৬ অনুষ্ঠিতরামপুরা, ঢাকা | ১৫ আগস্ট ২০২৬একাডেমি ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট (এসিডি)-এর...
16/08/2026

হিফজ সমাপনী সংবর্ধনা ও সবক অনুষ্ঠান–২০২৬ অনুষ্ঠিত
রামপুরা, ঢাকা | ১৫ আগস্ট ২০২৬

একাডেমি ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট (এসিডি)-এর উদ্যোগে মহাগ্রন্থ কুরআনুল কারীমের হিফজ সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সম্মাননা এবং নতুন শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিক সবক প্রদানের মধ্য দিয়ে আজ শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬, সকাল ১১টায় এসিডি মিলনায়তনে ‘হিফজ সমাপনী সংবর্ধনা ও সবক অনুষ্ঠান–২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ।

অনুষ্ঠানে হিফজ সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান এবং নতুন শিক্ষার্থীদের সবক দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কুরআন হিফজের প্রতি ভালোবাসা, আগ্রহ ও নিষ্ঠা বৃদ্ধি এবং কুরআন-সহিহ সুন্নাহর আলোকে আদর্শ জীবন গঠনে উদ্বুদ্ধ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ভাইস চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ প্রফেসর ড. আবদুল্লাহ ফারুক। তিনি এসিডির প্রতিষ্ঠাতা মুহতারাম মিজানুর রহমান সিদ্দিকী ও আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে এসিডির হিফজ সম্পন্নকারী ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী হাফেজ সামিউল আলম সাহিলকে পাগড়ি পরিয়ে দেন। এতে অনুষ্ঠানস্থলে এক আবেগঘন ও আনন্দময় পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, কুরআন শুধু মুখস্থ করার বিষয় নয়; বরং এর শিক্ষা হৃদয়ে ধারণ করে ব্যক্তিজীবন, পারিবারিক জীবন ও সমাজজীবনে বাস্তবায়ন করাই একজন হাফিজে কুরআনের অন্যতম দায়িত্ব। তিনি শিক্ষার্থীদের কুরআনের সঙ্গে আজীবন সম্পর্ক বজায় রাখার আহ্বান জানান।
এসিডির প্রতিষ্ঠাতা তাঁর বক্তব্যে বলেন, কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে জ্ঞান, নৈতিকতা ও আদর্শ চরিত্রসম্পন্ন প্রজন্ম গড়ে তোলাই এসিডির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. গিয়াস উদ্দিন খান, মো. শাখাওয়াত হোসেন, এসিডির সুপারিনটেনডেন্ট মো. তওফিকুর রহমান, হিফজ বিভাগের সমন্বয়ক হাফেজ বাহরুল ইসলাম রাজু এবং প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য উস্তায ও উস্তাযাহবৃন্দ।
অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন এসিডির ভাইস প্রিন্সিপাল মুহাম্মাদ রেজাউল করিম। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল দ্বিভাষিক উপস্থাপনা। পঞ্চম শ্রেণির হাফেজ শাবিব আব্দুল্লাহ আরবি এবং শাহ মুহাম্মাদ সাফওয়ান বাংলা ভাষায় অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন।
অনুষ্ঠান শেষে এসিডি, এর শিক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবকদের কল্যাণ এবং দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও সফলতার জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়।

"ACD Spelling Competition-2026 অনুষ্ঠিত"ঢাকা, ১৩ আগস্ট ২০২৬: শিক্ষার্থীদের ইংরেজি বানান দক্ষতা, শব্দভাণ্ডার, শুদ্ধ উচ্চা...
15/08/2026

"ACD Spelling Competition-2026 অনুষ্ঠিত"
ঢাকা, ১৩ আগস্ট ২০২৬: শিক্ষার্থীদের ইংরেজি বানান দক্ষতা, শব্দভাণ্ডার, শুদ্ধ উচ্চারণ ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির লক্ষ্যে একাডেমি ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট(এসিডি) -এর উদ্যোগে আজ ১৩ আগস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, সকাল ৮টায় এসিডি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় “ACD Spelling Competition-2026”

প্রতিযোগিতায় এসিডির বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। নির্ধারিত ইংরেজি Vocabulary Sheet-এর ভিত্তিতে প্রতিযোগিতাটি পরিচালিত হয়। শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট শব্দের বানান সঠিকভাবে বলা ও লেখার মাধ্যমে নিজেদের দক্ষতা প্রদর্শন করে।

অনুষ্ঠানে এসিডির শিক্ষক, কর্মকর্তা, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, Spelling Competition শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি মনোযোগ, স্মরণশক্তি, দ্রুত চিন্তা করার ক্ষমতা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ধরনের সহশিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তব ও প্রয়োগভিত্তিক দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করে।

এসিডি কর্তৃপক্ষ জানায়, শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশের ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ভবিষ্যতেও এ ধরনের ভাষা ও জ্ঞানভিত্তিক প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে।
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানিয়ে কর্তৃপক্ষ তাদের শিক্ষাজীবনের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন।

13/08/2026
এসিডির দৈনিক অ্যাসেম্বলির উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যএসিডির দৈনিক অ্যাসেম্বলি শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীণ বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ শ...
05/08/2026

এসিডির দৈনিক অ্যাসেম্বলির উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য

এসিডির দৈনিক অ্যাসেম্বলি শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীণ বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা কার্যক্রম। পবিত্র কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর আলোকে পরিচালিত এ কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ঈমান-আকিদা সুদৃঢ় করা, ইসলামী মূল্যবোধ ও উত্তম চরিত্র গঠন, শৃঙ্খলাবোধ, নেতৃত্বের গুণাবলি, দেশপ্রেম এবং সামাজিক দায়িত্ববোধ বিকাশে ধারাবাহিকভাবে উদ্বুদ্ধ করা হয়। প্রতিদিনের পাঠদানের পূর্বে শিক্ষার্থীদের মানসিক, নৈতিক ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত করাই এ অ্যাসেম্বলির অন্যতম উদ্দেশ্য।

উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যসমূহ:
১. পবিত্র কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর আলোকে জীবন পরিচালনার মানসিকতা ও অভ্যাস গড়ে তোলা।
২. দৈনন্দিন দোয়া, যিকির, ইসলামী আদব-আখলাক ও সুন্নাহভিত্তিক জীবনচর্চায় শিক্ষার্থীদের অভ্যস্ত করে তোলা।
৩. সময়ানুবর্তিতা, শৃঙ্খলা, দায়িত্বশীলতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের চর্চা নিশ্চিত করা।
৪. দেশ, জাতীয় ঐতিহ্য ও জাতীয় প্রতীকসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত করা।
৫. আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্ব, উপস্থাপনা, যোগাযোগ ও দলগত কাজের দক্ষতা বিকাশ করা।
৬. কুরআন ও সহিহ হাদিসের শিক্ষার আলোকে নৈতিক, বুদ্ধিবৃত্তিক ও চারিত্রিক উৎকর্ষ সাধন করা।
৭. পরিচ্ছন্নতা, স্বাস্থ্যবিধি, শারীরিক সুস্থতা ও সুশৃঙ্খল জীবনযাপনের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা।
৮. ভ্রাতৃত্ব, পারস্পরিক সম্মান, সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও সামাজিক সম্প্রীতির চেতনা বিকাশ করা।
৯. প্রতিষ্ঠানের নিয়ম-শৃঙ্খলা, গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা, নির্দেশনা ও সমসাময়িক শিক্ষামূলক বার্তা কার্যকরভাবে শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
১০. প্রতিদিনের পাঠদানের জন্য শিক্ষার্থীদের মানসিক, নৈতিক ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত করা।
১১. দেশ, জাতি, মুসলিম উম্মাহ এবং সমগ্র মানবতার কল্যাণে নিবেদিত, সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার প্রেরণা প্রদান করা।
১২. ইলম, আমল, তাকওয়া ও উত্তম চরিত্রের সমন্বয়ে আদর্শ মানুষ হিসেবে আত্মগঠনে শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করা।

মূল লক্ষ্য
"কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর আলোকে তাকওয়াভিত্তিক চরিত্রবান, জ্ঞানসমৃদ্ধ, শৃঙ্খলাবদ্ধ, দক্ষ, দেশপ্রেমিক ও মানবকল্যাণে নিবেদিত আদর্শ প্রজন্ম গড়ে তোলা।"

01/08/2026

Surah Aal-e-Imran, Verse 8:
رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً إِنَّكَ أَنتَ الْوَهَّابُ

হে আমাদের পালনকর্তা! সরল পথ প্রদর্শনের পর তুমি আমাদের অন্তরকে সত্যলংঘনে প্রবৃত্ত করোনা এবং তোমার নিকট থেকে আমাদিগকে অনুগ্রহ দান কর। তুমিই সব কিছুর দাতা।
(Bangla)

via iQuran

"শিশুদের শেখার অদৃশ্য চ্যালেঞ্জ: ডিসলেক্সিয়া সম্পর্কে অভিভাবক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সচেতনতা"বর্তমান সময়ে বিভিন্ন শিক্ষ...
01/08/2026

"শিশুদের শেখার অদৃশ্য চ্যালেঞ্জ: ডিসলেক্সিয়া সম্পর্কে অভিভাবক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সচেতনতা"

বর্তমান সময়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিশুদের নিয়ে কাজ করতে গিয়ে একটি বিষয় ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। অনেক শিক্ষার্থী বুদ্ধিমান, মনোযোগী এবং শ্রেণিকক্ষে সক্রিয় হওয়া সত্ত্বেও পড়া, লেখা কিংবা বলার ক্ষেত্রে এমন কিছু ভুল করে, যা সাধারণ অসাবধানতা বলে মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে ভিন্ন ধরনের শেখার চ্যালেঞ্জের ইঙ্গিত বহন করতে পারে।
প্রায়ই দেখা যায়, একটি শিশু খুব সহজ ও পরিচিত শব্দও ভুল পড়ে বা লিখে ফেলে। একই বানান এক জায়গায় সঠিকভাবে লিখলেও অন্য জায়গায় ভুল লিখে। অনেক সময় অক্ষর উল্টে ফেলে, শব্দ গুলিয়ে পড়ে অথবা ধীরে ধীরে পড়ে। এসব কারণে অনেক শিক্ষক বা অভিভাবক শিশুকে "অমনোযোগী", "অলস" কিংবা "কম মেধাবী" বলে মনে করেন। অথচ বাস্তবতা হলো, এসব লক্ষণ অনেক ক্ষেত্রে ডিসলেক্সিয়া (Dyslexia)-এর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
ডিসলেক্সিয়া হলো একটি আজীবন শেখার পার্থক্য (Learning Difference), যা প্রধানত পড়া, বানান করা এবং লেখার দক্ষতাকে প্রভাবিত করে। এটি কোনো রোগ নয় এবং এটি কখনোই শিশুর বুদ্ধিমত্তার ঘাটতির প্রমাণ নয়। বরং মস্তিষ্ক ভাষা ও লিখিত শব্দকে যেভাবে প্রক্রিয়াজাত করে, তার স্বাভাবিক ভিন্নতার কারণেই এই অবস্থা সৃষ্টি হয়। তাই একজন ডিসলেক্সিয়ায় আক্রান্ত শিশু অন্য অনেক ক্ষেত্রে অত্যন্ত মেধাবী, সৃজনশীল ও প্রতিভাবান হতে পারে।
ডিসলেক্সিয়ার কয়েকটি সাধারণ লক্ষণ হলো—
অক্ষর ও ধ্বনির মধ্যে সম্পর্ক বুঝতে অসুবিধা হওয়া।
ধীরে ধীরে পড়া অথবা অক্ষর ও শব্দ গুলিয়ে ফেলা।
বারবার বানান ভুল করা।
ছড়া (Rhyming) বুঝতে বা তৈরি করতে অসুবিধা হওয়া।
পড়ে শেখার তুলনায় শুনে শেখায় বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করা।
একই শব্দ একবার সঠিকভাবে লিখলেও পরবর্তীতে ভুল লেখা।
অনেক সময় অভিভাবক বা শিক্ষক মনে করেন, শিশুটি ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল করছে। কিন্তু ডিসলেক্সিয়ার ক্ষেত্রে এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। শিশুর ওপর অতিরিক্ত বকাঝকা, অপমান বা শাস্তি তার আত্মবিশ্বাস নষ্ট করে এবং শেখার আগ্রহ কমিয়ে দিতে পারে। তাই সমস্যাটি বুঝে ধৈর্য, সহানুভূতি ও সঠিক সহায়তা প্রদান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বর্তমান বৈজ্ঞানিক গবেষণা অনুযায়ী ডিসলেক্সিয়ার মূল কারণ দূর করার কোনো চিকিৎসা এখনো আবিষ্কৃত হয়নি। তবে সঠিক সময়ে শনাক্ত করা এবং উপযুক্ত শিক্ষাগত সহায়তা প্রদান করলে অধিকাংশ শিশু সফলভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে এবং জীবনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয়।

”এসিডি প্যারেন্টিং কনফারেন্স–২০২৬ সফলভাবে অনুষ্ঠিত”ঢাকা, ২৪ জুলাই ২০২৬ (শুক্রবার): একাডেমি ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট (এসিড...
24/07/2026

”এসিডি প্যারেন্টিং কনফারেন্স–২০২৬ সফলভাবে অনুষ্ঠিত”

ঢাকা, ২৪ জুলাই ২০২৬ (শুক্রবার): একাডেমি ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট (এসিডি)-এর উদ্যোগে আজ সন্ধ্যা ৭:২৫টায় এসিডি মিলনায়তনে "সূরা লুকমানের আলোকে আদর্শ প্যারেন্টিং" শীর্ষক এসিডি প্যারেন্টিং কনফারেন্স–২০২৬ সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সম্মানিত অভিভাবক, শিক্ষকমণ্ডলী এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সচেতন ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে কনফারেন্সটি প্রাণবন্ত ও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানটি পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হয় এবং অংশগ্রহণকারীদের ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহে মুখরিত ছিল।

কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ইসলামি গবেষক আল-কাসিম বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার ইন্জিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মাদ তানভীর পারভেজ। তিনি মহাগ্রন্থ আল-কুরআনের সূরা লুকমানে বর্ণিত শিক্ষার আলোকে সন্তান প্রতিপালনের মৌলিক নীতিমালা তুলে ধরেন। তাঁরা সন্তানদের ঈমান ও তাকওয়ার শিক্ষা, উত্তম চরিত্র, আদব-আখলাক, সালাত প্রতিষ্ঠা, পিতা-মাতার দায়িত্ব, নৈতিক মূল্যবোধ এবং বর্তমান সময়ের নানাবিধ সামাজিক ও প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ইসলামী দিকনির্দেশনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে আরো বলেন, “সন্তান আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে পিতা-মাতার নিকট অর্পিত এক মহামূল্যবান আমানত। একটি আদর্শ পরিবারই একজন আদর্শ সন্তানের ভিত্তি। তাই সন্তানকে কেবল প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত করাই যথেষ্ট নয়; বরং কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর আলোকে তার ঈমান, চরিত্র, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তোলাই প্রকৃত প্যারেন্টিংয়ের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।”

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে উপস্থিত অভিভাবকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদান করা হয় এবং পারিবারিক পরিবেশকে ইসলামী মূল্যবোধে সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে বাস্তবধর্মী পরামর্শ প্রদান করা হয়। পাশাপাশি সন্তানদের সুস্থ, সুশৃঙ্খল ও দ্বীনদার মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

Address

House-37, Road-6, Block-B, Banasree R/A, Ramppura, Dhaka-1219
Dhaka

Opening Hours

Monday 08:00 - 17:00
Tuesday 08:00 - 17:00
Wednesday 08:00 - 17:00
Thursday 08:00 - 17:00
Friday 19:00 - 21:00
Saturday 08:00 - 17:00
Sunday 08:00 - 17:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Academy for Community Development - ACD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category