10/04/2024
Grammar Hacks
Committed To your Success
10/04/2024
Eid Mobarak
সতর্কতার জন্য সবাইকে অবগত করতে পারেন:
যারা ঈদে বাড়ি ফিরবেন তাদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা। সম্প্রতি একটা কেমিক্যাল এর ব্যবহার তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে কিছু অসৎ মানুষের হাতে পড়েছে। কেমিক্যাল টার নাম হচ্ছে স্কোপোলামিন। এটা সাধারণত সাড়ে তিন ফিট দূর থেকেও বাতাসের মাধ্যমে একজন মানুষকে আসক্ত করতে পারে। এই কেমিক্যালটা আমাদের ন্যাসাল রুটের মাধ্যমে যখন ভেতরে প্রবেশ করে তখন মানুষের মস্তিষ্কের প্রাইমারি ইনিশিয়াল স্টেজ অফ থিংকিং সহজ বাংলায় বললে মানুষের চিন্তা করার ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। যে কারণে মানুষ তাৎক্ষণিকভাবে সামনে থাকা মানুষের নাচের পুতুলে পরিণত হয়। তখন আপনাকে ওই লোক যা কমান্ড দেবে আপনি সেটাই করবেন। এটা থেকে বাঁচতে আমি কিছু বিষয়ের কথা বলছি এগুলো মাথায় রাখবেন।
১. অপরিচিত কারো থেকে কোন কিছু খাবেন না সে যত ভালই মনে হোক না কেন।
২. সব সময় মাস্ক পরবেন।
৩. আপনার মুখের সামনে অপরিচিত কোন লোকের হাত আনতে দিবেন না হাতটা আপাত দৃষ্টিতে খালি মনে হলেও।
৪. যেন তারা লোকের কাছ থেকে মাস্ক কিনবেন না।
৫. একা যাত্রী হয়ে কোন গাড়িতে উঠবেন না।
৬. সিটে অথবা সিটের আশেপাশে পড়ে থাকা পানি কখনোই চোখে মুখে দিবেন না।
৭. অপরিচিত কোন লোক আপনার এড্রেস জানার জন্য কোন কাগজ হাতে দিতে চাইলে সেটা ধরবেন না।
৮. কোন কাগজ ঠিকানা দেখার বাহানা করে আপনার চোখের সামনে আনতে দেবেন না।
৯. গাড়ির ভেতরে কেউ আপনাকে মুখ দিয়ে বাতাস করার সাথে সাথে চিৎকার করে উঠবেন। আশেপাশে থাকা সবাইকে অবহিত করবেন যে আমি যদি অজ্ঞান হয়ে যাই তার জন্য আমার এই পাশে বসা লোক দায়ী।
১০. দেখতে একেবারে হুজুর, দেখে মনে হবে মৃত্যুর পরে ১০ হাজার ফেরেশতা ওনাকে গার্ডও বনা দেবে এরকম কোন লোক ইফতারের সময় ইফতার অথবা খেজুর দিলে খাবেন না। অনেক সময় মানুষকে বিশ্বাস করানোর জন্য ছোলা এবং মুড়ির ভেতরে কোন কিছু দেওয়া থাকে না। সেটা আগে নিজেরা খেয়ে মানুষকে বিশ্বাস অর্জন করে ওটার মাঝখান দিয়ে হয়তো খেজুর অথবা পানির ভেতরে কিছু দিয়ে দিতে পারে।
১১. গাড়ির ভেতরে কারো সঙ্গে বন্ধুত্ব করবেন না মনে রাখবেন গাড়ি থেকে নেমে গেলেই আপনাদের বন্ধুত্ব শেষ হয়ে যাবে তার চাইতে ভালো গাড়ির ভেতরে বন্ধুত্ব নাই হোক।
১২. মাস্ক বিষয়ে সতর্ক হবেন অবশ্যই কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করবেন
১৩. আমার মোবাইলে ঘড়ির টাইমটা একটু ঠিক করে দেন এ কথা বলে হাতে কোন মোবাইল দিতে চাইলে সেটা নিবেন না। কারন স্কোপোলামিন আপনার হাতে লাগলে আপনি মনের অজান্তেই কখনো মুখের কাছে নেবেন এটা একটা স্বাভাবিক। আর ওটার জন্যই ফাঁদ পেতে ওয়েট করবে ওই লোক।
সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল *Copy Post*
The noun of Hate.....
A.Hate
B.hater
C.hatred
D.hateness
৪৬তম বিসিএস এর জন্য সাম্প্রতিক:
★ ফাইভ আইস- ৫ টি দেশ
★ ACU - ৮ টি
★ NDB - ৮ টি
★ BRICS - ৯ টি
★ OPEC -১২ টি
★ ইউরোজোনের সদস্য -২০ টি
★ G-20 -২১ টি
★ উইরোপীয় ইউনিয়ন -২৭ টি
★ শেনজেনভুক্ত দেশ -২৯ টি
★ NATO -৩২ টি
★ LDC -৪৫ টি
★ কমনওয়েলথ -৫৬ টি
★ OIC -৫৭ টি
★ ন্যাম -১২১ টি
★ বিশ্বব্যাংক -১৮৯ টি
★ IMF -১৯০ টি
সংগৃহীত।
কেউ যদি #কদরের_রাতে আমল করতে চান, এই নিয়মে করতে পারেন...
১। রাত দশটার পর থেকে দুনিয়াবি কাজ থেকে বিরত থাকুন।
২। বেশি গরম লাগলে গোসল করুন ও পরিষ্কার পোষাক পরিধান করুণ।
৩। কোরআন পড়তে পারলে ১২ টার আগ পর্যন্ত কোরআন পরুন।
৪। বেশি বেশি নফল আর হাজতের নামাজ পড়ুন।
৫। রাত ১ টা থেকে ২ টা পর্যন্ত জিকির করুন। যেমনঃ-
(১) সুবহানাল্লহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লহু আকবার। (১০০ বার করে)
(২) লা ইলাহা ইল্লাল্লহ (২০০ বার)
(৩) আস্তাগফিরুল্লহ (কমপক্ষে ৫০০ বার, যত বেশি সম্ভব হয়)
(৪)বেশী বেশী দুরুদ পড়া।
(৫) সুবহানাল্লহি ওয়াবিহামদিহি (কমপক্ষে ১০০ বার)
(৬)"লা ইলাহা ইল্লাল্লহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়া হুওয়া আ'লা কুল্লি শাইয়্যিন কদির" (কমপক্ষে ১০০ বার)
(৭) দুয়া ইউনুস - "লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায্ যলিমীন" ।(যত পারেন)
(৮)"সুবহানাল্লহি ওয়াবিহামদিহি সুবহানাল্লহিল 'আযীম।" (কমপক্ষে ১০০ বার) ।
(৯) "লা হাওলা ওয়ালা কুওওতা ইল্লা বিল্লাহ" বেশি বেশি পড়তে পারেন।
(১০) সূরা ইখলাস যত বেশি পড়া যায়।
(১১) স্যায়েদুল ইস্তগফার পাঠ করা।
৬। রাত ২ টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত তাহাজ্জুদ পরুন ৮ রাকাত। রুকু ও সিজদায় বেশি সময় ব্যয় করুন।পারলে সিজদায় দোয়া করা।
৭। তাহাজ্জুদের পর তিন রাকাআত বিতরের নামাজ পরুন।
৮। সেহরি খাওয়ার পূর্বেই হাত তুলুন মালিকের কাছে। আপনার প্রয়োজনের সব কিছু খুলে বলুন..একটু চোখের পানি ফেলে বলুন, "মালিক, আমি আপনার ইবাদত করি এবং আপনার কাছেই হাত পেতেছি...😭 খালি হাতে ফিরিয়ে দিবেন না.....ইত্যাদি...
৯। সেহরি খান।
১০। ফজরের নামাজ পড়ুন।
উপরের কথাগুলো মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিন, যারা আপনার কথা শুনে এ আমল করবে, আপনিও তাদের আমলের সমান সাওয়াব পাবেন ইনশাআল্লাহ্।
কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "ভালো কাজের পথ প্রদর্শনকারী আমলকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে, কিন্তু আমলকারীর সাওয়াবে কোনো ঘাটতি হবে না।..." [মুসলিম ২৬৭৪]
রমজানের শেষ দশ দিনের মধ্যে যে কোন দিন শবে কদর হয়ে যেতে পারে। তাই শবে কদরের রাত মিস করতে না চাইলে, বিশেষ করে বিজোড় রাতে এই আমল গুলো করুন।
আল্লাহ্ আমাদের আমল করার তৌফিক দিন।আমিন।
Collected
যারা ঈদে বাড়ি ফিরবেন তাদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা। সম্প্রতি একটা কেমিক্যাল এর ব্যবহার তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে কিছু অসৎ মানুষের হাতে পড়েছে। কেমিক্যাল টার নাম হচ্ছে স্কোপোলামিন। এটা সাধারণত সাড়ে তিন ফিট দূর থেকেও বাতাসের মাধ্যমে একজন মানুষকে আসক্ত করতে পারে। এই কেমিক্যালটা আমাদের ন্যাসাল রুটের মাধ্যমে যখন ভেতরে প্রবেশ করে তখন মানুষের মস্তিষ্কের প্রাইমারি ইনিশিয়াল স্টেজ অফ থিংকিং সহজ বাংলায় বললে মানুষের চিন্তা করার ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। যে কারণে মানুষ তাৎক্ষণিকভাবে সামনে থাকা মানুষের নাচের পুতুলে পরিণত হয়। তখন আপনাকে ওই লোক যা কমান্ড দেবে আপনি সেটাই করবেন। এটা থেকে বাঁচতে আমি কিছু বিষয়ের কথা বলছি এগুলো মাথায় রাখবেন।
১. অপরিচিত কারো থেকে কোন কিছু খাবেন না সে যত ভালই মনে হোক না কেন।
২. সব সময় মাস্ক পরবেন।
৩. আপনার মুখের সামনে অপরিচিত কোন লোকের হাত আনতে দিবেন না হাতটা আপাত দৃষ্টিতে খালি মনে হলেও।
৪. যেন তারা লোকের কাছ থেকে মাস্ক কিনবেন না।
৫. একা যাত্রী হয়ে কোন গাড়িতে উঠবেন না।
৬. সিটে অথবা সিটের আশেপাশে পড়ে থাকা পানি কখনোই চোখে মুখে দিবেন না।
৭. অপরিচিত কোন লোক আপনার এড্রেস জানার জন্য কোন কাগজ হাতে দিতে চাইলে সেটা ধরবেন না।
৮. কোন কাগজ ঠিকানা দেখার বাহানা করে আপনার চোখের সামনে আনতে দেবেন না।
৯. গাড়ির ভেতরে কেউ আপনাকে মুখ দিয়ে বাতাস করার সাথে সাথে চিৎকার করে উঠবেন। আশেপাশে থাকা সবাইকে অবহিত করবেন যে আমি যদি অজ্ঞান হয়ে যাই তার জন্য আমার এই পাশে বসা লোক দায়ী।
১০. দেখতে একেবারে হুজুর, দেখে মনে হবে মৃত্যুর পরে ১০ হাজার ফেরেশতা ওনাকে গার্ডও বনা দেবে এরকম কোন লোক ইফতারের সময় ইফতার অথবা খেজুর দিলে খাবেন না। অনেক সময় মানুষকে বিশ্বাস করানোর জন্য ছোলা এবং মুড়ির ভেতরে কোন কিছু দেওয়া থাকে না। সেটা আগে নিজেরা খেয়ে মানুষকে বিশ্বাস অর্জন করে ওটার মাঝখান দিয়ে হয়তো খেজুর অথবা পানির ভেতরে কিছু দিয়ে দিতে পারে।
১১. গাড়ির ভেতরে কারো সঙ্গে বন্ধুত্ব করবেন না মনে রাখবেন গাড়ি থেকে নেমে গেলেই আপনাদের বন্ধুত্ব শেষ হয়ে যাবে তার চাইতে ভালো গাড়ির ভেতরে বন্ধুত্ব নাই হোক।
১২. মাস্ক বিষয়ে সতর্ক হবেন অবশ্যই কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করবেন
১৩. আমার মোবাইলে ঘড়ির টাইমটা একটু ঠিক করে দেন এ কথা বলে হাতে কোন মোবাইল দিতে চাইলে সেটা নিবেন না। কারন স্কোপোলামিন আপনার হাতে লাগলে আপনি মনের অজান্তেই কখনো মুখের কাছে নেবেন এটা একটা স্বাভাবিক। আর ওটার জন্যই ফাঁদ পেতে ওয়েট করবে ওই লোক।
DC Wari - DMP
29/03/2024
জীবন যুদ্ধে পিছিয়ে আছেন কারা কারা?
পরিচিত একজন ফিনল্যান্ড থাকেন। পড়াশোনা করেন ওউলু বিশ্ববিদ্যালয়ে। তার কাছে শুনতে পারলাম, একটা কোর্সে সে পর পর ৩ বার ফেইল করেছে। সেই কোর্সের শিক্ষক তাকে মেইল করেছে। শিক্ষক তার কাছে জানতে চাইছে কেন তার কোর্সে পর পর ৩ বার ফেইল করার কারন। কোথায় সমস্যা হচ্ছে তার। তাকে জিঙ্গাস করা হয়েছে তার লেকচার কি তার ভালো লাগেনা। ভাই তখন বলেছে সে তার প্রশ্নের ধরন বুঝতে পারেনা। এরপর সেই শিক্ষক বিগত এই পরীক্ষায় যে ছাত্ররা ভালো মার্ক পায় তাদের খাতা দেখান এবং বলেন আমি এরকম উত্তর আশা করি এবং সাথে এটাও বলেন, তোমার জন্য আমাকে অপরাধী মনে হয়।কেন আমি শিক্ষক হয়ে তোমাকে বুঝাতে পারছি না । শিক্ষক আরো বলেন, এটা শুধু তোমার ব্যর্থতা না। আমারও ব্যর্থতা। কোন শিক্ষার্থী ক্লাসে না আসলে সেখানে শিক্ষকরা নাকি নিয়মিত মেইল করে। ক্যাম্পাসের বাইরে দেখা করে খোঁজ খবর নেয় কোন সমস্যায় আছে কিনা।
সেইখানকার শিক্ষকদের মনমানসিকতা কতটা উন্নত ভাবা যায়।
©Naimul Haque
সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন স্কেল, গ্রেডিং সিস্টেম ও অন্যান্য সুবিধাদি
বাংলাদেশের শিক্ষিত প্রজন্মের যে বিষয়ে সবার আগ্রহ বেশি সেটি হচ্ছে সরকারি চাকরিজীবী হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা। কিন্তু বর্তমান সময়ে সরকারি চাকরি পাওয়া সোনার হরিণ পাওয়ার মতো। ব্যাপক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে একটি চাকরি পাওয়াই দুঃসাধ্য ব্যাপার। সরকারি যেকোন চাকরি পাওয়ার আশায় মানুষ ব্যাপক প্রতিযোগীর সম্মুখীন হয়।
সরকারি জব এখন গ্রেডের উপর চলে আগে যেটা ৪ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত ছিল এখন ২০ গ্রেডে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। যেমন আগে যেটা প্রথম শ্রেণি ছিল বর্তমানে সেটা ১ম থেকে ৯ম গ্রেড এবং দ্বিতীয় শ্রেণি হলো ১০ম গ্রেড শুধু ১০ম গ্রেডই দ্বিতীয় শ্রেণি। ১১-১৬ তম গ্রেড তৃতীয় শ্রেণির এরপর ১৭-২০ তম গ্রেড হলো সর্বশেষ চতুর্থ শ্রেণি।
১ লাখ শিক্ষক নিয়োগ: জানা গেল গণবিজ্ঞপ্তির সম্ভাব্য তারিখ
১ থেকে ৯ নং গ্রেডে যিনি সে প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা বা গেজেটেড অফিসার বা ক্যাডার। এদের নিয়োগের সময় সরকারি গেজেট বা বিজ্ঞপ্তি বের হয়, স্বয়ং প্রেসিডেন্ট এদের নিয়োগ দিয়ে থাকেন। সামগ্রিক দিক বিবেচনায় মান মর্যাদা, দায়িত্ব-কর্তব্যের পরিধি এবং সুযোগ সুবিধার দিক দিয়ে প্রথম শ্রেণির গেজেটেড অফিসারগণ তুলনামূলক ভালো অবস্থানে থাকেন। তার উপরে আছে সচিব/মূখ্য সচিব।
পিএসসি কর্তৃক নিয়োগকৃত ২৭ ধরণের চাকরিকে ক্যাডার এবং পিএসসি কর্তৃক নিয়োগকৃত অন্যান্য সরকারি চাকরিকে নন-ক্যাডার জব বলা হয়।
নন-ক্যাডার জব গ্রেড ৯ হলে ১ম শ্রেণি এবং গ্রেড ১০ হলে ২য় শ্রেণি বলা হয় ক্যাডার আর নন-ক্যাডার জব এর মধ্যে মূল পার্থক্য হল, ক্যাডারগণ প্রমোশন পেয়ে নীতিনির্ধারক পর্যায়ে যেতে পারেন, যা নন-ক্যাডারগণ যেতে পারেন না। প্রায় সব ক্যাডারই কমপক্ষে সর্বোচ্চ গ্রেড পর্যন্ত যেতে পারেন, অন্যদিকে নন-ক্যাডারে বেশির ভাগ পদই ব্লক পোস্ট।
বিসিএস ক্যাডার মূলতঃ দুই প্রকার জেনারেল (পুলিশ, এডমিন, পররাষ্ট্র ইত্যাদি) এবং টেকনিক্যাল (শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, সড়ক ও জনপদ ইত্যাদি)।
জেনারেল ক্যাডারে যে কেউ যে কোন সাবজেক্ট থেকে পরীক্ষা দিয়ে চাকরি করতে পারেন, কিন্তু টেকনিক্যাল ক্যাডারে চাকরি করতে হলে নির্দিষ্ট বিষয়ে শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা লাগবে। যেমন, এমবিবিএস ডিগ্রি ছাড়া কেউ সরকারি ডাক্তার হয়ে চাকরি
করতে পারবেন না।
এদের চেনার উপায় হল, সরকারি যে কোন অফিসে ৪ ধরনের স্টাফ থাকে। যার মধ্যে রয়েছে ক্যাডার, তার নীচে কর্মকর্তা তার নীচে কর্মচারী। এদের মাঝে ১ম, ২য় এদের গেজেটেড কর্মকর্তা বলা হয়। ৩য় শ্রেণির যারা তারাও হল কর্মকর্তা। ৪র্থ শ্রেণির যারা তারা হল কর্মচারী।
প্রথম শ্রেণি মানেই নূন্যতম ৯ম গ্রেড আর দ্বিতীয় শ্রেণি কেবল ১০ম গ্রেড। আর সকল ডিপার্টমেন্টের সহকারী পরিচালক (Assistant Director) প্রথম শ্রেণির বাংলাদেশ ব্যাংকের এডি না সব এডিই প্রথম শ্রেণির।
পুলিশের এসআই দ্বিতীয় শ্রেণির এবং প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক দ্বিতীয় শ্রেণির। সরকারি হাই স্কুলের সহকারী শিক্ষক দ্বিতীয় শ্রেণির।
প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক তৃতীয় শ্রেণির এবং সকল ডিপার্টমেন্টের অফিস সহকারী, কম্পিটার অপারেটর/ ষাট মুদ্রাক্ষরিক তৃতীয় শ্রেণির।
অফিস সহায়ক চতুর্থ শ্রেণির যার স্কেল ৮,২৫০ যেমন প্রাইমারি স্কুলের পিওন। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন গ্রেডে কত বেতন ও সরকারি ভাতা রয়েছে।
সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা আর সর্বোচ্চ ৭৮ হাজার টাকা সুপারিশ করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা সংক্রান্ত পে-কমিশনের প্রতিবেদন পেশ করা হয়েছে।
২০টি গ্রেডে পেশ করা পে কমিশনের সুপারিশে সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা সুপারিশ করা হলেও, এই স্কেলের বেতন ভাতাসহ অর্থের পরিমাণ দাঁড়াবে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। একইভাবে সর্বনিম্ন বেতন স্কেল ৮ হাজার ২৫০ টাকা সুপারিশ করা হলেও সব মিলে দাঁড়াবে ২০ হাজার ১০ টাকা।
প্রথম স্কেলে বাড়ি ভাড়ার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ বা ৪০ হাজার টাকা। এর পাশাপাশি চিকিৎসা ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা, ডোমেস্টিক এইড ভাতা ৩ হাজার টাকা, উৎসব ভাতা ১৩ হাজার ৩৩ টাকা, আপ্যায়ন ভাতা ৩ হাজার টাকা ও শিক্ষা ভাতা ২ হাজার টাকা করা হয়েছে।
একইভাবে সর্বনিম্ন স্কেলের বাড়ি ভাড়ার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে ৫ হাজার টাকা, চিকিৎসা ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা, যাতায়াত ভাতা ৩০০ টাকা, সন্তানের শিক্ষা ভাতা ২ হাজার টাকা, ধোলাই ভাতা ১৫০ টাকা ও টিফিন ভাতা ৩০০ টাকা।
অন্যান্য ভাতা ও সুবিধাদি
বাড়ি ভাড়া: ৪৫ হাজার টাকা ও এর উর্ধ্বে ঢাকা মেট্টোপলিটন এলাকার জন্য বাড়ি ভাড়া মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে কমপক্ষে ২৮ হাজার টাকা ও সর্বোচ্চ ৪০ হাজার টাকা।
চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, রংপুর, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, কক্সবাজার ও সাভার এলাকার জন্য মূল বেতনের ৪৫ শতাংশ হারে কমপক্ষে ২৩ হাজার টাকা ও সর্বোচ্চ ৩৬ হাজার টাকা।
জেলা শহরের জন্য মূল বেতনের ৪০ শতাংশ হারে কমপক্ষে ২১ হাজার টাকা ও সর্বোচ্চ ৩২ হাজার টাকা। অন্যান্য স্থানের জন্য মূল বেতনের ৩৫ শতাংশ হারে কমপক্ষে ১৯ হাজার টাকা ও সর্বোচ্চ ২৮ হাজার টাকা। মূল বেতনের ২৫ হাজার টাকা থেকে ৪৪ হাজার ৯৯৯ টাকা পর্যন্ত ঢাকা মেট্টোপলিটন এলাকার জন্য ৬০ শতাংশ হারে কমপক্ষে ২০ হাজার টাকা।
চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, রংপুর, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, কক্সবাজার ও সাভার এলাকার মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে কমপক্ষে ১৬ হাজার টাকা।
জেলা শহরের জন্য মূল বেতনের ৪৫ শতাংশ হারে কমপক্ষে ১৩ হাজার টাকা। অন্যান্য স্থানের জন্য মূল বেতনের ৪০ শতাংশ হারে কমপক্ষে ১১ হাজার ৫০০ টাকা। ১৩ হাজার টাকা থেকে ২৪ হাজার ৯৯৯ পর্যন্ত ঢাকা মেট্টোপলিটন এলাকার জন্য মূল বেতনের ৬৫ শতাংশ হারে কমপক্ষে ১০ হাজার টাকা।
চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, রংপুর, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, কক্সবাজার ও সাভার এলাকার মূল বেতনের ৫৫ শতাংশ হারে কমপক্ষে ৮ হাজার ৫০০ টাকা।
জেলা শহরের জন্য মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে কমপক্ষে ৮ হাজার টাকা। অন্যান্য স্থানের জন্য মূল বেতনের ৪৫ শতাংশ হারে কমপক্ষে ৭ হাজার ২০০ টাকা। ১২ হাজার ৯৯৯ পর্যন্ত ঢাকা মেট্টোপলিটন এলাকার জন্য মূল বেতনের ৭০ শতাংশ হারে কমপক্ষে ৬ হাজার ৫০০ টাকা।
চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, রংপুর, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, কক্সবাজার ও সাভার এলাকার মূল বেতনের ৬৫ শতাংশ হারে কমপক্ষে ৬ হাজার।
জেলা শহরের জন্য মূল বেতনের ৬০ শতাংশ হারে কমপক্ষে ৫ হাজার ৫০০ টাকা। অন্যান্য স্থানের জন্য মূল বেতনের ৫৫ শতাংশ হারে কমপক্ষে ৫ হাজার।
চিকিৎসা ভাতা
মাসে কমপক্ষে ১ হাজার ৫০ টাকা। অবসরভোগীদের ক্ষেত্রে ৬৫ বছরের কম বয়স্কদের জন্য মাসিক ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা। ৬৫ বছরের বেশি বয়স্কদের জন্য ২ হাজার ৫০০ টাকা। এর পাশাপাশি সরকার প্রদত্ত ৪০০ টাকা স্বাস্থ্য ও দুর্ঘটনা বীমা এবং জীবন বীমাসহ সরকারি চাকরিজীবীর জন্য বীমা স্কিম চালু করা।
যাতায়াত ভাতা
দেশের সকল সিটি কর্পোরেশন এলাকায় কর্মরত চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে ১০ নাম্বার থেকে ১৬ নাম্বার গ্রেডে চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে যাতায়াত ভাতা মাসে ৩৬০ টাকা সুপারিশ করা হয়েছে।
গাড়ির সুবিধা
সার্বক্ষণিক গাড়ির সেবার জন্য প্রাধিকারভুক্ত কর্মকর্তাদের জন্য নগদায়নের বিষয়টি চালু রাখা। একই সঙ্গে পরীক্ষামূলকভাবে ৩ নং গ্রেডের উপরের কর্মকর্তাদের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি ৪র্থ গ্রেডের কর্মকর্তাদের গাড়ি কেনার বিষয়টি বিবেচনার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
শিক্ষা সহায়ক ভাতা
সকল শ্রেণির চাকরিজীবীদের সন্তান প্রতি মাসে ১ হাজার টাকা, ২ সন্তানের জন্য ২ হাজার টাকা শিক্ষা সহায়ক ভাতার সুপারিশ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীর সন্তানদের ভর্তির জন্য সরকারি অর্থে পরিচালিত সকল প্রতিষ্ঠানে একটি নির্দিষ্ট কোটা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে বুয়েট কিংবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এ সুপারিশ প্রযোজ্য হবে না।
টিফিন ভাতা
মাসে টিফিন ভাতা ৩০০ টাকা। তবে যে সব চাকরিজীবী তাদের প্রতিষ্ঠান দুপুরের খাবার পান কিংবা দুপুরের খাবারের ভাতা পান তাদের জন্য এ টিফিন ভাতা প্রযোজ্য হবে না।
উৎসব ভাতা
সকল চাকরিজীবীদের জন্য প্রতি বছরে ২ মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ উৎসব ভাতা দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে একজন অবসরভোগীর জন্য তার মাসিক নিট পেনশনের দ্বিগুণ হারে বছরে ২টি উৎসব ভাতা দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতা
সকল শ্রেণির চাকরিজীবীকে বর্তমান প্রচলিত প্রতি তিন বছরের স্থলে ২ বছর অন্তর ১৫ দিনের গড় বেতনে অর্জিত ছুটিসহ ১ মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতা হিসাবে সুপারিশ করা হয়েছে।
ধোলাই ভাতা
৪র্থ শ্রেণির চাকরিজীবীদের জন্য ধোলাই ভাতা মাসে ১৫০ টাকার সুপারিশ করা হয়েছে।
কার্যভার ভাতা
কার্যভার ভাতার শতকরা হার অপরিবর্তিত রেখে সর্বোচ্চ সীমা মাসে ২ হাজার ৫০ টাকা উন্নীত করা।
গৃহকর্মী ভাতা
গৃহকর্মী ভাতা অপরিবর্তীত আছে।
পোশাক পরিচ্ছদ সুবিধা
প্রচলিত নিয়মে পোশাক পরিচ্ছদ প্রদানের সুবিধা চালু রাখার সুপারিশ করা হয়েছে।
পাহাড়ি ও দুর্গম ভাতা
পার্বত্য এলাকায় কর্মরত সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পাহাড়ি ভাতা পুনঃনির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে হাওড়-বাওড়, দুর্গম দ্বীপ অঞ্চলে উপকূলীয় ভাতা।
আপ্যায়ন ভাতা
মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও মূখ্য সচিব ৩ হাজার টাকা, সচিব ও সমপর্যায়ের কর্মকর্তা ২ হাজার ৫০০ টাকা, অতিরিক্ত সচিব ও সমপর্যায়ের কর্মকর্তা ২ হাজার টাকা, যুগ্ম সচিব ও সমপর্যায়ের কর্মকর্তাদের ১ হাজার ৫০০ টাকা সুপারিশ করা হয়েছে।
ভ্রমণ ভাতা
বদলিজনিত ভ্রমণ ভাতা এককালীন সড়ক পথে ১০০ কি.মি. পর্যন্ত ১০ হাজার টাকা, ১০১ থেকে ২০০ কি.মি. পর্যন্ত ১৫ হাজার ৫০০ টাকা, ২০১ থেকে এর বেশি কি.মি. হলে ২০ হাজার টাকা ভ্রমণ ভাতার সুপারিশ করা হয়েছে।
বিশেষ ভাতা
বাংলাদেশ পুলিশ, র্যাব, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা এসএসএফ ইত্যাদি বিভিন্ন সার্ভিসের জন্য বিশেষভাতা বেতন কাঠামোর পরিপ্রেক্ষিতে সমন্বয় করা যেতে পারে।
অবসর ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা
পেনশনযোগ্য চাকরিকাল প্রথম গ্রেড থেকে ১৬ গ্রেড পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে পেনশনযোগ্য চাকুরিকাল ৫ বছর থেকে শুরু করে ২৫ বছর পর্যন্ত পেনশনের হার গ্রেড অনুযায়ী ২০ শতাংশ থেকে গ্রেড অনুযায়ী ৯০ শতাংশ সুপারিশ করা হয়েছে।
বাধ্যতামূলক সমর্পিত ৫০ শতাংশ পেনশনের ক্ষেত্রে আনুতোষিকের হার ৫ বছর থেকে শুরু করে ২০ বছর পর্যন্ত প্রতি ১ টাকায় ২৭৫ টাকা থেকে শুরু করে ২৩০ টাকা সুপারিশ করা হয়েছে। চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণের ক্ষেত্রে চাকরিকাল ২৫ বছর থেকে ২০ বছরে পুনঃনির্ধারনের সুপারিশ করা হয়েছে।
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জীবন, স্বাস্থ্য ও দুর্ঘটনা বীমা প্রবর্তন। সরকারি চাকুরিজীবীদের জন্য পে-কমিশনে এ বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
আবাসন ও গৃহ নির্মাণ ঋণ
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ঋণের পরিমাণ গ্রেড অনুযায়ী ১২ লাখ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা গৃহ ঋণ দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
এক্ষেত্রে সুদের হার হবে ব্যাংক রেটে ৫ শতাংশ। এর পাশাপাশি জেলা পর্যায়ে খাস জমি চিহ্নিত করে সরকারি চাকরিজীবীদের আবাসনের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা।
৮ম থেকে ১ম গ্রেড স্কেলের কর্মকর্তাদের ২০ জনের জন্য ১০ কাঠা ও অন্যান্য চাকরিজীবী প্রতি ২০ জনের জন্য ৮ কাঠা প্লট দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
সমৃদ্ধ সোপান ব্যাংক স্থাপন
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সমৃদ্ধ সোপান ব্যাংক স্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ঢাকা মহানগরীতে বসবাসরত সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য মৃত্যুর পর দাফনের জন্য বেশ কয়েকটি স্থানে কবরস্থান নির্মাণের সুপারিশ করা হয়েছে।
আর্থিক সংশ্লেষ
বেতন কমিশনের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রস্তাবিত বাড়ি ভাড়ার জন্য আগামী অর্থ বছরে অতিরিক্ত বরাদ্দের প্রয়োজন হবে ৪৯ কোটি ৪০ লাখ ১১ হাজার টাকা।
চিকিৎসার জন্য ৯৯৮ কোটি টাকা, শিক্ষা সহায়ক ভাতার জন্য ১ হাজার ২৫০ কোটি ৪২ লাখ, যাতায়াত ভাতার জন্য ৩৭ কোটি ৬৯ লাখ, উৎসব ভাতার জন্য ১৭ কোটি ১৬ লাখ ৪৬ হাজার টাকা, শ্রান্তি বিনোদনের জন্য ৫৭১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা, টিফিন ভাতা ১৫৪ কোটি টাকা, দুর্গম ভাতা ৮৩ কোটি ৭৯ কোটি টাকা, পেনশনাদির জন্য ৩৭ কোটি ৮৯ লাখ ৭২ হাজার টাকা, অবসরভোগী চিকিৎসা ভাতার জন্য ৬৪৬ কোটি ১৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য চলতি অর্থবছরের বাজেটের চেয়ে ১৭ হাজার ৪৬৪ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে।
Collected
কুমিল্লা বোর্ডে এসএসসিতে বোর্ডস্ট্যান্ড করা ছাত্রকে এইচএসসিতে সেকেন্ড ডিভিশন পেয়ে জীবন ছিন্নভিন্ন হয়ে যেতে দেখেছি। সুতরাং যারা বলে যে ১৮ বছর বয়সে তোমাকে পচ্চুর মুভিটুভি দেখে জীবন উপভোগ করতে হবে, এদের খপ্পরে না পড়লেই তোমরা ভালো করবা।
তুমি যদি খুব প্রিভিলেজড পরিবারের কেউ হয়ে থাকো, তোমার বাপ যদি আকবর সোবহান হয়, তাহলে তোমার লেখাপড়া না করলেও চলবে। তুমি খাঁচায় মুনিয়া পুষতে পারবা, গলাটিপে মারতেও পারবা- তোমার জন্য অনেক চিল, অনেক কুউল লাইফ। তোমার বাপ যদি নাসিম ওসমান হয় কি হাজী সেলিম হয়, তাহলে তোমার লেখাপড়া বাদ দিয়ে জীবন উপভোগ করারই কথা। আল্লাহ তোমারে বানাইয়া দিছে, এনজয় করো।
আর তুমি যদি আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারের কেউ হও, তাহলে ভগিচকিতে পড়বা না। তোমার চেয়ে বড় প্রতিভাবান, তোমার চাইতে বড় শহর কুতুবরা তোমার আগের জেনারেশনে এরকম অনেকেই করেছে। এখন বেসরিকারি কোম্পানির কেরানি হয়েছে, না আছে আর্থিক নিরাপত্তা, না আছে চাকুরির নিশ্চয়তা।
কেউ যদি বলে, এই পোলার জীবনের লক্ষ্য হচ্ছে বড় চাকুরে হওয়া- তাহলে মোটেও লজ্জিত হবা না। অফকোর্স মধ্যবিত্তের সন্তানের লক্ষ্য হবে বড় চাকুরিজীবি হওয়া। জীবন তোমার জন্য ফুলসজ্জা না। তুমি ভোররাতে লাইব্রেরির সামনে ব্যাগ রেখে লাইন দিবা, দিনরাত একাকার করে বিসিএস দিবা-এতে লজ্জার কিছু নাই।
তুমি খাইবা, ঘুমাবা, নামাজ পড়বা আর বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হবা। এটাই তোমার করার কথা। সামনে ভর্তি পরীক্ষা রেখে মুভি দেখে, গান শোনে ঘুরে বেড়ানোর কথা না।
আগে ভালো জায়গায় ভর্তি হও, বড় চাকুরে হও- মুভি দেখার, গান শোনার, চিল করার অনেক সময় পাবা।
একুশ বছর বয়েসে বেশি মুভি দেখতে গিয়ে একত্রিশ বছর বয়সে ধুকেধুকে বেঁচে থাকার চেয়ে একুশ বছর বয়েসে নাকমুখ খিচে লেখাপড়া করে, পয়ত্রিশ বছর বয়েসে এসি রুমে বসে দার্জিলিং টি চুমুক দিয়ে ৮৫ ইঞ্চি টিভিতে ডলবি সাউন্ডে মুভি দেখাটাই বরং বেটার অপশন।
ফোকাস হও। জীবনে যে পরীক্ষাই আসবে জানপ্রান দিয়ে সেই পরীক্ষা দিবা। সেটি ভর্তি পরীক্ষা হোক কি চাকুরির পরীক্ষাই হোক।
বড় চাকুরে হতে চাওয়া লজ্জার কিছু না। লাইফ ইজ এ ফাইট, ডু ইট ম্যান
Collected
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka