30/08/2025
অনেক আগেই আওয়াজ উঠানো দরকার ছিল। সমর্থন করছি...
A page for business learners who want to share their ideas related to business studies.
Finance, Banking, Insurance, Accounting,Marketing as well as Business related information, discussion, lecture can be found in this page......
30/08/2025
অনেক আগেই আওয়াজ উঠানো দরকার ছিল। সমর্থন করছি...
15/10/2024
Alham du lillah....
08/08/2024
নির্ঝর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের বিএনসিসি প্লাটুন ট্রাফিক সিস্টেম বজায় রাখতে ঢাকার বিজয় সরণীতে সতর্কতার সাথে সহযোগিতা করছে....
"ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের সাফল্যমন্ডিত ক্যারিয়ার গড়ার উপায়।"
‘ Our attitude toward life determines life’s attitude towards us.”-John N. Mitchell.
উল্লিখিত উক্তিটি জিবনের প্রতি আমাদের করণীয় নির্ধারণ করে দেয়। কোনো বিভাগ কোনো শিক্ষার্থীর জিবনের সাফল্য নির্ধারণ করে না। যে কোনো বিভাগ থেকে যে কেউ সাফল্য লাভ করতে পারে। তাহলে আমরা ব্যর্থ হচ্ছি কেন? এর উত্তর হচ্ছে আমাদের আচরণ কিংবা মানসিকতা। পূর্বের চেয়ে বর্তমানে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ভাল ক্যারিয়ার গড়া অনেকটাই সহজ। আমার সাথে এক্ষেত্রে অনেকের দ্বিমত থাকতে পারে। কিন্তু বাস্তবতার নিরিখে বিচার-বিশ্লেষণ করলে সহমত পোষণ করবেন। বর্তমানে অধিকাংশ শিক্ষার্থী বিজ্ঞান বিভাগে পড়তে চায় এবং পড়ছে। পুর্বে যারা পড়ালেখায় খুব মনোযোগি , নিয়মিত, বিজ্ঞান বিষয়ে অধিক আগ্রহী ছিল তারা বিজ্ঞান বিভাগে পড়ালেখা করতো। বর্তমানে পরিস্থিতি কিন্তু অন্যরকম। এখন নিয়মিত, অনিয়মিত, মনোযোগি, অমনোযোগি, সবাই চাচ্ছে বিজ্ঞান বিভাগে পড়তে। তাই বিজ্ঞান বিভাগে প্রতিযোগিতা অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে ব্যাবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগে পূর্বের চেয়ে ভাল মানের শিক্ষার্থীর সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে। ফলে ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগে প্রতিযোগিতা পূর্বের তুলনায় হ্রাস পেয়েছে। কলেজ ভর্তির সময় বিষয়টি লক্ষ্য করা যায়। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এ প্লাস পাওয়ার পরেও অনেকে কাঙ্ক্ষিত কলেজে ভর্তি হতে পারছে না। অপরদিকে, মানবিক কিংবা ব্যবসায় শিক্ষা থেকে জিপিএ ৪ বা ৪.৫০ পেয়ে কাঙ্ক্ষিত কলেজে ভর্তির সুযোগ পাচ্ছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির মহাযুদ্ধে একই রকম পরিস্থিতি লক্ষণীয়। আমার অনেক শিক্ষার্থী এ প্লাস না পেয়েও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়ছে। এ পরিস্থিতিতে যদি কোন শিক্ষার্থী ব্যবসায় শিক্ষা কিংবা মানবিক বিভাগে পড়ে তাহলে তার সাফল্যমন্ডিত ক্যারিয়ার তুলনামূলকভাবে সহজেই গড়া সম্ভব। এবার আলোচনা করা যাক ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বিসিএস, সরকারি বিভিন্ন চাকুরি, ব্যাংক, বিমা, মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি, শেয়ার বাজার, শিক্ষকতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চাকুরির অবারিত সুযোগ রয়েছে। যারা স্বাধীনচেতা মনোভাবের তাদের জন্য ব্যবসায়ী বা উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশের সুযোগ থাকছে এ বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য। ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার যেভাবে সেবা প্রদান করে তেমনি সিএ, এফসিএ, ডিগ্রী অর্জন করে আর্থিক সেবা প্রদান করেও উপার্জনের সুযোগ রয়েছে। উন্নত দেশগুলোতে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের উচ্চতর ডিগ্রির বেশ কদর রয়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও এমবিএ,সিএ, এফসিএ এর মত প্রফেশনাল ডিগ্রীগুলোর অনেক চাহিদা লক্ষ্য করা যায়।
আমাদের দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির ধারা অব্যাহত থাকায় উক্ত ডিগ্রীগুলোর কদর আমাদের দেশেও বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাফল্য লাভের জন্য এ বিভাগের শিক্ষার্থীদের কিছু করণীয় রয়েছেঃ
# ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ভর্তি হওয়ার পর পড়ালেখায় মনোযোগি হওয়া। কিছু শিক্ষার্থী মনে করে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে এত পড়ালেখা বা গুরুত্ব না দিলেও হয়। এ ধরনের অনীহা তাদের ক্যারিয়ার ধ্বংসের কারণ হতে পারে।
# বিশ্বের কোথায় কি ঘটছে, বৈশ্বিক ব্যবসায় পরিস্থিতি সম্পর্কে জ্ঞান রাখা। এক্ষেত্রে দৈনিক পত্রিকা পড়া, সাধারণ জ্ঞান সম্পর্কিত বইগুলো পড়ার অভ্যাস করতে হবে।
# চাকুরি প্রত্যাশীদের অনার্স প্রথম বর্ষ থেকেই বিসিএস, ব্যাংক জবের প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে।
# ইংরেজি ভাষার উপর দক্ষতা অর্জন করা। এ বিভাগের শিক্ষার্থীদের উচ্চতর শিক্ষা ইংরেজি মাধ্যমে গ্রহণ করতে হয়। তাই এ বিষয়ে দক্ষতা অর্জন অপরিহার্য।
# ''চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এ যুগে তথ্য প্রযুক্তির দক্ষতা আবশ্যকীয় যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অধিকাংশ কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো তথ্য-প্রযুক্তিভিত্তিক সেবা প্রদান করছে।
উপস্থাপনা, যোগাযোগ দক্ষতা, মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টশনে দক্ষতা অর্জন অতীব জরুরী।
সর্বোপরি, সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
কেউ যদি রাজশাহী যেতে চায় তাহলে তাকে রাজশাহীর পথে যাত্রা করতে হবে কিন্তু ভুল করে যদি সিলেটের পথে যাত্রা শুরু করে, সে যত দ্রুতগামী বাহনেই যাক না কেন সে সিলেটে পৌছাবে, রাজশাহীতে নয়। তাই সাফল্য লাভের জন্য সঠিক পরিকল্পনা করে এগিয়ে যেতে হবে। Ray T. Bennett বলেছেন, জীবনে অনেক বিষয় আছে যেগুলো তোমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে এবং যেগুলো নিয়ে মাথা ঘামানোরও মানে হয় না কারণ এর বাইরেও তোমার হাতে হাজার হাজার জিনিস রয়েছে যা তুমি বিজয় করতে পার।”
অনেক শিক্ষার্থীকে বলতে শুনেছি অন্যরা কি ভাববে, কি বলবে ইত্যাদি। এগুলো নিয়ে ভাবা যবে না বরং আমাকেই আমার পথে নিরন্তর চলতে হবে। Apoorve Dubay এর একটি উক্তি উল্লেখ করে সমাপ্তি টানছি, ‘ওরা তোমাকে নিয়ে ঠাট্টা করুক, তোমাকে নিয়ে হাসুক, তোমাকে আঘাত করুক, অবজ্ঞা করুক তাতে কিছুই হবেনা। কিন্তু তারা যেন তোমাকে থামাতে না পারে।”
মো. নজরুল ইসলাম
প্রভাষক (ফিন্যান্স,ব্যাংকিং ও বিমা)
নির্ঝর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ
23/07/2020
An Ideal Institution where students learn how to prepare for the bright future.....
An exclusive institution..
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=1109923829376198&id=168669980168259&d=null&vh=e
This video is all about the limitations of money supply in economy by the central bank. This video shows the reason why govt. doesn"t print more currency.
07/04/2020
নতুন পৃথিবীর নতুন মুদ্রা
সময়ের দাবিই হচ্ছে পরিবর্তন। আপনি পরিবর্তনকে স্বাগত না জানালেও পরিবর্তন তার সহজাত প্রবৃত্তি অনুযায়ী আপনার সামনে এসে হাজির হবে। স্বাভাবিক নিয়মে এ পরিবর্তন মুদ্রা ও বিনিময় ব্যবস্থাকেও নতুন রুপদান করে থাকে। শামুক,ঝিনুক,কড়ির মাধ্যমে মুদ্রাব্যবস্থা শুরু হলেও পরবর্তীকালে কাগজীমুদ্রা,ধাতবমুদ্রা এবং বর্তমানে প্লাস্টিক মানির ব্যাপক ব্যবহার মুদ্রা ব্যবস্থাকে সুসংহত করেছে। বর্তমানে স্বল্প পরিসরে শুরু হয়েছে ভার্চুয়াল মুদ্রা ব্যবস্থা যেখানে মুদ্রাকে টাকা বা ডলারের মতো ছাপানোর প্রয়োজন পড়ে না। অনলাইনে এ মুদ্রার অবস্থান ; যেভাবে আপনার মোবাইলে ব্যালেন্স থাকে তেমনি অনলাইনে আপনার আইডিতে ভার্চুয়াল মুদ্রা অবস্থান করে। বিটকয়েন হচ্ছে এমন একটি ভার্চুয়াল মুদ্রা যা অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ ইউরোপের অনেক দেশেই এ মুদ্রার মাধ্যমে লেনদেনকে বৈধতা দিয়েছে। আমাদের দেশে বাংলাদেশ ব্যাংক এ মুদ্রার ব্যবহারকে নিষিদ্ধ করেছে। তারপরও বাংলাদেশে কেউ কেউ এ মুদ্রার লেনদেনের সাথে জড়িত। অনুসন্ধানী মানুষ তার প্রয়োজনে নতুনের সন্ধান করে থাকে। পৃথিবীর এক শতাংশ মানুষ বাকি নিরানব্বই শতাংশ মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করছে। যারা সিক্রেট সোসাইটি সম্পর্কে খবর রাখেন তারা আমার সাথে একমত হবেন। পৃথিবীর অনেক বড় বড় পরিবর্তনের অনুঘটক হচ্ছেন তারাই। তাদের পরবর্তী পরিকল্পনার একটি হচ্ছে ডলারের পতন ঘটনো এবং ভার্চ্যুয়াল মুদ্রার প্রসার ঘটানো। ইতিমধ্যে কিছু দেশ ডলারের চেয়ে স্বর্ণ মজুদ রাখার উপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে । তাদের পরিকল্পনা এবং মুদ্রার স্বাভাবিক পরিবর্তনই বলে দিচ্ছে আগামীতে রাজত্ব করতে পারে অনলাইন কারেন্সি। ছাপানো কাগজী ও ধাতব মুদ্রা ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে। 2020 - 2030 সালের পৃথিবী হতে পারে অচেনা ও অস্বাভাবিক।