Institute of Leather Engineering and Technology - ILET, University of Dhaka

Institute of Leather Engineering and Technology - ILET, University of Dhaka

Share

It's a institute of University of Dhaka under A unit. N.B. You have to get RIKSA or CNG after reaching Jigatola Bus stand. Director: Professor Marufa Mahbub.

Institute of Leather Engineering & Technology, University of Dhaka is an educational institution in Hazaribagh, Dhaka-1209. Bangladesh that provides education related to the art and technology of making leather, leather products and footwear. The institute offers graduate courses through the University of Dhaka certificate courses and short-term courses. Institute of Leather Engineering & Technolo

বিদেশি শব্দঃ ফারসি 04/11/2020

বিভিন্ন ভাষার শব্দ থেকে বাংলা ভাষার শব্দ ভান্ডার সৃষ্টি হয়েছে।
প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষাসহ, বিভিন্ন প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষায় এই সব বিদেশি শব্দ আসে।
শর্ট টেকনিক দিয়ে সহজেই মনে রাখুন।

বিদেশি শব্দঃ ফারসি

Apache HTTP Server Test Page powered by CentOS 22/11/2019

Dhaka University 🎓
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা মহান বিজয়ের মাসের ১ম দিন অর্থাৎ ১ ডিসেম্বর থেকে মার্কশিট ও সার্টিফিকেট তোলার আবেদন অনলাইনের মাধ্যমে করতে পারবেন।

সেবা পেতে https://service.du.ac.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রত্যেক শিক্ষার্থী তার অনলাইন ড্যাশবোর্ড থেকে আবেদন করতে পারবেন। ড্যাশবোর্ড ব্যবহার করার জন্য শিক্ষার্থীকে প্রথমে সাইন-আপ করতে হবে। অনলাইনে আবেদন করার পর আবেদনকারীর তথ্য যাচাই করে অনলাইনেই তাকে পিডিএফ ফরম্যাটে একটি পে-স্লিপ পাঠানো হবে। এই পে-স্লিপটি প্রিন্ট করে জনতা ব্যাংকের যে কোনো শাখায় ফি জমা দেয়া যাবে। ফি জমা হওয়ার সাথে সাথে শিক্ষার্থী তা ড্যাশবোর্ডে দেখতে পাবেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব পরিচালকের দপ্তরও তাৎক্ষণিকভাবে তা জানতে পারবে। আবেদন ফরম পূরণ করা থেকে শুরু করে সার্টিফিকেট-মার্কশিট উত্তোলন পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি ৬টি ধাপে সম্পন্ন হবে, যার অগ্রগতি শিক্ষার্থী তার ড্যাশবোর্ড থেকে প্রত্যক্ষ করতে পারবেন।

হল এবং লাইব্রেরি সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা অপরিবর্তিত থাকলেও, এই কার্যক্রম শুরু হবার পর শিক্ষার্থীদেরকে পূর্বের ন্যায় আবেদন ফরম উত্তোলন, তথ্য সংশোধনের বা ফি এর পরিমাণ লিখিয়ে আনার জন্য বারবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে আসতে হবে না। আমরা বিশ্বাস করি, নতুন পদ্ধতিতে হিসাব রক্ষণ অনেক দ্রুত ও সহজ হবে এবং স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে।

সাধারন ছাত্র ছাত্রীদের প্রানের দাবী ডিজিটাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে আরেকধাপ এগিয়ে গেলাম আমরা...
ধন্যবাদ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, আইসিটি সেল সহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে।

Apache HTTP Server Test Page powered by CentOS This page is used to test the proper operation of the Apache HTTP server after it has been installed. If you can read this page it means that this site is working properly. This server is powered by CentOS.

21/11/2019

Subject Review last part
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় -Intstitute of Leather Engineering and Technology-১৫০টি:
যেখানে তিনটি ডিপার্টমেন্টে (লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং-৫০টি, লেদার প্রোডাক্ট ইঞ্জিনিয়ারিং-৫০টি, ফুটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং-৫০টি) করে সীট রয়েছে।
*কুয়েট- ৬০টি:
যেখানে,(লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং-৬০টি) সীট ।

***অর্থাৎ, মাত্র ২১০ জন প্রতি বছর এ সাবজেক্ট পড়ার সুযোগ পাচ্ছে আর পাস করে বের হচ্ছে যা সেক্টরের চাহিদার তুলনায় খুবই কম। তাছাড়া এই ডিপার্টমেন্টের ল্যাব ও পরিচালনার অন্যান্য খরচ খুব বেশি হওয়ায় প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি গুলিতে এই ডিপার্টমেন্ট নেই আর ভবিষ্যতে চালু হওয়ার সম্ভাবনাও কম। এজন্য, জব সেক্টরে গিয়ে জব পাওয়ার কম্পিটিশনের চিন্তা প্রায় নেই বললেই চলে।

***বাংলাদেশে প্রস্তুতকৃত চামড়ার গুণগতমান ভালো হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারেও এর বেশ কদর রয়েছে।বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি দেশে প্রায় সাড়ে চার হাজার ছোট জুতা ও চামড়াজাত পণ্য তৈরির কারখানা রয়েছে।এসব প্রতিষ্ঠানে প্রক্রিয়াজাত চামড়া ও জুতার পাশাপাশি নানা ধরনের চামড়াজাত পণ্য তৈরি হচ্ছে।.ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড যুদ্ধ চলায় আর বাংলাদেশে লেবার কস্ট কম হওয়ায় নানান বড় বড় বিদেশি লেদার প্রোডাক্ট ও ফুটওয়্যার কোম্পানিগুলো এ দেশে তাদের ইন্ডাস্ট্রি স্থাপন করছে । যেমন Gucci, Tommy Hilfiger, Timberland, Picard, Adidas, Nike, Puma এর মতন বড় বড় ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি।বর্তমানে চীন,কোরিয়া সহ বিভিন্ন উন্নত দেশগুলো তাদের লেদার ও ফুটওয়্যার বিজনেসগুলোকে স্হানান্তর করছে বাংলাদেশে।তাছাড়া এখনই ৫০ টির মতো বিদেশি কোম্পানি আছে যারা চামড়াজাত পণ্য উৎপাদন করে। বিদেশি ফুটওয়্যার ইন্ড্রাস্ট্রি আছে 200 এরও অধিক।কিন্তু এসকল industry এর জন্য যে পরিমান দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার দরকার তা fulfill করতে পারছে না বাংলাদেশ। ফলশ্রুতিতে বিদেশ থেকে Leather Engineer বাংলাদেশে আনা হচ্ছে। তাই বুঝতেই পারছ নিজেকে একজন দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে গড়ে নিতে পারলে তোমার জন্য উজ্জ্বল ভবিষ্যত্ অপেক্ষা করছে। এজন্য তুমি দেশে থেকেই নিজের পছন্দ মতো বিদেশি কোম্পানিতে চাকরি করে, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারবে এবং ক্রমাগত দেশের অর্থনৈতিক অবস্হার উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবে।

***এই সাবজেক্টের নাম শুনে অনেকে কর্মক্ষেত্র নিয়ে নাক ছিটকায়। অনেকে না জেনেই ধরে নেয় যে একজন Leather Engineering স্টুডেন্ট এর কাজ হয়তো শুধু ট্যানারিতে। কিন্তু এটা পুরোপুরি ভুল ধারণা। একজন লেদার ইঞ্জিনিয়ার যে সকল সেক্টরে job করতে পারে তা দেখা যাক:
• As Leather Engineer
• As Chemical engineer
• In Footwear Industry
• In Leather Products Industry
• In Leather Products Development Industry
• In Polymer Industry
• In Dyeing Industry
• Waste Management Industry
• Renewable Energy

‌***তুমি যদি অত‍্যধিক পরিশ্রমী এবং সংযমী হতে পারো তবেই লেদার সেক্টরে উন্নতি করতে পারবে। তোমাকে পরিশ্রম করে অর্জন করে নিতে হবে কোনো কিছুই আপনাআপনি হবে না। তোমার ইচ্ছা এবং আন্তরিকতা থাকতে হবে। Dedicated হতে হবে পড়ালেখা, সেক্টর এবং তোমার কাজেএর প্রতি আর এ ধরনের মানসিকতা নিয়ে এগোতে পারলে 5-6 বছরের মধ্যে 6 ডিজিট পর্যন্ত স্যালারি পাওয়া কঠিন কিছু না।

‌***শুধুমাত্র লেদার সেক্টরেই নয় বিসিএস,নির্বাচন কমিশন,এনএসআই, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো,লেদার রিসার্স ইন্সটিটিউট,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এলএসবিপিসি,অর্থ মন্ত্রণালয়াধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ইত্যাদি ক্ষেত্রে চাকরির যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।তাছাড়াও শিক্ষকতারও বড় সুযোগ রয়েছে ।কারণ বাংলাদেশে চামড়া শিল্পের উন্নতির সাথে সাথে লেদার ইঞ্জিনিয়ার গ্র্যাজুয়েটের ঘাটতি মেটাতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ডিপার্টমেন্ট খোলা হবে তাই সেখানে শিক্ষকতার যথেষ্ট সুযোগ থাকবে।

***এখন আসা যাক Leather Engineering বিভাগে যেসব subject গুলো পড়ানো হয় তার সম্পর্কে।অনেকেই সাবজেক্টের নাম শুনে ভাবতে পারে এই ডিপার্টমেন্টে শুধু চামড়া নিয়েই পড়ানো হয়, কিন্তু তা একেবারেই ভুল। এই সাবজেক্টে একটি প্রফেশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের প্রায় সব সাবজেক্ট পড়ানো হয়। এর পাশাপাশি লেদার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এসব Core subject গুলো পড়ানো হয়
*Biochemistry of proteins, *principles of Pre-Tannage,*Analytical chemistry of pre –Tanning materials, *Biotechnology of Leather manufacture,*Mechanics Leather Machines, *Methods of leather manufacture,* Post tanning operations, *Analytical Chemistry of Post tanning & finishing agents,*Analytical Chemistry of leather, *Footwear Engineering and Leather products Engineering.

***এই বিষয় গুলো ছাড়াও চার বছরের কোর্সের এই ডিপার্টমেন্ট টিতে প্রথম ২ বছরে ডিপার্টমেন্টল সাবজেক্ট এর পাশাপাশি-
*Basic Electrical Engineering, *Computer fundamental and programming , *computer aided graphics design, *Basic Mechanical Engineering, ইত্যাদি বিষয়গুলো সহ *Inorganic and Organic Chemistry, *Mathematics, *Physics, *Accounting,* English, and *Economics সাবজেক্ট গুলোও পড়ানো হয়।

***Leather Engineering এ B.Sc Engineering পাশ করার পর শিক্ষার্থীরা Leather Engineering এ M.Sc করার পাশাপাশি Chemical Engineering , Industrial Engineering, environmental science ইত্যাদি ডিপার্টমেন্ট এও M.Sc Engineering পড়তে পারে।

***Higher studies এ ব্যাপক সম্ভাবনা। আমাদের অনেক সিনিয়র আপু ভাইয়ারা এখন দেশের বাহিরে পড়াশুনা করছেন। সাধারণত Environmental science, chemical engineering, material science, polymer science, designing এগুলোতে আপনি সহজেই higher studies এর জন্য apply করতে পারবে। Leather নিয়ে higher study করতে চাইলে China, Canada, Australia, Germany and England এ স্কলারশিপের সুবিধা রয়েছে।

***সব ডিপার্টমেন্টেই মোটামুটি কিছু না কিছু সমস্যা থাকে। কোনও ডিপার্টমেন্ট ই স্বয়ংসম্পূর্ণ নয় আর বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটাই স্বাভাবিক। ঠিক তেমনি এই ডিপার্টমেন্টের একটি অন্যতম সমস্যা হল ইনস্টিটিউটের ক‍্যাম্পাস মেইন ক্যাম্পাস থেকে কিছুটা দূরে হাজারিবাগে অবস্থিত। মেইন ক্যাম্পাস থেকে গাড়িতে প্রায় পনেরো থেকে বিশ মিনিটের মত দূরত্। প্রধানত এজন্যই ভালো সাবজেক্ট হওয়া সত্ত্বেও এই ইনস্টিটিউটের সাবজেক্ট গুলোর অবস্থান এতদিন পিছনের দিকে ধরা হয়ে আসছে। কিন্তু এই বছর থেকে মেইন ক্যাম্পাসে যাতায়াতের জন্য লেদার ইনস্টিটিউটের নিজস্ব দুইটি বাস চালু করা হয়েছে। তাই আগে যাতায়াতের সমস্যা থাকলেও এখন নিয়মিত বাস চলাচল করায় ওই সমস্যা আর নেই বললেই চলে। ইনস্টিটিউটের খারাপ দিক এর মধ্যে বলা যেতে পারে প্রথম কিছু দিন মেইন ক্যাম্পাস থেকে ডিপার্টমেন্ট দূরে হওয়ায় অনেকে কিছুটা হতাশ হয়ে পড়ে কিন্তু কিছুদিন পর সে হতাশা কেটে যায় । কারণ, ডিপার্টমেন্ট ঢাকা ভার্সিটির অন্যান্য ডিপার্টমেন্ট এর মত মেইন ক্যাম্পাসের মধ্যে না হলেও ভার্সিটি লাইফ অন্যান্য সকল ঢাবিয়ানদের মতোই উপভোগ করে এবং ভার্সিটির সকল প্রোগ্রামে অন্যান্য ডিপার্টমেন্টের স্টুডেন্টদের মতোই অংশগ্রহণ করে। আর নিয়মিত মেন ক্যাম্পাস আর ILET ক্যাম্পাসে যাতায়াতের ফলে দূরত্বটা বেশ কমে আসে মনে হয়। আর ভর্তি হওয়ার পর ক্যাম্পাসে আসলে সেক্টরের বড় ভাইয়া আপুদের অবস্থান দেখতে পাবে আর এই সাবজেক্টের অন্যান্য স্কোপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবে, তখন আর কোনও ডিপ্রেশন থাকবে না। একটু পিছনের দিকে সিরিয়াল থেকেও এত ভাল সাবজেক্টে পড়লে এসব নিয়ে কোনও ডিপ্রেশনে থাকার কথাও না।

***এবার আসা যাক অন্যান্য সুযোগ সুবিধার কথায়-
*ক্যাম্পাসের পাশেই ছেলেদের জন্য স্বতন্ত্র হল এবং মেয়েদের জন্য হোস্টেল আছে যেখানে শুধু Institute এর শিক্ষার্থীরাই থাকতে পারে।এ জন্য প্রথম বর্ষ থেকেই এখানে ভালোভাবে থাকার সুযোগ সুবিধা পাবে। ফলে থাকার জন্য আলাদা কোনো ঝামেলা পোহাতে হয় না।
*তোমার যদি উদ্যোক্তা হওয়ার ইচ্ছা থাকে তাহলে লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং তোমার জন্য হবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ডিপার্টমেন্ট। যেহেতু ট্রেড যুদ্ধের সুবাদে এ দেশে চামড়া খাতে বৈদেশিক ইনভেস্টম্যান্ট প্রতি বছর বৃদ্ধি পাচ্ছে, তার সাথে তাল মিলিয়ে দিন দিন বাংলাদেশে নতুন নতুন চামড়ার ইন্ডাস্ট্রির প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে । এজন্য, চামড়া শিল্পে কোন লেদার ইঞ্জিনিয়ারের চাকুরির যথেষ্ট অভিজ্ঞতা অর্জনের পর নিজের ইন্ডাস্ট্রি দেবার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

***শ্রমবাজার তুলনামূলক কম হওয়ায় এবং কাঁচামাল প্রাচুর্যতার কারণেই বর্তমানে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের শক্তিশালী ক্ষেত্র হয়ে দাঁডিয়েছে এই সেক্টরটি।বাংলাদেশে এই সেক্টরে যে পরিমাণ দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার প্রয়োজন,বর্তমানে রয়েছে তার তুলনায় অনেক কম। তাই সামনের দিনগুলোতে লেদার ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য এক অপার সম্ভাবনা অপেক্ষা করছে।তাই লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্টে পড়ালেখার মাধ্যমে তুমিও হয়ে উঠতে পারো এ সেক্টরের একজন দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার এবং গড়তে পারো তোমার উজ্জ্বল ক্যারিয়ার।

20/11/2019

Subject Review
আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর সবচেয়ে নতুন ও সম্ভাবনাময় ইন্জিনিয়ারিং সাবজেক্ট ইনস্টিটিউট অফ লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি / Institute of Leather Engineering and Technology-(ILET) সম্পর্কে কথা বলব।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের “ক” ইউনিট এর পরীক্ষার্থীদের জন্য এ সাবজেক্টটি নিঃসন্দেহে পছন্দের শীর্ষে থাকবে বলা যায়। তুমি যদি অল্প সময়ে মেধা আর পরিশ্রম দিয়ে আকর্ষণীয় ক্যারিয়ার তৈরি করতে চাও তাহলে ILET (লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং-৫০টি, লেদার প্রোডাক্ট ইঞ্জিনিয়ারিং-৫০টি, ফুটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং-৫০টি) তোমার জন্য বেশ ভাল একটি অপশন। এই সাবজেক্ট গুলোর বিশেষত্ব হল পাশ করে বের হওয়ার আগেই চাকরির নিশ্চয়তা আর তুলনামূলক অল্প সময়ে উচ্চ স্যালারির জব করা সম্ভব। এখন তোমার মনে নিশ্চয়ই প্রশ্ন জাগতে পারে এই সাবজেক্টে পড়লে এত সুযোগ সুবিধা কেনই বা পাব? অথবা এখন যেখানে বাংলাদেশে ভুরি ভুরি ইঞ্জিনিয়ার প্রতি বছর বের হয় সেখানে একজন লেদার ইঞ্জিনিয়ার কেন বা কীভাবে অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ার থেকে ব্যতিক্রম জায়গা দখল করবে?

***এর মূলত কারণ হল বাংলাদেশ চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য যেমন-ফুটওয়্যার,ব্যাগ,খেলার সামগ্রী, জুতা,মানিব্যাগ,জ্যাকেট সহ বিভিন্ন বিলাসবহুল চামড়াজাত পণ্য থেকে প্রতি বছর প্রায় ১৫০০ কোটি ডলার আয় করে আর আগামী ২০২২ সালের মধ্যে তা পাঁচ হাজার কোটি ডলারে গিয়ে দাঁড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এজন্যই বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনের দিক থেকে বাংলাদেশে চামড়া শিল্পের অবস্থান চতুর্থ। কিন্তু দিন দিন চামড়া শিল্পের পরিধি বৃদ্ধি পেলেও এত বড় ইন্ডাস্ট্রি পরিচালনা করার জন্য আমাদের দেশে পর্যাপ্ত লেদার ইঞ্জিনিয়ার গ্র্যাজুয়েট তৈরি হয় না। কারণ বাংলাদেশে শুধু দুটো ইউনিভার্সিটিতে এই সাবজেক্টটি পড়ানো হয় । তাই এ সেক্টরে গ্র্যাজুয়েটদের জব প্রচুর।এমনকি বিএসসির ফাইনাল ইয়ারের পরীক্ষার রেজাল্ট পাওয়ার আগেই জবের অফার এসে পড়ে। লেদার ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ হল এসব লেদার প্রোডাক্ট নিয়ে রিসার্স এন্ড ডেভেলপমেন্ট, প্রোডাক্ট ডিজাইনিং, মার্চেন্টাজিং, প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং, মাস প্রোডাকশন ইত্যাদি সেক্টরে কোম্পানির অফিসার ও এগ্জিকিউটিভ পদে কাজ করা। এছাড়াও লেদার ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য আরও অনেক কর্মক্ষেত্র রয়েছে যা নিয়ে নিচে আলোচনা করা হয়েছে। তাই তুমি তোমার প্যাশন অনুসারে নিজের কর্মক্ষেত্র বাছাই করে নিজের উজ্জ্বল ক্যারিয়ার গড়ে নিতে পারবে।

***এক নজরে বাংলাদেশের মোট লেদার ইঞ্জিনিয়ার সাবজেক্টের সিট সংখ্যা দেখে নেওয়া যাক-
*ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় -Intstitute of Leather Engineering and Technology-১৫০টি:
যেখানে তিনটি ডিপার্টমেন্টে (লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং-৫০টি, লেদার প্রোডাক্ট ইঞ্জিনিয়ারিং-৫০টি, ফুটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং-৫০টি) করে সীট রয়েছে।
*কুয়েট- ৬০টি:
যেখানে,(লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং-৬০টি) সীট ।

31/10/2019

# A_student studying in Russia says:
The highest score for most of the exams in Russia is 5.
If a student does not answer any question and returns back his exam paper blank, with no question answered, he gets 2 out of 5.

In my first days at the University of Moscow, I did not know about this system and I was surprised and asked Dr. Theodor Medraev: "Is this fair that a student did not answer any question and you give him 2 out of 5? Why not give him a zero ?
Isn't that the right way ?"

He answered:
"How can we give a Human Being a zero ?
How can we give him a zero to someone who was getting up at 7 am to attend all the lectures ?
How can we give him a zero since he got up in this cold weather, and used public transport and reached to do the exam in time, and tried to solve the questions ?
How can we give him a zero for the nights he used to study and spent his money on pens and notebooks and bought a computer for studying ?
How can we give him a zero when he left all other life styles and pursued his studies ?
Here my son, we do not give a zero to a student just because he did not know the answer.
We at least try to respect the fact that this is a Human Being, and he is having a brain, and he tried.
Because this result which we give, is not just for the questions in the exam paper, it is also about showing appreciation and respect to the fact that this is a Human Being and deserves to have a score."

Truly I cried and did not know how to respond.
There I knew my value as a Human Being.

Zeros can actually decrease motivation on students, and can quickly destroy them and make them stop caring about their studies altogether.
Once a zero score has been put in the grade book, they need no longer care about that subject and they may assume that, there’s nothing they can do about it.
Today I tell my story as a message to our teachers, so as to change this shabby system of education which we have in our country.


© Amn Orakzai

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Dhaka
1209

Opening Hours

Monday 08:00 - 16:00
Tuesday 08:00 - 16:00
Wednesday 08:00 - 16:00
Thursday 08:00 - 16:00
Sunday 08:00 - 16:00