30/05/2026
ছবিটি পাঠিয়েছেন ডালিয়া আপু। ছবিতে আছেন সবার প্রিয় সুন্দরী নাঈমা আপার সাথে ডালিয়া আপু ,কোহিনূর (রুমা), ইসরাত মির্জা। 🥰
EIIN-108138
P.O.-Chawkbazar,
P.S.- Kotwali, Dhaka. E-Mail :
[email protected] |
30/05/2026
ছবিটি পাঠিয়েছেন ডালিয়া আপু। ছবিতে আছেন সবার প্রিয় সুন্দরী নাঈমা আপার সাথে ডালিয়া আপু ,কোহিনূর (রুমা), ইসরাত মির্জা। 🥰
24/05/2026
এটি একটি অন্যরকম পোস্ট।
ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড। আইনে থাকলেও কার্যকর হতে অনেক সময় বছর লেগে যায়। অনেক বছর পর ধর্ষক আবার জামিনে বেরও হয়ে যায়। তাই রায় কার্যকরের জন্য একটা সময়সীমা থাকা উচিৎ। আর সেটা অবশ্যই অতি অল্প সময়ের মধ্যে।
20/05/2026
স্কুল লাইফে আমি কখনোই কোন খেলায় অংশগ্রহণ করতাম না। এমনকি টিফিন পিরিয়ডের কোন খেলায়ও না। নীরব দর্শকের রূপে থাকতাম।
টিফিন পিরিয়ডের সবচেয়ে কমন খেলা ছিল, বরফ-পানি আর ছোঁয়াছুঁয়ি খেলা :-D
হাসতে হাসতে পেট ব্যথা হয়ে যেত।
ডে শিফটে আমাদের টিফিন পিরিয়ড হত ২টায়। বাসা থেকে টিফিন নিয়ে গেলে সেটা দ্বিতীয় বা তৃতীয় পিরিয়ডেই শেষ করে ফেলতাম। স্যার পড়াচ্ছেন আর আমি মাথা নিচু করে ব্যাগ থেকে টিফিন খাচ্ছি ;-)
আরেকটা মজার ব্যাপার ছিল বোর্ডে নাম লেখা। অফ পিরিয়ডে ক্লাস ক্যাপ্টেন বোর্ডের সাম্নে দাড়িয়ে থাকতো। যে কথা বলত, তার নাম বোর্ডে লিখতো। পরের পিরিয়ডে টিচার এলে তাদের শাস্তি দেয়া হত :-D :-D
আমার নাম কিন্তু অনেক কম উঠতো ;-)
20/05/2026
প্রিয় আনোয়ারা স্কুলে আমাদের (আমি এবং আপু) যাত্রা হয়েছিল শ্রদ্ধেয় মোস্তাক স্যারের মাধ্যমে। ৯০ দশকের শুরুর দিকে আমাদের পুরো পরিবার গ্রাম থেকে ঢাকায় চলে আসে। স্যারের বাসার পাশের ১টি রুমে আমরা থাকা শুরু করি। প্রথমে আপুকে উনি এই স্কুলে ভর্তি করেন। এর পরের ধাপে আমিও ২য় শ্রেণিতে ভর্তির মাধ্যমে স্কুলে যাত্রা করি।
স্যারের ৩ কন্যা ছিলেন-বিন্দু আপু, সাদি আপু ও চিশতি আপু। উনারাও একই স্কুলে পড়তেন। যে কয়দিন আমরা ঐ বাসায় ছিলাম, একদম এক পরিবারের মত ছিলাম। আপুদের সাথে আড্ডা, টিভি দেখা, খেলাধুলা সবই হতো। ছোটবেলাটা অনেক সুন্দর ছিল
জানি না আপুরা আমাদের মনে রেখেছেন কিনা।
আরও একটি শোক সংবাদ। আপুদের সবার প্রিয় নূর আহমেদ স্যার গত ১৮-০৫-২০২৬ ইং তারিখে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আল্লাহ স্যারকে বেহেশত নসীব করুক, আমীন।
বিভিন্ন পুরাতন ছবিতে আপুদের অনেক কমেন্ট পেতাম স্যারকে নিয়ে। উনার সেই বিখ্যাত ডায়লগ, "বাসা কোথায়? চাংখারপুল?" সম্পর্কে স্কুল লাইফ থেকেই শুনে এসেছি। স্যারের সাথে আমার কোনো স্মরণীয় স্মৃতি নেই। তবে আপুদের কাছে শুনেছি স্যার খুব মজার মানুষ ছিলেন। স্যার পড়াতেনও অনেক ভালো।
একদিনে দুইজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষকের মৃত্যুর খবর পোস্ট করে মনটা ভারাক্রান্ত হয়ে আছে।
গতকালই জানতে পারলাম শ্রদ্ধেয় "সেলিনা জাহান বানু" আপা, কিছুদিন আগে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
আপার সাথে আমার খুব ছোটবেলার একটা স্মৃতি আছে। তখন তৃতীয় শ্রেণির ঙ শাখায় পড়তাম। আপা ছিলেন ক শাখার শ্রেণি শিক্ষক। ২য় সাময়িক পরীক্ষার ফলাফলের দিন আমাদেরকে ক শাখার সাথে বসানো হয়েছিল। শ্রেণিতে এতো বাচ্চা, সাথে অনেক হৈচৈ। আপা ক্লাস ক্যাপ্টেনদের বলেছিলেন ক্লাস ম্যানেজ করতে। আমি একটু হাবাগোবা ধরণের ছিলাম। কোনোভাবেই শোরগোল কমাতে পারছিলাম না দেখে আপা সজোরে আমার গালে থাপ্পড় দেন। লজ্জায় আমি কান্না করে দেই। অত:পর ফলাফল ঘোষণা, আমি ১ম স্থান অধিকার লাভ করি। আমার ফলাফল দেখে আপা অনুতপ্ত হন এবং আমাকে আদর করেন। তখন থেকেই আপাকে আমার অনেক পছন্দ।
বহু বছর পর পুনর্মিলনীর কাজের সময় যখন এই স্মৃতি তুলে ধরি আপার সামনে, তখন আবার আদর করে দেন আপা।
আল্লাহ আপাকে জান্নাত নসীব করুক, আমিন।
18/05/2026
''চুমকি দিবস ''
জানিনা আমার সকল বন্ধুদের চুমকি দিবসের কথা মনে আছে কিনা। আমাদের প্রতি সেমিস্টার পরীক্ষার শেষ দিনে এই দিবস পালিত হতো। নানারকমের নানা রং এর চুমকি হাতে নিয়ে একে অপরকে লাগাত। কিছু চুমকি এমন ছিল লাগালেই চুলকানি শুরু হত। তো একবার সম্ভবত ক্লাস five e 2nd term porikhkhar শেষ দিনে আমি আর হাসি দুজনে মিলে ঠিক করলাম এইবার আমরা চুমকি কে একধাপ পেছনে ফেলে রঙ এর দিকে যাবো। দুজনে মিলে বংশাল এর এক রঙ এর দোকান থেকে ৫৫৫ শক্তি সম্পন্ন লাল রঙ কিনে আনলাম। এনে দাই দের থেকে বোল বা বালতি জাতীয় কিছু একটা তে পানি দিয়ে রঙ মেশাতে লাগলাম হাত দিয়ে। পানি তে রঙ মেশানোর পর অবস্থা এই যে নিজেরাই রঙ এ মেখে একাকার। আমাদের আই কান্ড দেখে কিছু মেয়ে হাসতে লাগলও। তারপর শুরু হল আমাদের আক্রমণের পালা। সেই দিন বাসায় গিয়ে আয়নায় দেখি নিজে ই লাল রঙ এ একাকার। আম্মা ত রেগে গিয়ে বলল একি অবস্থা! এখনও কি এই ধরনের কিছু হয়?
-চৈতালি রহমান, ১৯৯৫ ব্যাচ।
18/05/2026
আমার কেনো জানি মনে হয় আগের যুগের আপুদের ড্রেসিং সেন্স এবং স্টাইলিং অনেক বেশি সুন্দর ছিল। শাড়ির সাথে এভাবে চুলের একপাশে ফুলের মালা অসাধারণ একটা সাজ।
আমি শাড়ি পরতে তেমন পছন্দ করি না। কিন্তু আপুদের শারি পরা দেখে আমারও পরতে ইচ্ছা করছে। 😁
ছবিঃ শারমিন সনি আপু।
17/05/2026
দুইজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষকের সাথে ১৯৯৮ ব্যাচ। শিক্ষকবৃন্দের নাম আপনারা বলবেন। পিছনেই দেখা যাচ্ছে কম্পিউটার রুম এবং পাশে নামাজের ঘর। দেখে মনে হচ্ছে পুরাতন সেই রাজবাড়ির মতন ভবনটি।
এইসব ছবিগুলো দেখতে আমার খুবই ভালো লাগে। মুহুর্তেই আমি পুরনো দিনে চলে যাই।
ছবি পাঠিয়েছেন মেহেরুন নেছা আপু।
17/05/2026
ছবিটা কে পাঠিয়েছিল মনে করতে পারছি না। দেখে মনে হচ্ছে আমাদের স্কুলেরই কোনো এক জায়গার ছবি।