Campaign Education

Campaign Education

Share

Excellence is our Destination Class 5 to12

13/12/2018

পাথর, নুড়ি আর বালি

এক নামকরা প্রফেসরের ক্লাশ। প্রফেসর একটি কাঁচের বৈয়ম নিলেন। পাথর ঢুকানো শুরু করলেন। বৈয়মটি পাথরে ভরে গেল। এবার ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্য বললেন :

বৈয়মটি কি ভরে গেছে”?
উত্তর এলো “হ্যাঁ”।

এবার প্রফেসর ছোট ছোট নুড়ি নিলেন I বৈয়মের মধ্যে ফেলতে শুরু করলেন। পাথরের ফাঁকে ফাঁকে নুড়ি জমা হলো।
প্রফেসর বললেন :
“বৈয়মটি কি ভরে গেছে?
উত্তর এলো ““হ্যাঁ””।

এবার প্রফেসর হাতে বালি নিলেন। আস্তে আস্তে পাথর আর নুড়ির ফাঁকে বালিতে ভরে যাচ্ছে বৈয়মটি।
প্রফেসর ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বললেন :
“বৈয়মটি কি ভরে গেছে”?
উত্তর এলো “হ্যাঁ”।
এবার প্রফেসর বললেন :

জীবনটি হলো একটি বৈয়মের মতো, এই যে পাথরগুলি দেখছো :
সেগুলো হলো সবচেয়ে দরকারী যেমন আব্বা- আম্মা, ছেলে-মেয়ে, ভাই-বোন।

নুড়িগুলি অত প্রয়োজনীয় নয় I নুড়িগুলি হলো চাকুরী, বাড়ী ও গাড়ী।

বালি হলো অভিমান, ঘৃণা, কলহ, হিংসা ও ঔদ্ধত্য।

আমি যদি বৈয়মে আগে বালি ঢালতাম, পাথর আর নুড়ির কি জায়গা হতো?

( একটি বিদেশী গল্পের ছায়া অবলম্বনে )

Photos from Campaign Education's post 01/11/2018

JSC MODEL TEST 2018

10/10/2018

নুপুরের দাম হাজার টাকা, কিন্তু তার স্থান পায়ে ৷
টিপের দাম এক টাকা হলেও তার স্থান কপালে....

ইতিহাস সাক্ষী আছে, নুনে কখনো পোকা ধরেনি,
কিন্তু মিষ্টিতে তো প্রতিদিনই ধরে, পিঁপড়াও ছাড়েনা।

মোমবাতি জ্বালিয়ে মৃত মানুষকে স্মরণ করা হয়,
আর মোমবাতি নিভিয়ে জন্মদিন পালন করা হয়।

মানুষ সোজা পথে চলতে চায় না আর বাকা পথে সবারই আগ্রহ বেশি।

সেজন্যই মদ বিক্রেতাকে কারো কাছে যেতে হয় না,
আর দুধ বিক্রেতাকে বাজারে যেতে হয়।

আমরা দুধ বিক্রেতাকে সর্বদা বলি দুধে পানি মেশাননিতো,
অথচ মদে মানুষেরাই পানি মিশিয়ে খায়।

ফজরের আজান শুনে ঘুম ভেঙে নামাজে যায়,
আর এখন রাত ভর জেগে থেকে আজান শুনে ঘুমায়।

আজ পর্যন্ত মানুষকে এটুকুই চিনলাম,
জানোয়ার বললে ক্ষেপে যায়
কিন্তু বাঘের বাচ্চা বললে খুশি হয়।
অথচ দুটোই পশুর বাচ্চা!!
copy
মানুষ বড়ই আজব। কেমন লাগলো জানাবেন।

09/10/2018

টাকা উড়ানো সহজ উপার্জন নয়! শিল্পপতি লোহানী সাহেবের ছেলের বাস্তব জীবনের গল্প!

ঘটনাটি ১৯৯৭ সনের, আমি আমার শিল্পপতি বাবা লোহানী সাহেবের একমাত্র ছেলে রবিন চৌধুরী। তখন আমি এ লেভেলের ছাত্র। একে তো শিল্পপতির ছেলে তার উপর ইংলিশ মিডিয়ামে পড়াশুনা করি ভাবই আলাদা। ফ্রেন্ডস নিয়ে ক্লাবে ক্লাবে পার্টি, ট্যুর, নতুন নতুন ড্রিংকস করা, সব কিছু মিলিয়ে অন্য রকম একটা মাস্তির লাইফ কাটছিল।
বন্ধুদের মধ্যে আমার লিডার লিডার একটা ভাবছিলো। তার কারন আমি সবচেয়ে বেশি খরচ করতাম। একদিন প্লান করলাম বন্ধুরা মিলে থাইল্যান্ড যাব ট্যুরে। আর আমার এইবারের বার্থডে সেখানেই সেলিব্রেট করবো। এর মধ্যে আমার দুই বন্ধু একটু গরীব তাদের খরচ আমাকে বহন করতে হবে।
আজ বাবা বাসায় ড্রয়িং রুমে বসে কফি খাচ্ছে। বাবার সামনে যেতেই আমি কিছু বলার আগে বাবা বললো এমাউন্ট কতো?? না মানে বাবা সামনে আমার জন্মদিনতো তাই মানে এই আর কি। বাবা উচ্চ স্বরে রেগে গিয়ে বললো আমি তোমাকে জিজ্ঞেস করেছি এমাউন্ট কত?? ২ লক্ষ বাবা। হুম!!!
জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান তুমি। জন্ম নিয়ে এই জাতিকে কৃতার্থ করেছ, তোমার জন্মদিনে মাত্র ২ লক্ষ টাকা খরচ হবে কম হয়ে গেলনা??? এর মধ্যে মা চলে আসছে। কি হয়েছে?? আমাদের একমাত্র ছেলে এই সম্পদ সব কিছুইতো একদিন ওর হবে। দিয়ে দাও, ওর মনে কষ্ট দিওনা।আমি যদি আমার ছেলেকে একটা উড়ন্ত বিমানের পাইলটের সিটে বসিয়ে তোমার ছেলের উপর প্লেনের দ্বায়িত্ব দিয়ে নেমে পরি। তখন কেমন হবে তুমিই বল?
শোন রবিনের মা এই সম্পদ একদিনে আসেনি। এর দ্বায়িত্ব নিতেও নিজেকে যোগ্য করে তুলতে হয়। ঠিক আছে আমি তোমার ছেলেকে ২ লক্ষ টাকা দিব যদি সে আগামীকাল আমাকে পরিশ্রম করে ২০০ টাকা উপার্জন করে এনে দিতে পারে। সারা রাত নাক ডেকে ঘুমিয়েছি মাত্র ২০০ টাকা লুল, বাবা আগামী কালই দেখতে পারবে আমি তার সম্পদের দায়িত্ব নেয়ার মতো যোগ্য হয়েছি।
পরের দিন সকাল ৭ টায় বাবা আমাকে ডেকে ঘুম থেকে উঠিয়ে দিল। কি যে বিরক্ত লাগছিল মাত্র ২০০ টাকার জন্য এতো সকালে ঘুম থেকে উঠতে হবে?? রেডি হয়ে একে বারে ফুল বাবু সেজে ২০০ টাকা উপার্জন করতে বের হয়েছি। পকেটে এক টাকাও নাই সাথে বাবা একজন স্পাইও দিয়েছে।
ঘর থেকে বের হওয়ার পর এখন মনে হচ্ছে আমি একটা সমুদ্রের মাঝে পরে গেলাম। বিনা পুঁজিতে টাকা কোথায় পাই। কার কাছে থেকে ধার করতে পারছি না, কারো সাহায্য নিতে পারছিনা। ভিক্ষাও করতে পারবো না। ভাবতে ভাবতে দুপুর হয়ে গেল। অবশেষে একটা রিক্সার গ্যারেজে গেলাম, মনে মনে ভয়ও পাচ্ছিলাম অনেক মানুষ আছে রিক্সাওলার গায়ে হাত তুলে যদি আমাকে কেউ রিক্সাওয়ালা ভেবে মারে??
তখনি বিবেক আমাকে বুঝিয়ে দিল রিক্সাওয়ালাও আমারি মতো মানুষ। তাদের গায়ে হাত তুলা অন্যায়। রিক্সার গ্যারেজে গেলাম কিন্তু অপরিচিত মানুষকে তারা রিক্সা দিবেনা। হঠাৎ মাথায় বুদ্ধি এলো রিক্সা না পেয়েছিতো কি হয়েছে রিক্সা ঠেলতেতো পারবো। আমি আমার বাবার ছেলে এতো সহজে হার মানবোনা। তখন উচুঁ উচুঁ ব্রিজগুলোকে পেছন থেকে একজনকে রিক্সাওলার সাথে ঠেলে উঠিয়ে দিতো হতো। বিনিময়ে যাত্রীরা ১ টাকা করে দিতো।
জীবনে কোন কাজ করিনি, এক গ্লাস পানিও নিজে ঢেলে খাইনি। আর আজ তপ্ত রোদে রিক্সা ঠেলেছি, এই ভাবে ১ ঘন্টায় ১০ টা রিক্সা ঠেলে ১০ টাকা উপার্জন করেছি, ১১ নাম্বার রিক্সা ঠেলতে গিয়ে পরে হাঁটু ছিলে গেল। আবার উঠে দাড়ালাম। যখন যাত্রী আমার হাতে ১ টাকার একটা কয়েন দিচ্ছিল তখন চোখ দিয়ে কেন যেন কান্না চলে আসলো। ঘন্টা খানেক পর হাঠুর ব্যথা আরো তিব্র হতে লাগলো।
সন্ধ্যা পর্যন্ত গুনে দেখি মাত্র ৪০ টাকা হয়েছে। আর পারছি না। প্রচন্ড ক্লান্ত হয়ে মনে হচ্ছে শরীরও যেন নিজের সাথে প্রতারণা করছে, আমার সঙ্গ ছেড়ে দিচ্ছে। অবশেষে ৪০ টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেলাম। বাবার সামনে গিয়ে দাড়ালাম ৪০ টাকা বাবার হাতে দিয়ে বাবাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বললাম, আমি পারিনি বাবা। ভেবেছিলাম আমার বিধ্বস্ত ক্লান্ত চেহারা, হাঠুর কাছে ছেঁড়া পেন্ট দেখে বাবাও হয়তো কেঁদে দিবে। হয়তো আমার মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দিবে।
না সে এগুলো কিছুই করেনি। বরং আমাকে বললো এখন আমার সাথে ধানমন্ডি থেকে হেঁটে বুড়িগঙ্গা সেতুর কাছে যাবে, কোন প্রশ্ন না।
আমি অবাক হলাম। এখন মনে হচ্ছে তিনি সত্যিই একজন ব্যবসায়ী। এরপরেও প্রশ্ন করলাম বাবা হেঁটে কেন। তিনি বললেন বাবা আমিতো আজকের এই পজিশনে এই ভাবে একটু একটু করেই এগিয়ে এসেছি। গাড়ি বা বিমানের গতিতে আসিনি। তুমিতো মাত্র একদিন কষ্ট করছো। একটু ধৈর্য ধর।
বাবাকে কি করে বুঝাই আমার ক্লান্তির কথা। এর চাইতে মৃত্যু যন্ত্রণা অধিক শ্রেয়। বাবা আমার হাত ধরে হাটতে হাটতে রাত তিনটায় আমরা ব্রিজ উঠলাম। শান্ত নদী ব্রিজে আমি আর বাবা। ব্রিজের রেলিং ধরে দাড়িয়ে বাবা আমাকে বললো দেখ রবিন নিচের কেমন অথৈই পানি টলমল করছে। তুমি আমার হাতে ৪০ টাকা দিয়েছে তাই না!!
জ্বি বাবা, আমার জীবনের প্রথম উপার্জন। আমি জানি রবিন এই টাকা গুলো উপার্জন করতে তোমার অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। এখন তোমাকে যা বলি শোন। আমি জানি আমার ছেলে ছোট বেলা থেকেই ম্যাথমেটিক্সে খুবই ভাল। তাহলে ভাল গুনতেও পারো আশা করি। এখন আমি তোমার উপার্জনের ৪০ টাকা দূরে পানিতে ছুড়ে ফেলবো আর তুমি বলতে থাকবে বাকি কয়টা রইলো।
বাবার কথা শুনে আমার চোঁখে আবার পানি চলে আসলো। বাবা তার সমস্ত শক্তি দিয়ে একটা কয়েন সেতু থেকে দূরে পানিতে ছুড়ে ফেলে বললো রবিন এখন কয়টা রইলো। আমি কাঁদতে কাঁদতে বললাম বাবা ৩৯ টা। এই ভাবে এক এক করে আমার চোখের সামনে আমার জীবনের প্রথম উপার্জিত এতো কষ্টের সব গুলো টাকা পানিতে ফেলতে লাগলো আমি এক এক করে গুনছি।
এমন একটি পরিস্থিতির বর্ননা দেয়ার ভাষা আমার জানা নেই। শুধু জানি আমার চোঁখ থেকে ঝরে পরা প্রতিটি অস্রু যেন কেরোসিনের তেলের মতোই আমার হৃদয়কে পুড়িয়ে ছাই করে দিচ্ছে। বাবা আমার গায়ে কোন দিন হাত তুলেননি, কোন দিন একটা বকাও দেয়নি, আজ মনে হচ্ছে সব সুদে আসলে পুসিয়ে নিচ্ছে। শেষের টাকাটা বাবা ফেলোনা।
তারপর বললো রবিন তোমার উপার্জনের ৪০ টাকা আজকে আমি নষ্ট করতে তুমি কাঁদলে আর আমার কতো টাকা তুমি এইভাবে নষ্ট করেছো কোথায় আমিতো একবারও কাঁদিনি। তোমার অনুভুতিতে যেমন কষ্ট লাগেছে আমারও ঠিক তেমনি অনুভূতি আছে কষ্ট উপলব্ধি করার জন্য। তোমার টাকা আমি রেখে দিলাম এটা আমার সন্তানের প্রথম উপার্জিত টাকা এটা এক জন পিতার জন্য গর্বের একটা প্রাপ্তি, এটা স্মৃতি হিসেবে আমি মৃত্যু পর্যন্ত সাথে রাখবো।
তুমি কাল তোমার মায়ের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা নিয়ে নিও। বাবার এই কথা গুলো শুনার পর নিজেকে বড় বেশি অপরাধী মনে হচ্ছিল। আবেগ আর ধরে রাখতে পারছিলাম না। আমি বাবাকে জড়িয়ে ধরে চিৎকার করে কান্না করতে করতে বললাম বাবা আমার টাকা লাগবে না।আমি এতো দিন স্কুলে কলেজে কিছুই শিখিনি, যেটা তুমি আজকে শিখালে, তুমি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবা। একজন আদর্শ বাবার চাইতে বড় শিক্ষক কেউ হতে পারেনা। একজন আদর্শ পিতাই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শিক্ষক। -------------- Collected

07/10/2018

মহামান্য #রাষ্ট্রপতি বরাবর খোলা চিঠি

মহামান্য রাষ্ট্রপতি
আমার সালাম নিবেন, আসসালামু আলাইকুম।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫১তম সমাবর্তনে আপনার দেয়া বক্তব্যের কিয়দংশের ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র হিসেবে বিনীত আপত্তি জানিয়ে আমি কিছু কথা বলতে চাই। জানি না আমার এই বক্তব্য আপনার দৃষ্টিগোচর হবে কি না, তবুও সোস্যাল মিডিয়াতে তুলে ধরার চেষ্টা করছি। গত ৬ অক্টোবর'১৮ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫১তম সমাবর্তনে আপনার দেয়া বক্তব্য ও ঢাবি সমাবর্তন ছাড়াও ইতঃপূর্বে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে আপনার রসাত্মক বক্তব্যের ভিডিও সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার কল্যাণে দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এসব বক্তব্যের কিয়দংশ শুধুমাত্র নৈতিকতাবিবর্জিতই নয়, বরং কোন কোন ক্ষেত্রে কুরুচিপূর্ণও বটে। আপনি দেশের সর্বোচ্চ আসনে সমাসীন একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব। আপনার সুনাম ও সুখ্যাতি সর্বজনবিদিত। আপনি ইতঃপূর্বে জাতীয় সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার ছিলেন। আপনি সাত-সাতবার নির্বাচিত সংসদ সদস্যও ছিলেন। আমাদের সকলেরই জানা, আপনি যখন স্পিকার ছিলেন তখন সংসদকে প্রাণবন্ত রাখতেন। কিন্তু স্পিকার থাকাকালীন সময়ে সংসদকে প্রাণবন্ত রাখতে কখনো কুরুচিপূর্ণ, মিথ্যা কিংবা অর্ধসত্য কোনো কথা বলেছেন বলে আমার জানা নাই কিংবা শুনিনি। তাহলে রাষ্ট্রপতির মত দেশের সর্বোচ্চ আসনে সমাসীন হয়ে কেন আপনাকে অনুষ্ঠান প্রাণবন্ত করতে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের আশ্রয় নিতে হবে? জাতীয় নেতা শহীদ এম মনসুর আলীর জন্মশতবার্ষিকীর একটি অনুষ্ঠানে আপনি বলেছিলেন, 'আমিতো রাষ্ট্রপতি, সুতরাং ভগ্নিপতির মত কথা বলা যাবে না'! অথচ সে অনুষ্ঠানেই আপনি সিগারেট চুরির গল্প বলেছিলেন! আপনি নিশ্চয়ই জানেন একটি সমাবর্তন অনুষ্ঠানে কারা উপস্থিত থাকে। সমাবর্তন কোনো কালচারাল অনুষ্ঠান না। আপনাকে মিস্টার বিন কিংবা দিলদারের চরিত্রে অভিনয় করার জন্য সমাবর্তনে প্রধান অতিথি করা হয়না। আপনার কাছ থেকে দিকনির্দেশনা নিয়ে দেশ ও জাতি গঠনের উদ্দেশ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটরা বেরিয়ে পড়বে সেবার মানসিকতা নিয়ে-এমনটিই হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সিগারেট চুরি করে খাওয়া কিংবা নিজের বউকে রেখে প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার দিকে নজর দেয়ার গল্প শুনে এই গ্র্যাজুয়েটরা দেশ-জাতি ও নিজের পরিবারকে কী উপহার দেবে?

মহামান্য রাষ্ট্রপতি!
দেশের ২১তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে আপনার দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি থাকা নিয়ে দেশের জনগোষ্ঠীর বিরাট কিংবা একটি অংশের প্রশ্ন থাকতে পারে। কারণ আপনি যে সরকারের রাষ্ট্রপতি সেটি জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার নয়। আপনাকে যারা মনোনীত বা নির্বাচিত করেছে তাদের ১৫৪ জনই জনগণের ভোট ছাড়াই সংসদ সদস্য বনে গেছে! কিন্তু আপনি একজন সজ্জন ব্যক্তি এ ব্যাপারে কারো কোনো প্রশ্ন ছিল না। আমার জানতে ইচ্ছে করে আপনাকে যারা গাইড করে কিংবা সহযোগিতা করে তাদের কেউ কি আপনার বক্তব্যের কিয়দংশের বিষয়ে কখনো পরামর্শ দেয়নি। আপনি কি কখনো বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনের চিফ গেস্ট বা গেস্ট অব অনারদের বক্তব্য দেখেননি। ২০১৪ সালে ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি এন্ড সায়েন্সের (ইউআইটিএস) দ্বিতীয় সমাবর্তনে আপনার উপস্থিতিতে মালয়েশিয়ার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আধুনিক মালয়েশিয়ার রুপকার ডা: মাহাথির মোহাম্মদ বক্তব্য দিয়ে গেছেন। বেশী দুরে যাবো না, নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. অমর্ত্যসেন, ভারতের সাবেক প্রেসিডেন্ট ড. এপিজে আবদুল কালামের সমাবর্তন বক্তৃতা কখনো কি আপনার নজরে আসেনি? আমি বিনীতভাবে আপনাকে অনুরোধ করবো প্লিজ আপনার বক্তব্য থেকে কুরুচিপূর্ণ, অশ্লীল, অর্ধসত্য নৈতিকতাবিবর্জিত বক্তব্যগুলো বাদ দিন। গ্র্যাজুয়েটদের সমাবর্তনে সত্যাসত্য বাস্তবসম্মত যুক্তিভিত্তিক উদাহরণ টেনে বক্তব্য দিন। আমার বিশ্বাস সত্যাসত্য গল্প দিয়েও আপনি অনুষ্ঠান প্রাণবন্ত করতে পারবেন। আমাদের সমাজে যে গল্প পিতা তার সন্তানের সামনে করতে পারে না, সেই গল্প আপনি কিভাবে সন্তানতুল্য ছাত্রছাত্রীদের সামনে করতে পারেন। আপনার বক্তব্য রুচিশীল ও শালীন হওয়া অনেক বেশি প্রয়োজন নয় কি?

মহামান্য রাষ্ট্রপতি!
সমাবর্তনে আপনার বক্তব্য এমন হওয়া প্রয়োজন, যাতে গ্র্যাজুয়েটরা আদর্শ জীবন ও সমৃদ্ধ দেশগঠনের সঠিক দিকনির্দেশনা পায়। যাতে পরবর্তীতে আপনার বক্তব্যকে কোড করে তারাই ইনস্পিরেশনমূলক মোটিভেশন পরবর্তী প্রজন্মকে দিতে পারে। আমাদের তরুণ গ্র্যাজুয়েটদের সামনে এমন কিছু বক্তব্য আপনি রেখে যান তারা যেন, স্টিভ জবস, ডেল কার্নেগি, মাহাথির মোহাম্মদ, এপিজে আবদুল কালামের মতো আপনার নামটিকেও স্মরণে রাখতে পারে। আমার কোনো কথা যদি দৃষ্টিকটু হয়ে থাকে তাহলে আগেই দুঃখ প্রকাশ করে নিচ্ছি। আশা করি খোলা চিঠির সকল পাঠকই ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। দেশের প্রতিটি গ্র্যাজুয়েটই হোক সৎ, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক, যারা এদেশের আগামীর নেতৃত্বে সমাসীন হবেন- এ কামনায় এখানেই শেষ করছি।
আল্লাহ হাফেজ। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।

বিনীত
#মুহাম্মদ_ইয়াছিন_আরাফাত
এমফিল গবেষক।

Photos from Campaign Education's post 04/10/2018
Photos from Campaign Education's post 03/10/2018

Tag question শেখার সহজ উপায়-------

22/09/2018

Preposition শেখার অসাধারন একটি কবিতা...
>>>>>>>>>>>ছন্দে ছন্দে Preposition শিখুনঃ

30/03/2018

নাজাত বেলকাসিস, ২০০৪ সালে ফ্রান্সের শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে কাজ শুরু করেন।

তার বাবা ছিলেন যাযাবর। তিনি ছোটবেলা থেকেই এক প্রতিবেশীর গরু ছাগল চরাতেন। পড়াশুনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম। স্কুলে যাওয়া তো বন্ধই হয়ে গেল। সারাদিন গরু ছাগল চরিয়ে প্রচন্ড গায়ে ব্যাথা হওয়া সত্ত্বেও, সন্ধ্যার পর ল্যাম্প জ্বালিয়ে একা একা বই নিয়ে পড়তেন। লেখার জন্য খাতা কলম না থাকায় আঙুল দিয়ে মাটিতে লিখতেন। বাবা দিনের পর দিন নিরুতসাহিত করতে করতে নিজেই মেয়ের এই দৃড়তা দেখে হতাশ হয়ে গেলেন। টিচারকে অনুরোধ করে মেয়ের পরীক্ষা দেওয়ানোর ব্যবস্হা নিলেন। মেয়ের চাচী আবার পরীক্ষার আগে সব বই গায়েব করে দিলেন। তাও পরীক্ষা হলো, তিনিও ধাপে ধাপে পাশ করে এগিয়ে গেলেন। ক্রমেই তিনি আজ ফ্রান্সের মন্ত্রী।

এসব কাহিনী অনেকটা রূপকথার মতো লাগে। কিন্তু শতভাগ সত্য। কোন কাজে সম্পৃক্ত হওয়া লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা হয় না। তাই, যারা পড়াশুনা করছো, সকলকে অনুরোধ, কোন না কোন কাজ শিখো, কাজ করো, অলস বসে থেকো না। কাজে যুক্ত হওয়া তোমার পুঁথিগত বিদ্যার সাথে বাস্তব জীবনের মেলবন্ধন ঘটায়। এতে পড়ার কোন অসুবিধাই হয় না। মনের সংকোচ কাটিয়ে তোলো। অনেকে তোমার চেয়ে অনেক বাজে সময় পার করে আজ পৃথিবীকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে।

তুমি কেন পারবে না?

25/03/2018

শিল্পীর তুলিতে আঁকা ছবি

15/03/2018

সাইনবোর্ড

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


W/5 Noorjahan Road Mohammadpur Dhaka-1207
Dhaka