Learning Zone

Learning Zone

Share

#Improve Yourself & Get Ready For The Competitions. Our motive is to ignite a passion for learning and empower individuals to reach their full potential.

05/05/2024

পঞ্চপান্ডব ও পঞ্চক‌বি

পঞ্চ পাণ্ডব: ত্রিশের দশকের বিশিষ্ট ৫ জন কবি রবীন্দ্র বলয়ের বা প্রভাবের বাইরে গিয়ে আধুনিক কবিতা সৃষ্টি করেছিলেন। তাদের ৫ জনকে বাংলা সাহিত্যে পঞ্চ পান্ডব/ ত্রিশের কবি/কল্লোলের কবি বলা হয়। তাঁরা হলেনঃ
১. অমিয় চক্রবর্তী
২. বুদ্ধদেব বসু
৩. জীবনানন্দ দাশ
৪. বিষ্ণু দে
৫. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত।

পঞ্চ কবি: পাঁচজন কবি যাঁরা কবিতা লেখার পাশাপাশি একই সাথে গীতিকার, সুরকার এবং গায়ক।
তাঁরা হলেন:
১. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,
২. কাজী নজরুল ইসলাম,
৩. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়,
৪. রজনীকান্ত সেন ও
৫. অতুলপ্রসাদ সেন।

04/05/2024

শেনজেন চুক্তি
★শেনজেন লুক্সেমবার্গের একটি গ্রামের নাম।
★সীমান্তমুক্ত অঞ্চল গড়তে ১৪ জুন ১৯৮৫ EU'র ৫টি দেশ লুক্সেমবার্গের শেনজেনে বসে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে 'শেনজেন চুক্তি' নামে পরিচিত।
★শেনজেন চুক্তি কার্যকর হয়→ ২৬ মার্চ ১৯৯৫।
★বর্তমানে শেনজ্রেনভুক্ত দেশ →২৯টি।
★রোমানিয়া ও বুলগেরিয়া আংশিকভাবে শেনজেনে যুক্ত হয় →৩১ মার্চ ২০২৪।
সংগৃ‌হিত

04/05/2024

বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা সম্পর্কিত :

✳️ রাজনৈতিক ১২ নটিক্যাল মাইল
✳️ অর্থনৈতিক ২০০ নটিক্যাল মাইল
✳️ মহীসোপান ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল
✳️ ১ নটিক্যাল মাইল = ১.১৫ মাইল
✳️ ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫৩ কিলোমিটার

04/05/2024

বাংলাদেশের প্রধান প্রধান নদীর উৎপত্তি ও মিলনস্থলঃ

➤ তিস্তা
লালমনিরহাট দিয়ে এবং ব্রহ্মপুত্র কুড়িগ্রাম দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। কুড়িগ্রামের চিলমারীতে এসে তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র মিলিত হয়েছে এবং সম্মলিত প্রবাহের নামকরণ করা হয়েছে ব্রহ্মপুত্র।

➤ ব্রহ্মপুত্রের এই সম্মিলিতধারা জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ পর্যন্ত একই ছিল। দেওয়ানগঞ্জ এসে তারা যমুনা ও পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে বিভক্ত হয়ে যায়।

➤ যমুনা
দেওয়ানগঞ্জ থেকে রাজবাড়ির গোয়ালন্দে এসে চাঁপাইনবাবগঞ্জ দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করা পদ্মার সাথে মিলিত হয়েছে এবং সম্মিলিত প্রবাহের নামকরণ করা হয়েছে পদ্মা।

➤ পুরাতন ব্রহ্মপুত্র আবার ভৈরব বাজারে এসে মেঘনার সাথে মিলিত হয়ে মেঘনা নামধারণ করেছে। প্রশ্ন হল মেঘনা কই থেকে আসল?

➤ বরাক নদী সিলেট দিয়ে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। হবিগঞ্জের আজমিরিগঞ্জ এসে সুরমা ও কুশিয়ারা পুনরায় মিলিত হয়েছে এবং এই সম্মলিত প্রবাহের নামধারণ করা হয়েছে কালনী। এই কালনী আর পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের মিলিত ধারাই মূলত মেঘনা।

➤ গোয়ালন্দে মিলিত হওয়া পদ্মা আবার চাঁদপুরে এসে মেঘনার সাথে মিলিত হয়ে মেঘনা নামধারণ করেছে। এই মেঘনা অবশেষে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

07/12/2020

নিয়োগ পরীক্ষার জন্য কম্পিউটার ও আইসিটির প্রস্তুতি♣♦♣
পরামর্শ দিয়েছেন: ৩৮তম বিসিএস অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস ক্যাডার (সুপারিশপ্রাপ্ত) প্রণয় কুমার পাল।

প্রায় সব সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় কম্পিউটার ও আইসিটির ওপর প্রশ্ন করা হয়। এ ছাড়া কিছু পদে তাত্ত্বিক পরীক্ষার পাশাপাশি কম্পিউটার ও আইসিটির ওপর ব্যাবহারিক পরীক্ষাও নেওয়া হয়। ব্যাংকসহ বেসরকারি পর্যায়ের নিয়োগ পরীক্ষাগুলোতেও এ বিষয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন থাকে। তাই যে নিয়োগ পরীক্ষাতেই অংশ নিন না কেন, এ বিষয়ে ভালো প্রস্তুতি থাকতেই হবে। চাকরির জন্য কম্পিউটার ও আইসিটিতে কিভাবে কার্যকর প্রস্তুতি নেওয়া যায়, এ ব্যাপারে ৩৮তম বিসিএস অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস ক্যাডার (সুপারিশপ্রাপ্ত) প্রণয় কুমার পাল-এর সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত লিখেছেন এম এম মুজাহিদ উদ্দীন

চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় কম্পিউটার ও আইসিটি (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) বিষয়ে কোন ধরনের বিষয়বস্তু থেকে প্রশ্ন আসবে না আসবে সেটা নির্ভর করছে কোন পদের পরীক্ষা হচ্ছে—সেটার ওপর। পদ ও যোগ্যতা অনুযায়ী সাধারণ ও উচ্চতর প্রশ্ন আসতে পারে। এখানে মূলত সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করা হবে, যাতে প্রার্থীরা যেকোনো নিয়োগ পরীক্ষার জন্য এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে পারেন। বিসিএস পরীক্ষায় কম্পিউটার ও আইসিটি (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) থেকে ১৫টি প্রশ্ন থাকে, মান ১৫। এ ছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, ব্যাংক, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষাসহ অন্যান্য পরীক্ষায়ও ৫-১০টি প্রশ্ন আসতে দেখা যায়। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার যে সিলেবাস দিয়েছে, সেটার পাশাপাশি আরো কিছু বিষয়বস্তু পড়লে কম্পিউটার ও আইসিটির পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নেওয়া হয়ে যাবে। যেসব বিষয়বস্তুর ওপর দখল থাকলে কম্পিউটার ও আইসিটির লিখিত বা এমসিকিউ পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি হয়ে যাবে—

► কম্পিউটার

কম্পিউটার পেরিফেরালস (কি-বোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, প্রিন্টার, ওসিআর, হার্ডডিস্ক ইত্যাদি), কম্পিউটারের কাঠামোগত ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ যেমন প্রসেসর, সিপিইউ, র‌্যাম, রম ইত্যাদি; দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটার (কৃষি, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা ইত্যাদি); বাইনারি বা দ্বিমিক সংখ্যা পদ্ধতি; অপারেটিং সিস্টেমস (মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, লিনাক্স, উবুন্টু ইত্যাদি); কম্পিউটারের ইতিহাস ও প্রকারভেদ; কম্পিউটার প্রগ্রাম; প্রগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ (সি প্লাস, জাভা, এইচটিএমএল, পিএইচপি ইত্যাদি); ডাটাবেইস সিস্টেম (এসকিউএল, ওরাকল, এক্সেল ইত্যাদি); ভাইরাস, অ্যান্টি-ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার, ফায়ারওয়াল ইত্যাদি।

► তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

ই-কমার্স; সেলুলার ডাটা নেটওয়ার্ক (জিএসএম/টুজি, থ্রিজি, ফোরজি ইত্যাদি), কম্পিউটার নেটওয়ার্ক (ল্যান, ম্যান, ওয়াই-ফাই, ওয়াইম্যাক্স ইত্যাদি), ইন্টারনেট, ওয়ার্ল্ডওয়াইড ওয়েব, দৈনন্দিন জীবনে তথ্য-প্রযুক্তি, স্মার্টফোন, নিত্যপ্রয়োজনীয় কম্পিউটিং ও প্রযুক্তি পণ্য, ই-মেইল, ফ্যাক্স, ক্লায়েন্ট-সার্ভার ম্যানেজমেন্ট, মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্যসমূহ, তথ্য-প্রযুক্তির বড় প্রতিষ্ঠানের তথ্য ও তাদের সেবা (গুগল, অ্যাপল, মাইক্রোসফট ইত্যাদি), ক্লাউড কম্পিউটিং; সোশ্যাল নেটওয়ার্ক মিডিয়া (ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদি); রোবটিকস, সাইবার ক্রাইম।

এসব তাত্ত্বিক বিষয় পড়ার পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ের এসংক্রান্ত খবরও জানা থাকতে হবে। যেমন—দেশে ইউনিয়ন পর্যায়ে চালু হওয়া ডিজিটাল সেন্টার সংশ্লিষ্ট তথ্য, দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা কত ইত্যাদি।

বিসিএসেহ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষা ও ব্যাংক পরীক্ষার বিগত প্রশ্নের কম্পিউটার ও আইসিটি অংশের বিগত বছরের প্রশ্নগুলো দেখলে স্বচ্ছ ধারণা হবে।

তাত্ত্বিক প্রস্তুতি যেভাবে

কম্পিউটার ও তথ্য-প্রযুক্তি শুধু মুখস্থ করার বিষয় নয়। এ বিষয়ে স্বচ্ছ ধারণা না থাকলে শুধু মুখস্থ করে তথ্যগুলো মাথায় রাখতে পারবেন না। এ বিষয়ের তাত্ত্বিক জ্ঞানের সঙ্গে ব্যাবহারিক জ্ঞানের সম্পর্ক আছে। ধরুন, আপনি ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের নাম মুখস্থ করছেন। বলুন তো, কি-বোর্ড ইনপুট, না আউটপুট ডিভাইস? মাউস অনেকেই চেনেন বা দেখেছেন। এটা একটু মাথা খাটালেই আন্দাজ করা যায়। কারণ কি-বোর্ডের মাধ্যমে যা লিখছেন বা ইনপুট দিচ্ছেন, সেটা কম্পিউটারে যায়, কম্পিউটার থেকে নির্দেশনা কি-বোর্ডে আসে না। সুতরাং এটা ইনপুট ডিভাইস। তাই মূল কথা হলো, বুঝে মাথা খাটিয়ে পড়তে হবে। আজকাল ইন্টারনেট সহজলভ্য হওয়ায় কোথাও কিছু বুঝতে সমস্যা হলে গুগলে সার্চ দিয়েও দেখতে পারেন।


কোন কোন বই পড়বেন

► নবম-দশম শ্রেণির ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি’ বোর্ড বইটি চাকরির প্রস্তুতির জন্য খুবই দরকারি। এ বইটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভালো করে বুঝে বুঝে পড়লে নিয়োগ পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি অনেকাংশে হয়ে যাবে।

► এ ছাড়া আরো ভালো বা উচ্চতর প্রস্তুতির জন্য একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির প্রকৌশলী মুজিবুর রহমানের আইসিটি বইটি পড়তে পারেন। বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো পড়ার সময় রঙিন কালির কলম দিয়ে চিহ্নিত করে রাখতে পারেন। তাহলে পরে রিভিশনের ক্ষেত্রে সুবিধা হবে।

মডেল টেস্টভিত্তিক প্রস্তুতি

► ভালো প্রস্তুতির জন্য নিজেকে যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর এ জন্য মডেল টেস্টের বিকল্প নেই। বাজারে বিভিন্ন মডেল টেস্টের বই পাওয়া যায়, সেখান থেকে এই অংশের মডেল টেস্ট দিয়ে নিজের প্রস্তুতি যাচাই করে নিতে পারেন।

► আরো ভালো প্রস্তুতির জন্য নবম-দশম শ্রেণির তথ্য-প্রযুক্তি নৈর্ব্যক্তিক যে বইগুলো বাজারে পাওয়া যায়, সেখান থেকেও অনুশীলন করতে পারেন। মোট কথা, নৈর্ব্যক্তিক ফরম্যাটে আপনার অবস্থা যাচাই করতে পারবেন এবং আপনার দুর্বল জায়গাগুলো শনাক্ত করে আরো ভালো প্রস্তুতি নিতে পারবেন।

আপডেট থাকুন

► তথ্য-প্রযুক্তির অনেক তথ্য প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন আবিষ্কার ও উদ্ভাবন হচ্ছে। এ জন্য দৈনিক পত্রিকাগুলোর তথ্য-প্রযুক্তির পাতায় চোখ রাখতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো নোট করে রাখতে পারেন।

ব্যাবহারিক প্রস্তুতির কার্যকর কৌশল

আগেই বলেছি, কম্পিউটার ও তথ্য-প্রযুক্তির পুরো বিষয়টাই ব্যাবহারিক। এমনকি চাকরি পাওয়ার পরও অনেক ক্ষেত্রে আপনার ব্যাবহারিক দক্ষতা আপনাকে এগিয়ে রাখবে।

যেসব ব্যাবহারিক দক্ষতা বা জ্ঞান থাকা দরকার—

► দাপ্তরিক কাজে লেখালেখির জন্য মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা এমএস ওয়ার্ড সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত সফটওয়্যার। বাংলা ও ইংরেজি উভয় হরফে টাইপিংয়ে দক্ষ হতে হবে। একই সঙ্গে টাইপিং স্পিডও বাড়াতে হবে। এ জন্য প্রতিদিনই কিছু না কিছু টাইপ করুন। টাইপের সময় কোনো বই বা পত্রিকা দেখে টাইপ করতে পারেন। এভাবে নিয়মিত চেষ্টা করলে টাইপিংয়ে দক্ষতা চলে আসবে। কি-বোর্ডে যথাযথভাবে আঙুল রেখে কিভাবে দ্রুত টাইপ করা যায়, এ ব্যাপারে অনলাইনে সার্চ দিলে টিউটরিয়ালও পেয়ে যাবেন।

► হিসাব ও ডাটা অ্যানালিসিসের কাজে মাইক্রোসফট এক্সেল জানা থাকতে হবে। ইউটিউবে এক্সেল শেখার জন্য টিউটরিয়াল ভিডিও পর্ব আকারে পাওয়া যায়। এ ছাড়া ব্যক্তিগত বিভিন্ন হিসাব ও একাডেমিক কাজেও চর্চা জারি রাখতে এক্সেল ব্যবহার করতে পারেন। মাসিক আয়-ব্যয়ের প্রতিবেদন এক্সেলে গ্রাফ-চার্ট আকারে তৈরি করার চর্চা করুন।

► বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রেজেন্টেশনে অনেকেই পাওয়ার পয়েন্টে কাজ করেছেন। দাপ্তরিক কাজে উপস্থাপনার জন্য এ সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়। যাঁরা এর কাজ জানেন না, টিউটরিয়াল দেখে বা পরিচিতদের সাহায্যে এখনই শিখে ফেলুন।

► ই-মেইল পাঠানো বা চেক করার কাজে ইন্টারনেট ব্যবহার জানা থাকতে হবে। এ ছাড়া ওয়েবসাইট ব্রাউজিংয়ে দক্ষতা থাকা তো আবশ্যিকই বলা যায়।

অন্যান্য দক্ষতা

এ ছাড়া বেসিক গ্রাফিক ডিজাইন বর্তমানে প্রায় সব কাজেই লাগে। এ জন্য ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর শিখতে পারেন। পাশাপাশি স্ক্যানার ব্যবহারের নিয়মও শিখে রাখতে পারেন। এসব দক্ষতা বিভিন্ন চাকরির ব্যাবহারিক পরীক্ষায় আপনাকে যোগ্য প্রমাণ করবে।

যেখানে শিখবেন

ইউটিউবে প্রচুর ভিডিও টিউটরিয়াল পাবেন। ঘরে বসেই এগুলো শিখতে পারবেন। অনলাইনে এসব বিষয়ে সংক্ষিপ্ত কোর্সের সুযোগ আছে। এ ছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে কিংবা বেসরকারি পর্যায়ে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদি (৩, ৬ ও ১২ মাস) কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্স করানো হয়।

তথ্যসূত্র: কালেরকণ্ঠ, ২৮ নভেম্বর ২০২০

Photos from Arif Academy's post 30/09/2018
21/02/2018

২০০০থেকে ২০১৭ সালের বোর্ড এর গুরুত্বপূর্ণ
ব্যাসবাক্য সহ সমাস নির্নয় দেওয়া হলো
দ্বন্দ্ব সমাস
প্রদত্ত শব্দ. --- ব্যাসবাক্য --- সমাসের নাম
মরাবাঁচা ---- মরা ও বাঁচা --- দ্বন্দ্ব
দা -- কুমড়া ---- দা ও কুমড়া --- দ্বন্দ্ব
সৈন্য সামন্ত ---- সৈন্য ও সামন্ত --- দ্বন্দ্ব
রক্তমাংস ---- রক্ত ও মাংস --- দ্বন্দ্ব
ভরণপোষণ ---- ভোরণ ও পোষণকারী ---দ্বন্দ্ব
জনমানব ---- জন ও মানব --- দ্বন্দ্ব
সাত সতের ---- সাত ও সতের --- দ্বন্দ্ব
দুধভাত ---- দুধ ও ভাত --- দ্বন্দ্ব
সাপে--নেউলে ---- সাপে ও নেউলে --- দ্বন্দ্ব
দম্পতি ---- জায়া ও পতি --- দ্বন্দ্ব
লেনদেন ---- লেন ও দেন --- দ্বন্দ্ব
হিতাহিত ---- হিত ও অহিত --- দ্বন্দ্ব
অত্যাচারঅবিচার ---- অত্যাচার ও অবিচার ---
দ্বন্দ্ব
অলুক দ্বন্দ্ব সমাস
প্রদত্ত শব্দ. --- ব্যাসবাক্য --- সমাসের নাম
হাতে পায়ে ---- হাতে ও পায়ে --- অলুক দ্বন্দ্ব
দুধেভাতে ----- দুধে ও ভাতে --- অলুক দ্বন্দ্ব
বনেবাদারে ---- বনে ওবাদারে --- অলুক দ্বন্দ্ব
জন্ম মৃত্যু ---- জন্ম ও মৃত্যু --- অলুক দ্বন্দ্ব
মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস
প্রদত্ত শব্দ. --- ব্যাসবাক্য --- সমাসের নাম
সিংহাসন ---সিংহ চিহ্নিত আসন --- মধ্যপদলোপী
কর্মধারয়
হাঁটুজল --- হাঁটু পরিমান জল --- মধ্যপদলোপী
কর্মধারয়
পানাপুকুর --- পানা ভরা পুকুর --- মধ্যপদলোপী
কর্মধারয়
বিরানব্বই --- নব্বই অধিক দুই --- মধ্যপদলোপী
কর্মধারয়
শিক্ষামন্ত্রী --- শিক্ষা বিষয়ক মন্ত্রী ---
মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
পলান্ন --- পল মিশ্রিত অন্ন --- মধ্যপদলোপী
কর্মধারয়
মমতারস --- মমতা মিশ্রিত রস --- মধ্যপদলোপী
কর্মধারয়
ধর্মঘট --- ধর্ম রক্ষার্থে ঘট --- মধ্যপদলোপী
কর্মধারয়
আয়কর --- আয়ের উপর কর --- মধ্যপদলোপী
কর্মধারয়
সন্ধ্যা প্রদীপ --- সন্ধ্যা কাল জ্বালানো প্রদীপ
--- মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
জয় পতাকা --- জয় সূচক পতাকা --- মধ্যপদলোপী
কর্মধারয়
জ্যোৎস্নারাত --- জ্যোৎস্না শোভিত রাত ---
মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
ডাকবাক্স --- ডাক ফেলার বাক্স --- মধ্যপদলোপী
কর্মধারয়
উপমান কর্মধারয় সমাস
প্রদত্ত শব্দ. --- ব্যাসবাক্য --- সমাসের নাম
কুসুমকোমল ---- কুসুমের মতো কমল --- উপমান
কর্মধারয়
বজ্রকন্ঠ ---- বজ্রের ন্যায় কন্ঠ --- উপমান কর্মধারয়
শশব্যস্ত ---- শশকের ন্যায় ব্যস্ত --- উপমান
কর্মধারয়
কচুকাটা ---- কচুর মতো কাটা --- উপমান কর্মধারয়
কাজলকালো ---- কাজলের মতো কালো ---
উপমান কর্মধারয়
তুষারশীতল ---- তুষারের ন্যায় শীতল --- উপমান
কর্মধারয়
পদ্ম আঁখি ---- পদ্মের ন্যায় আঁখি --- উপমান
কর্মধারয়
বাহুলতা ---- বাহু লতার ন্যায় --- উপমান কর্মধারয়
চাঁদমুখ ---- চাঁদের ন্যায় মুখ --- উপমান কর্মধারয়
রক্তকোমল ---- রক্তের ন্যায় কোমল --- উপমান
কর্মধারয়
উপমিত কর্মধারয় সমাস
প্রদত্ত শব্দ. --- ব্যাসবাক্য --- সমাসের নাম
ফুলকুমারী ---- কুমারী ফুলের ন্যায় --- উপমিত
কর্মধারয়
মনবিহঙ্গ ---- মন বিহঙ্গের ন্যায় --- উপমিত
কর্মধারয়
বাহুলতা ---- বাহু লতার ন্যায় --- উপমিত কর্মধারয়
মুখচন্দ্র ---- মুখ চন্দ্রের ন্যায় --- উপমিত কর্মধারয়
করপল্লব ---- কর পল্লবের ন্যায় ---। উপমিত
কর্মধারয়
চরণকমল ---- চরণ কমলের ন্যায় --- উপমিত কর্মধারয়
রূপক কর্মধারয় সমাস
প্রদত্ত শব্দ. --- ব্যাসবাক্য --- সমাসের নাম
মোহনিদ্রা ---- মোহ রূপ নিদ্রা --- রূপক কর্মধারয়
মনমাঝি ---- মন রূপ মাঝি --- রূপক কর্মধারয়
যৌবনসূর্য ---- যৌবন রূপ সূর্য --- রূপক কর্মধারয়
অলসতন্দ্রা ---- অলস রূপ তন্দ্রা --- রূপক কর্মধারয়
জীবন নদী ---- জীবন রূপ নদী --- রূপক কর্মধারয়
বিষাদসিন্ধু ---- বিষাদ রূপ সিন্ধু --- রূপক কর্মধারয়
দিলদরিয়া ---- দিল রূপ দরিয়া --- রূপক কর্মধারয়
জীবন প্রদীপ ---- জীবন রূপ প্রদীপ --- রূপক
কর্মধারয়
পরাণ পাখি ---- পরাণ রূপ পাখি --- রূপক কর্মধারয়
দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস
প্রদত্ত শব্দ. --- ব্যাসবাক্য --- সমাসের নাম
দুঃখপ্রাপ্ত ---- দুঃখকে প্রাপ্ত --- দ্বিতীয়া
তৎপুরুষ
মাছধরা ---- মাছকে ধরা --- দ্বিতীয়া তৎপুরুষ
আমকুড়ানো ---- আমকে কুড়ানো --- দ্বিতীয়া
তৎপুরুষ
চিরসুখী ---- চিরকাল ব্যাপী সুখি --- দ্বিতীয়া
তৎপুরুষ
দেশভঙ্গ ---- দেশকে ভঙ্গ --- দ্বিতীয়া তৎপুরুষ
নবীনবরণ ---- নবীনকে বরণ --- দ্বিতীয়া তৎপুরুষ
বিস্ময়াপন্ন ---- বিস্ময়কে আপন্ন --- দ্বিতীয়া
তৎপুরুষ
পৃষ্ঠপ্রদর্শন ---- পৃষ্ঠকে প্রদর্শন --- দ্বিতীয়া
তৎপুরুষ
অতিথিসৎকার ---- অতিথিকে সৎকার --- দ্বিতীয়া
তৎপুরুষ
প্রাণবোধ ---- প্রানকে বোধ --- দ্বিতীয়া তৎপুরুষ
রথচালন ---- রথকে চালনী --- দ্বিতীয়া তৎপুরুষ
তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস
প্রদত্ত শব্দ. --- ব্যাসবাক্য --- সমাসের নাম
বাকবিতণ্ডা ---- বাক দ্বারা বিতন্ডা --- তৃতীয়া
তৎপুরুষ
ছায়াশীতল ---- ছায়া দ্বারা শীতল --- তৃতীয়া
তৎপুরুষ
মধুমাথা ---- মধু দিয়ে মাখা --- তৃতীয়া তৎপুরুষ
মেঘলুপ্ত ---- মেঘ দ্বারা লুপ্ত --- তৃতীয়া তৎপুরুষ
শ্রমলব্ধ ---- শ্রম দ্বারা লব্ধ --- তৃতীয়া তৎপুরুষ
জনাকীর্ণ ---- জন দ্বারা আকীর্ণ --- তৃতীয়া
তৎপুরুষ
মনগড়া ---- মন দ্বারা গড়া --- তৃতীয়া তৎপুরুষ
ঢেঁকিছাটা ---- ঢেকি দ্বারা ছাটা --- তৃতীয়া
তৎপুরুষ
জ্ঞানশূন্য ---- জ্ঞান দ্বারা শূন্য --- তৃতীয়া
তৎপুরুষ
পদদলিত ---- পদ দ্বারা দলিল --- তৃতীয়া তৎপুরুষ
অঙ্গুলিসংকেত ---- অঙ্গুলি দ্বারা সংকেত ---
তৃতীয়া তৎপুরুষ
ন্যায়সঙ্গত ---- ন্যায় দ্বারা সঙ্গত --- তৃতীয়া
তৎপুরুষ
জলসেচন ---- জল দ্বারা সেচন --- তৃতীয়া তৎপুরুষ
তমসাচ্ছন্ন ---- তমসা দ্বারা আচ্ছন্ন --- তৃতীয়া
তৎপুরুষ
যুক্তিসঙ্গত ---- যুক্তি দ্বারা সঙ্গত --- তৃতীয়া
তৎপুরুষ
শোকার্ত ---- শোক দ্বারা আর্ত --- তৃতীয়া তৎপুরুষ
রাজদত্ত ---- রাজা কর্তৃক দত্ত --- তৃতীয়া তৎপুরুষ
চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস
প্রদত্ত শব্দ. --- ব্যাসবাক্য --- সমাসের নাম
বিয়েপাগল ---- বিয়ের জন্য পাগল --- চতুর্থী
তৎপুরুষ
জয়মুকুট ---- জয়ের নিমিত্তে মুকুট --- চতুর্থী তৎপুরুষ
তপোবন ---- তপের নিমিত্তে বন --- চতুর্থী তৎপুরুষ
আয়কর ---- আয়ের উপর কর --- চতুর্থী তৎপুরুষ
হজ্জ্বযাত্রা ---- হজ্জ্বের জন্য যাত্রা --- চতুর্থী
তৎপুরুষ
জীবনবীমা ---- জীবনের জন্য বিমা --- চতুর্থী
তৎপুরুষ

21/02/2018

ইংরেজি শব্দের কিছু উচ্চারণ বিধি:
⭕ কোন শব্দের মধ্যে "T" এর পর U হলে "T" এর উচ্চারণ "চ" হবে। যেমন:- Future (ফিউচার), Century (সেনচুরী), Mixture, Fixture.
-
⭕ কোন শব্দে "D" এর পর G হলে "D" এর উচ্চারণ হয় না। যেমন:- Knowledge (নলেজ), Judge(জাজ), Bridge, Coleridge.
-
⭕ K এর পর n হলে K এর উচ্চারণ হয় না। যেমন:- Know (নো), Knee (নী), Knife (নাইফ), Knowledge (নলেজ)।
-
⭕ G এর পর Vowel থাকলে G এর উচ্চারণ "গ" হয়। যেমন:- Garden (গার্ডেন), Good (গুড), Guide (গাইড), Give, Get, Gift।
-
⭕ S এর পর H হলে S এর সর্বদা "শ" হয়। যেমন:- Bangladesh (বাংলাদেশ), Bush, Cash.(সাধারণত word এর শেষে)
-
⭕ W এর পর h/r হলে W এর উচ্চারণ হয় না। যেমন:- Write (রাইট), Wrong (রং), Who (হু), Wh-question এর সব।
-
⭕ T এর পর io হলে "T" এর উচ্চারণ "শ" হয়। যেমন National (ন্যাশনাল)।
-
⭕ i/u এর পর gh হলে gh এর উচ্চারণ হয় না, যদি হয় "ফ" এর মত হবে। যেমন:- Eight (এইট), Right (রাইট), High (হাই), Enough (এনাফ), Cough (কফ)।
-
⭕ ng একত্রে হলে ং"এর উচ্চারণ হয়। যেমন:- Bangladesh (বাংলাদেশ)।
-
⭕ শব্দের শেষে e থাকলে "e" এর উচ্চারণ হয় না। যেমন:- Name (নেইম), Come (কাম), Take (টেক)।
-

কখন 'দি' আর কখন 'দ্যা' উচ্চারণ হবে?
সূত্র: দাদির CV
শব্দটি consonant দ্বারা শুরু হলে হলে উচ্চারণ 'দ্যা' হয়।
শব্দটি vowel দ্বারা শুরু হলে উচ্চারণ 'দি' হয়।

⭕ যখন কোন শব্দে gm বা gn থাকলে G এর উচ্চারণ Silent হয়। অর্থাৎ, G এর পরেই যদি "n"/ 'm' থাকে তবে G silent থাকে। Example:
1.Sign (সাইন) - চিহ্ন।
2.Campaign (ক্যামপেন) - প্রচার।
3.Reign (রেইন) - শাসন।
4.Design (ডিজাইন) - নকশা।
5.Resign (রিজাইন) - পদত্যাগ।
-
⭕ C-এর উচ্চারণ কখন 'ক' আর কখন 'স' হবে ?
Rule (1): C-এর পরে যদি A, L, O, R, U হয় তাহলে তার উচ্চারণ 'ক' হয়। কিছু সহজ উদাহরণ পড়ে মিলিয়ে দেখুন:-
Can (v, ক্যান্) - পারা।
Class (n, ক্লাস্) - শ্রেণি।
Colour (n, কালার্) - রং।
Cup (n, কাপ্) - পেয়ালা।
Crime (n, ক্রাইম্) - দুর্নীতি।
(i & e ব্যাতিত যেকোন vowel যদি C পরে বসে তবে উচ্চারণ 'ক' হবে।)
Rule (2): C-এর পরে যদি I, E, Y থাকে তাহলে তার উচ্চারণ 'স' হবে। দেখে নিই কিছু সহজ উদাহরণ:-
Center (n, সেন্টার্) - কেন্দ্র।
Ceiling (n, সিলিং) - ভেতরের দিকের ছাদ।
Cinema (n, সিনেমা) - প্রেক্ষাগৃহ।
Cyclist (n, সাইক্লিস্ট্) - সাইকেল চালক
Rule (3): C এর পরে যদি 'h' থাকে তবে উচ্চারণ 'চ' এর মতো হবে। যেমন- Cheese -চিজ।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Dhaka

Opening Hours

17:00 - 18:00