গিগ ranking এর সবচেয়ে ভালো ওয়ে হল 'প্রপার কিওয়ার্ড' সিলেকশন।
এখন প্রশ্ন হল, আপনার গিগের জন্য প্রপার কিওয়ার্ড কিভাবে সিলেক্ট করবেন?
প্রথমে ফাইভারে যান, আপনি কি ধরনের সার্ভিস দিচ্ছেন সেই রিলেটেড টপ গিগগুলো খুঁজে বের করুন।
ধরুন, আপনি 'WordPress Bug Fix' রিলেটেড গিগ অফার করেন। ওয়েল,ফাইভারে এটা লিখে সার্চ করুন, টপ ৫টা হাই রেটিং গিগ খুঁজে বের করুন।
এবার প্রথম গিগটি নতুন ট্যাবে ওপেন করুন, গিগের নিচে গিগে কোন কিওয়ার্ডগুলো ইউজ করা হয়েছে সেগুলো পাবেন।
কিওয়ার্ডগুলো এম এস ওয়ার্ড ফাইলে লিখে নিন।
এইভাবে টপ ৫ টা গিগ থেকে কিওয়ার্ড খুঁজে বের করুন এবং নোট করুন।
এবার আপনার নোট থেকে বেস্ট ৫ টা কিওয়ার্ড সিলেক্ট করুন (আমি সাধারণত সেইসব কিওয়ার্ডই সিলেক্ট করি যা একাধিকবার আমার নোটে আসে)
কিওয়ার্ডগুলো আপনার গিগে কিওয়ার্ড হিসেবে ইউজ করুন।
আপনি যদি মনে করেন, কিওয়ার্ড হিসেবে ৫টা বেস্ট কিওয়ার্ড ইউজ করার পরও আপনার হাতে আরও ভালো কিওয়ার্ড আছে,তাহলে ঐ কিওয়ার্ডগুলো আপনার গিগের ইমেজের নামে ইউজ করতে পারেন।
কোন কিছু অস্পষ্ট থাকলে কমেন্ট করুন। আমি চেষ্টা করব ক্লিয়ার করার
ধন্যবাদ
Rnkass ICT Forest
Our online Training 1. Web Design and Development 2. Web and SEO 3. Graphic Design 4. MS Office Prof
ফ্রিল্যানসিং – এ মাসে ৭০ হাজার টাকা !
ফ্রিল্যানসিং হলো টাকার গাছ, ঝাঁকি দিলেই পড়ে! সাজ্জাদ যেভাবে ৫ ঘন্টা কাজ করে মাসে ৭০ হাজার টাকা উপার্জন করছেন, আপনিও করতে পারেন !
ফ্রিল্যানসিং-এ সত্যিই অনেক টাকা বানানো যায় । এটা কোন ফাজলামো নয় । নতুন ফ্রিল্যানসারদের প্রতি সাজ্জাদের পরামর্শ: কাজের প্রতি সৎ থাকবেন। প্রথম দিকে কঠোর পরিশ্রম করবেন। আর কখনোই চুরি, ধোঁকাবাজি করবেন না। অনেকের এই ধরনের সৎ ইচ্ছা থাকলেও পারছে না। আপনি কিভাবে পারলেন ? আপনি তো ঢাকায়ও থাকতেন না ?
freelance- viral_bd
এই প্রশ্ন করা হলে ময়মনসিং জেলার কৃতি ফ্রিল্যানসার সাজ্জাদের সরল উত্তর : “ফ্রিল্যানসিং হলো টাকার গাছ । ঝাঁকি দিলেই পড়ে । কিন্তু ঝাঁকিটা কে দিচ্ছে তার উপর নির্ভর করে । আমি ইংরেজিতে দুর্বল ছিলাম, খুবই দুর্বল ছিলাম। দুই বছর আগের কথা, ২০১৪ এর মার্চ। ইংলিশ টুডের অনলাইন ইংলিশ কোর্স সম্পর্কে জানতে পাই। অনলাইন কোর্সের ফি এত কম দেখে প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারিনি। হাতি ঘোড়া গেল তল, পিপড়া বলে কত জল-এমন একটা ধারণা তৈরী হয়েছিল প্রথমে। প্রতারণার এক নতুন ফাঁদও মনে হয়েছিল। ইংরেজির সব দিকে দক্ষ হতে আমি অনেক টাকা আর সময় নষ্ট করেছি এখানে সেখানে কোর্স করে। এখন বুঝি সব সেকেলে (backdated) । কিন্তু শেখার প্রয়োজন ছিল আমার, ইচ্ছা ছিল অদম্য। বুক ভরা আশা আর মনে অনেক সন্দেহ নিয়ে তাদের কর্তা ব্যক্তির সাথে কথা বলতে চাইলাম। তিনি কবির স্যার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের IBA-এর MBA করা শুনে সন্দেহ কিছুটা দূর হলো। ভাবলাম, অন্তত প্রতারক হবে না। দেখি কথা বলে।কিছুক্ষণ কথা বলে ভালো লাগে। IBA-তে কারা চান্স পায়, বুঝলাম। এটাও বুঝলাম, কেন তাদের MBA শেষ না হতেই বড় বড় কোম্পানি চাকরির জন্য ডাকে। শুরুতেই বেতন ৫০ হাজার, কারো আরও বেশি ! BDJobs / Prothom- Alo Jobs -এ বেশির ভাগ ভালো ভালো চাকরির বিজ্ঞাপনে লেখা থাকত IBA(Preferable) , মানে IBA-র হলে অগ্রাধিকার পাবে। আমারও অনেক বড় হওয়ার আকাঙ্খা ছিল। কিন্তু অনেকের মতো আমারও সঠিক গাইডলাইন দেওয়ার কেও ছিল না। কিন্তু বড় হওয়ার ইচ্ছার হাল ছেড়ে দিয়েছিলাম না। কিছুতেই না। উনার সাথে সেদিন আমি অনেকক্ষণ কথা বলেছিলাম, যা এখানে বললে সময় লাগবে। তার নির্দেশ ফলো করতে মন থেকেই সায় দিল। মনে পড়ে, মাত্র ২,৫০০ টাকা দিয়ে তার নির্দেশে অনলাইনে স্পোকেন ইংলিশের ভিডিও কোর্স শুরু করি। সেই ভিডিওগুলো আমার কাছে এখনো আছে।”
“আমার কোথাও যদি বুঝতে সমস্যা হতো, আমি প্রশ্ন করলেই রিপ্লাই দিত।টিচারের সাথে অনলাইনে চ্যাট করে বুঝে নিতাম। টিচারকে রাত ১১টা পর্যন্ত পাওয়া যায়। কোনো কোনো অনলাইন কোর্সে কবির স্যার নিজেই চ্যাটে থাকতেন। ৬ মাসের মধ্যেই আমি নিজেকে নতুন করে সৃষ্টি করি, আমি যেমন চেয়েছিলাম! English Today (www.englishtoday.co) -র অনলাইন কোর্সগুলো ধৈর্য ধরে শেষ করলে আমার মতে ১ বছরেই একজন আমার মতো ফ্রিল্যানসার হওয়ার দক্ষতা অর্জন করতে পারবে। কবির স্যারের সাথে আগে কথা হলে আমার অত সময় আর অত টাকা নষ্ট হতো না। এখন আমি ফ্রিল্যানসার তৈরী করার মতো অবস্থানে থাকতাম। শেষ ভালো হয়েছে বলে আমার কোনো আফসোস নাই।”
ফ্রিল্যানসিং-এ আসলে একজন কত টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারে ?
এই প্রসঙ্গে সাজ্জাদের সোজা উত্তর, “প্রস্তুত না হয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করলে ধাক্কা খাবেন। হয় আর উঠতে পারবেন না, না হয় ‘এই মাত্র ৫ মিনিট কাজ করে ৫০০ টাকা আয়’ ফেইসবুকে এই ধরনের ‘ফ্রিল্যানচোর’ হয়ে থাকতে হবে। ২০১০ সালের BASIS(Bangladesh Association of Software and Information Services)-এর এক হিসেবে বাংলাদেশে ১ লক্ষ ফ্রিল্যানসার কাজ করে। তারা দৈনিক ১ কোটি টাকা অর্থাৎ একজন আয় করে ১০০ টাকা, মাসে ৩,০০০ টাকা। মাসিক গড় আয়ের এই করুণ দশা কেন, তা পাঠক হয়তো বুঝতে পারছেন। ইংরেজি, ইংরেজি এবং ইংরেজি। আমার সমান আয় হলে এই ১ লক্ষ ফ্রিল্যানসার প্রতিদিন ২০ কোটি টাকা আনতে পারত তখন।”
সাজ্জাদের সমান আয়ের কথা বাদই দেই । এখানে আরেক ফ্রিল্যানসার ফয়সালের থেকেও জানার আছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য । অন্তত তার মতো হলেও এই এক লক্ষ্ বাংলাদেশী ফ্রিল্যানসারের একেক জনের প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা আয় হতো।
যার যার, তার তার – আপনি যা, তাই পাবেন !
সাজ্জাদ বলেন “এটা চরম সত্য এই জগতে। ফ্রিল্যানন্সিং মার্কেটের বিশালতা বোঝা কঠিন। তথ্য -গরিব মানুষের যা হয় আর কি! Payoneer-এর এক জরিপে দেখায়, ২০১৫ সালে পাকিস্তানেই এক এক ফ্রিল্যানসার ঘন্টায় পায় ২০ ডলার, মানে ১,৬০০টাকা। কোথায় আছেন? প্রচুর টাকা আছে, দেখিয়ে দিলাম। কিন্তু আপনার উপার্জন কি আমি করে দেব? Payoneer-এর এই রিপোর্টটি ডাউনলোড করে রাখবেন। কাজে দেবে।”
ঢাল নাই তলোয়ার নাই নিধিরাম সর্দার !
সাজ্জাদ আরো বলেন, “আমি দেখি অনেকের কত দম্ভ, কত ভালো ইংরেজি জানে – এমন ভাব নিয়ে আমার কাছে আসে ফ্রিল্যানন্সিং এর আইডিয়া নিতে। ‘My grandfather was a dog’-এই বাক্যটি ভুল কোথায় বা ঠিক আছে কিনা- প্রশ্ন করে তাদের সাথে একটু মজা করি। আমতা আমতা করলে বলে দেই, “আমার দাদা একটা (…) ছিল! ব্রাকেটের মধ্যে কি হবে, তা সবাই বুঝে গেছেন! এভাবে বলায় মনে কষ্ট পেলে দুঃখিত!”
“এই বাস্তবতা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। আমিও এই দলেই ছিলাম। কিন্তু এখন আমি কাজের জন্যই প্রতিদিন অনলাইনে ইংরেজি পত্রিকা পড়ি। ১০ মার্চে রয়টার’স এর একটা নিউজ পড়ছিলাম। ঘটনাটা সবাই জানেন। নিচে পাঠকদের জন্য সেটা অনুবাদ করে দিলাম। ইংরেজি নিউজের লিংকও আছে। বাংলার সাথে ইংরেজিটাও দেখে নেবেন। ইংরেজিটা পড়ে বোঝার জন্য বলছি না। একটু দেখবেন। আর আমার বাংলা অনুবাদটা পড়বেন। আমি কেন আমার যোগ্যতা অনুযায়ী উপার্জন করতে পারছি, তা বুঝতে পারবেন। আর ইংরেজিতে ভুল করলে কি মাশুল দিতে হয়, তা’ও দেখবেন। (চোরের এই ভুলের জন্য যদিও ভাগ্যক্রমে বাংলাদেশ ব্যাংক বড় চুরি থেকে রক্ষা পেয়েছে!)
সবাই বলে ইংরেজি, ইংরেজি- ইংরেজিটা আসলে কোথায় দরকার !
“ফ্রিল্যান্সিং করতে ইংরেজির দক্ষতা কেন এবং কোথায় দরকার? Skype- তে ক্লায়েন্টদের সাথে ঠিকঠাক ইংরেজিতে কথা বলা (speaking), তাদের কথা শুনে বুঝা(listening), বাক্যের গঠন, ভোকাবুলারি- র বানান ঠিক রেখে ইংরেজিতে ইমেইল করা (writing), কেও ইমেইল করলে তা পড়ে বোঝা এবং রেপ্লাই দেওয়া, নিয়মিত দেশ বিদেশের অনলাইনে ইংরেজি পত্রিকা পড়ে নিজেকে আপডেট রাখা (reading)। বলে রাখি, ইংরেজিতে গরুর রচনা পড়ে বুঝা আর ইংরেজি পত্রিকা পড়া অথবা বিদেশী ক্লায়েন্টদের ইমেইল পড়ে বুঝা হলো সেই ব্যবধান, যে ব্যবধান পার হয়ে আজ আমি এখানে।”
আপনার অনুবাদটি আমরা পড়ব। তার আগে আরেক ফ্রিল্যানসার ফয়সালের থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানি। তিনি এখনই মাসে প্রায় ২০,০০০ টাকা উপার্জন করেন। নতুন ফ্রিল্যানসাররা কি ধরনের সমস্যায় পড়ে, এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন:“৩ টি সমস্যা খুবই প্রকট।”
ঝামেলা কি আরো বাড়লো? একজন বলে ১ টা, আরেকজন বলে ৩ টা !
“হ্যাঁ, এই ৩ সমস্যা ঐ ১ সমস্যা ঘিরেই:
১. তারা ক্লায়েন্টদের ইংরেজিতে লেখা ইমেল পড়তে পারে না;
২. ফ্রিল্যানসিং প্লাটফর্মগুলোতে একাউন্ট খোলার জন্য ঠিক মতো তথ্য দিতে পারে না;
৩. ডলার আনার মাধ্যম যেমন পেপল, নেটেলার, পেওনিআর ইত্যাদি একাউন্টে লেনদেন সংক্রান্ত কোনো ঝামেলা হলে তারা ইমেইল পাঠায়। সেই ইমেইল বুঝতে পারে না। একাউন্ট লক হয়ে যায়, সাসপেন্ড হয় ।”
“তখন উপায় না দেখে বেচারা নতুন ফ্রিল্যানসার ফেইসবুকের গ্রুপে পোস্ট দেয়। আমার একাউন্ট লক, কি করব? ডিসকভারি চ্যানেলে দেখি, বন্য গরুর পাল নদী পার হচ্ছে। পানিতে কুমির। ডুব দিয়ে আছে। টার্গেট একটা বাচ্চা অথবা একটা দুর্বল গরু। অনভিজ্ঞ এই নতুন ফ্রিল্যানসার ফেইসবুকের গ্রুপে ওৎ পেতে থাকা কুমিরের খপ্পরে পড়ে। কুমির বলে, আমি এক্সপার্ট। দুই দিনেই সমাধান! ৫,০০০ টাকা লাগবে, বিকাশ করেন। ওহ! একাউন্ট খুলে যাবে, আবার ডলার আসবে! প্রতিদিন ‘এক’ ডলার ! আশাবাদী সেই বেচারার চোখ চকচকে হয়ে উঠে।”
“কিন্তু বিকাশ করার পর দেখে ওই নাম্বার বন্ধ। বার বার ফোন দেয়। শতবার। কিন্তু ফোন সেদিন একদমই বন্ধ। পরের দিন খুললেও রিসিভ করে না। মেসেজ। আকুতি। টাকা ফেরত দেন। কিভাবে দেবে, কুমিরের পেটে তো সেটা হজম হয়ে গেছে!”
“তারপর সে ক্ষুব্ধ হয়ে গ্রুপে আবার পোস্ট দেয়। তবে এবার অন্য কারণে। বলে, অমুক নাম্বারের অমুক বাটপারের সাথে কেও কোনো লেনদেন করবেন না। সে বুঝে না, কেন সে প্রতারিত হলো। ডলার আয়ের একাউন্টও লক। কোথায় যাবে সে? আরেক কুমিরের খপ্পরে পড়বে? এই কুমির আছে, অনেক আছে। নানাভাবে আছে আর বংশ বিস্তার করছে।”
ফয়সালের থেকে আরো একটি বিষয় জানার ছিল আমাদের। তারা যে ডলার আয় করে, তা তারা হাতে পায় কিভাবে? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন , “পেপলে।” সবার জন্য একটু বিস্তারিত বলুন, পেপল থেকে ভাঙান কিভাবে? “ক্লায়েন্টরা আমাকে ডলার পাঠায়। আর সেই ডলার বিক্রি করে আমি টাকা নেই।” কোথায় বিক্রি করেন? “এখন আমার জন্য অনেক সহজ হয়েছে, যদিও প্রতারণার ফাঁদ সর্বত্র। ডলার লেনদেনে যারা ভুক্তভোগী, তারা এই ধরনের প্রতারণার কথা জানেন। ফেইসবুকে এমন অনেক বড় বড় গ্রুপ আছে যেখানে অ্যাডমিনরাই একটা প্রতারনার সিন্ডিকেট। অনেক মেম্বাররা তো নিয়মিত প্রতারণা করেই যাচ্ছে। যে কুমিরের কথা আগে বললাম। আমি Flexi Dollar-এর সাথে লেনদেন করি। আমি নিরাপদ। ”
ইংলিশের ভুলে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ হাজার কোটি টাকা হ্যাকারদের হাতছাড়া !
ফ্রিল্যানসিং এর মাধ্যমে উপার্জনের এই আলোচনার মূল বিষয়ের একটি অনাকাংখিত কিন্তু প্রাসঙ্গিক রয়টার’স এর এই নিউজের কিছু অংশ অনুবাদ করে দিয়ে সাজ্জাদ পাঠকদের ভালোভাবে ইংরেজি জানার গুরুত্ব চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন ।
গত ১০ মার্চের রয়টার্স এর একটি শিরোনাম : “How a hacker’s typo helped stop a billion dollar bank heist.” অর্থ : হ্যাকারের বানান ভুলের কারণে কিভাবে ১ বিলিয়ন ডলার চুরি হওয়া থামানো গেল।
বাংলাদেশ ব্যাংকের দুই সিনিয়র কর্মকর্তা জানান, হ্যাকাররা বাংলাদেশ ব্যাংকের সিস্টেম হ্যাক করে পেমেন্ট স্থানান্তরের জন্য তথ্য চুরি করে। এরপর হ্যাকাররা নিউইয়র্কের ফেডারাল রিজার্ভ ব্যাংকের কাছে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিস্টেম থেকে অনুরোধ পাঠায় ফিলিপাইন ও শ্রীলংকার প্রতিষ্ঠানে টাকা পাঠানোর জন্য।
৪টি আবেদনের মাধ্যমে ফিলিপাইনে ৮১ মিলিয়ন ডলারের স্থানান্তর করতে সক্ষম হয় হ্যাকাররা। কিন্তু বানান ভুলের কারণে শ্রীলংকার একটি এনজিও-তে ২০ মিলিয়ন ডলার পাঠানোর পঞ্চম আবেদনটি স্থগিত করে দেয় Deutsche ব্যাংক।
হ্যাকাররা শ্রীলংকার ঐ এনজিও-র নামের বানানে foundation না লিখে ‘fandation’ লেখে। এই ভুল দেখে এই স্থানান্তরের জন্য নিযুক্ত Deutsche ব্যাংকের সন্দেহ হয়। তারা বাংলাদেশ ব্যাংকে এই ভুল শোধরানোর জন্য বললে এই মহা চুরির ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়। এই ভুল না হলে হয়ত বাংলাদেশ ব্যাংকের পুরো ১ বিলিয়ন ডলারই চুরি হয়ে যেত!
হ্যাকার না, আপনি হবেন ডলার আর্নার !
সৎভাবে ফ্রিল্যানসিং-এ এই দুইজনের গল্পেই শেষ নয়। এমন আরো অনেক সফলতার গল্প আছে ফ্রিল্যানসিং জগতে। অনেকে এদের চেয়েও সফল। আশার কথা, ফ্রিল্যানসিং-এ আয়ের সুযোগ দিন দিন বেড়েই চলেছে। দুনিয়ার সব মানুষের তিন ভাগের এক ভাগ এখন ইন্টারনেটে। আরো আসছে। যত আসবে, তত ফ্রিল্যানসিং-এর সুযোগ। ফেইসবুককে দেখেন। যতবেশী ইউজার, ততবেশী জাকার্বার্গের আয়।কি খুশি সে, তার মুখে হাসি ছাড়া তার কোনো ছবিই দেখা যায় না। হবে না আবার! ফ্রিল্যানসিং-এর হিসাবটাও এমনি। যত বেশি বেশি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করবে, ততবেশী ফ্রিল্যানসিং-এর সুযোগ বাড়বে। আপনার কি মনে হয়, ইন্টারনেটের ব্যবহার ভবিষ্যতে কমবে?
আপনাকে যোগ্য করে তুলুন, এখনি সচেষ্ট হন। আরামে দিন কাটিয়ে মনে করছেন, আহ কি আরাম! এভাবেই দিন চলে যাবে। হ্যাঁ, দিন ঠিকই যাবে। ৫ বছর পর ৬ নাম্বার গাড়িতে ঝুলে ঝুলে অথবা মানুষের ঠেলায় চ্যাপ্টা হয়ে অফিসে যাবেন। পাশ দিয়ে শ করে চলে যাওয়া গাড়িটার দিকে নির্বিকার তাকিয়ে থাকবেন। তখন ভাববেন, চেষ্টা করলে হয়ত আমিও পারতাম !
আপনি যা চাবেন, তাই পাবেন (You will get what you want)। এই কথা বিশ্বাস করুন। এই কথার তাৎপর্য বুঝার চেষ্টা করুন। আপনার আকাঙ্খা, চেষ্টা আর ধৈর্য থাকলে আপনিও পারবেন আরেক সাজ্জাদ হতে, আরেক ফয়সাল হতে। তখন আপনার থেকেও আমরা গল্প শুনব !
আর একটা কথা সব সময় মনে রাখবেন, অন্যের জন্য কিছু করলে আপনার কখনই কমবে না, বরং কোনো না কোনোভাবে আপনার জন্য আরো অনেকগুণ বেড়ে যাবে। একটা মানুষ, একটা পরিবার ভালোমতো বাঁচার স্বপ্ন খুঁজে পাবে আপনার মধ্যে।তবেই না পৃথিবীতে আপনার আসা এবং পৃথিবী থেকে চলে যাওয়ার সার্থকতা।
লেখাটি অনেকবার পড়ুন। এই পেইজ থেকে চলে গেলে হয়ত আর খুঁজে পাবেন না। সময় না থাকলে ফেইসবুকে শেয়ার করে রাখুন। পরে সহজেই পাবেন। আপনার খুব কাছের কেও হয়ত উপকৃতও হতে পারে এটা পড়ে।
কভার লেটারের গঠন ও সফল হওয়ার কিলার টিপস
আজকের শেষ পর্বটি কভার লেটার ও ওডেস্কের সফল হওয়ার অনেক গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য দিয়ে সাজালাম। অনেকদিনপর লিখতে বসলাম ওডেস্ক নিয়ে লেখার ধারাবাহিকটির শেষ পর্ব। ব্যস্ততার কারনে শেষ পর্বটি লিখতে দেরি হয়ে গেল। শুরু করা যাক।
যারা আগের পর্বগুলো পড়েননি, তাদের জন্য আগের দুটি পর্বের লিংকঃ
https://www.facebook.com/rnkassictforest/posts/1669149803300676
https://www.facebook.com/rnkassictforest?ref=hl #
কোন একটি জবের বর্ণনা খুলে ডানপাশে পাবেন বায়ারের তথ্য। বায়ারের Payment Method Verified কিনা চেক করে নিন। যদি ভেরিফাইড হয়ে থাকে তাহলে Apply to this job নামের একটি বাটন আছে, সেখানে ক্লিক করুন। নতুন যে পেজ ওপেন হবে, সেখানে উপরে Paid to You-এর ডান পাশের বক্সে আপনি কত ডলারে কাজটি করতে চাচ্ছেন, সেটির পরিমান লিখুন । আর যদি ঘন্টাভিত্তিক কাজ হয়ে থাকে, তাহলে প্রতি ঘন্টাতে কত ডলারে কাজ করবেন, সেটা লিখতে হবে। Cover Letter বক্সে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে কভার লেটারটি কিভাবে লিখবেন?
কভার লেটার লিখার ক্ষেত্রে লক্ষণীয়
অনেকে অন্য বন্ধু যে খুব ভাল ইংরেজী পারে তাকে দিয়ে এটি লিখিয়ে নেয়, কিংবা অন্যের কভার লেটারকে নকল করে। ২টাই খুবই বিপদজনক। নিজের থেকেই লিখেন।
ক) খুব সুন্দর ইংরেজী ব্যবহার করে, বড় কোন কিছু লেখাকে ভাল কভার লেটার বলেনা।
খ) ক্লায়েন্টকে একদম পারলে একলাইনে লিখুন কাজটি পারবেন, তাহলে ক্লায়েন্ট খুশি হবে সবচাইতে বেশি। ক্লায়েন্টের সময়ের মূল্য আছে। বড় কভার লেটার দেখলে ভয়ে আর সেটা পড়বেনা ক্লায়েন্ট।
গ) মনে মনে নিজেকে ক্লায়েন্ট ভাবুন। এবার ভাবুন, আপনাকে কেউ কিভাবে বললে আপনি কাজটি টাকা খরচ করে করবেন।
ঘ) ক্লায়েন্টের কাছে ভিক্ষা চাওয়ার দরকার নাই। তাহলে ক্লায়েন্ট আপনার যোগ্যতা নিয়ে সন্দেহে পড়ে যাবে। কাজটি পারার ব্যাপারে কনফিডেন্ট প্রকাশ করুন।
ঙ) অন্যের কভার লেটার নিজে ব্যবহার করবেননা। আপনি ইংরেজী কম জানলেও না। কারন আপনি খুব ভাল কেউ ইংরেজী পারে এমন কাউকে দিয়ে হয়ত কভারলেটারটি লেখালেন্। ক্লায়েন্ট কাজ দেয়ার আগে আপনাকে ইন্টারভিউতে ডাকবে। তখন দেখল আপনার ইংরেজী লেখার ধরন অন্যরকম, তখন শুরুতেই আপনাকে ভন্ড ভেবে নিবে। সেজন্য কাজটি আর আপনি পাবেননা।
চ) নিজের একই কভার লেটারও বারবার ব্যবহার করবেননা। অর্থাৎ যা লিখবেন, লাইভ লিখবেন।
ছ) বেশি কথা না বলে আপনার কাজের স্যাম্পল দিন। এটি আপনার ৫০০০ লাইনের কথা বলার সমান কাজ করে দিবে।
জ) কভার লেটারে নিজের গুনগান গেয়ে কিংবা করুণা ভিক্ষা চেয়ে ক্লায়েন্টকে আকর্ষণ করার চেষ্টা করবেননা। প্রজেক্টটি ভালভাবে সে অনুযায়ি কভার লেটার তৈরি করুন।
ঝ) কখনো ভুলেও আপনার ইমেইল, স্কাইপ আইডি, ইয়াহু, এগুলো কাভার লেটারে দেওয়া যাবে না। ক্লায়েন্ট আপনাকে নক করলে শুধুমাত্র তখনি আপনার কন্টাক্ট ডিটেইলস তাকে দিবেন।
কভার লেটারের গঠনঃ
ক) স্যার বলে সম্বোধন করবেননা। এটি বাংলাদেশিরা পছন্দ করে, বিদেশিরা পছন্দ করেনা। Hi, Hello ব্যবহার করুন, সম্বোধনের ক্ষেত্রে।
খ) প্রজেক্টটি পড়ে আপনি যে ক্লায়েন্টের চাহিদা ভালভাবে বুঝেছেন, সেটি লেটারের প্রথমেই বোঝানোর জন্য কোন লাইন লিখতে পারেন।
গ) এবার বোঝানোর চেষ্টা করুন, আপনারে পক্ষে যে কাজটি করা সম্ভব।
ঘ) এ ধরনের কাজের ব্যপারে আপনার পূর্ব অভিজ্ঞতা উল্লেখ করুন।
ঙ) ক্লায়েন্টের রিপ্লাইয়ের জন্য আপনি অপেক্ষা করছেন, এ ধরনের কোন লাইন লিখুন।
চ) ধন্যবাদ সহকারে নিজের নাম উল্লেখ করে শেষ করেন লেটারটি।
অর্থাৎ এভাবে হবে লেটারটি।
“এই কাজ কোনো ব্যাপার না, আমি আগেও করেছি, এই দেখেন [লিংক] বা স্যাম্পল (এটাচ করা ফাইলে)”
শুধু এই লাইনটাই ইংরেজিতে লিখুন।
কভারলেটারের উদাহরণঃ
Hi,
I am interested to do your project. I can provide/collect you more than 000 facebook likes within 0 days. I have more than 0000 facebook friends and also have many facebook groups, page etc. So I think, I can do your project properly. I am waiting for your nice response.
Thanks
AR
কাজটিতে যদি বায়ারের বিশেষ রিকয়ারমেন্ট থাকে সেক্ষেত্রে রেট না কমিয়ে কাজের Sample বা পারফর্মেন্স দেখিয়ে বিড জেতার চেষ্টা করুন। অন্যদিকে যদি সহজ কাজ হয়, যেখানে আপনি বুঝতেই পারছেন বায়ার মূলতঃ কম বাজেটে কাজটি করাতে চাচ্ছে, সেক্ষেত্রে বিডের এমাউন্ট কমিয়ে দিন।
PMB (Private Message) তে লেখার ২টি নমুনা প্রদত্ত হল।
যেমনঃ I’m ready to work with your asking budget.
অথবা Please tell me your actual budget, i’m ready to work with cheap rate.
কাজ শুরু করুন
ঘণ্টাভিত্তিক কাজের ক্ষেত্রে www.odesk.com/downloads থেকে ওডেস্ক টিম সফটওয়্যারটি নামিয়ে নিন, পিসিতে ইন্সটল করুন। এবার কাজ শুরু আগে কাজটি সিলেক্ট করে Start-এ ক্লিক করুন। দেখতে পাবেন, কাজের সময় গণনা শুরু হয়ে গেছে। সফটওয়্যারটি কিছুক্ষণ পরপর আপনার কম্পিউটারের স্ক্রিণশট নিবে, সাথে সাথে সেটা আবার ক্লায়েন্টের কাছে পাঠিয়ে দিবে। কাজ শেষ হলে বায়ার যখন আপনাকে পেমেন্ট দিয়ে চুক্তি শেষ করবেন, তখন আপনার কাছে একটি নোটিফিকেশন আসবে BuyerName ended your contract ….। এবার বায়ার ফিডব্যাক দিবে, আপনাকেও দিতে হবে বায়ার সম্পর্কিত ফিডব্যাক। পূণমান ৫-এর মধ্যে এ ফিডব্যাক হয়।উভয় পক্ষ ফিডব্যাক দিলেই কেবল একজন অপরেরটা দেখতে পাবেন।
ভালো ফিডব্যাক পেলে পরবর্তীকালে বেশি কাজ পেতে সুবিধা হয়। বাজে ফিডব্যাক পেলে সেটি মুছে ফেলতে পারবেন। আপনি যদি বায়ারের পেমেন্ট ফেরত দিয়ে দেন, তাহলে আপনার প্রোফাইলে ওই বাজে ফিডব্যাক আর দেখা যাবে না। নোটিফিকেশন পেইজে Give refund-এ ক্লিক করে আপনি বায়ারকে পেমেন্ট ফেরত দিয়ে দিতে পারবেন। বায়ার আপনাকে পেমেন্ট দেওয়ার পর সেই পেমেন্ট এক সপ্তাহের মতো পেন্ডিং থেকে তারপর আপনার ওডেস্ক অ্যাকাউন্টে জমা হবে। আপনার বর্তমানে ব্যালান্স কত আছে এবং পেনডিং-এ কত আছে, সেটি জানার জন্য Transaction History-এ ক্লিক করুন।
ফ্রিল্যান্সে সফল হওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
ক) আপনার প্রোফাইল ১০০% করুন।
খ) আপনার প্রোফাইলে সুন্দর একটি Title এবং overview ঠিক করুন।
গ) আপনার Skills and Employment History ভালভাবে যুক্ত করুন।
ঘ) আপনার নিজের করা সেরা কাজগুলো (image + Link) যুক্ত করুন প্রোফাইলে।
ঙ) আপনি প্রোফাইলে যেটিতে দক্ষ উল্লেখ করেছেন, সে ধরনের কাজগুলোতে বিড করুন। যেটি বিড করতে চাচ্ছেন, সেটি প্রোফাইলে না থাকলে কাজটি পাবেননা।
চ) কাউকে কপি করবেননা। প্রোফাইল তৈরিতেও না, কভার লেটার লিখার ক্ষেত্রেও না। নকল করার ক্ষেত্রে সাবধান। আপনার একাউন্ট পযন্ত বাদ হয়ে যেতে পারে।
জ) নতুন কাজে বিড করুন। ৪ থেকে ৫ জনকে ইতিমধ্যে ইন্টারভিউতে ডাকা হয়ে গেলে সেই কাজটি পাওয়ার সম্ভবনা খুবই ক্ষীণ।
ঝ) শুরুতে ছোট ছোট কাজ করে ফিডব্যাক সংগ্রহ করুন।
ঞ) কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে ইমোশনারলি ক্লায়েন্টকে আকর্ষণ করলে কাজ পাবেননা।
ট) বিডিং রেট বাজার রেটের চাইতে অস্বাভাবিক কমালে কাজ না পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে, তাতে আপনার ব্যাপারে নেগেটিভ ধারনা পাবে।
ঠ) বিড শুরু করার আগে বায়ারের রেটিং, পেমেন্ট মেথড ভেরিফাইড কিনা চেক করে নিন।
ড) আপনার পোর্টফোলিও হালনাগাদ করুন।
ঢ) অবশ্যই আপনার স্কাইপ অ্যাকাউন্ট রেডি করুন।
ণ) ধৈয্য ও অধ্যাবসায় খুব জরুরী। একদিনে কাজ পাওয়ার আশা না করে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।
সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন। আর উপরের টিউনটিটি ভাল লাগলে আপনার ফেসবুকে শেয়ার করতে ভুলবেননা। নাহলে অন্যরা লেখাটি সম্পর্কে জানতে পারবেনা। আপনার জন্য অন্য কারও উপকার হলে সারাজীবন আপনাআপনি দোয়া পাবেন।
06/07/2015
OdesK সম্পর্কে আরো কিছু তথ্য জেনে নিই
ক্লায়েন্টকে আকর্ষণকরার মত প্রোফাইল তৈরি ও বিড করার কৌশল নিয়ে লিখব আজকে পোস্টে। আশা করি প্রথম পর্বে আপনারা ওডেস্ক সম্পর্কে ভাল ধারণা পেয়েছেন। নতুন যারা তাদের এখন আর ওডেস্কের ব্যাপারে কোন ঝামেলা থাকার কথা না। আজকে থেকে পরের ২টি পর্ব লিখব কাজ পাওয়ার ব্যাপারে।সাথে থাকুন শেষ পর্যন্ত।
কাজ পাওয়াটা নির্ভর করে ৩টি বিষয়ের উপর।
১। প্রোফাইল
২। বিডিং কৌশল
৩। কভার লেটার
১। ক্লায়েন্টকে আকর্ষণ করার মত প্রোফাইল কিভাবে সাজাবেন ?
ক) TITLE: টাইটেলে আপনি যে কাজ করতে চান সেগুলোর সুন্দরভাবে উল্লেখ করুন যাতে যে কেউ বুঝতে পারে আপনি সেকাজগুলোতে দক্ষ।এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কারন এটাই আপনার নামের সাথে সবার প্রথমে ক্লায়েন্ট দেখতে পারবে। এটা দেখে ক্লায়েন্ট পছন্দ করলে আপনার বাকি প্রোফাইল দেখতে আগ্রহ বোধ করবে।
যেমনঃ Virtual Assistant with SEO, Graphic and Web Design Experience
খ) Hourly Rate: নতুনদের বলবো একটু কম রেটে বিড করার জন্য, তবে এমন কম নয় যা মার্কেট নষ্ট হয়। সর্ব নিম্ন ৫ ডলার করবেন, তাও প্রথম ফিড ব্যাক পর্যন্ত। এর পর বাড়াতে থাকবেন।
গ) Overview: ওভারভিউ সুন্দর করে লিখবেন। ভাল ভাল প্রোফাইলগুলো দেখেন। সেগুলো থেকে আইডিয়া নিয়ে ভাল একটা ওভারভিউ লিখে ফেলেন নিজের প্রোফাইলের জন্য।
ঘ) Skill : এখানে যা যা পারেন সব যোগ করুন।
ঙ) Employment History: তে আপনার চাকুরীর অভিজ্ঞতা উল্লেখ করুন। আপনি Skill এ যা লেখছেন, সে দক্ষতার কোন কাজের উল্লেখ থাকলে ভাল হয়।
চ) Portfolio Projects : এখানে যত গুলো কাজ করেছেন সব উল্ল্যেখ করুন। ভালো ভালো প্রোফাইলে কিভাবে পোর্টফোলিও দিয়েছে দেখুন। সেই ভাবে করুন। যেমনঃ টাইটেলে ভালো একটা টাইটেল দিন, প্রজেক্ট সম্পর্কিত, ক্যাটাগরি দিবেন অবশ্যই সঠিক, প্রজেক্ট যদি লাইভ থাকে তাহলে প্রজেক্ট ইউ আর এল দিবেন, ডেট দিবেন এবং সুন্দর ডেস্ক্রিপশন লিখবেন। আপনি যে যে কাজ করেছেন টোটাল উল্ল্যেখ করবেন। কোন পি ডি এফ থাকলে সেটা উল্লেখ করতে পারেন।
ছ) Certifications : কোন সার্টিফিকেট থাকলে সেটা যোগ করবেন।
জ) টেস্টঃ আপনি যেই সংক্রান্ত কাজ করবেন সেই সম্পর্কিত সব টেষ্ট দিবেন। দয়া করে কেউ ফেইল করলে সেই টেষ্ট প্রোফাইলে দেখাবেননা।
এখানে শুধুমাত্র যেগুলো আপনার কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রভাবিত করবে, সেগুলো উল্লেখ করা হয়েছে। বাকি সবগুলো আপনার তথ্য দিয়ে অবশ্যই ১০০% করে ফেলবেন। দয়া করে ১০০% করতে কারো সাহায্য নিবেন না। অনেক ট্রেনিং প্রতিষ্ঠান প্রোফাইল ১০০% করে দেয়ার লোভনীয় অফার দেয়। এটা আপনার জন্য ভবিষ্যতে খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
২।বিডিং টিপস
ক) যে কাজটির জন্য বিড করবেন, সেটার বর্ণনা ভালভাবে পড়ে বুঝে নিন।
খ) যে কাজে বেশি বিড হয়নি, সেগুলোতে বিড করবেন, কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা প্রচুর বেড়ে যাবে। যদি আপনার প্রোফাইল নতুন হয়, তাহলে আপনার এ নিয়ম ভালভাবে পালন করতে হবে।
এখন প্রশ্ন কেন যেখানে বিড পড়েনি সেখানে বিড করব? আপনি একটু নিজেকে দিয়ে ভাবেন। আপনি যখন কোন মার্কেটে যান তখন প্রথম দোকানে মোটামুটি ভাল কোন ড্রেস থাকলে সেটা আপনার কাছে মনে হয় সবচাইতে সেরা ডিজাইন। সেজন্য আপনি
কিনে নেন। যদিও ড্রেস কিনে ফেরার পথে হয়ত অন্য আরো ভাল ড্রেস চোখে পড়তে পারে।সেটার জন্য আফসোস ও হতে পারে।
তেমনি করে আপনি যখন সবার আগে বিড করেন, তখন আপনার প্রোফাইল নতুন হলেও শুধুমাত্র উপরের নিয়মে ভালভাবে প্রোফাইল তৈরি করার কারনে ক্লায়েন্টের কাছে মনে হতে পারে কাজ করানোর জন্য সে সবচাইতে সেরা ব্যক্তিকে খুজে পেয়েছে।এজন্য আপনাকে কাজ দিয়ে দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু অনেকে বিড করলে সকল প্রোফাইলের সাথে আপনার প্রোফাইল তুলনার করার সুযোগ থাকবে বায়ারের। তখন অন্যের সাথে তুলনাতে আপনার প্রোফাইল ক্লায়েন্টের কাছে পছন্দ নাও হতে পারে।
গ) এক সপ্তাহে আপনি সর্বোচ্চ ২০টি বিড করতে পারবেন। সুতরাং আপনার এ কোটা ভালভাবে বুঝে ব্যবহার করবেন।শুধু শুধু বিড করে কোন আপনার কোটা নস্ট করে কোন লাভ নেই।
ঘ) খুব বেশি অনলাইনে থাকার চেষ্টা করুন, যাতে ক্লায়েন্ট আপনাকে কোন কারনে মেসেজ দিলে সেটার উত্তর দিতে দেরি না হয়।
ঙ) বিড করার আগে অবশ্যই ক্লায়েন্টের প্রোফাইল চেক করে নিবেন।
ক্লায়েন্টের প্রোফাইল চেক করার সময় যে যে বিষয় লক্ষ্য করবেন:
- ক্লায়েন্টের পেমেন্ট মেথড ভেরিফাইড কিনা।
- ক্লায়েন্ট এখন পযন্ত কত ঘন্টা কাজ করিয়েছে।
- আপনি যে টাইপ কাজে বিড করছেন, সে টাইপের কাজ ক্লায়েন্ট আগে করায়ে থাকলে সেটা কত রেটে করায়েছে, সেটা খেয়াল করবেন। সে অনুযায়ি বিড করবেন।
চ) আগের পর্বে ছবিতে Apply to this job নামের একটি বাটনের ছবি দেখিয়েছিলাম, সেখানে ক্লিক করুলে যে পেজ আসবে সেখানে Propose Terms নামে যে বক্স আছে সেখানে Paid to You-এর ডান পাশের বক্সে ডলারের পরিমাণ লিখুন, মানে কত ডলারে আপনি কাজটি করতে চাচ্ছেন। ঘণ্টাভিত্তিক (আওয়ারলি) কাজ হলে প্রতি ঘণ্টায় কত ডলার হারে কাজটি করতে চাচ্ছেন, তা লিখুন। তারপর Cover Letter বক্সে একটি কভার লেটার লিখুন। এ-সম্পর্কিত কোনো কাজ আগে করে থাকলে তা উল্লেখ করতে পারেন। Attachment: এ কিছু থাকলে দিতে পারেন, দিলে ভাল হবে। এখন Agree to Terms: বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে Apply to this job বাটনে ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে Yes, I Understand বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে Continue to Apply বাটনে ক্লিক করুন।
06/07/2015
Odesk শুরু করার আগে যা করবেন যেভাবেঃ
১, ওডেস্কে রেজিষ্ট্রেশনের জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করুন, https://www.odesk.com/signup/user-type । “I NEED A JOB” লেখা মেনুর নিচে “sign up” লেখা বাটনে ক্লিক করলে রেজিষ্ট্রেশন ফরম আসবে।
এ রেজিস্ট্রেশন ফরমে নির্দিস্ট ঘরগুলো পূরন করলে আপনার মেইলে একটি মেইল যাবে, সেখানে ক্লিক করে আপনার রেজিষ্ট্রেশন কনফার্ম করতে হবে।
হয়ে গেল আপনার ওডেস্ক একাউন্ট।
–এ কাজের জন্য আপনার সময় খরচ করুন সর্বোচ্চ ৩০মিনিট।
২) এবার লগইন করে ডানদিকে থাকা “Edite Profile” লিংকে ক্লিক করুন।
যে পেজ আসবে সে পেজে সব তথ্য পূলন করুন, আপনার প্রোফাইল কমপ্লিট করুন। প্রোফাইলে আপনার অতীতে করা কাজের উদাহরণ যুক্ত করুন সময় নিয়ে। এটাই ক্লায়েন্টকে আপনার প্রতি আস্থা তৈরি করবে।
১০০% কমপ্লিট করার জন্য আপনি যে কাজ করতে চান, সেই কাজের উপর টেস্ট দিন। প্রোফাইল রেডি হয়ে গেল।
— এ কাজে ব্যয় করতে পারেন সর্বোচ্চ ২ঘন্টা।
২, যেহেতু আপনি নতুন, তাই আগামী দুদিন পুরো সাইটে ঘুরাঘুরি করুন। অবশই খুবই ভালভাবে।
এ দু’দিন যা করবেন?
ক) কি কি কাজ আছে, সেগুলোর বর্ণনা দেখুন। কি ধরনের কাজ থাকে সেটার একটা ভাল আইডিয়া হয়ে যাবে।
উপরের বাম দিকে লেখা “Find Jobs” এ ক্লিক করুন। যে পেজ আসবে সেখানের বাম দিকে বিভিন্ন ক্যাটাগরি দেখতে পারবেন। যে ক্যাটাগরিতে কাজ করতে চান, সেখানে ক্লিক করুন। ডান দিকে সব কাজের লিস্ট বের হবে। সেখানে নীল রংয়ের লেখা টাইটেলে ক্লিক করুন। তাহলে অন্য একটি পেজ আসবে।
এ পেজটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। নিচে ছবির মাধ্যমে পুরো ব্যাপারটি এখানে বোঝানো হলো।
No-1 : এখানে যে কাজটি ক্লায়েন্ট আপনাকে দিয়ে করাবে সেটির বর্ণনা। সেটি ভালভাবে পড়ে দেখুন, আপনার পক্ষে করা সম্ভব কিনা।
No-2: এখানে কাজটির ওভার ভিউ দেয়া আছে। অর্থাৎ কাজটির ধরন কি? ঘন্টা ভিত্তিক হলে লিখা থাকবে “Hourly”, ফিক্সড হলে লেখা থাকবে “Fixed”। তারপর থাকে workload, duration (কতদিনের মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে), posted (কাজটি কবে পোস্ট হয়েছে)আরও অনেক কিছু আছে। পড়ে বুঝে নিতে হবে বাকিটুকু।
No-3: Preferred Qualifications: কাজটি করার জন্য ক্লায়েন্ট কিরকম যোগ্যতা লোক চাচ্ছে সেটা জানা যাবে। যেমন এ ছবিটি দেখে বোঝা যাচ্ছে Feedback Score :4.50, odesk hours : atleast 1hour না হলে একাজটি বিড করা যাবেনা।
এবার এ ছবিটির ডানের দিকে দেখা যাচ্ছে Client Activity on this Job । এখানে দেখা যাচ্ছে কত জন Applicants এখন পযন্ত কাজে বিড করেছে, কতজনকে ক্লায়েন্ট Interview এর জন্য ডেকেছে।এখান থেকে জেনে নিন বায়ারের পেমেন্ট মেথড ভেরিফা
No-4: About the Client: এখানে আপনি বায়ার সম্পর্কে তথ্য পাবেন।পেমেন্ট মেথড ভেরিফাইড কিনা, ক্লায়েন্ট এখন পযন্ত কত ঘন্টা কাজ করিয়েছে।এগুলো সহ আরো তথ্য। যেটা জেনে আপনি ক্লায়েন্টের ব্যপারে একটি ভাল ধারনা পাবেন।
No-5: আপনার একাউন্টের জন্য নির্দিষ্ট ২০টি বিড করার কোটা আছে। এ জায়গাতে আপনি দেখতে পারবেন, আপনার কোটার কয়টি এখনও বাকি আছে অর্থাৎ এখনও কয়টি বিড করার সুযোগ আছে।
No-6: এবার যদি সিদ্ধান্ত নেন বিড করার জন্য, তাহলে এখানে এসে “APPLY TO THIS JOB” বাটনে ক্লিক করুন।
আজ এ পযন্ত শেষ করলাম। উপরের তথ্য অনুযায়ি আপনার প্রস্তুতি শেষ করুন। আগামী পর্বে কাজ করা শুরু করব।
ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গড়ব কোনদিকে?
বর্তমানে আমকে অনেকেই ফেসবুকে প্রশ্ন করেন ভাইয়া আমি ফ্রীল্যান্সিং করতে চাই তো আমি কোন কাজটি শিখবো ? এই প্রশ্নের জবাবে আমি যা বলতে চাই তা হলঃ আপনাকে আগে চিন্তা করতে হবে আমি কি করতে চাই বা কি শিখতে চাই ! আমি একটা কথা আমার স্টুডেন্টদেরকে বলি যে তোমার মন যা চায় তুমি তাই কর । কেননা আপনার মন যেটা চায় না সেটা আপনি কখনোই ঠিক ভাবে করতে পারবেন না । আর যদি করেনও তাহলে সফল হতে পারবেন না ! প্রত্যেকটা মানুষ দুইটা জিনিস কে বেশী ভালবাসে আর তা হল এক তার পেশা দুই তার নেশা । আপনি হয়ত গান শুনতে পছন্দ করেন কিন্তু গাইতে নয় ! সেই রকম প্রত্যেকটা জিনিসই । গান শুনাটা হয়ত আপনার নেশা , পেশা নয় ! আপনাকে ডিসাইড করতে হবে কোনটা আপনার নেশা আর কোনটা আপনার পেশা । আপনার যদি গ্রাফিক্স ডিজাইন ভাল লাগে তার মানে এই না যে আপনি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হয়ে ফ্রীল্যান্সিং করতে পারবেন ? একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে হলে যে গুন গুলু আপনার মাজে থাকা দরকার সে গুলু আপনার মাজে আছে কিনা সেটা নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে । আপনি কি ভাল আঁকা আকি করতে পারেন ?
আপনি কি ক্রিয়েটিভ জিনিস চিন্তা করতে পারেন ? কোন ডিজাইন নিয়ে চিন্তা করতে পারেন ? এই তিনটি প্রশ্ন নমুনা মাত্র । আপনি যদি এই সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেন তাহলে আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে পারবেন । এখন কথা হল আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইনার এর ট্রেনিং করে ডিজাইনার হলেন এর কিছু দিন পর দেখা গেল আপনার কাছে আর গ্রাফিক্স ডিজাইন টা ভাল লাগছে না তখন আপনি চাইছে ন ওয়েব ডিজাইন শিখবেন আর সেই ইচ্ছা নিয়ে ওয়েব ডিজাইন শিখা শুরু করলেন ! এই ভাবে কিন্তু আপনি সফল হতে পারবেন না । আপনি যদি সফল হতে চান তাহলে আপনাকে কাজের শুরুতেই ভাবতে হবে । সবার আগে আপনার লক্ষটা কে নির্ধারণ করতে হবে । লক্ষ্য ছাড়া আপনি এগিয়ে যেতে পারবেন না , আর এগিয়ে গেলেও আপনি সফল হতে পারবেন না ! লক্ষ্য ছাড়া আপনার জীবনের সার্থকতা আসবে না ।প্রতিটা কাজ করার আগে আপনাকে নিজের কাছে প্রশ্ন করতে হবে যেঃ
• আমি কাজটি কেন করব ?
• আমার কোন কাজটি সব থেকে বেশী ভাল লাগে ?
• যেটা করব সেটা কি আমার নেশার জন্য করব নাকি পেশার জন্য করব ?
• আমি কাজটি করতে পারব কিনা ?
• কাজটি করার জন্য যেসকল গুনাবলি থাকা দরকার তা আমার আছে কিনা ?
• আমার জন্য কাজটি উপযুক্ত কিনা ?
• আমার ভবিষ্যৎ কি হবে ?
• আমার উপার্জনের মাধ্যম কি এটাই হবে নাকি সাথে অন্য কিছুও করব ?
এই প্রশ্নের গুলুর উত্তর যদি পেয়ে যান তাহলে আপনার সফলটা কেউ ঠেকাতে পারবে না ।
আপনি যদি ভাল লেখা লিখি করতে পারেন তাহলে আপনি লেখা লিখি কে ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে পারেন । আপনার যদি প্রোগ্রামিং ভাল লাগে তাহলে আপনি ওয়েব ডিজাইন অথবা ওয়েব ডেভেলপমেন্টে ক্যারিয়ার গড়তে পারেন । অনেকেই মনে করেন যে ওয়েব ডিজাইন অথবা ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজ শিখতে হলে সিএসসি এর স্টুডেন্ট হতে হয় এটা একদম ভুল ধারনা ! যারা ওয়েব ডিজাইন অথবা ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজ করে তারা সবাই কি স্টুডেন্ট? অবশ্যই নয় ! প্রায় ৭৫% ই সিএসসি এর স্টুডেন্ট নয় । চাইলে আপনি ও ওয়েব ডিজাইন অথবা ওয়েব ডেভেলপমেন্টে ক্যারিয়ার করতে পারবেন ।
আপনার যদি সার্চ ইঞ্জিন কে নিয়ে খেলা করতে ভালবাসেন তাহলে ইঞ্জিন সার্চ অপটিমাইজেশনে ক্যারিয়ার গড়তে পারেন ।
এখন শুরুটা করবেন যেভাবে ?
কাজ পেতে হলে কিছু বিষয় অবশ্যই আপনার আয়ত্তে আনতে হবে। তো চলুন দেখে নেওয়া যাক কী শিখবেন?
● ইংরেজীর গুরুত্ব নিশ্চয় আপনাকে বোঝানো লাগবে না। সুতরাং ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফলতার জন্য ইংরেজী শিখুন।
● ৩) এরপর নিচের যেকোনটা বেছে নিন , তবে যত বেশি জানবেন ততই লাভ,
ডাটা এন্ট্রির জন্য-অফিস প্যাকেজ, ওয়েব রিসার্চ, আর্টিক্যাল রাইটিং, ইউটিউব ডিটেইলস ইত্যাদি।
গ্রাফিক্স ডিজাইনিং এর জন্য- Photoshop, Illustrator , Coral Drew , In Design ।
ওয়েব ডিজাইনিং এর জন্য-ফটোশপ, HTML, CSS, Javascript, JQuery,
ওয়েব ডেভেলপিং এর জন্য-HTML, CSS, PHP, Mysql, Sql Etc.
কনটেন্ট ম্যানেজমেন্টের জন্য – WordPress & Joomla ( Basic & Advance )
কাজ কীভাবে শিখবেন, কোথা থেকে শিখবেন?
● অনলাইনে যেকোন কাজ আপনি খুব সহজেই শিখতে পারেন বিভিন্ন টিউটোরিয়ালের মাধ্যমে। টিউটোরিয়াল খুজে পেতে গুগলের সহায়তা নিন।
● ভিডিও দেখে শিখবেন। ইউটিউব ছাড়াও লিন্ডা ইত্যাদির ভিডিও টিউটোরিয়াল রয়েছে। বাংলায় তৈরি করা অনেক ভিডিও টিউটোরিয়াল ইউটিউবে আছে সেগুলু দেখেও শিখতে পারেন।
কিছু স্যাম্পল কাজ আগেই করে রাখুন
আপনি কোন কাজ করতে পারেন সেটি বায়ারকে শুধু মুখে বললেই তো আর কাজ পাওয়া যাবে না। বরং ঐ ধরনের কিছু কাজ আগে থেকে করে রেডি রাখুন এবং বায়ারকে দেখান। তবে আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। তাছাড়া বাংলা প্রবাদটি তো আপনারও জানা যে “শুকনো কথায় চিড়া ভিজে না”। কাজ পাওয়ার পূর্বশর্ত
ফ্রিল্যান্সিং ই এখন অনেকের মূল পেশা। আবার অনেকেই রয়েছেন অল্প কিছুদিন কাজ পাওয়ার চেষ্টা করে কাজ না পেয়ে হতাশাগ্রস্থ হয়ে ফ্রিল্যান্সিং-ই ছেড়ে দিয়েছেন।বিপরীতভাবে অনেকেই রয়েছেন যারা ধৈর্যের সাথে নিয়মিত চেষ্টা করে গেছেন এবং পরবর্তীতে কাজও পেয়ে গেছেন। এখন তারাই সফল ফ্রিল্যান্সার। সুতরাং একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে হলে আপনাকে অবশ্যই নিম্নোক্ত কিছু বিষয় মেনে চলতে হবে।
● আপনাকে আত্মবিশ্বাসী হতে হবে। খুব সহজেই হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়া চলবে না।
● আপনি যে ধরনের কাজ করতে চান সেসব কাজের কিছু স্যাম্পল আগেই তৈরী করে পোর্টফোলিওতে রাখতে হবে।
● আপনার দক্ষতাগুলি প্রকাশ পায় এমনভাবে সুন্দর একটি কাভার লেটার তৈরী করতে হবে।
● আপনি যে ধরনের কাজ করেন সে কাজের নিত্য নতুন ট্রেন্ডের সঙ্গে পরিচিত হতে হবে এবং সেগুলি শিখে আপনার আয়ত্তে রাখতে হবে।
আগে কাজ করুন, টাকা এমনিতেই পাবেন
আমাদের দেশ থেকে এখন লক্ষ লক্ষ ফ্রিল্যান্সার ওডেস্কে কাজ করছে এবং কোন ঝামেলা ছাড়াই তাদের টাকা হাতে পেয়ে যাচ্ছে। সুতরাং টাকা পাওয়ার ব্যাপারে দুঃচিন্তা না করলেও চলবে। তবে আপনাকে যেটি নিয়ে চিন্তা করতে হবে সেটি হচ্ছে বায়ারের রেটিং এবং কাজটি কিভাবে পাওয়া যায়। কারণ বায়ারের রেটিং ভালো হলে টাকা পাওয়ার ব্যাপারটি নিয়ে বিন্দুমাত্র ঝামেলার আশঙ্কাও নেই। আর কাজটি পেয়ে আপনি সঠিকভাবে করে দিতে পারলে পেওনার, মানিবুকার, চেক, ওয়ার ইত্যাদি অনেক উপায়েই আপনি টাকা তুলতে পারবেন। সুতরাং টাকা কিভাবে পাবেন সে চিন্তা না করে বরং কোন কাজ কীভাবে পাবেন এবং সেটি কীভাবে করবেন সেটি চিন্তা করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।
সর্বশেষ কথা হল যেটাই শিখুন না কেন ভালো করে না শিখলে কোন মূল্য নেই ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
Fakirafool, Shatabdi Center
Dhaka
1000