দুইবারে IELTS GRE, LowCGPA
..
Scholarship Funding with Low CGPA
লো সিজিপিএ পথ কঠিন, কিন্তু অসম্ভব নয়!
২.৯৮ CGPA কিছুই হবে না —এই কথাটা ভুল!
…..
25/08/2026
লো সিজিপিএ থেকে নার্সিং এর মতো সাবজেক্টে ফুল ফান্ডেড পিএইচডি অবিশ্বাস্য সাফল্য!
আবু জাফর মোহাম্মদ শালেহের পথচলাটা একটু খেয়াল করার মতো। একদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে হসপিটালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে দায়িত্ব পালন, অন্যদিকে নিজের একাডেমিক ও রিসার্চ প্রোফাইল তৈরি করে যাওয়া এই দুইটা একসাথে চালিয়ে গেছেন তিনি।
তাঁর একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ডে রয়েছে IUBAT এর
বিএসসি ইন নার্সিং এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স অব পপুলেশন সায়েন্স। এর পাশাপাশি গবেষণার কাজেও যুক্ত ছিলেন এবং তাঁর রয়েছে ৫টি রিসার্চ পাবলিকেশন।
এই ধারাবাহিকতার ফলও এসেছে। ফল ২৬ এ
যুক্তরাষ্ট্রের রাটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের নার্সিংএ ফুল ফান্ডেড পিএইচডি করার সুযোগ পেয়েছেন তিনি।
এটাই তাঁর প্রথম বড় অফার নয়। ইউনিভার্সিটি অফ
ইউটা এবং ইউভার্সিটি অব ইলিনয় শিকাগো থেকেও এডমিশন অফার এসেছে তাঁর কাছে।
আর যেটা অনেকের কাছে সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং হতে পারে, শালেহ র সিজিপিএ ছিলো ৩.০০। লাইফ সাইন্সের বেকগ্রাউন্ডের জন্য এই রেঞ্জের সিজিপিএ কে একেবারেই লো সিজিপিএ হিসেবে গণ্য করা হয়।
তাঁর অজন থেকে একটা বিষয় পরিষ্কার বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আপনার একাডেমিক রেজাল্ট গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু আপনার পুরো জানিটা তার চেয়েও বড়। আপনি কী পড়েছেন, কোথায় কাজ করেছেন, কী নিয়ে গবেষণা করেছেন, পাবলিকেশন আছে কি না সবকিছু মিলে আপনার প্রোফাইলের একটা ছবি তৈরি হয়।
তাই নিজের প্রোফাইলের একটা দুর্বল দিক দেখে পুরো স্বপ্নটা বাদ দেওয়ার আগে, বরং ভাবুন যে জায়গাগুলো শক্তিশালী করা সম্ভব, সেগুলো কীভাবে আরও ভালো করা যায়।
© Scholarship Funding with Low CGPA
24/08/2026
লো সিজিপিএ, ৮ ব্যাকলগ থেকে ফুলি ফান্ডেড PhD
সিকৃবি সাদিদ আল আমাজের অবিশ্বাস্য জার্নি!
সাদিদ আল আমাজ একজন সাধারণ শিক্ষার্থী, যার একাডেমিক প্রোফাইলে ছিল ৮টি ব্যাকলগ। কিন্তু আজ সেই সাদিদই মাত্র সাড়ে তিন বছরে পিএইচডি শেষ করেছেন, প্রকাশ করেছেন ১০টিরও বেশি ফার্স্ট অথর রিসার্চ পেপার, সম্পন্ন করেছেন পোস্টডক এবং বর্তমানে ইন্ডাস্ট্রি রিসার্চ সায়েন্টিস্ট হিসেবে কাজ করছেন।
গল্পটা শুনলে হয়তো অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে। কারণ সাদিদের যাত্রাটা শুরু হয়েছিল কোনো পারফেক্ট একাডেমিক প্রোফাইল নিয়ে নয়। সিলেট এগ্রি ইউনিভার্সিটি থেকে ডক্টর অফ ভেটেরিনারি মেডিসিনে তার সিজিপিএ ছিল ৩.০৯১/৪.০০, সঙ্গে ছিল ৮টি ব্যাকলগ। পরবর্তীতে এমএস ইন এনিমেল সাইন্সে তিনি নিজের ফলাফল অনেকটা উন্নত করেন এবং সিজি দাঁড়ায় ৩.৭১১/৪.০০। জিআরই ছিল ৩০৭ এবং আইএল্টিএস ৭.৫। তবে তার কোনো রিসার্চ এক্সপেরিয়েন্স কিংবা ওয়ার্ক এক্সপেরিয়েন্স ছিল না।
ইউএসতে পিএইচডি করার স্বপ্ন নিয়ে এরপর শুরু হয় কঠিন লড়াই। প্রফেসরদের কাছে একের পর এক ইমেইল পাঠাতে থাকেন সাদিদ। শুধু পিএইচডির জন্যই তিনি ১,১৭৩টি ইমেইল পাঠিয়েছিলেন। এর মধ্যে পেয়েছেন ৮টি ইন্টারভিউ এবং শেষ পর্যন্ত ২টি ফুলি ফান্ডেড পিএইচডি পজিশন।
কিন্তু এই সাফল্যের আগে তাকে অসংখ্য রিজেকশনের মুখোমুখি হতে হয়েছে। ইউনিভার্সিটি অফ নেব্রাস্কা লিংকন, ইউনিভার্সিটি অফ মেরিল্যান্ড, লুইসিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটি, ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অফ মেইন, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া ইউনিভার্সিটি, কানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অফ ডেলাওয়্যারসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রিজেকশন আসে। এমনও হয়েছে, প্রফেসর সাদিদের প্রোফাইল পছন্দ করেছেন, ইন্টারভিউ নিয়েছেন, গ্র্যাজুয়েট কমিটিও ইন্টারভিউ নিয়েছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত অ্যাডমিশন হয়নি।
নয়টি রিজেকশনের পর টেক্সাস টেক ইউনিভার্সিটি থেকে প্রথম অ্যাডমিশন পান সাদিদ। সেখানে এমএস উইথ পার্শিয়াল ফান্ডিংয়ের সুযোগ আসে। কিন্তু সেখানেই থেমে যাননি তিনি। চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকেন। অবশেষে ইউনিভার্সিটি অফ হাওয়াই অ্যাট মানোয়া থেকে এনিমেল সাইন্সে ফুলি ফান্ডেড পিএইচডি এর অফার পান।
কিন্তু সাদিদ আল আমাজের গল্পের আসল অধ্যায় শুরু হয় এরপর।
ইউএসতে এসে তিনি নিজের জায়গা তৈরি করতে থাকেন। তার ব্যাচের সম্ভবত দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে পিএইচডি সম্পন্ন করেন এবং ব্যাচের সবচেয়ে কম সিজিপিএ দের মধ্যে থেকেও মাত্র সাড়ে তিন বছরে পিএইচডি শেষ করেন। পিএইচডি চলাকালীন ১০টিরও বেশি ফার্স্ট অথর রিসার্চ পেপার প্রকাশ করতে সক্ষম হন, যার কিছু তখনও রিভিউয়ের মধ্যে ছিল।
এরপর পোস্টডকের জন্যও সাদিদকে নতুন করে লড়াই করতে হয়েছে। তিনি ১৮৩টি ইমেইল অ্যাপ্লিকেশন পাঠান। আর ইন্ডাস্ট্রি রিসার্চ সায়েন্টিস্ট পজিশন পাওয়ার জন্য জমা দেন ৮৭৫টি জব অ্যাপ্লিকেশন। এর মধ্যে ১০টি ইন্টারভিউ পান এবং শেষ পর্যন্ত ২টি জব অফার অর্জন করেন।
তার ব্যাচ থেকে সম্ভবত প্রথম বা দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে পোস্টডক সম্পন্ন করেন সাদিদ। একইভাবে ইন্ডাস্ট্রি রিসার্চ সায়েন্টিস্ট পজিশন অর্জন করেও নিজের ব্যাচের জন্য তৈরি করেছেন একটি অনুপ্রেরণার উদাহরণ।
সাদিদের গল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—তিনি নিজেই বলেছেন, তিনি খুব লাকি ছিলেন না, খুব ভালো স্টুডেন্টও ছিলেন না। কিন্তু তিনি ছিলেন পারসিস্টেন্ট। তিনি বারবার চেষ্টা করেছেন, রিজেকশন পেয়েছেন, হতাশ হয়েছেন, আবার নতুন করে শুরু করেছেন। কখনো হাল ছাড়েননি।
তার পুরো জার্নিটাকে যদি কয়েকটি সংখ্যায় দেখা যায়, তাহলে গল্পটা আরও পরিষ্কার—
তার পুরো জার্নিটাকে যদি কয়েকটি সংখ্যায় দেখা যায়, তাহলে গল্পটা আরও পরিষ্কার—
৩.০৯ CGPA → ৮ Backlog → ১,১৭৩ PhD Email → ৮ Interview → ২ Fully Funded PhD Offer → ৩.৫ বছরে PhD → ১০+ First Author Papers → ১৮৩ Postdoc Applications → ৮৭৫ Job Applications → ১০ Interview → ২ Job Offers → Postdoc → Industry Research Scientist.
এই গল্পটা শুধু সাদিদ আল আমাজের পিএইচডি পাওয়ার গল্প নয়। এটা একজন সাধারণ শিক্ষার্থীর অসাধারণ পারসিস্টেন্সের গল্প।
নেভার গিভ আপ। হয়তো আজকের রিজেকশনই আগামী দিনের সবচেয়ে বড় সাকসেস স্টোরির শুরু।
© Scholarship Funding with Low CGPA
রাজু’র টিশার্ট ই বলে দিচ্ছে কোনটা বেশি জরুরী!
22/08/2026
অবিশ্বাস্য ২.৭৯ CGPA থেকে ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ!
নটরডেম কলেজ থেকে পড়াশোনা করা সিয়াম একাডেমিক জীবনে ধারাবাহিকভাবে বরাবর গোল্ডেন এ+ অর্জন করেছিলেন। তাই বাংলাদেশ কৃষি
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে শেষ পর্যন্ত ২.৭৯ সিজিপিএ নিয়ে বের হওয়াটা তাঁর জন্য ছিল বড় এক ধাক্কা ছিলো। পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছিলেন, এমনকি একটা সময় ভেঙেও পড়েছিলেন।
কিন্তু আল্লাহ হয়তো তাঁর জন্য অন্য কিছু পরিকল্পনা করে রেখেছিলেন।
ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন ডিভিএমের দ্বিতীয় বর্ষে রিসার্চ এসিস্ট্যান্ট হিসেবে শুরু হয় সিয়ামের গবেষণার যাত্রা। পেরাসিটোলজি, মাইক্রোবায়োলজি, ফিজিওলজি, ফার্মাকোলজি, ভাইরোলজি, মলিকিউলার বায়োলজি এবং বায়োইনফরমেটিক্স
বিভিন্ন ক্ষেত্রে ধীরে ধীরে নিজের অভিজ্ঞতা তৈরি করেন তিনি।
এই পথচলায় তাঁর মেন্টর ড. মোহাম্মদ গুলজার হোসাইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর কাছ থেকেই সিয়াম ল্যাবরেটরি রিসার্চ এর ভিত্তি শেখেন এবং গবেষণাকে ভালোবেসে ফেলেন।
মানব ও প্রাণীর বিভিন্ন ভাইরাস নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি সিয়ামের রয়েছে ১৫টি পাবলিশ রিসার্চ আটিকেল, দুটি বুক চেপ্টারে কনট্রিবিউশন এবং পাঁচটি
ম্যানুস্ক্রিপ্ট রিভিউ এর অভিজ্ঞতা। তিনি অক্সফোর্ড বাংলাদেশ সেপসিস রিসার্চ প্রজেক্টে রিসার্চ স্টুডেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন। এছাড়াও জাপানের ফুলি ফান্ডেড সাকুরা সায়েন্স এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ এবং কাগোশিমা ইউনিভার্সিটিতে রিসার্চ ইন্টার্নশিপ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।
বাংলাদেশে চিকেন অ্যানিমিয়া ভাইরাসের প্রথম রিপোর্টে অবদান রাখার পাশাপাশি আমের বীজের শাঁসের সম্ভাব্য অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল কার্যকারিতা নিয়েও গবেষণা করেছেন সিয়াম।
পেছনে ফিরে তাকালে আজ সিয়াম বুঝতে পারেন ২.৭৯ সিজিপিএ তাঁর গল্পের শেষ ছিল না; বরং সেটিই ছিল নতুন একটি গল্পের শুরু।
আর সেই নতুন গল্পের পরবর্তী অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ায়। জিওনবুক ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে একজন প্রফেসরের সম্পূর্ণ অর্থায়নে ফিজিওলজিতে মাস্টার্স করার অফার পেয়েছেন সিয়াম।
© Scholarship Funding with Low CGPA
#পাবলিকিয়ান
ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে গুগলে!
মিম গুগলে জব পেয়েছেন। ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে পড়াশুনা করেছেন।
21/08/2026
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে কটাক্ষের জবাব দিলেন যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হয়ে!
সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ হয়নি। তাই এইচএসসি শেষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ময়মনসিংহের মুমিনুন্নিসা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগেই শুরু হয় ইসরাতের পথচলা। শুরুটা খুব সহজ ছিল না। শুনতে হয়েছে নানা কথা, পেরোতে হয়েছে সেশনজটের দীর্ঘ সময়। ২০১০ সালে শুরু করা পড়াশোনার অনার্সের ফাইনাল পরীক্ষা দিতে হয়েছে ২০১৬ সালে।
অনাস শেষ করার পর এক বন্ধুর পরামর্শে বিদেশে উচ্চশিক্ষার কথা ভাবতে শুরু করেন। অথচ তখন ইংরেজি বিভাগে পড়েও ইংরেজিতে কথা বলা কিংবা অনেক কিছু বুঝতে তাঁর সমস্যা হতো। তারপরও তিনি পিছিয়ে যাননি। নিজের দুর্বলতাগুলোকে মেনে নিয়ে এক এক করে সেগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেছেন। জিআরই দিয়েছেন দুইবার, শেষ পর্যন্ত ভালো স্কোরও অর্জন করেছেন।
এরপর শুরু হয় আরেক লড়াই কোথায় গেলে তাঁর মতো একজন শিক্ষার্থী সুযোগ পেতে পারেন? কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে জিআরই বাধ্যতামূলক নয়? ইংরেজি বিভাগের ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে কোন বিষয়ে পড়া সম্ভব? ফেসবুকের বিভিন্ন উচ্চশিক্ষাবিষয়ক গ্রুপে ঘুরে ঘুরে তথ্য নিয়েছেন, নিজে খুঁজেছেন, বুঝেছেন, আবার চেষ্টা করেছেন। সহজ কোনো রাস্তা ছিল না, কিন্তু তিনি থামেননি।
অবশেষে সেই চেষ্টার ফল আসে। যুক্তরাষ্ট্রের
ইউনিভার্সিটি অব মেমফিসের সোসিওলজি বিভাগে ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ নিয়ে মাস্টার্সে ভর্তি হন । ২০২২ সালে মাস্টার্স শেষ করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল বাংলাদেশে নারীর স্বাস্থ্য ও বৈষম্য। এরপর অন্য একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই সোসিওলজিতে পিএইচডি সম্পন্ন করেন। আর আজ, যে বিশ্ববিদ্যালয়ে একসময় শিক্ষার্থী হিসেবে গিয়েছিলেন, সেখানেই অধ্যাপক হিসেবে শিক্ষকতা করছেন।
© Scholarship Funding with Low CGPA
বায়োলজি থেকে Microsoft, Capital One এর মতো প্রতিষ্ঠানে Data Engineer—কীভাবে সম্ভব?
👉 কমেন্ট বক্সে বিস্তারিত।
20/08/2026
৯৯% শিক্ষার্থী জানেনই না—ইউরোপে এমন অবিশ্বাস্য সুযোগ এখনো লুকিয়ে আছে 👀
দেশের অলিগলিতে থাকা এজেন্সি গুলোর পেছনে ছুটতে হবে না। এতে সময় টাকা দুটোই বাঁচবে। তথ্যগুলো দিলাম নিজে একটু রিসার্চ করুন, তারপর নিজের আবেদন নিজেই করুন।
কমেন্ট বক্সে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোগ্রামের তালিকা দেওয়া আছে। কোনো প্রশ্ন থাকলে জানাবেন।
পোস্টটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন হয়তো আপনার একটি শেয়ারেই কারও উপকার হবে। আপনাদের সাপোর্ট থাকলে ভবিষ্যতে আরও প্রয়োজনীয় রিসোর্স শেয়ার করব।
আর সামনে ধাপে ধাপে ভিডিও আসবে কীভাবে এজেন্সিকে টাকা না দিয়ে নিজেই অ্যাডমিশন প্রসেস করবেন এবং স্কলারশিপের জন্য আবেদন করবেন, সেটাও দেখানো হবে।
আমাদের লক্ষ্য একটাই তথ্য সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া, যাতে শিক্ষার্থীরা নিজেরাই নিজের পথ তৈরি করতে পারে।
© Scholarship Funding with Low CGPA
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka
1000