09/09/2021
আগামী ১০ সেপ্টেম্বর শুক্রবার নাগেরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সকল বয়সী ছাত্র-ছাত্রী ও নারী-পুরুষের বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করা হবে। পাশাপাশি সকলের রক্তের প্রয়োজনে রক্তদাতাদের একটি ডাটাবেইজ ও তৈরি করা হবে যেখান থেকে খুব সহজেই আপনার প্রয়োজনে রক্তদাতা খুঁজে পাওয়া যাবে। হৃদয়ে নাগেরপাড়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালর পরিবারের উদ্যোগকে সফল করতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানাচ্ছি।
17/05/2021
বাংলাদেশ দূতাবাস,বাহরাইনে কর্মরত অবস্থায় রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনকালে শ্রদ্ধাভাজন বড় ভাই মহসিন কবির ভাই করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। ১৭/০৫/২০২১ ইং তারিখ টেস্টে তার করোনা ধরা পড়ে। মহান আল্লাহর নিকট অন্তর থেকে প্রার্থনা প্রিয় ভাই যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন এবং প্রবাসী ভাই-বোন সহ অসহায় মানুষদের সেবায় নিজেকে পুনরায় নিয়োজিত করতে পারেন।
12/10/2020
ঢাকার করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আশা জাগানিয়া খবর!
গবেষণার ফলাফল
-----------
ঢাকার_প্রায়_৫০%ভাগ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন (এন্টিবডি জরীপ অনুযায়ী)
ঢাকার_শহরের_বস্তির_প্রায়_৭৫% মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন।
সেরোপ্রিভেলেন্স স্টাডি করা হয়েছে icddr'b এবংIEDCR এর উদ্যোগে, ফান্ডিং করেছে USAID and Gates Foundation. তাই এটা নির্ভরযোগ্য তথ্য বলা যায়। ফ্রেব্রুয়ারী মাসে দেশে করোনা হানা দিয়েছিল বলে প্রেস ব্রিফিং-এ বলা হয়েছে। এই স্টাডি স্যামপ্লিং হয়েছে এপ্রিল থেকে জুলাই। আর বস্তিতে আগষ্ট পর্যন্ত।
ঢাকার প্রায় ৪৫% মানুষে করোনার লক্ষণ প্রকাশ পায়নি।
গত দু'মাসে ( আগষ্ট-সেপ্টেম্বর) সংক্রমন আরো ছড়িয়ে পড়ার কথা।
ঢাকা সম্ভবত হার্ড ইমিউনিটির পথে। এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। দ্বিতীয়বার আক্রান্ত হলেও তীব্রতা কম হওয়ার কথা। যেভাবে পরিস্থিতি আগাচ্ছে তাতে বাংলাদেশের সব মানুষের জন্য সম্ভবত ভ্যাক্সিন না-ও প্রয়োজন হতে পারে।
ঢাকা সম্ভবত করোনার স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ঝুঁকি কাটিয়ে উঠছে। সাধারন লাইফে ফেরার অপেক্ষায়...
- মোহাম্মদ সারোয়ার হোসেন
18/09/2020
আমাদের নাগেরপাড়া বাজার মসজিদ ♥♥♥♥
জুমার দিন উপলক্ষে ‘জুমা মুবারক’ বলার বিধানঃ
________________________________
মুবারক শব্দের অর্থ: বরকতময়, কল্যাণময়, শুভ। ‘জুমা মোবারক’ অর্থ: শুভ জুমা দিবস। যারা এটি বলে তাদের উদ্দেশ্য, এ দিন উপলক্ষে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা।আমাদের অজানা নয় যে, জুমার দিন মুসলিমদের সাপ্তাহিক ঈদের দিন। কেননা এ মর্মে হাদিসে বর্ণিত হয়েছে।
তাহলে মুসলিমদের জন্য মোট ঈদ তিন দিন। বাৎসরিক ঈদ হল, ঈদুল আযহা (কুরবানির ঈদ) এবং ঈদুল ফিতর (রমাযানের ঈদ)। আর সাপ্তাহিক ঈদ হল, জুমার দিন। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, ঈদুল ফিতর ও আযহার শেষে সাহাবীগণ একে অপরের সাথে দেখা হলে এ বলে, শুভেচ্ছা বিনিময় করতেন: “তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম” “আল্লাহ আমাদের ও আপনাদের পক্ষ থেকে (নেক আমল) কবুল করুন।” তবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিংবা সাহাবীগণ জুমার দিন উপলক্ষে কোন ধরণের শুভেচ্ছা বিনিময় করতেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায় না।
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানী
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদি আরব
06/09/2020
নাগেরপাড়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা
পিছন দিক থেকে ছবিটা তুলা
আল্লাহ কবুল করুন এই দ্বীনি প্রতিষ্ঠানটিকে
31/08/2020
"উটের দিকে তাকিয়ে দেখেছ, কীভাবে তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে?” (সূরা গাশিয়াহ ১৭)
উট প্রকৃতির এক মহাবিস্ময়, এটি ৫৩ ডিগ্রি গরম এবং মাইনাস-১ ডিগ্রি শীতেও টিকে থাকে। মরুভূমির উত্তপ্ত বালুর উপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা পা ফেলে রাখে। কোনো পানি পান না করে মাসের পর মাস চলে। মরুভূমির বড় বড় কাঁটাসহ ক্যাকটাস খেয়ে ফেলে। দেড়শ কেজি ওজন পিঠে নিয়ে শত মাইল হেঁটে পার হয়। উটের মত এত অসাধারণ ডিজাইনের প্রাণী প্রাণীবিজ্ঞানীদের কাছে এক মহাবিস্ময়।
মানুষসহ বেশিরভাগ স্তন্যপায়ী প্রাণীর দেহের তাপমাত্রা সাধারণত ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের (৯৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট) এর আশেপাশে থাকে। যদি দেহের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা বেড়ে ৩৮.৫ ডিগ্রির (১০২ ফা) বেশি হয়ে যায়, তখন অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর ক্ষতি হতে থাকে। ৪০ ডিগ্রির (১০৪ ফা) বেশি হয়ে গেলে লিভার, কিডনি, মস্তিষ্ক, খাদ্যতন্ত্র ব্যাপক ক্ষতি হয়। ৪১ ডিগ্রি (১০৫ ফা) তাপমাত্রায় শরীরের কোষ মরে যেতে শুরু করে।
একারণেই যখন স্তন্যপায়ী প্রাণীদের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেড়ে যায়, তখন শরীর ঘেমে বাড়তি তাপ বের করে দিয়ে ঠাণ্ডা হয়ে যায়। কিন্তু উটের জন্য এভাবে পানি অপচয় করা বিলাসিতা। কারণ মরুভূমিতে সবচেয়ে দুর্লভ সম্পদ হচ্ছে পানি। একারণে উটের শরীরে এক বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। ভোরবেলা এর শরীরের তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি থাকে। তারপর আবহাওয়া যখন প্রচণ্ড গরম হয়ে যায়, তখন অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা বেড়ে ৪১ ডিগ্রি (১০৪ ফা) পর্যন্ত ওঠে। এর পর থেকে এটি ঘামা শুরু করে। এর আগে পর্যন্ত এটি পানি ধরে রাখে। এভাবে প্রতিদিন উট স্বাভাবিক তাপমাত্রা থেকে প্রচণ্ড জ্বরের তাপমাত্রা পর্যন্ত সহ্য করে। এর শরীরের ভেতরে ব্যবস্থা রাখা আছে, যেন তা দিনের পর দিন ভীষণ জ্বর সহ্য করার পরেও অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর বড় ধরনের ক্ষতি না হয়।
উটের রক্ত বিশেষভাবে তৈরি প্রচুর পরিমাণে পানি ধরে রাখার জন্য। উট যখন একবার পানি পান করা শুরু করে, তখন এটি প্রায় ১৩০ লিটার পানি, প্রায় তিনটি গাড়ির ফুয়েল ট্যাঙ্কের সমান পানি, ১০ মিনিটের মধ্যে পান করে ফেলতে পারে। এই বিপুল পরিমাণের পানি অন্য কোনো প্রাণী পান করলে রক্তে মাত্রাতিরিক্ত পানি গিয়ে অভিস্রবণ চাপের কারণে রক্তের কোষ ফুলে ফেঁপে ফেটে যেত। কিন্তু উটের রক্তের কোষে এক বিশেষ আবরণ আছে, যা অনেক বেশি চাপ সহ্য করতে পারে। এই বিশেষ রক্তের কারণেই উটের পক্ষে একবারে এত পানি পান করা সম্ভব হয়।
উটের কুজ হচ্ছে চর্বির আধার। চর্বি উটকে শক্তি এবং পুষ্টি যোগায়। আর পানি শরীরের যাবতীয় আভ্যন্তরীণ কাজকর্ম সচল রাখে, শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখে। একবার যথেষ্ট খাবার এবং পানি নেওয়ার পর একটি উট ছয় মাস পর্যন্ত কোনো খাবার বা পানি পান না করে টিকে থাকতে পারে।
উট হচ্ছে মরুভূমির জাহাজ। এটি ১৭০-২৭০ কেজি পর্যন্ত ভর নিয়েও হাসিমুখে চলাফেরা করে। এই বিশাল, শক্তিশালী প্রাণীটির মানুষের প্রতি শান্ত, অনুগত হওয়ার কোনোই কারণ ছিল না। বরং এরকম স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রাণীর হিংস্র হওয়ার কথা, যেন কেউ তাকে ঘাঁটানোর সাহস না করে। বিবর্তনবাদীদের বানানো বহু নিয়ম ভঙ্গ করে এই প্রাণীটি কোনো কারণে নিরীহ, শান্ত, মানুষের প্রতি অনুগত হয়ে গেছে। আল্লাহ যদি উটকে মানুষের জন্য উপযোগী করে না বানাতেন, তাহলে মরুভূমিতে মানুষের পক্ষে সভ্যতা গড়ে তোলা অসম্ভব হয়ে যেত।
উটের আরেকটি উল্লেখযোগ্য ক্ষমতা হলো কাটা যুক্ত গাছপালা চিবানোর ক্ষমতা, যা অন্য কোনো প্রাণীর নেই। বড় বড় কাঁটাসহ ক্যাকটাস এটি সাবাড় করে দিতে পারে। অন্য কোনো প্রাণী হলে ক্যাকটাসের কাঁটার আঘাতে মাড়ি, গাল, জিভ ক্ষতবিক্ষত হয়ে যেত। কিন্তু উটের কিছুই হয় না। উটের মুখের ভেতরে এক বিস্ময়কর ব্যবস্থা রয়েছে। এর মুখের ভেতরের দিকটাতে অজস্র ছোট ছোট শক্ত আঙ্গুলের মত ব্যবস্থা রয়েছে, যা কাটার আঘাত থেকে একে রক্ষা করে। এমন এক জিভ আছে যা কাঁটা ফুটো করতে পারে না।
উটের চোখে দুই স্তর পাপড়ি রয়েছে। যার কারণে মরুভূমিতে ধূলিঝড়ের মধ্যেও তা চোখ খোলা রাখতে পারে। এই বিশেষ পাপড়ির ব্যবস্থা সানগ্লাসের কাজ করে মরুভূমির প্রখর রোদের থেকে চোখকে রক্ষা করে এবং চোখের আদ্রতা ধরে রাখে। একইসাথে এটি বিশেষভাবে বাঁকা করা যেন তা ধুলোবালি আটকে দিতে পারে।
29/08/2020
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জানাজা নামাজ ২৯ আগষ্ট ১৯৭৬
09/08/2020
নভেম্বরের মধ্যেও যদি স্কুল না খুলে তাহলে পরীক্ষা ছাড়াই পরবর্তী শ্রেণী চলে যাবে শিক্ষার্থীরা। অক্টোবরে স্কুল খুললে ৫০ মার্কের MCQ পরীক্ষা নেয়া হবে। সেপ্টেম্বরে স্কুল খুললে সীমিত আকারে ১০০ মার্কের পরীক্ষা হবে।
:শিক্ষা মন্ত্রণালয়..!
05/08/2020
(বিশ্বাস করা কস্টকর)আমাদের প্রিয় বড় ভাই, ইকবাল ভাই আর নেই।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। সবাই তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করবেন দয়া করে।
20/07/2020
অবশেষে অক্সফোর্ডই প্রথম করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিন তৈরীতে সফল হলো। ১০৭৭ জনের উপর সফলতার পর এবার হতে যাচ্ছে আরো বড় পরিসরে চূড়ান্ত ট্রায়াল।
যুক্তরাজ্য অলরেডি ১০ কোটি ডোজ অর্ডার দিয়েছে।
BREAKING: A coronavirus vaccine developed by the University of Oxford appears safe and trains the immune system.
03/07/2020
আগামী ডিসেম্বরে বাজারে আসতে যাচ্ছে দেশীয় কোম্পানি
গ্লোবের করোনা টিকা ✊
না। উনি অন্যদের মত বিদেশ পাড়ি জমান নি।
"ওরা যদি পারে, আমরাও পারবো।"
"We cannot afford to lose people" বলতেই আসিফ মাহমুদের (ইনচার্জ, গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড) ছোখ ছল ছল হয়ে উঠলো।
কথাগুলির সাথে মিশে আছে জন্মভূমির জন্য কিছু একটা করার তাড়না। উপহাস করা প্রতিবন্ধী প্রজন্ম শুধু হাসির রিয়েক্ট দিতেই পারবে। ওনার পায়ের ধুলা পরিস্কার করার যোগ্যতাও রাখবে না। ওনার যোগ্যতা শুধু শিক্ষা বা গবেষণা নয়। এদেশকে কিছু দেয়ার তাড়না, দেশকে ভালবাসা।
উনার বিস্তারিত-
নাম: ড. আসিফ মাহমুদ
শিক্ষাগত যোগ্যতা:
SSC: আইডিয়াল স্কুল থেকে ৭ম
HSC: নটরডেম কলেজ
BSc: ঢাবি থেকে মাইক্রোবায়োলজিতে প্রথম শ্রেণীতে তৃতীয়।
MSc: ঢাবি থেকে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম
বাংলাদেশে সবাই এগিয়ে আসুক। সবার জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাক। সফলতা আসুক বা নাই আসুক কেউ একজন এগিয়েছে। বলেছে "ওরা যদি পারে, আমরাও পারবো।"